Tag: ram mandir in ayodhya

ram mandir in ayodhya

  • Malda: ৮০০ কিমি সাইকেল চালিয়ে রামনগরীতে পৌঁছাবেন বঙ্গের দুই যুবক

    Malda: ৮০০ কিমি সাইকেল চালিয়ে রামনগরীতে পৌঁছাবেন বঙ্গের দুই যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনস্কামনা মন্দিরে পুজো দিয়ে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সামিল হতে সাইকেল নিয়ে যাত্রা শুরু করে দিলেন মালদা (Malda) শহরের দুই যুবক। আগামী ২২ জানুয়ারিতে প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতি মধ্যে মন্দির উদ্বোধনের প্রস্তুতি চরম তুঙ্গে। সারা ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সকল হিন্দুদের নজর এখন এই রাম মন্দিরের দিকেই।

    মালদা থেকে ৮০০ কিমি অযোধ্যা (Malda)

    মালদা থেকে অযোধ্যার দূরত্ব প্রায় ৮০০ কিমি। মালদার (Malda) দুই যুবক হলেন রবি বিশ্বকর্মা (৩০) এবং অভিজিৎ বাসফোর(২২)। তাঁরা আজ স্থানীয় মনস্কামনা কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে রওনা হলেন অযোধ্যার উদ্দেশ্যে। দীর্ঘ এই পথ অতিক্রম করে আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে অযোধ্যায় পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তাঁরা। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত সাইকেল চালানোর কথা জানিয়েছেন তাঁরা। যাত্রা শুরুর সময় তাঁদের শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হন প্রচুর রামভক্ত এবং সাধারণ মানুষ।

    কেমন হবে সাইকেলের রুট?

    জানা গিয়েছে মালাদা (Malda) থেকে অযোধ্যায় যাওয়ার পথের রুটটি হবে মালদহ থেকে প্রথমে ডালখোলা। এরপর বিহারের পূর্ণিয়া, দ্বারভাঙ্গা হয়ে উত্তরপ্রদেশের গোরখপুর দিয়ে তাঁরা দু’জনে পৌঁছবেন অযোধ্যায়। যাত্রায় তাঁদের সাইকেলের মধ্যে থাকবে প্রভু শ্রীরামের আঁকা ছবি। সনাতন ধর্মীয় পতাকার পাশাপাশি সাইকেল যাত্রায় সামিল করা হয়েছে ভারতের জাতীয় পতাকাও। এলাকায় রীতিমতো উচ্ছ্বাস নিয়ে তাঁরা যাত্রার শুভ সূচনা করলেন। 

    যুবকদের বক্তব্য

    মালদার (Malda) এই দুই যুবকের বক্তব্য, “আগে দেশ পরে ধর্ম”। এই প্রসঙ্গে রবি বিশ্বকর্মা বলেন, “হিন্দু সমাজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল অযোধ্যায় রামমন্দির প্রতিষ্ঠা হবে। এবার সেই স্বপ্ন প্রতিষ্ঠা পাবে।” আবার অভিজিৎ বাসফোর বলেন, “এই রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা পর্বের ঐতিহাসিক সাক্ষী হতেই আমরা সাইকেলে যাত্রার পরিকল্পনা করেছি। শ্রীরাম আমাদের ধর্মীয় সংস্কৃতির পরিচয়। পাশপাশি সমাজে যাতে নেশা কম হয় সেই উদ্দেশ্যে আমরা এই যাত্রায় সচেতনতার বিষয়কেও রেখেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: টার্গেট অযোধ্যার রাম মন্দির! কোন পথে হামলার ছক জঙ্গিদের? গোয়েন্দা রিপোর্টে চাঞ্চল্য

    Ayodhya Ram Temple: টার্গেট অযোধ্যার রাম মন্দির! কোন পথে হামলার ছক জঙ্গিদের? গোয়েন্দা রিপোর্টে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে অযোধ্যার রাম মন্দিরে হতে পারে জঙ্গি হামলা! এমনটাই জানা যাচ্ছে সূত্রের খবর অনুযায়ী। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন এবার অযোধ্যার রাম জন্মভূমি মন্দিরে হামলার ছক কষছে৷ জইশ-এ-মহম্মদ এবং লস্কর ই তৈবা সেই আতঙ্ক সংগঠনগুলির মধ্যে অন্যতম, যারা অযোধ্যায় এই বড় হামলার ছক কষছে৷ বিশেষভাবে রামমন্দিরে হামলার ছক কষা হচ্ছে৷ গোপন সূত্রের খবর অনুযায়ী, জঙ্গি সংগঠন নেপালের পথ দিয়ে গুলি-বারুদ এবং আত্মঘাতী জঙ্গি পাঠানোর ব্যবস্থা করছে৷

    রাম মন্দিরে হামলার ছক

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাবরি মসজিদ ভেঙে সেখানে রাম মন্দির নির্মাণের পর থেকেই জঙ্গিদের থেকে একাধিকবার হুমকি মিলছে। একাধিক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী অযোধ্যার রাম মন্দিরে বিস্ফোরণ ঘটানো এবং ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এইসবের মধ্যেই আজ হামলার ব্যাপারে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

    কোন পথে হামলা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, নেপাল হয়ে এই হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নেপাল থেকে ভারতের পথে বিস্ফোরক ও আত্মঘাতী বোমা আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই হামলা করার পিছনে জইশের পাশাপাশি লস্কর জঙ্গিরাও রয়েছে বলে এক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের সীমানায় রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। তার তুলনায় নেপাল-ভারত সীমান্তে তেমন নিরাপত্তা নেই। সেজন্যই এই পথকে বেছে নিয়ে হামলার ছক সাজিয়েছে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনগুলি।

    আরও পড়ুন: বোকা বনল পুলিশ! বাবুঘাটেই গঙ্গারতি বিজেপির, আটক রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার

    ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত ও অন্যান্য সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা রয়েছে। অনুপ্রবেশের সুড়ঙ্গগুলি চিহ্নিত করে বন্ধ করা হয়েছে, এবং মাদক চোরাচালানও বন্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পরে তেমন কিছু করে উঠতে পারেনি। ফলে আইএসআই তাদের অবস্থান ক্রমাগত হারিয়ে চলেছে ভারতে। ফলে নিজেদেরকে ফের প্রাসঙ্গিক করে তুলতে এই পরিকল্পনা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন এই পরিকল্পনা?

    অযোধ্যা রাম মন্দির নিয়ে সবসময়ই বিতর্ক লেগে রয়েছে। এটি নির্ধারিত সময়ের আগে তৈরি করাই হল প্রধান লক্ষ্য। জানা গিয়েছে, রামমন্দিরেই হামলা চালিয়ে দেশের অভ্যন্তরে হিন্দু-মুসলিম বিবাদকে উস্কে দেওয়ার জন্যই ছক সাজিয়েছে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনগুলি। যেহেতু রাম মন্দির হিন্দু এবং ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকার উভয়ের জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আইএসআই তাই মনে করেছে যে, যে কোনও বড় বা ছোট হামলাই তাদের আবার প্রাসঙ্গিক করে তুলতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের আগেই সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে রাম মন্দিরের দরজা। আর তার আগেই এই হামলার পরিকল্পনা করেছে পাক জঙ্গি গোষ্ঠী।

LinkedIn
Share