Tag: raju bista

raju bista

  • Raju Bista: “কেন্দ্র টাকা দিলেও তৃণমূলের দুর্নীতির জন্য জল পাচ্ছেন না মানুষ”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    Raju Bista: “কেন্দ্র টাকা দিলেও তৃণমূলের দুর্নীতির জন্য জল পাচ্ছেন না মানুষ”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনগণের থেকে ট্যাক্স (Tax) নিয়ে জনগণকে জল না দিলে রাজ্য জনস্বাস্থ্য কারিগরি (PHE) দফতরের ইঞ্জিনিয়ারদের ওপর আইনের ডান্ডা চলবে। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ফাঁসিদেওয়ার (Fasidewa) গ্রামীণ এলাকায় জনসংযোগ যাত্রা করেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ রাজু বিস্তা (Raju Bista)। ভোট প্রচারে এলাকাবাসী মুখে জলের কষ্টের কথা শোনার পর রাজু বিস্তা PHE ইঞ্জিনিয়ারদের এই ভাষায় সতর্ক করেন।

    কেন একথা বললেন রাজু বিস্তা?

    এদিন ভোট প্রচারে ফাঁসিদেওয়া ব্লকের চটহাট, লেউসিপাকুরি, জালাসনিজনমতারা সহ বিস্তীর্ণ এলাকা চষে বেড়ান রাজু বিস্তা। প্রায় প্রতিটি জায়গাতেই বাসিন্দারা বিদায়ী সংসদের কাছে এলাকার দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সমস্যার(Water Scarcity)  কথা তুলে ধরেন। একথা শোনার পর রাজু বিস্তার বলেন, “গ্রামের ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকার প্রয়োজনীয় টাকা রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে দিয়েছে। কিন্তু সেই টাকায় দুর্নীতি (Scam) হয়েছে। PHE ইঞ্জিনিয়াররা মানুষের ঘরে জল পৌঁছে দেননি। তাই আমি বলছি  জনগণের টাকায় জনগণকে জল দিতে হবে।  তা নাহলে ওই ইঞ্জিনিয়ারদের উপর আইনের ডান্ডা চলবে। আমি যতটা ভদ্র ভাবে কথা বলি কাজের ক্ষেত্রে তার থেকে আরও বেশি কঠোর পদক্ষেপ করি।”

    আরও পড়ুন: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে,” কোচবিহারে কড়া হুঁশিয়ারি মোদির

     গরু চুরি নিয়েও সরব বিজেপি প্রার্থী

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত (Border) লাগোয়া ফাঁসিদেওয়ার গ্রামগুলিতে প্রতিদিনই গরু চুরির (Cattle Smugling) অভিযোগ রয়েছে। প্রায় প্রতি রাতেই গৃহস্থের গোয়াল থেকে গরু চুরি হয়ে যাচ্ছে।  এদিন প্রচারে বিদায়ী সাংসদকে  গ্রামবাসীরা তাদের এই সমস্যার কথাও জানান। এ প্রসঙ্গে রাজু বিস্তা বলেন,  “প্রতিদিনই ফাঁসিদেওয়ার এই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গরু চুরি হয়। পুলিশ এর সঙ্গে যুক্ত না থাকলেই এটা সম্ভব নয়। যেভাবে গরু চুরি সহ অন্যান্য চুরির ঘটনা বেড়েই চলেছে তাতে এই জেলাকে চুরির জেলা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। তাই পুলিশ প্রশাসনকে আমি এ ব্যাপারে সতর্ক করছি, গরু চুরি বন্ধ করার ব্যাপারে নিরপেক্ষ ভূমিকা নেওয়ার জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: বিমল গুরুঙ্গকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন রাজু বিস্তা, পাহাড়ে জনজোয়ার

    Darjeeling: বিমল গুরুঙ্গকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন রাজু বিস্তা, পাহাড়ে জনজোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা পাহাড়ের বেতাজ বাদশা বিমল গুরুঙ্গকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন দার্জিলিং (Darjeeling) লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা। বুধবার বিদায়ী সাংসদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পাহাড়ে জনজোয়ার নেমেছিল। যা তৃণমূলের পাহাড় জয়ের স্বপ্ন ধাক্কা খেল বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

     কেন তৃণমূলের পাহাড় জয়ের স্বপ্নে ধাক্কা? (Darjeeling)

    পাহাড়ের (Darjeeling) রাজনীতিতে এখন কর্তৃত্বে রয়েছে অনিত থাপার দল। বিমল গুরুং প্রশাসনিক ক্ষমতার বাইরে থাকায় তাঁর জনভিত্তি নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন ছিল। সেই জায়গায় জিটিএ ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক তরফা জেতা অনিত থাপার দলের সঙ্গে জোট করে ভোটে লড়ায় তৃণমূল দার্জিলিং আসনে এবার জয়ের স্বপ্ন পূরণের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে উঠেছিল। কিন্তু, এদিন রাজু বিস্তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর্বে দার্জিলিংয়ের রাস্তায় যে জনসমুদ্র দেখা যায় তাতে দুটি দিক পরিষ্কার হয়েছে, এক, বিমল গুরুঙ্গের জনভীত্তি এখনও অটুট। দুই, বিজিপির প্রতি পাহাড়বাসীর আস্থা বেড়েছে বৈ কমেনি। যা তৃণমূলের কাছে বড় ধাক্কা।

    পাহাড়ের এই জনজোয়ার দেখে কী বললেন রাজু বিস্তা?

    এদিন দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) পৌঁছে সোজা মহাকাল মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন রাজু বিস্তা। তারপর দার্জিলিংয়ের চৌরাস্তায় পথসভা করেন। একই মঞ্চে বিমল গুরুঙ্গ, রোশন গিরি, উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে চৌরাস্তা। জন সমুদ্রে সকলের হাতে  বিজেপি এবং বিমল গুরুঙ্গের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার পতাকা।  এই জোটের প্রতি পাহাড়বাসীর যে সমর্থন রয়েছে তা এই জনজোয়ার প্রমাণ করেছে বলে দাবি করেন রাজু বিস্তা। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে আমি লড়াই করছি না। মানুষ লড়াই করছে। দার্জিলিং আসনের এই পবিত্র জন্মভূমিতে আমাকে গত পাঁচ বছর সাংসদ বানানোর জন্য এখানকার মানুষের কাছে আমি ঋণী, কৃতজ্ঞ। দ্বিতীয়বার  আমাকে সাংসদ করার সিদ্ধান্ত এখানকার মানুষ নিয়ে ফেলেছেন। এদিন যেভাবে মানুষ আমাকে স্বাগত জানিয়ে সমর্থনের ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিলেন তা আমি মনে রাখব। 

    পাহাড়ের আমজনতা পাহাড়বাসী ও পর্যটকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন রাজু বিস্তা

    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া নিয়ে এদিন পাহাড়ের মানুষ যেমন রাস্তায় নেমেছিল সেরকম সমতল থেকেও গাড়ির লম্বা কনভয় উঠেছে পাহাড়ে। সে কারণে এদিন পাহাড়ে যানজট তৈরি হয়। রাজু বিস্তা বলেন, প্রচুর মানুষ এসেছে আমার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য। এতে পাহাড়ের রাস্তায় যানজট হয়েছে।  এতে পাহাড়ের পড়ুয়া, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বহু পর্যটকদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এজন্য আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ঝড়ে গুরুতর আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হল কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Jalpaiguri: ঝড়ে গুরুতর আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হল কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সঙ্কটজনক রোগীর উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা উত্তরবঙ্গের কোনও সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেই। তাই জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়িতে ঝড়ে জখমদের চিকিৎসার জন্য নার্সিংহোমে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা বলতে হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

     কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? (Jalpaiguri)

    রবিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়িতে ঝড়ের তাণ্ডবে সব লন্ডভন্ড হয়ে যায়। মৃত্যুর ঘটনার পাশাপাশি অনেকে গুরুতর জখম হয়েছেন। সেই শহর বিধ্বস্ত এলাকা দেখতে রবিবার রাতেই চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ি যাওয়ার পথে  বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে। সরকারের তরফে সব দেখা হচ্ছে। অনেকে গুরুতর জখম হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য শিলিগুড়িতে নেউটিয়া নার্সিংহোমে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    উত্তরবঙ্গে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি, মানলেন মুখ্যমন্ত্রী

     বেসরকারি হাসপাতালে জখমদের ভর্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট, গত ১৩ বছরে রাজ্যের  সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির যে কথা বলা হয় তা প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করে ওয়াকিবহাল মহল ও বিজেপি। তাদের কথায়, উন্নয়নের নামে ঝাঁ-চকচকে বিল্ডিং হয়েছে। কিন্তু, সেখানে না আছে ডাক্তার, না আছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম। ফলে, উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় সঙ্কটজনক রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতাল ছাড়া যে কোনও উপায় নেই তা মুখ্যমন্ত্রীও জানেন। এবার প্রকাশ্যে তা স্বীকার করলেন।

     কী বলছে বিজেপি?

    দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিদায়ী  সাংসদ এবারও বিজেপির প্রার্থী যথাক্রমে রাজু বিস্তা ও ডাঃ জয়ন্ত রায় বলেন, ৫৫ বছরের পুরানো উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওপর মুখ্যমন্ত্রী ভরসা রাখতে পারছে না। তাহলে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে কী কাজ করেছেন। অথচ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সুপার স্পেশালিটি ব্লক তৈরির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছিল। সেই টাকায় বিল্ডিং তৈরি হয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জামও এসেছে। কিন্তু, রাজ্য সরকার চুক্তি মতো ডাক্তার দিতে পারেনি। নানা অজুহাতে সেই সুপার স্পেশালিটি ব্লক এখনও চালু করতে পারেনি। জয়ন্ত রায় বলেন, কারও কারও বাণিজ্য করার জন্যই এই সুপার স্পেশালিটি ব্লক পুরোপুরি চালু করা হচ্ছে না।

    মিথ্যার ফানুস ফেটে গিয়েছে, তোপ শুভেন্দুর

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে বলেন, গত ১৩ বছর ধরে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের রাজত্বে মালদহ থেকে আলিপুরদুয়ার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি বেহাল। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সহ কোথাও নিউরো সার্জেন নেই। তাই অনেক হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টার খোলা হলেও সেখানে চিকিৎসা হয় না। তবু মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতারা প্রচার করেন, রাজ্যে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। ময়নাগুড়ির ঘটনায় সেই মিথ্যার ফানুস ফেটে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Naxalbari: বিজেপি সাংসদের উদ্যোগে প্রথম দূরপাল্লার ট্রেন পাচ্ছে নকশালবাড়ি, কোন ট্রেন জানেন?

    Naxalbari: বিজেপি সাংসদের উদ্যোগে প্রথম দূরপাল্লার ট্রেন পাচ্ছে নকশালবাড়ি, কোন ট্রেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের মানচিত্রে বহুদিন আগেই যুক্ত হয়েছিল নকশালবাড়ি (Naxalbari) স্টেশন। কিন্তু, দূরপাল্লার ট্রেন সেখানে দাঁড়ায় না। নকশালবাড়ির মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গাড়ি ভাড়া করে এনজেপি গিয়ে দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে হয়। এবার সেই দুর্ভোগ মিটতে চলেছে। ২৬ মে, শুক্রবার থেকে শিয়ালদহ-আলিপুরদুয়ার কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস নকশালবাড়ি স্টেশনে দাঁড়াবে। পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজের উদ্বোধন করবেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। এটিই হবে নকশালবাড়িতে (Naxalbari) প্রথম দূরপাল্লার কোনও মেল ট্রেনের স্টপেজ।

    ঐতিহাসিক গুরুত্ব হারিয়ে অবহেলায় নকশালবাড়ি

    কৃষকের অধিকার রক্ষায় ঐতিহাসিক নকশালবাড়ি (Naxalbari) আন্দোলনের এই পীঠস্থান উন্নয়ন ও প্রসারে সেভাবে গুরুত্ব পায়নি। নকশালবাড়ি আন্দোলনের ইতিহাস বহনকারী এই জায়গার জনসংখ্যা বেড়েছে। অবস্থানের দিক থেকেও এই অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ। রয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্ত। কিন্তু সেভাবে বাণিজ্যিক প্রসার ও কর্মসংস্থান হয়নি। নকশালবাড়ি আন্দোলনের অন্যতম নেতা কানু সান্যালের কমিউন ভেঙে ভেঙে পড়ছে। ঐতিহাসিক গুরুত্ব হারিয়ে নকশালবাড়ি (Naxalbari) এখন চরম অবহেলায় পড়ে রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই নকশালবাড়ি নিয়ে মোদির ভাবনা

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকেই নকশালবাড়িকে (Naxalbari) তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুযায়ী গড়ে তোলার স্বপ্ন ছিল নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল বিজেপির। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিলিগুড়ির কাছে মাটিগাড়ায় একটি জনসভা করেছিলেন। সেখানে নকশালবাড়ির ঐতিহাসিক গুরুত্ব উল্লেখ করে এই অঞ্চলের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। দার্জিলিংয়ের সাংসদ হওয়ার পর বিজেপির সুরেন্দ্র সিং আলুওয়ালিয়া নকশালবাড়ির হাতিঘিসাতে একটি গ্রাম দত্তক নিয়েছিলেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকায় পানীয় জল, রাস্তাসহ বেশ কিছু সমস্যার সমাধান হয়। তারপর দার্জিলিংয়ের সাংসদ হন বিজেপির রাজু বিস্তা। উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি নকশালবাড়িতে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ানোর ব্যাপারে উদ্যোগ নেন। সেইমতো এবার কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস নকশালবাড়িতে পরীক্ষামূলকভাবে স্টপেজ দেবে, এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল।

    খুশির হাওয়া নকশালবাড়িতে (Naxalbari)

    খুশির হাওয়া নকশালবাড়ির (Naxalbari) সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী মহলে। নকশালবাড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নিখিল ঘোষ বলেন, “কলকাতার ট্রেন নকশালবাড়িতে দাঁড়ালে এই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। ব্যবসায়ীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবে। এখানকার ছোট ব্যবসায়ীদের কলকাতা থেকে জিনিস আনতে হয়। এনজেপিতে নেমে তারপরে গাড়ি করে আসতে হয়। কাঞ্চনকন্যা এখানে দাঁড়ালে আমরা সরাসরি নকশালবাড়িতে জিনিস নিয়ে নামতে পারব”।

    কী বলছেন  বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপির নকশালবাড়ি (Naxalbari)-মাটিগাড়ার বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছি। রাজ্যের তৃণমূল সরকার এখানকার কোনও উন্নয়ন করেনি। আমাদের উদ্যোগে নকশালবাড়িতে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের স্টপেজ পরীক্ষামূলকভাবেই শুরু হচ্ছে। আশা করি এটা স্থায়ী স্টপেজ হবে। এখানকার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ, যাঁরা চিকিৎসা ও অন্যান্য কাজে কলকাতায় যান, তাঁদের আর শিলিগুড়িতে গাড়ি ভাড়া করে গিয়ে ট্রেন ধরতে হবে না। এই অঞ্চলের কাছে এটা বড় প্রাপ্তি। নানা ধরনের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠবে। সবদিক দিয়েই নকশালবাড়ি (Naxalbari) আরও সমৃদ্ধ হবে”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat Express: বাংলাকে প্রাক-নববর্ষের উপহার প্রধানমন্ত্রীর! এ রাজ্যেও চলবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, জানুন কবে

    Vande Bharat Express: বাংলাকে প্রাক-নববর্ষের উপহার প্রধানমন্ত্রীর! এ রাজ্যেও চলবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, জানুন কবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make In India) স্বপ্ন বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে (Vande Bharat Express)। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে এই এক্সপ্রেস ট্রেন। ইতিমধ্যেই দেশের বেশ কয়েকটি রুটে চলছে সেমি হাইস্পিডের এই ট্রেন। এবার চলবে বাংলায়ও। জানা গিয়েছে, হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি রুটেই চলবে প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসটি। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের ৩০ তারিখে এই ট্রেনের যাত্রার সূচনা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেটা হলে, এটাই হবে বাংলাকে প্রধানমন্ত্রীর প্রাক নববর্ষের উপহার।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস…

    প্রযুক্তিগত দিক থেকে শুরু করে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ, সব দিক থেকেই বিশ্বের আধুনিক ট্রেনগুলিকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে সেমি হাইস্পিডের বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন, ২০২৩ সালের ১৫ অগাস্টের মধ্যে ভারতজুড়ে চলবে ৭৫টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে এ দেশে প্রথম চলে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। প্রধানমন্ত্রীর লোকসভা কেন্দ্র বারাণসী ও দিল্লির মধ্যে প্রথম ছুটেছিল এই ট্রেন। ট্রেনটির গতিবেগ বেঁধে দেওয়া হয়েছে ১৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। তবে রেলওয়ে ট্র্যাক ঠিক থাকলে গতিবেগ বাড়ানো যেতে পারে ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত। হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছতে এখন সময় লাগে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা। বন্দে এক্সপ্রেস এই পথই অতিক্রম করবে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টায়।

    আরও পড়ুন: গ্রুপ ডি নিয়োগেও মোটা টাকার লেনদেন! আজ থেকেই ইডি তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    বাংলায় প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস যে চলবে, সে কথা জানান দার্জিলিংয়ের সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত। শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংসদ বলেন, যখন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করা হবে, তখন মানুষ অনেক দ্রুত নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন। তিনি বলেন, এটা এই অঞ্চলের (উত্তরবঙ্গ) উন্নয়নের ক্ষেত্রে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করবে। সূত্রের খবর, ট্রেনটি হাওড়া থেকে ছাড়তে চলেছে সন্ধ্যে নাগাদ।

    এদিকে, রেলমন্ত্রকের আশ্বাস, পূর্ব ভারতে অন্তত পাঁচটি রুটে চলবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। আগামীতে হাওড়া-রাঁচি, হাওড়া-ঝাড়সুগুদা, হাওড়া-ভুবনেশ্বর, হাওড়া-পাটনা রুটেও পরবর্তীতে চালানো হবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। মন্ত্রকের এক কর্তার মতে, মূলত পর্যটক ও সময় বাঁচাতে চাওয়া ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখেই চালু হবে এই পরিষেবা। রেল সূত্রে খবর, কয়েকটি রুটে শতাব্দী এক্সপ্রেসের বদলে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে শতাব্দীর পাশাপাশি চলবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Raju Bista: তৃণমূলের হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতা স্পষ্ট, বৈঠক প্রসঙ্গে রাজু বিস্তা

    Raju Bista: তৃণমূলের হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতা স্পষ্ট, বৈঠক প্রসঙ্গে রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যর (Ashok Bhattacharya) বাড়িতে সোমবার কালীপুজোর সন্ধ্যায় যান বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা (Raju Bista) ও বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সেই সাক্ষাতের একটি ছবি সামনে এনে তৃণমূল তাদের মুখপত্রে দাবি করা হয়েছে, অশোক ভট্টাচার্যকে বাড়িতে গিয়ে বিজেপির সাংসদ, বিধায়ক বলে এসেছেন, “সরকার ফেলে দেব। সঙ্গে থাকুন।” এই চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে আসতেই উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। যদিও এই দাবিকে ‘ঠুনকো’ বলে অভিহিত করেছেন অশোক ভট্টাচার্য।   

    এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। একটি প্রেস রিলিজে তিনি বলেন, “তৃণমূলের জমানায় যেখানে সাধারণ সৌজন্য বিরল, সেখানে তৃণমূলের কর্মীরা সিপিআইএমের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। শিলিগুড়ির বিধায়ক, প্রাক্তন মেয়র, প্রাক্তন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যের সঙ্গে গতকাল আমার দীপাবলির শুভেচ্ছে বিনিময় হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে আমাদের এই বৈঠককে ‘নতুন সেট আপ’ প্রমাণ করার মরিয়া চেষ্টা করা হচ্ছে। এ থেকেই তৃণমূলের হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতা স্পষ্ট। তৃণমূল হয়তো ভুলে গিয়েছে প্রবীণদের সম্মান করা এবং উত্সবের সময় তাদের আশীর্বাদ চাওয়া আমাদের সমাজ এবং সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ।” 

    আরও পড়ুন: দৈনিক ৫ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমোচ্ছেন? নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো! 
     
    তিনি আরও বলেন, “যখন আমাদের দেশ এবং বিশ্বজুড়ে মানুষরা দীপাবলি এবং কালীপুজো উদযাপন করছে, তখন অনেক তৃণমূল নেতা জেল খাটতে বাধ্য হয়েছেন। আরও অনেকেই সেই পথেই হাঁটছেন। কেউ শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতি মামলায়, কেউ গরু চোরাচালান মামলায়, কেউ কয়লাপাচার মামলায়, কেউ ধর্ষণ ও কেউ হত্যা মামলায় জড়িত থাকার কারণে জেলে রয়েছেন। তৃণমূল নেতা- কর্মীদের ব্যাপক দুর্নীতি, খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে সন্ত্রাস ছড়ানোর মধ্যে দিয়েই তৃণমূল দলটির নীতি ও আদর্শ প্রতিফলিত হয়। আর এই কারণেই তৃণমূল নেতাদের একমাত্র উদ্দেশ্য সর্বদা ক্ষমতায় থাকা এবং জনসাধারণের তহবিল লুটপাট করা। আজ ওরা নিজের ছায়াকেও ভয় পাচ্ছেন। এমনকি তাঁরা জানে, তাদের দুর্নীতি এবং অত্যাচারী শাসনের অবসান হতে চলেছে। জনসাধারণের তহবিল লুটপাট এবং নিরপরাধদের  হত্যা করে গড়া তাসের ঘরটি ভেঙে চুরমার হতে চলেছে। আর সেই কারণে তারা সবকিছুকে রাজনৈতিক রঙে রাঙিয়ে  দিতে মরিয়া। সবকিছুতে রাজনীতি না দেখে, কেন এমন শুভ উৎসবের সময়ও কেউ তাদের নেতাদের ডাকেনি সে সম্পর্কে তাদের ভাবা উচিৎ।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Raju Bista: জিটিএ নির্বাচন অবৈধ, রুখবই! সাফ জানালেন রাজু বিস্ত

    Raju Bista: জিটিএ নির্বাচন অবৈধ, রুখবই! সাফ জানালেন রাজু বিস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিটিএ নির্বাচন (gta election) রুখবই। শুক্রবার জোর গলায় জানিয়ে দিলেন পাহাড়ের সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত (Raju Bista)। জিটিএ নির্বাচনকে অবৈধও ঘোষণা করেন রাজু। এদিনই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য সরকার (Bengal govt)। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এহেন মন্তব্য রাজুর।

    ২৬ জুন জিটিএ নির্বাচন হওয়ার কথা। জিটিএ ভোটের বিরোধিতায় পাহাড়ের সিংমারিতে অনশন করছেন মোর্চা নেতা বিমল গুরুং (Bimal Gurung)। বিমলের সুরে সুর মিলিয়ে জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতা করলেন এবার রাজুও। তিনি বলেন, জিটিএ নির্বাচন অবৈধ। কারণ হিসেবে রাজু বলেন, জিটিএ চুক্তি ছিল ত্রিপাক্ষিক। তাই কেন্দ্র এবং চুক্তির একটি পক্ষ মোর্চাকে এড়িয়ে এক তরফা নির্বাচন করা যাবে না।

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    এদিন শিলিগুড়ির নকশালবাড়িতে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন রাজু। সেখানেই জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। বিজেপি সাংসদ বলেন, আগে পাহাড় সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত। কয়েক দশক ধরে পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয় না। কার্শিয়াং ও কালিম্পং পুরসভার নির্বাচন এখনও বাকি। এমতাবস্থায় এসবে নজর না দিয়ে রাজ্য সরকার গায়ের জোরে জিটিএ নির্বাচন করিয়ে নিতে চাইছে। তাঁর অনুগামীদের পাহাড়ের মসনদে বসাতে চাইছেন। আমি এসব নিয়ে দিল্লিকে রিপোর্ট দিচ্ছি। সর্বশক্তি দিয়ে এই নির্বাচন রুখব। তাঁর মতে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিটিএ নির্বাচন করিয়ে একটি অবৈধ বিষয়কে টেনে তোলার চেষ্টা করছে রাজ্য। রাজ্য সরকারের এই চেষ্টা তৃণমূল সরকারের হতাশা এবং আমাদের অঞ্চল ও জনগণের প্রতি তাদের স্বৈরাচারী মনোভাব উভয়ই প্রদর্শন করে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার জোর করে জিটিএ চাপিয়ে দিতে চাইছে।

    আরও পড়ুন : ফের পরিবারতন্ত্রের প্রতি কটাক্ষ মোদির

    রাজু বলেন, গত ২০ বছর ধরে রাজ্য সরকার আমাদের অঞ্চলে ভোট করেনি। এভাবে জনগণকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। পঞ্চায়েত সম্পর্কিত উন্নয়ন তহবিল ও বিভিন্ন প্রকল্পে আমাদের অঞ্চলকে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত ভোট করেনি। এখন জিটিএ চাপিয়ে দিচ্ছে।

    পাহাড়ে গণতন্ত্র নেই বলেও অভিযোগ করেন সাংসদ। বলেন, এই অঞ্চলে গণতন্ত্র নেই। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভোট হয় না। রাজুর অভিযোগ, ভোট হয় তৃণমূলের ক্যাডারদের কাজে লাগিয়ে। বিজেপি সাংসদ বলেন, এটা সকলের কাছে স্পষ্ট যে, জিটিএ দার্জিলিং পাহাড়, তরাই এবং ডুয়ার্সের মানুষের সুবিধার জন্য নয়। এটি আমাদের অঞ্চলের মানুষের আকাঙ্খা পূরণ করতে পারে না। আমাদের অঞ্চলের উন্নয়নও করতে পারে না। তৃণমূলের শাসনে আমাদের এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি। বরং ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। আমরা বৈষম্যের শিকার। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আমাদের অঞ্চল ও মানুষের উন্নতির জন্য কখনও আন্তরিক নয়।

     

LinkedIn
Share