Tag: Rajiv Kumar

Rajiv Kumar

  • Rajiv kumar: সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার, নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে? বৈঠক সোমবার

    Rajiv kumar: সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার, নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে? বৈঠক সোমবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। যদিও নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (New Chief Election Commissioner) কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে বিহারে। পরের বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসম ও কেরলে। সেই প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হবে খুব শীঘ্রই। গোটা নির্বাচন সামলাবেন কোন ব্যক্তি তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে।

    সোমবার বৈঠকে বসবে কমিটি, উপস্থিত থাকবেন মোদি

    এ দিনই খবর সামনে আসে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। আগামী মঙ্গলবার তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, পরবর্তী নির্বাচন কমিশনার কে হবেন, তা নিয়ে আগামী সোমবারই বৈঠক বসতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল, লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, গত ২৭ জানুয়ারি পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নাম বাছাইয়ের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গড়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    ২০২২ সালের মে মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২২ সালের মে মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে (New Chief Election Commissioner) ছিলেন তিনি। এছাড়াও ২০২৩ সালের শেষের দিকে কর্নাটক, তেলঙ্গানা, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনের ব্যবস্থাপনাও তিনি করেছিলেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়। সেই ভোট পর্ব মিটতেই নিজের দায়িত্ব শেষ করলেন নির্বাচন কমিশনার। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন রাজীব কুমার। সে সময়ই তিনি বলেছিলেন যে অবসর গ্রহণের পর ৪-৫ মাস হিমালয়ে কাটাবেন।

  • Rajiv Kumar: ফের একবার ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    Rajiv Kumar: ফের একবার ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার ইভিএমে (EVM) কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। মঙ্গলবার তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট এই যন্ত্রগুলির বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে সাফাই দিয়েছে।”

    কী বললেন রাজীব কুমার? (Rajiv Kumar)

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রাজীব কুমার বলেন, “ইভিএম-এ কোনও অবিশ্বাসযোগ্যতা বা কোনও ত্রুটির প্রমাণ নেই। ইভিএমে ভাইরাস বা বাগ আনার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। ইভিএমে অবৈধ ভোটের কোনও সুযোগ নেই। কারচুপি অসম্ভব।” তিনি বলেন, “বিভিন্ন রায়ে উচ্চ আদালত এবং সুপ্রিম কোর্ট বারবার এ কথা বলেছে। এর বাইরে আর কী বলা যায়? গণনার জন্য ইভিএম সম্পূর্ণ নিরাপদ। কারচুপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

    ব্যালট সিস্টেমে ফেরা হবে না

    ইভিএমে কারচুপি করা হয় এই অভিযোগ তুলে ব্যালট সিস্টেমে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তৃণমূল-সহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এদিন সেই পরামর্শও উড়িয়ে দিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Rajiv Kumar) বলেন, “পুরনো কাগজের ব্যালট পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া অপ্রয়োজনীয় এবং পশ্চাৎমুখী। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার একটি প্রচেষ্টা।” ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেন রাজীব কুমার। বলেন, “যে কোনও অভিযোগ এবং আপত্তি যা ওঠে – তা সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে শেয়ার করা হয়। ভারতীয় ভোটাররা অত্যন্ত সচেতন। ভোটার তালিকা নিয়ে অনেক গল্প ছড়াচ্ছে, এমনকি এখনও। প্রায় ৭০টি ধাপ রয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীরা আমাদের সঙ্গে থাকেন। ফর্ম ৭ ছাড়া কোনও নাম বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।”

    আরও পড়ুন: ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার অনিতা আনন্দ, চেনেন তাঁকে?

    তিনি বলেন, “যাঁরা মহিলাদের বিরুদ্ধে অপ্রীতিকর মন্তব্য করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “লোকেরা এমন পর্যায়ে চলে যায় যে তারা নির্বাচনী কর্তাদের হুমকি দেয়। কিন্তু আমরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করি। তারকা প্রচারক ও যাঁরা রাজনৈতিক প্রচারের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের কর্তব্যই হল শিষ্টাচার বজায় (EVM) রাখা।” এর পরেই তিনি (Rajiv Kumar) বলেন, “যদি কেউ মহিলাদের সম্পর্কে কিছু বলেন, আমরা খুব, খুব কঠোর হব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • CEC: ভোটের প্রচারে মহিলাদের বিরুদ্ধে কুমন্তব্য! কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

    CEC: ভোটের প্রচারে মহিলাদের বিরুদ্ধে কুমন্তব্য! কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী জনসভায় মহিলাদের উদ্দেশে কুমন্তব্যের ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলেছে। ঠিক এই আবহে এই ধরনের ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানালেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) রাজীব কুমার। শুধু তাই নয়, এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এমনটাই জানা গিয়েছে মহারাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশন সূত্রে। জানা গিয়েছে, ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানেই মহিলাদের উদ্দেশে কুমন্তব্যের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপারদের নিয়ে ওই বৈঠকে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) মহিলাদের উদ্দেশে অবমাননাকর ভাষা প্রয়োগের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন ও নিন্দা জানান।

    কী বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC)? 

    জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে তিনি (CEC) বলেন, ‘‘রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদেরকে সেই সমস্ত কাজ এবং বক্তব্য থেকে বিরত থাকতে হবে যা মহিলাদের সম্মান ও মর্যাদাহানি করবে।’’ একইসঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের কোনও দিক যা জনগণের সঙ্গে জড়িত নয় এমন ধরনের ঘটনা টেনে প্রচারে বিরোধীদের আক্রমণ করা যাবে না বলেও বৈঠকে উল্লেখ করেন তিনি। উল্লেখ করা যাবে না। ওই বৈঠকে তিনি আরও বলেন, ‘‘বিরোধী দলের প্রার্থীদেরকে নিম্নস্তরের ব্যক্তিগত আক্রমণ কখনও করা যাবে না। একইসঙ্গে এই ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেই জন্য তিনি (Rajiv Kumar) ওই বৈঠকে জানিয়েছেন, মহিলাদের উদ্দেশে যাঁরা কুরুচিকর মন্তব্য করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    রেখার বিরুদ্ধে ফিরহাদের মন্তব্য

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে। পড়ে অবশ্য চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে বাধ্যও হন তিনি। ঠিক এই আবহে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Rajiv Kumar) মন্তব্য় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rajiv Kumar: “ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ”, ফের একবার জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    Rajiv Kumar: “ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ”, ফের একবার জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ।” ফের একবার সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। সম্প্রতি হরিয়ানা (Haryana Elections) বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারে কংগ্রেস। তার পরেই ইভিএমকে দুষতে থাকে রাহুল গান্ধীর দল। সেই প্রসঙ্গেই রাজীব কুমার জানিয়ে দিলেন, ইভিএম একশো শতাংশ ফুলপ্রুফ। তিনি বলেন, “জনগণ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তাঁদের মত দান করেন। তাই যাঁরা ইভিএম নিয়ে উদ্বিগ্ন, তাঁদের উদ্দেশে বলি, ইভিএম একশো শতাংশ নিরাপদ এবং ফুলপ্রুফ।”

    হরিয়ানা বিধানসভা (Rajiv Kumar)

    হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। তার মধ্যে ৪৮টিতেই জিতেছে বিজেপি। মাত্র ৩৭টি আসনে জয়ী হয়েছেন ‘হাত’ প্রার্থীরা। যদিও বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিত ছিল, হরিয়ানায় পরাস্ত হবে বিজেপি। ফল ঘোষণার পর দেখা যায়, ম্যাজিক ফিগারেরও বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি। এর পরেই ইভিএমকে দুষতে থাকে রাহুল গান্ধীর দল। তাদের অভিযোগ, ইভিএমে কারচুপি করে নির্বাচনে জিতেছে বিজেপি।

    নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ কংগ্রেস

    এই অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে দেখা করে কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি দল (Rajiv Kumar)। এই দলে ছিলেন হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা, অশোক গেহলট, এআইসিসি নেতা কেসি বেণুগোপাল, জয়রাম রমেশ, অজয় মাকেন, পবন খেরা এবং হরিয়ানা কংগ্রেসের চেয়ারম্যান উদয় ভান প্রমুখ। কংগ্রেসের এই প্রতিনিধি দলটি বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে নির্দিষ্ট আপত্তি-সহ আধিকারিকদের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, গণনার দিন যেখানে ইভিএমগুলিতে ফুলচার্জ থাকার কথা, সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই ইভিএমের ব্যাটারির ক্ষমতা ছিল ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ। এ ছাড়াও আরও একাধিক অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচন, বিজেপির রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    সেই সব অভিযোগেরই উত্তর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কংগ্রেসের অভিযোগ নস্যাৎ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছেন, পুরোপুরি চার্জ দিয়ে ইভিএমগুলোয় ব্যাটারি পরানো হয়। ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই এটা করা হয়। মক পোল, অ্যাকচুয়াল ভোটিং এবং কাউন্টিংয়ের সময় স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে ব্যাটারির চার্জ। তবে তাতে যে নির্বাচনের ফলে কোনও এফেক্ট পড়ে না, তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন (Haryana Elections) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Rajiv Kumar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rajiv Kumar: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন কবে, জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    Rajiv Kumar: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন কবে, জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই হয়ে যাবে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীনই একথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার আগেই (সেপ্টেম্বরের মধ্যেই) শেষ হবে উপত্যকার নির্বাচন। তবে জম্মু-কাশ্মীরে ঠিক কবে হবে বিধানসভার নির্বাচন, এবার তা জানিয়ে দিলেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। তিনি জানিয়েছেন, শীঘ্রই আয়োজন করা হবে ওই নির্বাচনের। প্রসঙ্গত, ভূস্বর্গে শেষবার বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০১৪ সালে।

    সাংবাদিক বৈঠকে রাজীব (Rajiv Kumar)

    সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজীব। সেখানেই তিনি জানান, কাশ্মীরে এবার ভোটের হার বেড়েছে তাৎপর্যপূর্ণভাবে। রাজীব বলেন, “উপত্যকার মানুষ গণতন্ত্রের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ ঠিক করতে প্রস্তুত।” এর পরেই তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে আমরা খুব শীঘ্রই বিধানসভা নির্বাচনের আয়োজন করতে চলেছি। সেখানে লোকসভায় যে হারে মানুষ ভোট দিয়েছেন, তাতে আমরা উৎসাহিত।” জম্মু-কাশ্মীরে লোকসভার আসন রয়েছে পাঁচটি। জম্মুতে ভোট পড়েছে ৫৮.৫৮ শতাংশ। আর কাশ্মীরে ৫১.০৫ শতাংশ। রাজীব (Rajiv Kumar) বলেন, “চার দশকের মধ্যে এবার লোকসভা নির্বাচনে জম্মু-কাশ্মীরে ভোট পড়েছে সর্বোচ্চ, শতাংশের হিসেবে ৫৮.৫৮।”

    ভূস্বর্গে শেষ ভোট

    ২০১৪ সালের শেষের দিকে শেষ বারের মতো বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন ভূস্বর্গের মানুষ। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বার দিল্লির তখতে ফিরে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারা বাতিল করে দেয় মোদি সরকার। এই ধারার বলে ভূস্বর্গ ভোগ করত বিশেষ অধিকার। সেই সময় বিলোপ করা হয়েছিল রাজ্যের মর্যাদাও। যদিও রাজনৈতিক অচলাবস্থার জেরে তার বছর তিনেক আগেই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা। জারি হয়েছিল রাষ্ট্রপতি শাসন। তার পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিধানসভার নির্বাচন হয়নি উপত্যকায়। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পায়নি জম্মু-কাশ্মীর।

    আর পড়ুন: “ধ্যানের মধ্যেও নিরন্তর ভেবেছি উজ্জ্বল ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    কেবল বিধানসভা নয়, অন্য কোনও ভোটও হয়নি উনিশের লোকসভা নির্বাচনের পর। দীর্ঘদিন পর এবার লোকসভা নির্বাচনে তাই হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন উপত্যকাবাসী। যার জেরে উৎসাহিত কেন্দ্রের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনও (Rajiv Kumar)। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করতে হবে বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: গণতন্ত্রের ইতিহাসে রেকর্ড, ভারতে ভোট দিয়েছেন ৬৪.২ কোটি ভোটার

    Lok Sabha Election 2024: গণতন্ত্রের ইতিহাসে রেকর্ড, ভারতে ভোট দিয়েছেন ৬৪.২ কোটি ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস সৃষ্টি করল অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। দেশে এই প্রথম নির্বাচন-পর্ব চুকে যাওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠক করলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তিন কর্তা। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের নির্বাচনের দিকে নজর ছিল তামাম বিশ্বের। কত মানুষ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেন, কত প্রাণ বলিদান হয়, রক্ত ঝরে কিনা, মূলত এসবের দিকেই নজর ছিল বিশ্ববাসীর।

    বিশ্ব রেকর্ড (Lok Sabha Election 2024)

    এবার লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে ভারত। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, এবার ভোট দিয়েছেন ৬৪.২ কোটি ভোটার। জি৭-এর সদস্য দেশগুলির মোট ভোটারের চেয়ে দেড় গুণ বেশি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পুনর্নির্বাচন হয়েছিল ৫৪০টি আসনে। এবার হচ্ছে মাত্র ৩৯টি। গত চার দশকের মধ্যে এবার সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে জম্মু-কাশ্মীরেও। রাজীব বলেন, “উপত্যকার মানুষ গণতন্ত্রের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ ঠিক করতে প্রস্তুত। এবার প্রথম হিংসা হয়নি ভোটে। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরার মতো জায়গায় আগে কী হত, তা আপনারা দেখেছেন, এবার শান্তিপূর্ণ ভোট করার জন্য দু’বছর ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কাজটা খুব একটা সহজ ছিল না।”

    বাজেয়াপ্ত টাকার পরিমাণ

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “এবার লোকসভা নির্বাচনে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা। এটাও কমিশনের তৎপরতার ফল। আগে কীভাবে টাকা ছড়ানো হত, মদ-শাড়ি দেওয়া হত, তা আপনারা দেখেছেন। দক্ষিণ ভারতে কীভাবে টাকা দেওয়া হত, তাও দেখেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা ভুয়ো খবর নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম। এবার অবশ্য সেভাবে কিছু হয়নি। কৃত্রিম মেধা দিয়ে ভুয়ো ছবি-ভিডিও সেভাবে ছড়ায়নি। নির্বাচনী বিধিভঙ্গ নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছিল ৪৯৫টি। এর মধ্যে ৯০ শতাংশেরই সমাধান করা হয়েছে। অনেক বড় নেতাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”

    আর পড়ুন: জয়জয়কার বিজেপির-ই, ভবিষ্যদ্বাণী সাট্টা বাজারেরও

    ভোট গণনা-পর্বেও ভুল হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানান রাজীব। বলেন, “ভোটগণনা খুবই বলিষ্ঠ একটি প্রক্রিয়া। দেশে মোট সাড়ে ১০ লাখ বুথ রয়েছে। ৩০-৩৫ লাখ পোলিং এজেন্ট থাকবেন বাইরে। থাকবে নজরদারি দলও। থাকবেন গণনা অফিসাররা। কোনও ভুল হতেই পারে না। সিসি ক্যামেরা থাকবে। মানুষের ভুল হতেই পারে, তবে গণনায় কারচুপির কোনও সম্ভাবনাই নেই (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajiv Kumar: “সন্দেহ সৃষ্টি করা কিছু মানুষের কাজ”, বললেন রাজীব কুমার

    Rajiv Kumar: “সন্দেহ সৃষ্টি করা কিছু মানুষের কাজ”, বললেন রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেহ সৃষ্টি করা কিছু মানুষের কাজ। তবে একথা বলতে পারি আমাদের সিস্টেম খুব স্ট্রং।” শনিবার ষষ্ঠ দফার নির্বাচনের শেষে কথাগুলি বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। তিনি বলেন, “কেবল আজ বলতে আজ নয়, গত ৭০-৭২ বছর ধরেই সিস্টেম স্ট্রং রয়েছে।”

    স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আর্জি খারিজ (Rajiv Kumar)

    গত পাঁচ দফার নির্বাচনে বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে, সেই তথ্য প্রকাশ করা হয় এদিন। এরই একদিন আগে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আর্জি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।  সংস্থার দাবি ছিল, প্রতিটি বুথে কত ভোট পড়ছে, তা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ওই আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পরের দিনই নির্বাচন কমিশনের কর্তার (Rajiv Kumar) এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভোটদানের হার জানাতে ডেটা ফরম্যাট করবে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা থাকবে প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের চূড়ান্ত ভোটার সংখ্যা।

    কী বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার?

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন ছিল। শেষমেশ শীর্ষ আদালত রায় দিয়ে দিয়েছে।” এর পরেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমি কেবল এটুকুই বলতে পারি এ ব্যাপারে কোনও ভুল নেই। কোনও ভুল হতেও পারে না। তার পরেও কেন সন্দেহ দানা বাঁধবে? সেগুলো কীভাবে সৃষ্টি করা হচ্ছে? ভোট এবং ভোট-আবহের ওপর কীভাবে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, কীভাবে আমাদের সম্পূর্ণ শক্তি ডাইভার্ট হয়ে যাবে, তা সবার জানা প্রয়োজন। একদিন দেশবাসীকে আমরা এ ব্যাপারে সব বলব।”

    আর পড়ুন: “আমার ছেলেকে মেরে দেবে, নিয়ে যাও”, হিরণের হাত ধরে কাতর আর্জি মহিলার

    কোনও একটি লোকসভা কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে, তা শতাংশের হিসেবে প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। যদিও প্রতি দফায় প্রকৃতপক্ষে কত ভোট পড়েছে, কমিশন যাতে সেটাই জানায় সেই আবেদন নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে কমিশনকে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ওয়েবসাইটে ফর্ম ১৭-সি আপলোড করুন। এই ফর্ম পূরণ করলেই জানা যাবে প্রতিটি বুথে কত ভোট পড়েছে (Rajiv Kumar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।      

     

  • Lok Sabha Election 2024: ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে ভোট দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার

    Lok Sabha Election 2024: ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে ভোট দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভোটগ্রহণ পর্বে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) হার সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের আর্জি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায়ের পর সেই বিষয়েই মন্তব্য করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajib Kumar)। শনিবার ষষ্ঠ দফায় দিল্লিতে ভোট দিতে এসে রাজীব কুমার জানান, এ বছর লোকসভা ভোট যথেষ্ট শান্তিপূর্ণভাবে এগোচ্ছে। এর মধ্যে ভোট দানের হার প্রকাশিত না হওয়ায়াই ভালো। এতে ভোটারদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

    তিন প্রজন্মের একসঙ্গে ভোটদান 

    এদিন রাজীব কুমার তাঁর বাবা, স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে এসে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন প্রতিটি নাগরিকের জন্য ভোট দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি জানান তার বাবার সাথে প্রথম ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, “তিন প্রজন্ম একসঙ্গে ভোট দেওয়াটা গর্বের বিষয়।” একই সঙ্গে তিনি এ দিন সেই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত প্রত্যেকজন ভোটারকে ভোটদানে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন।

    আরও পড়ুন: প্রথম কোনও ভারতীয় কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী হলেন, ইতিহাস কলকাতার অনসূয়ার

    কমিশনের প্রশংসা 

    এদিন রাজীব কুমার জানান প্রথম পাঁচ দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) যথেষ্ট ভালোভাবে নিজের দায়িত্ব সামলেছে কমিশন। একই সঙ্গে কমিশনের প্রশংসা করে  তিনি বলেন, ভোটের জন্য কমিশনের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ রাজ্যে ভোটদানের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। জানা গিয়েছে, ষষ্ঠ দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) দেশের ৬টি রাজ্য ও ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৮৮৯ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেছে ১১.১৩ কোটিরও বেশি ভোটার। ষষ্ঠ দফায় বিহারের ৮টি, হরিয়ানার ১০টি, জম্বু কাশ্মীরের ১টি, ঝাড়খণ্ডের ৪টি, দিল্লির ৭টি, ওড়িশার ৬টি, উত্তরপ্রদেশের ১৪ টি এবং পশ্চিমবঙ্গের ৮ টি আসনে ভোটগ্রহন হয়েছে। একই সঙ্গে ওড়িশার ৪২ টি বিধানসভা কেন্দ্রেও এদিন ভোটগ্রহণ হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chief Election Commissioner: প্রাণহানির আশঙ্কা! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chief Election Commissioner: প্রাণহানির আশঙ্কা! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। তাই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) রাজীব কুমারকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা। জানা গিয়েছে, রাজীবের নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের ৪০-৪৫ জন রক্ষী। সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা। রাজীবকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সুপারিশও করা হয়। তার পরেই আজ, মঙ্গলবার থেকেই রাজীবের নিরাপত্তায় তৈরি হয়েছে বলয়। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক হুমকির কারণে রাজীবের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

    রাজীবের নিরাপত্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের যাওয়া-আসা মায় চব্বিশ ঘণ্টা দিল্লিতে ও তাঁর অফিসে থাকার সময়ও এই জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তিনি কোথাও সফরে গেলেও, তাঁর নিরাপত্তার বলয় থাকবে অটুট। এবার লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ শুরু হবে ১৯ এপ্রিল। এদিন দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন হবে এ রাজ্যের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার আসনেও। নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখতে কার্যত দেশ চষে বেড়াতে হবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে। তদন্তকারী একাধিক সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ই হামলা হতে পারে রাজীবের ওপর। এই তথ্য পাওয়ার পরেই রাজীবকে (Chief Election Commissioner) জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রক।

    আরও পড়ুুন: শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতের তাৎপর্য

    রাজীব কুমার

    ১৯৮৪ সালের ব্যাচের প্রাক্তন আইএএস রাজীব। ২০২২ সালের ২৫ মে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। তার আগে ছিলেন নির্বাচন কমিশনার। ওই পদে তিনি যোগ দিয়েছিলেন ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর। তিনি দেশের ২৫তম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এবার রক্তপাতহীন নির্বাচন করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। সেই কারণেই সাত দফায় হচ্ছে নির্বাচন। মোতায়েন করা হচ্ছে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাংলার প্রতিটি বুথে থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। সাহায্য নেওয়া হবে এআই প্রযুক্তিরও। পাঞ্জাবের ভোটেও থাকবে এসব ব্যবস্থা। এসব কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই রাজীবের ওপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা (Chief Election Commissioner)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: রবিবারই রাজ্যে আসছে ফুল বেঞ্চ, কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    Loksabha Vote: রবিবারই রাজ্যে আসছে ফুল বেঞ্চ, কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই, দেশে বেজে যাবে নির্বাচনের দামামা। তার আগে, রবিবার রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এসবের মধ্যেই বকেয়া জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোনায়াই এখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কমিশনের।

    রবিবার রাজ্যে কমিশনের ১৩ সদস্যের টিম

    রাত পোহালেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। কমিশন সূত্রে খবর, ৩ মার্চ রাত সাড়ে দশটা নাগাদ কলকাতায় আসছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। তবে দুপুর নাগাদ রাজ্যে পা রাখবেন ইসি, ডেপুটি ইসি, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সদস্য সহ মোট ১৩ জন সদস্য। রবিবার দুপুর আড়াইটে থেকে চারটের মধ্যে তাঁরা কলকাতায় আসবেন বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে (Loksabha Vote)। ফুল বেঞ্চের সদস্যদের মধ্যে থাকছেন অরুণ গোয়েল, ধর্মেন্দ্র শর্মা, নীতেশ ব্যাস প্রমুখ। সেক্ষেত্রে ৩ মার্চের বৈঠক রাজীব কুমারের অনুপস্থিতিতেই হতে পারে। তবে, পরের দিনের যে বৈঠক, তার সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকছে বলেই জানা গিয়েছে।

    আগামী ২ দিন পর পর বৈঠক কমিশনের

    সূত্রের খবর, সোমবার ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবে কমিশন। এই বৈঠকের পরেই হবে জেলাশাসক ও পুলিশ অফিসারদের নিয়ে আলাদা বৈঠকে বসবে কমিশন। পুলিশ কমিশনার, ডিভিশনাল কমিশনার, আইজি-রা থাকবেন সেই বৈঠকে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কমিশন পৃথক বৈঠক করবে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি-র সঙ্গে (Loksabha Vote)।

    কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    এই পরিস্থিতিতে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা চিন্তায় ফেলেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং রাজ্য প্রশাসনকে। তার কারণ, এক সপ্তাহ আগেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে নির্দেশ দিয়েছিল ফুল বেঞ্চ রাজ্যে আসার আগে যেন অতি অবশ্যই জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানাকে শূন্যতে পৌঁছে দেওয়া হয়। অর্থাৎ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রয়েছে যাদের বিরুদ্ধে তাদেরকে গ্রেফতার করা (Loksabha Vote)। সেই মোতাবেক গত সপ্তাহের শুক্রবার রাজ্যের সব জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং নোডাল অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করে উক্ত নির্দেশকে কার্যকর করতে বলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। যখন এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তখন সংখ্যাটা ছিল লক্ষাধিক যা এই মুহূর্তে ৪৬ হাজারের কাছাকাছি বলেই জানা গিয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এক্সিকিউটেড জামিন অযোগ্য মামলার সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩৬৬।

    গতকালই রাজ্যে চলে এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এদিকে, গতকালই রাজ্যে চলে এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটারদের (Loksabha Vote) মধ্যে ভয় দূর করতে এবং সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোট ঘোষণার আগে কমিশনের এমন পদক্ষেপ কার্যত নজিরবিহীন। কমিশনের সিদ্ধান্তেই বোঝা যাচ্ছে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক। এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। সূত্রের খবর, জামিন অযোগ্য ধারায় মামলার সংখ্যা কমানোর বিষয় নিয়ে রাজ্য পুলিশ যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ নিচ্ছে। যাতে ভোটাররা ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন এবং নিজেদের ভোট দিতে পারেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share