Tag: ranaghat

ranaghat

  • Jagannath Sarkar: ‘রাজ্যের জন্য থমকে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ”, বললেন জগন্নাথ সরকার

    Jagannath Sarkar: ‘রাজ্যের জন্য থমকে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ”, বললেন জগন্নাথ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করলেই নদিয়ার  কৃষ্ণনগর- করিমপুর এবং কৃষ্ণনগর- নবদ্বীপ ঘাট রেল পরিষেবার জন্য রেল  লাইন বসানোর দ্রুতগতিতে শুরু হবে। এই প্রকল্পের জন্য রেলের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ মজুত রয়েছে। মঙ্গলবার রানাঘাট স্টেশনে এক ‘স্টেশন এক পণ্য’ স্টল উদ্বোধন করতে এসে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)।

    এক স্টেশন এক পণ্য প্রকল্প চালু

     রেল দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রেল দফতর তরফে গোটা দেশজুড়ে প্রতিটি স্টেশনে শুরু হতে চলেছে ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ । সেখান থেকে যাবতীয় সুবিধা পাবে নিত্যযাত্রীরা। শুধু তাই নয় শারীরিক সমস্যা দেখা গেলে জরুরি পরিস্থিতিতে যে সমস্ত ওষুধের প্রয়োজন সেগুলো সেই স্থল থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন যাত্রীরা। গোটা দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। এদিন নদিয়ার রানাঘাট স্টেশনে সেই স্টল এবং ঠান্ডা পানীয় জলের কল উদ্বোধন করলেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)। উপস্থিত ছিলেন রানাঘাটের বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায় সহ রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে জগন্নাথ সরকার ওই স্টল থেকে যাত্রীদের আরো উৎসাহ বাড়াতে নিজেই দুটি তাঁতের শাড়ি সংগ্রহ করেন। এরপরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি যাত্রীরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি যারা স্টল খুলবেন তারাও উপকৃত হবেন।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি

    রাজ্য সরকারের জন্য ঝুলে রয়েছে করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ (Jagannath Sarkar)

    কৃষ্ণনগর থেকে করিমপুর রেল পরিষেবা চালু করা প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar) বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে দিল্লিতে বসে রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। করিমপুর পর্যন্ত যে রেললাইন চালু করার কথা তার অনুমোদন হয়ে আছে। রাজ্য সরকার যদি জমি অধিগ্রহণ করে দেয় তাহলে দ্রুতগতিতে কাজ শুরু হবে। ফলে, জমি জটের কারণে এই প্রকল্পের কাজ করা যাচ্ছে না। রেল দফতর সবরকমভাবে প্রস্তুত রয়েছে। আসলে রাজ্য সরকারের জন্য থমকে রয়েছে কৃষ্ণনগর- করিমপুর রেল প্রকল্পের কাজ। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, এই জমি জটের কারণেই নবদ্বীপ ঘাট পর্যন্ত এখনও রেল পরিষেবা চালু করা গেল না। তবে, রাজ্য সরকারের সহযোগিতা পেলেই রেল দফতর কাজ শুরু করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA:“সিএএ আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, তোপ দাগলেন রানাঘাটের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ

    CAA:“সিএএ আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, তোপ দাগলেন রানাঘাটের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদে ২০১৯ সালে আমি প্রথম উদ্বাস্তু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দেবার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি খুব খুশি যে আজ সিএএ লাগু হয়েছে। সিএএ (CAA) আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কার্যকর করার নির্দেশ জারি করতেই ঠিক এই ভাবে প্রতিক্রিয়া দিলেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। সেই সঙ্গে নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরেই আবির খেলায় মেতে উঠলেন সাংসদ সহ বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

    ২০১৯ সালে পাশ হয়েছিল সিএএ আইন (CAA)

    কয়েক দশক ধরেই নাগরিকত্ব নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে তরজা চলছিল। গত ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদি সরকার সংসদে এই সিএএ (CAA) বিল পাশ করায়। এরপর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে দেশের আইনে পরিণত হয়। এরপর গতকাল কার্যকর করার নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র সরকার। যদিও নির্দেশিকা জারি হতেই বিরোধিতা করতে দেখা গেল রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। তবে এদিন সুবিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে আবির খেললেন রানাঘাটের সংসদ তথা এবারে লোকসভার প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, “এর আগে যখন সিএএ বিল পাস হয়, তখন কেন্দ্র সরকারের সংস্থাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন রেল স্টেশন ভাঙচুর করা হয়েছিল, এমনকী ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন যারা পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করে এসেছে, তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-বিদ্রোহ করে সিএএ আইনকে কীভাবে বাতিল করা যায়। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি। তখনও আমি বলেছিলাম মমতার ক্ষমতা নেই ট্রেনে আগুন জ্বালিয়ে এই আইন বন্ধ করার। আমি কেন্দ্র সরকারকে স্বাগত জানাচ্ছি। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে এদেশে বসবাস করছেন এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ, তাঁরা প্রত্যেকেই নাগরিকত্ব পাবেন, তার গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি।”

    আর উদ্বাস্তু হয়ে থাকতে হবে না

    নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “সিএএ চালু হওয়ায় হিন্দু বাঙালিদের আর উদ্বাস্তু হয়ে থাকতে হবে না। এই আইন চালু হওয়ায় আমরা সকলেই খুশি। এর আগেও কংগ্রেস কেন্দ্র সরকারে থাকাকালীন বহুবার আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু কার্যকর কিছুই হয়নি। বিজেপি কথা দিয়েছিল, সেই কথা রেখেছে। আজ থেকেই সকলে নাগরিকত্ব পেতে চলেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না”, মুকুটমণি প্রার্থী হতেই তোপ জগন্নাথের

    Ranaghat: “গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না”, মুকুটমণি প্রার্থী হতেই তোপ জগন্নাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বড় ব্যবধানে জিতবো। তৃণমূল এই গদ্দার মুকুটমণি অধিকারীকে কেউ বিশ্বাস করবে না। তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার পর কড়া আক্রমণ করলেন রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, ভোটে আরও ভালো ফলাফল হবে। সাধারণ মানুষের কোনও উপকার করেনি মুকুটমণি। তাই এবার ওই এলাকার বিজেপি কর্মীরা আরও ভালোভাবে নির্বাচনে লড়াই করতে পারবে।

    তৃণমূল ডুবন্ত নৌকা (Ranaghat)

    ব্রিগেডের জনগর্জন সভা থেকে রাজ্যের ৪২ টি আসনে লোকসভা প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। একের পর এক চমকও রয়েছে সেই প্রার্থী তালিকায়। তবে, রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রে সদ্য বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করা এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীকে প্রার্থী নির্বাচিত করল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও তার  সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপির রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ  জগন্নাথ সরকার। সুতরাং,এবছর ভোটের লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তার কারণ মুকুটমণি অধিকারী এবং জগন্নাথ সরকারকে নিয়ে বিজেপির দ্বন্দ্ব এর আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। তারপরেই মুকুটের দলবদল এবং রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে তার প্রার্থী হওয়ার কারণ। জগন্নাথ বলেন, তৃণমূল দল এখন ডুবন্ত নৌকা। এখানে সবাই চোর। যারা আদর্শ বিজেপি কর্মী তারা কখনও বিজেপি ছেড়ে অন্য দলে যোগদান করে না। তাঁর মস্তিষ্ক সুস্থ রয়েছে বলে আমার মনে হয় না। তবে, এর প্রভাব লোকসভা ভোটে পড়বে না।

    গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না

    তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী  মুকুটমণি অধিকারীকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, অন্য কেউ ভোটে দাঁড়ালে হয়তো জয়ের ব্যবধানটা এক লক্ষ হত। তবে, মুকুট ভোটে দাঁড়ানোর কারণে ব্যবধানটা দু লক্ষ পেরিয়ে যাবে। কারণ, তৃণমূল এই গদ্দার মুকুটমণি অধিকারীকে কেউ বিশ্বাস করবে না। আর সাধারণ মানুষ তৃণমূলের দুর্নীতি এবং তাদের হিংস্রতা চোখের সামনে দেখেছে। শুধু তাই নয় মুকুটমণি অধিকারীকে অনভিজ্ঞ, অপরিণত,লোভী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও অভিহিত করেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ‘তালিবানি কায়দায় তৃণমূল সন্দেশখালিতে সন্ত্রাস চালিয়েছে’, বিস্ফোরক মুক্তার আব্বাস নাগভি

    Nadia: ‘তালিবানি কায়দায় তৃণমূল সন্দেশখালিতে সন্ত্রাস চালিয়েছে’, বিস্ফোরক মুক্তার আব্বাস নাগভি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তালিবানি কায়দায় তৃণমূল সন্দেশখালিতে সন্ত্রাস চালিয়েছে। যারা সন্ত্রাস চালিয়েছে তাদের উৎসাহ যুগিয়েছে এই তৃণমূল সরকার। রবিবার নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে একটি বেসরকারি লজে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তার আব্বাস নাগভি।

    মোদির নেতৃত্বে উন্নয়নের জোয়ার চলছে (Nadia)

    তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সাংসদ ছিলেন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালন করেছেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর কেন্দ্রকে পাখির চোখ করে লড়াইয়ে নামছে বিজেপি। মূলত, কর্মীদের আরও উৎসাহ বাড়াতে এদিন তিনি কৃষ্ণনগরে আসেন। একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, বিজেপি একমাত্র দল যেখানে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গোটা দেশজুড়ে উন্নয়নের জোয়ার চলছে। কমিউনিস্ট পার্টি এবং তৃণমূল কংগ্রেস সবাই ভাঁওতাবাজির দল। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই নদিয়ার দুই লোকসভা কেন্দ্রে  প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে গতবারের জয়ী প্রার্থী মহুয়া মৈত্র ওপর আস্থা রেখেছে তৃণমূল। মহুয়া মৈত্র সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার পর রাজনৈতিক বিতর্কে সৃষ্টি হয়েছিল। জল্পনা হচ্ছিল, তিনি কি আবারও লোকসভার টিকিট পাবেন কিনা। অন্যদিকে সদ্য বিজেপি থেকে আশা বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারীকে রানাঘাটের লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করল তৃণমূল। দিন কয়েকের মধ্যেই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এরআগে রানাঘাট কেন্দ্র বিজেপির দখলে থাকলেও কৃষ্ণনগর ছিল তৃণমূলের দখলে। সেই কারণেই কৃষ্ণনগরকে পাখির চোখ করে রাস্তায় নামছে বিজেপি।

    তৃতীয়বারের জন্য বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে

    কিছুদিন আগেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি জনসভা করে গেছেন কৃষ্ণনগরে। শুধু তাই নয় বেশ কয়েক মাস ধরেই রাজ্য নেতৃত্ব একাধিকবার নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠক করেছে তাদের উৎসাহ বাড়াতে। এবার সেই উৎসাহের পারদ আরও বাড়াতে কৃষ্ণনগরে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তার আব্বাস নাগভি। সেই সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তিনি। তিনি বলেন, এর আগে হয় রিমোট কন্ট্রোলের সরকার চলেছে, না হয় রোবট দিয়ে সরকার চালানো হয়েছে। গত দশ বছর ধরে এমন একটি সরকার চলছে যাদের রোবট কিংবা রিমোট কিছুই নেই। নিজের শক্তিতে তৃতীয়বারের জন্য সরকারে আসতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Sarkar: প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ, দেওয়াল লিখলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    Jagannath Sarkar: প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ, দেওয়াল লিখলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম ঘোষণা হতেই প্রচারে নেমে পড়েছেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুরোদমে চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ। মঙ্গলবার নদিয়ার চাকদা বিধানসভা এলাকায় চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী।

    দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেওয়াল লিখলেন প্রার্থী (Jagannath Sarkar)

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর (Jagannath Sarkar) নাম ঘোষণা না করলেও দিল্লি থেকে দিন কয়েক আগে রানাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৯ সালে সমতলে সবথেকে বেশি ব্যবধানে জেতা প্রার্থী তথা বর্তমান সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে পুনরায় প্রার্থী করেছে বিজেপি। দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকে পুরোদমে ভোট প্রচারে নেমে পড়েছেন বিজেপি কর্মীরা। সেইমতো পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতিটি জায়গায় প্রচারে যাচ্ছেন তিনি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই চলছে বিজেপি প্রার্থীর প্রচার। প্রথমে চাকদা বিধানসভার বিজেপি মণ্ডল পাঁচ এর উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরে যোগদান করেন তিনি। এরপরই একাধিক জায়গায় দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। জগন্নাথ সরকার নিজের হাতেই একাধিক দেওয়াল লিখে দলীয় কর্মীদের উৎসাহিত করেন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    আরও পড়ুন: অপুর ‘পয়া’ টোটো চালিয়ে বাজিমাত করেছিলেন, এবারও সেই টোটোতে প্রচার সুভাষের

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar) বলেন, গতবারও মন্দিরে পুজো দিয়ে আমি প্রচার শুরু করেছিলাম। এবার নাম ঘোষণা হওয়ার পরই মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেছি। সমস্ত বিধানসভায় দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের যা সমর্থন পেয়েছিলাম, এবারের লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের উন্মাদনা আরও বেশি। প্রচুর মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করছেন। গত পাঁচ বছরে মানুষের কাছে যে উন্নয়ন পৌঁছে দিয়েছি,আগামীদিনে আরও যাতে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে পারি সেই লক্ষ্য নিয়েই ভোট প্রচার করছি। নরেন্দ্র মোদির হাত শক্ত করতে আগামী পাঁচ বছর আরও বেশি ভোটের ব্যবধানে সাধারণ মানুষ আমাকে জয়ী করবেন বলে আমি আশাবাদী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    TMC: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রানাঘাটের এক তৃণমূল (TMC) নেতা। রবিবার রাতে রানাঘাট থানার আইসতলা থেকে সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডু নামের ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে ডায়মন্ডহারবার জিআরপি পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিত যুবকের নাম পার্থ মাইতি। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া এলাকায়। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে পার্থ মাইতির সঙ্গে বেশ কয়েকজনের আলাপ হয় শিয়ালদা ডায়মন্ড হারবার শাখার হোটর স্টেশনে। রাজ্য সরকারের কর্মচারী বলে নিজেদেরকে পরিচয় দেন তাঁরা। এমনকী পার্থ মাইতিকে তাঁরা জানান যে রাজ্য সরকারের গ্রুপ ডি তে তাঁরা চাকরি করে দিতে পারেন। এরপরেই অর্থের বিনিময়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তাঁরা। এই ঘটনায় ডায়মন্ডহারবার জিআরপি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পাঁশকুড়ার বাসিন্দা পার্থবাবু। অভিযোগের পর ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে রানাঘাটের এই তৃণমূল (TMC) নেতার নাম সামনে আসে। আর এর পরই রবিবার রাতে আইসতলা থেকে ওই তৃণমূলের নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদিয়া জেলা পরিষদের আসনে আইসতলা থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী ছিলেন সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডু নামের ওই তৃণমূল নেতা। ধৃত সৌভিক ঘোষের পাশাপাশি আরও চারজনের নাম উঠে আসে তদন্তে। ধৃত সৌভিক ঘোষকে সোমবার ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালতে  হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    অনেকের কাছে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা অভিযোগ

    এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব ছিল তৃণমূল (TMC) নেতা সৌভিক ঘোষের। একাধিক মানুষের কাছ থেকে এই ভাবেই চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছে ওই তৃণমূল নেতা। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে রানাঘাট ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে, ওই তৃণমূল নেতাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করেছে ধৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের লোকজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রেশন দুর্নীতির পর্দাফাঁস! নদিয়ায় ব্যবসায়ীর কালোবাজারি ধরলেন বাসিন্দারা

    Nadia: রেশন দুর্নীতির পর্দাফাঁস! নদিয়ায় ব্যবসায়ীর কালোবাজারি ধরলেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশনের চাল এবং আটা সরকারি আধিকারিক, রেশন ডিলারদের কাছ থেকে ক্রয় করে চলে গোডাউন ভরাটের কাজ। কিন্তু, সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য গম, আটা পায় না। নিম্নমানের রেশন সামগ্রী যখন সাধারণ মানুষদেরকে দেওয়া হচ্ছে, তখন সরকারি আধিকারিকদের কাছ থেকে উন্নতমানের রেশন সামগ্রী গোডাউনে মজুদ করার অভিযোগ উঠছে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাটের মধু বণিক নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোডাউনে দিনের পর দিন সাধারণ মানুষের রেশনের চাল,গম,আটা প্রতিদিন গাড়ি গাড়ি মাল মজুদ করা হয় ব্যবসায়ীর ওই গোডাউনে। কিন্তু, সাধারণ মানুষ সেই রেশন সামগ্রী পায় না। অপরদিকে, কালোবাজারি করে রেশন সামগ্রী কিনে কীভাবে তিনি গোডাউনে মজুদ রাখছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। যদিও রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইতিমধ্যে রানাঘাটে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালিয়েছে। তারপরেও দিনের পর দিন জনসমক্ষে এইভাবে রেশনের কালোবাজারি উঠে এল নদিয়ার (Nadia) কুপার্স এলাকা থেকে। তবে, স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  গাড়ি করে রেশনসামগ্রী ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে রেশনসামগ্রী ট্রাকে মজুদ করা হচ্ছিল। এরপরই এলাকার মানুষ বাধা দেন। রেশন সামগ্রী কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা জানতে চান। কিন্তু, কেউ তার উত্তর দিতে পারেনি। এরপরই এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দোকানের সামনে ভিড় করে গাড়ি সমেত রেশন সামগ্রী আটকে দেন এলাকাবাসী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    বিষয়টি জানাজানি হতেই সেখান থেকে পালিয়ে যান সেই গোডাউনের মালিক মধু বণিক। তবে, প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে কীভাবে এই রেশন সামগ্রীর কালোবাজারি চলছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এলাকাবাসীর বক্তব্য, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত দিয়ে রেখেছে বলেই দিনের পর দিন এইভাবে রেশন সামগ্রীর কালোবাজারি নদিয়া (Nadia) জুড়ে চলে আসছে। তাদের দাবি অবিলম্বে এই কালোবাজারি বন্ধ হোক এবং সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য রেশন যাতে পায় তা দেখা দরকার। যদিও এই ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, পুলিশ কী করছে?

    Malda: স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, পুলিশ কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাটে সোনার দোকানে ডাকাতি করার ঘটনা সকলের জানা। পুলিশের সঙ্গে প্রকাশ্যে গুলি বিনিময় হয়েছিল দুষ্কৃতীদের। এছাড়া বারাকপুর, খড়্গপুর সহ একাধিক জায়গায় সোনার দোকান হানা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রতিটি ঘটনায় দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা গেলেও অপরাধে লাগাম টানা যাচ্ছে না। এবার মালদায় (Malda) এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী দুষ্কৃতীদের খপ্পরে পড়েন। মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানের এক ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না লুট করে পালায় দুষ্কৃতীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    জানা গিয়েছে, মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিঝট কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় কমল ঠাকুর নামে এক সোনার ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই করে দুষ্কৃতীরা। কমলবাবুর দোকান বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী তেঁতুলচকে অবস্থিত। মঙ্গলবার নিজের সোনার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ছিনতাইয়ের শিকার হন। ছিনতাইকারীরা দলে তিনজন ছিল বলে জানান ওই ব্যবসায়ী। গোটা বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন কমল ঠাকুর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আড়াই ভরি সোনা, ৩০ ভরি রূপো এবং নগর ৩০ হাজার টাকা।

    ব্যবসায়ী কী বললেন?

    ব্যবসায়ী  কমল ঠাকুর বলেন, “রোজের মতো দোকান বন্ধ করে বাড়ি আসছিলাম। তখনই আমার পথ আটকায় বাইক নিয়ে আসা দুষ্কৃতীরা। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার মাথায় বন্দুক ধরে যা ছিল সব নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশকে জানানো হয়েছে গোটা বিষয়টা। এখন দেখা যাক কী হয়।” প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর মালদার চাঁচল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বড় সোনার দোকানে ডাকাতি হয়। প্রচুর গয়না লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারপর তদন্তে নামে সিআইডি। এরপর হবিবপুরেও একটি গয়নার দোকানে ডাকাতি হয়। সেই ঘটনার পর তালিকায় যোগ হল এবার হরিশচন্দ্রপুরের নাম। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: লোকাল ট্রেনেই প্রথম শ্রেণির পরিষেবা দেখে আপ্লুত যাত্রীরা, টিকিট কাটার হিড়িক!

    Ranaghat: লোকাল ট্রেনেই প্রথম শ্রেণির পরিষেবা দেখে আপ্লুত যাত্রীরা, টিকিট কাটার হিড়িক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকাল ট্রেনে বিশেষ পরিষেবা দেখে আপ্লুত যাত্রীরা। ২৮ জানুয়ারি সাংসদ জগন্নাথ সরকার নদিয়ার (Ranaghat) রানাঘাটে শিয়ালদা মাতৃভূমি লেডিস স্পেশাল ট্রেনের উদ্বোধন করেন। সপ্তাহে রবিবার বাদে প্রতিদিনই রানাঘাট স্টেশন থেকে ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি ছাড়বে, যার গন্তব্য শিয়ালদা পর্যন্ত। আর তারপর থেকেই লোকাল ট্রেনের প্রথম শ্রেণির কামরায় ওঠার জন্য যাত্রীদের মধ্যে হিড়িক পড়ে গিয়েছে। ভাড়া বেশি হলেও কুছ পরোয়া নেহি। ভিড় ঠেলে ঝুলতে ঝুলতে যাওয়ার থেকে বেশি ভাড়া দিয়ে আরাম করে বসে যাওয়ার সুবিধা নিতেই বেশি পছন্দ করছেন যাত্রীরা। এমনকী যাত্রা পথে এই লোকাল ট্রেন দেখতেও স্টেশনে স্টেশনে ভিড় হচ্ছে। আর প্রথম শ্রেণির কামরায় ওঠার জন্য যাত্রীরা বেশি ভাড়া দিয়ে টিকিটও কাটছেন।

    যাত্রীরা কী বললেন? (Ranaghat)

    নদিয়ার রানাঘাট (Ranaghat) শিয়ালদা মাতৃভূমি লেডিস স্পেশাল ট্রেনটি আগে ৯ কামরার ছিল। এখন তা বেড়ে ১২ কামরার করা হয়েছে। এই ট্রেনটিতে রয়েছে দুটি স্পেশাল কোচ। রয়েছে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণি। লোকাল ট্রেনে গদি আঁটা আসন, মেঝেতে পাতা কার্পেট। সঙ্গে সুরক্ষার আঁটসাঁট ব্যবস্থা। বিশেষ করে সিসি টিভি ক্যামেরা রয়েছে। এছাড়াও একাধিক সুবিধা রয়েছে। যদিও ভাড়ার তরিতফাত রয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি যাত্রীরা। সুশ্বেতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক যাত্রী বলেন, ‘কামরাগুলি অত্যন্ত সুন্দর। গদি আঁটা আসন। ফলে দূরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বিস্তর। দূরযাত্রার ক্ষেত্রে সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে মনে করছি।’ সুদেষ্ণা দত্ত নামে এক যাত্রীর কথায়, লোকাল ট্রেনে এরকম পরিষেবা আমরা ভাবতেই পারছি না। খুব ভালো উদ্যোগ। আমাদের মতো নিত্যযাত্রীরা খুব খুশি। তবে, যাত্রীদের বক্তব্য, ‘রেল মন্ত্রক এই ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। এখন সাধারণ মানুষের কর্তব্য এই ট্রেনগুলিকে পরিষ্কার পরিছন্ন রাখার। তবে, কতটা পরিচ্ছন্ন রাখা হবে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তাঁরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: রানাঘাট মাতৃভূমি লোকাল ট্রেনে চালু হচ্ছে এসি কোচ! কী কী সুবিধা রয়েছে জানেন?

    Ranaghat: রানাঘাট মাতৃভূমি লোকাল ট্রেনে চালু হচ্ছে এসি কোচ! কী কী সুবিধা রয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনে আধুনিক পরিষেবা সংযোজিত হল। এবার থেকে এই ট্রেনে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত দুটি কামরা থাকবে। গরমকালে এসি পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। তবে, বিশেষ এই কামরায় উঠতে যাত্রীদের সামান্য বেশি ভাড়া গুনতে হবে। আর মহিলা যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ এই ট্রেনের কামরার সংখ্যাও বাড়ানো হল। রবিবার নতুন পরিষেবা যুক্ত মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনের উদ্বোধন করেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। উপস্থিত ছিলেন শিয়ালদার  ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার দীপক নিগম। এই ট্রেনটিতে মিলবে একাধিক যাত্রী পরিষেবা। এদিন সকাল ১০:৪৫ মিনিট নাগাদ রানাঘাট (Ranaghat) পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনটি ছাড়়ে।

    মাতৃভূমি ট্রেনে কী কী সুবিধা রয়েছে? (Ranaghat)

    এই ট্রেনটিতে রয়েছে দুটি স্পেশাল কামরা। রয়েছে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণি। এছাড়াও জনসাধারণের জন্য জেনারেল কামরা রয়েছে। প্রথম শ্রেণির কোচের আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা সহ সিসিটিভি ক্যামেরা, নিরাপত্তা, মোবাইল চার্জিং ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও একাধিক সুবিধা রয়েছে। এর আগেও রানাঘাট (Ranaghat) থেকে শিয়ালদা মাতৃভূমি ট্রেন চলত। কিন্তু, সেই ট্রেনটিতে ছিল মূলত নয়টি কামরা। এবার ট্রেনের কামরা সংখ্যা বাড়িয়ে করা হল ১২টি। দুটি কামরা স্পেশাল করা হয়েছে। যেখানে রয়েছে উন্নত মানের বসার চেয়ার এবং নিরাপত্তার কারণে রাখা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে ভবিষ্যতে আরও উন্নত করা হবে এই ট্রেনগুলিকে। এক মহিলা যাত্রী বলেন, আগে ৯ কামরা ছিল। এবার ১২টি কামরা করা হয়েছে। শুধু মহিলাদের জন্য আরও গুরুত্ব দিয়ে পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    ট্রেন উদ্বোধনের শেষে বিজেপি সংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, লোকাল ট্রেনে এসি কামরার সুবিধা পূর্ব ভারতে প্রথম। ইস্টার্ন রেলওয়ে এই প্রথম লোকাল ট্রেনে এই ধরনের পরিষেবা চালু করেছে। মুম্বইয়ের পর দ্বিতীয় এই ট্রেন। সপ্তাহে রবিবার বাদে প্রতিদিনই রানাঘাট (Ranaghat) স্টেশন থেকে ৭:৪৫ মিনিটে শিয়ালদাগামী এই ট্রেন ছাড়বে। আমি অত্যন্ত খুশি ইস্টার্ন রেলওয়ের এই উদ্যোগে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share