Tag: Ramlala

Ramlala

  • Sukanta Majumdar: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে গোটা দেশ জুড়ে চলছে উৎসবের মেজাজ। কোথাও অযোধ্যায় রাম মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে রাম মন্দির,আবার কোথাও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। এরমধ্যে বালুরঘাট শহরের একাধিক জায়গায় রাম পুজোতে অংশগ্রহণ, কোথাও আবার খিচুড়ি রান্নাতে হাত দিতে দেখা গেল বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। সোমবার সকাল থেকেই প্রথমে যুবশ্রী মোড়, উত্তামশা এলাকা,পাওয়ার হাউস এলাকা সহ শহরের একাধিক জায়গায় তিনি রাম পুজোতে অংশগ্রহণ করেন। শুধু বালুরঘাট শহর নয় দিনভর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে রামপুজোতে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পাশাপাশি বালুরঘাটে নতুন সাংসদ অফিসের উদ্বোধন করেন তিনি।

    দিনভর কর্মসূচিতে সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে গোটা দেশ জুড়ে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রতিটি ব্লকেও একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর গঙ্গারামপুর কালীতলা এলাকায় যজ্ঞানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। এরপর তপন করদহ এলাকায় বনার্ঢ্য র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। এদিন সন্ধ্যায় বালুরঘাট শহরের সদর ঘাটে আত্রেয়ী নদীর তিরে এক লক্ষ  প্রদীপ জ্বালিয়ে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের রামমূর্তির প্রবেশ ও প্রাণ প্রতিষ্ঠার উৎসব উদযাপন করা  হয়। হাজার হাজার দর্শনার্থী ভিড় হয়েছে নদীর তিরে। সুকান্ত মজুমদার নদীর তিরে প্রদীপ প্রজ্বলন করেন। সন্ধ্যা আরতি করে রামের উদ্দেশ্যে তা নিবেদন করা হয়।

    আত্রেয়ী নদীতে লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যারতি সুকান্তর

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, দিনভর জেলায় প্রচুর মানুষ রাম জন্মভূমির এই উৎসবকে ঘিরে আনন্দে মেতেছে। জাতি,ধর্ম রাজনৈতিক উর্দ্ধে উঠে মানুষ আজকের দিনটাকে উৎযাপন করছে। এদিন আমরা বালুরঘাট সদরঘাটে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতি করে দিনটিকে উদযাপন করলাম। শাসক দলের কর্মসূচি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,কর্মসূচি শুধু উস্কানিমূলক কর্মসূচি। এতে প্রকৃতি হিন্দু যারা তারা কেউ যোগ দেবে না। যারা হিন্দু সেজে থাকে, যারা জালি হিন্দু তারাই যোগদান করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: কৃত্তিবাসের ভিটেতে রাম-সীতা মন্দিরে পুজোয় মাতলেন সাংসদ জগন্নাথ

    Ram Mandir: কৃত্তিবাসের ভিটেতে রাম-সীতা মন্দিরে পুজোয় মাতলেন সাংসদ জগন্নাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার উপলক্ষে সারা দেশজুড়ে চলছে নাম যজ্ঞ। লক্ষ লক্ষ ভক্ত এদিন অযোধ্যার রাম মন্দিরে উপস্থিত হয়েছেন। সারা দেশের মানুষ সাড়ম্বরে পালন করছেন এই শুভ দিনটি। গোটা ভারতবর্ষের এক বিশেষ দিন। সনাতন ধর্মের সাফল্যের দিন। সোমবার শান্তিপুরের ফুলিয়ায় কৃত্তিবাস ওঝার জন্মস্থানে উপস্থিত হয়ে এমনটাই জানালেন নদিয়ার রানাঘাটের  বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। নাম সংকীর্তনের মধ্য দিয়ে মেতে ওঠেন তিনি।

    ভারতের সংস্কৃতিকে নষ্ট করছে রাষ্ট্র বিরোধী দল! (Ram Mandir)

    রামায়ণ বাংলায় রচনা করেছিলেন কৃত্তিবাস ওঝা। এদিন রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়ায় কৃত্তিবাসের রামসীতা মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এদিন সেই মন্দিরে হাজির হন সাংসদ সহ একাধিক বিজেপি কর্মীরা। সেখানে বিশেয পুজো হয়। বিজেপি কর্মীদের পাশাপাশি বহু ভক্ত পুজো দিতে সেই মন্দিরে সামিল হন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি সাংসদ হাজির হন। তিনি বলেন, গোটা দেশজুড়ে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) রামলালার জয়জয়কার হচ্ছে। রামময় জগৎ, রামময় ভারত। রাম আমাদের আত্মা, রাম আমাদের স্বরূপ। রামের যে নীতি সেই নীতিতেই চলে গোটা জগৎ। রামচন্দ্রের আদর্শ মেনেই আমরা চলি। আর ভারতের যে সংস্কৃতি যে ধর্ম তাকে নষ্ট করার জন্য  উঠে পড়ে লেগেছে এক রাষ্ট্রবিরোধী দল। এই শুভদিনে সেই নাম করছি না। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর গোটা ভারতবর্ষ এক গৌরবময় দেশ হয়ে উঠবে। আরও উন্নয়ন ঘটবে এই দেশের। রামচন্দ্র সব হিংসা দূর করে মানুষের মধ্যে শুভ বোধ জাগ্রত করবে।

    কৃষ্ণনগরে বিশেষ ষজ্ঞের আয়োজন

    এক মাস ধরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নানান অনুষ্ঠান চলছে। এদিন মহাসাড়ম্বরে সেই শুভ দিন পালিত হচ্ছে। সারা দেশের সঙ্গে সারা রাজ্যের মানুষ রাম নামে মেতে উঠেছেন। নাম সংকীর্তন করছেন মানুষ। এদিন ফুলিয়ার কৃত্তিবাসে রাম সীতা মন্দিরে দাঁড়িয়ে সাংসদ এবং আরও বিজেপি কর্মীরা সকলে রামের নামে মেতে ওঠেন। পাশাপাশি কৃষ্ণনগরের নৃসিংহদেবতলা মন্দিরে ১০৮টি ধুনুচি এবং ১০০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তারা কয়েক হাজার ভক্তের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করেন। যজ্ঞ শেষে ভোগ বিতরণ করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ramlala: হীরের মুকুট, গলায় হার, ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে দেশবাসীর সামনে এলেন রামলালা

    Ramlala: হীরের মুকুট, গলায় হার, ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে দেশবাসীর সামনে এলেন রামলালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৫০০ বছরের আন্দোলনের পরে প্রতীক্ষার অবসান। রামলালার (Ramlala) মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন প্রধানমন্ত্রী। অরুণ যোগীরাজের হাতে তৈরি রামলালার মূর্তিই এখন চর্চার বিষয়। রাজা রামের মাথায় হীরের মুকুট, কপালে টিকা, গলায় হার। ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে ২২ জানুয়ারি বিশ্ববাসীর সামনে আবির্ভূত হলেন তিনি।

    রামলালার সাজের বর্ণনা

    বালক রাম বা রামলালার হাতে রয়েছে সোনার ধনুক। সোনা, রুপো এবং হীরের গয়নায় বালক রামকে সাজানো হয়। বাল্মিকী রামায়ণের ভগবান রামচন্দ্রের যে মুকুট বর্ণনা করা হয়েছে, সেই ধাঁচের তৈরি মুকুটই পরানো হয়েছে রামলালাকে (Ramlala)। হীরের মুকুটে সোনার সঙ্গে সবুজ রঙের রত্নও নজরে পড়ছে। মুকুটের একেবারে মাথায় তিনটে পানের মত মূর্তি রয়েছে। যেখানে লাল এবং সবুজ মণি দেখা যাচ্ছে। মুকুটের মাঝখানেও একটি সবুজ রঙের মণি রয়েছে। রামলালার কানেও রয়েছে সোনার অলঙ্কার। রামলালার গলার চারপাশে বড় নেকলেসও দেখা যাচ্ছে। কোমরে রয়েছে কোমর বন্ধনী, যা হীরে সমেত লাল এবং সবুজ রঙের অন্যান্য রত্ন দিয়ে তৈরি হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী গর্ভগৃহে প্রবেশের পরেই খোলা হয় বিগ্রহের আবরণ। তার পরে হয় প্রাণপ্রতিষ্ঠা। রামলালাকে যে মুকুট পরানো হয়, মন্দিরে সেটি নিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    আরও পড়ুন: প্রতীক্ষার অবসান, রামলালা প্রতিষ্ঠিত হলেন জন্মভূমিতেই

    রামলালার মূর্তির বর্ণনা

    এই রামলালার (Ramlala) মূর্তিটি ৫১ ইঞ্চি লম্বা, চওড়া ৩ ফুট। ওজন প্রায় ২০০ কেজি। ভগবান রামকে দাঁড়িয়ে থাকা ভঙ্গিতে পাঁচ বছরের শিশু হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। কালো পাথরের তৈরি এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন মহীশূরের শিল্পী অরুণ যোগীরাজ। মূর্তির চালচিত্রে রয়েছে বিষ্ণুর দশাবতার–মৎস্য, কুর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ ও কল্কি। মূর্তির একদিকে হনুমান ও অপর দিকে গরুড়। শুধু তাই নয়, মূর্তির যে মুকুট রয়েছে তাতে সূর্য, শঙ্খ, স্বস্তিক, চক্র ও গদা রাখা হয়েছে। মূর্তির প্রধান বিশেষত্ব হল, একটি কৃষ্ণশিলা দিয়েই এটি গড়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে তারাপীঠে হল মহাযজ্ঞ, করা হল ভোগ বিতরণ

    Tarapith: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে তারাপীঠে হল মহাযজ্ঞ, করা হল ভোগ বিতরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রামলালার। আর অযোধ্যার এই রামলালাকে ঘিরে দেশজুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। সারা বাংলাজুড়়ে চলছে রামপুজো। বিশেষ এই দিনটিতে বীরভূমের শক্তিপীঠ তারাপীঠেও (Tarapith) বিশেষ যজ্ঞের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারাপীঠে মা তারার মন্দির চত্বরে এদিন মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। মন্দিরের সেবাইতদের একাংশের উদ্যোগে এই ষজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে।

    ২০ কেজি ঘি, ১০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে হয় মহাযজ্ঞ (Tarapith)

    রাম মন্দির উদ্বোধনে বীরভূমের তারপীঠের এক সেবাইত তন্ময় চট্টোপাধ্যায় অযোধ্যায় গিয়েছেন। তারপীঠ মন্দির (Tarapith) চত্বরে বিশেষ পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। হোমের জন্য চারজন পুরোহিত রয়েছে। আর একজন রামের পুজো করছেন। অন্য একজন পুরোহিত হনুমান চালিশা পাঠ করবেন। রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে তারাপীঠে তোরণ তৈরি করা হয়েছে। মন্দিরের এক সেবাইত পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনটিকে স্মরণে রাখতে সেবাইতরা এদিন একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করে। মন্দির চত্বরে মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। আর সেই যজ্ঞ দেখতে প্রচুর ভক্ত এদিন মন্দির চত্বরে ভিড়় করেন। জানা গিয়েছে, এ দিন সকাল এগারোটা থেকে শুরু হয় মহাযজ্ঞ। তার আগে চলছে চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি। উপস্থিত রয়েছেন তারাপীঠের সমস্ত সেবাইতরা। মহাযজ্ঞের পর দুই হাজার ভক্তকে অন্ন প্রসাদ খাওয়ানোর আয়োজন রাখা হয়েছে। এদিন এই মহাযজ্ঞের জন্য ব্যবহার করা হয় ১৫ থেকে ২০ কেজি ঘি, ১০৮ টি প্রদীপ। প্রসাদের জন্য রয়েছে কুড়ি থেকে বাইশ রকমের ফল ও নানা সামগ্রী।

    জেলায় ১৫০টি মন্দিরে বিশেষ পুজো হয়

    তারাপীঠের (Tarapith) পাশাপাশি নলহাটি, ময়ূরেশ্বর, কলেশ্বর সহ বীরভূম জেলার ১৫০টি মন্দিরে এদিন পুজো করা হয়। রামপুরহাট পুরসভার মাঠে রামের মূর্তি পুজো হয়। হোম হয়। কীর্তনের সঙ্গে শোভাযাত্রা বের হয়। ভোগ বিতরণও করা হয়। নলহাটি শহরে পাঁচটি রাম মন্দির আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। এমনকী নলাটেশ্বরী মন্দিরকেও সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনেই সাত সকালে রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু

    Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনেই সাত সকালে রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে সাত সকালে কাঁথির রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। আজ ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে শ্রী রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এদিন সকালে কাঁথির রাম মন্দিরের সামনে থেকে পুজোর উপাচার কিনে পুজো দিলেন এবং সকলের জন্য মঙ্গল কামনা করলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। এভাবেই সারা দেশ আজ রাম নামে মেতে উঠেছে।

    সাংসদের স্ত্রী পুজো দিলেন (Ram Temple)

    প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহাসিক আন্দোলনের সময় অতিক্রম করে আজ সেই শুভ মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়। নিজের জন্মভূমিতে নির্মিত মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক আজকের দিনেই সাত সকালে প্রবল শীতকে উপেক্ষা করে মন্দিরে গেলেন সাংসদ দিব্যন্দু অধিকারী এবং তাঁর স্ত্রী। আজকের শুভক্ষণে প্রভু রামকে পুজো করলেন তাঁর স্ত্রী। আর অপর দিকে সাংসদ মন্দিরের ঘণ্টা বাজিয়ে প্রভু রামের চরণে ভক্তি অর্পণ করলেন। পাশাপাশি একই ভাবে মন্দিরের শিবের মাথায় জল ঢেলে পুজো দিলেন। অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে বাংলার অলিগলি, গ্রামগঞ্জের মন্দিরগুলি অপূর্ব সাজে সজ্জিত হয়ে উঠেছে। অযোধ্যার সঙ্গে বাংলাও রাম নামে আজ মুখরিত।

    কী বললেন সাংসদ দিব্যেন্দু?      

    এদিন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “এখন সকালে পুজো দিয়ে গেলাম। আবার প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Ram Temple) অনুষ্ঠান শুরু হলে পুজো দিতে আসব। সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করছি। বিশ্ববাসীর জীবন শান্তিময় এবং সুখকর হোক। আজ রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর ঐতিহাসিক দিনের সূচনা হবে। দেশের উন্নয়ন এবং কল্যাণে শ্রী রামচন্দ্রের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক।” অপর দিকে আজ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিকেলে হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন। এই সংহতি মিছিল সম্পর্কে সাংসদে দিব্যন্দু আরও বলেন, “উচ্চ আদালতের নির্দেশে এই মিছিল হবে। সবার নিজের কাজ করার অধিকার রয়েছে। নির্দেশ মেনেই করতে হবে, তাই আমি স্বাগত জানাই।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনে সারা দেশ মেতে উঠেছে। মন্দিরে মন্দিরে চলছে পুজো। এই আবহের মধ্যে নদিয়ার শান্তিপুরে শুধু মন্দিরগুলিতে পুজো হচ্ছে এমন নয়, এই দিনটিকে স্মরণে রাখতে সোমবার সন্ধ্যায় মসজিদ এবং গির্জায় জ্বালানো হবে মোমবাতি এবং প্রদীপ। এমনটাই জানালেন নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি-২ নম্বর পঞ্চায়েতের পাঁচপোতা পূর্বপাড়া জামে মসজিদ কমিটির অন্যতম সদস্য আশরাফ শেখ এবং শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি-১ নম্বর পঞ্চায়েতের চাদরা ক্যাথলিক চার্চ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জোসেফ মণ্ডল। আজকের দিনটিকে সনাতনী হিন্দু ধর্মের অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন বলে মনে করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে, সনাতনী হিন্দু ধর্মের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরাও যে একইভাবে আনন্দে উচ্ছ্বাসিত তা বলাই বাহুল্য।

    গীর্জা ও মসজিদে জ্বালানো হবে প্রদীপ-মোমবাতি (Ram Mandir)

    সোমবার সকাল থেকেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir)  দিকে নজর ছিল সকলের। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  আর বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণে রাখতে উদ্যোগী হয়েছেন শান্তিপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। এদিন সন্ধ্যায় গির্জা এবং মসজিদে মোমবাতি, প্রদীপ জ্বালানো হবে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু হিন্দু ধর্মের মানুষেরাই নয়, সংখ্যালঘু সকল সম্প্রদায়ের মানুষেরাই তাতে খুশি। আর সেই কারণেই  মন্দিরের পাশাপাশি শান্তিপুরের এই জামে মসজিদ এবং ক্যাথলিক চার্চেও জ্বলে উঠবে প্রদীপ এবং মোমবাতি। ক্যাথলিক চার্চের দায়িত্বে থাকা জোসেফ মণ্ডল বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে অক্ষত প্রসাদ বিতরণ করেছি। সকলকেই প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালানোর জন্য বলেছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরাও এই দিনটিকে স্মরণ রাখতে প্রদীপ জ্বালাবে। আর গির্জাও সাজানো হয়েছে।

    জামে মসজিদ কমিটির সদস্য কী বললেন?

    জামে মসজিদ কমিটির সদস্য আশরাফ শেখ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমস্ত জাতিকেই শ্রদ্ধা ও সম্মান করেন। আর তাতেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মসজিদ পরিষ্কার করেছি। সকলে উদ্যোগী হয়ে এই কাজ করছেন। আমরা এদিন সকাল থেকে সমস্ত রকম প্রস্তুত গ্রহণ করেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ধ্বংসের উপর ভক্তির জয়, রাম মন্দিরের এক নির্মাণের ইতিহাস

    Ram Mandir: ধ্বংসের উপর ভক্তির জয়, রাম মন্দিরের এক নির্মাণের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বিক্রম সংবত ২০৮০, পৌষ মাসের শুক্লা পক্ষের দ্বাদশী। আজ রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হোল। দেশজুড়ে এখন রাম নামের মাতোয়ারা। অযোধ্যা সেজে উঠেছে রামলালার আগমনে। দেশজুড়ে রাম ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস এখন তুঙ্গে। প্রায় ৫০০ বছরের দীর্ঘ আন্দোলনের পর রামলালা নিজভূমে (Ram Mandir) প্রতিষ্ঠা পেলেন। সম্পন্ন হোল অভিষেক প্রক্রিয়া। কিন্ত এই মন্দির নির্মাণের পথ এত সহজ ছিল না। আসুন জেনে নিই রাম মন্দির পুনর্নির্মাণের ইতিহাস।

    শ্রীরামের জন্ম এবং প্রাচীন মন্দির (Ayodhya Ram Mandir)

    অযোধ্যা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বৈবশ্বত মনু। তিনি ভগবান মৎস্যাবতারের আশীর্বাদ ও সাহায্যে মহাপ্রলয় থেকে পৃথিবীতে জীবন রক্ষা করেছিলেন। আনুমানিক ২১০০ বছর আগে অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমিতে সম্রাট বিক্রমাদিত্য নির্মাণ করেন ৮৪টি কালো টাচস্টোন স্তম্ভের উপর একটি সুবৃহৎ মন্দির (Ayodhya Ram Mandir)।

    মন্দিরে বহিরাগত আক্রমণ (Ayodhya Ram Mandir)

    প্রায় ৫০০ বছর আগে ১৫২৮ সালে মুসলিম আক্রমণকারী বাবরের সেনাপতি মীর বাকি শ্রীরামের হাজার হাজার বছরের পুরাতন মন্দিরকে (Ayodhya Ram Mandir) ধ্বংস করেছিলেন। মুসলমান আক্রমণকারীদের হাত থেকে মন্দিরকে বাঁচাতে ১৫ দিন ধরে শ্রী রামভক্তদের প্রথম যুদ্ধ সংগঠিত হয়। মন্দিরকে ধ্বংস করে একটি মসজিদের কাঠামো নির্মাণ করা হয়। ১৫২৮ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত রাম মন্দিরকে উদ্ধার করতে আনুমানিক ৭৬ বার রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এই মহান সংগ্রামে গুরু গোবিন্দ সিং, মহারানি রাজ কুনওয়ার এবং আরও অনেক মহান ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছিলেন।

    প্রথম এফআইআর

    ১৮৫৮ সালে মসজিদের এক মৌলবি মসজিদ ই জন্মস্থান বলে ফৈজাবাদ একটি এফআইআর দায়ের করেন। এরপর ১৮৮৫ সালে ফৈজাবাদ কোর্টে শ্রী রাম জন্মভূমি (Ayodhya Ram Mandir) মামলার প্রথম শুনানি শুরু হয়। ১৯১২ সালের নভেম্বর ২০, ২১ তারিখে গোহত্যার বিরুদ্ধে ঈদের সময় অযোধ্যায় প্রথম দাঙ্গা শুরু হয়। উল্লেখ্য, ১৯০৬ সাল থেকে পৌর আইনের অধীনে অযোধ্যায় গরু জবাই করা নিষিদ্ধ ছিল। ১৯৩৪ সালের মার্চ মাসে ফৈজাবাদের শাহজাহানপুরে গরু জবাইয়ের বিরুদ্ধে হিন্দুরা প্রবল আন্দোলন করে। পরিণামে সংঘর্ষ হয়। বিক্ষুব্ধ হিন্দুরা বিতর্কিত মসজিদের কাঠামোর দেয়ালে আক্রমণ করে। পালটা ইংরেজ সরকার সেই সময় বিতর্কিত মসজিদের কাঠামোর মেরামত করে দেয়। এরপর ২২ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালের মধ্যরাতে বিতর্কিত মসজিদ কাঠামোর মূল গম্বুজের নীচে রাম লালার জন্মস্থানে রাম লালা নিজেকে প্রকাশ করেন। পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু ছিলেন তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। পন্ডিত গোবিন্দ বল্লভ পন্ত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং কেরালার শ্রী কে কে নায়ার ছিলেন ফৈজাবাদ জেলার ম্যাজিস্ট্রেট। ১৯৫০ সালে রামের জন্মস্থানের মালিকানা দাবি করার জন্য ফৈজাবাদ আদালতে একটি মামলা শুরু হয়। এই মামলার অন্যতম নেতা ছিলন হিন্দু মহাসভার গোপাল সিং বিশারদ, দিগম্বর আখাড়ার মহন্ত এবং পরমহংস রামচন্দ্র দাস। ১৯৫৯ সালে নির্মোহি আখাড়া মসজিদের বিতর্কিত স্থানের উপর তাদের অধিকার দাবি করে আরো একটি পিটিশন দাখিল করে এবং সেই সঙ্গে তারা নিজেদেরকে রাম জন্মভূমির অভিভাবক বলে দাবি করে। ১৯৬১ সালে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড বিতর্কিত কাঠামোতে মূর্তি স্থাপনের বিরুদ্ধে পালটা একটি পিটিশন দাখিল করে এবং দাবি করে যে এর চারপাশের জমি সহ কাঠামোটি একটি কবরস্থান ছিল। পুরো জমিটাই তাঁদের। ১৯৮৩ সালে পশ্চিম উত্তর প্রদেশের একজন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শ্রী দাউ দয়াল খান্না, ওই বছরের মার্চ মাসে মুজাফফরনগরে অযোধ্যা পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করেন। নেহরুর মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শ্রী গুলজারি লাল নন্দা, তিনিও ওই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। আইন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য, সিটি ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা ১৪৫ সিআরপিসির মাধ্যমে বিতর্কিত কাঠামোটির জন্য প্রিয়া দত্ত রামকে রিসিভার হিসাবে নিযুক্ত করা হয়। ধর্মীয় আস্থা এবং বিশ্বাসের কথা মাথায় রেখে নামাজ পড়া বন্ধ করে এলাকাকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাম জন্মভূমির তালাবদ্ধ গেটের সামনে স্থানীয় মানুষ ও সাধুরা চালাতে থাকেন অখন্ড নাম সংকীর্তন।

    প্রথম ধর্মসভা এবং রাম শিলান্যাস

    ১৯৮৪ সালের এপ্রিল মাসে অযোধ্যার রাম জন্মভূমি (Ayodhya Ram Mandir) পুনরুদ্ধার বিষয়ে নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ কর্তৃক প্রথম ধর্ম সংসদ অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৮৪ সালের অক্টোবর মাসে সারা দেশে গণজাগরণের জন্য সীতামারি থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত রাম-জানকী রথযাত্রা শুরু হয়। রথযাত্রার প্রভাব এতটাই জোরাল ছিল যে হিন্দু সমাজের চাপে ফৈজাবাদ জেলা আদালত ১লা ফেব্রুয়ারী ১৯৮৬ তারিখে তালা খোলার নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, সেই সময়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেসের বীর বাহাদুর সিং এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রাজীব গান্ধি। ৯ নভেম্বর ১৯৮৯ সালে, তৎকালীন সরকারের যথাযথ অনুমতি নিয়ে বিহারের একজন তপশীলি সামজের মানুষ কামেশ্বর চৌপাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সমগ্র ভারত ও বিদেশ থেকে প্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার ইট (শ্রীরাম শিলা) ১৯৮৯ সালের অক্টোবরের শেষ নাগাদ অযোধ্যায় পৌঁছায়। আনুমানিক ৬ কোটি মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই সময় এই প্রস্তাবিত মন্দিরের জন্য একটি মন্দিরের মডেল তৈরি করেছিলেন গুজরাটের সুপরিচিত মন্দির স্থপত্য শিল্পী শ্রী চন্দ্রকান্ত সোমপুরা। ৩০ অক্টোবর ১৯৯০ সালে মন্দিরের পুনর্নির্মাণের জন্য করসেবা শুরু করার জন্য সাধুসন্তরা একটি ঘোষণা পত্র প্রকাশ করেন। এরপর এই ১৯৯০ সালেরই অক্টোবর মাসে হাজার হাজার রামভক্তরা মুলায়ম সিং যাদবের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন উত্তর প্রদেশ সরকারের দ্বারা তৈরি করা সকল বাধা অতিক্রম করে অযোধ্যায় পৌঁছান।

    কর সেবকদের উপর গুলি

    ২ নভেম্বর, ১৯৯০ সালে করসেবকদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন মুলায়ম সিং যাদব এবং অনেক করসেবক তাদের প্রাণ হারিয়েছিলেন। এরপর ব্যাপক আন্দোলনের চাপে তাঁকে ১৯৯১ সালের ৪ এপ্রিল পদত্যাগ করতে হয়েছিল। পরবর্তী নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির কল্যাণ সিং। দ্বিতীয়বার করসেবার ডাক দেওয়া হয় এবং ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর করসেবকদের আঘাতে ভেঙে পড়ে বিতর্কিত মসজিদের কাঠামো। কাঠামো ভাঙতেই দেওয়াল থেকে প্রাচীন মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) নানা তথ্য বের হয়। বিতর্কিত মসজিদ কাঠামো ভাঙার দায়ভার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীপদ থেকে পদত্যাগ করেন কল্যাণ সিং। প্রত্নতাত্ত্বিক নমুনা থেকে পুরাতন মন্দির নির্মাণের বহু প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে আরও খনন কার্য চালিয়ে ২৫০ টির বেশি হিন্দু মন্দিরের নিদর্শন তুলে ধরা হয়। এরপর এলাহাবাদ হইকোর্টে রাম লালার পূজার জন্য আবেদন করা হলে অনুমতি পাওয়া যায়। ধ্বংসের আগে যেখানে শ্রী রাম লালা বসেছিলেন, সেই জায়গায় করসেবকেরা ত্রিপল দিয়ে একটি অস্থায়ী মন্দির তৈরি করেন। এরপর সুপ্রীম কোর্টে চলে লম্বা আইনি লড়াই।

    শুরু খনন কার্য

    ১৯৯৫ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্টের দুই জন হিন্দু এবং একজন মুসলমান বিচারপতি মামলার শুনানি শুরু করেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি ডঃ শঙ্কর দয়াল শর্মা প্রশ্ন তোলেন, “বিতর্কিত শ্রী রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ নির্মাণের আগে কোনও হিন্দু মন্দির বা কোনও হিন্দু ধর্মীয় কাঠামো বিদ্যমান ছিল কি না?” এরপর রাষ্ট্রপতির উপদেশে ২০০২ সালের অগাস্ট মাসে ডিভিশন বেঞ্চ সমীক্ষার নির্দেশ দেয়। এরপর বিশেষজ্ঞরা তাঁদের প্রতিবেদনে জানান, ধ্বংস করা কাঠামোর নীচে একটি বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সুবিশাল মন্দির কাঠামোর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ২০০৩ সালে হাইকোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) কে বৈজ্ঞানিকভাবে জায়গাটি খনন করার এবং রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয়। দুই পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে খনন কাজ চালানো হয়। ৫০টি সমান দূরত্বে অনেক দেয়াল, মেঝে, দুই সারি পিলার-ভিত্তিস্তম্ভ পাওয়া যায়। একটি শিব মন্দিরের সন্ধান মেলে। এরপর ২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ তিনটি সমান পক্ষ – নির্মোহি আখড়া, শ্রীরামলালা (Ayodhya Ram Mandir) এবং উত্তর প্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের মধ্যে বিতর্কিত জায়গাটি ভাগ করার নির্দেশ দেয়। ২০১১ সালে আবার সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। ২০১৫ সালে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ রামমন্দির পুনর্গঠনের জন্য পাথর সংগ্রহের জন্য দেশব্যাপী প্রচার শুরু করে। ওই বছরের শেষের দিকে, দুই ট্রাক পাথর অযোধ্যায় এসে পৌঁছায়। 

    সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা

    অবশেষে ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্ট চূড়ান্ত রায় প্রদান করে। আদালত স্পষ্টভাবে রায় দিয়ে জানায় যে বিতর্কিত জমি রামমন্দির পুনর্গঠনের জন্য হিন্দুদের দেওয়া হবে এবং পাঁচ একর বিকল্প জমি দেওয়া হবে মুসলমানদের। ২০২০ সালে ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বরিষ্ঠ হিন্দু নেতাদের উপস্থিতিতে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমিপুজো অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বিতর্কিত মসজিদ কাঠামো ধ্বংসের মামলায় অভিযুক্ত লালকৃষ্ণ আডবানি, মুরলি মনোহর যোশী, উমা ভারতী, কল্যাণ সিং এবং অন্যান্য ২৮ জনকে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত নির্দোষ বলে মামলা থেকে মুক্ত করে। অবশেষে ২২ জানুয়ারী ২০২৪, অযোধ্যায় নবনির্মিত রামমন্দিরের গর্ভগৃহে রাম (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন স্থির হয়। শাস্ত্র মতে বিধিবিধান মেনে মন্দিরের গর্ভগৃহে রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়া এদিন যজমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাজ্যপাল আনন্দিবেন প্যাটেল, আরএসএস সর সঙ্ঘচালক মোহন রাও ভাগবত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: গর্ভগৃহের বেদিতে বসানো রামলালার মূর্তির মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুর দশাবতার

    Ram Mandir: গর্ভগৃহের বেদিতে বসানো রামলালার মূর্তির মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুর দশাবতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামলালা (Ram Mandir) হলেন ভগবানব বিষ্ণুর অবতার। তাঁর মূর্তির মধ্যে রয়েছে স্বস্তিক চিহ্ন থেকে পদ্ম, গরুড়ু চিত্রমূর্তি। মূর্তির গঠন, আকৃতি, ডিজাইনে হিন্দু দশাবতার এবং সনাতন ধর্মের তাৎপর্যপূর্ণ প্রতীকগুলিকে চিত্রিত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার কৃষ্ণশিলায় নির্মিত এই রামলালার মূর্তিটিকে মন্দিরের গর্ভগৃহের মূলবেদিতে স্থাপন করা হয়েছে। এরপর করা হয়েছে বিধি নিয়মের পূজাচার। একটি হলুদ কাপড়ের আবরণে রামালালার মূর্তি আবৃত করে রাখা হয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাম ভক্তদের মধ্যে এখন এই মূর্তিকে ঘিরে তীব্র উচ্ছ্বাস।

    কেমন দেখতে মূর্তি (Ram Mandir)?

    রামলালার (Ram Mandir) এই মূর্তির দৈর্ঘ্য ৪.২৪ ফুট এবং প্রস্থ ৩ ফুট। মূর্তির মধ্যে রয়েছে ভগবান বিষ্ণুর ১০ অবতারের ছোট খোদাই। রামলালার মূর্তির ডান দিকে উপর থেকে নিচে রয়েছে মৎস, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামনের চিত্রমূর্তি। আবার ডান দিকে উপর থেকে পরপর নিচে রয়েছে পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, কল্কির মূর্তি। মূল মূর্তির একদম উপরে রয়েছে স্বস্তিক চিহ্ন, রয়েছে ওম, চক্র, গদা, শঙ্খ। এর ঠিক নিচে রয়েছে সূর্য নারায়ণের চিত্র। একই ভাবে মূর্তির ডান দিকে একেবারে নিচে রয়েছে রাম ভক্ত হনুমানের চিত্র এবং বাঁ দিকে নিচে রয়েছে আরেক রাম ভক্ত গরুড় মূর্তি। এই দুই মূর্তির চিত্র রামলালার পাদদেশের সঙ্গে মিশে রয়েছে। এই মূর্তির ওজন ২০০ কেজি। মূর্তিটিতে রাম লালার পাঁচ বছরের রূপটিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রামলালার চেহারার মধ্যে শিশু সুলভ সারল্যের ভাব বর্তমান রয়েছে।

    মূর্তিটি কৃষ্ণশিলায় নির্মিত

    প্রভু রামলালার (Ram Mandie) এই মূর্তিটি কৃষ্ণশিলা থেকে খোদাই করে রামলালার অবয়ব তৈরি করা হয়েছে। মেঙ্গালুরুর কাছেই কারকালা শহরে পাওয়া যায় এই মূর্তির শিলা। কর্ণাটকের ভাস্কর অরুণ যোগীরাজ হলেন মূর্তির শিল্পী। জানা গিয়েছে, যোগীরাজের পরিবার পাঁচ পুরুষ ধরে মূর্তি নির্মাণের কাজ করছেন। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বৈদিক ব্রাহ্মণ এবং আচার্যদের দ্বারা মূর্তি স্থাপনার পর বিশেষ ভাবে পুজো অর্চনা করা হয় গত বৃহস্পতিবার। কেদারনাথে শঙ্করাচার্যের যে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে তা তাঁরই তৈরি করা মূর্তি। একই ভাবে দিল্লির ইন্ডিয়া গেটে স্থাপন করা সুভাষ চন্দ্র বসুর বিখ্যাত মূর্তিও যোগীরাজ তৈরি করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর আরও ৪০ দিন চলবে অনুষ্ঠান, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    Ayodhya Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর আরও ৪০ দিন চলবে অনুষ্ঠান, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) শুভ উদ্বোধন হবে। তাই এখন থেকেই রামনগরী সেজে উঠেছে। সেই সঙ্গে হবে মন্দিরে ভগবান শ্রী রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা। এরপর প্রায় দেড় মাস ধরে চলবে ‘মণ্ডলোৎসব’। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এমনটাই জানা গিয়েছে। অবশ্য ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রায় পাঁচশো বছর ধরে চলে আসা রামমন্দির আন্দোলনের ফল স্বরূপ প্রভু রামের মন্দির যে ব্যাপক মাত্রা পেতে চলেছে, সেই বিষয়ে অনেকেই অনুমান করছেন। এই রাম মন্দির নির্মাণের বিষয়কে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিজেপি, বিশ্বহিন্দু পরিষদ সহ সমগ্র সঙ্ঘ পরিবার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    মন্দির কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্দিরের জন্য ৪০ দিনের একটি বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বর মাসের শুরুতেই ‘শ্রীরাম সেবা’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হবে। তার মাধ্যমে মন্দিরে রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন ভক্তরা। এক্ষেত্রে সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত, গো-সেবা, দুঃস্থ শিশুদের শিক্ষা, অন্নবিতরণের সঙ্গে যুক্ত এবং বয়স্ক মানুষেরা অংশ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। তবে আবেদনকারীদের আবেদনে শংসাপত্রের কথা উল্লেখ করতে হবে।

    প্রত্যন্ত এলাকায় চলছে অনুষ্ঠান

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্য জগদগুরু বিশ্বেশ প্রসন্ন তীর্থ বলেছেন, “অনুষ্ঠান ২৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।” রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) ঐতিহাসিক আন্দোলন, সাফল্যকে নিয়ে দেশব্যাপী সঙ্ঘ পরিবার একেবারে প্রান্তিক প্রত্যন্ত এলাকা থেকে নানান কর্মসূচি পালন শুরু করছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে প্রভাত ফেরি, রাম কথার ঐতিহাসিক মাহাত্ম্য প্রচার এবং বক্তৃতা সভা। অবশ্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে রাম মন্দির নির্মাণের ব্যাপকতা আগামী লোকসভার ভোটে বিজেপিকে আরও সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে। 

    অভিষেকের পর হবে দীপ উৎসব

    রামমন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) ভগবান রামচন্দ্রের মণ্ডলোৎসবের শেষ পাঁচ দিনে এক হাজার রুপোর কলস দিয়ে প্রভু শ্রীরামের অভিষেক করা হবে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ঘরে ঘরে পাঠ করা হবে রাম কথা বিষয়ক গ্রন্থ। রামচরিতমানস, হনুমান চল্লিশা, রামায়ণ পাঠের কথা বলা হয়েছে। সন্ধ্যায় থেকেই প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে দীপ উৎসব পালন করে শঙ্খ, ঘণ্টা বাজানো হবে।

    পূজারি পদের বিজ্ঞাপন জারি হয়েছে

    মান্দির কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গিয়েছে, রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনের পর নিত্য পুজোর জন্য পূজারি নিয়োগ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পূজারি পদের নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আবেদনে এখনও পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার আবেদন পত্র জমা পড়ছে। ইতিমধ্যে সেখান থেকে ২০০ এবং তার থেকে ২০ জন পূজারিকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ছয় মাস প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর তাঁদেরকে মন্দিরের নিত্যপুজো এবং নিত্যসেবার কাজে লাগানো হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: রামনবমীতে রেকর্ড ভিড়ের প্রত্যাশা, গুচ্ছ নিয়ম লাগু রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের

    Ram Temple: রামনবমীতে রেকর্ড ভিড়ের প্রত্যাশা, গুচ্ছ নিয়ম লাগু রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় রামনবমী। তার আগেই অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তের ঢল। রামজন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (মন্দিরের দায়িত্বে রয়েছে এই ট্রাস্টই) জানিয়েছে, প্রতিদিন এক থেকে দেড় লক্ষ মানুষ অযোধ্যায় আসছেন রাম মন্দির (Ram Temple) দর্শনে। রামনবমীতে সেই ভিড় ছাপিয়ে যাবে বলে ধারণা মন্দির কর্তৃপক্ষের। ফলে, আগাম কিছু নিয়ম লাগু করা হয়েছে রাম মন্দিরে। 

    ভিড় বাড়বে রামনবমীতে

    এপ্রিল মাসের ১৭ তারিখে রামনবমী। তাই এপ্রিল শুরু হলেই ভক্ত সংখ্যা বেড়ে ফি-দিন দু’লক্ষ বা তার বেশি হয়ে যাবে। ভক্তের ভিড় সামলাতে বেশ কিছু নিয়ম চালু করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। এগুলি হল, দেব দর্শন করা যাবে সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে রাত সাড়ে ন’টা পর্যন্ত। মন্দিরে ঢোকার আগে ভক্তদের জুতো, মোবাইল ফোন, পার্স বাইরে রেখে আসতে হবে। ফুল-মালা কিংবা প্রসাদ নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না। বিগ্রহের শৃঙ্গার আরতি হবে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে। শয়ন আরতি রাত ১০টায়।

    জারি গুচ্ছ নিয়ম

    শৃঙ্গার আরতি দেখতে হলে সংগ্রহ করতে হবে এন্ট্রি পাস। অন্য আরতি (Ram Temple) দেখার জন্য কোনও পাস লাগবে না। ট্রাস্টের ওয়েবসাইট থেকে এন্ট্রি পাস সংগ্রহ করতে হবে। এই পাসের জন্য প্রয়োজন হবে নাম, মোবাইল নম্বর ও আধারকার্ড। দেব দর্শন করতে হবে লাইন দিয়ে। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে কেউ আগেভাগে দর্শন করতে পারবেন না। দেব দর্শন করতে হবে ৬০ থেকে ৭৫ মিনিটের মধ্যে। শারীরিকভাবে অসুস্থরা হুইল চেয়ারে বসে বিগ্রহ দর্শন করতে পারবেন।

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনই বিগ্রহে প্রাণপ্রতিষ্ঠাও করা হয়। তার পরের দিন থেকেই আমজনতার জন্য খুলে দেওয়া হয় মন্দিরের দ্বার। সেদিন থেকেই মন্দির প্রাঙ্গনে তিল ধারণের জায়গা নেই।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আমি ইস্তফা দেব, আপনি দেবেন তো?’’ সিএএ ইস্যুতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    এদিকে, ভিড়ের কারণে যাঁরা অযোধ্যায় গিয়ে বালক রামের দর্শন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য সুখবর শুনিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, দূরদর্শনে অযোধ্যার রাম মন্দিরের আরতি লাইভ সম্প্রচার করা হবে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে আধঘণ্টা ধরে দেখানো হবে ওই আরতি। রামনবমীর দিন থেকেই দূরদর্শনে লাইভ সম্প্রচার শুরু হবে আরতির। তাই অযোধ্যায় সশরীরে না গিয়েও রামলালার শৃঙ্গার আরতি ঘরে বসেই দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা (Ram Temple)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share