Tag: Ranil Wickremesinghe

Ranil Wickremesinghe

  • Sri Lanka crisis: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিংঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    Sri Lanka crisis: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিংঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থনৈতিক সংকটের মোকাবিলা করতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রোহ ঠেকাতে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) নতুন করে জরুরি অবস্থা জারি করলেন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংঘে (Acting President Ranil Wickremesinghe)। তিনি বলেছেন, দেশবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জরুরি পরিষেবার সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এই পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় ছিল।

    এদিন তিনি রাজনৈতিক দলগুলিকে নিজ নিজ বিভেদ সরিয়ে রেখে সর্বদলীয় সরকার গঠন করার করার আহ্বান জানান। দ্বীপরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচত করতে শনিবার থেকেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে সেদেশের পার্লামেন্ট। সিঙ্গাপুরে আশ্রয় নেওয়া গোতাবায়া রাজাপক্ষে (Gotabaya Rajapaksa) প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শ্রীলঙ্কার কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট হন রনিল। আসন্ন নির্বাচনে তিনিই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী ২০ তারিখ ভোটাভুটি হওয়ার কথা। 

    আরও পড়ুন: আশ্রয় দেবে না ভারত, কোথায় যাবেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া?

    শ্রীলঙ্কার এই চরম সংকটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সহ কয়েকটি মিত্র রাষ্ট্র। এদিনই দ্বীপরাষ্ট্রে পৌঁছেছে জ্বালানি। দেশে চরম আর্থিক দুরবস্থার জেরে খাদ্য থেকে শুরু করে সার ও ওষুধ আমদানি করার ক্ষমতা নেই প্রশাসনের। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের থেকে সাহায্য নিয়ে কথাবার্তা চলছে শ্রীলঙ্কার।

    এদিকে, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই সদ্যপ্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া। তাঁর থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হবে না বলে একপ্রকার জানিয়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার মালদ্বীপ থেকে বিশেষ বিমানে করে সিঙ্গাপুরে পৌঁছন গোতাবায়া। তাঁর সফরকে ব্যক্তিগত বলে উল্লেখ করে সিঙ্গাপুর সরকার। সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, গোতাবায়া সেখানে আশ্রয় চাননি বা তাঁকে আশ্রয় দেওয়াও হয়নি। 

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন?

    শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে (Sri Lanka Crisis) সর্বদলীয় বৈঠকে (All-Party Meeting) ডাক দিয়েছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার হতে চলেছে সেই বৈঠক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। 

     

  • Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণবিক্ষোভে উত্তাল শ্রীলঙ্কা (Srilanka)। বিক্ষোভকারীদের জন্যে ঘর-ছাড়া খোদ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি। অন্যদিকে প্রবল গণ-আন্দোলনের জেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রনিল বিক্রমসিংঘে (Ranil Wickremesinghe)। শনিবার একটি বিবৃতি জারি করে তিনি পদত্যাগ করেন। কিন্তু পদ ছেড়েও স্বস্তিতে নেই প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। খুবই খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। ১৯৪৮ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কটের (Economic Crisis) মধ্যে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যেই  শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা (Sri Lankan Protesters) রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ (Mansion) থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করেছে, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিরাপত্তা ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার সকালেই বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের (Gotabaya Rajapaksha) সরকারি বাসভবন বা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবনের দখল নিয়েছে। এমনকি সুইমিং পুল ও রান্নাঘরের দখল নিয়েও সেখানকার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু তারপরই রাজাপক্ষের দেশ ছাড়ার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কার নৌ বাহিনীর বিশেষ জাহাজে করেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষ। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে কলম্বো বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজে তিন জন বড় বড় সুটকেস তুলছে। যেগুলি রাজাপক্ষের বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাজাপক্ষে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। কলম্বো বন্দরের (Colombo Port) হারবার মাস্টার (Harbour Master) বলেছেন, একটি দল এসএলএনএস সিন্দুরালা (SLNS Sindurala) ও এসএলএনএস গজবাহুতে (SLNS Gajabahu) চড়ে বন্দর ছেড়ে চলে গেছেন। তবে তিনি এখন কোথায় গিয়েছেন তার হদিশ মেলেনি। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছিল, বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি শ্রীলঙ্কা সেনা হেডকোয়ার্টারে চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু বর্তমানে কোথায় আছেন তা জানা যায়নি।

    [tw]


    [/tw]

    এই বিক্ষোভে পথে নেমেছেন শ্রীলঙ্কার দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সনৎ জয়সূর্য (Sanath Jayasuriya) ও রোশন মহানামা (Roshan Mahanama)। তাঁরা প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ নিয়ে সরব হয়েছেন। ট্যুইটারে #gohomegota লিখে প্রতিবাদ করছেন ও শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিিতির জন্য অনেকটাই চিন দায়ী। ২০১০ সাল থেকেই শ্রীলঙ্কায় আর্থিক দুর্দশা দেখা যায় এরপর ২০১৯ সালে তা চরম সঙ্কটের মুখে পড়ে। কলম্বো ও হাম্বানটোটা বন্দরকে ১০০ বছরের জন্যে চিনের কাছে লিজে রেখেছিল শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার আর্থিক সঙ্কটকে কাজে লাগিয়ে চিন এই দেশকে ঋণ কূটনীতির ফাঁদে (Debt Trap Diplomacy) ফেলেছে যাতে শ্রীলঙ্কার ওপর পুরো কন্ট্রোল নেওয়া যায়। চিন শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম ঋণদাতা (Lender)। আর এই দ্বীপ রাষ্ট্রের মোট ঋণের ১০ শতাংশ এসেছে বেজিংয়ের থেকে। এই ঋণে ভারসাম্য না-থাকার কারণেই সঙ্কট মারাত্মক আকার নিয়েছে। সমস্যা মেটানোর জন্য বিদেশি সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে শ্রীলঙ্কা। এর ফলে চিনের উপর দেশটির নির্ভরতা বেড়েছে, যে কারণে ঋণের বোঝাও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। আর পরিস্থিতিও খারাপ থেকে খারাপতর হয়েছে। চিনের ঋণ ফাঁদ ছাড়াও সরকার চালানোয় অক্ষমতা, স্পষ্টতার অভাব ইত্যাদির কারণে শ্রীলঙ্কার আর্থিক পরিস্থিতি এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। চিনের কাছে শ্রীলঙ্কার মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০০ কোটি ডলার, যা তার মোট বৈদেশিক ঋণ ৪৫০০ কোটি ডলারের প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ। এই বছরের জন্য শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে চিনের পাওনা প্রায় ১৫০ কোটি থেকে ২০০ কোটি ডলার। ভারত শ্রীলঙ্কাকে ঋণের থেকে বাঁচতে বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহায়তা করে থাকলেও শ্রীলঙ্কা এমনই ঋণ ফাঁদে পড়েছিল যে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরেও এই দেশের অবস্থা ঠিক করতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা এও জানিয়েছেন যে, চিন নিজেই শ্রীলঙ্কাকে ঋণের ফাঁদে ফেলে পরে সাহায্য করতে আসলেও তা সবকিছুই পরিকল্পনা অনুযায়ী করছে। ‘ঋণ কূটনীতি’ ব্যবহার করেই বিশ্ব জুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে তাদের উপর আরও নির্ভরশীল করে তুলছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। সুতরাং অনেক দেশেরই এ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, চিন কীভাবে শ্রীলঙ্কাকে ঋণ ফাঁদের জালে ফেলে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিয়েছে।

  • Sri Lanka: ভারতকে ধন্যবাদ , মোদি-বন্দনা শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীর মুখে

    Sri Lanka: ভারতকে ধন্যবাদ , মোদি-বন্দনা শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীর মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। অসময়ে সাহায্য করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও (Modi) ধন্যবাদ জানালেন শ্রীলঙ্কার নতুন দেশনেতা রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে (Ranil Wickremesinghe)। গত বৃহস্পতিবার টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে শ্রীলঙ্কার ২৬তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিক্রমসিঙ্ঘে। শ্রীলঙ্কার ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) নেতা বিক্রমসিঙ্ঘে এর আগেও পাঁচবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বিক্রমসিঙ্ঘে  শপথ নেওয়ার পর কলম্বোতে ভারতের হাইকমিশনের এক ট্যুইটে বলা হয়, শ্রীলঙ্কার জনগণের প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত থাকবে।

    শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে খবর, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই বিক্রমসিঙ্ঘে ভারতীয় হাইকমিশনার গোপাল বাগলের সঙ্গে দেখা করেন। বিক্রমসিঙ্ঘে তাঁকে জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে তিনি আগ্রহী। বিপদে পাশে দাঁড়ানোর জন্য মোদি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, “আমি ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখতে চাই। ধন্যবাদ জানাতে চাই প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র) মোদিকে।” বাগলেও তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভারত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার আশা করে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসারে গঠিত শ্রীলঙ্কা সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছে।

    [tw]


    [/tw] 

    ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকও (MEA) শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু এখনই এমন কোনও বার্তা কলম্বোকে দিতে চায় না নয়াদিল্লি যাতে মনে হয়, সে দেশের সরকারের সমস্ত পদক্ষেপে ভারতের রাজনৈতিক সিলমোহর রয়েছে। উল্লেখ্য, গত ছ’মাসে শ্রীলঙ্কায় ভারতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও ভূমিকা বহুল পরিমাণে বেড়েছে।  ভারত ঋণজর্জর শ্রীলঙ্কাকে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার দিয়েছে, প্রভূত জ্বালানি এবং ওষুধ সরবরাহ করেছে।

    শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka Crisis) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক টালমাটালের মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছেন ৭৩ বছর বয়সি বিক্রমসিঙ্ঘে। দেশের ঋণ জর্জরিত অর্থনীতিকে (Economic Crisis) স্থিতিশীল করতে ও রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটানোই তাঁর লক্ষ্য। নয়া প্রধানমন্ত্রী পেয়েও অবশ্য খুশি নন শ্রীলঙ্কাবাসী। তাঁদের একাংশ এখনও প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের ইস্তফার দাবিতে অনড়। তিনি না সরলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।

  • Ranil Wickremesinghe: আগামী কয়েকমাস শ্রীলঙ্কাবাসীর কাছে কঠিন সময় , ট্যুইট নয়া প্রধানমন্ত্রীর

    Ranil Wickremesinghe: আগামী কয়েকমাস শ্রীলঙ্কাবাসীর কাছে কঠিন সময় , ট্যুইট নয়া প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সরকারের ভাঁড়ার প্রকৃত অর্থেই খালি জেনে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন রনিল বিক্রমাসিঙ্ঘে। দ্রুত আন্তর্জাতিক মহল এবং ব্য়ক্তিগত স্তরে বিত্তশালীদের সাহায্য না মিললে শ্রীলঙ্কার ঘুরে দাঁড়ানো কার্যত অসম্ভব, বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে কোনওরকম ধোঁয়াশায় না রেখে ট্যুইটবার্তায় তাঁদের সামনে দেশের সাম্প্রতিক অবস্থা তুলে ধরলেন নয়া প্রধানমন্ত্রী। 

    দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে প্রথমেই বিক্রমাসিঙ্ঘে লেখেন, “আগামী কয়েক মাস আমাদের জীবনের সবচেয়ে কঠিন মাস হতে চলেছে। এই বিষয়ে দেশবাসীর কাছে কোনও তথ্য গোপন রাখতে চাই না আমি। এই তথ্য বা পরিসংখ্যান ভয়ের হলেও বাস্তব।” এই মর্মে দেশের মাথায় থাকা ঋণের ভার থেকে শুরু করে জ্বালানি ভাণ্ডার, বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে ওষুধ– প্রতিটি জরুরি পণ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন রনিল। 

    [tw]


    [/tw]

    বাজেট: দ্বীপরাষ্ট্রের অর্থনীতি অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে দিয়ে চলছে। পূর্বতন সরকার বাজেটে ২.৪ ট্রিলিয়ন শ্রীলঙ্কান মুদ্রা রাজস্বের কথা বলেছিলেন বাস্তবে তা ১.৬ ট্রিলিয়ন বলে ট্যুইটবার্তায় জানান বিক্রমাসিঙ্ঘে। ঘাটতির পরিমাণ অনেক। যা কোষাগারকে শূন্য করেছে।

    [tw]


    [/tw]

    ঋণ: প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ২০১৯-এর নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় ছিল ৭.৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু এখন ট্রেজারিতে ১ মিলিয়ন ডলার খুঁজে পাওয়া চ্যালেঞ্জের। ভারত-চিন সহ অন্যান্য দেশগুলির কাছ থেকে এখন ঋণ চাইতে হচ্ছে শ্রীলঙ্কাকে। 

    [tw]


    [/tw]

    মজুত জ্বালিনি: নগদ আর্থিক সঙ্কটে থাকা ওই দেশে পেট্রল (petrol) ফুরিয়েছে। দেশের কাছে মাত্র একদিনের গ্যাসোলিন মজুত রয়েছে বলে জানান বিক্রমাসিঙ্ঘে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতের সহায়তায় শীঘ্রই দেশে পেট্রল ও ডিজেলের দুটি করে মোট চারটি শিপমেন্ট এসে পৌঁছবে। তাতে পরের কয়েকটা দিন চললেও তারপর কী হবে, জানা নেই। শ্রীলঙ্কার জলসীমায় নোঙর করা অপরিশোধিত তেল এবং ফার্নেস অয়েল সহ তিনটি জাহাজের মূল্য পরিশোধের জন্য খোলা বাজারে ডলার অর্জনের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতের ক্রেডিট লাইন ব্যবহার করেও পেট্রল ও ডিজেলের সঙ্কট রয়ে গিয়েছে। 

    [tw]


    [/tw]

    বিদ্যুৎ পরিষেবা: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জ্বালানির প্রয়োজন। দেশে জ্বালানিই মজুত নেই। আগামী দিনে দেশবাসীকে হয়ত বা দিনে ১৫ ঘণ্টা অন্ধকারে কাটাতে হতে পারে। জ্বালানি-সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছে সরকার। জ্বালানি সহজলভ্য হলেই বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো যাবে।

    [tw]


    [/tw]

    গ্যাস: গ্যাসের জন্য হাহাকার শোনা যাচ্ছে চারিদিকে। গ্যাসের সমস্যা মেটাতে  অন্তত ২০ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। এই প্রয়োজন মেটাতে আমরা কথাবার্তা চালাচ্ছি। 

    [tw]


    [/tw]

    ওষুধ: প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশে ১৪ টি প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, অস্ত্রোপচারের উপকরণ সবরেই খামতি রয়েছে। সরবরাহকারীরা প্রায় চার মাস ধরে তাঁদের বকেয়া পাননি। তা মেটানোর মতো অর্থও এখনই সরকারের কাছে নেই।

    [tw]


    [/tw]

    যদিও বর্তমান সঙ্কট বেশিদিনের নয়। খুব শীঘ্রই তা সমাধানের চেষ্টা করা হবে, বলে জানান বিক্রমাসিঙ্ঘে।  তিনি বলেন, “এর জন্য আমাদের অবিলম্বে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় পরিষদ বা রাজনৈতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে,” বন্ধু দেশগুলির সঙ্গেও এ নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাদের থেকে সাহায্যের আশ্বাসও মিলেছে দাবি নয়া প্রধানমন্ত্রীর।

    এদিকে শ্রীলঙ্কার নতুন সরকার লোকসান রোধ করতে এবং শূন্য ভাঁড়ার ভরাতে জাতীয় বিমান সংস্থা বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছে, বলে খবর। দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য এই পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি বেতন প্রদানের জন্য টাকাও ছাপতে বাধ্য হচ্ছে শ্রীলঙ্কা। তবে যাই হোক কোনওভাবেই নিজের দায়িত্ব থেকে সরবেন না বলে জানান বিক্রমাসিঙ্ঘে। নতুন প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, দেশ ও দেশবাসীর প্রতি কর্তব্য পালনে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ। 

LinkedIn
Share