Tag: Ram Madhav

Ram Madhav

  • RSS: নিতিন নবীনের নয়া সাংগঠনিক দল, আরএসএসের সঙ্গে সমন্বয়-নির্বাচনী প্রস্তুতিতে জোর বিজেপির

    RSS: নিতিন নবীনের নয়া সাংগঠনিক দল, আরএসএসের সঙ্গে সমন্বয়-নির্বাচনী প্রস্তুতিতে জোর বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির নয়া সাংগঠনিক দলকে নিছক নিয়মমাফিক রদবদল হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টির তাৎপর্য ধরা পড়বে না। নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) নেতৃত্বে গঠিত নতুন দলে যাঁদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যাঁদের দায়িত্বে রাখা হয়েছে এবং যাঁদের পদোন্নতি হয়েছে, তাঁদের তালিকা থেকে বিজেপির সাংগঠনিক অগ্রাধিকারের একটি স্পষ্ট ছবি উঠে আসছে। দলের নতুন বিন্যাসে আরএসএসের (RSS) সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, সংগঠনকে শক্তিশালী করার ওপর বাড়তি গুরুত্ব এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করার প্রবণতা স্পষ্ট।

    নয়া সাংগঠনিক কাঠামোর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা (RSS)

    নয়া সাংগঠনিক কাঠামোর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তাগুলির একটি হল রাম মাধবের প্রত্যাবর্তন। তাঁকে দলের জাতীয় সহ-সভাপতি করা হয়েছে। আরএসএসের দীর্ঘদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুখ প্রায় এক দশক আগে বিজেপির সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনায় জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এসেছিলেন। সংঘের সঙ্গে বিজেপির সমন্বয় এবং দলের প্রচলিত হিন্দি বলয়ের বাইরে উত্তর-পূর্ব ভারত ও জম্মু-কাশ্মীরে সংগঠন বিস্তারের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সংঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত একজন সাংগঠনিক কৌশলবিদ হিসেবে রাম মাধব বিজেপির ভিতরে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তৈরি করে নিয়েছিলেন। এবার তাঁর প্রত্যাবর্তনের ফলে দলের জাতীয় কাঠামোর মধ্যে অভিজ্ঞ সংঘ-ঘনিষ্ঠ নেতৃত্ব আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পেল। ফলে তাঁর ফিরে আসাকে বিজেপি কিংবা সংঘ—কোনও পক্ষই বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক মহলে এই প্রত্যাবর্তনকে দুই সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    সন্তোষ-তাওড়ে-বনসল

    রাম মাধবের পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পদে বিএল সন্তোষকে বহাল রাখা এবং জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিনোদ তাওড়ে ও সুনীল বনসলকে দায়িত্বে রাখাও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে এই তিন নেতাকেই বিজেপির সাংগঠনিক মেরুদণ্ডের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে দেখা হয়। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনজনেরই আরএসএসের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাংগঠনিক সম্পর্ক রয়েছে। বিনোদ এবং সুনীলের মতো নেতাদের উপস্থিতি বিজেপির নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে আরও অভিজ্ঞ করে তুলছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে নির্বাচনী সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের অভিজ্ঞতা দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে নতুন কমিটিতে সংগঠন পরিচালনা এবং ভোটের ময়দানে কৌশল প্রয়োগ—দুই ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাকেই একসঙ্গে কাজে লাগানোর চেষ্টা রয়েছে।সতীশ পুনিয়াকেও নতুন সাংগঠনিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংগঠন এবং আরএসএসের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর পদোন্নতিও ইঙ্গিত করছে যে, বিজেপি শুধু জনসমক্ষে দৃশ্যমানতা বা নির্বাচনী জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নতুন সাংগঠনিক দল তৈরি করছে না। দলের নিচুতলার কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং আদর্শগত ভিত্তিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (Nitin Nabin)।

    উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রেও নয়া সাংগঠনিক বিন্যাস

    উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রেও নতুন সাংগঠনিক বিন্যাসে বিশেষ নজর রয়েছে। স্বদেশ সিংহকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা এবং মৃগাঙ্ক দেও বর্মনকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে উন্নীত করা সেই দিকটিরই ইঙ্গিত। এঁরা এমন নেতা নন, যাঁদের নাম নিয়মিতভাবে টেলিভিশনের আলোচনাকেন্দ্রে বা বড় নির্বাচনী সমাবেশে সামনে আসে। কিন্তু সাংগঠনিক রাজনীতিতে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দলের প্রচার-নির্ভর রাজনীতির বাইরে নিচুতলায় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে এই ধরনের নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তাকে নতুন করে গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে শিবপ্রকাশ ও সৌদান সিংহকে জাতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পদে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রেও। সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং সংঘের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে এমন নেতৃত্বকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রেখে বিজেপি মূলত দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও সুসংহত করতে চাইছে। নয়া তালিকায় বিপ্লব কুমার দেবের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে উন্নীত হওয়াও উল্লেখযোগ্য। ত্রিপুরায় বিজেপির সংগঠন গড়ে তোলা থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া এবং পরে জাতীয় স্তরের সংগঠনে ফিরে আসা—তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা দলের সাংগঠনিক ব্যবস্থার সঙ্গে সরকারের কাজের অভিজ্ঞতার একটি সমন্বিত উদাহরণ। তাঁর দায়িত্ববৃদ্ধি থেকে বোঝা যায়, সরকার পরিচালনার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক ভিতরে কাজ করার অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে পদ্ম শিবির(RSS)। এদিকে, দলের রাজনৈতিকভাবে পরিচিত মুখগুলিকেও নতুন কাঠামো থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। স্মৃতি ইরানির প্রত্যাবর্তন এবং উত্তরপ্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের দায়িত্ব পাওয়া সংগঠনের মধ্যে নির্বাচনী শক্তিকে আরও জোরদার করবে। জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপ্রদেশ। ফলে সেখানে সাংগঠনিক দায়িত্বের সঙ্গে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা যুক্ত করা দলের নির্বাচনী কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে (Nitin Nabin)।

    রাজনীতি ও সংগঠনের মেলবন্ধন

    বিজেপির নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এখানেই। দলটি রাজনীতি ও সংগঠনের মধ্যে কোনও একটিকে বেছে নিচ্ছে না, বরং দুই ক্ষেত্রকে একসঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করছে। নিতিন নবীনের নেতৃত্বে দলের নতুন সাংগঠনিক বিন্যাসের প্রকৃত তাৎপর্য সম্ভবত এই জায়গায়ই।

    বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই কর্মী সংগঠিত করা, আদর্শগত ঐক্য বজায় রাখা এবং বুথস্তর পর্যন্ত সাংগঠনিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আরএসএসের নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে এসেছে। কিন্তু বর্তমানে ভারতের নির্বাচনী রাজনীতি ক্রমশ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভোটের লড়াইয়ে রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনাও আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল। এই পরিস্থিতিতে পুরনো সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও নিখুঁত ও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর প্রয়োজন বেড়েছে বিজেপির।

    নতুন দায়িত্ব বণ্টন সেই প্রয়োজনেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। শীর্ষস্তরে তুলনামূলকভাবে তরুণ নেতৃত্ব, গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিজ্ঞ নির্বাচনী ব্যবস্থাপক এবং সংগঠন বা সংঘের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত নেতাদের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। এর ফলে বিজেপির রাজনৈতিক প্রচার, নির্বাচনী কৌশল এবং সাংগঠনিক কর্মসূচির মধ্যে আরও নিবিড় যোগাযোগ তৈরি করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে (RSS)।

    আরএসএসের দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সাংগঠনিক বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ। বিজেপি ও সংঘের মধ্যে যে প্রাতিষ্ঠানিক সেতু দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে, নতুন দল সেই সেতুকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। অন্যদিকে নিতিন নবীনের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ। নতুন সাংগঠনিক দল গঠনের মাধ্যমে তিনি নিজের সাংগঠনিক পরিচয় ও নেতৃত্বের ধরন স্পষ্ট করার সুযোগ পাচ্ছেন।

    বিজেপির বার্তা স্পষ্ট

    সব মিলিয়ে বিজেপির নতুন সাংগঠনিক দলের বার্তা যথেষ্ট পরিষ্কার। সামনে যে নির্বাচনী পর্ব আসছে, তার আগে দল সংগঠনের ওপর আরও জোর দিতে চাইছে। শুধু জনপ্রিয় মুখ বা নির্বাচনী প্রচারের ওপর নির্ভর না করে বুথস্তর থেকে জাতীয় স্তর পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সঙ্গে দলের সমন্বয়ও আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।

    নিতিন নবীনের নেতৃত্বে এই নতুন বিন্যাস তাই কেবল কয়েকটি পদে পরিবর্তনের ঘটনা নয়। বরং এর মধ্যে দিয়ে বিজেপি আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য সংগঠন, আদর্শ, নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বকে একই কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। আগামী নির্বাচনী ফল এই কৌশল কতটা কার্যকর হয়েছে তা শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে (Nitin Nabin)। তবে নতুন সাংগঠনিক দল থেকে আপাতত যে বার্তাটি সবচেয়ে স্পষ্ট, তা হল—বিজেপি সংগঠনকে আরও আঁটসাঁট করছে এবং তার সঙ্গে আরএসএসের সম্পর্কও হয়ে উঠছে আগের তুলনায় ঢের বেশি গুরুত্বপূর্ণ (RSS)।

     

  • Caste Politics: জাতপাতের রাজনীতি নয়, বিহারে জয় এনডিএর সুশাসনেরই ফল

    Caste Politics: জাতপাতের রাজনীতি নয়, বিহারে জয় এনডিএর সুশাসনেরই ফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন জাতপাতের রাজনীতির ঘূর্ণাবর্তেই ঘুরপাক খাচ্ছিল বিহারের রাজনীতি (Caste Politics)। তবে সেই এঁদো গলির সেই রাজনীতিকে ছাপিয়ে গিয়ে সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বুঝিয়ে দিল, রাজ্যের উন্নয়ন করতে হলে প্রয়োজন সুশাসন (Good Governance), যে সুশাসন দিয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। এই সুশাসনের ঝড়েই কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের মহাগঠবন্ধন।

    রাহুলের অস্ত্র ভোঁতা (Caste Politics)

    তার পরেই কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে বিজেপি বিরোধী জোটের অন্দরে। হারের দায় কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ রাহুল গান্ধীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছেন ‘ইন্ডি’ (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট) জোটের নেতারা। রাজনীতির ময়দানে রাহুলকে প্রায় দেখাই যায় না বলে বিরোধীদের দাবি। বিহারে ভোট প্রচারে বেরিয়ে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। তারপর আর তাঁর পাত্তা পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যমের খবর, লাতিন আমেরিকার কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের কাছে তিনি সেই সময় ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার সমালোচনা করেছিলেন।

    সোনার কাঠি-রুপোর কাঠি

    কংগ্রেসের এই নেতা যখন বিদেশে দেশের গায়ে কালিমা লাগাতে ব্যস্ত (Caste Politics), তখন সপ্তাহের সাতদিনই চব্বিশ ঘণ্টা করে খেটে চলেছিলেন এনডিএর নেতা-কর্মীরা। এটি যদি বিহার ভোটে এনডিএর বিপুল জয়ের রুপোর কাঠি হয়, তবে সোনার কাঠিটি অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুঙ্গ জনপ্রিয়তা এবং সুশাসন। বিহারে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতা দিয়েছিলেন ১৪টি জায়গায়। তিনি তাঁর প্রচার শুরু করেছিলেন জননায়ক কর্পূরী ঠাকুরের পৈতৃক গ্রাম সমস্তিপুর জেলা থেকে। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পূরীকে ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়েছিল। এই জেলা থেকেই নির্বাচনী প্রচার শুরু করে এনডিএর তরফে প্রধানমন্ত্রী বিহারবাসীকে এই বার্তা দেন যে, এনডিএ একটি পরিষ্কার, সৎ এবং প্রান্তিক মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল সরকার উপহার দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই গুণগুলি কর্পূরী ঠাকুরের সঙ্গে বেশ মেলে। তারই সুফল মিলেছে সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে। পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, সমস্তিপুর-সহ প্রধানমন্ত্রী যেসব জায়গায় প্রচার করেছেন, সেই সব জায়গায় ভোটদানের হার ছিল চোখ ধাঁধানো।

    এক্স ফ্যাক্টর!

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর এই বিপুল জয়ে কাজ (Caste Politics) করেছে আরও একটি ফ্যাক্টর। সেটি হল, বিজেপি সঠিক নির্বাচনী ইস্যুগুলিকে চিহ্নিত করে তুলে ধরেছে জনগণের দরবারে (Good Governance)। গত দশকে কেন্দ্রীয় সরকারের যেসব কল্যাণমূলক কর্মসূচি, যেগুলি নারী, প্রবীণ এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহায় হয়ে উঠেছিল, সেগুলি মোদির প্রতি জনগণের ভরসা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিহারের জঙ্গলরাজের সঙ্গে সুশাসনের (এনডিএ জমানায়) তুলনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এটাই ব্যাপক প্রভাব ফেলে ইভিএমে। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের জমানা দেখা ভোটাররা তো বটেই, এনডিএর সুশাসন দেখা নতুন ভোটাররাও ভরসা করেছেন মোদির ওপর। তার জেরেই বিহারে জয়জয়কার বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর।

    সুশাসনের ফিরিস্তি

    বস্তুত (Caste Politics), নির্বাচনী ময়দানে বিজেপি নেতাদের এই শানিত এবং দূরদর্শী আক্রমণের সামনে বিরোধীদের কার্যত অসহায় দেখিয়েছে। প্রচারে বেরিয়ে মহাগঠবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী লালু-পুত্র তেজস্বী যাদব জনতা জনার্দনের এই আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন যে, জঙ্গলরাজ নয়, নয়া মহাগঠবন্ধনের সরকার রাজ্যবাসীকে উপহার দেবে সুশাসন (Good Governance)। বস্তুত, আরজেডি যে সুশাসন দিতে পারে, তা আদৌ বিশ্বাস করেননি ভোটাররা। আর তা-ই প্রতিফলিত হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলে। বিজেপির একাধিক মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যখন প্রচারে বেরিয়ে এনডিএ জমানার সুশাসনের ফিরিস্তি দিয়েছেন, তখন জঙ্গলরাজের স্মৃতি ফিকে করে সুশাসনের আশ্বাস দিতে ব্যর্থ হয়েছেন মহাগঠবন্ধনের নেতারা। তেজস্বী নন, বিহারবাসী আস্থা রেখেছেন মোদির সুশাসনের ওপরই (Caste Politics)।

    সাংগঠনিক শক্তি

    সাংগঠনিক শক্তিও বিজেপির বিপুল জয়ের অন্যতম একটি স্তম্ভ। ভোটের আগে আগেও যখন বিরোধী শিবিরে ছন্নছাড়া দশা, তার ঢের আগেই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়ে মহগঠবন্ধনকে মাত দিয়ে দেয় এনডিএ। ঘর গুছোতে গিয়ে অনেকটা সময় নষ্ট করে ফেলেছিলেন বিরোধীরা। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে এনডিএ বিহারবাসীর মনে এই বার্তা গেঁথে দিতে সক্ষম হয়েছিল যে, ‘হামারা সব এক হ্যায়’। নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ (Good Governance) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন। দক্ষ হাতে পরিচালনা করেছিলেন নির্বাচনের যাবতীয় কর্মকাণ্ড। তৃণমূলস্তরে প্রচার পরিচালনার জন্য দেশজুড়ে ৯০০ জনেরও বেশি প্রবীণ নেতাকে মোতায়েন করা হয়েছিল মাস দুয়েক ধরে। স্থানীয় নেতাদের নিয়ে তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রতিটি ভোটারের  দুয়ারে। এসবের পাশাপাশি সংঘের প্রচ্ছন্ন সমর্থনের ফসলও কুড়িয়েছে বিজেপি।

    নির্বাচনী ফলের বার্তা

    বিহারের এই নির্বাচনী ফল থেকে এটা স্পষ্ট যে বিহারে অবসান হয়েছে জাতপাতের রাজনীতির যুগ। যার জেরে আরজেডির গড় বলে খ্যাত রাঘোপুর আসনে জিততে নাকানিচোবানি খেতে হয় যাদবকুলোদ্ভূত তেজস্বীকে (Caste Politics)। এই যাদব বংশেরই তেজস্বীর দাদা তেজপ্রতাপও আরজেডি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজে দল গড়েও ডুবেছেন স্বখাত সলিলে। এসবের একটাই অর্থ, জাতপাতের রাজনীতির পাঁকে আর না জড়িয়ে বিহারবাসী বেছে নিয়েছেন সুশাসন এবং উন্নয়নের রাজনীতি (Good Governance)।

    এই রাজনীতির জেরেই বিহারের প্রত্যন্ত এলাকায়ও ফুটবে উন্নয়নের পদ্মফুল (Caste Politics)।

  • Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে সবচেয়ে ভাল ফল করবে বিজেপি, বিশ্বাস রাম মাধবের

    Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে সবচেয়ে ভাল ফল করবে বিজেপি, বিশ্বাস রাম মাধবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্ম-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিই সবথেকে বেশি আসন পাবে বলে জানালেন উপত্যকায় বিজেপির নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত নেতা রাম মাধব। বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় সাধারণ মানুষের মধ্য যে পরিমাণ উৎসাহ চোখে পড়েছে, তা অভূতপূর্ব। নওশেরা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রবিন্দর রায়নার সঙ্গে ছিলেন রাম মাধব।

    বিজেপির প্রতিশ্রুতি

    জম্মু কাশ্মীরের জন্য বিজেপির ইস্তাহারে যে ২৫টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করার সঙ্গে বিভিন্ন মন্দিরের পুনর্গঠন এবং কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপত্যকায় ফিরিয়ে আনার মতো ঘোষণা রয়েছে৷ রাম মাধব জানান, জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনে খুব ভালো ফল করবে বিজেপি। জম্মুতে তো বটেই কাশ্মীর উপত্যকাতেও ঠেকানো যাবে না বিজেপিকে।

    আরও পড়ুন: “অনুচ্ছেদ ৩৭০ ইতিহাস, আর কখনও ফিরবে না”, স্পষ্ট করলেন শাহ

    ২০১৯ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তার পর থেকে জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে দু’টি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মর্যাদা দেওয়া হয়। প্রায় ১০ বছর পরে জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে। পুনর্বিন্যাসের পরে মোট ৯০টি বিধানসভা কেন্দ্র আছে। তফসিলি উপজাতিভুক্ত কেন্দ্রের সংখ্যা নয়। আর তফসিলি জাতিভুক্ত কেন্দ্রের সংখ্যা সাত। মোট ভোটারের সংখ্যা হল ৮৭.০৯ লাখ। পুরুষ এবং মহিলা ভোটারের সংখ্যা মোটামুটি সমান। প্রথমবারের ভোটদাতা হলেন ৩.৭১ লাখ। আর যুব সম্প্রদায়ের ভোটার ২০ লাখের মতো নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। তিনটি দফায় জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন হবে। প্রথম দফায় ১৮ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। আসনের সংখ্যা ২৪। দ্বিতীয় দফায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ২৬টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ হবে ৪০টি আসনে। গণনা হবে আগামী ৪ অক্টোবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir Assembly Election: ফের সক্রিয় রাজনীতিতে, ভূস্বর্গের ভোটে  বিজেপির দায়িত্বে রাম মাধব

    Jammu Kashmir Assembly Election: ফের সক্রিয় রাজনীতিতে, ভূস্বর্গের ভোটে  বিজেপির দায়িত্বে রাম মাধব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Jammu Kashmir Assembly Election) দলের নির্বাচনী ইনচার্জ নিযুক্ত হলেন সঙ্ঘ পরিবার ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতা রাম মাধব (Ram Madhav)৷ তাঁর সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের নির্বাচনী ইনচার্জ হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষেণ রেড্ডিও৷ তবে আসল ব্যক্তি রাম মাধবই, মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ৷ জম্মু ও কাশ্মীরের আসন্ন বিধানসভা ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই নেতার নাম মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে বিজেপি (BJP)।

    সঙ্ঘ পরিবার থেকে রাজনীতিতে

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রথম বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে বিজেপির সঙ্গে সঙ্ঘ (RSS) পরিবারের সমন্বয় সাধন করার গুরুদায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল রাম মাধবের (Ram Madhav) কাঁধে৷ সেই বছরেই জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচনে (Jammu Kashmir Assembly Election) রাম মাধবের নেতৃত্বে লড়াই করে বিজেপি জিতেছিল ২৫টি আসন৷ পিডিপি পেয়েছিল ২৮টি আসন, ন্যাশনাল কনফারেন্স ১৫টি৷ রাম মাধবই পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতিকে বুঝিয়ে সুজিয়ে বিজেপির সঙ্গে পিডিপির ভোট পরবর্তী সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করিয়েছিলেন, জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন মেহবুবা৷ তবে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের পর আরএসএস-র সেন্ট্রাল কমিটিতে যোগ দেন রাম মাধব। সংগঠনের দায়িত্ব সামলান। প্রায় পাঁচ বছর পরে আবার সক্রিয় রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন হল রাম মাধবের। জম্মু ও কাশ্মীরের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বে বিজেপি-র প্রাক্তন জাতীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডিকে দায়িত্বভার তুলে দিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। পার্টির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং একটি বিবৃতি জারি করে সেই তথ্য জানিয়েছেন।

    উপত্যকায় পরিচিতি

    সূত্রের দাবি, উপত্যকার সবক’টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে রাম মাধবের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়৷ ১০ বছর আগে কাশ্মীরের বিধানসভা ভোটে (Jammu Kashmir Assembly Election) সাফল্যের পরে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি রাম মাধবকে৷ রাতারাতি দলের সাধারণ সম্পাদক(সংগঠন) পদে উত্তীর্ণ হন রাম মাধব (Ram Madhav)৷ এর পরে অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্যেও বিজেপির জয়রথ দৌড়তে শুরু করেছিল রাম মাধবের রণকৌশলেই, দাবি বিজেপি সূত্রের৷ বস্তুত, তিনিই ওই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা ভোটে বিজেপির (BJP) প্রার্থী নির্বাচন এবং প্রচার কৌশল নির্ধারণের মূল দায়িত্বে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Madhav: নিপীড়িতদের স্বাগত জানায় ভারত, ধর্মীয় সম্মেলনে বললেন আরএসএস নেতা

    Ram Madhav: নিপীড়িতদের স্বাগত জানায় ভারত, ধর্মীয় সম্মেলনে বললেন আরএসএস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) বৈচিত্র (Diversity) আছে। এর তীরে স্বাগত বিশ্বের নিপীড়িতদের। বৃহস্পতিবার একথা বলেন আরএসএস (RSS) নেতা রাম মাধব (Ram Madhav)। এদিন রিলিজিয়ন-২০তে একদল গ্লোবাল রিলিজিয়াস নেতার সঙ্গে কথা বলছিলেন রাম মাধব। তখনই তিনি বলেন এ কথা। অদূর ভবিষ্যতে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হবে বলেও জানিয়ে দেন তিনি। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হল ইন্দোনেশিয়া।

    এদিন ইন্দোনেশিয়ার বালিতে রিলিজিয়ন-২০তে ভাষণ দিচ্ছিলেন রাম মাধব (Ram Madhav)। বিশ্বের ধর্মীয় নেতাদের সম্মেলন এটি। জি-২০ সম্মেলনের মতোই। এবার এই সম্মেলন হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ায়। দিন কয়েক পরে এখানেই হবে জি-২০ সম্মেলন। আগামী বছর জি-২০ সম্মেলন হবে ভারতে। রাম মাধব বলেন, আগামী বছর আমরা রিলিজিয়ন-২০-র আয়োজক দেশ হতে চাই।

    এদিনের সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাম মাধব (Ram Madhav) বলেন, আমাদের ভারতে ১৮০ মিলিয়ন মুসলমান রয়েছেন। খ্রিস্টান রয়েছেন ২৫ মিলিয়ন। বাস্তব চিত্র বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের দেশে মুসলিম জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার সমান হয়ে যাবে। আর ২০৫০ সালে আমরা বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ হয়ে যাব। সেই সময় আমদের দেশে মুসলিম জনসংখ্যা হবে ৩১০ মিলিয়ন।

    রাম মাধব (Ram Madhav) বলেন, ভারত কেবল বৈচিত্রকে শ্রদ্ধা করে তাই নয়, একে উদযাপনও করে। এদেশেই রাষ্ট্রপতি, উপ রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতির পদ অলঙ্কৃত করেছেন মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। ভারত সব ধর্ম ও বৈচিত্রকে শ্রদ্ধা করে। তিনি বলেন, ভারত আধ্যাত্মিকতার মাতৃভূমি। ভারত এমন একটা দেশ, যেখানে বসবাস করেন বিশ্বের সব ধর্মের মানুষ। নিপীড়ন ছাড়াই তাঁরা রয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্যাতিতরা ভারতে আসেন, আসতেই থাকেন এবং ভারতে আশ্রয়ও নেন।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ

    এটি যে কেবল ধর্মীয় সম্মেলন নয়, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন রাম মাধব (Ram Madhav)। বলেন, এটা কেবল মাত্র ধর্ম কেন্দ্রিক একটি সম্মেলন নয়, বরং মানবতাকেন্দ্রিক সম্মেলন। আমাদের সামনে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধ, অনৈক্য, ক্ষুধা এবং দারিদ্রের মতো জ্বলন্ত সমস্যা। এই ইস্যুগুলির প্রতি আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক দৃষ্টি আকর্ষণের প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share