Tag: ram mandir trust

ram mandir trust

  • Ram Mandir Trust: অযোধ্যায় রামমন্দির প্রকল্পে বড় রদবদল, নয়া সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ দেব গিরি

    Ram Mandir Trust: অযোধ্যায় রামমন্দির প্রকল্পে বড় রদবদল, নয়া সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ দেব গিরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামমন্দির প্রকল্পের প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাজ (Ram Mandir Trust) আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সিদ্ধান্ত নিল শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। ২ সেপ্টেম্বর অযোধ্যায় অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে একাধিক নতুন পদাধিকারী নিয়োগ করা হয়েছে (Govind Dev Giri)। এর মধ্যে আধ্যাত্মিক নেতা গোবিন্দ দেব গিরিকে ট্রাস্টের নতুন সাধারণ সম্পাদক, মহেশ ভাগচন্দকাকে ট্রাস্টি ও কোষাধ্যক্ষ, আইনজীবী মদন মোহন পাণ্ডেকে ট্রাস্টি এবং নির্মলা যাদবকে ট্রাস্টি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্রকে ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Ram Mandir Trust)

    নতুন নিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সংগঠনের আন্তর্জাতিক সভাপতি তথা প্রবীণ আইনজীবী অলোক কুমার বিশেষভাবে গোবিন্দ দেব গিরিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর আশা, গিরির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক নেতৃত্ব এবং সাংগঠনিক দক্ষতা ট্রাস্টের কাজকে আরও সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    ট্রাস্টের এই সাংগঠনিক পরিবর্তনকে রামমন্দির প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মন্দির নির্মাণের পাশাপাশি অযোধ্যায় সংশ্লিষ্ট বৃহত্তর উন্নয়নমূলক কাজের দায়িত্বও ট্রাস্টের উপর রয়েছে। সেই কাজ আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং সমন্বিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যেই নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে বলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বক্তব্য।

    সাধারণ সম্পাদক পদে গোবিন্দ দেব গিরি

    গোবিন্দ দেব গিরির নিয়োগকে এই বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। আধ্যাত্মিক ও সাংগঠনিক ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, নতুন দায়িত্বে তিনি ট্রাস্টকে প্রয়োজনীয় দিশা দিতে পারবেন। অলোক কুমার তাঁর দায়িত্ব গ্রহণে শুভেচ্ছা জানিয়ে আস্থা প্রকাশ করেছেন যে, গিরির অভিজ্ঞতা ট্রাস্টের সাংগঠনিক কাজকে আরও শক্তিশালী করবে।

    রামমন্দির নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজ ক্রমশ বিস্তৃত হওয়ার প্রেক্ষাপটে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্দির প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রশাসনিক সমন্বয়, বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যোগাযোগ এবং ভবিষ্যতের কাজের পরিকল্পনায় এই পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

    ট্রাস্টি ও কোষাধ্যক্ষ মহেশ ভাগচন্দকা

    বৈঠকে মহেশ ভাগচন্দকাকে ট্রাস্টি এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি, রাম জন্মভূমি আন্দোলনের একেবারে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই তিনি এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    অশোক সিংঘল ফাউন্ডেশনের মাধ্যমেও তিনি হিন্দুত্বের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজে অবদান রেখেছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সংগঠনের মতে, রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং অভিজ্ঞতা ট্রাস্টের নতুন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মূল্যবান হবে (Govind Dev Giri)।

    কোষাধ্যক্ষ হিসেবে তাঁর দায়িত্বও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মন্দির প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট কাজের সমন্বয় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সেই জায়গায় তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করছে সংগঠনটি (Ram Mandir Trust)।

    আইনজীবী মদন মোহন পাণ্ডে হলেন ট্রাস্টি

    আইনজীবী মদন মোহন পাণ্ডেকেও ট্রাস্টি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে মামলার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    ট্রাস্টে তাঁর অন্তর্ভুক্তিকে আইনি ও বিচারিক অভিজ্ঞতার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মন্দির প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বিষয়ে আইনি পরামর্শ, নথিপত্র, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যতের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা ট্রাস্টকে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বক্তব্য, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া জ্ঞান ট্রাস্টের কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক ও আইনি দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করবে।

    নির্মলা যাদবের অন্তর্ভুক্তি, বাড়ল মহিলা প্রতিনিধিত্ব

    ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি হিসেবে নির্মলা যাদবের নিয়োগও উল্লেখযোগ্য। তাঁর অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, এর ফলে ট্রাস্টে প্রতিনিধিত্বের পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে রামমন্দির প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কাজে মহিলাদের ভূমিকার স্বীকৃতিও এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে বলে সংগঠনটির বক্তব্য (Ram Mandir Trust)।

    অলোক কুমার মনে করেন, সীতা ও রামের পবিত্র ভূমির সঙ্গে যুক্ত এই বৃহৎ কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, নির্মলা যাদবের উপস্থিতি ট্রাস্টের কাজের ক্ষেত্রে আরও সংবেদনশীলতা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্তর্ভুক্তির মানসিকতা তৈরি করবে।

    প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র

    বৈঠকের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হল অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্রকে ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ তাঁকে অভিজ্ঞ, সম্মানিত এবং দক্ষ ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাঁর দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ট্রাস্টের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করতে সাহায্য করবে বলে সংগঠনটির আশা।

    পূর্ণকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টিও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজের পরিধি ক্রমশ বাড়ছে। ফলে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, বিভিন্ন কাজের মধ্যে সমন্বয়, সময়সীমা বজায় রাখা এবং কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য একজন পূর্ণকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নতুন কাঠামো

    নতুন নিয়োগগুলির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আধ্যাত্মিক, আইনি, প্রশাসনিক, আর্থিক এবং সাংগঠনিক—বিভিন্ন ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাকে একই কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। গোবিন্দ দেব গিরির আধ্যাত্মিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, মহেশ ভাগচন্দকার দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও আর্থিক দায়িত্বের অভিজ্ঞতা, মদন মোহন পাণ্ডের আইনি জ্ঞান, নির্মলা যাদবের অন্তর্ভুক্তি এবং জিতেন্দ্র মিশ্রের প্রশাসনিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে ট্রাস্টের কাজের পরিধিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে (Ram Mandir Trust)।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, নতুন সদস্যদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শ্রী রামমন্দিরের সঙ্গে যুক্ত বৃহৎ প্রকল্পের কাজ আরও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে অযোধ্যার বৃহত্তর উন্নয়নমূলক কাজকেও এগিয়ে (Govind Dev Giri) নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা সংগঠনটির।

    অলোক কুমার সমস্ত নবনিযুক্ত সদস্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁদের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ট্রাস্টের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আস্থা প্রকাশ করেন তিনি। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বক্তব্যে শেষ পর্যন্ত অযোধ্যার এই কর্মকাণ্ডকে বৃহত্তর আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনটির আশা, নতুন সাংগঠনিক কাঠামো এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে অযোধ্যায় চলা কাজ এমন এক পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে, যা রামরাজ্যের সঙ্গে যুক্ত আদর্শগুলিকে প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে (Ram Mandir Trust)।

     

  • Ram Mandir CEO: রাম মন্দিরের সিইও পদে ২,৩৫৭ আবেদন! দৌড়ে প্রাক্তন আইএএস-আইপিএস, সেনা আধিকারিক থেকে সিএ-রা-ও 

    Ram Mandir CEO: রাম মন্দিরের সিইও পদে ২,৩৫৭ আবেদন! দৌড়ে প্রাক্তন আইএএস-আইপিএস, সেনা আধিকারিক থেকে সিএ-রা-ও 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। মন্দিরের প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক (Ram Mandir CEO) পদে নিয়োগের জন্য জমা পড়েছে ২,৩৫৭টি আবেদনপত্র। আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস, আইপিএস আধিকারিক, সেনার প্রাক্তন কর্মী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) এবং সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। ১৮ জুলাই ছিল আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এবার শুরু হয়েছে আবেদনপত্র যাচাইয়ের কাজ। যোগ্য প্রার্থীদের বেছে নিতে তৈরি হয়েছে তিন সদস্যের বিশেষ কমিটি।

    কারা রয়েছেন কমিটিতে?

    মন্দিরের প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক (Ram Mandir CEO) নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিন সদস্যের কমিটিকে। কমিটিতে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রমোদ কোহলি, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিষ্ণুকান্ত চতুর্বেদী ও সুরেশ হাওয়ারে। এই কমিটি আবেদনগুলি খতিয়ে দেখবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রার্থীর সততা, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে জ্ঞানও যাচাই করা হবে।

    কীভাবে হবে নিয়োগ (Ram Mandir CEO)?

    প্রথম ধাপে আবেদনপত্র বাছাই করা হবে। এরপর যোগ্য প্রার্থীদের ডাকা হবে সাক্ষাৎকারে। সেখান থেকে তিনজনের নাম চূড়ান্ত করে ট্রাস্টের কাছে পাঠাবে নির্বাচন কমিটি। শেষ পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে একজনকে সিইও হিসেবে নিয়োগ করা হবে। জানা গিয়েছে, আবেদনপত্র যাচাইয়ের জন্য একজন সিনিয়র সচিব পর্যায়ের আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সিইও-র হাতে থাকবে বড় দায়িত্ব

    নতুন সিইও-র দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক কাজ দেখাই নয়, রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) পুরো ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা। তাঁকে ট্রাস্ট, সরকারি দফতর, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন কমিটির মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। তাঁর দায়িত্বের মধ্যে থাকবে- মন্দিরের প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা, আর্থিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা, ভক্তদের পরিষেবা উন্নত করা, নিরাপত্তা ও কর্মী ব্যবস্থাপনা, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা।

    যোগ্যতা 

    ট্রাস্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিইও পদের জন্য প্রার্থীর বয়স হতে হবে ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। থাকতে হবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ডিগ্রি এবং বড় প্রতিষ্ঠান, সরকারি দফতর বা সংস্থায় অন্তত ২০ বছরের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা। প্রশাসন, অর্থ, হিসাবরক্ষণ, মানবসম্পদ, তথ্যপ্রযুক্তি, নিরাপত্তা এবং জনসংযোগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মন্দির বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকলে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    ২২ জুলাই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    সিইও নিয়োগের পাশাপাশি ট্রাস্টের বিভিন্ন কমিটিতেও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিষয়ে আলোচনা করতে ২২ জুলাই ট্রাস্টের বৈঠক ডাকা হয়েছে।

    দান চুরিকাণ্ডের পর বাড়ছে সংস্কারের গতি

    রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) প্রণামীর টাকা চুরি ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয় এবং বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়। তদন্তে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং প্রায় ৭৯.৮৫ লক্ষ টাকা উদ্ধারের কথা জানানো হয়। এরপর থেকেই মন্দির পরিচালনায় আরও স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিইও নিয়োগ সেই প্রক্রিয়ারই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অনুমান ওয়াকিবহাল মহলের।

  • Ram Mandir Ayodhya: রাম লালা থেকে রাজাধিরাজ রাম, ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২.০’-এর জন্য প্রস্তুত অযোধ্যা

    Ram Mandir Ayodhya: রাম লালা থেকে রাজাধিরাজ রাম, ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২.০’-এর জন্য প্রস্তুত অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার প্রাচীন মন্দিরনগরী ফের একবার ভক্তির সুরে মুখর হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি ঐতিহাসিক রাম লালার ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র (Ram Mandir Ayodhya) পর, এবার আসছে আরও এক মহার্ঘ মুহূর্ত—‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২.০’। আগামী ৫ জুন, গঙ্গা দশহরার দিন এই নতুন ধর্মীয় অধ্যায় শুরু হচ্ছে, যেখানে প্রথম তলায় রাজারূপে রামচন্দ্রের প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে। বালক রামের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়ে গিয়েছিল ১৫ মাস আগে। এবার অযোধ্যায় হবে রামলালার রাজ্যাভিষেক পর্ব। মন্দিরের প্রথম তলায় রামদরবার বা রাজদরবার স্থাপনের পরে, রাজা রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    রামমন্দির নির্মাণের কাজ শেষের পথে

    রাজদরবার স্থাপনের মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিক ভাবে অযোধ্যার রামমন্দির (Ram Mandir Ayodhya) নির্মাণের কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে। আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু ৩ দিনের এই প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান (Pran Pratistha)। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘রাম দরবার’। ৮টি মন্দিরে আট বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে। অনুষ্ঠানে কোনও রাজনৈতিক নেতা এবং ভিআইপি-কে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। শুধু থাকবেন ধর্মগুরুরা। বিতর্ক এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র আগেই জানিয়েছিলেন, নির্মাণকাজ ৫ জুনের মধ্যে শেষ হলেও, মন্দিরের নীচের অংশে ভগবান রামের কাহিনী খোদিত দেওয়ালচিত্রগুলি স্থাপন করার কাজ বাকি থাকবে। ৫ জুন প্রাণ প্রতিষ্ঠার এক সপ্তাহ পর, মন্দিরের নবনির্মিত অংশগুলি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

    রাজা রাম-এর আরাধনায় দ্বিতীয় দফার উৎসব

    শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে, তিন দিনের অনুষ্ঠানে (৩-৫ জুন) থাকছে বৈদিক যজ্ঞ, পুজো, শোভাযাত্রা, ও মহা আরতি। শহরজুড়ে রং-বেরঙের পতাকা, গাঁদাফুলের মালা ও রঙ্গোলিতে সেজে উঠেছে পথঘাট। তবে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছেন, “এই অনুষ্ঠান কোনও জনসমাগম বা রাজনৈতিক জমায়েত নয়, বরং একটি গভীর আধ্যাত্মিক অনুষঙ্গ। তাই অযথা ভিড় না করে, কেবল রাম লালার দর্শনে ইচ্ছুকরাই আসুন।” রাজা রাম-এর ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’—৫ জুন বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে সম্পন্ন হবে। সেই দিন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের জন্মদিনও, তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    বালক রাম থেকে রাজা রাম

    ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে রামচন্দ্রের বালক রূপের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মন্দিরের নিচতলায় গর্ভগৃহে। এবার মন্দিরের প্রথম তলায় রাজা রূপে রামের প্রতিষ্ঠা হবে। তাঁর সঙ্গে থাকবে দেবী সীতা, লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ও ভক্ত হনুমান—যিনি সেবা ও ভক্তির চিহ্ন হয়ে থাকবেন। মূল দেবমূর্তির পাশাপাশি, মন্দিরের পরিধিতে (পরিকোটায়) সাতটি প্রধান মন্দিরে বিভিন্ন দেব-দেবীর ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ হবে। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, দেবতাদের অবস্থান ঠিক করা হয়েছে। ঈশান কোণে শিব, অগ্নি কোণে গণেশ, দক্ষিণে হনুমান, নৈঋতে সূর্যদেব, ব্যায়ব্য কোণে ভগবতী, উত্তরে অন্নপূর্ণা, দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে শেশাবতার লক্ষ্মণ-এর মন্দির প্রতিষ্ঠিত হবে। এছাড়াও, বাল্মীকি, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র, অহল্যা, শবরী ও নিশাদ রাজের নামে সাতটি মন্দিরে ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ সম্পন্ন হবে।

    সোনার শিখর: ভক্তির শিরমণি

    নতুন এই পর্বে সবচেয়ে নজরকাড়া স্থাপত্যিক সংযোজন হল ‘স্বর্ণ শিখর’—রাম মন্দিরের (Ram Mandir Ayodhya) সোনায় মোড়া চূড়া। নগর শৈলীর ঐতিহ্য মেনে নির্মিত এই শিখরটি মন্দিরের আধ্যাত্মিক চূড়া বা ‘মেরু’র প্রতীক। এটি মাইলের পর মাইল দূর থেকে দৃশ্যমান, ভক্তির দীপ্ত প্রতীক।

    নিরাপত্তার চূড়ান্ত ব্যবস্থা

    উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে ১০,০০০-এরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ড্রোন, সিসিটিভি ক্যামেরা ও মাল্টি-লেভেল চেকপোস্টের সাহায্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। অযোধ্যার জেলা শাসক নিখিল তিকরাম ফুন্ডে জানিয়েছেন, “যাত্রী ও দর্শনার্থীদের জন্য যথাযথ স্থান ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে কোনও ভক্তর কোনও অসুবিধা না হয়।”

    ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে সম্পূর্ণ মন্দির

    ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পর, ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট ভূমি পূজনের মাধ্যমে রাম মন্দির (Ram Mandir Ayodhya) নির্মাণের সূচনা হয়। এরপর থেকে দ্রুতগতিতে মন্দির নির্মাণ চলছে। ৩৮০ ফুট দীর্ঘ, ২৫০ ফুট প্রস্থ ও ১৬১ ফুট উচ্চতাসম্পন্ন মন্দিরটি সম্পূর্ণভাবে গোলাপি বেলেপাথরে নির্মিত হচ্ছে। ৩৯২টি খোদাইকৃত স্তম্ভ ও ৪৪টি অলঙ্কৃত দরজা রয়েছে এই মন্দিরে। ২০২৫ সালের অক্টোবর নাগাদ পুরোপুরি মন্দিরের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র বলেন, “এই নির্মাণ শুধুই আধ্যাত্মিক না, এটি আমাদের জাতীয় গর্ব এবং সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক।”

LinkedIn
Share