Tag: ranchi

ranchi

  • Jharkhand: ভালোবাসা মানে না সীমা! ফিলিপাইনের কনে, ভারতের বর, বিবাহ হল রাঁচিতে

    Jharkhand: ভালোবাসা মানে না সীমা! ফিলিপাইনের কনে, ভারতের বর, বিবাহ হল রাঁচিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায়ই শোনা যায় যে ভালোবাসার কোনও সীমানা থাকে না। ভালোবাসা মুক্ত। সত্যিকারের ভালোবাসার সামনে বাধা হয়না জাত-পাত সংস্কৃতি ও ভাষা। সম্প্রতি এমনই একটি গল্প সামনে এসেছে। যেখানে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে দুটি মন। ফিলিপাইনের ইরা ফ্রান্সিসকা বার্নাসোল এবং ঝাড়খণ্ডের পীতাম্বর কুমার সিং প্রেমে পড়েন। এরপরেই তাঁরা নিজেদের বাড়িতে জানান বিষয়টি। বাড়ির লোক রাজি হওয়াতে তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। রাঁচিতেই (Jharkhand) সম্পন্ন হয় এই বিবাহ অনুষ্ঠান। জানা গিয়েছে, তাঁদের প্রথমে কোর্ট ম্যারেজ সম্পন্ন হয়। ইরা (Filipino Bride) এখানে পীতাম্বর ও ইরার বন্ধুরাও হাজির ছিলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এনিয়ে খবরও প্রকাশিত হয়। এই দম্পতি রাঁচির হিনুতে রেজিস্ট্রি অফিসে নিজেদের বিবাহ নথিভুক্ত করেন। এরপর সেখানকার আধিকারিক তাঁদের ম্যারেজ সার্টিফিকেটও দেন।

    কী বললেন ম্যারেজ অফিসার (Jharkhand)?

    ম্যারেজ রেজিস্ট্রার বাল্মীকি সাহু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘ফিলিপাইনের বাসিন্দা ইরা এবং রাঁচির (Jharkhand) ধুরভার বাসিন্দা পীতাম্বর কুমার সিং আমাদের অফিসে কোর্ট ম্যারেজের জন্য আবেদন করেছিলেন। আমরা আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। এরপর তাঁদের একটি ম্যারেজ সার্টিফিকেটও দিয়েছি।’’

    দুবাইয়ে কাজ করতেন পীতাম্বর

    জানা যায়, পীতাম্বর দুবাইয়ের একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। সেখানেই তাঁর পরিচয় হয় ইরার সঙ্গে। এরপরেই দুজনে প্রেমে পড়েন। তারপরেই বিবাহের সিদ্ধান্ত নেন (Jharkhand)। পীতাম্বর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার পরিবার প্রথমে বিয়ে নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল কিন্তু আমি পরিবারকে রাজি করাতে পেরেছিলাম। এরপর আমি একদিন ইরাকে রাঁচিতে নিয়ে এসেছিলাম। পরে ইরার পরিবারও এসেছিল। আমাদের পরিবার ও ইরার পরিবার মিলে বিয়ের দিন ঠিক করে।’’

    আনন্দের সঙ্গে পালন বিবাহ অনুষ্ঠান

    নিজেদের বিবাহ অনুষ্ঠান (Jharkhand) খুবই আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করেন ইরা ও পীতাম্বর। হিন্দু রীতিতে তাঁদের বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ভারতীয় পোশাকে সেজেছিলেন ইরা। একেবারে নিঁখুত ভারতীয় কনের পোশাক পরেছিলেন। এনিয়ে পীতাম্বর বলেন, ‘‘আমরা আনন্দিত। আমাদের ভালোবাসা পরিণতি পেয়েছে। এজন্য আমরা সত্যিই আনন্দিত। আমার ও ইরার পরিবারকে ধন্যবাদ আমাদের সম্পর্ককে মেনে নেওয়ার জন্য।’’

  • Mccluskieganj: নক্কি পাহাড় আর চট্টি নদী! অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের দেখা মেলে ঝাড়খণ্ডের ম্যাকলাস্কিগঞ্জে

    Mccluskieganj: নক্কি পাহাড় আর চট্টি নদী! অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের দেখা মেলে ঝাড়খণ্ডের ম্যাকলাস্কিগঞ্জে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডের ‘আ ডেথ ইন দ্য গঞ্জ’ ছবিটি হয়ত অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু সবাই জানেন না, এই ছবির শ্যুটিং হয়েছিল ম্যাকলাস্কিগঞ্জে (Mccluskieganj)। রাঁচি থেকে ৭০ কিমি দূরে ছোটনাগপুর মালভূমির ছোট্ট শহর এটি। ১৯৩৪ সালে রাতুর মহারাজের কাছ থেকে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমি লিজ নিয়ে (যার মধ্যে ছিল কঙকা, হেসাল এবং লাপড়া বস্তি) ভারতে বসবাসকারী অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের জন্য একটি কলোনি তৈরি করেন ই টি ম্যাকলাস্কি। তাঁর নামেই স্থানের নাম হয় ‘ম্যাকলাস্কিগঞ্জ’। শুরুতে ছিল ৩০০টি পরিবার। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বেশ জমজমাট ছিল এই জায়গা। যদিও  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ক্রমেই পরিবারের সংখ্যা কমতে থাকে। এখন তা (Anglo-Indians) কমতে কমতে ২৫ এরও নীচে নেমে এসেছে।

    নীল আকাশ আর অফুরন্ত শান্তি (Mccluskieganj)

    লাল পাথুরে মাটির পথ, দুপাশে শাল-সেগুন-মহুয়ার জঙ্গল, পাখির কূজন, নীল আকাশ আর অফুরন্ত শান্তি-এই নিয়েই সংসার ম্যাকলাস্কিগঞ্জের। এই অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নক্কি পাহাড় নামের একটি ছোট্ট পাহাড় আর চট্টি নামের একটি ছোট্ট নদী। এখনও এখানে যে কয়েক ঘর অ্যাঙ্গলো ইন্ডিয়ানদের (Anglo-Indians) পরিবার রয়েছে, গাছ-গাছালির ফাঁকফোকর দিয়ে দেখা যায় তাঁদের বাংলোগুলি। আর পথে চলতে গিয়ে দেখা হয়ে যায় আদিবাসী বাচ্চা ছেলেমেয়েদের সঙ্গে। তাদের মুখে সর্বদাই লেগে রয়েছে হাসি। অদ্ভুত সুন্দর আর নিষ্পাপ সারল্যের হাসি।

    জলবায়ু তুলনাহীন

    অন্যান্য স্থানে যখন প্রবল গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত, তখনও এখানে শীতের আমেজ। ভরা বর্ষায় এই মালভূমির রুক্ষতা, আবার একই সঙ্গে শ্যামলিমা ধরা পড়ে এখানে। আর বসন্তে যখন চারদিকে ফুটে ওঠে রক্তলাল পলাশ, তখন মনে হয় যেন চারদিকের অরণ্যে আগুন লেগেছে। এই অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আকর্ষণে এবং দারুণ জলবায়ুর কারণেই এক সময় অনেক কৃতি বাঙালি এই ম্যাকলাস্কিগঞ্জে (Mccluskieganj) বাংলো বাড়ি তৈরি করেছিলেন। এঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক সদ্য প্রয়াত বুদ্ধদেব গুহ। এখানেই তিনি তাঁর ‘ছুটি’ নামের বাংলোতে বসে লিখেছিলেন বিখ্যাত উপন্যাস ‘একটু উষ্ণতার জন্য’।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    যাতায়াত-ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি এবং বেতলা জাতীয় উদ্যান থেকে বাস যাচ্ছে ম্যাকলাস্কিগঞ্জ (Mccluskieganj)। আর কলকাতা থেকে সরাসরি যাচ্ছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস এবং ভূপাল এক্সপ্রেস।
    থাকা-খাওয়া-এখানে হোটেলের সংখ্যা খুবই কম। কিছু কিছু বাড়ি আছে যেগুলো সামান্য অর্থের বিনিময়ে পর্যটকদের ভাড়া দেওয়া হয়। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৮৩১৩৯০৫২৪, ০৮৯৮১৬১২১০০ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: আজ রবিবার ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে মেগা রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: আজ রবিবার ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে মেগা রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রবিবার ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডে রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানা গিয়েছে, সে রাজ্যের রাজধানী রাঁচিতে হবে এই রোড শো। অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা ঝাড়খণ্ড বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ বিষয়ে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রবিবার তিন কিলোমিটার রোড শো করবেন রাঁচিতে। তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এই রোড শো ঘিরে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করবেন এবং এটি ঐতিহাসিক হতে চলেছে।’’

    গত সপ্তাহেই ঝাড়খণ্ডে প্রচারে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর এই রোড শোতে বিজেপির অনেক সিনিয়র নেতাই উপস্থিত থাকবেন। প্রসঙ্গত গত সপ্তাহেই ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) প্রচারে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ৫ নভেম্বর তিনি ঝাড়খণ্ডে প্রচার করেন, তারপরে ফের একবার আজ ১০ নভেম্বর তিনি সেখানে যাচ্ছেন। গত সপ্তাহে ঝাড়খণ্ডের ছাইবাসা এবং গারোয়াতে তিনি প্রচার করেন। ছাইবাসার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘বিজেপি সরকার তৈরি হলেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সেই মতো আইন তৈরি করা হবে। যে সমস্ত জমি অনুপ্রবেশকারীরা দখল করেছে, তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে।’’

    রোটি-বেটি-মাটি স্লোগান

    সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), রোটি-বেটি-মাটি এই স্লোগানকেও উল্লেখ করেন এবং বলেন, ‘‘সমগ্র ঝাড়খণ্ড আজকে বলছে রোটি-বেটি-মাটি কি পুকার, ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)  মে বিজেপি সরকার।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীনই ঝাড়খণ্ড রাজ্যের জন্ম হয়েছিল। নিজের নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর তোপ দাগেন কংগ্রেস ও ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার জোটকেও। তিনি অভিযোগ করেন, শুধুমাত্র ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার জন্যই তারা ঝাড়খণ্ডকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দিচ্ছে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা আদিবাসী কন্যাদের টার্গেট করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঝাড়খণ্ডবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরি হলে এই সমস্ত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।’’

    দারিদ্রতা মেটাবে বিজেপি

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর গত সপ্তাহের ভাষণে আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় জনতা পার্টি ঝাড়খণ্ডের দারিদ্রতা দূরীকরণে বদ্ধপরিকর। কংগ্রেস এবং তার জোটসঙ্গীরা আদিবাসী সম্প্রদায়কে গরিব করে রেখে দিতে চাইছে। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চ এবং আরজেডি-এই দুই দলও ষড়যন্ত্র করছে। ঝাড়খণ্ডের জনবিন্যাসও পরিবর্তন করা হচ্ছে।’’ এই আবহে আজ প্রধানমন্ত্রীর মেগা রোড শো ঘিরে তাই স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Al Qaeda: ভারতে আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী গড়তে চেয়েছিল ধৃত আল-কায়েদা জঙ্গি ইশতিয়াক!

    Al Qaeda: ভারতে আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী গড়তে চেয়েছিল ধৃত আল-কায়েদা জঙ্গি ইশতিয়াক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পক্ষকাল আগে পুলিশ গ্রেফতার করে আল কায়েদা-লিঙ্কড (Al Qaeda) সন্ত্রাসী (Suicide Squad) মডিউলের প্রধান ডঃ ইশতিয়াককে। ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। এবার, পুলিশের সামনে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, এই ইশতিয়াক ভারতে একটি আত্মঘাতী জঙ্গি বাহিনী তৈরি করার চেষ্টায় ছিল।

    ইশতিয়াকের কীর্তি (Al Qaeda)

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ট্রেনিংয়ের। সেজন্য একটি পার্বত্য এলাকা বেছে নিয়েছিল ইশতিয়াক। এখানেই জঙ্গি তৈরি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তরুণদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও হচ্ছিল এই এলাকায়। চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য প্রকাশ করেছে দিল্লি পুলিশ। জানা গিয়েছে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ধৃত ইশতিয়াক, ইনামুল আনসারি, শাহবাজ আনসারি, মতিউর রহমান এবং আলতাফকে নিয়ে রাঁচি পৌঁছেছে। অভিযুক্তরা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে কতদূর এগিয়েছিল, তা জানতেই রাঁচি নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের।

    ঘন জঙ্গলে শিবির

    জঙ্গিরা তদন্তকারীদের জানিয়েছে, তারা রাঁচির চানহো গ্রামের কাছে নকাটা জঙ্গলে যেত। এই জঙ্গলের আশপাশে কোনও জনবসতি নেই। তাই ঘন জঙ্গলের ভেতরে কী হচ্ছে, বাইরে থেকে কারও নজরে আসে না। তাই জায়গাটি জঙ্গিদের প্রশিক্ষণের জন্য সব চেয়ে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। অপরাধীরা পুলিশকে জানিয়েছে, সেখানে তাদের আত্মঘাতী জঙ্গি (Suicide Squad) হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল। অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতেরা জানিয়েছে, তারা ইশতিয়াকের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছিল। এই ইশতিয়াকই তাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিল। তাদের সবার লক্ষ্য, ভারতে ইসলামি শাসন কায়েম করা।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমার বাড়িতে আর কোনওদিন…’’, মমতার উৎসব-মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নির্যাতিতার মা

    এই জঙ্গি দলের (Al Qaeda) নেতা ইশতিয়াক। সন্ত্রাসীদের কয়েকজন সদস্যকে একই রকম প্রশিক্ষণ দিতে রাজস্থানে পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ জেনেছে, তারা আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (আকিস) মডিউলের সদস্য (Suicide Squad)। তদন্তকারীরা জেনেছেন, ইশতিয়াক তার সন্ত্রাসী মডিউলকে উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানেও বিস্তৃত করেছিল। সে বিহারের লখিসরাই থেকে অস্ত্র কিনেছিল। রাজস্থানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে থেকে একে-৪৭ রাইফেল, .৩৮ বোর রিভলভার, ৬টি তাজা কার্তুজ, .৩২ বোরের ৩০টি তাজা কার্তুজ, একে-৪৭ রাইফেলের ৩০টি কার্তুজ, ডামি ইনসাস, এয়ার রাইফেল, লোহার কনুই পাইপ, হ্যান্ড গ্রেনেড ও অন্যান্য জিনিস উদ্ধার করা হয়।

    প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ড পুলিশের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগা-সহ ১৪টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৮ জনকে আটক করেছিল । পরে গ্রেফতার করা হয় তাদের (Al Qaeda)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Rajrappa Chhinnamasta: উদ্ধত খড়্গ, ছিন্ন মস্তক! ভয়াল রূপের পিছনেও রয়েছে মাতৃরূপ

    Rajrappa Chhinnamasta: উদ্ধত খড়্গ, ছিন্ন মস্তক! ভয়াল রূপের পিছনেও রয়েছে মাতৃরূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অন্যতম প্রধান শক্তিপীঠ রাজরাপ্পা ছিন্নমস্তা মন্দির (Rajrappa Chhinnamasta)। দামোদর আর ভোরা বা ভৈরবী নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এই দেবী ছিন্নমস্তা দশমহাবিদ্যার অন্যতম। রাজরাপ্পা নামটির পিছনেও এক লোককথা প্রচলিত আছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, “রাজা” নামের এক জনপ্রিয় স্থানীয় রাজার স্ত্রীর নাম ছিল “রুম্পা”। এই রাজা এবং রুম্পার নাম থেকেই নাম হয়েছে “রাজরাপ্পা”। এই মন্দিরের আরাধ্যা দেবী হলেন মা ছিন্নমস্তা। তাঁর দুই হাতের এক হাতে উদ্ধত খড়্গ এবং অপর হাতে তিনি ধারণ করে রয়েছেন তাঁর ছিন্ন মস্তক। তাঁর মুণ্ডবিহীন গলদেশ থেকে তিনটি ধারায় ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝরছে। লোল জিহ্বায় তিনি সেই শোনিত ধারা পান করে চলেছেন। তাঁর কণ্ঠে নরমুণ্ড মালা। কাম ও রতির ওপরে দেবী দন্ডায়মান। তবে তাঁর এই ভয়াল রূপে ভয়ের চেয়েও বেশি করে ধরা পড়ে তাঁর মাতৃরূপের।

    কী সেই চমকপ্রদ লোককাহিনি? (Rajrappa Chhinnamasta)

    মায়ের এই রূপের পিছনেও রয়েছে এক চমকপ্রদ লোককাহিনি। কথিত, একদা ডাকিনী ও যোগিনীর সঙ্গে এক সরোবরে স্নান করছিলেন দেবী। সেই সময় ডাকিনী, যোগিনীর প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে তাঁদের ক্ষুধাতুর অবস্থা দেখে এবং অন্য কোথাও কোনও খাবারের সন্ধান করতে না পেরে বিচলিত হয়ে নিজেই নিজের মুণ্ডচ্ছেদ করেন। তাঁর মুণ্ডহীন গলদেশ থেকে যে রক্তের তিনটি ধারা নির্গত হয়, তা এসে পড়ে ডাকিনী, যোগিনী এবং স্বয়ং দেবীর মুখে। এভাবেই তিনি ডাকিনী, যোগিনীর ক্ষুধা নিবারণ করেন। এর থেকেই দেবীর মমতাময়ী মাতৃরূপের পরিচয় দেন দেবী। একদিকে দামোদর আর অন্যদিকে ভৈরবী নদীর সঙ্গমস্থলে এক অনুচ্চ টিলার উপর অবস্থিত এই দেবী ছিন্নমস্তা মন্দির।

    ৬০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন (Jharkhand)

    এখানকার এই ছিন্নমস্তা মন্দিরের সঠিক ইতিহাস জানা যায় না। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই অভিমত, এই মন্দিরটি (Rajrappa Chhinnamasta) প্রায় ৬০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। এখানে এই মন্দিরটি ছাড়াও রয়েছে মহাদেব ও দক্ষিণাকালীর মন্দির। এর কাছেই অষ্টমাতৃকা মন্দির। মায়ের ভৈরবরূপী শিবলিঙ্গটিও প্রকাণ্ড এবং সুউচ্চ। ইচ্ছে হলে নৌবিহার করাও যায় দামোদর নদের বুকে। আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। আবার ফেরার পথে দেখে নেওয়া যায় রামগড়ের সুপ্রাচীন শিবমন্দিরটিও। বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই শিবমন্দিরটির বহুলাংশই বর্তমানে বিনষ্ট হয়ে গেলেও যতটুকু অবশিষ্ট আছে সেটুকুই সেই অতীত দিনের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    কীভাবে যাবেন? (Rajrappa Chhinnamasta)

    যাতায়াত–ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ৬৮ কিমি দূরে এই স্থান। রাঁচি থেকে বাসে আসতে হবে রামগড়। রামগড় থেকে অটো বা গাড়িতে আসতে হবে রাজরাপ্পা। আবার রাঁচি থেকে গাড়ি নিয়ে এসে আবার রাঁচি ফিরে গিয়ে রাত্রিবাস করা যায় রাঁচিতেই। রাজরাপ্পায় থাকার ব্যবস্থা অত্যন্ত অপ্রতুল। কাজেই রাঁচি থেকে ঘুরে নেওয়াই ভালো। রাঁচিতে থাকা খাওয়া, গাড়ি অথবা প্যাকেজ ট্যুরে রাজরাপ্পা (Jharkhand) ঘুরে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৮৩১৩৯০৫২৪ অথবা ০৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: পাহাড়ের বুক চিরে সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা! পর্যটকদের নয়া গন্তব্য পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি

    Jharkhand: পাহাড়ের বুক চিরে সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা! পর্যটকদের নয়া গন্তব্য পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের পর্যটন মানচিত্রে প্রায় নবীন সংযোজন পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি (Jharkhand)। ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই ড্যাম বা জল সরবরাহ কেন্দ্রটি প্রকৃতপক্ষে পত্রাতু থার্মাল পাওয়ার ষ্টেশনে জল সরবরাহ করার উদ্দেশ্যেই নির্মিত। নলকারি নদী থেকে সৃষ্ট এই জলাধারের অন্য নাম তাই “নলকারি ড্যাম”। বহু পর্যটকের এখন গন্তব্য হয়ে উঠেছে বলতে গেলে হাতের একেবারে কাছেই এই স্থানটি। কেউ চাইলে রাঁচিতে থেকেও এই জায়গাটি ঘুরে আসতে পারেন। আবার সেখানেও থাকার বেশ কিছু জায়গা রয়েছে।

    অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য (Jharkhand)

    একদিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি, অপরদিকে সুবিশাল এই ড্যাম। এই অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের টানেই বর্তমানে এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি। এখানকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ পত্রাতু ভ্যালির পাহাড়ের বুক চিরে চলে যাওয়া সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা (Jharkhand)। অনেকটা সিকিমের জনপ্রিয় সিল্ক রুটের মতোই এই “জিগ জ্যাগ” ভ্যালির ওপর থেকে পত্রাতু ড্যামের দৃশ্য অবলোকন করা যেন এক স্বর্গীয় অনুভুতি।

    প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের কাছে এক আদর্শ স্থান (Jharkhand)

    এখানকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণগুলি হল বার্ড ওয়াচিং, ড্যামের জলে বোটিং, পাহাড়ে ট্রেকিং, ক্যাম্পিং প্রভৃতি। ইচ্ছে হলে এখান থেকেই ঘুরে নেওয়া যায় কাছের জয়ন্তী সরোবর এবং ঝাড়খণ্ডের অন্যতম পবিত্র পঞ্চবাহিনী (েPanchawahini ) মন্দিরও। সব মিলিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৯২ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই পত্রাতু প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের কাছে এক আদর্শ স্থান।

    কীভাবে যাবেন? (Jharkhand)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে রাঁচিগামী যে কোনও ট্রেন ধরে আসতে হবে রাঁচি। রাঁচি থেকে বাস আসছে পত্রাতু। এছাড়া গাড়ি ভাড়া করেও যেতে পারেন।
    থাকা-খাওয়াঃ এখানে রয়েছে হোটেল কৃষ্ণ রেসিডেন্সি (৯৮৩১৩৯০৫২৪), হোটেল রয়্যাল (৯৮৩৬৪৬৮১৭৮), হোটেল পর্যটন বিহার (৮৯৮১৬১২১০০), পত্রাতু লেক ভিউ (০৬৫১-২৩১৮২৮ , ২৩৩১৬৪৩) অথবা যোগাযোগ করতে পারেন ৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে (Jharkhand)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand News: বসন্ত এলেই যেন নতুন রূপে, নতুন রঙে সেজে ওঠে ঝাড়খণ্ডের ম্যাকলাস্কিগঞ্জ!

    Jharkhand News: বসন্ত এলেই যেন নতুন রূপে, নতুন রঙে সেজে ওঠে ঝাড়খণ্ডের ম্যাকলাস্কিগঞ্জ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্জনে, নিরালায় অনাবিল প্রকৃতির মাঝে দু’দণ্ড শান্তির খোঁজে যাঁরা পথে বের হন, তাঁদের কাছে অন্যতম সেরা স্থান হল পশ্চিমবঙ্গের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অপূর্ব সুন্দর পর্যটনকেন্দ্র ম্যাকলাস্কিগঞ্জ (Jharkhand News)। ১৯৩৪ সালে রাতুর মহারাজের কাছ থেকে প্রায় ১০০০ হেক্টর জমি লিজ নিয়ে (যার মধ্যে ছিল কঙ্কা, হেসাল, লাপড়া বস্তি) এদেশে বসবাসকারী অ্যাংলো ইন্ডিয়ান মানুষজনের নিজস্ব ভূমি হিসেবে এক আরণ্যক জনবসতি গড়ে তোলেন ই টি ম্যাকক্লস্কি সাহেব, যা পরবর্তীকালে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে হয়ে দাঁড়ায় “ম্যাকলাস্কিগঞ্জ”। একে আপামর বাঙালি এবং প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের মনে চিরস্থায়ী করে রেখে গিয়েছেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। এই ম্যাকলাস্কিগঞ্জ-এর পটভূমিতেই তিনি লিখেছিলেন তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস “একটু উষ্ণতার জন্য।

    লাল পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আলো (Jharkhand News)

    চারদিকে শিমুল, পলাশ, মাদার, কৃষ্ণচূড়া গাছের ফাঁক দিয়ে উঁকি মারে জ্যাকারান্ডা, পুটুস ফুলের রঙিন আকর্ষণ। মাঝে মধ্যেই রয়েছে বেশ বড় বড় আমবাগান। লালমাটির পাথুরে পথ। সেই পথের-ই দু’পাশে রয়েছে একাধিক অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের বাড়ি। তবে বর্তমানে এখানে আর অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের বাস আগের মতো নেই, তবুও এখনও বেশ কিছু অ্যাংলো ইন্ডিয়ান পরিবার বাস করেন। বসন্ত ঋতু এলেই এই সমগ্র অঞ্চল যেন নতুন রূপে, নতুন রঙে সেজে ওঠে। লাল পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম আলোয় সমগ্র ম্যাকলাস্কিগঞ্জ যেন এক অপরূপ মোহময়ী রূপ ধারণ করে। কাছেই এক ছোট্ট পাহাড়, নাম “নাকো পাহাড়”। কেউ কেউ আবার একে “নক্কী” পাহাড় বলেও জানেন। এখানে রয়েছে একটি ছোট্ট নদী। আদিবাসী কিশোরীর উচ্ছলতায় আপন খেয়ালে বয়ে চলেছে সেই ছোট্ট কিন্তু সুন্দরী নদী। রয়েছে আদিবাসী হস্তশিল্প সমবায় “জাগৃতি বিহার”, আর এখানে রয়েছে একটি অদ্ভুত স্থাপত্য। একই জায়গায় গড়ে তোলা হচ্ছিল একটি হিন্দু মন্দির, খ্রিষ্টানদের জন্য চার্চ, মুসলিমদের জন্য মসজিদ। যদিও এটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়নি, তবু সর্বধর্মের মিলনের স্মারক হিসেবে এটি একটি অনন্য উদ্যোগ হয়ে উঠতে পারে। এসব তো দেখবেনই, সঙ্গে প্রাণ ভরে উপভোগ করুন এখানকার শান্ত, নির্মল পরিবেশ, অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বসন্তের পলাশ আর কৃষ্ণচূড়া ফুলের আগুন রাঙা ছবি (Jharkhand News)।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Jharkhand News)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে ডালটনগঞ্জ বা বেতলা যাওয়ার প্রায় সব ট্রেনই যাচ্ছে ম্যাকলাস্কিগঞ্জের (Jharkhand News) ওপর দিয়ে। হাওড়া থেকে যাচ্ছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ভূপাল এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। আবার রাঁচি থেকে বাস যাচ্ছে ম্যাকলাস্কিগঞ্জ। রাঁচি থেকে সড়কপথে দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি। যেতে সময় লাগে প্রায় দুই-আড়াই ঘণ্টা। আর হাওড়া থেকে রেলপথে দূরত্ব প্রায় ৪৫২ কিমি। সময় লাগে প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা। আর ডালটনগঞ্জ শহর থেকে সময় লাগে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা।
    থাকা খাওয়া-এক সময় এখানে বেশ কিছু হোটেল ছিল। বর্তমানে এখানে হোটেলের সংখ্যা বেশ কম। তবে এখন ও এখানে বেশ কিছু বাড়ি আছে যেগুলো প্রয়োজনে পর্যটকের ভাড়া দেওয়া হয়। এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৮৯৮১৬১২১০০ নম্বরে। আর হোটেল বুকিং বা এই বিষয়ে বিশদ জানতে প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs England: ‘বাজবল’-কে হারিয়ে বাজিমাত ভারতের! এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয় রোহিতদের

    India vs England: ‘বাজবল’-কে হারিয়ে বাজিমাত ভারতের! এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয় রোহিতদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্নায়ুর চাপ বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত রাঁচি টেস্ট জিতল ভারত। সেই সঙ্গে রোহিত শর্মার দল এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ ৩-১ ব্যাবধানে পকেটে পুরে ফেলল। ঘরের মাঠে এই নিয়ে ভারত টানা ১৭টি টেস্ট সিরিজ জিতল। ইংল্যান্ডের ‘বাজবল’-কে উড়িয়ে দিয়ে প্রথম দল হিসেবে টেস্ট সিরিজ জিতল ভারত। দলের জয়ে সকল ক্রিকেটারদের কুর্নিশ জানিয়েছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ।

    দুরন্ত ভারত

    জয়ের জন্য ১৯২ রান তাড়া করতে নেমে যশস্বী জয়সওয়াল  ও ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা যেভাবে রবিবার শেষ বেলায় শুরু করেছিলন তাতে মনে হয়েছিল সহজেই জিতবে টিম ইন্ডিয়া। সোমবার সে ভাবেই শুরু করেছিলেন দুজনে। কিন্তু যশস্বী আউট হওয়ার পর ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। রজত পাতিদার, রবীন্দ্র জাদেজা, সরফরাজ খান দ্রুত আউট হয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেন। আসলে রোহিত ৫৫ রানে আউট হতেই ভারতের বাকি ব্যাটসম্যানরা স্নায়ুর চাপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি। প্রশংসা করতেই হবে শোয়েব বশিরের। পাক বংশোদ্ভূত এই স্পিনার ইংল্যান্ড শিবিরে জয়ের আশা জাগিয়ে তোলেন। একটা সময় জিততে ভারতের দরকার ছিল ৭২ রান, আর ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৫ উইকেট।

    জুয়েল জুড়েল

    রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসে টিম ইন্ডিয়া। শুভমান গিলের সঙ্গে জুটিতে দলকে জেতান ধ্রুব জুরেল। অনেকে তাঁকে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে তুলনা করছেন। কারণ মাথা ঠান্ডা রেখে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন তিনি। কিপিংয়েও ছাপ ফেলেছেন। প্রাক্তন্দের মতে, ভারতীয় দল সত্যি এক জুয়েল পেয়ে গিয়েছে। অনবদ্য ব্যাটিং উপহার দিয়েছেন গিল। জুরেলের থেকে তিনি অভিজ্ঞ। যা পুঁজি করে ধীরে ধীরে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। ১২৪ বলে ৫২ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন তিনি। হাঁকিয়েছেন দুটি ছক্কাও। তবে ধ্রুব তাঁর প্রথম টেস্ট সিরিজে চমকে দিয়েছেন সকলকে। ৭৭ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ম্যাচের সেরা হয়েছেন ধ্রুব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs England: কামাল তিন স্পিনারের, জয়ের দোরগোড়ায় ভারত

    India vs England: কামাল তিন স্পিনারের, জয়ের দোরগোড়ায় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কি বলবেন একে, মুখের গ্রাস কেড়ে নেওয়া? আজ্ঞে হ্যাঁ। ভারত-ইংল্যান্ড (India vs England) তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ড শুরুটা ভালো করলেও, ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এগিয়ে থাকলেও, ভারতের কামব্যাক ছিল দুর্দান্ত। যশস্বী জয়সওয়াল শুরুটা দাপিয়ে করেন। শেষ করেন ধ্রুব জুরেল। ৯০ রান করেছেন তিনি। এদিন কার্যত জয়ের দোরগোড়ায় রয়েছে ভারত।

    ম্যাচের তৃতীয় দিন

    রবিবার ম্যাচের তৃতীয় দিন। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ৭ উইকেটে ২১৯। ধ্রুব ৩০ ও কুলদীব যাদব ১৭ রানে শেষ করেন দ্বিতীয় দিন। তৃতীয় দিনে ভারত (India vs England) নিজেদের ইনিংস শেষ করে ৩০৭ রানে। কুলদীপ ১৩১ বলে ২৮ রানের ইনিংস খেলে দেন। ধ্রুব করেন ৯০ রান।

    কামাল স্পিনারদের

    রবিবার ওপেন করতে নামেন রোহিত শর্মা ও যশস্বী। এদিন দ্বিতীয় ইনিংসে আট ওভার খেলে ভারত করে ৪০ রান। রোহিত ও যশস্বী করেন যথাক্রমে ২৪ ও ১৬ রান। জয় পেতে ভারতের প্রয়োজন ১৫২ রান। ইংল্যান্ডের দরকার ১০ উইকেট। এদিন মাঠ দাপিয়ে বেড়ান তিন বোলার। ব্রিটিশদের পাঁচটি উইকেট নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। চারটি উইকেট নেন কুলদীপ। একটি উইকেট নেন রবীন্দ্র জাদেজা।

    এদিন ইনিংসের (India vs England) পঞ্চম ওভারে জোড়া উইকেট নিয়ে শুরু করেন অশ্বিন। দুই ইনিংসেই শূন্য ওলি পোপ। জ্যাক ক্রলি ধরে খেলায় চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। তবে চা পানের বিরতির পর দ্রুত চার উইকেট নেয় টিম ইন্ডিয়া। খেলা যায় ঘুরে।

    আরও পড়ুুন: ২৫ কেজি সোনা-রুপোর গয়না, এক মাসে বালক রামের আয় কত জানেন?

    ইংল্যান্ডের রান যখন ১৩৩, তখনই তারা খুইয়েছে আট উইকেট। এর মধ্যে কুলদীপ একাই নিয়েছে চার উইকেট। ফিল্ডিংয়ে দুর্দান্ত একটি ফরওয়ার্ড ডাইভিং ক্যাচ নেন সরফরাজ খান। ইংল্যান্ডের নবম উইকেট জুটি ভারতকে কিছুটা চাপে রেখেছিল। শেষমেশ অশ্বিন কট অ্যান্ড বোলে ফেরান বেন ফোকসকে। এর পর বাইশ গজে আসেন জেমস অ্যান্ডারসন। উল্টো দিকে ছিলেন শোয়েব বশির। দু বলের ব্যবধানে জিমিকে ফেরান অশ্বিন। ১৪৫ রানেই অল আউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। ম্যাচের এখনও দু দিন রয়েছে। জিততে হলে ভারতের প্রয়োজন আরও ১৫২ রান (India vs England)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • India vs England: দ্বিতীয় দিনের শেষে চাপে ভারত, এখনও ১৩৪ রানে পিছিয়ে রোহিতরা

    India vs England: দ্বিতীয় দিনের শেষে চাপে ভারত, এখনও ১৩৪ রানে পিছিয়ে রোহিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দিনটা ভারতের হলে, দ্বিতীয় দিন ইংল্যান্ডের। তৃতীয় দিনের শুরুই বলে দেবে ম্যাচের ভবিষ্যত। আপাতত ম্যাচে এগিয় ইংল্যান্ড।  ৩৫৩ রান তাড়া করতে নেমে রীতিমতো চাপে রোহিত ব্রিগেড। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে প্রথম ইনিংসে ভারতের স্কোর ২১৯/৭। এখনও ১৩৪ রানে পিছিয়ে রোহিত বাহিনী। ক্রিজে কুলদীপ যাদব ও ধ্রুব জুড়েল। হাতে রয়েছে মাত্র তিন উইকেট। 

    ব্যাটিংয়ে ভরাডুবি!

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টে ভারতকে ভরাডুবির হাত থেকে বাঁচাতে ফের জ্বলে উঠলেন যশস্বী জয়সওয়াল। অর্ধশতরানও করলেন তরুণ ওপেনার। তাঁর ব্যাটে ভর করেই ইংল্যান্ডের রানের কাছাকাছি পৌঁছল রোহিতরা। প্রথম ইনিংসে এখনও ১৩৪ রানে পিছিয়ে ভারত। ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে চাপে পড়ে যায় ভারত। এদিন প্রথম সেশনেই রোহিতের উইকেট হারায় ভারত। মাত্র ২ রানে ফেরেন অধিনায়ক। দ্বিতীয় উইকেটে ৮২ রান যোগ করে যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমন গিল জুটি। ভালই খেলছিলেন দু”জন। কিন্তু পার্টনারশিপ ভাঙেন শোয়েব বশির। এদিন তাঁর শিকার ৪ উইকেট।  ৬৫ বলে ৩৮ রান করে আউট হন গিল। আরও একবার সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ রজত পাটিদার। ৪২ বলে ১৭ রান করে ফেরেন। রাজকোটে এরকম জায়গা থেকে দলকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন রোহিত-জাদেজা জুটি। কিন্তু রাঁচিতে ব্যর্থ ভারতীয় অলরাউন্ডার। দুটো ছক্কা হাঁকিয়ে শুরু করলেও ১২ রানে আবার সেই বশিরের বলে আউট হন। 

    স্পিনের ফাঁদ

    রাঁচীতে স্পিনের ফাঁদেই আটকে গেল ভারত। ইংল্যান্ডের শোয়েব বশির একাই ৪ উইকেট তুলে নেন। তাঁর বলেই বোল্ড হয়ে যান যশস্বী। তিনিই পাটীদার, জাডেজা এবং শুভমনের উইকেট তুলে নেন। শনিবারের সকালে ইংল্যান্ডের সব উইকেটই তুলে নেন জাদেজা। ম্যাচে তিনিও নেন ৪ উইকেট। আপাতত যা অবস্থা, তাতে ইংল্যান্ডের ৩৫৩ রান টপকে লিড নেওয়া কঠিন হবে ভারতের পক্ষে। রবিবার থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এমন অবস্থায় ভারতকে ম্যাচে ফেরাতে পারেন বোলারেরা। ধ্রুব জুরেল এবং কুলদীপ যাদব মিলে ৪২ রানের জুটি গড়েছেন। তাঁরাই ক্রিজে রয়েছেন। রবিবার শুরু করবেন তাঁরা। এই জুটিতে ইংল্যান্ডের রান টপকানোর চেষ্টা করবে ভারত। না হলে আরও বিপদ বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share