Tag: ram mandir ayodhya

ram mandir ayodhya

  • Suvendu Adhikari: রাম মন্দির উদ্বোধন, হেল্পলাইন নম্বর চালু বিজেপির, দুর্গামূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাম মন্দির উদ্বোধন, হেল্পলাইন নম্বর চালু বিজেপির, দুর্গামূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচশো বছরের অপেক্ষা! অবশেষে রাম মন্দির (Ram Mandir Inauguration) প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে সরযু নদীর তীরে। অযোধ্যা থেকে কয়েকশো মাইল দূরে কলকাতাতেও উৎসবের মেজাজ। বাংলাজুড়ে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিশাল মিছিল নিয়ে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে রাম মন্দিরে প্রবেশ করেছেন। রামচন্দ্রের সঙ্গে বাংলার যোগসূত্র হিসেবে মিছিলের মূলভাবনা অকালবোধন। ধূপ-ধুনো জ্বালিয়ে, ঢাক বাজিয়ে দুর্গা প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা করে মন্দিরে পৌঁছন বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা

    মিছিলের আয়োজক শ্রীরাম সেনা। উত্তর কলকাতার গণেশ টকিজের বৈকুণ্ঠপুর মন্দির থেকে শুরু হয়ে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের রাম মন্দির পর্যন্ত যায় এই শোভাযাত্রা। এই মিছিলে যোগ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘সারা বাংলায় ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান উঠছে। যদি লজ্জা থাকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিকেলে বাড়ি থেকে বেরোবেন না।’’ সন্ধে ৬টা নাগাদ, হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাটে গঙ্গা আরতি করবেন বিরোধী দলনেতা। এরপর সন্ধে ৭টায়, গরচায় রাম দরবারের উদ্বোধন করার কথা শুভেন্দু অধিকারীর।  

    বাংলায় সারা দিনের কর্মসূচি

    সোমবার দিনভর রাজ্যের বিভিন্ন মঠ, মন্দির, আশ্রম, মহল্লায় ও ক্লাবে রামপুজো ও প্রদীপ জ্বালানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে পদযাত্রায় অংশ নেবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুরে পদযাত্রায় থাকবেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। বঙ্গ বিজেপির তরফে রাম মন্দির উদ্বোধনের একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিজেপির নেতা-কর্মীদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, রাজ্যের সমস্ত জেলার প্রতি বুথের অন্তত একটি হলেও মন্দিরে পুজোর আয়োজন করতে হবে। সেই মন্দির পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে প্রসাদ বিলি করতে হবে। সকাল বা সন্ধায় ‘নগরকীতর্ন’ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: শহরে মরশুমের শীতলতম দিন! এক ধাক্কায় তাপমাত্রা কমল তিন ডিগ্রি

    হেল্পলাইন নম্বর চালু

    রাম মন্দির নিয়ে বাংলায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নতুন উদ্যোগ নিল বঙ্গ বিজেপি। চালু হল একটি হেল্পলাইন নম্বর। রবিবার থেকেই এই হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। রবিবার বঙ্গ বিজেপির তরফে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়। নম্বরটি হল ৭৬০৫০-২৬১১৫। রামমন্দির উদ্বোধন ঘিরে বাংলায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেই এই নম্বরে ফোন করলে মিলবে যে কোনওরকম সহায়তা বলে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে। এর আগে একাধিক জায়গায় রাম মন্দির উদ্বোধনের জন্য মিছিলে বাধা প্রদান করা হয়েছে বলে বিজেপির তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। 

    কলস যাত্রার আয়োজন

    এদিন সকালে দমদম হনুমান মন্দির থেকে দমদম পার্ক পর্যন্ত এক কলস যাত্রার আয়োজন করা হয়। বিজেপি নেতা পীযূষ কানোরিয়ার নেতৃত্বে এই যাত্রা দমদম হনুমান মন্দির থেকে শুরু হয় দমদম রোড নাগেরবাজার হয়ে যশোর রোড ধরে পৌছায় দমদম পার্কে।মিছিলে অংশ দেন কামদুলি তুই প্রতিবাদী মুখ মৌসুমী ও টুম্পা। এছাড়াও যাত্রায় কয়েকশো মহিলা ও পুরুষ। হাতে কলস ও পতাকা নিয়ে তাদের এই কলস যাত্রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: লেগেছে ১ কেজি সোনা, ৭ কেজি রুপো! রামলালার পাদুকাজোড়া শোভা পাবে রাম মন্দিরে

    Ayodhya Ram Mandir: লেগেছে ১ কেজি সোনা, ৭ কেজি রুপো! রামলালার পাদুকাজোড়া শোভা পাবে রাম মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ কেজি সোনা এবং ৭ কেজি  রুপোয় তৈরি করা হয়েছে রামলালার একটি পাদুকাজোড়া। আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে শ্রীরাম মন্দিরের। অযোধ্যায় শ্রীরাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রভু রামের মূর্তির সঙ্গে স্থাপন করা হবে এই পাদুকাজোড়াও। উল্লেখ্য, এই পাদুকা নিয়েই সারা দেশে রামমন্দিরের ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে এই রামমন্দির নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার ফলে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে দেশের রাজনীতিতে। এমনটাই মত প্রকাশ করেছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কে তৈরি করলেন রামের পাদুকা (Ram Mandir Ayodhya)?

    প্রভু রামের এই পাদুকা তৈরি করেছেন হায়দরাবাদের শীচল্লা শ্রীনিবাস শাস্ত্রী। গত রবিবার ১৭ ডিসেম্বর রামেশ্বর ধাম থেকে আমেদাবাদ আনা হয় তাঁকে। পাদুকা যুগল নিয়ে তিনি সোমনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ ধাম, দ্বারকাধীশ নগরী এবং তারপর বদ্রীনাথে পরিক্রমা করেন। এবার এই পাদুকা নিয়ে ৪১ দিন ধরে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) নির্মীয়মাণ মন্দির প্রদক্ষিণ করলেন শ্রীচল্লা শ্রীনিবাস। পাদুকা জোড়া এক কেজি সোনা এবং সাত কেজি রুপো দিয়ে তৈরি। মন্দিরের নির্মাণ কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। মন্দিরের গায়ে লাগানো পাথরের স্তম্ভগুলিতে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    মন্দির ট্রাস্টের বক্তব্য (Ram Mandir Ayodhya)

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মন্দিরের শেষ পর্যায়ের কাজকে আরও দ্রুত শেষ করতে শ্রমিকের সংখ্যা ৩২০০০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫০০০ করা হয়েছে। একদিনের সময়কে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করে আট ঘণ্টা করে ইঞ্জিনিয়ারদের তত্ত্বাবধানে কাজ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মন্দিরের গর্ভগৃহের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে পুরো মন্দিরের কাজ শেষ হতে সময় লাগবে আরও দুই বছর। তবে ভক্তদের কাছে বলা হয় উদ্বোধনের দিনে অযোধ্যায় যেন না যান। নিজের বাড়ির আশেপাশে মন্দিরগুলিতে প্রভু রামের পুজো দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    আমেরিকায় সাজো সাজো রব

    এদিকে, অয্যোধ্যায় রাম মন্দিরকে (Ayodhya Ram Mandir) ঘিরে সুদূর আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সাজো সাজো রব চোখে পড়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির মেরিল্যান্ডের ফ্রেডরিক সিটিতে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। রাম মন্দিরকে ঘিরে চলবে মাসব্যাপী অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir Ayodhya: রাম মন্দির উদ্বোধনে কয়েক লক্ষ ভক্ত সমাগম! অযোধ্যায় হোটেলের চাহিদা তুঙ্গে

    Ram Mandir Ayodhya: রাম মন্দির উদ্বোধনে কয়েক লক্ষ ভক্ত সমাগম! অযোধ্যায় হোটেলের চাহিদা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামমন্দিরের (Ram Mandir Ayodhya) উদ্বোধন হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত দিয়েই দ্বারোদঘাটন হবে রামলালার মন্দিরের। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উৎসবে অংশ নিতে পেরে তিনি গর্বিত অনুভব করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে বহু মানুষ ভিড় করবে অযোধ্যায়। ওই সময় সেখানকার সব হোটেলের প্রায় ৮০ শতাংশ ভর্তি হয়ে গিয়েছে। ওই সময় সেখানে হোটেলের মূল্যও আকাশ ছোঁয়া।

    অযোধ্যায় হোটেলের চাহিদা

    রাম মন্দিরের উদ্বোধন ঘিরে আগামী ১৯ থেকে ২৩ জানুয়ারি অযোধ্যার অধিকাংশ হোটেলেরই ৮০ শতাংশ ঘর ভর্তি হয়ে গিয়েছে। যা পড়ে রয়েছে, তার চাহিদাও তুঙ্গে।  প্রতি রাতে হোটেলের মূল্য ২১ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে। যে হোটেলের ঘর ভাড়া ২ হাজার টাকা তা এখন প্রায় ৮ হাজার টাকা হয়েছে। ওই সময় হোটেলের খাদ্য তালিকাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। রাখা হচ্ছে হরেক নিরামিষ পদ। নতুন নতুন নানা খাবার। থাকছে মিলেট শস্যের হরেক পদও। 

    ২২ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে অযোধ্যায় (Ram Mandir Ayodhya) ভগবান শ্রী রামলালার শ্রী বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে। এমনটাই উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। মন্দিরের নির্মাণ কমিটির চেয়ারপার্সন নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, তিনতলা এই অযোধ্যার মন্দিরের গ্রাউন্ড ফ্লোরের নির্মাণ কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।  ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট অযোধ্যায় রামমন্দিরের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: বিরাটের জন্মদিনে বিশেষ ভাবনা সিএবির! বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত ইডেন

    হাজার হাজার ভক্ত সমাগম

    রামমন্দির নিয়ে দেশজুড়ে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। মন্দিরের অধিকাংশ নির্মাণকাজই প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। রামমন্দিরের দেওয়ালগুলিতে সুন্দর নকশা আঁকা হয়েছে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার শুভ অনুষ্ঠানে দেশের প্রায় চার হাজার সাধু-সন্ত উপস্থিত থাকবেন অযোধ্যায়। সঙ্গে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, আড়াই হাজার চিন্তাবিদ এবং অন্যান্য বিশিষ্টজনেদের। উপস্থিত থাকার কথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথের। থাকবেন বহু রাজনীতিবিদ, নেতা, মন্ত্রীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: তিন বছর আগে এদিনই রাম মন্দির নির্মাণের রায় দেয় শীর্ষ আদালত! জেনে নিন দ্বন্দ্বের শুরু থেকে শেষ

    Ram Temple: তিন বছর আগে এদিনই রাম মন্দির নির্মাণের রায় দেয় শীর্ষ আদালত! জেনে নিন দ্বন্দ্বের শুরু থেকে শেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনবছর আগে আজকের দিনেই রাম মন্দির (Ram Temple) নির্মাণের ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ৯ই নভেম্বর ২০১৯ সালে সুপ্রিম রায়ে নিষ্পত্তি হয়েছিল রামমন্দির-বাবরি মসজিদ বিতর্কের। ইতিমধ্যে রামমন্দির নির্মাণের কাজ চলছে। এরমধ্যে , এই মেগা মন্দির প্রজেক্টের উদ্বোধনের দিনক্ষণও স্থির হয়ে গিয়েছে। ১৪ই জানুয়ারি ২০২৪ এই মন্দির উদ্বোধনের কথা রয়েছে।  প্রসঙ্গত , ১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর ভেঙে ফেলা হয়েছিল বিতর্কিত ধাঁচা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস ছিল, ওই স্থান ভগবান রামচন্দ্রের জন্মস্থান এবং জোরপূর্বক তা দখল করে ওখানে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করা হয়।

    ১৫২৭ সালে ওই মসজিদ নির্মাণ করেন বাবরের সেনাপতি মীর বাকি। এই দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল , কিন্তু বিবাদ সব থেকে প্রকট আকার ধারণ করে স্বাধীনতার ঠিক দুই বছর পরে, ১৯৪৯ সালে যখন বিতর্কিত ধাঁচা থেকে পাওয়া যায় রামলালার মূর্তি। দেশের প্রধানমন্ত্রী তখন জওহরলাল নেহেরু। তিনি তৎকালীন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী গোবিন্দ বল্লভ পন্থকে ওই রামলালার মূর্তি অপসারণের নির্দেশ দেন।  দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ ছিল যে “ওখানে একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হচ্ছে”। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর এ নির্দেশ মানতে অস্বীকার করেন তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। আদালত ওখানে রিসিভার বসিয়ে দেয়। পুলিশি নিরাপত্তায় রামলালার মূর্তি পূজা চলতে থাকে ওখানে। মন্দিরের পূজারীকেও নিয়োগ করে আদালত। দেশে রাম মন্দির (Ram Temple) আন্দোলন তখন থেকেই বিস্তৃত হতে থাকে।

    রাম মন্দির আন্দোলন

    ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিতর্কিত এলাকার তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। কেন্দ্রে তখন রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে সরকার চলছে। আদালতের এই নির্দেশের প্রতিবাদ জানায় বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি। তখন থেকেই শুরু হলো আইনি লড়াই। এতদিন যে মামলার পর্যবেক্ষণ করছিল জেলা আদালত ,সেই মামলা এবার পৌঁছলো লখনউ হাইকোর্টে। এর মধ্যে আবার , নির্বাচনে লাভ হতে পারে, এই সমীকরণকে মাথায় রেখে ,রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠার স্লোগান দিয়ে ,বিতর্কিত এলাকার খুব কাছেই রাম মন্দিরের শিলান্যাস করিয়ে দেন রাজীব গান্ধী। ১৯৮৯ এর লোকসভা নির্বাচনে হেরে গেলেন তিনি। এই সময় সর্বোচ্চ গতি ধারণ করল রাম মন্দির (Ram Temple) আন্দোলন।   এরপর ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ঘটলো বিতর্কিত ধাঁচার ধ্বংসকাণ্ড।

    আরও পড়ুন: ভারতের জি-২০ সভাপতিত্বের লোগো, থিম এবং ওয়েবসাইটের প্রকাশ! জানেন কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    ২০০২ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টে শুরু হল মামলা। ২০০৩ সালে কোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইণ্ডিয়াকে দায়িত্ব দেওয়ার পর  তারা যে রিপোর্ট জমা দিল তাতে বলা হল ‘বিতর্কিত স্থানে একটি পরিকাঠামো রয়েছে। যার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে অতি প্রাচীনকালের হিন্দু মন্দিরের।’  মুসলিমরা এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিতর্কিত জমিকে তিনভাগে ভাগ করে দেয়। যার একটি ভাগ দেওয়া হয় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে। একটি অংশ পায় নির্মোহী আখড়া। বাকি অংশ দেওয়া হয় রামলালাকে। যদিও এই রায়ে তিন বিচারপতি সহমত পোষণ করেননি। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় হিন্দু মহাসভা ও সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড।

    সুপ্রিম নির্দেশ

    এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই রায়ের ৯ বছর পরে, ৯ নভেম্বর ২০১৯। রাম জন্মভূমি মামলায় ঐতিহাসিক রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ছিলেন রঞ্জন গগৈ। অযোধ্যার যে ২.৭৭ একর জমিকে বিরোধের মূল কেন্দ্র বলে গণ্য করা হয়, তার মালিকানা দেওয়া হয় ‘রামলালা’কে। বলা হয় , “কোটি কোটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস রয়েছে যে ওই স্থান রামলালার”। আদালত এই বিশ্বাসকে মর্যাদা দিচ্ছে। অযোধ্যাতেই ৫ একর জমি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় মুলসিমদের মসজিদ নির্মাণের জন্য। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ছাড়া বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা ছিলেন এস এ বোড়বে, চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ ও এস আবদুল নাজির। এই মন্দির ও মসজিদ বানানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি ট্রাস্ট গঠনেরও নির্দেশ দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

     

LinkedIn
Share