Tag: Ram Lalla

Ram Lalla

  • Ayodhya Ram Temple: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতদের মানতে হবে এই নিয়মগুলি

    Ayodhya Ram Temple: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতদের মানতে হবে এই নিয়মগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকটা দিনের প্রতীক্ষা মাত্র, আগামী ২২ তারিখে মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। ওই দিন দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। ইতিমধ্যে মন্দিরের সুরক্ষার কথা ভেবে স্থানীয় প্রশাসন কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। উল্লেখ্য রাম মন্দির (Ayodhya Ram Temple) উদ্বোধনের দিনে মন্দির চত্বরে সাধারণ ভক্তদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। কেবলমাত্র আমন্ত্রিত অতিথিরাই প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে নিমন্ত্রণপত্র দেখিয়ে প্রবেশাধিকার পাবেন। ট্রাস্টের আমন্ত্রণপত্র ছাড়া প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

    মন্দির চত্বরে একাই প্রেবশ করতে হবে অতিথিদের

    রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে প্রবেশের জন্য বেশ কিছু নিয়ম নির্ধারিত করা হয়েছে। সকাল ১১টার মধ্যে মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে। ওই দিন আমন্ত্রিত নন এমন সাধু-সন্তদেরও প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। অতিথিরা কোনও প্রকার পরিচারিকা বা সাহায্যকারীদের নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। মন্দির চত্বরে একাই প্রেবশ করতে হবে অতিথিদের। প্রধানমন্ত্রী বের হওয়ার পর গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তি দর্শন করা যাবে। তার আগে কোনও ভাবেই গর্ভগৃহে প্রবেশ করা যাবে না।

    আর কী কী নিয়ম রয়েছে?

    মন্দির (Ayodhya Ram Temple) উদ্বোধনের দিনে মন্দিরে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবে বেশ কিছু নির্দেশিকা, নিয়ম জারি করা করা হয়েছে। অতিথিদের মোবাইল, ইলেকট্রনিক ঘড়ি, ল্যাপটপ বা ক্যামেরার মতো জিনিস নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। একই ভাবে রিমোট চালিত চাবি, বড় ছাতা, কম্বল, ব্যাগ, পুজোর সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাবে না। কোনও রকম খাবার জিনিস নিয়ে মন্দিরের প্রবেশ করা যাবে না। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে কোনও খাবার খাওয়া যাবে না। মন্দিরের ভিতরে পুজোর উপকরণ যেমন সিঁদুর, ফুল, পাতা, জল, ধূপকাঠি, প্রদীপ সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাবে না। কোনও রকম জিনিস বহন করলে মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না।

    কী পোশাক পরতে পারবেন অতিথিরা?

    মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ঠিক সেই ভাবে পোশাকের কথা জানিয়ে কোনও ড্রেস কোডের উল্লেখ করা হয়নি। তবে প্রভু রামের মন্দিরে আমন্ত্রিত অতিথিরা ধুতি, গামছা, কুর্তা, পাজামা এবং মহিলারা সালোয়ার, স্যুট, শাড়ি পরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পারবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: রাম মন্দির নির্মাণের বিপুল অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কীভাবে? জানাল ট্রাস্ট

    Ayodhya Ram Temple: রাম মন্দির নির্মাণের বিপুল অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কীভাবে? জানাল ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন। আগামী ২২ জানুয়ারিতে হবে রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) উদ্বোধন। দেশব্যাপী রাম ভক্তদের মধ্যে এখন উন্মাদনা তুঙ্গে। গোট অযোধ্যা নগরীর সঙ্গে সারা ভারত এখন রামময়। তবে, এই সুন্দর রাম মন্দিরের জন্য কত টাকা খরচ হল? কোথা থেকে এই টাকা সংগ্রহ হল সেটাও ভক্তদের জানা প্রয়োজন।

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মন্দিরের জন্য মোট অনুদান এসেছে ৫ হাজার কোটি টাকা। রাম মন্দির জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়েছে, এই অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে ১৮০০ কোটি টাকা। একই ভাবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, সারা দেশের প্রায় ৪ লক্ষ গ্রাম থেকে নিধিসংগ্রহ করা হয়েছে। মোট ১১ কোটি দেশবাসী নিজেদের অনুদান অর্পণ করেছেন মন্দির নির্মাণের জন্য। বিদেশে বসবাসকারী রাম ভক্তরাও নিজেদের অনুদান পাঠিয়েছেন।

    কী জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ?

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র অভিযানের সাপেক্ষে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, এই মন্দির (Ayodhya Ram Temple) পুনরায় উদ্ধারের জন্য সারা দেশের মানুষের যোগদান রয়েছে। প্রয়াগরাজের ভিক্ষুকরাও রাম মন্দিরের জন্য ৪ লক্ষ টাকা দান করেছে। ভারতের বাইরে থেকেও প্রচুর অনুদান এসেছে। রাম মন্দির ট্রাস্টে প্রতিমাসে ১ কোটি টাকা করে জমা পড়েছে। ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছেন, অযোধ্যায় তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই মন্দিরের জন্য অনুদান জমা করা হয়েছে।

    অনুদান এসেছে নিধি সমর্পণ অভিযানে

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট আয়োজিত নিধি সমর্পণ অভিযান শুরু হয়েছিল ২০২১ সালের ২৭ ফেব্রুয়রি মাসে। শ্রীরাম সেনার সভাপতি দেবেন্দ্র দাস বলেছেন, “একজন ব্যক্তির অর্থে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়নি। মন্দির (Ayodhya Ram Temple) নির্মাণের পর যাতে প্রত্যেক ভারতীয় মানুষ দাবি করতে পারেন যে মন্দিরের প্রত্যেক দেওয়ালে ভারতীয়দের নাম গাঁথা রয়েছে সেই ভাবনাও এই দান-সংগ্রহ পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে।”

    তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অনুদান দিয়েছেন ৫ লক্ষ টাকা

    তৎকালীন দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ নিজে মন্দির নির্মাণের (Ayodhya Ram Temple) জন্য ৫ লক্ষ ১০০ টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। গুজরাটের ধর্মগুরু মোরারি বাউ ১১ কোটি অনুদান দিয়েছেন। গৌতম গম্ভীর ১ কোটি টাকা দিয়েছে। ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডার প্রবাসী ভারতীয়রা প্রায় ৮ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। আবার গুজরাটের শ্রীরামকৃষ্ণ এক্সপোর্টসের মালিক গোবিন্দ ভাই ঢালাকিয়া মন্দিরের জন্য ১১ কোটি টাকা দান করেছেন। বিশ্বহিন্দু পরিষদের সর্বভারতীয় সহ সম্পাদক সচিন্দ্রনাথ সিং জানিয়েছেন, “এই মন্দির নির্মাণের কর্মযজ্ঞে পরিষদের সঙ্গে গোটা সঙ্ঘ পরিবারের সদস্যরা যোগদান করেছেন। বাংলার সর্বত্র রামভক্তরা পৌঁছে গিয়েছেন। আমাদের যে নির্ধারিত লক্ষ্য ছিল তা বাস্তবায়িত হয়েছে।”

    আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। রাম লালার অভিষেকের সময় শুরু ১২টা ২৯ মিনিট ৮ সেকেন্ডে এবং শেষ হবে থেকে ১২টা ৩০ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে।  অভিষেকের সময়ের স্থায়িত্ব হল ৮৪ সেকেন্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক পেলেন আসানসোলের করসেবক অভয়

    Asansol: অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক পেলেন আসানসোলের করসেবক অভয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৯০ সালে রাম মন্দির আন্দোলনে যোগদান করেছিলেন আসানসোলের (Asansol) অভয় বাড়ানোওয়াল। এবার অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক পেয়ছেন তিনি। তাঁর বাড়িতে এসেছে বিশেষ নিমন্ত্রণপত্র। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠান হবে। ওই দিন বেলা ১১ থেকে ১ টা পর্যন্ত সময়ে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠা করা হবে রাম লালার মূর্তি। ওই মূর্তিতেই করা হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠা। উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অযোধ্যায় অভয়বাবু আমন্ত্রণ পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত।

    পায়ে গুলি লেগেছিল (Asansol)

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ১৯৯০ সালে রাম মন্দির আন্দোলনে যোগ দিয়ে ছিলেন আসানসোলের বাসিন্দা অভয়বাবু। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,  ১৯৯০ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাম মন্দির আন্দোলনে করসেবক হিসেবে যোগদান করে ছিলেন তিনি। আন্দোলনে যোগদান করার ফলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ৩০ অক্টোবর তাঁর পায়ে গুলি লাগে। এরপর তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় ফৈজাবাদ সদর হাসপাতালে। সেখানে তারপর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। বর্তমানে আগামী ২২ জানুয়ারিত রাম লালার মন্দির আর সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন বলে জানিয়েছেন অভয়।

    অভয়বাবুর বক্তব্য

    আসানসোলের (Asansol) বাসিন্দা অভয়বাবু বলেন, “আমন্ত্রণ পেয়ে অত্যন্ত অভিভূত। শব্দ দিয়ে প্রকাশ করতে পারব না। জীবনের সব থেকে বড় প্রাপ্তি আমার কাছে। ১৯৯০ সালে করসেবক হিসাবে গিয়েছিলাম। গত ৫০০ বছর ধরে এই দেশের মধ্যে সনাতনী হিন্দু সমাজের অনেক মানুষ রাম জন্মভূমি পুনরুদ্ধার এবং মন্দির নির্মাণের জন্য আত্মবলিদান দিয়েছেন। আমিও একজন রাম ভক্ত এবং মন্দির নির্মাণের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার অন্যতম বানর সেনা। আমি ২১ অক্টোবর আমরা আসানসোল থেকে যাত্রা শুরু করি। পরের দিন বারাণসীতে পৌঁছাই। স্টেশন চত্বরে প্রচুর পুলিশ ছিল। উত্তরপ্রদেশের সরকার ছিল মুলায়ম সিং যাদবের। প্রচুর মানুষকে গ্রেফতার করে তাঁর সমাজবাদী সরকারের পুলিশ। এরপর পায়ে হেঁটে ৩৫০ কিমি অতিক্রম করে অবশেষে ২৮ অক্টোবর অযোধ্যায় পৌঁছাই। ৩০ অক্টোবর পুলিশ ব্যাপক গুলি করেছিল ঘটনাস্থলে। এরপর ঘটনাস্থলেই অনেক রামভক্তের মৃত্যু হয়েছিল। আমার পায়ে গুলি লেগেছিল। তারপর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম। পরে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ৭২ ঘণ্টা পর আমার জ্ঞান ফেরে। আমি গর্বিত আমার দেশের জন্য আমার ধর্মের জন্য।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান!

    Ram Mandir: নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনকে ঘিরে এখন সাজো সাজো রব গোটা অযোধ্যায়। তবে, রাম মন্দিরের প্রভাব কেবলমাত্র দেশের সীমান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। তা ছড়িয়ে পড়েছে সুদূর মার্কিন মুলুকেও। রাম মন্দিরের উদ্বোধন এখন সেখানেও বহুচর্চিত বিষয়। এতটাই যে, আমেরিকার সর্ববৃহৎ শহরের মেয়রও রাম মন্দিরের উদ্বোধনের প্রতীক্ষায়। ইতিমধ্য়েই জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরের অভিষেক অনুষ্ঠান নিউইয়র্ক শহরের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়ারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানা গেছে। সূত্রের খবর অনুষ্ঠানটি বিশ্বের বিভিন্ন ভারতীয় দূতাবাস এবং কনস্যুলেটগুলিতেও সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

    মাতা কী চৌকিতে যোগ দেন অ্যাডামস

    নিউইয়র্ক শহরের মেয়র এরিক অ্যাডামস (NYC Mayor) শনিবার গীতা মন্দিরের মাতা কী চৌকিতে হিন্দু সমাজের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের ডেপুটি কমিশনার দিলীপ চৌহান। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরের পুরোহিত স্বামী সত্যানন্দ। মূলত ধর্মীয় ভাবনা, আস্থা, বিশ্বাস এবং উপাসনার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। একই ভাবে তাঁদের আলোচনায় উঠে আসে অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও।

    কী বললেন এরিক অ্যাডামস?

    এই প্রেক্ষিতে নিউ ইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেন, ‘‘আমরা যদি নিউইয়র্কে হিন্দু সম্প্রদায়ের দিকে লক্ষ্য রাখি তাহলে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিউইয়র্কে শুধু ভারতীয় হিন্দু নন, সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের হিন্দু সমাজের মানুষ বসবাস করেন। এটা তাদেরকে একটা উদযাপনের সুযোগ দেয় এবং তাঁদের আধ্যাত্মিকতা আরও তুলে ধরে।” অ্যাডামসের মতে, ‘‘রাম মন্দিরের মাধ্যমে তাঁদের (হিন্দুদের) ধর্মীয় আস্থা, বিশ্বাস এবং আধ্যাত্মবোধ অনুপ্রাণিত করেছে। শ্রীরাম এবং সীতার আধ্যাত্মিক শক্তি দ্বারা আমারা উজ্জীবিত হই। তাঁদের আত্মত্যাগ, নিবেদন এবং কর্তব্যবোধ আমাদের জীবনের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অনেক কিছু শেখায়। তাই শ্রী রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠার মুহূর্তকে এই শহরে উদযাপন করা হবে।”

    দীপাবলির প্রথম ছুটি চালু করেছিলেন অ্যাডামস

    উল্লেখ্য এই মেয়র (NYC Mayor) নিউইয়র্ক শহরের মধ্যে স্কুলগুলিকে দীপাবলি উৎসব পালনের জন্য ২০২১-২২ সালে প্রথম ছুটির দিন হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন। ভারতীয় হিন্দু উৎসবকে (Ram Mandir) ঘিরে তাঁর একটা বিশেষ আনুগত্য রয়েছে। তাই দিলীপ চৌহান মেয়রের উদ্দেশে বলেন, “মেয়র নিজে ভারতীয় হিন্দুধর্মকে খুব ভালোবাসেন এবং তাই নিউইয়র্কের ইতিহাসে প্রথম দীপাবলির জন্য ছুটির ঘোষণা করেছিলেন।” সূত্রে জানা গিয়েছে এই শহরে এশিয়ার ভারতীয় জনসংখ্যার পরিমাণ ছিল ১৯৯০ সালে ছিল ৯৪,০০০ এবং ২০২১ সালে তা দাঁড়িয়েছে ২,১৩,০০০। হিন্দু সমাজের সংস্কৃতি ও ধর্মবোধের গুরুত্ব যে অ্যামেরিকার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Lalla: জানুয়ারিতেই খুলে যাবে অযোধ্যার রামমন্দির, শুরু হবে দর্শন, পুজোও

    Ram Lalla: জানুয়ারিতেই খুলে যাবে অযোধ্যার রামমন্দির, শুরু হবে দর্শন, পুজোও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহেই খুলে যাবে অযোধ্যার (Ayodhya) রামমন্দির (Ram Temple)। দ্রুত গতিতে চলছে নির্মাণ কাজ। মন্দিরের ৭০ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরি মহারাজ জানান, মন্দিরের ৭০ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই ভগবান রামের মূর্তি (Ram Lalla) স্থাপন করা হবে। একই দিন থেকে ভক্তদের দর্শন ও পুজোর ব্যবস্থাও করা হবে।

    ভগবান রামের মূর্তি (Ram Lalla) স্থাপন…

    সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গিরি মহারাজ বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি পদ্ম দিয়ে রাম লালার মূর্তি স্থাপন করবেন। তিনি বলেন, মন্দিরে স্থাপিত হওয়ার আগে রাম লালার মূর্তি দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী প্যান্ডেলে রাখা হয়েছে। শীঘ্রই মূর্তিকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হবে। গিরি মহারাজ বলেন, মূর্তি স্থাপনের পরেও রাম মন্দির নির্মাণের কাজ চলবে।

    মন্দির নির্মাণের জন্য ভক্তদের অনুদানের পরিমাণ আগের থেকে বেড়েছে বলেও জানান গিরি মহারাজ। তিনি বলেন, অনুদানের পরিমাণ গত কয়েক দিনে তিনগুণ বেড়েছে। প্রতিদিন এক কোটি টাকার বেশি নগদ অনুদান আসছে। চলতি বছর ৩০ মার্চ রামনবমী। জানা গিয়েছে, এবারও ঘটা করে পালিত হবে উৎসব। রাম নবমীর দিন রাম মন্দিরে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এ বছর রামকোট প্রদক্ষিণ করা হবে। রাম নবমীর দিন রাম লালার পূজা করা হবে। রাম কথা পার্কে রাম নবমীর (Ram Lalla) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

    আরও পড়ুুন: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? কমিটির সদস্যের মন্তব্যে জল্পনা!

    অযোধ্যায় নির্মীয়মাণ রাম মন্দিরে যে ইট ব্যবহার করা হচ্ছে, তাতে লেখা রয়েছে রাম নাম। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রাম লালার মন্দিরের গর্ভগৃহ সহ নীচেরতলার নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। রাম লালার মন্দিরে ব্যবহার করা হচ্ছে বংশী পাহাড়পুরের পাথর। পাথরের নকশার ফাঁকে ফাঁকে চণ্ডীগড় থেকে আনা বৈজ্ঞানিকভাবে তৈরি ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের ক্যাম্প অফিস ইনচার্জ প্রকাশ গুপ্ত বলেন, যেখানে পাথর বসানো হচ্ছে না, সেখানে ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিটি ইটে ভগবান রামের (Ram Lalla) নাম লেখা রয়েছে। তিনি বলেন, মন্দির নির্মাণে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে মন্দিরটি হাজার বছর ধরে সুরক্ষিত থাকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share