Tag: Rameshbabu Praggnanandhaa

Rameshbabu Praggnanandhaa

  • Praggnanandhaa: পিছিয়ে পড়েও ইতিহাস! প্রথম ভারতীয় হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর খেতাব জয় প্রজ্ঞানন্দের

    Praggnanandhaa: পিছিয়ে পড়েও ইতিহাস! প্রথম ভারতীয় হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর খেতাব জয় প্রজ্ঞানন্দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দের (Praggnanandhaa)। প্রথম ভারতীয় দাবাড়ু হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর (Grand Chess Tour) খেতাব জিতলেন ২১ বছরের এই তরুণ তুর্কি। পিছিয়ে থেকেও ফাইনালে ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেন প্রজ্ঞানন্দ। ফাইনালে এক সময় ছ’পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন তিনি। এরপর কারুয়ানাকে দু’টি র‌্যাপিড গেমে হারিয়ে দেন। তার পর ব্লিৎজ গেমে ১৫-১৩ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রমেশবাবু। ফাইনালে কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হয়েছে ভারতের গ্র্যান্ডমাস্টারকে। তবে, আগ্রাসী দাবা খেলে ফাইনাল জমিয়ে দেন তিনি।

    ভারতীয় দাবায় ঐতিহাসিক মুহূর্ত

    ভারতীয় দাবাকে আরও একবার নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন প্রজ্ঞানন্দ।এই খেতাব জিতে ২ লক্ষ মার্কিন ডলার পুরস্কার পেলেন প্রজ্ঞানন্দ। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ টাকার সমান। প্রজ্ঞানন্দের কেরিয়ারে এটিই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শিরোপা। এদিন র‌্যাপিড রাউন্ডে চাপে ছিলেন দুই দাবাড়ুই। কারণ চার গেমের এই রাউন্ডই হয়ে ওঠে আসল ফাইনাল। সেখানেই চাপ সামলে কিস্তিমাত করেছেন প্রজ্ঞানন্দ। প্রথম গেমে কিছুটা চাপে পড়ে যান ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার। জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেও সময়ের চাপে ভুল চাল দিয়ে পরিস্থিতি জটিল করে ফেলেন। কারুয়ানাও ভুল করলে ম্যাচ ড্র হয়। পরের ম্যাচগুলি জিতে ১৫-১৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন প্রজ্ঞানন্দ।

    পরবর্তী লক্ষ্য দাবা অলিম্পিয়াড

    বছরের শুরুটা প্রজ্ঞানন্দের জন্য ভাল হয়নি। ক্যান্ডিডেটস টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বার নেমেই ব্যর্থ। কিন্তু এরপর স্বপ্নের ফর্মে ফেরেন। নরওয়ে চেসে ম্যাগনাস কার্লসেনকে (Magnus Carlsen) দু’বার হারিয়ে শিরোপা জয়। জেতেন সেন্ট লুইস র‍্যাপিড ও ব্লিটজ খেতাবও। সিঙ্কফিল্ড কাপেও যুগ্মভাবে শীর্ষস্থান দখল করেন। প্রজ্ঞানন্দের কথায়, ‘ক্যান্ডিডেটস জিতলে ভাল লাগত ঠিকই। কিন্তু এই টুর্নামেন্ট জেতাও দারুণ একটা ব্যাপার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পরেই এই টুর্নামেন্টের স্থান। এই স্তরের প্রতিযোগিতায় জিততে গেলে অনেক মানসিক দৃঢ়তা লাগে। আমি শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে পেরে খুশি।’টানা একমাস দাবার বোর্ডে মগ্ন থাকার পর প্রজ্ঞার পরবর্তী লক্ষ্য এখন দাবা অলিম্পিয়াড (Chess Olympiad)। আগামী ১৬ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর উজবেকিস্তানের সমরকন্দে খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে ভারতীয় দল। সেখানেও অন্যতম প্রধান ভরসা প্রজ্ঞানন্দ।

  • Rameshbabu Praggnanandhaa: গুকেশের পরে এবার প্রজ্ঞানন্দ, ৩৯ চালেই চেকমেট! লাস ভেগাসে ফ্রি-স্টাইলে হার কার্লসেনের

    Rameshbabu Praggnanandhaa: গুকেশের পরে এবার প্রজ্ঞানন্দ, ৩৯ চালেই চেকমেট! লাস ভেগাসে ফ্রি-স্টাইলে হার কার্লসেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় তরুণ দাবাড়ুদের বিরুদ্ধে কার্লসেনের খারাপ ফর্ম যেন কাটছে না কিছুতেই। নরওয়ে ওপেনে দোম্মারাজু গুকেশের (D. Gukesh) পর এবার ভারতের ১৯ বছর বয়সি গ্র্যান্ডমাস্টার রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দের কাছে লজ্জার হার কার্লসেনের (Magnus Carlsen)। লাস ভেগাসে আয়োজিত ফ্রিস্টাইল চেস গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্টের ম্যাচে মাত্র ৩৯ চালেই কার্লসেনকে হারিয়ে দিলেন প্রজ্ঞানন্দ। এই হারের ফলে কার্লসেন ছিটকে গেলেন খেতাবি দৌড় থেকে। তাও এমন টুর্নামেন্ট, যার সহ-প্রবর্তক কার্লসেন নিজে। র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকা দাবাড়ুকে তাঁর নিজের ডেরায় হারিয়ে প্রজ্ঞানন্দ জানালেন, ফ্রিস্টাইল তিনি বেশ উপভোগ করেন… ক্লাসিক্যালের চেয়েও বেশি!

    ফ্রিস্টাইল উপভোগ করছেন

    টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলেন প্রজ্ঞানন্দ ও কার্লসেন। সাদা ঘুঁটি নিয়ে খেলছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। শুরু থেকেই ম্যাচে দাপট দেখান তিনি। তাঁর দেওয়া চালগুলির মধ্যে ৯৩.৯ শতাংশই ছিল সঠিক। অন্য দিকে ৮৪.৯ শতাংশ চাল ঠিক দেন কার্লসেন, যা তাঁর কাছে অনেকটাই কম। ম্যাচে প্রজ্ঞানন্দকে কখনওই চাপে ফেলতে পারেননি কার্লসেন। খুব সহজে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কার্লসেনকে হারিয়ে দেন ভারতের ১৯ বছর বয়সি এই দাবাড়ু। ম্যাচ শেষে প্রজ্ঞানন্দ বলেন, ‘এই মুহূর্তে ক্লাসিকালের চেয়ে ফ্রিস্টাইল খেলতে বেশি ভাল লাগছে। এখানে অনেক নতুন ভাবনার সুযোগ থাকে। বোর্ডে আরও বেশি ইম্প্রোভাইজ করতে হয়!’

    নজির গড়লেন প্রজ্ঞানন্দ

    এই জয়ের ফলে সব ফর্ম্যাটেই বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ুর বিরুদ্ধে জয়ের নজির গড়লেন প্রজ্ঞানন্দ। এর আগে ক্লাসিক্যাল, র‍্যাপিড, ও ব্লিৎজ ফর্ম্যাটে কার্লসেনকে হারিয়েছিলেন তিনি। কার্লসেনকে হারিয়ে গ্রুপ হোয়াইটের শীর্ষে পৌঁছলেন প্রজ্ঞানন্দ। ৪.৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্বের গন্ডি পেরিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ স্তরে কোয়ালিফাই করলেন তিনি। চেস৯৬০ বা ফ্রিস্টাইল দাবার এই টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণ— প্রতি ম্যাচেই ঘুঁটির প্রারম্ভিক অবস্থান বদলে যায়। অর্থাৎ, অভ্যস্ত ওপেনিং মুখস্থ করে নয়, তাৎক্ষণিক বিশ্লেষণ ও গভীর কৌশলের উপর নির্ভর করেই চাল দেওয়া জরুরি। যেখানে কার্লসেনকে দাঁড়াতে দেননি প্রজ্ঞানন্দ।

  • R Praggnanandhaa: শেষরক্ষা হল না! বিশ্বকাপ ফাইনালে টাইব্রেকে কার্লসেনের কাছে হার মানলেন প্রজ্ঞানন্দ

    R Praggnanandhaa: শেষরক্ষা হল না! বিশ্বকাপ ফাইনালে টাইব্রেকে কার্লসেনের কাছে হার মানলেন প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিজ্ঞতা বনাম তারুণ্যের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই!  অবশেষে অভিজ্ঞতার জয় হলেও মন জিতলেন ভারতের তরুণ প্রতিভাবান দাবাড়ু রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ (Rameshbabu Praggnanandhaa)। দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথম গেম ড্র। দ্বিতীয় গেমও ড্র। দুটি ক্লাসিকাল রাউন্ড ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারেও চলল টানটান লড়াই। শেষমেশ জয়ী ম্যাগনাস কার্লসেন (Magnus Carlsen)।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    বৃহস্পতিবার ফাইনালের প্রথম টাইব্রেক জিতে যান ম্যাগনাস কার্লসেন। ৪৭ মুভের পর দারুণ ফিনিশিংয়ে প্রথম টাইব্রেকে জিতে ১-০তে লিড নেন নরওয়ের কিংবদন্তি। প্রথম র‌্যাপিড রাউন্ডে একটি চাল দিতে সাড়ে ৬ মিনিট সময় নেন প্রজ্ঞা। ২৫ মিনিটের খেলায় সেই একটি চালই প্রজ্ঞাকে পিছিয়ে দেয়। প্রজ্ঞার ভুলের সুযোগ নিয়ে ২.৫-১.৫ পয়েন্টে জিতে যান কার্লসেন। ফলে প্রজ্ঞানন্দের কাছে ডু অর ডাই পরিস্থিতি দাঁড়ায়। দ্বিতীয় টাইব্রেক জিততেই হত ১৮ বছরের দাবাড়ুকে। র‌্যাপিডের দ্বিতীয় রাউন্ডে সাদা ঘুঁটি নিয়ে খেলছিলেন কার্লসেন। ফলে শুরুতেই সুবিধা পান তিনি। প্রথম থেকেই সময়ের ব্যবধান বাড়তে থাকে। প্রজ্ঞার খেলা দেখে বোঝা যাচ্ছিল, যথেষ্ট চাপে রয়েছেন তিনি। ফলে প্রতিটি চাল দিতে সময় নিচ্ছিলেন। কার্লসেনের হাতে সময় থাকায় তিনি ফুরফুরে মেজাজে খেলছিলেন। ২২ চালের পরে ড্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন দুই প্রতিযোগী। ফলে খেলা জিতে যান কার্লসেন। রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট হতে হল প্রজ্ঞাকে। আর এ বারের দাবা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলেন নরওয়ের কার্লসেন। বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু তথা পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেনের কাছে হার মানলেন প্রজ্ঞানন্দ।

    আরও পড়ুন: ভারতে আসছেন নেইমার! চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মুম্বই সিটি-আল হিলাল এক গ্রুপে

    মঙ্গল ও বুধবার দাবা বিশ্বকাপের দু’টি ক্লাসিক্যাল রাউন্ডের খেলা হয়েছিল। দু’টি খেলায় ড্র হয়। ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই হারলেন ভারতীয় দাবাড়ু। কার্লসেন আরও এক বার দেখিয়ে দিলেন কেন তিনি পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ফাইনালে নিজের সেরা খেলাটা খেললেন নরওয়ের দাবাড়ু। তবে দাবা বিশ্বকাপে রানার-আপ হওয়ায় সর্বকনিষ্ঠ দাবাড়ু হিসাবে ক্যান্ডিডেটসের ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করেছেন প্রজ্ঞা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Chess World Cup Final: এবার টাই-ব্রেক! কার্লসেনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গেমও ড্র প্রজ্ঞানন্দের

    Chess World Cup Final: এবার টাই-ব্রেক! কার্লসেনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গেমও ড্র প্রজ্ঞানন্দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবা বিশ্বকাপের (Chess World Cup Final) ফাইনালে প্রথম গেম গতকাল ড্র হয়েছিল। আজ, বুধবার দ্বিতীয় গেমেও ড্র করলেন আর প্রজ্ঞানন্দ ও ম্যাগনাস কার্লসেন। এদিন ৩০টি চালের পরই দ্বিতীয় গেম ড্র হয়ে যায়। আগামী কাল টাই ব্রেকের মাধ্যমেই চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত করা হবে। প্রজ্ঞানন্দের (Rameshbabu Praggnanandhaa) সামনে বিশ্বকাপ ফাইনাল জিতে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। অন্যদিকে প্রথমবার বিশ্বজয়ের স্বাদ পেতে চান কিংবদন্তী কার্লসেন। 

    বিশ্বজয়ই লক্ষ্য

    বৃহস্পতিবার যিনি জিতবেন, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি তিনি পেয়ে যাবেন ১ লক্ষ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কারমূল্য। ভারতীয় মুদ্রায় অঙ্কটা প্রায় এক কোটি টাকা। ২১ বছর আগে (২০০২ সালে) বিশ্বনাথন আনন্দ শেষ ভারতীয় হিসাবে দাবা বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। তারপর থেকে আর কোনও ভারতীয় বিশ্বখেতাব জেতেননি। আগামী কাল দুটো টাই ব্রেকে মুখোমুখি হবেন প্রজ্ঞানন্দ ও কার্লসেন। ১৮ বছরের ভারতের বিস্ময় প্রতিভা কার্লসেনকে বেগ দিতে পারেন কি না তা দেখার অপেক্ষায় আপামত ভারতবাসী।

    শহরে প্রজ্ঞানন্দ

    দাবা বিশ্বকাপের (Chess World Cup Final) পরে কলকাতায় আসছেন রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। এই প্রতিযোগিতার পরেই কলকাতায় ‘টাটা স্টিল দাবা প্রতিযোগিতা’ খেলতে আসবেন প্রজ্ঞানন্দ। শুধু তিনি নন, দাবা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা চার ভারতীয় দাবাড়ুকেই দেখা যাবে প্রতিযোগিতায়। ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে থাকবেন প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন আনন্দ। ৩১ অগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে হবে প্রতিযোগিতা। 

    আরও পড়ুন: ল্যান্ডারের ‘সফট ল্যান্ডিং’ নয়, বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে চাঁদের ধুলো! কেন?

    ওপেন ও মহিলা, দু’টি বিভাগই থাকবে। দু’টি বিভাগে আবার র‌্যাপিড ও ব্লিৎজ নিয়মে খেলা হবে। দু’টি বিভাগে ১০ জন করে প্রতিযোগী অংশ নেবেন। প্রজ্ঞানন্দ ছাড়াও বাকুতে দাবা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা ডি গুকেশ, বিদিত গুজরাতি ও অর্জুন এরিগাইসিও প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। ভারতের আর এক দাবাড়ু পি হরিকৃষ্ণও অংশ নেবেন প্রতিযোগিতায়। অর্থাৎ, ওপেন বিভাগে ১০ জনের মধ্যে পাঁচ জন ভারতীয়। বাকি পাঁচ জন বিদেশি দাবাড়ু। মহিলাদের বিভাগেও রয়েছেন ১০ জন প্রতিযোগী। সেখানে সব থেকে বড় মুখ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন চিনের ওয়েনজুন জু। ভারতীয়দের মধ্যে থাকছেন প্রজ্ঞানন্দের দিদি রমেশবাবু বৈশালী, কোনেরু হাম্পি, হরিকা দ্রোণাবল্লি, সবিথা শ্রী ও বন্তিকা আগরওয়াল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chess World Cup 2023: ইতিহাস প্রজ্ঞানন্দের! দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে সামনে কার্লসেন

    Chess World Cup 2023: ইতিহাস প্রজ্ঞানন্দের! দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে সামনে কার্লসেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে (Chess World Cup 2023) ১৮ বছরের রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ (R Praggnanandhaa)। দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেন। এর আগে ২০০০ এবং ২০০২ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন আনন্দ এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। আজারবাইজানের বাকুতে বিশ্ব ব়্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বর দাবাড়ু ফাবিয়ানো কারুয়ানাকে টাইব্রেকে ৩.৫-২.৫ ব্যবধানে হারিয়েছেন ভারতীয় চেস খেলোয়াড়। ট্যুইট বার্তায় একথা জানিয়েছেন প্রজ্ঞার গর্বিত মেন্টর বিশ্বনাথন আনন্দ। তিনি লেখেন, “প্রাগ ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। টাইব্রেকে ফাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়েছে। এবার সামনে ম্যাগনাস কার্লসেন। কী দারুণ পারফরম্যান্স।” 

    কঠিন লড়াইয়ের পর ইতিহাস

    বিশ্বনাথন আনন্দের পর এই প্রথম ভারতের কোনও খেলোয়াড় ফাইনালে উঠলেন। ফাইনালে তিনি খেলবেন ম্যাগনাস কার্লসেনের বিপক্ষে। বিশ্বের তিন নম্বর কারুয়ানার বিরুদ্ধে প্রজ্ঞানন্দের লড়াই মোটেই সহজ ছিল না। রবিবার প্রথম দু’টি ক্লাসিক্যাল গেম ড্র হয়েছিল। ফলে সোমবার ম্যাচ গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে। সেখানেই জিতে গেলেন ভারতের খেলোয়াড়। তিনি ৩.৫-২.৫ পয়েন্টে জিতেছেন।

    দাবা বিশ্বকাপ প্রথম আয়োজিত হয়েছিল ২০০০ সালে। এর পরে ফের এটি আয়োজিত হয় ২০০২ সালে। প্রথম দু’বারই এই বিশ্বকাপ জিতেছিলেন আনন্দ। কিন্তু তখন এটি বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ ছিল না। ২০০৫ সাল থেকে এটি বিশ্ব দাবা প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে যায়। তার পর থেকে প্রতি দু’বছর অন্তর এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। কিন্তু ফাইনালে ওঠা তো দূর, কোনও ভারতীয় খেলোয়াড় সেমিফাইনালেও পৌঁছতে পারেননি। অবশেষে সেই আক্ষেপ মিটল।

    আরও পড়ুন: এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করলো ভারত, ফিরলেন লোকেশ রাহুল, শ্রেয়স আইয়ার

    সামনে শুধুই কার্লসেন

    বিশ্বকাপে শেষ হাসি হাসতে হলে এই টিনএজার দাবাড়ুকে মোকাবিলা করতে হবে বিশ্বের এক নম্বর ম্যাগনাস কার্লসেনের (Magnus Carlsen)। একদিকে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অন্যদিকে ভারতের দাবার জগতের উঠতি প্রতিভা। অতীতে কার্লসেনকে হারিয়ে ‘অঘটন’ ঘটিয়েছেন টিনএজার প্রজ্ঞানন্দ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে সেই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে হবে তাঁকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rameshbabu Praggnanandhaa: ডাচ গ্র্যান্ডমাস্টারকে হারিয়ে অনলাইন দাবা প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতের ‘বিস্ময় বালক’ প্রজ্ঞানন্দ

    Rameshbabu Praggnanandhaa: ডাচ গ্র্যান্ডমাস্টারকে হারিয়ে অনলাইন দাবা প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতের ‘বিস্ময় বালক’ প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেসেবেল মাস্টার্স (Chessable Masters) প্রতিযোগিতায় ডাচ গ্র্যান্ডমাস্টার অনীশ গিরিকে (Anish Giri) পরাজিত করে ফাইনালে উঠল ভারতের বিস্ময় বালক, খুদে দাবাড়ু রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ (Rameshbabu Praggnanandhaa)।  

    গত ফেব্রুয়ারিতে ম্যাগনাস কার্লসেনের (Magnus Carlsen) বিরুদ্ধে কিস্তিমাত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় কিশোর রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। সেই জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বাজিমাত। সম্প্রতি আরও একবার বিশ্বসেরা কার্লসেনকে হারিয়ে নজির গড়েছে সে।    

    কার্লসেনকে হারানোর পরে মেল্টওয়্যার চ্যাম্পিয়ন্স দাবা ট্যুরের নকআউট পর্বে সোমবার সকলকে চমকে দিয়ে চিনের ওয়েই ই-কে ২.৫-১.৫ হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে। শেষ চারে তার সামনে ছিলেন নেদারল্যান্ডসের ভারতীয় বংশোদ্ভুত দাবাড়ু অনীশ গিরি। অন্য সেমিফাইনালে কার্লসেন খেলেন চিনের ডিংলিরেনের বিরুদ্ধে। কার্লসেনকে হারিয়ে অন্যদিকে ফাইনালে উঠেছেন ডিংলিরেন ( Ding Liren)। এবার ফাইনালে মুখোমুখি প্রজ্ঞানন্দ-ডিংরিলেন।     
     
    ১৬ বছর বয়সী প্রজ্ঞানন্দর সামনে এবার দারুণ সুযোগ একই টুর্নামেন্টে বিশ্বের এক এবং দুনম্বরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। সেমিফাইনাল ম্যাচটাও প্রজ্ঞানন্দর কাছে এক কঠিন পরীক্ষা ছিল। কারণ তার প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিলেন সমান শক্তিশালী। প্রথম চার রাউন্ডের পর রেজাল্ট ছিল ২-২। শেষ ম্যাচ ছিল টাইব্রেকার। আর তাতে পয়েন্টের বিচারে এগিয়ে থাকার জন্য ফাইনালে উঠে যায় প্রজ্ঞানন্দ। অনীশকে ৩.৫-২.৫ পয়েন্টে হারায় সে। ভারতীয় দাবাড়ু হিসেবে প্রজ্ঞানন্দই প্রথম, যে চেসেবেল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠল।  
     
    বুধবারের সেমিফাইনালে প্রজ্ঞানন্দ প্রথম দুটি রাউন্ডে ২-০ লিড নেন। দ্বিতীয় রাউন্ডে অনীশ প্রত্যাবর্তন করেন। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে পয়েন্ট হয় ২-১। তৃতীয় রাউন্ডে অসাধারণ খেলেন অনীশ। পয়েন্ট সমানে সমানে নিয়ে আসেন ২-২ তে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি অনীশের। প্রজ্ঞানন্দ ৩.৫-২.৫ পয়েন্টে বাজিমাত করে হারিয়ে দেন নেদারল্যান্ডের অনীশ গিরিকে। 

    এই টুর্নামেন্টে অনীশ গিরি এখনও অবধি অপরাজেয় ছিলেন। প্রজ্ঞানন্দর কাছেই প্রথম হার অনীশের। ক্লাস ইলেভেনের ছাত্র প্রজ্ঞানন্দর দাবা পরীক্ষার সঙ্গে স্কুলের পরীক্ষাও চলছে। মঙ্গলবার রাতে জেতার পর ভারতীয় খুদে দাবাড়ুর প্রথম প্রতিক্রিয়াই ছিল, ‘‘কাল সকাল ৮.৪৫- এর মধ্যে স্কুলে পৌঁছতে হবে। এদিকে, এখনই রাত দুটো!’’    

     

     

LinkedIn
Share