Tag: Ram Mandir

Ram Mandir

  • Digha: দিঘায় তৈরি করা হবে রাম মন্দির! শুরু হল জোর তৎপরতা

    Digha: দিঘায় তৈরি করা হবে রাম মন্দির! শুরু হল জোর তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমুদ্রের টানে পর্যটকরা দিঘার ভিড় করেন। এবার সেখানে বাড়তি আকর্যণ হিসেবে গড়ে উঠেছে জগন্নাথ মন্দির। জোর কদমে এই মন্দির তৈরির কাজ চলছে। কিছুদিনের মধ্যেই দিঘায় বলেই জগন্নাথ দেবকে দর্শন করতে পারবেন পর্যটকরা। তবে, শুধু জগন্নাথ দেব নয়, এবার দিঘায় রাম মন্দিরও (Ram Mandir) গড়়ে তোলার জন্য জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। যা নিয়ে দিঘাজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    রাম মন্দির তৈরির জন্য জমা পড়ল আবেদন (Ram Mandir)

    ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ব্যবসায়ী কমিটি (দিঘা) ও সনাতনীবৃন্দের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কমিটির সদস্যরা দিঘায় মিছিল করে দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা করেন। প্রশাসনের কাছে জমা পড়েছে রাম মন্দির তৈরির আবেদন। রাজ্যের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র দিঘায় যাতে রাম লালার মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করা হয়, সেই আবেদন জানানো হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দিঘায় বহু ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটে। তাঁদের কথা ভেবেই রাম মন্দির তৈরি করা হোক। দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সৌভিক ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপি নেতা তপন মাইতি বলেন, দিঘায় জগন্নাথ দেবের মন্দির তৈরি হয়েছে। রাম লালার মন্দির তৈরি হলে পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়বে। কারণ, প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আসেন দিঘায়। অনেকেই সমুদ্রে স্নান করার পর মন্দিরে যেতে চান। সেই মন্দিরের জন্য দু একর জমির জন্য আবেদন জানিয়েছে ওই কমিটি। আমরা চাই, এই ধরনের উদ্যোগ কার্যকরী হোক। যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন, রাম মন্দিরে (Ram Mandir) আপত্তি নেই। তবে, জগন্নাথ মন্দির তৈরি হওয়ার পর রাম মন্দিরের কথা ভাবা যাবে। এমনকী দিঘায় মসজিদ নির্মাণের দাবিও উঠেছে সম্প্রতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ‘‘বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রামলালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন’’, মন্তব্য মোহন ভাগবতের

    Ram Mandir: ‘‘বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রামলালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন’’, মন্তব্য মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনকে ভগবানের আশীর্বাদ বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। প্রসঙ্গত ৫০০ বছরের সংঘর্ষের পর অযোধ্যায় স্থাপিত হয়েছে রাম মন্দির (Ram Mandir) । এই ঘটনাকে সর্বশক্তিমানের ইচ্ছা বলেও মন্তব্য করেন মোহন ভাগবত। সোমবারই মোহন ভাগবত হাজির ছিলেন মহারাষ্ট্রের পুনেতে। গীতা ভক্তি অমৃত মহোৎসব নামের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে তিনি জানান, ভারতবর্ষের উত্থান হতেই হবে,  সারা পৃথিবীর মঙ্গলের জন্য। তিনি আরও বলেন, ‘‘২২ জানুয়ারি রাম লালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন মন্দিরে, বহু সংঘর্ষের পরে এই সফলতা মিলেছে। বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রাম লালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন।’’

    শীঘ্রই শুরু হবে রামের দরবার নির্মাণের কাজ

    শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজ। রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ কমিটির তরফে জানানো হয়েছে রামের দরবার-এর প্রথম এবং দ্বিতীয় তলের নির্মাণকাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। জানা গিয়েছে, প্রভু রামের দরবারে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ। নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র শনিবারই মন্দির চত্বর (Ram Mandir) পরিদর্শন করেন। তিনি জানিয়েছেন, গত ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন নির্মাণ কাজ শুরু হবে। একইসঙ্গে, ‘পরকোটা’-র কাজও শেষ করতে হবে। ৭৯৫ মিটার দীর্ঘ পরিক্রমা প্রাচীরের কাজও তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রথম ১১ দিনে পা পড়েছে ২৫ লাখ ভক্তের

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন ৮ হাজার অতিথি সামিল হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে। তারপর থেকেই ভক্তদের ঢল নেমেছে অযোধ্যায়। হিসাব বলছে, প্রথম ১১ দিনে ২৫ লাখ ভক্তের পা পড়েছে রাম জন্মভূমিতে এবং মোট প্রণামী সংগৃহীত হয়েছে ১১ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮ কোটি টাকা এসেছে শুধু প্রণামী বাক্স থেকেই এবং অনলাইনের মাধ্যমে প্রণামী পাঠানো হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্মাণ হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। প্রাণপ্রতিষ্ঠাও হয়েছে বিগ্রহের। এবার ফের জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি হিন্দু পক্ষের। সোমবার এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গ’

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গে’র অস্তিত্ব মেলার পর ২০২২ সালে সেটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বারাণসীর নিম্ন আদালত। সেই সিলই ফের খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে হিন্দু পক্ষের তরফে। ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার পাশাপাশি এএসআইকে সেখানে সমীক্ষা চালানোর অনুমতি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে হিন্দু পক্ষ। হিন্দু পক্ষের দাবি, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) কাঠামোর নীচে বড় হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব ছিল। বারাণসী জেলা আদালতে জমা দেওয়া এএসআই রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে বলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি।

    এএসআইয়ের রিপোর্ট!

    এএসআইয়ের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে হিন্দু পক্ষের আরও দাবি, আওরঙ্গজেব ১৬১৯ সালের ২ নভেম্বর মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন জানান, এএসআইয়ের রিপোর্টে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব সম্পর্কে এ ধরনের মোট ৩২টি প্রামাণ মিলেছে। তিনি বলেন, “এএসআইয়ের রিপোর্ট বলছে, মসজিদ তৈরির সময় কাঠামোয় কিছু বদল আনা হয়েছিল। সামান্য বদল এনে মন্দিরের স্তম্ভ এবং অন্যান্য অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন কাঠামো তৈরি করতে হিন্দু মন্দিরের পিলারের চরিত্রে সামান্য বদল আনা হয়েছিল।” আইনজীবীর এহেন দাবির পরে পরেই ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি জানাল হিন্দু পক্ষ। জানানো হল এএসআইয়ের সমীক্ষার দাবিও।

    আরও পড়ুুন: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই ওজুখানার ‘শিবলিঙ্গ’ পুজোর অধিকার চেয়েছিল হিন্দু পক্ষ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার বলেন, “এএসআই কর্তৃক সংগ্রহীত প্রমাণ ও অনুসন্ধানগুলি প্রমাণ করে যে, এই উপাসনালয়ের ধর্মীয় চরিত্রটি ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট বিদ্যমান ছিল। বর্তমানে এটি একটি হিন্দু মন্দিরের আকারে রয়েছে। তাই উপাসনা স্থান আইন অনুসারে কাঠামোটিকে হিন্দু মন্দির ঘোষণা করা (Gyanvapi Case) উচিত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান রামের বিজয় হল অধর্ম ও অসত্যের বিনাশের সংকেত। যিনি রামচন্দ্রের অপমান করছেন, অধর্মের সাথ দিচ্ছেন, অসত্যের পথে হাঁটছেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশাসন কতদিন চলে দেখব। বৃহস্পতিবার হাওড়ায় সাংগঠনিক  বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি। মধ্য হাওড়ার সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের অশান্তির ঘটনার জন্য কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani)। তিনি বলেন, অযোধ্যায় রামলালার মূর্তি স্থাপন নিয়ে যখন আনন্দ-সমারোহ হচ্ছিল, তখন হাওড়ায় এই ওয়ার্ডে শিব মন্দিরে পাথর ছোড়া হয়। রাম ভক্তদের ওপর হামলা হয়। রামের ছবি ছেঁড়া হয়। যে গুন্ডারা এই কাজ করেছে, তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্রয় পায়।

    এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani)

    সনাতন ধর্মে ইন্ডি জোট ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থা নেই, রয়েছে বিদ্বেষ। হামলার সময় পুলিশ ছিল না। কিন্তু জাতীয় ভোটার দিবসে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবার সময় পুলিশ টিভি বন্ধ করতে হাজির হয়। এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন তোলেন স্মৃতি ইরানি। তিনি আরও বলেন, যেখানে যেখানে ইন্ডি জোটের নেতারা আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছে, সেখানে রামচন্দ্রের প্রতি অপমান আছে, এটা পরিষ্কার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই। পুলিশ চুপচাপ তামাশা দেখেছে। কেন নরেন্দ্র মোদির প্রতি রাগ, কেন ভগবান রামের প্রতি অপমান-এর জবাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিতে হবে। এদিন ডুমুরজলার সাংগঠনিক বৈঠকে এসে টিকিয়াপাড়ার ঝামেলায় আক্রান্তদের সাথে কথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাদের পাশে থাকার ভরসা দেন। তাঁর (Smriti Irani) আশ্বাসে খুশি আক্রান্তরা।

    অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল (Smriti Irani)

    স্মৃতি ইরানি বলেন, মন্দিরে প্রাণপ্রতিষ্ঠার ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রী শিখদের উৎসব উদযাপন করছিলেন। আমিও মদিনায় গিয়েছিলাম। অনেক অহিন্দু প্রাণপ্রতিষ্ঠা উৎসবে শামিল হয়েছিলেন। পার্সিদের প্রধান পুরোহিতও অযোধ্যায় ছিলেন। কিন্তু সনিয়া গান্ধী গেলেন না। স্মৃতি (Smriti Irani) বলেন, অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল। ভারতীয় হিন্দুরা ১৮৮০র দশক থেকে এই নিয়ে লড়াই করেছেন। ঈশ্বরের ইচ্ছায় এই ভাবে রামমন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সব হিন্দুই সুযোগ পেলে অযোধ্যা যেতেন। আস্থার এই জায়গাটিই কেউ কেউ বোঝেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: লোকসভা পিছু ৬ হাজার রামভক্তকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবে সঙ্ঘ পরিবার

    Ram Mandir: লোকসভা পিছু ৬ হাজার রামভক্তকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবে সঙ্ঘ পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের রামভক্তদের অযোধ্যায় রাম মন্দিরে (Ram Mandir) নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এবং মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ৬ হাজার করে মোট ১২ হাজার রামভক্তকে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    যে কেউ রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারেন (Ram Mandir)  

    লোকসভা ভোটের আগে পর্যন্ত এই উন্মাদনা জিইয়ে রাখতে তৎপর হয়েছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যে এলাকার সাধারণ কোনও মানুষ অযোধ্যায় যেতে চান কি না, তার খোঁজ নিতে হবে। রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শনের জন্য অযোধ্যার যোগাযোগ ব্যবস্থা কী কী থাকছে, কোন কোন পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে, সে সব তাঁদের জানাতে হবে। ইচ্ছুকদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ রায় বলেন, অযোধ্যায় যেতে আগ্রহী অনেকেই ট্রাস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাঁদের রাম মন্দির দর্শনে নিয়ে যাওয়া হবে। এই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়ে যে কেউ রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারেন। তাঁকে বিজেপি করতে হবে, এমন কোনও মানে নেই।

    খরচ কত পড়বে?

    সামান্য অনুদানের মাধ্যমে এই সফরের শরিক হতে পারেন ইচ্ছুক রামভক্তরা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকেই অযোধ্যা-সফর শুরু হবে। চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়কালে দক্ষিণবঙ্গ থেকে দিনে একটি করে ট্রেন অযোধ্যা রওনা দেবে। প্রচারে জানানো হচ্ছে, যাত্রা শুরুর কমপক্ষে ১২ দিন আগে অবশ্যই অনুদান জমা করতে হবে। সঙ্গে জমা দিতে হবে আধার কার্ডের প্রতিলিপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এ দিয়ে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে। এই সফরের জন্য জেলায় একাধিক যোগাযোগ প্রমুখও নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি দেখছেন। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে গেলে খরচ পড়বে ১,৬০০ টাকা। বর্ধমান থেকে ১,৪০০ টাকা। আসানসোল থেকে ১,২০০ টাকা পড়বে। এর মধ্যেই ট্রেনে যাতায়াত, রাত্রিবাস, আহারাদি-সব হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: মার্চ পর্যন্ত মন্ত্রীদের অযোধ্যা না যাওয়ার পরামর্শ মোদির, কেন জানেন?

    Ram Mandir: মার্চ পর্যন্ত মন্ত্রীদের অযোধ্যা না যাওয়ার পরামর্শ মোদির, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। ২৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে কার্যত হিমশিম খাচ্ছে সেখানকার প্রশাসন এবং রাম মন্দির কমিটি। এই অবস্থায় যাতে কোনও সাধারণ ভক্তের সমস্যা না হয়, তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যদের আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত রাম মন্দির দর্শনে না যাওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অতিরিক্ত ভিড়ের সময় জনসাধারণের যাতে কোনওরকম সমস্যা না হয়, সেজন্যই এই আবেদন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমন কথা জানান প্রধানমন্ত্রী

    সূত্রের খবর, বুধবারই মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সেখানেই রাম মন্দিরের (Ram Mandir) ভিআইপিদের নিরাপত্তার যে প্রোটোকল, সেটি তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভিআইপিরা যখন বালক রামের দর্শনে যাবেন তখন বিশেষ নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হবে। তার ফলে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হতে পারে। তাই আপাতত মার্চ মাস পর্যন্ত অযোধ্যা সফর না করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। মার্চ মাসের পর মন্ত্রীদের অযোধ্যা যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    ভিড় সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে প্রশাসন

    প্রসঙ্গত, বালক রামের দর্শন ঘিরে মঙ্গলবার পাঁচ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল অযোধ্যায়। এমনটাই জানা গিয়েছে। বুধবার, দ্বিতীয় দিন প্রায় ৩ লাখ ভক্তের আগমন ঘটে। এদিনও সকালের দিকে ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা হয় মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে পুলিশ-প্রশাসনের। ভিড় বেশি, কিন্তু বালক রামের দর্শনের সময় কম ছিল। বেলা যত বেড়েছে বাড়তে থেকেছে ভিড়ও। ভিড় সামলাতে লাঠি উঁচিয়ে কিছু সময় তেড়ে যেতে দেখা গিয়েছে পুলিশকেও। এই আবহে সাধারণ ভক্তদের (Ram Mandir) কোনওরকম অসুবিধা-বাধার সম্মুখীন যাতে না হতে হয়, সেজন্যই মন্ত্রীদের মার্চ মাস পর্যন্ত অযোধ্যা না যাওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে বালক রাম দর্শনের সময় বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যোগী সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balak Ram: অযোধ্যায় উপচে পড়ছে ভিড়, বালক রামের দর্শনের সময়সীমা বাড়ল

    Balak Ram: অযোধ্যায় উপচে পড়ছে ভিড়, বালক রামের দর্শনের সময়সীমা বাড়ল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই হয়েছে রাম মন্দিরের উদ্বোধন। পরদিন ২৩ জানুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই সর্বসাধারণের জন্য মন্দিরের গেট খুলে গিয়েছে। প্রথম দিন থেকেই রাম (Balak Ram) ভক্তদের ঢল নেমেছে মন্দির প্রাঙ্গণে। ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। তাই এবার বালক রামের দর্শনের সময় বাড়ানো হল। বুধবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। অন্যদিকে, ভিড় এড়াতেও কিছু বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

    বালক রামের দর্শনের নতুন সময়

    রাম মন্দির (Balak Ram) কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এবার সকাল ৬টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এবং দুপুর ২টো থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বালক রামের দর্শন করা যাবে। অর্থাৎ কেবল ভোগদান ও সন্ধ্যা আরতির সময় মন্দিরের মূল দরজা সাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। ভিড়ের চাপ সামলাতে এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম ২ দিন সন্ধ্যে ৭টা পর্যন্ত বিগ্রহ দর্শন করতে পারছিলেন দর্শনার্থীরা। কিন্তু, ভিড়ের চাপ সামাল দিতে এবার এই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

    আরও পড়ুন: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    ভিড় এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা

    হিসেব বলছে, বালক রামের (Balak Ram) দর্শন করতে প্রথম দিন প্রায় ৫ লাখ ভক্তের সমাগম হয়েছিল অযোধ্যার রাম মন্দিরে। শেষ পর্যন্ত সকলে দর্শনও করতে পারেননি। সেদিন ৩ লাখ ভক্ত পুজো দিতে পেরেছেন বলে রাম মন্দির সূত্রে খবর। তারপর বুধবার, দ্বিতীয় দিন প্রায় ৩ লাখ ভক্তের আগমন ঘটে। এদিনও সকালের দিকে ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা হয় মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে পুলিশ-প্রশাসনেরও। ভিড় বেশি, কিন্তু বালক রামের দর্শনের সময় কম ছিল। তাই বালক রাম দর্শনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল যোগী সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: উত্তরবঙ্গবাসীকে রাম মন্দির দর্শন করাবে সঙ্ঘ পরিবার, তালিকায় কারা?

    Ram Mandir: উত্তরবঙ্গবাসীকে রাম মন্দির দর্শন করাবে সঙ্ঘ পরিবার, তালিকায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে দেশ জুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। মন্দির দর্শন করার জন্য লক্ষ লক্ষ ভক্ত অযোধ্যায় ভিড় করছেন। রাম মন্দির সংক্রান্ত যে কোনও কর্মসূচিকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ গুরুত্ব দিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাইছে। এবার সেই ঐতিহ্যপূর্ণ রাম মন্দির দর্শন করাতে উদ্যোগী হল সঙ্ঘ পরিবারের বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    তালিকায় কারা রয়েছেন? (Ram Mandir)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের আগে অযোধ্যার পূজিত চাল বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিয়েছিল রাম মন্দির তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। উত্তরবঙ্গের ২২ লক্ষ পরিবারে চাল পৌঁছে দিয়ে জনসংযোগ করেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদও। সেই সূত্র ধরে সঙ্ঘ নেতাদের একাংশের ধারণা, তাঁরা সফল হয়েছেন। এবার রাম মন্দির নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম ট্রেনটি আলিপুরদুয়ার থেকে ছাড়ার কথা। পরের ধাপে এনজেপি থেকে ছাড়বে আরও একটি ট্রেন। প্রথম ধাপে উত্তরবঙ্গ থেকে দু’হাজারেরও বেশি মানুষকে অযোধ্যায় নিয়ে যাবে তারা। সে জন্য একটি ট্রেনও ভাড়া করা হয়েছে বলে খবর। অযোধ্যায় যেতে আগ্রহী অনেকেই তাদের সঙ্গে যোগাযাগ করছেন। তালিকার প্রথম দিকে রয়েছেন করসেবকেরা। উত্তরবঙ্গে এখনও একশো জনের মতো করসেবক রয়েছেন। তাঁদের পরিবারকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। করসেবক ছিলেন, কিন্তু মৃত্যু হয়েছে, সে রকম পরিবারের অন্তত দু’জনকে নিয়ে যাওয়া হবে রাম মন্দির দর্শন করাতে। একই সঙ্গে রয়েছেন সঙ্ঘের কার্যকর্তারাও। পরের ধাপে সঙ্ঘ পরিবারের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উত্তরবঙ্গের সম্পাদক কী বলেন?

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উত্তরবঙ্গের সম্পাদক (সংগঠন) অনুপকুমার মণ্ডল বলেন, করসেবকদের মন্দির দর্শন করিয়ে আবার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। বাকিদের নিজেদের খরচেই যেতে হবে। দক্ষিণবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গ থেকে আপাতত একটি করে ট্রেন ধরা হয়েছে। তবে, এখন রাম মন্দিরে (Ram Mandir) ভক্তদের ভিড় উপচে পড়েছে। তাই, ভিড় থাকলে প্রয়োজনে রাম মন্দির যাত্রা পিছিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী রাম সেনা

    Ram Mandir: ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী রাম সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে সোমবার দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠান হয়। এই আবহের মধ্যেই ঝাড়গ্রামে তৈরি করা হবে রাম মন্দির। রাম সেনা সংগঠনের পক্ষ থেকে এই মন্দির তৈরি করা হবে। সংগঠনের জেলা সভাপতি মধূসূদন সিংহ নিজে উদ্যোগী হয়ে রাম মন্দির তৈরির জন্য ৫ কাঠা জমি দিয়েছেন। সেই জমিতে গড়ে তোলা হবে স্বপ্নের রাম মন্দির। সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে রাজস্থান থেকে বিগ্রহ আনা হবে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, রামের মন্দির হবে সর্বসাধারণের জন্য।

    রাম সেনার উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির (Ram Mandir)

    রামসেনা সংগঠনটি সঙ্ঘ পরিবারের শাখাও নয়। মধুসূদনবাবু এক সময় শিবসেনার জেলা সভাপতি ছিলেন। পরে অবশ্য তিনি শিবসেনার সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেন। মধুসূদন বলেন, পুরুষোত্তম রামচন্দ্রকে নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। আমরা রামকে নিয়ে বিভাজনের বিপক্ষে। জেলার মধ্যে মানিকপাড়া ও রাধানগরে রামের দু’টি ছোট মন্দির আছে। তাই  জেলা শহরে রামের দৃষ্টিনন্দন মন্দির তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সঙ্ঘের শাখা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের জেলা সংযোজক বাপ্পা বসাক বলেন, শহরে রামের মন্দির (Ram Mandir) প্রয়োজন। ওই মন্দির তৈরির জন্য আমরাও সহযোগিতা করব। জানা গিয়েছে, সোমবার জেলায় দিনভর গেরুয়া শিবিরের ঠাসা কর্মসূচি ছিল। সরাসরি অযোধ্যা থেকে জায়ান্ট স্ক্রিনে সম্প্রচার। তার মধ্যে পৃথক ভাবে রামসেনার উদ্যোগে সব ধর্মের যুবকদের নিয়ে বাইক মিছিল করা হয়।

    রাম মন্দির নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঝাড়গ্রামে রামমন্দির হওয়া প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের সভাপতি দুলাল মুর্মু বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতার ঐতিহ্যকে নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে। শ্রীরামচন্দ্রকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক প্রদীপকুমার সরকার বলছেন, মন্দিরকে কেন্দ্র করে রাজনীতি ও পাল্টা রাজনীতিতে আমরা নেই। জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি দেবাশিস কুণ্ডু বলছেন, রাম মন্দির (Ram Mandir) হওয়ার কথা শুনে যাঁরা ঐতিহ্য নষ্টের কথা বলছেন, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে তোষণের রাজনীতি করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: এক ছাদের তলায় শিবের মন্দির ও মাজার! পাশেই রাম মন্দির তৈরি করে হল পুজো

    Ram Mandir: এক ছাদের তলায় শিবের মন্দির ও মাজার! পাশেই রাম মন্দির তৈরি করে হল পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির বারাকপুরের গারুলিয়া পুরসভার ওমর আলি রোডের মন্দির মাজার মোড়। এক ছাদের তলায় রয়েছে মহাদেবের মন্দির এবং মানিক পীরের মাজার। সেই মাজারের কাছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) আদলে মন্দির তৈরি করে পুজো করলেন গারুলিয়াবাসী।

    মাজারের কাছে রাম মন্দির তৈরি করে রামের পুজো (Ram Mandir)

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন দেশব্যাপী নানা অনুষ্ঠানে মেতেছিলেন রাজ্যের মানুষ। নদিয়ার শান্তিপুরে গির্জায় এবং মসজিদে প্রদীপ জ্বালিয়ে রামলালার জন্মদিনকে স্মরণে রাখা হয়। হিন্দুদের সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও সামিল হয়েছিলেন। আর গারুলিয়ার মন্দির মাজার মোড় সম্প্রীতির বার্তা বহন করে চলেছে। জানা গিয়েছে, মহাদেবের মন্দির এবং মানিক পীরের মাজার এক ছাদের তলায় রয়েছে। একটি দরজা দিয়েই হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ সেখানে যান। সেই মাজারের কাছে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রামের ছবি দিয়ে সেখানে জাঁকজমকভাবে পুজো করা হয়। পুরসভা এলাকার কয়েকশো ভক্ত রামের পুজোয় মেতে ওঠেন। স্থানীয় বাসিন্দা তারকেশ্বর রাও, ধর্মেন্দ্র সাউ বলেন, এখানে মাজার আর আমাদের শিব মন্দির একই জায়গায় রয়েছে। আর শিব মন্দিরে প্রত্যেক সোমবার নিত্যপুজো হয়। মাঝখানে রয়েছে একটি বটগাছ। যেখানে মনস্কামনা পূরণের জন্য মানুষ সুতো বাঁধেন। সেখানেই সঙ্গে হল রাম মন্দিরের পুজো। আমরা নিয়মিত এক দরজা দিয়ে সেখানে যাই। শিবের পুজো করি। আর মাজারে গিয়ে প্রার্থনা করেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ।

    শিব মন্দিরে পুজোর সঙ্গে মাজারে প্রার্থনাও চলে

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বলেন, আমরা নিয়মিত মাজারে প্রার্থনা করতে যাই। পাশেই শিব মন্দিরে হিন্দু ভাইয়েরা পুজো করেন। আর সোমবার তো অবিকল রাম মন্দির (Ram Mandir) করে সেখানে সাড়ম্বরে পুজো করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে একবার এখান থেকেই শুরু হয়েছিল সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ। তবে, তা মিটে যায়। নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনা আর ঘটেনি। এই সাম্প্রদায়িক মেলবন্ধন বাংলার ইতিহাস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share