Tag: Rajya Sabha Election 2024

Rajya Sabha Election 2024

  • Rajya Sabha: ১২টি আসনের উপনির্বাচনে ১১টিতেই জয়, রাজ্যসভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠ এনডিএ

    Rajya Sabha: ১২টি আসনের উপনির্বাচনে ১১টিতেই জয়, রাজ্যসভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠ এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভাতেও (Rajya Sabha) পাল্লা ভারী হল এনডিএ (NDA) জোটের। মঙ্গলবার সংসদের উচ্চকক্ষের উপ-নির্বাচনে বিজেপির ৯ জন নির্বাচিত হন৷ এছাড়া শরিক দলেরও দু’জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন৷ একমাত্র তেলঙ্গানার আসনটিতে বিনা লড়াইয়ে জিতলেন কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। স্বাভাবিক ভাবে, এবার উচ্চকক্ষে সহজে বিল পাশ করতে পারবে কেন্দ্রীয় সরকার ৷

    বিল পাশে সুবিধা

    রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) এনডিএ শিবিরের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ফলে বিজেপি সহজেই ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাশ করাতে পারবে৷ বিলটি যুগ্ম সংসদীয় কমিটি (জেপিসি) খতিয়ে দেখছে৷ রাজ্যসভার ১২টি আসনের উপনির্বাচনে এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফলাফল নির্ধারিত হয়ে যায় এর মধ্যে ১১টিতেই জয় পায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ (NDA)। এ বারের ১২ আসনের উপনির্বাচনের ফলে ২৪৫ আসনের রাজ্যসভায় ৯৬-এ পৌঁছে গেল বিজেপি। এনডিএ পৌঁছল ১১২-তে। নির্দল এবং মনোনীত সদস্যদের ধরলে সংখ্যাটি পৌঁছচ্ছে ১২১-এ। আটটি আসন বর্তমানে শূন্য। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছুঁয়ে ফেলল মোদি সরকার। এর ফলে শীতকালীন অধিবেশনে বিভিন্ন বিল পাশ করাতে সুবিধা পাবে সরকার পক্ষ। 

    কতটা তাৎপর্যপূর্ণ এই সংখ্যা?

    জুলাই অবধিও, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র পক্ষে রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) কিছু পাশ করানো কঠিন ছিল। কারণ, সেই সময়, সংসদের উচ্চকক্ষে মোদি সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। বিজেপির সংখ্যা কমে ৮৬ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, এখন এই উপনির্বাচনের পর, সংখ্যা এক লাফে বেড়ে ৯৫ হয়েছে। আর এনডিএ পৌঁছে গেল ১২১-এ। এবার, আরও ৪ মনোনীত সদস্যকে যুক্ত করতে পারলে এই সংখ্যা আরও বেড়ে হয়ে যাবে ১২৫। এছাড়া, এমনিতেই আরও ৬ মনোনীত সদস্য এবং এক নির্দল প্রার্থীর সমর্থন পাবে এনডিএ সরকার। ফলত, ২৪৫-আসনের রাজ্যসভায় সরকারের শক্তি বেড়ে দাঁড়াবে ১৩২। ফলে, এখন গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করানোর জন্য বিজেডি বা ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সমর্থনের প্রয়োজন নেই মোদির। 

    জয়ী প্রার্থী কারা

    কোনও বিরোধিতা ছাড়াই যাঁরা রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) নির্বাচিত হলেন- রাজস্থানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু, মধ্যপ্রদেশের জর্জ কুরিয়েন, কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি তেলঙ্গানা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন৷ বিজেপির অসম থেকে মিশন রঞ্জন দাস, রামেশ্বর তেলি, বিহার থেকে মনন কুমার মিশ্র, হরিয়ানা থেকে কিরণ চৌধুরি, মহারাষ্ট্রের ধীরাশীল পাটিল, ওড়িশার মমতা মোহন্ত এবং ত্রিপুরার রাজীব ভট্টাচার্য৷ ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির নিতিন পাটিল মহারাষ্ট্র থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছেন ৷ রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার নেতা উপেন্দ্র কুশওয়াহা বিহার থেকে রাজ্যসভায় গিয়েছেন৷ এই দু’টি দলই বিজেপির শরিক ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পাঁচ আসন সহ ১৫টি রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) মোট ৫৬টি আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এই ৫৬টি আসনের বর্তমান সাংসদের মধ্যে ৫০ জনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিলেই। বাকি ৬ জনের মেয়াদ শেষ হবে ৩ এপ্রিল। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মোট ৫টি রাজ্যসভার আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশের ৩, বিহারের ৬, ছত্তিশগড়ের ১, গুজরাতের ৪, হরিয়ানার ১, হিমাচল প্রদেশের ১, কর্নাটকের ৪, মধ্যপ্রদেশের ৫, মহারাষ্ট্রের ৬, তেলঙ্গানার ৩, উত্তরপ্রদেশের ১০, উত্তরাখণ্ডের ১, ওড়িশার ৩ এবং রাজস্থানের ৩ আসনে ভোট হবে এই দফায়।

    নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানালো (Rajya Sabha Election) ?

    নির্বাচন কমিশন সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্যসভার (Rajya Sabha Electoin) শূন্য হতে চলা আসনগুলির জন্য ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১৬ ফেব্রুয়ারি জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ২০ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা ও ফলপ্রকাশ করা হবে। বাংলার ক্ষেত্রে রাজ্যসভার যে ৫ টি আসনের সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে , তাঁরা হলেন নাদিমুল হক, আবিররঞ্জন বিশ্বাস, সুভাশিষ চক্রবর্তী, শান্তনু সেন ও অভিষেক মনু সিংহভি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, ৪টি আসনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ায় রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে তৃণমূলের ৪ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। পঞ্চম আসনটি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবার ওই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে বিজয়ী হয়েছিলেন অভিষেক মনু সিংভি। এবার প্রধান বিরোধী দল বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বাড়ায় তারা পঞ্চম আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিধানসভার সাপেক্ষে জয় কতটা নিশ্চিত?

    বিধানসভা সূত্রের খবর, বর্তমানে খাতায়কলমে তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ২১৬। এছাড়া অন্য দল থেকে আসা বিধায়ক মিলিয়ে সেই সংখ্যা ২২৫। সেক্ষেত্রে বিধায়কের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। রাজ্যে বিজেপির যেহেতু ৬৭ জন বিধায়ক রয়েছে তাই একটি আসন বিজেপি প্রার্থী দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই প্রশ্ন উঠছে অভিষেক মনু সিংভিকে নিয়ে। গতবার কংগ্রেসের প্রার্থী সিংভিকে সমর্থন জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস ফের তাঁকে প্রার্থী করবে কিনা বা সেক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস কী অবস্থান নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কংগ্রেসকে কী ভোট দেবে তৃণমূল?

    লোকসভা ভোটের আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি প্রদেশ কংগ্রেস। তৃণমূল ইতিমধ্যে দুটি আসন ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। আসন ভাগাভাগি নিয়ে প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে রাজ্যে এসেছিল এআইসিসি প্রতিনিধি দল। অবশ্য বঙ্গ কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শাসকদলের হাত ধরলে চলবে না। তাই লোকসভা ভোটে যদি তৃণমূলের হাত না ধরে কংগ্রেস, তবে তার প্রভাব রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) ভোটে পড়তে পারে। যদিও অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে তৃণমূলের সস্পর্ক ভালো। আইনজীবী সিংভি তৃণমূল হয়ে মামলাও লড়েন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাতে গররাজি হবে না দল। আবার দলের একাংশের মতে, অন্য দলের প্রার্থীকে সমর্থন না করে নিজের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election 2024: রোখা গেল না ক্রশ ভোটিং, হিমাচলে হার কংগ্রেস প্রার্থী সিংভির

    Rajya Sabha Election 2024: রোখা গেল না ক্রশ ভোটিং, হিমাচলে হার কংগ্রেস প্রার্থী সিংভির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার হল রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election 2024) ১৫টি আসনে নির্বাচন। ৫৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪১জন জিতে গিয়েছিলেন আগেই। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন বিভিন্ন দলের ওই ৪১জন। বাকি আসনগুলিতে হয়েছে নির্বাচন। এই আসনগুলি উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক ও হিমাচল প্রদেশের।

    নজরে উত্তরপ্রদেশ

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে রাজ্যসভার আসন খালি ছিল ১০টি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপি জিতেছে সাতটিতে। তিনটিতে জয়ী হতে পারে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। কর্নাটকে রাজ্যসভার আসন রয়েছে চারটি। প্রার্থী পাঁচজন। এখানে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে তিনটি আসনে। বিজেপি জিতেছে একটিতে। কংগ্রেসের তরফে জয়ী হয়েছেন অজয় মাকেন, জিসি চন্দ্রশেখর এবং সঈদ নাসির হুসেন। আর পদ্ম প্রতীকে জয়ী হয়েছেন নারায়ণসা কে ভাণ্ডেজ। মাকেনও জিতেছেন ক্রশ ভোটিংয়ের জেরে। বিজেপি বিধায়ক এসটি সোমশেখর ভোট দিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থীকে। ভোট দানে বিরত ছিলেন শিবরাম হেব্বার।

    হিমাচলে দোদুল্যমান কংগ্রেস!

    হিমাচল প্রদেশে (Rajya Sabha Election 2024) ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। তা সত্ত্বেও এখানে মুখ থুবড়ে পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। বিজেপির চেয়ে তাদের বিধায়ক সংখ্যাও ঢের বেশি। তা সত্ত্বেও বিজেপি প্রার্থী হর্ষ মহাজন জয়ী হয়েছেন ক্রশ ভোটিংয়ের জেরে। এখানে হর্ষর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিংভি। তাঁকে জেতাতে হুইপ জারি করেছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। তার পরেও রোখা যায়নি ক্রশ ভোটিং। সিংভি বলেন, “গতকাল রাত থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগেই লাগু সিএএ আইন! নোটিশ জারি কবে জানেন?

    তবে হর্ষকে অভিনন্দন জানান সিংভি। তিনি বলেন, “হর্ষ মহাজনকে অভিনন্দন জানাই। উনি জয়ী হয়েছেন। আমি শুধু ওঁর দলকে একটি কথাই বলতে চাই, আয়নায় নিজেদের দেখুন। এক নৈশভোজেই মানুষ পাল্টে যায় ভাবলে তা মূর্খের দুনিয়ায় বাস করার সমতুল।” প্রসঙ্গত, ১৩টি জেলায় ৫০টি রাজ্যসভা আসনের সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২ এপ্রিল। ওড়িশা ও রাজস্থানের ছয় রাজ্যসভার সাংসদ অবসর নেবেন ৩ এপ্রিল (Rajya Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election 2024: জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, আজ তিন রাজ্যের ১৫ আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন

    Rajya Sabha Election 2024: জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, আজ তিন রাজ্যের ১৫ আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যে রাজ্যসভার ১৫টি আসনের জন্য আজ মঙ্গলবার হতে চলেছে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে, ১০টি আসনে লড়াই হবে উত্তরপ্রদেশে। পাশাপাশি নির্বাচন হচ্ছে হিমাচল প্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কর্নাটকেও। উত্তরপ্রদেশে ১০টির মধ্য ৭টি আসনে বিজেপি প্রার্তীর জয় নিশ্চিত। অষ্টম আসনেও অঙ্কের বিচারে কিছুটা এগিয়েই রয়েছে পদ্ম শিবির। কর্নাটকেও লড়াই চলছে। হিমাচলের একটি আসনেও প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। সেখানে ক্রস ভোটিং হতে পারে বলে অনুমান রাজনীতির কারবারিদের। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ৫টা থেকে শুরু হবে গণনা।

    উত্তরপ্রদেশের সমীকরণ

    সংখ্যার হিসাবে উত্তরপ্রদেশের সাতটি আসনে বিজেপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। সমাজবাদী পার্টি (এসপি) শিবিরের তিন প্রার্থীর জয় চলতি মাসের গোড়া পর্যন্ত নিশ্চিত ছিল। সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় লোক দলের এনডিএ-তে যোগদান এবং দু’জন এসপি বিধায়কের প্রকাশ্যে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণার পরে ছবিটা পাল্টে গিয়েছে। বিজেপি প্রথমে সাত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও, বিরোধী শিবিরের দোলাচল দেখে অষ্টম আসনেও প্রার্থী দিয়েছে। বতর্মানে ৪০৩ আসনের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় চারটি আসন খালি। ভোট দেবেন ৩৯৯ জন বিধায়ক। রাজ্যসভায় এক জন প্রার্থীকে জিততে পেতে হবে ৩৭টি ভোট। আট প্রার্থীকে জেতাতে বিজেপির প্রয়োজন ২৯৬টি ভোট। তাঁদের পক্ষে ২৮৬টি ভোট নিশ্চিত। এছাড়াও বাকি ১০টি ভোট পাওয়ার ক্ষেত্রেও আশাবাদী গেরুয়া শিবির। এসপি-র দুই বিধায়ক ইতিমধ্যেই বিজেপিকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন।  এই পরিস্থিতিতে চাপে রয়েছেন অখিলেশ যাদব। নিজেদের তিন প্রার্থীকে জেতাতে সমাজবাদী পার্টির প্রয়োজন ১১১টি ভোট। তাদের বিধায়ক সংখ্যা ১০৮ হলেও অনেকে দলের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে বিজেপিকে ভোট দেবে বলে জানিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে ধাক্কা কংগ্রেসে, ঝাড়খণ্ডের একমাত্র সাংসদ গীতা কোড়া গেলেন বিজেপিতে

    কর্নাটকেও ভোট

    চারটি আসনের মধ্যে কংগ্রেসের তিনটি এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপির একটিতে জেতার কথা। কিন্তু আর এক বিরোধী দল জেডিএসের সঙ্গে জোট বেঁধে দু’টি আসনে লড়তে নেমেছে পদ্মশিবির। কংগ্রেসের অজয় মাকেন, সৈয়দ নাসির হুসেন এবং জি সি চন্দ্রশেখর ভোটে লড়ছেন। বিজেপি-র প্রার্থী নারায়ণসা ভেন্ডেজ। কর্নাটকে ২২৪ জন বিধায়ক। এর মধ্যে কংগ্রেসের ১৩৫ জন। বিজেপি-র ৬৬ এবং জেডিএসের ১৯ জন। তিনজন প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত করতে গেলে ১৩৫ জনেরই ভোট প্রয়োজন কংগ্রেসের। একটি ভোটও বিরোধী শিবিরের দিকে ঝুঁকলে কপাল পুড়বে কংগ্রেসের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় নির্বাচিত নাড্ডা, শমীক সহ বিজেপির ২০ প্রার্থী

    Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় নির্বাচিত নাড্ডা, শমীক সহ বিজেপির ২০ প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাজ্যসভার (Rajya Sabha) ৫৬টি আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। ইতিমধ্যে ৪১টি আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। যারমধ্যে ২০ জন প্রার্থী রয়েছেন গেরুয়া শিবিরের। বাকি কংগ্রেসের ৬ জন, তৃণমূল কংগ্রেসের ৪ জন, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ৩ জন, আরজেডি এবং বিজেডি থেকে ২জন এবং এনসিপি, শিবসেনা, বিআরএস এবং জেডিইউ থেকে একজন করে প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) পৌঁছে গেলেন বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও। গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় এলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডাও।

    রাজ্যসভায় শমীক, মঙ্গলবারই নেন শংসাপত্র

    প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার ছিল রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। বিকেল তিনটে নাগাদ মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হয়। এরপরেই বিজেপির প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্য বিধানসভায় আসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা উত্তরবঙ্গের বিধায়ক দীপক বর্মন ও বিধায়ক মনোজ টিগ্গা। রিটার্নিং অফিসারের ঘরে ঢুকে জয়ের শংসাপত্র নেন শমীক। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে রাজ্যে বিরোধী দল হয় বিজেপি। এটা নিয়ে গেরুয়া শিবিরের ২ জন গেলেন রাজ্যসভায় (Rajya Sabha)। এর আগে রাজ্য থেকে অনন্ত মহারাজকে রাজ্যসভার মনোনয়ন দিয়েছিল বিজেপি। রিটার্নিং অফিসারের ঘর থেকে বেরিয়ে শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, “আমি রাজ্যের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। তাঁরা আমাদের দলকে এতটা শক্তি দিয়েছে যে, এ রাজ্য থেকে বিজেপি নিজেদের রাজ্যসভার সাংসদ পাঠাতে পারছে। এ ছাড়াও আমার দল ও দলের বিধায়কদের ধন্যবাদ জানাব, আমাকে মনোনীত করা ও সমর্থন জানানোর জন্য।”

    গুজরাট থেকে জয়ী জেপি নাড্ডা

    গুজরাট থেকে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পৌঁছলেন রাজ্যসভায় (Rajya Sabha)। তিনি ছাড়াও যশোবন্ত সিং পারমার, মায়াঙ্ক নায়ক এবং গোবিন্দভাই ঢোলাকিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। রাজস্থান থেকে বিজেপির চুন্নিলাল গারাসিয়া এবং মদন রাঠোর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র থেকে, বিজেপির মেধা কুলকার্নি এবং অজিত ঘোপচাড়ে, শিবসেনার মিলিন্দ দেওরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। উত্তরাখণ্ড থেকে বিজেপি প্রার্থী মহেন্দ্র ভাট, হরিয়ানার সুভাষ বারালা, ছত্তিসগড় থেকে দেবেন্দ্র প্রতাপ সিং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। প্রসঙ্গত বর্তমানে উচ্চকক্ষে বিজেপির ৯৩ জন সাংসদ রয়েছেন যেখানে কংগ্রেসের রয়েছেন ৩০ জন। রাজ্যসভার (Rajya Sabha) সাংসদরা ৬ বছরের জন্য নির্বাচিত হন এবং এটি একটি স্থায়ী সভা যা কখনও ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। প্রতি দু বছরে এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর গ্রহণ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share