Tag: ramayan

ramayan

  • Ramayan Animation: দূরদর্শনে শুরু হল ৫২ পর্বের অ্যানিমেটেড রাম-কাহিনি, কখন দেখতে পাবেন?

    Ramayan Animation: দূরদর্শনে শুরু হল ৫২ পর্বের অ্যানিমেটেড রাম-কাহিনি, কখন দেখতে পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কত হাজার বছর আগে মহর্ষি বাল্মিকী রামায়ণ লিখে গিয়েছিলেন তার ঠিকানা নেই। কিন্তু তার পর রামায়ণের কয়েক হাজার সংস্করণ হয়েছে বিভিন্ন ভাষায়। গল্প কিছুটা এক রেখে কত লেখক, কবি নিজের মত করে রামায়ণ লিখে গিয়েছেন। এবার অ্যানিমেশনে (Ramayan Animation) দেখা যাবে রামায়ণ। সৌজন্যে দূরদর্শন এবং হায়দরাদের একটি সংস্থা। রথযাত্রার দিনে হয়ে গেল প্রথম পর্ব।

    রবিবার ১২:০০ থেকে ১২:৩০ পর্যন্ত অ্যানিমেশনে রামায়ণ

    বহু ভাষায় বহু নির্দেশক সিনেমায়, সিরিয়ালে রামায়ণের গল্প নিজের মত দর্শকদের জন্য উপস্থাপন করেছেন অতীতে। রামানন্দ সাগরের রামায়ণ ৮০-র দশকের শেষে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল। এর আগে ও পর রুপোলি পর্দায় অনেক বার রামায়ণের কাহিনি দেখেছে ভারতবাসী। এবার হায়দরাবাদের একটি সংস্থা ‘মারা ক্রিয়েশনস’ রামায়ণের অ্যানিমেশন (Ramayan Animation) সিরিজ দূরদর্শনে দেখাতে চলেছে। এই অ্যানিমেশন সিরিজের নাম রাখা হয়েছে ‘শ্রীমান রামা’ (Sriman Rama) । রবিবার, ৭ জুলাই, রথযাত্রার পবিত্র দিনে এর প্রিমিয়ার হয়। প্রতি রবিবার দুপুর ১২:০০ থেকে ১২:৩০ এর মধ্যে ৫২টি এপিসোডে প্রভু শ্রী রামের গল্প অ্যানিমেশনের মাধ্যমে দেখানো হবে। দেখতে পাবে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের মানুষ।

    ৫২ পর্বের অ্যানিমেশন সিরিজ

    অ্যানিমেশনের ক্ষেত্রে শিশুরা মূল দর্শক। ভারতবর্ষে জনসংখ্যার প্রায় ৪০ কোটি ১৫ বছর বয়সের নিচের। তাঁদের জন্য রামায়ণের কোন অংশ কীভাবে দেখানো হবে, সেটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল উদ্যোক্তাদের কাছে। তবে শুধু শিশুদের কথা মাথায় রেখেই এই অ্যানিমেশন (Ramayan Animation) সিরিজ রচনা করা হয়েছে, এমনটা নয়। যাতে গোটা পরিবার এই সিরিজ দেখতে পারে তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঠিক যেভাবে রামানন্দ সাগরের ‘রামায়ণ’ একসময় টিভি দুনিয়ায় কামাল করেছিল, সেই সোনালী দিন ফিরিয়ে আনাই এই সিরিজের উদ্দেশ্য। এর আগেও রামায়ণের কাহিনি অ্যানিমেশনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। ৫২ পর্বের এই অ্যানিমেশন (Sriman Rama) আগের রামায়ণের কাহিনিগুলোর তুলনায় অনেকটাই বেশি প্রভাবশালী হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

    আরও পড়ুন: পুরীর সমুদ্র সৈকতে প্রাতর্ভ্রমণে রাষ্ট্রপতি, প্রকৃতির মাঝে খুঁজে পেলেন শান্তি

    আয়োজক সংস্থার তরফে রামচন্দ্র বিষ্ণুভট্ট বলেন, “শ্রীমান রাম অ্যানিমেশন সিরিজের মাধ্যমে আমরা শুধু দর্শকদের আনন্দ দিতে চাই এমনটা নয়। আমরা চাই ভারতের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ইতিহাস বিশ্বের সকল মানুষের কাছে তুলে ধরতে। প্রভু শ্রী রামের বাস্তব সারমর্ম তুলে ধরবে (Ramayan Animation) এই সিরিজ। আমাদের উদ্দেশ্য, মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে সমসাময়িক শ্রোতা এবং দর্শকদের কাছে তুলে ধরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Takshila University: রামায়ণেও উল্লেখ মেলে! জানুন প্রাচীন ভারতের তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে

    Takshila University: রামায়ণেও উল্লেখ মেলে! জানুন প্রাচীন ভারতের তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল তক্ষশীলা। অনেক ঐতিহাসিক একে পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ও বলে থাকেন। সিন্ধু নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায় বিভিন্ন বৌদ্ধশাস্ত্রে, জাতকের কাহিনীতে। রামায়ণ-মহাভারতেও উল্লেখ মেলে তক্ষশীলার। উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিখ্যাত প্রত্নতাত্বিক স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম তক্ষশীলার ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেন। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়টি সিন্ধু নদীর পূর্ব তীরে তক্ষশীলা শহরে অবস্থিত ছিল জানা যায়। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে কিছু কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, তক্ষশীলা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে জাতকের কাহিনীতে অর্থাৎ খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে এর বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব ছিল বলে জানা যায়। জানা যায়, তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Takshila University) ১০,৫০০ জনেরও বেশি ছাত্র পড়াশোনা করতেন।

    আরও পড়ুন: বিদ্যাচর্চার উৎকর্ষ কেন্দ্র ছিল প্রাচীন ভারতের বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়

    সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও ভাব বিনিময়ের কেন্দ্র

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতবর্ষের সঙ্গে বহির্বিশ্বের যে বাণিজ্যিক পথ সেখানেই অবস্থিত ছিল। অর্থাৎ তৎকালীন পারস্য এবং মধ্যপ্রাচ্যকে যুক্ত করে যে বাণিজ্য পথ সেখানেই এর অবস্থান ছিল। এমন অবস্থানের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বহু ছাত্র এবং পণ্ডিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতেন। যার ফলে তক্ষশীলা একটি সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও ভাব বিনিময়ের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

    কোন কোন বিষয় পড়ানো হতো?

    বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের মত অনুসারে, তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, চিকিৎসা, দর্শন, সাহিত্য, ভাষাবিজ্ঞান, ধর্মতত্ত্ব, স্থাপত্য, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং যুদ্ধবিদ্যার মতো বিষয়গুলিতে পঠন পাঠন চলত। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষণ পদ্ধতি ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং সেখানকার অধ্যাপকরা ছাত্রদের বিভিন্ন আলোচনায় অংশগ্রহণ করাতেন। পড়ুয়ারা বিতর্কে অংশগ্রহণ করতেন। এর পাশাপাশি শিক্ষার ব্যবহারিক দিকেও ছাত্ররা পারদর্শী হয়ে উঠতেন। ছাত্রদের মধ্যে বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা এই সমস্ত কিছুই বাড়ানো হতো পঠন-পাঠনের মাধ্যমে।

    ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় যা নালন্দা এবং বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকেও অনেকটাই প্রাচীন ছিল। সেখানে ছিল একটি বিশাল আকারের গ্রন্থাগার। এখানে বিভিন্ন সাহিত্যের পান্ডুলিপি সংরক্ষণ করা ছিল। ছাত্র এবং অধ্যাপকরা এই লাইব্রেরীতে আসতেন। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুকুল পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করা হতো। যেখানে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপকদের সঙ্গেই থাকতেন। তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধন গড়ে উঠত। এইভাবে ছাত্রদের শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক বিকাশ সম্পূর্ণ হতো। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাতি তৎকালীন দিনে দূরদূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল।

    প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে উল্লেখ

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন গ্রন্থে পাওয়া যায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- 

    অর্থশাস্ত্র: প্রাচীন ভারতীয় পণ্ডিত কৌটিল্য বা চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত অর্থশাস্ত্র রচনা করেছিলেন এখানে বসেই। তাঁর গ্রন্থে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা ও জ্ঞান চর্চার এক খ্যাতনামা কেন্দ্র হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন।

    মহাভারত: বহু শতাব্দী আগে রচিত মহাকাব্য মহাভারত। সেখানেও তক্ষশীলা নগর সমেত তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।

    রামায়ণ: জ্ঞান চর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান হিসেবে রামায়ণে তক্ষশীলার উল্লেখ পাওয়া যায়। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় (Takshila University) প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব রামায়ণ অনুসারে কৈকেয়ীর পুত্র তথা ভগবান রামের ভাই ভরতকে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। জানা যায়, ভরত তাঁর পুত্র তক্ষকে ওই নগর শাসনের জন্য নিযুক্ত করেছিলেন। সেখান থেকেই তাঁর নামানুসারে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় নামটি এসেছে বলে মনে করা হয়।

    জাতকের কাহিনী: বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য হল জাতকের কাহিনী। এই জাতকের কাহিনীতে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায়।

    বিভিন্ন গ্রিক ও চিনা সাহিত্য: মেগাস্থিনিস সমেত অন্যান্য পরিব্রাজকদের বিভিন্ন লেখায় উঠে এসেছে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়। এ থেকেই বোঝা যায় তক্ষশীলা কতটা খ্যাতিসম্পন্ন ছিল। সে সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ পাওয়া যায় চীনা পরিব্রাজকদের লেখাতেও।

    মনুস্মৃতি: মনুস্মৃতি, কথাসরিত সাগর প্রভৃতি প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ পাওয়া যায়। 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দিক

    কঠিন প্রতিযোগিতা: জানা যায় সে সময় ছাত্ররা সহজেই তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেতেন না। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য তাঁদেরকে একটি কঠিন প্রবেশিকা পরীক্ষার দিতে হতো এবং তার মাধ্যমেই সুযোগ মিলতো সেখানে পড়াশোনা করার।

    আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়: ভারতীয় বিভিন্ন সাহিত্য, চিনা এবং গ্রিক পরিব্রাজকদের লেখা থেকে জানতে পারা যায় যে এটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে উঠেছিল। কারণ এখানে পারস্য, গ্রিস, মধ্য এশিয়া প্রভৃতি দেশ থেকে ছাত্ররা পড়তে আসতেন।

    বৃত্তি: বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের গবেষণা থেকে জানতে পারা যায় তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় যোগ্য ছাত্রদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা ছিল।

    ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর: তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকরা ছাত্রদের ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর দিতেন বলে জানা যায়। তাঁদেরকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও চলত।

    কারা পড়াতেন?

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন পাণিনির খ্যাতনামা সংস্কৃত পণ্ডিত। পাণিনির অষ্ট্যাধ্যায়ী তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় বসেই রচিত হয় বলে জানা যায়। এটি সংস্কৃতের জটিল এবং নিয়মভিত্তিক ব্যাকরণ ছিল। অন্যদিকে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী চাণক্যও তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপনা করতেন বলে জানা যায়। ভারতীয় চিকিৎসার জনক বলে পরিচিত চরক তক্ষশীলায় অধ্যাপনা করতেন। অন্যদিকে গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত ডাক্তার বলে পরিচিত ছিলেন জিবক, তিনিও তক্ষশীলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য পাটনায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু কিছু বৌদ্ধ সাহিত্য দাবি করে যে চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে অধ্যয়ন ও শিক্ষার জন্য তক্ষশীলায় নিয়ে গেছিলেন।

    আরও পড়ুন: অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার পাঁচশো বছরেরও আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে

    পতনের কারণ 

    তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় (Takshila University) শেষ পর্যন্ত ধ্বংসের সম্মুখীন হয়। এর পতনের অনেক কারণ রয়েছে। রাজনৈতিক এবং আর্থসামাজিক কারণও বেশ কতকগুলি রয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ: মনে করা হয় খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে হুণ শাসক তোরমান এই বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করেন। যার ফলে তক্ষশীলার শিক্ষাগত এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন: মনে করা হয় উত্তর ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনও তক্ষশীলা (Takshila University) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Javed Akhtar: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মত জাভেদ আখতারের

    Javed Akhtar: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মত জাভেদ আখতারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মুম্বইয়ে ‘মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা’ আয়োজিত দীপাবলির একটি অনুষ্ঠানে এ কথা বলতে শোনা গেল জাভেদ আখতারের (Javed Akhtar)। এদিন হিন্দুদের ‘উদার এবং বড় মনের মানুষ’ বলেও অভিহিত করেন প্রবীণ এই গীতিকার। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘হিন্দুদের সহনশীলতা বরাবরই রয়েছে। মানবিকতার গুণও তাদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়।’’  তিনি আরও বলেন, ‘‘হিন্দুদের যে বিষয়টা সব থেকে ভালো, সেটা হল এঁদের মন ভীষণ বড় হয়। আপনি যদি নিজের ভিতর থেকে সেটা নষ্ট করে দেন আপনিও তাহলে বাকিদের মতো হয়ে যাবেন।’’

    রামায়ণ নিয়ে কী বললেন প্রবীণ গীতিকার

    প্রসঙ্গত, দুমাস পরেই উদ্বোধন হবে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের। মুম্বইয়ে দীপাবলির অনুষ্ঠানে জাভেদ আখতারের (Javed Akhtar) বক্তব্যে উঠে আসে রাম সীতার প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ‘‘ভগবান রাম ও দেবী সীতার দেশে জন্ম নিয়ে আমি গর্বিত। নাস্তিক হলেও আমি রাম ও সীতাকে দেশের সম্পদ মনে করি। রামায়ণ আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।’’ দীপাবলীর ঐ অনুষ্ঠানের ‘জয় সিয়ারাম’ বলে ধ্বনিও তোলেন প্রবীণ এই গীতিকার। ভগবান রাম সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘‘মর্যাদা পুরুষোত্তম কথাটি উচ্চারিত হলে সবার আগে রামের কথাই আমার মনে আসে।’’ নিজের বাল্যকালের কথাও এদিন স্মরণ করেন জাভেদ আখতার।

    আরও পড়ুন: হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম! সভাপতি পদে এবিভিপির প্রার্থী মুসলিম ছাত্রী 

    বাল্যকালের স্মৃতি

    এ প্রসঙ্গে তিনি জানান যে লক্ষ্ণৌতেই তিনি ছোট থেকে বড় হয়েছেন এবং সেখানকার ধনী ব্যক্তিরা একমাত্র সকালে গুড মর্নিং বলতেন। বাকিরা সবাই জয় শ্রীরাম বলে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতেন। গীতিকারের আরও সংযোজন, ‘‘রাম এবং সীতাকে আলাদাভাবা একদমই ভুল। অনুষ্ঠানে হাজির সকলকে তিনি জয় শ্রীরাম সম্বোধন করতে বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘‘হিন্দু সংস্কৃতি হল এ দেশের সভ্যতা। এটাই আমাদের গনতান্ত্রিক মনোভাব শিখিয়েছে তাই এ দেশে গণতন্ত্র রয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share