Tag: ram temple inauguration

ram temple inauguration

  • Ram Mandir Inauguration:  ‘রাম রাজ্যে’  উৎসবের মেজাজ, অযোধ্যায় আজ সারা দিন

    Ram Mandir Inauguration:  ‘রাম রাজ্যে’ উৎসবের মেজাজ, অযোধ্যায় আজ সারা দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। দীর্ঘ লড়াইয়ের পথ পেরিয়ে অযোধ্যায় আজ, সোমবার, উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দিরের। রাম মন্দিরে রামের মূর্তি রামলালার ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র সময় আগত। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র মাধ্যমে মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাম মন্দির উদ্বোধন ঘিরে ভারতজুড়েই বিরাজ করছে উৎসবের মেজাজ। 

    প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সূচি

    সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যায় পৌঁছবেন। ১১টায় অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রাঙ্গণে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত মন্দির চত্বর ঘুরে দেখবেন মোদি। দুপুর ১২টায় শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানসূচি বলছে, ঠিক ১২টা ০৫ মিনিটে রামলালার বিগ্রহে ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র আচার-অনুষ্ঠান শুরু হবে। এর মধ্যে ৮৪ সেকেন্ড হল বিশেষ মুহূর্ত যখন রামলালার বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। ১টার সময় উদ্বোধনস্থল ছেড়ে বেরোবেন মোদি। এরপর যোগ দেবেন পাশেই আয়োজিত জনসভায়। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টো ৩০মিনিট পর্যন্ত চলবে জনসভা। ২টো ৪০ মিনিটে কুবের টিলায় শিব মন্দির দর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    জনসাধারণের জন্য মন্দির দর্শন

    সোমবার দুপুর সওয়া ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে রামমন্দির উদ্ধোধন হবে বলে মন্দির নির্মাণকারী সংস্থা শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের তরফে জানা গিয়েছে। সোমবার মন্দির উদ্বোধন হলেও মঙ্গলবার থেকে দর্শনার্থীদের জন্য এই মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের তরফে জানা গিয়েছে যে,  সারা দিনে দু’বার মন্দিরের দরজা খোলা হবে। সকাল ৭টায় মন্দিরের দরজা খোলার পর সাড়ে ১১টার সময় দর্শনার্থীদের জন্য মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তার পর আবার দুপুর ২টো থেকে দর্শনার্থীরা মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করতে পারবেন। সন্ধ্যা ৭টার সময় মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: ২০ হাজার অতিথির জন্য মহাপ্রসাদ, ‘কন্দমূল, সরযূ নীর’ বাক্সে থাকছে আর কী কী?

    দিনে আরতি হবে তিন বার— সকাল সাড়ে ৬টায় ‘জাগরণ আরতি’, দুপুর ১২টায় ‘ভোগ আরতি’ ও সন্ধ্যা ৭টায় ‘সন্ধ্যারতি’। দর্শনার্থীরা আরতি দিতে চাইলে তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে ৩০ মিনিট আগে মন্দিরের ক্যাম্প অফিসে পরিচয়পত্র নিয়ে হাজির হতে হবে। সেখান থেকে আরতি দেওয়ার পাস সংগ্রহ করলে তার পর আরতি দেওয়ার জন্য মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে”, বললেন আডবাণী

    Ram Temple: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে”, বললেন আডবাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা আধ্যাত্মিক স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।” অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের প্রাক্কালে কথাগুলি বললেন প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণী। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। ওই দিনই গর্ভগৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে রামলালার মূর্তির। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আডবাণীকে।

    কী বললেন আডবাণী

    অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। এমতাবস্থায় লেখা হচ্ছে ভজন-গান-কবিতা। প্রকাশিত হচ্ছে নানা আর্টিকেলও। হিন্দি ভাষায় প্রকাশিত রাষ্ট্রধর্ম নামে একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হবে আডবাণীর একটি আর্টিকেল। নাম, রাম মন্দির (Ram Temple) নির্মাণ- একটি আধ্যাত্মিক স্বপ্নপূরণ। আডবাণীর এই বিবৃতিই প্রকাশিত হবে অন্য একটি ম্যাগাজিনে। সেটি প্রকাশিত হবে জানুয়ারির ১৬ তারিখে। এই ইস্যুটি বিলি করা হবে আমন্ত্রিতদের মধ্যে। এই আর্টিকেলে আডবাণী নিজেকে ‘সারথী’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনিই বিতর্কিত রথযাত্রায় বেরিয়েছিলেন।

    ভগবান রামের আশীর্বাদ

    গুজরাটের সোমনাথে ফিরে এসেছিলেন ১৯৯০ সালে। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি আশা করছিলেন রাম মন্দির সমস্ত ভারতীয়কে উদ্বুদ্ধ করবে। সবাই ভগবান রামের আশীর্বাদ পাবেন। তিনি বলেন, “আমরা বুঝিনি যে ভগবান রামের ওপর বিশ্বাস যা নিয়ে আমরা রথযাত্রা করেছিলাম, ক্রমে তা দেশে একটা আন্দোলনে পরিণত হবে।” ওই নিবন্ধে আদবানি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কারণ দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত মন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে তাঁর জন্যই।

    প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ভগবান রামের একনিষ্ঠ ভক্ত বলে উল্লেখ করেছেন। যিনি তাঁর (রামের) মন্দির পুনর্নির্মাণ করেছেন। রথযাত্রায় আডবাণীর সঙ্গী ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও। ওই নিবন্ধে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা রথযাত্রাকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সব চেয়ে ‘ডিসাইসিভ ও ট্রান্সফর্মেটিভ’ ঘটনা বলেও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এই ঘটনা (রথযাত্রা) আমাকে ভারত ও স্বয়ং আমাকে পুনরাবিষ্কার করার সুযোগ দিয়েছিল।” 

    আরও পড়ুুন: চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘আধ্যাত্মিক রাজধানী’ বারাণসী

    বিশ্বহিন্দু পরিষদের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৮০ ও ১৯৯০ এর প্রথম দিকে রাম জন্মভূমি আন্দোলন নিয়ে যিনি সামনের সারিতে ছিলেন, ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তিনিও। বিশ্বহিন্দু পরিষদের প্রেসিডেন্ট অলোক কুমার বলেন, “আডবাণীজি বলেছেন, তিনি আসবেন। প্রয়োজনে আমরা তাঁর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করব।” প্রসঙ্গত, বছর ছিয়ানব্বইয়ের আডবাণী বিজেপির (Ram Temple) অন্যতম ফাউন্ডার মেম্বার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Droupadi Murmu: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    Droupadi Murmu: মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা, রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটনে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর কাছেও পৌঁছে গিয়েছে নিমন্ত্রণ পত্র। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) তরফে শুক্রবারই সে কথা জানানো হয়। এদিন ছিল স্বামী  বিবেকানন্দের জন্মদিন। তাঁর ১৬১ তম জন্মবার্ষিকীতে, তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। শনিবার, দেশবাসীকে মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

    রাষ্ট্রপতিকে নিমন্ত্রণ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যজমান হিসেবে পুজো করলেও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu) রাম মন্দিরের দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে (Ram temple consecration ceremony) নিমন্ত্রণ পাননি বলে দাবি করছিল অনেকে। বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনাও চলছিল। শুক্রবার সেই জল্পনা উড়িয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) তরফে জানানো হল দেশের রাষ্ট্রপতিকেও ওই অনুষ্ঠানে থাকার জন্য নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। 

    স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য

    ভারতকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে স্বামীজির অবদান অনস্বীকার্য। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে এই কথা বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এক্স হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু লিখেছেন, “আমি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। একজন মহান আধ্যাত্মিক নেতা এবং সংস্কারক, স্বামীজি ভারতীয়দের তাঁদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করতে সারা দেশে ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি তরুণদের দেশ গঠনে কাজ করতে এবং মানবতার সেবায় উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি মহান ভারতীয় আধ্যাত্মিক বাণী পশ্চিমে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষা ও ধারণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পথ দেখাতে পারে।”  শনিবার দেশবাসীকে মকর সংক্রান্তির পুণ্য স্নানের জন্য শুভেচ্ছাও জানান রাষ্ট্রপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple Inauguration: তিন দশক ধরে মৌন! রামমন্দির উদ্বোধন হলেই কথা বলবেন সরস্বতী দেবী

    Ram Temple Inauguration: তিন দশক ধরে মৌন! রামমন্দির উদ্বোধন হলেই কথা বলবেন সরস্বতী দেবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দশক ধরে কথা বলেননি। প্রতিজ্ঞা ছিল স্বপ্ন সত্যি হলে তবেই মুখ খুলবেন। অবশেষে স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে ৮৫ বছরের সরস্বতী দেবীর। অযোধ্যায় উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দিরের (Ram Temple Inauguration)। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর যেদিন অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধংস হয়েছিল, সেদিন অনির্দিষ্টকালের জন্য মৌনব্রত শুরু করেছিলেন ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা মধ্য পঞ্চাশের সরস্বতী দেবী। অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরি হলে সেই ব্রত ভাঙবেন বলে কথাও দিয়েছিলেন। অবশেষে স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে তাঁর। 

    অযোধ্যার ‘মৌনি মাতা’

    সোমবার রাতেই ধানবাদের বাসিন্দা সরস্বতী রওনা দিয়েছেন রামমন্দিরের উদ্দেশ। ২২ তারিখ ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন বলে। সরস্বতীর এক আত্মীয়ের কথায়, “মহন্ত নিত্যগোপাল দাসের থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে উনি প্রায়ই অযোধ্যায় (Ayodhya) যেতেন। ৩০ বছর আগে জানিয়েছিলেন নিজের চোখে রামমন্দির দেখে তবেই মৌন ভাঙবেন। ২২ তারিখ তিনি মুখ খুলবেন।” অযোধ্যায় ‘মৌনি মাতা’ নামে পরিচিত সরস্বতী দেবী সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এবং প্রয়োজনে জটিল বাক্য লিখে বোঝাতেন। যদিও তিনি ‘মৌন ব্রত’ থেকে বিরতি নিয়ে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুরে এক ঘণ্টা করে কথা বলতেন। কিন্তু যেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তারপর থেকে তিনি সম্পূর্ণ নীরব হয়ে গিয়েছেন। অপেক্ষায় থেকেছেন মন্দির উদ্বোধনের।

    আরও পড়ুন: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    রাম-নামেই সমর্পিত জীবন

    সরস্বতী দেবীর কনিষ্ঠ সন্তান ৫৫ বছর বয়সী হরে রাম আগরওয়াল জানান মন্দিরটি উদ্বোধনের দিন ঘোষণার পর থেকেই তাঁর  মা উচ্ছ্বসিত। সোমবার রাতে ধানবাদ রেল স্টেশন থেকে গঙ্গা-সুতলেজ এক্সপ্রেসে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। বাঘমারা ব্লকের ভৌরা এলাকার বাসিন্দা হরে রাম আরও জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি মন্দির উদ্বোধনের পর তাঁর মা নীরবতা ভাঙবেন। রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সরস্বতী দেবীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মহন্ত নৃত্যগোপাল দাসের শিষ্যরা। ১৯৮৬ সালে স্বামী দেবকীনন্দন আগরওয়ালের মৃত্যুর পর ভগবান রামের কাছে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন সরস্বতী দেবী। তারপর থেকে অধিকাংশ সময় তীর্থ করেই জীবন অতিবাহিত করেছেন সরস্বতী দেবী৷ ২০০১ সালে নিজের সন্তানদের জন্য মধ্যপ্রদেশের চিত্রকূটে সাত মাস তপস্যা করেছিলেন সরস্বতী দেবী৷ কথিত আছে, বনবাসের সময় চিত্রকূটে একটা দীর্ঘ সময় কাটিয়েছিলেন রামচন্দ্র৷

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share