Tag: Rajya sabha elections

Rajya sabha elections

  • JP Nadda: গুজরাট থেকে নির্বাচিত হয়েছেন নাড্ডা, ছাড়লেন হিমাচলের রাজ্যসভার পদ

    JP Nadda: গুজরাট থেকে নির্বাচিত হয়েছেন নাড্ডা, ছাড়লেন হিমাচলের রাজ্যসভার পদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র কয়েকদিন আগেই গুজরাট থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হন নাড্ডা। এর পাশাপাশি হিমাচল থেকেও তিনি নির্বাচিত সাংসদ। আগামী এপ্রিলেই সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে। জানা গিয়েছে, গুজরাট থেকে নির্বাচিত রাজ্যসভা সাংসদ হিসাবে শপথ নেওয়ার আগে তাই হিমাচলে পূর্বতন পদ ছাড়লেন তিনি। রাজ্যসভার সংসদীয় বুলেটিনে বলা হয়েছে, “হিমাচল প্রদেশ রাজ্যের প্রতিনিধিত্বকারী রাজ্যসভার নির্বাচিত সদস্য শ্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা (JP Nadda), রাজ্যসভায় তাঁর আসন থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং তাঁর পদত্যাগ ২০২৪ সালের ৪ মার্চ, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান গ্রহণ করেছেন।”

    হিমাচলে সংকটে কংগ্রেস সরকার

    প্রসঙ্গত, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি হিমাচলপ্রদেশে একটি মাত্র রাজ্যসভা আসনের ভোটাভুটিতে ক্রস ভোটিং হয়। যার দৌলতে ওই রাজ্যের শাসকদল কংগ্রেসকে হারিয়ে জয়ী হয় বিরোধী দল বিজেপি। হিমালয়ের কোলে ওই রাজ্যে এরপর থেকেই সরকার বদলের জল্পনা তৈরি হয়েছে। কংগ্রেস বিধায়কদের মধ্যে থেকে ছ’জন ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করেছেন, যা নিয়ে লোকসভা ভোটের আগে প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছে বিরোধী দল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেখানে কংগ্রেসের ফাটল আরও চওড়া হতে পারে বলে জল্পনা।

    বিজেপি সভাপতি পদে মেয়াদ বৃদ্ধি নাড্ডার

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই সভাপতি হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল জেপি নাড্ডার (JP Nadda)। কিন্তু লোকসভা নির্বাচন সামনে থাকায়, মেয়াদ ছয় মাস বৃদ্ধি করা হয়। গত জানুয়ারি মাসে সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে নাড্ডার মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছিলেন অমিত শাহ। দলের জাতীয় সম্মেলনেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শাহ। নাড্ডার (JP Nadda) মেয়াদ আগামী জুন মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হল বলে তখন জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Assembly: কর্নাটকে রাজ্যসভায় জয়ী কংগ্রেসের নাসির, অনুগামীদের গলায় ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান!

    Karnataka Assembly: কর্নাটকে রাজ্যসভায় জয়ী কংগ্রেসের নাসির, অনুগামীদের গলায় ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি জিতেছেন কংগ্রেসের প্রতীকে। সাংসদ হয়েছেন ভারতের সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার। অথচ দলীয় প্রার্থীর জয়ে উল্লসিত কংগ্রেসের নাসির হুসেনের অনুগামীরা ধ্বনি দিতে শুরু করলেন পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে (Karnataka Assembly)। অন্তত এমনই অভিযোগ বিজেপির। কর্নাটকের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য গোটা দেশে। কংগ্রেস অবশ্য খারিজ করে দিয়েছে বিজেপির অভিযোগ।

    পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান

    মঙ্গলবার গোটা দেশে রাজ্যসভার ১৫টি আসনে হয় নির্বাচন। এর মধ্যে ছিল কর্নাটকের একটি আসনও। এখানে কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের রাজনৈতিক সচিব নাসির হুসেন। নির্বাচনে জয়ের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নাসির। সেই সময় হঠাৎই পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দিতে থাকেন (Karnataka Assembly) নাসিরের অনুগামীরা। এর কিছুক্ষণ পরেই নাসিরের অনুগামীদের পাকিস্তান-প্রেমের কথার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেন বিজেপির আইটি সেলের সভাপতি অমিত মালব্য। ভিডিওটিতে স্পষ্টই পাকিস্তানের হয়ে গলা ফাটাতে দেখা গিয়েছে নাসিরের অনুগামীদের। তবে এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম

    ‘কংগ্রেসের আবেগ বিপজ্জনক’

    এক্স বার্তায় অমিত জানিয়েছেন, “পাকিস্তানের প্রতি কংগ্রেসের আবেগ বিপজ্জনক। এটা দেশের পক্ষে নিরাপদ নয়। এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামবে বিজেপি।” নাসিরের অনুগামীদের পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগানের নিন্দায় সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর ও কর্নাটকের নেতা সিটি রবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করেছেন তাঁরাও।

    আরও পড়ুুন: এবার মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস! অ্যালকেমিস্ট মামলায় তলব করল ইডি

    নাসির ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেঙ্গালুরু পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন কর্নাটকের বিজেপি নেতৃত্ব। মামলা করা হয়েছে ১৫৩ ধারায়। বুধবার বিধান সৌধের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারকে বরখাস্ত করার দাবিও জানানো হবে বলে জানান তাঁরা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেন, “বিধানসভার মধ্যে নাসির হুসেনের অনুগামীরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়েছেন। ভিডিওতে তা স্পষ্ট। তার পরেও কংগ্রেস সাংসদ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের ঘনিষ্ঠ নাসির হুসেন। পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান নিয়ে কংগ্রেস কোনও ব্যবস্থা না নিলে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে নামবে বিজেপি (Karnataka Assembly)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya sabha elections: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় জয়ী ৪১ 

    Rajya sabha elections: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় জয়ী ৪১ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভা নির্বাচনে (Rajya sabha elections) জয়ী হলেন ৪১ জন। এর মধ্যে কংগ্রেসের (congress) কয়েকজন প্রার্থী যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিরও (bjp)। রয়েছেন নির্দল এবং আঞ্চলিক দলের প্রার্থীও। শুক্রবার তাঁদের নির্বাচিত হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন : শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    ১০ জুন রাজ্যসভা নির্বাচন। দেশের ১৫টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ৫৭ আসনে হবে ওই নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিভিন্ন দলের ৪১ জন। জানা গিয়েছে, উত্তর প্রদেশে ১১ জন,  তামিলনাড়ুতে ছ’জন, বিহারে পাঁচজন, অন্ধ্রপ্রদেশে চারজন, মধ্যপ্রদেশ ও ওড়িশায় তিনজন করে, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব, তেলঙ্গানা ও ঝাড়খণ্ডে দুজন করে এবং উত্তরাখণ্ডে একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাঁরা জয়ী হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের পি চিদম্বরম এবং রাজীব শুক্ল, বিজেপির সুমিত্রা বাল্মীকি এবং কবিতা পতিদার। সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে আসা কপিল সিবালও জয়ী হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন তিনি। আরজেডির মিশা ভারতী এবং আরএলডির জয়ন্ত চৌধুরীও জয়ী হয়েছেন। মিশা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে।  হরিয়ানা, রাজস্থান, কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্রে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা। কারণ প্রার্থীরা কেউই তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি৷

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    রাজ্যসভার নির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা দেশ জুড়ে। এই নির্বাচনের পরে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের এক লপ্তে আসন সংখ্যা কমে যাবে অনেকখানি। শক্তি বাড়বে বিজেপির। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসকে মাত দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন পদ্ম শিবিরের ভোট ম্যানেজারেরা। যেহেতু হরিয়ানা, রাজস্থান, কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্র এই চার রাজ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা, সেহেতু ওই চার রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। বিজেপি দলীয় বিধায়কদের ভাঙাতে পারে বলে আশঙ্কা কংগ্রেসের। তাই যে দুই রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দল, সেই রাজস্থান এবং ছত্তীশগড়ের বিধায়কদের রিসর্ট-বন্দি রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে হাত শিবির। সূত্রের খবর, রাজস্থানের বিধায়কদের ছত্তিশগড় এবং ছত্তিশগড়ের বিধায়কদের রাজস্থানের উদয়পুরের কোনও হোটেলে রাখা হবে আপাতত। ভোটপর্ব সাঙ্গ হলে তবেই তাঁরা ফিরবেন স্ব স্ব রাজ্যে।

     

     

  • Rajya sabha election: আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    Rajya sabha election: আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জারি হয়েছে রাজ্যসভা নির্বাচনের (Rajya sabha election) বিজ্ঞপ্তি। ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে হবে নির্বাচন। ভোট ১০ জুন। রাজ্যসভার এই নির্বাচনে শক্তিবৃদ্ধি হবে কেন্দ্রের ক্ষমতাশীন দল বিজেপির (bjp)। আর শক্তিহীন হয়ে পড়বে কংগ্রেস (congress)। আগামী লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha elections 2024) আগে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির পক্ষে যা অশনি সংকেত। রাজ্যসভায় শক্তি বৃদ্ধি হলে জুন-জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও অ্যাডভান্টেজ পাবে গেরুয়া শিবির।

    পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, দিল্লি, পাঞ্জাব এবং তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলি শাসন করে বিভিন্ন আঞ্চলিক দল। এই পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শেষ তিনটি রাজ্যে রয়েছে জোট সরকার। রাজ্যসভার নির্বাচনে সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party)। দিল্লি ও পাঞ্জাবের ক্ষমতায় রয়েছে তারা। তারা জয়ী হবে পাঁচটি আসনে। স্বভাবতই শক্তিবৃদ্ধি হবে আঞ্চলিক দলগুলির।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য চব্বিশের নির্বাচন, বুথ-স্তরে নীল-নকশা তৈরির পথে বিজেপি, গঠিত বিশেষ কমিটি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) প্রথম মেয়াদে রাজ্যসভায় শক্তিশালী ছিল কংগ্রেস। শক্তিক্ষয় হওয়ায় এবার এক ধাক্কায় তাদের আসন সংখ্যা কমবে বেশ খানিকটা। আর ২০১২ সালে রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৭। বর্তমানে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে তারা। সংখ্যাতত্ত্বের জেরে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ সহ বিভিন্ন হার্ডল বিজেপি পেরিয়েছে অনায়াসে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    যাঁরা রাজ্যসভা থেকে অবসর নিচ্ছেন, তাঁদের সংখ্যা ৫৯। এর মধ্যে ২৫ জন গেরুয়া শিবিরের। এই ৫৯ জনের মধ্যে এনডিএ-র (NDA) আসন ৩১টি। আসন্ন নির্বাচনে তারা হারাতে পারে ৭ থেকে ৯টি আসন।

    অন্ধ্রপ্রদেশে চারটি আসনের মধ্যে বিজেপি হারাবে তিনটি আসন। চারটি আসনেই জয়লাভ করবে ওয়াইএসআরসিপি (YSR Congress)। দুটি আসনে জিতবে তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (TRS)। বিজেডি ধরে রাখবে তিনটি আসনই। আসন বাড়বে আরজেডির। এক থেকে রাজ্যসভায় তারা বেড়ে হবে দুই।

    অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস আরও সংকুচিত হতে পারে। চোদ্দ ও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পর্যুদস্ত হওয়ার পর তারা হেরেছে একের পর এক রাজ্যে। যার জেরে রাজ্যসভায় তাদের ব্যাপক শক্তিক্ষয় হবে। কংগ্রেস অন্ধ্রপ্রদেশে একটিও আসন পাবে না। রাজস্থানে পাবে দুটি, আগে ছিল চারটি। ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তিশগড়েও একটি করে আসন হারাবে তারা। এখন থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাজ্যসভার ৬৫টি আসনে নির্বাচন হবে। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষীণতর হবে কংগ্রেস।

    উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে (Chintan Shivir) কংগ্রেস পাশ করা প্রস্তাব অনুযায়ী, তরুণদের ৫০ শতাংশ আসনে মনোনয়ন দেবে কংগ্রেস। সেই কারণেও বেশ কিছু বর্ষীয়ান নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলেই কংগ্রেস সূত্রে খবর। পি চিদাম্বরম, কপিল সিবাল, জয়রাম রমেশ এবং অম্বিকা সোনির মতো বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাদের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। মেয়াদ শেষ হতে চলেছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি সহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরও। এঁরা প্রত্যেকেই রাজ্যসভা থেকে অবসর নেবেন। রাজ্যসভায় ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে এঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই।

    কংগ্রেসকে হারিয়ে একের পর এক রাজ্যের রশি হাতে নিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের অস্তিত্ব রয়েছে কেবল রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে। মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে জোট সরকারে শামিল হয়েছে তারা। ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল থেকে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের হয়ে গলা ফাটানোর এবার আর কেউ থাকবে না।

     

LinkedIn
Share