Tag: Ram Temple

Ram Temple

  • PM Modi: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

    PM Modi: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে লোকসভা নির্বাচন। প্রচার তথা দেশ গঠনের কাজে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তারই মধ্যে রবিবার ফের মন্দির নগরী অযোধ্যায় পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনের পর এই প্রথম রাম মন্দিরে গিয়ে ভগবান রামের নিষ্ঠাভরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। রামলালার (Ayodhya Ram Mandir) বিগ্রহকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে ১৪০ কোটি দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করলেন তিনি। 

    রামলালার কাছে প্রার্থনা

    গত ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) হাত ধরেই শুভ উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার বহু প্রতীক্ষিত রাম মন্দিরের। বর্ণাঢ্য এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের পর রবিবার আবার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) যান প্রধানমন্ত্রী। প্রদীপের শিখায়, পদ্ম ফুলে ভক্তিভরে এদিন মোদি পুজো দিলেন সবার মঙ্গল কামনা করে। মন্দিরে পুজো দিয়ে গর্ভগৃহে সন্ধ্যারতি করেন তিনি। তার পর সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন। ঘুরে দেখেন মন্দির চত্বরও। এদিন তাঁকে স্বাগত জানাতে আলোয়-আলোয়, ফুলে-ফুলে সেজে উঠেছিল অযোধ্যা।

    প্রধানমন্ত্রীর রোড শো

    ঝাড়খণ্ড এবং বিহারে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করার পর রবিবার সন্ধ্যায় অযোধ্যায় যান মোদি (PM Modi)। প্রথমেই যান রামমন্দিরে। পুজো দেওয়ার পর অযোধ্যার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে দু’কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে রোড-শো করেন তিনি। মোদির রোড-শো শুরু হয় অযোধ্যায় সুগ্রীব ফোর্ট এলাকায়। শেষ হয় লতা চকে। মোদির সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। প্রধানমন্ত্রীকে চোখের সামনে এক ঝলক দেখার জন্য এদিন মন্দির নগরী অযোধ্যায় রাস্তার দু’পাশে উপচে পড়েছিল অগুণতি মানুষের ভিড়। আগামী ২০ মে পঞ্চম দফায় অযোধ্যা লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: রাহুলের মুখে ঝামা! রাম-সন্দর্শনে রাষ্ট্রপতি মুর্মু, করলেন আরতিও

    Draupadi Murmu: রাহুলের মুখে ঝামা! রাম-সন্দর্শনে রাষ্ট্রপতি মুর্মু, করলেন আরতিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রোটোকল থাকায় উপস্থিত থাকতে পারেননি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। ১ মে রাম দর্শন সারলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি আরতিও করেন রাষ্ট্রপতি। পুজো করেন হনুমানজির মন্দিরেও।

    রাহুলের অভিযোগ (Draupadi Murmu)

    দ্রৌপদী তফশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের। প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে তিনি যোগ না দেওয়ায় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, উপজাতি সম্প্রদায়ের হওয়ায় রাম মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন না রাষ্ট্রপতি। রাহুলের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে এদিন বাধাহীনভাবেই মন্দিরে ঢোকেন রাষ্ট্রপতি। করেন প্রার্থনা। কেবল তাই নয়, উপজাতি সম্প্রদায়ের হওয়া সত্ত্বেও হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে যে তাঁর নাড়ির টান, তাও রাম-সন্দর্শনে গিয়ে প্রমাণ করে দিলেন রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu)।

    কী বলছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ?

    প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি যোগ না দেওয়ায় রাহুল বলেছিলেন রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রাষ্ট্রপতিকে। কারণ তিনি আদিবাসী। এর প্রেক্ষিতে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলেছিলেন, “গুজরাটে একটা সমাবেশে রাহুলজি বলেছিলেন, রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রাষ্ট্রপতিকে। কারণ তিনি উপজাতি সম্প্রদায়ের। রাহুলজির এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করছি আমি। এই অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিপথগামী। প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্য পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষের পাশাপাশি হতদরিদ্র মানুষদেরও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁরা এসেওছিলেন।”

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ছড়ানো এই তথ্য যে নিতান্তই ভুল ছিল, এদিন রাষ্ট্রপতির রাম-দর্শনে তা প্রমাণ হয়ে গেল। কেবল তাই নয়, ভারতে যে আজও বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বেঁচে রয়েছে, এদিনের ঘটনা তারও প্রমাণ বলেও অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের (Draupadi Murmu)।

    আরও পড়ুুন: “সংবিধান বদলের মতো পাপ করতে জন্মাইনি”, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chaitra Navratri: শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতর তাৎপর্য

    Chaitra Navratri: শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতর তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরে চারবার নবরাত্রি আসে। এর মধ্যে দু’টি গুপ্ত। সে দু’টি পুজোর অধিকার কেবল সাধু-সন্ন্যাসীদের। বাকি দু’টি নবরাত্রি প্রকট। পুজো করতে পারেন গৃহীরাও। এই দুই নবরাত্রি হল শারদীয়া নবরাত্রি ও চৈত্র নবরাত্রি (Chaitra Navratri)। শারদীয়া নবরাত্রিতে হয় দুর্গাপুজো। এর আর এক নাম অকাল বোধন। আর চৈত্র নবরাত্রিতে হয় বাসন্তী পুজো। বাসন্তীপুজোর নিয়মকানুন সব দুর্গাপুজোর মতো হলেও, এই পুজোয় দেবীর বোধন হয় না। শারদীয়া নবরাত্রির গুরুত্ব চৈত্র নবরাত্রির চেয়ে বেশি। ওই সময় দেবীর পুজো করেছিলেন স্বয়ং রামচন্দ্র। রাবণ বধের উদ্দেশ্যে বিষ্ণুর এই অবতার দেবীর ঘুম ভাঙিয়ে ঘটা করে পুজো করেছিলেন মহাশক্তির। আর বসন্তকালে রাম বধের উদ্দেশ্যে দুর্গাপুজো করেছিলেন রাবণ।

    নবরাত্রি উৎসবে কাদের পুজো হয় জানেন? (Chaitra Navratri)

    এসব পুরাণগাথা বাদ দিয়ে ফিরে আসা যাক কাজের কথায়। নবরাত্রি ন’টি দিনের দুর্গাপুজো। পুজো শুরু (Chaitra Navratri) হয় প্রতিপদে, চলে নবমী পর্যন্ত। এই ন’দিনে দেবীর ন’টি ভিন্ন ভিন্ন রূপের পুজো হয়। মহাদেবীর এই ন’টি রূপ হল শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী। চৈত্রের এই নবরাত্রির নবম দিনে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ভগবান রাম। সেই থেকে এই দিনটি রামনবমী হিসেবে খ্যাত। চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী তিথিটিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন পুজো হয় দেবী অন্নপূর্ণার।

    এবার কী কী যোগ রয়েছে জানেন?

    আজ, মঙ্গলবারই শুরু হয়েছে চলতি বছরের নবরাত্রি উৎসব (Chaitra Navratri)। হিন্দুদের বিশ্বাস, আজকের এই দিনেই শুরু হয়েছিল সৃষ্টি। পণ্ডিত নন্দকিশোর মুদগল বলেন, “এবার চৈত্র নবরাত্রিতে তিরিশ বছর পর তৈরি হতে চলেছে সর্বার্থসিদ্ধি যোগ, অমৃতসিদ্ধি যোগ ও বৈধৃতি যোগ।” দেশজুড়ে এদিন থেকেই শুরু হয়েছে নবরাত্রি উৎসব। হিন্দু-বিশ্বাস অনুযায়ী, চৈত্র শুক্লপক্ষের এই ন’টি রাত মনকে শুদ্ধ করার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মন শুদ্ধ না হলে জ্ঞানলাভ হয় না। আর জ্ঞানলাভ না হলে ইষ্টদেব অধরা থাকেন।

    গীতায় স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, “ন হি জ্ঞানেন সদৃশ পবিত্রমিহ বিদ্যতে।” জ্ঞানের সদৃশ পবিত্র বস্তু আর ইহ জগতে নেই। নবরাত্রিতে পুজিতা হন দেবী মহাসরস্বতীও। জ্ঞানের এই দেবীর পুজোর জন্য বিশেষ তিনটি তিথিও রয়েছে। এই তিন তিথি হল অষ্টমী, নবমী ও দশমী।

    নবরাত্রিতে মহাসরস্বতীর পাশাপাশি পুজো হয় মহালক্ষ্মীরও। পুজো হয় চামুণ্ডারও। যিনি আদতে মহাকালীরই একটি রূপ। আসলে আদ্যাশক্তি মহামায়ার অনন্ত রূপের মধ্যে নবরাত্রি উৎসবে পুজো হয় মূলত তিন রূপের। দেবীর এই তিন রূপ হল মহালক্ষ্মী, মহাসরস্বতী এবং মহাকালী। হিন্দুদের বিশ্বাস অনুযায়ী, চৈত্র নবরাত্রিতে (Chaitra Navratri) নিয়মনিষ্ঠা মেনে যাঁরা দেবীর ন’টি রূপের পুজো করেন, তাঁরা যা চান, দেবী তাঁদের মনস্কামনা পূরণ করেন।

    শারদীয়া নবরাত্রিই হোক কিংবা চৈত্র নবরাত্রি এই দুই পর্বেই আদ্যাশক্তির বিভিন্ন রূপের পুজো হয়। প্রতিপদে মহাশক্তি পুজিত হন শৈলপুত্রী রূপে। দেবী ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের মূর্ত প্রতীক। দ্বিতীয়ায় দেবী পুজো পান ব্রহ্মচারিণী রূপে। পরমানন্দময় দেবী ভক্তদের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রদান করেন। তিনি মোক্ষদাত্রীও। তৃতীয়ায় আদ্যাশক্তিকে পুজো করা হয় চন্দ্রঘণ্টা রূপে। অপার সৌন্দর্যের প্রতীক এই দেবী ভক্তদের শান্তি-সমৃদ্ধি দেন। দেবী মহাশক্তির অধিকারী। তিনি বীরত্বের প্রতীক (Chaitra Navratri)। চতুর্থীতে পুজো হয় দেবী কুষ্মাণ্ডার। তিনি নিখিল এই বিশ্বের স্রষ্টা। পৃথ্বীকে শস্যশ্যামলা করে তুলেছিলেন তিনিই। নবরাত্রির পঞ্চম দিনে পুজো হয় স্কন্দমাতার। ভগবান কার্তিকের আর এক নাম স্কন্দ। তিনি কার্তিকের মা। বীরবিক্রমের কারণে এই কার্তিককেই দেব সেনাপতি পদে বরণ করে নিয়েছিলেন দেবতারা।

    ষষ্ঠীতে পুজো হয় দেবী কাত্যায়নীর। দেবী অসীম সাহসের অধিকারী। সপ্তমীতে পুজো হয় কালরাত্রির। তিনি নির্ভীক। দেবী কালরাত্রি দেবী দুর্গার সব চেয়ে উগ্র রূপ। অষ্টমীতে পুজো হয় মহাগৌরীর। এদিনই হয় অন্নপূর্ণা পুজোও। নবমীতে পুজো হয় দেবী সিদ্ধিদাত্রীর। এদিনই পুজো হয় ভগবান রামেরও। দশমীতে হয় নবরাত্রি ব্রতের পারণ।

    এদিকে, নবরাত্রি উৎসব উপলক্ষে ব্যাপক ভক্ত সমাগম হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরে। জম্মুতে বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরে ভক্তের ঢল। দিল্লিতে ঝান্ডাবালান মন্দিরে হয়েছে বিশেষ আরতি। রাজস্থানের জয়পুরের বৈষ্ণোমাতার মন্দিরেও নবরাত্রি উপলক্ষে হয়েছে বিশেষ পুজো। বারাণসীর অন্নপূর্ণা মন্দিরেও ব্যাপক ভিড়। অযোধ্যার বড়ি দেবকালী মাতার মন্দিরেও হয়েছে বিশেষ পুজো। প্রয়াগরাজের এলোপি মন্দিরেও হয়েছে বিশেষ পুজোপাঠ। প্রয়াগরাজের গঙ্গা-যমুনার সঙ্গমস্থলে পুণ্য কামনায় ডুব দিয়েছেন বহু ভক্ত (Chaitra Navratri)।

  • Ram Temple: রামনবমীতে অতিরিক্ত ভিড়ের আশঙ্কা, সামাল দিতে গুচ্ছ সিদ্ধান্ত রাম মন্দির ট্রাস্ট্রের

    Ram Temple: রামনবমীতে অতিরিক্ত ভিড়ের আশঙ্কা, সামাল দিতে গুচ্ছ সিদ্ধান্ত রাম মন্দির ট্রাস্ট্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ এপ্রিল রাম নবমী। তার আগে রয়েছে বাঙালির নববর্ষ। স্বাভাবিকভাবেই অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Temple) দর্শন করতে ভিড় করবেন দেশ-বিদেশের বহু মানুষ। রাম নবমীর ভিড় সামাল দিতে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। শুক্রবার অযোধ্যার মণিরাম ছাবনিতে বৈঠকে বসেছিলেন ট্রাস্টের কর্তারা।

    প্রসার ভারতীতে অনুষ্ঠান সম্প্রচার (Ram Temple)

    রাম মন্দিরের অসমাপ্ত নির্মাণ কার্য নিয়েও হয়েছে আলোচনা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র, কোষাধ্যক্ষ গোবিন্দ দেব গিরি এবং অন্য সদস্যরা। বৈঠকে স্থির হয়েছে, প্রসার ভারতীর অনুষ্ঠান দেখানো হবে ১০০ এলইডি স্ক্রিনে। অযোধ্যা শহরজুড়েই বসানো হবে এই স্ক্রিনগুলি। রামনবমীর অনুষ্ঠানও প্রদর্শিত হবে ওই স্ক্রিনগুলিতে। মন্দিরের প্রথম তলে রাম দরবার নির্মাণের বিষয়েও এদিন আলোচনা হয়েছে। রামনবমী উপলক্ষে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে দেব-দর্শনের জন্য সাতটি লাইন করা হবে। এই লাইনগুলি দিয়েই ভক্তরা করতে পারবেন দেব দর্শন।

    বাড়ছে দেব-দর্শনের সময়!

    দেব-দর্শনের সময় নিয়েও আলোচনা হয়েছে এদিনের বৈঠকে (Ram Temple)। ট্রাস্টের সম্পাদক চম্পত রাই বলেন, “বর্তমানে মন্দির খোলা থাকে ১৪ ঘণ্টা। রাম নবমী উপলক্ষে সেটা বাড়িয়ে ২০ ঘণ্টা করা যায় কিনা, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা চলছে। রামনবমীর দিন দর্শনার্থীরা প্রসাদ পাবেন। রামনবমীর অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে প্রসার ভারতীতে। অযোধ্যা শহরের বিভিন্ন জায়গায় বসানো হবে ১০০টি এলইডি স্ক্রিন। রাম নবমীর অনুষ্ঠান প্রদর্শিত হবে ওই স্ক্রিনগুলিতে।” রামনবমীর অনুষ্ঠান নিজের নিজের এলাকায় পালন করার পরামর্শও দেন চম্পত। তিনি বলেন, “রামনবমী উপলক্ষে অযোধ্যায় জমায়েত হবে কয়েক লাখ মানুষের। ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে দেব-দর্শন করতে পারেন, তাই আমরা সাতটি লাইন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বর্তমানে চারটি লাইন রয়েছে। রামনবমী উপলক্ষে যোগ হবে অতিরিক্ত তিনটি লাইন।”

    আরও পড়ুুন: ‘আমি অভিভূত’, গাজিয়াবাদে রোড-শো করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রখর গ্রীষ্মের জেরে ভক্তরা যাতে কষ্ট ভোগ না করেন, সেজন্য শেডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে মন্দির কমিটির তরফে। শেড নির্মাণ করা হবে বিড়লা ধর্মশালা থেকে রাম মন্দির মার্গ পর্যন্ত। এই শেডের নীচেই লাইন দিয়ে দাঁড়াবেন দর্শনার্থীরা (Ram Temple)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • PM On Ram Temple: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    PM On Ram Temple: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রাণপ্রতিষ্ঠার সময় রামলালা আমায় বললেন দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে। ভারতের সেই সুদিন এসেছে। দেশ এগোচ্ছে।” একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM On Ram Temple)। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় অযোধ্যার রাম মন্দিরের। এদিনই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় বিগ্রহের। প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে আগাগোড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই মন্দিরের বিগ্রহ রামলালা তাঁকে ওই কথাগুলি বলেন বলে দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM On Ram Temple)

    তিনি বলেন, “গত দশ বছরের প্রধানমন্ত্রিত্বকালে অনেক জায়গা থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছি। কিন্তু শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে যখন আমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হল, তখন অন্তরের অন্তঃস্থলে থেকে বিচলিত হয়েছিলাম।” প্রধানমন্ত্রী (PM On Ram Temple) বলেন, “ওঁদের (শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের) আমন্ত্রণ পাওয়ার পরে আমি যেন কোনও এক আধ্যাত্মিক জগতের বাসিন্দা হয়ে গেলাম। আমি যেন কোনও কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করতে শুরু করলাম। আমার কাছে সেই আধ্যাত্মিক সত্তা যেন জীবন্ত হয়ে উঠল।” তিনি বলেন, “তখনই আমি ঠিক করলাম যে আমি প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে ১১ দিনের যে সংযমী জীবন যাপন করতে হয়, তা করব। এই সময় আমি এও স্থির করলাম, ভগবান রামের সঙ্গে যুক্ত দেশের যেসব জায়গা, সেগুলোতে গিয়ে কিছুটা করে সময় কাটাব, বিশেষত দক্ষিণ ভারতে।”

    সংযমী জীবন যাপন প্রধানমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, ১১ দিনের যে সংযমী জীবন প্রধানমন্ত্রী কাটিয়েছেন, সেই সময় তিনি ঘুমিয়েছেন মেঝেয়। কঠোর উপোস করেছেন। এই পুরো পর্বটায় তিনি খেয়েছেন কেবল ডাবের জল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ক’দিন আমি কেবল আমার অন্তরেই ডুবেছিলাম। শেষমেশ যখন অযোধ্যায় পৌঁছলাম এবং মন্দিরের সিঁড়ির প্রথম ধাপে পা রাখলাম, মনে হল আমি কি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখানে এসেছি, নাকি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে দেবদর্শনে এসেছি? আমার মন বলছিল, আমি একজন সাধারণ ভক্ত হিসেবে অযোধ্যায় এসেছি। এ দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মতো।”

    ‘বিগ্রহের দু’চোখে ভারতবাসীকে দেখেছি’

    তিনি (PM On Ram Temple) বলেন, “রামলালার মূর্তির দিকে চোখ পড়তেই আমি কেমন ঘোরের মধ্যে চলে গেলাম। পুরোহিতরা আমায় কী করতে বলছেন, সে ব্যাপারে আমার খেয়াল ছিল না। সেই ঘোরের মধ্যেই আমার মনে হল, রামলালা আমায় বলছেন, ভারতের সুবর্ণ যুগ শুরু হয়েছে। সেদিন বিগ্রহের দুচোখে আমি কেবল আমার দেশের ১৪০ কোটি বাসিন্দাকেই দেখেছি।”

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর স্টেশন, হাওড়া থেকে ছেড়ে গেল অযোধ্যা ধাম স্পেশাল

    Ram Mandir: জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর স্টেশন, হাওড়া থেকে ছেড়ে গেল অযোধ্যা ধাম স্পেশাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন করেন। এই উদ্বোধনের পর গোটা দেশ যেন রামময় হয়ে উঠেছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং আরএসএস এর পক্ষ থেকে রাম ভক্তদের অযোধ্যায় মন্দির দর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। সোমবার রাতে হাওড়া স্টেশন থেকে দুটি ট্রেন, হাওড়া-অযোধ্যা ধাম স্পেশাল রওনা হয় রামনগরীর (Ram Mandir) উদ্দেশে। মোট ৩৫০০ রাম ভক্ত অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা হন। আরও একটি ট্রেন উত্তরবঙ্গের এনজিপি স্টেশন থেকে ছাড়ে। মঙ্গলবার দুপুরে এই ট্রেনগুলি অযোধ্যায় পৌঁছাবে। সেখানে এইসব ভক্তদের থাকা এবং খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ভক্তরা সরযূ নদীতে স্নানের পর রাম লালার মূর্তি এবং মন্দির (Ram Mandir) দর্শন করবেন। এছাড়াও অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দির সহ বড় বড় মন্দিরগুলির দর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি রাতেই ওই একই ট্রেনে উঠবেন রাম ভক্তরা। ৮ তারিখ ফিরবেন হাওড়ায়। স্টেশন থেকে ট্রেন সর্বত্র জয় শ্রী রাম ধ্বনি তুললেন ভক্তরা।

    উৎসবের আমেজ স্টেশনে 

    সোমবার সন্ধ্যায় হাওড়া স্টেশন চত্বরে রাম ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রত্যেক রাম ভক্তই ১,৩০০ টাকা খরচ করেন এই যাত্রার জন্য। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে স্টেশন চত্বরে তাঁদের স্বাগত জানানো হয়। তাদের গলায় মালা পরানোর পাশাপাশি কপালে তিলক এঁকে দেওয়া হয়। স্টেশন চত্বরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। রাম ভক্তরা আনন্দে নাচতে থাকেন। এক রাম ভক্ত (Ram Mandir) ও কর সেবক অশোক সাহা জানিয়েছেন, তাঁদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর অবশেষে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছে। জীবনে রাম মন্দির দর্শনের সুযোগ পেয়ে তারা দারুন খুশি। আইআরসিটিসির পক্ষ থেকে ভক্তদের জন্য ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়। গোটা ট্রেন বুক করা হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে।

    রাম ভক্তদের ট্রেনে রাজকীয় ব্যবস্থা

    আস্থা স্পেশালে রামভক্তদের জন্য একেবারে রাজকীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভক্তদের জন্য নতুন বালিশ ও কম্বল দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকেও রাম ভক্তরা রাম নগরীর (Ram Mandir) উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন। আবার দক্ষিণবঙ্গের রাম ভক্তরা হাওড়া বর্ধমান প্রভৃতি স্টেশন থেকে পাড়ি দিয়েছেন। আস্থা স্পেশাল ট্রেনের এক রাম ভক্ত অলোকা মুন্সির কথায়, ‘‘আজকে সুযোগ পেলাম তাই স্পেশাল ট্রেনে অযোধ্যা যাচ্ছি। স্টেশনে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের রেড কার্পেট পেতে বরণ করে নেওয়া হল। আমাদের টিফিনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দুপুরের খাবার দেওয়া হল। নিরাপত্তারও জোরদার আয়োজন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান রামের বিজয় হল অধর্ম ও অসত্যের বিনাশের সংকেত। যিনি রামচন্দ্রের অপমান করছেন, অধর্মের সাথ দিচ্ছেন, অসত্যের পথে হাঁটছেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশাসন কতদিন চলে দেখব। বৃহস্পতিবার হাওড়ায় সাংগঠনিক  বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি। মধ্য হাওড়ার সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের অশান্তির ঘটনার জন্য কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani)। তিনি বলেন, অযোধ্যায় রামলালার মূর্তি স্থাপন নিয়ে যখন আনন্দ-সমারোহ হচ্ছিল, তখন হাওড়ায় এই ওয়ার্ডে শিব মন্দিরে পাথর ছোড়া হয়। রাম ভক্তদের ওপর হামলা হয়। রামের ছবি ছেঁড়া হয়। যে গুন্ডারা এই কাজ করেছে, তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্রয় পায়।

    এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani)

    সনাতন ধর্মে ইন্ডি জোট ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থা নেই, রয়েছে বিদ্বেষ। হামলার সময় পুলিশ ছিল না। কিন্তু জাতীয় ভোটার দিবসে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবার সময় পুলিশ টিভি বন্ধ করতে হাজির হয়। এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন তোলেন স্মৃতি ইরানি। তিনি আরও বলেন, যেখানে যেখানে ইন্ডি জোটের নেতারা আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছে, সেখানে রামচন্দ্রের প্রতি অপমান আছে, এটা পরিষ্কার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই। পুলিশ চুপচাপ তামাশা দেখেছে। কেন নরেন্দ্র মোদির প্রতি রাগ, কেন ভগবান রামের প্রতি অপমান-এর জবাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিতে হবে। এদিন ডুমুরজলার সাংগঠনিক বৈঠকে এসে টিকিয়াপাড়ার ঝামেলায় আক্রান্তদের সাথে কথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাদের পাশে থাকার ভরসা দেন। তাঁর (Smriti Irani) আশ্বাসে খুশি আক্রান্তরা।

    অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল (Smriti Irani)

    স্মৃতি ইরানি বলেন, মন্দিরে প্রাণপ্রতিষ্ঠার ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রী শিখদের উৎসব উদযাপন করছিলেন। আমিও মদিনায় গিয়েছিলাম। অনেক অহিন্দু প্রাণপ্রতিষ্ঠা উৎসবে শামিল হয়েছিলেন। পার্সিদের প্রধান পুরোহিতও অযোধ্যায় ছিলেন। কিন্তু সনিয়া গান্ধী গেলেন না। স্মৃতি (Smriti Irani) বলেন, অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল। ভারতীয় হিন্দুরা ১৮৮০র দশক থেকে এই নিয়ে লড়াই করেছেন। ঈশ্বরের ইচ্ছায় এই ভাবে রামমন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সব হিন্দুই সুযোগ পেলে অযোধ্যা যেতেন। আস্থার এই জায়গাটিই কেউ কেউ বোঝেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balak Ram: অযোধ্যায় উপচে পড়ছে ভিড়, বালক রামের দর্শনের সময়সীমা বাড়ল

    Balak Ram: অযোধ্যায় উপচে পড়ছে ভিড়, বালক রামের দর্শনের সময়সীমা বাড়ল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই হয়েছে রাম মন্দিরের উদ্বোধন। পরদিন ২৩ জানুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই সর্বসাধারণের জন্য মন্দিরের গেট খুলে গিয়েছে। প্রথম দিন থেকেই রাম (Balak Ram) ভক্তদের ঢল নেমেছে মন্দির প্রাঙ্গণে। ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। তাই এবার বালক রামের দর্শনের সময় বাড়ানো হল। বুধবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। অন্যদিকে, ভিড় এড়াতেও কিছু বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

    বালক রামের দর্শনের নতুন সময়

    রাম মন্দির (Balak Ram) কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এবার সকাল ৬টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এবং দুপুর ২টো থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বালক রামের দর্শন করা যাবে। অর্থাৎ কেবল ভোগদান ও সন্ধ্যা আরতির সময় মন্দিরের মূল দরজা সাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। ভিড়ের চাপ সামলাতে এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম ২ দিন সন্ধ্যে ৭টা পর্যন্ত বিগ্রহ দর্শন করতে পারছিলেন দর্শনার্থীরা। কিন্তু, ভিড়ের চাপ সামাল দিতে এবার এই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

    আরও পড়ুন: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    ভিড় এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা

    হিসেব বলছে, বালক রামের (Balak Ram) দর্শন করতে প্রথম দিন প্রায় ৫ লাখ ভক্তের সমাগম হয়েছিল অযোধ্যার রাম মন্দিরে। শেষ পর্যন্ত সকলে দর্শনও করতে পারেননি। সেদিন ৩ লাখ ভক্ত পুজো দিতে পেরেছেন বলে রাম মন্দির সূত্রে খবর। তারপর বুধবার, দ্বিতীয় দিন প্রায় ৩ লাখ ভক্তের আগমন ঘটে। এদিনও সকালের দিকে ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা হয় মন্দির কর্তৃপক্ষ থেকে পুলিশ-প্রশাসনেরও। ভিড় বেশি, কিন্তু বালক রামের দর্শনের সময় কম ছিল। তাই বালক রাম দর্শনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল যোগী সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: জানেন কি? অযোধ্যার মন্দিরে থাকছে রামলালার ৩টে মূর্তি

    Ram Mandir: জানেন কি? অযোধ্যার মন্দিরে থাকছে রামলালার ৩টে মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারে অযোধ্যার মন্দিরের (Ram Mandir)  গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত হয়েছেন রামলালা। মহীশূরের শিল্পী অরুণ যোগীরাজের তৈরি কৃষ্ণ শিলার মূর্তি স্থান পেয়েছে মন্দিরে। জানা গিয়েছে, অরুণ যোগীরাজ স্থানীয় একটি ফার্ম হাউস থেকেই এই শিলাটি সংগ্রহ করেন। মোট তিনটি মূর্তির মধ্য়ে বাছা হয় অরুণ যোগীরাজের মূর্তিকে। জানা গিয়েছে, বাকি দুই বিগ্রহ গর্ভগৃহে না থাকলেও নতুন মন্দিরেই রাখা হবে। দুটি বিগ্রহ ইতিমধ্যে সামনে এসেছে।

    বাকি দুই মূর্তি

    শ্বেত পাথরের এই বিগ্রহটি তৈরি করেছেন শিল্পী সত্যনারায়ণ পাণ্ডে। অন্য আর একটি বিগ্রহ তৈরি করেছেন কর্নাটকের শিল্পী গণেশ ভট্ট। দুই শিল্পী অবশ্য কোনওভাবেই হতাশ নন। এমন কাজের সুযোগ পেয়ে তাঁরা খুশি। এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা। রাম মন্দির (Ram Mandir)  নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, ওই দুই মূর্তিও মন্দিরে রাখা হবে।

    গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত মূর্তি ৩০০ বছরের পুরনো

    প্রায় ৩০০ কোটি বছরেরও পুরনো এই শিলার তৈরি মূর্তি স্থান পেল রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে। বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ইনসস্টিটিউট অফ রক মেকানিক্সের ডিরেক্টর এইচএস ভেঙ্কটেশই জানাচ্ছেন শিলার বয়স। মূর্তি (Ram Mandir) খোদাইয়ের আগে এই প্রতিষ্ঠানেই পরীক্ষা করা হয়েছিল শিলার বয়স। তখনই জানা যায় প্রস্তরখণ্ডটির প্রাচীনত্ব সম্পর্কে। ভেঙ্কটেশ বলেন, “এই পাথর দারুন টেকসই। জলবায়ুর পরিবর্তন সহনশীল। সাধারণভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করলেই হাজার বছর টিকে থাকবে।”

    রাম মন্দির

    যে মন্দিরে ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন ভগবান রাম, সেই মন্দিরটিও তৈরি হয়েছে সব চেয়ে দামি পাথরে। আধুনিক বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে মন্দিরের আয়ু বাড়াতে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ বলেন, “মন্দিরের আয়ু যাতে হাজার বছর হয়, সেভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে।” বিগ্রহের পাথর আনা হয়েছে মাইসুরু জেলার জয়াপুরা হোবলি জেলা থেকে। ভারতের এই অঞ্চলেই মেলে সব চেয়ে উচ্চ মানের গ্রানাইট পাথর। পাথরটি প্রাক ক্যাম্ব্রিয়ান যুগের। চারশো কোটি বছর আগে সূচনা হয়েছিল যে যুগের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে নিজের এলাকার মন্দিরেই তালা! পুজো দিতে পারলেন না দিলীপ

    Midnapore: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে নিজের এলাকার মন্দিরেই তালা! পুজো দিতে পারলেন না দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনেই মেদিনীপুরে (Midnapore) পুজো দিতে পারলেন না রাজ্যের বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একদিকে যেমন অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান চলেছে, ঠিক তেমনি রাজ্যের জেলায় জেলায় প্রভু শ্রীরামের আরধনা, ভজন, কীর্তন, প্রসাদ বিতরণ চলেছে। কিন্তু মেদিনীপুর শহরের গান্ধীঘাটের রাম-সীতা মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে দেখা যায়, মন্দিরের গেটে তালা মারা। বিজেপি’র এই সাংসদের অভিযোগ, “মন্দিরে যাতে পুজো না করতে পারি, সেজন্যই এভাবে তালা দিয়ে রাখা হয়েছে।”

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ(Midnapore)?

    এই গান্ধীঘাটের (Midnapore) রাম-সীতা মন্দিরের বাইরে লাগানো ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। সেই সঙ্গে পোস্টার লাগানো ছিল সংহতি মিছিলের। মন্দির চত্বরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন দিলীপ। অপর দিকে ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরে রামলালার অভিষেক উপলক্ষে এই রাম-সীতা মন্দিরের বাইরে প্রদীপ প্রজ্বলন, আতশবাজি প্রদর্শনী করা হয়। একই ভাবে বিশেষ রাম কথা এবং ভাষণ পর্ব চলে। দিলীপ তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে বলেন, “পুজো যাতে না দিতে পারি, তাই প্রশাসন থেকে এসে তালা মারা হয়েছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা জবাব দিয়ে তৃণমূলের মেদিনীপুরের (Midnapore) স্থানীয় বিধায়ক জুন মালিয়া বলেন, “মন্দির সকলের, সকলকে সব সময় মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। যেহেতু তিনি বিজেপি সাংসদ, তাই তাঁকেও সব সময় মন্দিরে আসার জন্য আমন্ত্রণ রইল।” উল্লেখ্য গতকাল কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পাল্টা সংহতি যাত্রা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। একই ভাবে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী সকাল সকাল শ্রী রামের মন্দিরের গিয়ে পুজো করেন। আবার উত্তরবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব নিজের হারমনিয়ামে রামের ভজন সঙ্গীত করেন। মালদায় হরিশচন্দ্রপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যরা বিজেপির শ্রী রামের শোভাযাত্রায় পায়ে পা মিলিয়ে গৈরিক বসন পরে অংশ গ্রহণ করেন। সবটা মিলিয়ে রাম নামে এখন বঙ্গের হাওয়ায় এখন বেশ উত্তেজনায় পূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share