Tag: Rajeev Chandrasekhar

Rajeev Chandrasekhar

  • Rajeev Chandrasekhar: “তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের আচরণ গণতন্ত্রের লজ্জা!” তোপ বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখরের

    Rajeev Chandrasekhar: “তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের আচরণ গণতন্ত্রের লজ্জা!” তোপ বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস রাজনীতির এক নতুন ধারার জন্ম দিয়েছে, যা হল হিংসার রাজনীতি। এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে রাজীব বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সংবিধান এবং গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে এর বিপরীত কাজ করছে। তাদের রাজনীতি এখন নতুন স্তরে পৌঁছেছে, যা সহিংসতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।”

    রাজীবের অভিমত

    রাজীব বলেন, “যাঁরা গণতন্ত্র বা সংবিধানের কথা বলছেন, তাঁরাই প্রতিদিন এর অসম্মান করছেন। সংসদে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের আচরণ গণতন্ত্রের লজ্জা। গণতন্ত্রকে এইভাবে নিচে নামাচ্ছে তৃণমূল, এর থেকে নিকৃষ্ট উদাহরণ আমরা দেখিনি।” রাজীব চন্দ্রশেখর আরও জানান, “তৃণমূল কংগ্রেস সংসদের জন্য একটি বাজে নিদর্শন তৈরি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ক্যাল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল ২০২৪-এর যৌথ সংসদীয় কমিটির সভা থেকে এক দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। জানা গিয়েছে, তিনি আলোচনার সময় অতিরিক্ত কথা বলতে চান, কিন্তু বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে আপত্তি জানান, যা একটি তীব্র বিতর্কের রূপ নেয়। এই সময় কল্যাণ জলের একটি কাচের বোতল তুলে নিয়ে টেবিলের উপর মারেন এবং আহত হন। পরে তিনি ভাঙা বোতল চেয়ারম্যানের দিকে ছুড়ে দেন, যার ফলে সভা মুলতুবি করতে হয়।

    আরও পড়ুন: বন্ধুত্বের উষ্ণতা, অনুবাদক ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা বোঝেন পুতিন!

    ওয়াকফ বোর্ডের সমালোচনা

    ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল ২০২৪-এর উদ্দেশ্য হ রেকর্ডের ডিজিটাইজেশন, কঠোর অডিট, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং অবৈধভাবে দখলকৃত ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া। ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে আয়োজিত যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠক বয়কট করার জন্য আগেই বিরোধী দলগুলির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। কর্ণাটকে সংঘটিত গুরুতর ওয়াকফ জমি কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি এই সমালোচনা করেন। কিছু রাজনীতিবিদ কীভাবে ওয়াকফ জমি কেলেঙ্কারিতে লাভবান হয়েছেন, তাও বলেন রাজীব। দরিদ্র মুসলমানদের জন্যই ওয়াকফ বোর্ডের কাজ করা উচিত। কিন্তু, ওয়াকফ বোর্ড তা করছে না বলেও অভিযোগ রাজীবের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • iPhone Hacking Alert: আইফোন হ্যাকিং নিয়ে মার্কিন সংবাদপত্রের খবর ‘আষাঢ়ে গল্প’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    iPhone Hacking Alert: আইফোন হ্যাকিং নিয়ে মার্কিন সংবাদপত্রের খবর ‘আষাঢ়ে গল্প’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সংবাদপকত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এ প্রকাশিত ভারতে আইফোন হ্যাকিং (iPhone Hacking Alert) সংক্রান্ত খবরকে ‘ভয়ানক ও বিরক্তিকর’ বলে উল্লেখ করলেন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। 

    ‘‘অর্ধেক সত্য, অলঙ্কৃত’’

    ওয়াশিংটন পোস্টের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়— হ্যাকাররা তাঁদের আইফোন টার্গেট করতে পারে বলে ভারতের কয়েকজন সাংবাদিক ও বিরোধী নেতাকে অ্যাপল সতর্কবার্তা (iPhone Hacking Alert) পাঠানোর পর নাকি কেন্দ্রীয় সরকারের রোষের মুখে পড়তে হয় নির্মাণকারী সংস্থাকে। এপ্রসঙ্গে, এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। সেখানেই মার্কিন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরকে খারিজ করেন। তিনি লেখেন, ‘‘ওয়াশিংটন পোস্টের এই ভয়ানক গল্প খারিজ করতেও বিরক্তি লাগছে। কিন্তু, কাউকে তো করতেই হবে। এই গল্পটি অর্ধেক সত্য, সম্পূর্ণরূপে অলঙ্কৃত।’’

    ৩১ অক্টোবর এসেছিল কোন অ্যালার্ট

    গত ৩১ অক্টোবর, ভারতের একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকদের আইফোনে বার্তা পাঠিয়ে অ্যাপলের তরফে জানানো হয়েছিল, যে তাঁদের ফোনকে টার্গেট করতে পারে হ্যাকাররা (iPhone Hacking Alert)। গতকাল ওয়াশিংটন পোস্ট-এ এই প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে দাবি করা হয়, এই সতর্কবার্তার পরে, বিদেশ থেকে অ্যাপলের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞকে ডেকে পাঠায় ভারতীয় সরকারি কর্তারা। প্রতিবেদনে দাবি, অ্যাপলের ওই বিশেষজ্ঞের ওপর নাকি চাপসৃষ্টি করা হয়।

    অ্যাপলের বিজ্ঞপ্তিতে কী ছিল?

    পোস্ট-এর এই খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar) জানান, প্রতিবেদনে অসম্পূর্ণ খবর ছাপা হয়েছে। এই মর্মে তিনি ৩১ অক্টোবর অ্যাপলের পেশ করা বিজ্ঞপ্তির অংশও পড়ে শোনান। পরের দিন, অ্যাপল নিজে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, এই হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সরকারের যোগ রয়েছে, এমনটা কখনই বলা যাবে না। কারণ, এই হ্যাকাররা অত্যন্ত আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে এবং তারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের আরও উন্নত করে তোলে।

    প্রতিবেদন ‘আষাঢ়ে গল্প’

    চন্দ্রশেখর জানান, অ্যাপলের (iPhone Hacking Alert) কর্তাকে ডাকা হয়েছিল ঠিকই। তবে হুমকি দিতে নয়। উল্টে তাঁকে কেন্দ্রীয় সংস্থা সার্ট-ইন শুরু করা তদন্তে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। প্রতিবেদনটিকে ‘আষাঢ়ে গল্প’ উল্লেখ করে মন্ত্রী (Rajeev Chandrasekhar) বলেন, ‘‘ওয়াশিংটন পোস্ট-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন আদতে সৃজনশীল কল্পনা এবং সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে কর্মক্ষেত্রে টোপ ফেলা ছাড়া কিছুই নয়।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: সংবাদসংস্থাগুলির কারণেই লাভ হচ্ছে বড় বড় কোম্পানিগুলির, আয়ের ভাগ দিতে হবে প্রকাশকদের, জানাল কেন্দ্র

    Digital India: সংবাদসংস্থাগুলির কারণেই লাভ হচ্ছে বড় বড় কোম্পানিগুলির, আয়ের ভাগ দিতে হবে প্রকাশকদের, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল মিডিয়ার কনটেন্ট (Digital India) বেচেই এতদিন লাভের মুখ দেখেছে বড় বড় কোম্পানি। বিশেষ করে গুগল, ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো সংবাদ সংস্থার প্রকাশিত খবর নিজেদের প্ল্যাটফর্মে দেখিয়ে প্রচুর লাভ করেছে কোম্পানিগুলি। তার বদলে সংবাদ সংস্থাগুলি কিছুই পায়নি। এই নিয়ে সংবাদসংস্থাগুলির সঙ্গে কোম্পানিগুলির বিরোধ বহুদিনের। এই অভিযোগ সরকারকেও জানিয়েছে সংবাদসংস্থাগুলি। বিচার করে দেখেছে কেন্দ্র। তাই এবার মিডিয়া হাউস ও প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিবাদ ঘোচাতে নতুন ডিজিটাল ইন্ডিয়া অ্যাক্ট (আইন) আনার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র। 
     
    বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর জানান, সংবাদ সংস্থাগুলোর থেকে কোনও খবর বা কনটেন্টের (Digital India) লিঙ্ক নিলে তাদেরও লাভের ভাগ দিতে হবে। বিনামূল্যে তথ্যের ব্যবহার করা যাবে না।

    কী অভিযোগ সংবাদসংস্থাগুলির?  

    এদেশেরও আগে এই অভিযোগে প্রথম সরব হয়েছিল মার্কিন মিডিয়াগুলি। প্রায় তিন বছর আগে এই দাবি তুলেছিল তারা। তার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওই অভিযোগ ক্রমশ জোরালে হয়েছে। অভিযোগ করা হয়, সংবাদপত্র বা ডিজিটাল মিডিয়া (Digital India) হাউসগুলি অনেক পরিশ্রম করে তাদের কনটেন্ট তৈরি করে আর সেই কনটেন্ট বিনামূল্যে নিজেদের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিয়ে ফেসবুক, গুগলের মতো বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। অনৈতিকভাবে প্রচুর পরিমাণ বিজ্ঞাপন হাতিয়ে নেওয়া হয়। কোটি কোটি টাকা মুনাফা হয় সংস্থাগুলির। কিন্তু ওই কনটেন্ট ‘শেয়ার’ করার জন্য গুগল ও ফেসবুক সংবাদমাধ্যমগুলিকে কোনও স্বত্ত্বভোগের মূল্য দেয় না, কিংবা তাদের বিজ্ঞাপনী আয়ের ভাগও দেয় না।

    আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে এ বছর মুখ্য অতিথি মিশরের রাষ্ট্রপতি 

    করোনা অতিমারির এবং লকডাউনের জেরে (Digital India) সংবাদসংস্থাগুলির আয় অনেকটাই কমে গিয়েছে। সংবাদমাধ্যমগুলি রীতিমতো লোকসানে চলছে। এই অবস্থার প্রতিকার এবং বিজ্ঞাপন জোগাড়ের ক্ষেত্রে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমানাধিকার চেয়ে সংবাদমাধ্যমগুলি নিজের নিজের দেশের সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। ভারতে অন্তত ১৭টি ডিজিটাল নিউজ মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এই বিষয়টা নিয়ে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। তাই এবার সরকারের পক্ষ থেকেও নতুন ‘আইটি আইন’ আনার কথা ভাবা হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
     
     
     
     
  • Shaadi.com: বিয়ের বাজারে সবথেকে বেশি চাহিদা কোন পাত্রের জানেন? জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Shaadi.com: বিয়ের বাজারে সবথেকে বেশি চাহিদা কোন পাত্রের জানেন? জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএএস, আইপিএস নয়, শাদি ডট কমে (Shaadi.com) সবথেকে বেশি ব্যবহৃত ‘কি ওয়ার্ড’ কী জানেন? স্টার্টআপ ফাউন্ডার। নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন এমন মানুষদেরই নাকি এখন বিয়ের বাজারে দর সবথেকে বেশি। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar)। 

    ডিজিটাল ইডিয়া সপ্তাহের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, খুব বিশ্বস্ত মাধ্যম থেকে তিনি জানতে পেরেছেন শাদি ডট কমে সবথেকে বেশি স্টার্টআপ ব্যবসায়ী পাত্রদের খোঁজ চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “খুব বিশ্বস্ত এক জায়গা থেকে জানতে পেরেছি শাদি ডট কমে আইপিএস, আইএএস, টাটা-বিড়লায় চাকুরে নয়, খোঁজা হচ্ছে স্টার্টআপ কোম্পানির মালিকদের (Startup Founder)।”

    আরও পড়ুন: বিশ্ব-বাজারের পণ্য তৈরির ভিত্তিভূমি হোক ভারত, আহ্বান মোদির

    যদিও মন্ত্রী মজা করেছেন না, সত্যিই এই কথা বলেছেন তা জানা যায়নি।

    [tw]


     [/tw]

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi ) গুজরাটের গান্ধীনগরে ডিজিটাল ইন্ডিয়া সপ্তাহ ২০২২ (Digital India Week 2022)- এর সূচনা করেছেন। এর মূল ভাবনা ভারতের কারিগরি কৌশলকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা। এই অনুষ্ঠানে তিনি আরও বিভিন্ন ডিজিটাল উদ্যোগের সূচনা করেন। প্রযুক্তির সহজ লভ্যতা ও সহজে পরিষেবা প্রদান করে জীবনযাত্রার মান সহজ করতে এবং স্টার্টআপগুলিকে উৎসাহ দিতে এই উদ্যোগগুলি চালু করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্রভাই প্যাটেল, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং শ্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। এছাড়া, রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রীরা, স্টার্টআপ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

    আরও পড়ুন: ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত, গান্ধীনগরে জানালেন মোদি

    কিছুদিন আগেই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং মন্ত্রী পল স্কালির সঙ্গে বৈঠক করেন রাজীব চন্দ্রশেখর। এই সাক্ষাৎ পর্বে মূলত নতুন ভারতের স্টার্টআপস এবং ব্যবাসায়িক উদ্যোগে নতুন নতুন যে ভাবনা-চিন্তার আমদানি হয়েছে এবং তার জেরে যে সাফল্য এসেছে সে বিষয়ে কথা হয়। এছাড়াও স্টার্টআপ-এর এই যুগে কীভাবে প্রযুক্তি একটা নির্ভরযোগ্য ও দিশা বদলে দেওয়ার হাতিয়ার হিসাবে কাজ করছে তাও তুলে ধরা হয় এই আলোচনায়।     

     

LinkedIn
Share