Tag: rajyasabha

rajyasabha

  • Sanjay Singh: “নেতাদের থাকতে হবে”, জেল বাজেট বাড়ানোর দাবি আপ নেতার, হাসির রোল সংসদে

    Sanjay Singh: “নেতাদের থাকতে হবে”, জেল বাজেট বাড়ানোর দাবি আপ নেতার, হাসির রোল সংসদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অন্তত জেলের বাজেট (Jail Budget) বাড়িয়ে দিন, কারণ নেতারা জেলে যাবেন। আজ হোক বা কাল সকলকে জেলে যেতে হবে। তাই অন্তন্ত জেলের বাজেট বাড়িয়ে দিন।” বক্তা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং (Sanjay Singh) । সংসদের উচ্চ কক্ষে বাজেটের উপরে চর্চার সময় আপ সাংসদ বলেন, “জেলের বাজেট বাড়িয়ে দিন। কারণ এক না একদিন সকলকে জেলে যেতে হবে। আজ আমাদের অনেকে আছে। কাল আপনাদের (শাসক পক্ষের) যেতে হবে। ৩০০ কোটিতে কিছু হবে না। তাই জেলের বাজেট অন্তত বাড়িয়ে দেওয়া দরকার ছিল।” মজা করে রাজ্যসভার অধ্যক্ষ জগদীপ ধনখড় শাসকপক্ষকে সঞ্জয় সিং-এর এর আবেদনের উপরে নজর দিতে বলেন।

    বিরোধীদের ঠিকানা জেল (Sanjay Singh)

    সঞ্জয় সিং অভিযোগের সুরে বলেন, “আপনারা (শাসক) দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জেলবন্দী করে রেখেছেন। বাংলার তিনজন মন্ত্রী জেলে রয়েছেন। সাংসদের (Jail Budget) এই বক্তব্যে আপত্তি জানিয়ে ধনখড় বলেন, “দেশ আইনের উপর নির্ভর করে চলে। পুলিশ গ্রেফতার করে। আদালত অভিযুক্তকে জেলে পাঠায়। দেশের যে কোনও পদে, যে কেউ থাকুক না কেন, সে জেলে যাবে কিনা, নির্ভর করে আদালতের ওপর। আপনি (Sanjay Singh) জেলে গিয়েছিলেন, প্রথমে এজেন্সির জন্য। পরে যখন জেলে ছিলেন, সেখানে আদালতের নির্দেশ ছিল।”

    সঞ্জয়ের অভিযোগ (Jail Budget)

    সঞ্জয়ের (Sanjay Singh) অভিযোগ, মোদি সরকার কোনও সমস্যার সমাধান চায় না। ন্যায় বিচার চায় না। সরকার চায়, শুধু বিরোধীদের নানান অভিযোগে অভিযুক্ত করে জেলে ভরে রাখতে।”

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    তাঁর আরও অভিযোগ, অরবিন্দ কেজরিওয়াল অসুস্থ। তা সত্ত্বেও তাঁকে জেলে বন্দী করে রাখা হয়েছে। তিনি একদা জামিন পেয়েছিলেন, তা সত্ত্বেও জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে চলে গিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। তাঁরা চাইছে, যে কোনও ভাবে তাঁকে জেলে রাখতে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shamik Bhattacharya: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    Shamik Bhattacharya: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সুবক্তা। দলের প্রতি আনুগত্য অটুট। দল বিরোধী কথা বলেননি কখনওই। তাঁর (Shamik Bhattacharya) প্রতি বরাবরই খুশি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি রয়েছেন দলের মুখপাত্র হিসেবে। এহেন একনিষ্ঠ নেতা শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি।

    কমিটির মাথায় শমীক

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ৩৫টি আসন পাওয়ার লক্ষ্যে লড়ছে বিজেপি। এজন্য গঠন করা হয়েছে ৩৫টি কমিটি। এরই একটি কমিটিতে রয়েছেন শমীক। কোন বক্তা কী বলবেন, প্রচারে গুরুত্ব দেওয়া হবে কোন কোন বিষয়কে, এসব ঠিক করতে যে কমিটি গড়া হয়েছে পদ্ম শিবিরে, সেই কমিটিরই মাথায় বসানো হয়েছে শমীককে (Shamik Bhattacharya)। সব সময় দলের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। বিজেপিতে কোনও প্রশিক্ষণ হলেও, তলব করা হয় শমীককে।

    বাংলায় পদ্ম চিহ্নের প্রথম বিধায়ক

    এসব ছাড়াও শমীকের আরও একটি পরিচয় রয়েছে। পদ্ম চিহ্নে জিতে বাংলার প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল-বিজেপি জোটের প্রার্থী হিসেবে শমীকের আগে জয়ী হয়েছিলেন বাদল ভট্টাচার্য। তবে বিজেপি একাই লড়ে যে বার বিধানসভায় প্রতিনিধি পাঠাতে সক্ষম হয়, সেবারই জিতেছিলেন শমীক। জিতেছিলেন বসিরহাট থেকে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে অবশ্য দমদম কেন্দ্রে হেরে যান তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শমীককে প্রার্থী করা হয় রাজারহাট নিউটাউনে। এবারও পরাস্ত হন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    তাঁকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করা হচ্ছে শুনে দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শমীক। বলেন, “দলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ, সংগঠনের কাছে কৃতজ্ঞ। সর্বোপরি, বাংলার মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জন্য মনোনীত করেছেন। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে বাংলার মানুষ আমাদের সেই সংখ্যা দিয়েছেন যাতে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় একজন সদস্য পাঠাতে পারি।”

    এদিন খানিকটা নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন শমীক। বলেন, “সেসব দিনের কথা খুব বেশি করে মনে পড়ছে, যখন আমি, রাহুলদা (রাহুল সিনহা) পার্টি অফিসে বসে থাকতাম। আটের দশক তখন। বুদ্ধদেববাবু বলতেন, যাঁদের বিধানসভায় কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই, সর্বদলীয় বৈঠকে আমরা তাঁদের ডাকি না। সেদিনের সেসব কথা খুব মনে পড়ছে। অনেকে হয়ত আমাদের মধ্যে নেই। থাকলে খুশি হতেন যে কলকাতা থেকে রাজ্যসভায় আমরা প্রতিনিধিত্ব করতে পারব। সেটাই বারবার মনে হচ্ছে (Shamik Bhattacharya)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Derek O’Brien: রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড তৃণমূলের ডেরেক, কী বললেন চেয়ারম্যান?

    Derek O’Brien: রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড তৃণমূলের ডেরেক, কী বললেন চেয়ারম্যান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডের জেরে দিন দুয়েক আগে লোকসভার সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এবার শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হল সেই তৃণমূলেরই রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে (Derek O’Brien)। অভিযোগ, সভার মধ্যে ডেরেক নিয়ম বিরুদ্ধ আচরণ করেছেন।

    কী বললেন চেয়ারম্যান?

    বুধবার লোকসভায় দর্শক গ্যালারি থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে দুই হানাদার। তা নিয়ে উত্তাল দেশের রাজনীতি। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার অধিবেশন শুরু হতেই লোকসভার ওই ঘটনা নিয়ে আলোচনার দাবি জানান ডেরেক। তাতে রাজি হননি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তিনি জানান, লোকসভায় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের বিষয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে মামলাও। তার পরেও হট্টগোল করতে থাকেন ডেরেক। তখনই চেয়ারম্যান তাঁকে অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বলেন। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ধনখড়কে ক্ষুব্ধস্বরে বলতে শোনা যায়, “ডেরেক ও’ব্রায়েনকে (Derek O’Brien) এখনই অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হচ্ছে। ডেরেক বলেছেন, উনি চেয়ারের নির্দেশ অমান্য করবেন…বলেছেন উনি নিয়ম মানবেন না। এই আচরণ কাম্য নয়। অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। এটা ওঁর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।”  

    সাসপেন্ড ডেরেক

    পরে অসংসদীয় আরচণের অভিযোগে পুরো শীতকালীন অধিবেশন থেকেই সাসপেন্ড করা হয় তৃণমূলের এই নেতাকে। ধনখড় বলেন, “এটি একটি লজ্জাজনক ঘটনা। সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ও’ব্রায়েন এবং অন্য বিরোধী সাংসদরা বিক্ষোভ চালিয়ে যান রাজ্যসভায়। তাই তৃণমূল সাংসদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।” ডেরেককে সাসপেন্ড করায় আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভার পরিস্থিতি। চেয়ারম্যানের নির্দেশের তীব্র প্রতিবাদ জানান বিজেপি বিরোধী সাংসদদের একটা অংশ। লোকসভার নিরাপত্তা লঙ্ঘনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জবাবদিহি করতে হবে বলেও জানান তাঁরা। এর পর সভা মুলতুবি ঘোষণা করেন (Derek O’Brien) রাজ্যসভার চেয়ারম্যান।

    আরও পড়ুুন: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    এদিকে, এদিন মন্ত্রিসভার প্রবীণ মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার ঘটে যাওয়া লোকসভাকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণও শোনেন মন দিয়ে। কারণ মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন বুধবার। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই অনুপস্থিত ছিলেন লোকসভায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NDA: মোদির পাশেই জগন মোহন! অনাস্থা প্রস্তাবে সরকারকেই ভোট দেওয়ার ঘোষণা

    NDA: মোদির পাশেই জগন মোহন! অনাস্থা প্রস্তাবে সরকারকেই ভোট দেওয়ার ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির পাশেই (NDA) অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডি। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সরকার পক্ষেই ভোট দেবে তাঁর দল। অন্যদিকে রাজ্যসভায়  জন্য কেন্দ্রের আনা ‘দিল্লি সার্ভিস অর্ডিন্যান্স’ বিলেও মোদির পাশেই থাকছেন জগনমোহন। প্রসঙ্গত, ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির রাজ্যসভায় নয়জন এবং লোকসভায় ২২ জন সাংসদ রয়েছেন। অন্যদিকে এই বিলকে সমর্থনের কথা ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে ওড়িশার বিজু জনতা দলও। এর ফলে রাজ্যসভায় অনায়াসেই বিল পাশ করিয়ে নিতে পারবে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এই বিল আইনে পরিণত হলে দিল্লির আমলাদের নিয়ন্ত্রণ সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে চলে যাবে।

    আরও পড়ুন: এবার বুলেট ট্রেনের মানচিত্রে জুড়ল বাংলা! লোকসভায় ঘোষণা অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মোদির পাশে নবীন ও জগন মোহন

    তবে শুধুই কি বিল পাশ? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নবীন পট্টনায়ক এবং জগন মোহনের বিজেপিকে সমর্থন (NDA) বিরোধী জোটের কাণ্ডারীদের কাছে বড় ধাক্কা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ‘‘আঞ্চলিক বঞ্চনার প্রতিবাদে এবং ফেডারেল কাঠামো মেনে চলার দাবিতেই মূলত একত্রিত হয়েছিল তৃণমূল-আরজেডি-সমাজবাদী পার্টির নেতারা। কিন্তু ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের মতো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এনডিএ-এর (NDA) দিকে চলে যাওয়া, বিরোধীদের দাবিকেই নস্যাৎ করে দিল।’’ তবে এই প্রথম নয় একাধিক কর্মসূচি এবং ইস্যুতে মোদির পাশে থাকতে দেখা গিয়েছে নবীন পট্টনায়েক এবং জগন মোহনকে।

    আরও পড়ুুন: ভোট-হিংসায় সিবিআই, বিস্ফোরণে এনআইএ চাই, রিপোর্ট পেশ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের

    ৩১ জুলাই বিল পেশ হবে রাজ্যসভায়

    জানা গিয়েছে ৩১ জুলাই রাজ্যসভায় পেশ হতে চলেছে এই বিল। বর্তমানে এনডিএ (NDA) জোটের ১০১ জন সদস্য রয়েছেন রাজ্যসভায়। অন্যদিকে ইন্ডিয়া জোটের কাছে রয়েছে ১০০ জন সদস্য। নবীন পট্টনায়েক এবং জগন মোহনের দলের রাজ্য সভায় সদস্য আছে ৯ জন করে। এরফলে মোদি সরকার কার্যত বিনা বাধায় বিল পাশ করে নিতে পারবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PT Usha: নজির গড়লেন পিটি ঊষা! রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করলেন ‘সোনার রানি’

    PT Usha: নজির গড়লেন পিটি ঊষা! রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করলেন ‘সোনার রানি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিংবদন্তি ভারতীয় ক্রীড়াবিদ পিটি ঊষার মুকুটে জুড়ল আরও এক পালক। বৃহস্পতিবার সংসদে তাঁকে দেখা গেল এক অন্য ভূমিকায়। রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় উপস্থিত ছিলেন না উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকর। তাঁর জায়গায় সভাপতিত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিটি ঊষাকে। তাই তিনি আজ রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশনে অস্থায়ী ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেন। ফলে ঊষা আজ এক ইতিহাস গড়লেন।

    পিটি ঊষা কী বললেন?

    রাজ্যসভা পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে তিনি ট্যুইট করেছেন, “ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট বলেছিলেন, ক্ষমতালাভের সঙ্গে দায়িত্ববোধ জড়িয়ে থাকে। রাজ্যসভার সভাপতির চেয়ারে বসে সেই কথা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারলাম। আশা করি আগামী দিনে আরও অনেক মাইলস্টোন গড়তে পারব। জনতার উপর আস্থা রেখে এই পথে এগিয়ে যেতে চাই।” আজ রাজ্যসভায় ভাইস চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে রাজ্যসভার কাজ পরিচালনার প্রাক্তন অ্যাথলিটের নাম প্রস্তাব করা হয়। প্রস্তাবে পাশও হয়ে যায়। এরপরেই  রাজ্যসভার পরিচালনার দায়িত্বে দেখা যায় তাঁকে।

    ঊষা হলেন ভারতের কিংবদন্তি অ্যাথলিট। তিনি দেশকে বহুবার আন্তর্জাতিক পদক এনে দিয়েছেন। আবার তিনি ২০২২ সালের জুলাই মাসে ঊষা বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মনোনীত হন। তিনি নিয়মিতভাবে সংসদে হাজিরও থাকেন। এরপর নভেম্বর মাসে ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ডিসেম্বর মাসেই রাজ্যসভার ভাইস চেয়ারপার্সনের প্যানেলে জায়গা করে নেন তিনি। আর আজ এই প্রথমবার রাজ্যসভার কার্যাবলি পরিচালনা করলেন তিনি।

    আজকের এই নজির গড়ার একটি ভিডিও প্রকাশের পরেই ভারতীয় অ্যাথলিটকে শুভেচ্ছাবার্তায় ভরিয়ে দেন তাঁর ভক্তরা। এক ভক্ত লিখেছেন, আপনি আমাদের সকলের গর্বের। আজ এক নতুন ইতিহাস তৈরি করলেন। আশা, আগামী দিনেও আপনার হাত দিয়ে তৈরি হবে ইতিহাস। আরও এক ভক্ত লিখেছেন, ঊষা ভারতের সব মহিলাদের গর্ব।

  • Rajya sabha elections: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় জয়ী ৪১ 

    Rajya sabha elections: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় জয়ী ৪১ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভা নির্বাচনে (Rajya sabha elections) জয়ী হলেন ৪১ জন। এর মধ্যে কংগ্রেসের (congress) কয়েকজন প্রার্থী যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিরও (bjp)। রয়েছেন নির্দল এবং আঞ্চলিক দলের প্রার্থীও। শুক্রবার তাঁদের নির্বাচিত হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন : শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    ১০ জুন রাজ্যসভা নির্বাচন। দেশের ১৫টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ৫৭ আসনে হবে ওই নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিভিন্ন দলের ৪১ জন। জানা গিয়েছে, উত্তর প্রদেশে ১১ জন,  তামিলনাড়ুতে ছ’জন, বিহারে পাঁচজন, অন্ধ্রপ্রদেশে চারজন, মধ্যপ্রদেশ ও ওড়িশায় তিনজন করে, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব, তেলঙ্গানা ও ঝাড়খণ্ডে দুজন করে এবং উত্তরাখণ্ডে একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাঁরা জয়ী হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের পি চিদম্বরম এবং রাজীব শুক্ল, বিজেপির সুমিত্রা বাল্মীকি এবং কবিতা পতিদার। সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে আসা কপিল সিবালও জয়ী হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন তিনি। আরজেডির মিশা ভারতী এবং আরএলডির জয়ন্ত চৌধুরীও জয়ী হয়েছেন। মিশা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে।  হরিয়ানা, রাজস্থান, কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্রে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা। কারণ প্রার্থীরা কেউই তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি৷

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    রাজ্যসভার নির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা দেশ জুড়ে। এই নির্বাচনের পরে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের এক লপ্তে আসন সংখ্যা কমে যাবে অনেকখানি। শক্তি বাড়বে বিজেপির। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসকে মাত দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন পদ্ম শিবিরের ভোট ম্যানেজারেরা। যেহেতু হরিয়ানা, রাজস্থান, কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্র এই চার রাজ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা, সেহেতু ওই চার রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। বিজেপি দলীয় বিধায়কদের ভাঙাতে পারে বলে আশঙ্কা কংগ্রেসের। তাই যে দুই রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দল, সেই রাজস্থান এবং ছত্তীশগড়ের বিধায়কদের রিসর্ট-বন্দি রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে হাত শিবির। সূত্রের খবর, রাজস্থানের বিধায়কদের ছত্তিশগড় এবং ছত্তিশগড়ের বিধায়কদের রাজস্থানের উদয়পুরের কোনও হোটেলে রাখা হবে আপাতত। ভোটপর্ব সাঙ্গ হলে তবেই তাঁরা ফিরবেন স্ব স্ব রাজ্যে।

     

     

LinkedIn
Share