Tag: Ramnath Kovind

Ramnath Kovind

  • One Nation One Election: চালু হচ্ছে ‘এক দেশ এক ভোট’! রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট কোবিন্দ কমিটির

    One Nation One Election: চালু হচ্ছে ‘এক দেশ এক ভোট’! রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট কোবিন্দ কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে চালু হয়ে যাচ্ছে এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election)! বৃহস্পতিবারই এ সংক্রান্ত রিপোর্টটি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে তুলে দেন মোদি সরকারের গড়া কমিটির প্রধান তথা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির হাতে ওই রিপোর্ট তুলে দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়া প্রাক্তন সাংসদ গুলাম নবি আজাদ।

    এক দেশ, এক নির্বাচন’

    লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই সব রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও সেরে ফেলতে চায় মোদি সরকার। তাদের যুক্তি, এতে নির্বাচনী ব্যয় কমবে। একটি ভোটার তালিকায়ই দুটি নির্বাচন হওয়ায় কাজের চাপ কমবে সরকারি কর্মীদের। বিভিন্ন সময় বিধানসভা নির্বাচন হওয়ায় লাগু হয়ে যায় আদর্শ আচরণ বিধি। তার জেরে উন্নয়ন যায় থমকে। লোকসভার সঙ্গে বিধানসভাগুলিরও নির্বাচন (One Nation One Election) হলে, উন্নয়নের চাকা গড়াবে তরতরিয়ে। মোদি সরকারের এই ভাবনাকে নীতিগতভাবে সমর্থন জানিয়েছে নীতি আয়োগ, আইন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশনও। নির্বাচনী খরচ বাঁচাতে ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র তত্ত্বের জয়গান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী বলছে কেন্দ্র?

    প্রধানমন্ত্রীর ভাবনাকে বাস্তবে রূপদান করতে গত বছর ১ সেপ্টেম্বর প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটি গড়ে মোদি সরকার। এদিন ১৮ হাজার পাতার সেই রিপোর্টটিই রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, ঐক্যমত্যের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হয়েছে সুপারিশগুলি। ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র স্বপক্ষে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল রাজ্যসভায় বলেছিলেন, “এর ফলে যে বিপুল পরিমাণ অর্থের সাশ্রয় হবে, তা রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের প্রচারে ব্যয় হতে পারে। এই নীতি কার্যকর হলে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের গতিও বাড়বে।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বারাকপুরের “বেতাজ বাদশা” অর্জুন সিং

    জানা গিয়েছে, এদিন যে রিপোর্টটি পেশ করা হয়েছে, তাতে কমিটি সর্বসম্মতভাবে গোটা দেশে এক সঙ্গে সব নির্বাচন করানোর পক্ষে সায় দিয়েছে। প্রথম ধাপে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে রাজ্যের বিধানসভাগুলির নির্বাচন সেরে ফেলা হবে। পরবর্তী একশো দিনের মধ্যে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত স্তরের স্থানীয় নির্বাচনও সেরে ফেলার সুপারিশ করা হয়েছে রিপোর্টে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, এক সঙ্গে সব নির্বাচন করানো গেলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়ও যেমন রদবদল ঘটবে, তেমনি পরিবর্তন ঘটবে শাসনকার্যেও। রাজ্য নির্বাচন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জাতীয় নির্বাচন কমিটিকে দেশের সব নাগরিকের জন্য একটি মাত্র ইলেক্টোরাল রোল ও ভোটার কার্ড তৈরি করতে পারে (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Ramnath Kovind: পাঁচ বছরের মেয়াদে রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ আটকে দিয়েছেন রাজ্যের ৩ বিল, স্বাক্ষর করেছেন ১৫৯টিতে

    Ramnath Kovind: পাঁচ বছরের মেয়াদে রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ আটকে দিয়েছেন রাজ্যের ৩ বিল, স্বাক্ষর করেছেন ১৫৯টিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র পাঁচ বছরের কার্যকাল। সেই মেয়াদ শেষ হতে বাকি হাতে গোণা কয়েকটা দিন। এই পাঁচ বছরে রাষ্ট্রপতি (President) হিসেবে কী করলেন রামনাথ কোবিন্দ (Ramnath Kovind)? নয়া রাষ্ট্রপতি শপথ নিলেই অবসরে চলে যাবেন কোবিন্দ। শুরু অখণ্ড অবসর। এবার নিজের মতো করে সময় কাটাবেন তিনি। আসুন জেনে নেওয়া যাক, গত পাঁচ বছরে কী কাজ করলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।  

    ভারতের রাষ্ট্রপতি পদটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো নয়। মার্কিন মুলুকে প্রেসিডেন্টই সব। আর ভারতে (India) রাষ্ট্রপতি পদটি আলঙ্কারিক। ব্রিটেনের মতো এখানেও প্রধানমন্ত্রীই সব। তবে আলঙ্কারিক হলেও ভারতে রাষ্ট্রপতির হাতে বেশ কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সে যাই হোক, গত পাঁচ বছর ধরে এই পদে ছিলেন রামনাথ কোবিন্দ। এই পাঁচ বছরে তিনি স্বাক্ষর করেছেন ১৫৯টি বিলে। নিয়ম অনুযায়ী, কোনও একটি বিল সংসদের উভয় কক্ষে পাশ হওয়ার পর সম্মতির জন্য যায় রাষ্ট্রপতির কাছে। রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলেই বিলটি আর বিল থাকে না, পরিণত হয় আইনে। তাঁর কার্যকালে রামনাথ কোবিন্দ স্বাক্ষর করেছেন ১৫৯টি বিলে। এগুলির মধ্যে রয়েছে গুজরাট কন্ট্রোল অফ টেটরিজম অ্যান্ড অর্গানাইজড ক্রাইম বিল ২০১৫।  

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীকে সমর্থন করে বিজেপিকে বার্তা উদ্ধব ঠাকরের?

    এই পাঁচ বছরের মেয়াদের কোবিন্দ আটকে দিয়েছেন তিনটি স্টেট বিলও। এর মধ্যে দুটি বাংলার। এদের একটি হল, জেসপ অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড (অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ট্রান্সফার অফ আন্ডারটেকিং বিল ২০১৬) এবং ডানলপ ইন্ডিয়া লিমিটেড(অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ট্রান্সফার অফ আন্ডারটেকিং বিল ২০১৬)। বিল দুটিতে স্বাক্ষর করেননি রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির সম্মতি মেলেনি তামিলনাড়ুর এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্স বিল ২০১৭-ও।

    আরও পড়ুন : দার্জিলিংয়ে হঠাৎ বৈঠকে মমতা-হিমন্ত! বিষয় কি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

    নিয়ম অনুযায়ী, কোনও একটি বিল রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্যপালের সম্মতির জন্য সেটি পাঠানো হয় রাজভবনে। রাজ্যপাল বিলটি আটকে রাখতে পারেন অথবা রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য বিলটি তিনি পাঠাতে পারেন রাষ্ট্রপতি ভবনে। বাংলার দুটি এবং তামিলনাড়ুর একটি বিলের ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছিল। তিনটি বিলেই রাষ্ট্রপতির সম্মতি মেলেনি। কোবিন্দের হাতে শেষ যে বিলটি পাশ হয়েছে, সেটি হল ক্রিমিনাল ল’(মধ্যপ্রদেশ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল) ২০১৯। তাঁর আমলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিলও আইনে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ইউপি’জ মিনিমাম ওয়েজেস(অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০১৭। এই আইনের মাধ্যমে ব্যাংকের মাধ্যমে মজুরি পাবেন উত্তর প্রদেশের শ্রমিকরা।

     

  • Modi meets Droupadi Murmu: ভারতের উন্নয়ন সম্পর্কে দ্রৌপদীর উপলব্ধি অসাধারণ: মোদি 

    Modi meets Droupadi Murmu: ভারতের উন্নয়ন সম্পর্কে দ্রৌপদীর উপলব্ধি অসাধারণ: মোদি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি (NDA) পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে গতকাল দিল্লিতে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। আজ, শুক্রবার নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এবং বিজেপি ও এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। দিল্লিতে বৈঠকের পর রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর ভূয়সী প্রশংসা করেন মোদি। তিনি বলেন, স্থল সমস্যা এবং ভারতের উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে দ্রৌপদীর উপলব্ধি অসাধারণ।

    আরও পড়ুন: রাজনৈতিক থেকে প্রশাসনিক— একনজরে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর জীবন  

    ট্যুইটারে দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি শেয়ার করে মোদি লেখেন, “দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা হল। এনডিএ- র দ্রৌপদী মুর্মুকে দেশের রাষ্ট্রপতির প্রার্থী করার সিদ্ধান্তে খুশি গোটা দেশ। স্থল সমস্যা এবং ভারতের উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে দ্রৌপদীর উপলব্ধি অসাধারণ।”   

    [tw]


    [/tw]

    আগামী ১৮ জুলাই দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তাতে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছেন দ্রৌপদী মুর্মু এবং যশবন্ত সিনহা। ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি পদে মেয়াদ শেষ হচ্ছে বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের (Ramnath Kovind)। তার আগে, ২১ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগণনা সম্পন্ন হবে। তবে রাইসিনা হিল দখলের লড়াইয়ে কে শেষ হাসিটি হাসে তাই এখন দেখার অপেক্ষা। দ্রৌপদী মুর্মুর নাম প্রস্তাব করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: “ওনাকে সম্মান করি, তবে…”, দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কী বললেন প্রতিদ্বন্দ্বী যশবন্ত? 

    ওড়িশার রাইরাংপুরের প্রথম কাউন্সিলর ছিলেন দ্রৌপদী। তিনি ঝাড়খণ্ডের নবম রাজ্যপালের দায়িত্বও সামলেছেন। তিনিই ঝাড়খণ্ডের প্রথম রাজ্যপাল যিনি তাঁর কার্যকালীন মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে পেরেছিলেন। এছাড়াও ২০০০ এবং ২০০৪ সালে তিনি বিজেডি এবং বিজেপির জোট সরকারে পরিবহণ, পশুপালন এবং মৎস্য দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন। রাইসিনা দখলের পথে তিনি যশবন্ত সিনহার থেকে অনেকটাই এগিয়ে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।  

    দ্রৌপদী মুর্মু ইতিহাস তৈরি করতে চলেছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হলে, আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে তিনিই প্রথম ভারতের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসবেন। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি মনোনয়নে প্রস্তাবক বা সমর্থক হিসাবে অনেক আদিবাসী সাংসদ ও বিধায়ককে দিয়ে সই করানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার তিন জন। ঝাড়গ্রামের সাংসদ কুনার হেমব্রম, মালদহের হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনের বিধায়ক বুধুরাই টুডু। 

     

  • Presidential Election 2022:  জয় নিশ্চিত দ্রৌপদী মুর্মুর! প্রথম রাউন্ডের শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

    Presidential Election 2022: জয় নিশ্চিত দ্রৌপদী মুর্মুর! প্রথম রাউন্ডের শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী  বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহার থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেলেন এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)।  বলা যেতে পারে, এই লড়াইয়ে দ্রৌপদীর জয় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। কিছুক্ষণ আগেই, প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষ হয়েছে। আর তাতেই যশবন্তের চেয়ে বিপুল ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন দ্রৌপদী।

    প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দ্রৌপদী মুর্মুকে ৫৪০ জন সাংসদ ভোট দিয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর প্রাপ্ত ভোটের ভ্যালু ৩,৭৮,০০০। যশবন্ত সিনহাকে ২০৮ জন সাংসদ ভোট দিয়েছেন। যশবন্ত সিনহা প্রাপ্ত ভোটের ভ্যালু ১,৪৫,৬০০। ১৫টি ভোট অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। দ্রৌপদী মুর্মু ৭২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।  ফলে বলা যেতেই পারে, সম্ভবত বিপুল সমর্থন নিয়েই দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে দ্রৌপদী মুর্মুর জয় কার্যত নিশ্চিত। সেক্ষেত্রে দেশের দ্বিতীয় মহিলা এবং প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি হিসেবে এই পদে বসবেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল উদাহরণ দ্রৌপদী, বলছে ওড়িশার রায়রংপুর

    ওড়িশার অতি সাধারণ ঘর থেকে আসা একটি আদিবাসী পরিবারের মেয়ে তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা ও কষ্টের শিকার হয়েছেন দ্রৌপদী। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী, দুই ছেলে, মা ও ভাই। ২০০৯ সালে, রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে দ্রৌপদী মুর্মুর এক ছেলের। দ্রৌপদীর স্বামী শ্যাম চরাম মুর্মু ২০১৪ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২০১২ সালে এক পথ দুর্ঘটনায় নিজের দ্বিতীয় পুত্রকেও হারান তিনি। দ্রৌপদী মুর্মুর কন্যা ইতিশ্রী মুর্মু একটি ব্যাঙ্কে কাজ করেন।

    ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার সাঁওতাল সম্প্রদায়ের একটি দরিদ্র আদিবাসী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করার আগে দ্রৌপদী মুর্মু ওড়িশার রায়রংপুরে শ্রী অরবিন্দ ইন্টিগ্রাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে শিক্ষকতা করতেন। এখনও পর্যন্ত দেশে কোনও আদিবাসী মহিলা প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হননি। যদিও কেআর নারায়ণন ও রামনাথ কোবিন্দের রূপে দেশ পেয়েছিল ২ জন দলিত রাষ্ট্রপতি।

    আরও পড়ুন: ঘরের মেয়ে হতে চলেছেন রাষ্ট্রপতি, উৎসবের মেজাজ দ্রৌপদীর গাঁয়ে

  • Delhi Fire Tragedy: দিল্লিতে বিধ্বংসী আগুনে মৃত ২৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    Delhi Fire Tragedy: দিল্লিতে বিধ্বংসী আগুনে মৃত ২৭, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) বহুতলে বিধ্বংসী আগুন। ঘটনায় ঝলসে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে গুরুতরভাবে আহত (Injured) আরও ১২ জন। এখনও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করছে দমকল বিভাগ। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দমকলের ২৪টি ইঞ্জিন কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
      
    মুন্ডকা মেট্রো স্টেশনের (Mundka Metro Station) বাইরে একটি বানিজ্যিক ভবনের একতলায় একটি সিসিটিভি প্রস্তুতকারী সংস্থার অফিসে গতকাল বিকেল ৪:৪০ মিনিটে আগুন লাগে। দ্রুত সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে খবর। দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই বাণিজ্যিক ভবনটিতে বেশ কয়েকটি সংস্থার অফিস রয়েছে। বিল্ডিংয়ের দোতলায় থেকে আগুন লাগে। একটি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং রাউটার প্রস্তুতকারী সংস্থার একটি অফিস থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।”

    পুলিশ আরও জানিয়েছে, বহুতলটিতে সিসিটিভি, ওয়াইফাই রাউটার এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরি করা হয়। দমকল আধিকারিকদের অনুমান, একতলায় যেখানে জেনারেটর রাখা হয়েছিল, সেখান থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে। পরে প্রথম তলা থেকে আগুন দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেখানেই বহু মানুষ আটকে পড়েছিলেন। 

    [tw]


    [/tw]

    ওই বহুতলটি দ্রুত আগুনের গ্রাসে চলে আসে। ওপরের তলায় থাকা মানুষজন আটকে পড়েন। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে তিনতলা থেকে নীচে ঝাঁপ দেন। এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বহুতলের মালিককে আটক করেছে পুলিশ।    

    শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi), দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Kejriwal) বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “দিল্লিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। আহতের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।”  

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রী অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।  ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও। মৃতদের নিকটাত্মীয়কে ১০ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন তিনি। 

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ট্যুইটে লেখেন, ”এই মর্মান্তিক ঘটনার কথা জেনে শোকাহত ও ব্যথিত। আমি প্রতিনিয়ত আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমাদের দুঃসাহসিক দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এবং জীবন বাঁচাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। ঈশ্বর সবার মঙ্গল করুন।”  

    [tw]


    [/tw]

    শনিবার, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সঙ্গে ছিলেন, উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ও মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের পর কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে।

    রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (Ram Nath Kovind) শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, “দিল্লির অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুঃখিত। শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে সমবেদনা জানাই। আহতদের আরোগ্য কামনা করি।” 

    [tw]


    [/tw]

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata)। তিনি লেখেন, “দিল্লি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিপুল সংখ্যক হতাহতের খবরে শোকস্তব্ধ। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।” 

    [tw]


    [/tw]

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় আহতদের সকলকে স্থানীয় সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।  ঘটনার পর থেকে ৬০ থেকে ৭০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। 

    এক নেটিজেন ট্যুইটারে এই ভিডিওটি পোস্ট করেন। 

    [tw]


    [/tw]

     

  • Modi in UP: “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    Modi in UP: “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলনে (3rd Uttar Pradesh Investors Summit) যোগ দেন তিনি। শিলান্যাস করলেন একাধিক প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ ১,৪০৬ টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মোদি। যাতে বরাদ্দ প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা।
     
    প্রকল্পগুলি মূলত কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, উৎপাদন, পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি, ওষুধ, পর্যটন, প্রতিরক্ষা, বিমান পরিবহণ, তাঁত এবং বস্ত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলন প্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৮ সালের ২১-২২ ফেব্রুয়ারি। ওই বছরই ২৯ জুলাই ৬১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন হয় ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই। সেবছর ৬৭,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৯০টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। এবছর এক লাফে বিনিয়োগ বেড়ে ৮০,০০০ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    এদিন সকালে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ একটি ট্যুইটে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীর অভিভাবকত্বে নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্যে নতুন রূপে উত্তরপ্রদেশ। দেশে বিনিয়োগের সবচেয়ে ভালো ঠিকানা উত্তরপ্রদেশ। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের উন্মাদনা তারই প্রমাণ। নতুন উত্তরপ্রদেশকে এক নতুন উড়ান দেবে এই অনুষ্ঠান।” 

    [tw]


    [/tw]

    এদিন ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের তাবড় তাবড় শিল্পপতিরা। তালিকায় রয়েছে গৌতম আদানি, কুমার মঙ্গলম বিড়লা, সজ্জন জিন্দাল, মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানির মতো বড় বড় নাম।  উত্তরপ্রদেশে ৭০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার ঘোষণা করেছে আদানি গ্রুপ। 

    আরও পড়ুন: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলনে মোদি এদিন বলেন, “আমরা একসঙ্গে কাজ করে দেশকে শক্তিশালী করতে চাই। এক দেশ- এক কর, এক দেশ- এক বিদ্যুৎ শক্তি, এক দেশ- এক মোবিলিটি কার্ড, এক দেশ- এক রেশন কার্ড। এই সব কিছুই আমাদের স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন।” 

    নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, “রাজ্যের দ্রুত উন্নতির জন্যে যৌথভাবে কাজ করছে ‘ডবল-ইঞ্জিন সরকার’। এই বছরের বাজেটে এই রাজ্যে ৭.৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। গ্লোবাল রিটেল ইনডেক্সের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশে কর্মসংস্থান আরও বাড়বে।” 

    [tw]


    [/tw]

    ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠান শেষে দুপুর ১.৪৫ নাগাদ প্রধানমন্ত্রী কানপুরের পারাউঙ্খ গ্রামে যান। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (Ramnath Kovind) এবং প্রধানমন্ত্রী সেখানে একসঙ্গে পাথরি মাতা মন্দির দর্শন করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টোয় ডঃ বি আর আম্বেদকর ভবন যান। সেখান থেকে ২.১৫ মিনিট নাগাদ যান মিলন কেন্দ্রে। মিলন কেন্দ্র হল, জনসাধারণের জন্য দান করা রাষ্ট্রপতির পূর্বপুরুষের একটি বাড়ি। এখন সেই বাড়িকে একটি সামাজিক কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এরপর ২.৩০ নাগাদ তাঁরা পারাউঙ্খ গ্রামে একটি জনসভায় যোগ দেন। 

        

LinkedIn
Share