Tag: Rape

Rape

  • Jayanagar Rape: ৬২ দিনের মাথায় জয়নগরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় মুসলিম যুবককে ফাঁসির নির্দেশ

    Jayanagar Rape: ৬২ দিনের মাথায় জয়নগরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় মুসলিম যুবককে ফাঁসির নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়নগরে (Jayanagar Rape) নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় ৬২ দিনের মাথায় ফাঁসির সাজা শোনাল বারুইপুর আদলাত। সেইসঙ্গে মৃতার পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায়ও ঘোষণা করা হয়েছে। স্কুল পড়ুয়া নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করেছিল এক মুসলিম যুবক (Muslim Youth)। ঘটনা ঘটার পর থেকেই পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা চোখে পড়ার মতো ছিল। ফলে স্থানীয় জনতা ব্যাপক ভাবে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রকাশ করে। এমনকী পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশকে ঝাঁটাপেটা পর্যন্ত করেন গ্রামবাসীরা।

    ওই নাবালিকা চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল (Jayanagar Rape)!

    গত ৪ অক্টোবর জয়নগরের নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় রাজ্যরাজনীতি ব্যাপক ভাবে উত্তাল হয়ে পড়েছিল। ওই নাবালিকা চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মূল অভিযুক্তের নাম মুস্তাকিন (Muslim Youth)। টিউশন থেকে বাড়ি ফেরার সময় ওই ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে প্রথমে মুখ চেপে ধর্ষণ করা হয় এবং এরপর নির্মমভাবে মাথায় আঘাত করে খুন করা হয়। শরীরে মোট ৩৭টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা এবং রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছিল মহিষমারি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায়। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে স্থানীয় ফাঁড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে স্থানীয় জনতার বিরুদ্ধে। যদিও পাল্টা স্থানীয় জনতার দাবি, পুলিশ প্রথম থেকেই কেসটি গুরুত্ব দিয়ে দেখছিল না। পুলিশ যদি আগেই করা অভিযোগের ভিত্তিতে ঠিক করে পদক্ষেপ গ্রহণ করত, তাহলে হয়তো এমন পরিণতি হতো না। প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভের আগুনের আঁচ পড়ে থানার উপর। স্থানীয় জনতার দাবি, সবটাই ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া ছাড়া আর কিছুই না।

    আরও পড়ুনঃ ক্ষমতা দেখালেন তৃণমূল নেত্রী! ছেলে- আত্মীয় পরিজন মিলে ৯ জনের আবাস যোজনার তালিকায় নাম, সরব বিজেপি

    নৃশংস-বিরল ঘটনা

    মামলার রায়দানের পর সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘নৃশংস ঘটনা (Jayanagar Rape)। বিরল ঘটনা, তাই ফাঁসির আবেদন করেছিলাম আমরা। বিচারক দোষীকে ফাঁসির সাজাই দিয়েছেন। এই মামলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ডিএনএ প্রোফাইল মিলে গিয়েছে। ফলে সন্দেহের আর কোনও অবকাশই থাকে না।” ঘটনার তদন্ত থেকে জানা গিয়েছে, মূল অভিযুক্ত মুসলিম যুবককে গত ৫ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয়েছিল। ৭ অক্টোবর তদন্ত সিট গঠন করা হয়। এরপর ২৫ দিনের মাথায় গত ৩০ অক্টোবর চার্জশিট গঠন করা হয়। অবশেষে ৫ ডিসেম্বর মুস্তাকিনকে দোষী সাবস্ত্য করা হয়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কৃষ্ণনগরে তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন! সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে নির্যাতিতার মা

    Nadia: কৃষ্ণনগরে তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন! সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের আবহে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে পুজো মণ্ডপের কাছে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনা ধামাচাপা দিতে চাইছে। তাই, রাজ্য পুলিশের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না কৃষ্ণনগরের ‘নির্যাতিতা’ তরুণীর মা। তিনি চান সিবিআই মেয়ের মৃত্যুর তদন্ত করুক। আর্জি জানাতে বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Nadia)

    বুধবার সকালে কৃষ্ণনগরে (Nadia) এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়েরাই দেহটি রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরিবারের অভিযোগ, দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। আঙুল ওঠে তরুণীর প্রেমিকের দিকে। প্রাথমিক তদন্তে নেমে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মেয়েটির সঙ্গে বেশ কয়েক মাস ধরে সম্পর্ক ছিল অভিযুক্ত যুবকের। ওই যুবক ভিনরাজ্যে একটি হোটেলে কর্মরত ছিলেন। দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে হবে বলেও স্থির হয়। ওই যুবকের বাড়িতে মাঝে মধ্যেই যেতেন ওই তরুণী। তার পরেও এমন ঘটনা কেন, সেটাই ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। প্রায় ২৪ ঘণ্টা কাটলেও কৃষ্ণনগরে তরুণীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারের ঘটনায় অনেক ধোঁয়াশাই কাটছে না।

    আরও পড়ুন: হাসিনার পরিবারের সঙ্গে যুক্ত আটটি জাতীয় দিবস বাতিল হচ্ছে বাংলাদেশে

    ময়না তদন্তের রিপোর্ট কী বলছে?

    পরিবারের দাবি মেনে বৃহস্পতিবার কল্যাণীর (Nadia) জওহরলাল নেহরু হাসপাতালে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ‘নির্যাতিতার’ দেহের ময়নাতদন্ত হয়। যদিও, ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ধর্ষণের প্রমাণ মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এটাও মনে করছেন, অ্যাসিডে নয়, তরুণীকে জীবন্ত পুড়িয়ে খুন করা হতে পারে। কিছু নমুনা পরীক্ষার জন্য় বাইরে পাঠানো হচ্ছে। 

    পুলিশে আস্থা নেই, সিবিআই তদন্তের দাবি

    তার আগে মৃতার মা বলেন, ‘‘বুধবার সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত যে ঘটনাপ্রবাহ দেখেছি, তার পরে আর পুলিশের ওপরে আস্থা রাখতে পারছি না। পুলিশ এক জনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু এটা এক জনের কাজ হতে পারে না। বাকিদের ব্যাপারে পুলিশের কোন উৎসাহ নেই কেন?’’ তাঁর অভিযোগ, ’’পুলিশ একাধিক কাগজে সই করার জন্য চাপ দিয়েছে। এমনকী কাগজ না পড়িয়েই সই করানোর চেষ্টা করে। তাই, পুলিশের ওপর আমাদের আস্থা নেই। নিরপেক্ষ তদন্ত এবং যথোপযুক্ত সাজার জন্য মেয়ের খুনের তদন্ত করুক সিবিআই (CBI)। আইনজীবীর মাধ্যমে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানাব। প্রয়োজনে বাড়ি বিক্রি করে এই লড়াই চালাব।’’

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    কৃষ্ণনগরের (Nadia) তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় এদিন দুপুরে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান এডিজি সিআইডি সোমা দাস এবং সুপ্রতিম সরকার এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ)। পাশাপাশি সঙ্গে ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার কে অমরনাথ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিত কুমার সহ জেলার অন্যান্য আধিকারিকরা। কৃষ্ণনগরকাণ্ডে সিট (বিশেষ তদন্তকারী দল) গঠন করেছে রাজ্য পুলিশ। ওই ঘটনার তদন্তে সিআইডি (রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ)-র সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার জানালেন এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার। তিনি বলেন, কৃষ্ণগর জেলা পুলিশ সর্বস্তরে মৃত যুবতীর পরিবারের সঙ্গে রয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত দ্রুত গতিতে চলছে। অভিযুক্ত রাহুল বোসকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছি এবং অনেক জিজ্ঞাসাবাদ বাকি রয়েছে। সেই কারণে আমরা অভিযুক্তকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়েছি। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হবে। পাশাপাশি, যুবতীর পরিবারের যে দাবি ছিল সেই অনুযায়ী ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কাজ চলছে।

    হত্যার নেপথ্যে কী কারণ?

    ইতিমধ্যেই পুলিশ তদন্ত নেমে বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক লোকেশন ট্র্যাক করে খুনের কিনারা করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সূত্রের খবর, ঘটনার একদিন আগে একটি বাইকের শোরুমে যায় অভিযুক্ত ও নির্যাতিতা। নির্যাতিতা বাইক কেনার কিছু টাকা বাড়ি থেকে জোগাড় করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই কথা রাখতে না পারা নিয়ে তীব্র গোলমাল হয় বলে দু’জনের মধ্যে।

    অন্য একটি সূত্রের খবর, ওই তরুণী তাঁর প্রেমিকের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। তরুণীর প্রেমিক হোটেলে কাজ পেয়ে বেঙ্গালুরুতে চলে যান। বাড়িতে না জানিয়ে দিন পনেরোর জন্য তরুণী প্রেমিকের কাছেও চলে গিয়েছিলেন। সে সময়ে তাঁর পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    সম্পর্কে টানাপোড়েন নাকি টাকা পয়সা নিয়ে বিবাদের জেরে খুন, সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীর মুখ থেঁতলে খুন, মুসলিম যুবককে ফাঁসির সাজা দিল শিলিগুড়ি আদালত

    Siliguri: ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীর মুখ থেঁতলে খুন, মুসলিম যুবককে ফাঁসির সাজা দিল শিলিগুড়ি আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) মাটিগাড়ায় নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ফাঁসির সাজা দিল দার্জিলিং জেলা আদালত। ঠিক এক বছর ১৪ দিনের মাথায় সাজা ঘোষণা করা হল। শনিবার শিলিগুড়ির অতিরিক্ত নগর দায়রা আদালতের বিচারক অনিতা মেহেত্রা মাথুর এই সাজা ঘোষণা করেন। পক্সো আইনে মামলা হয়েছিল। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি মৃতার পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। শনিবার সাজা শোনার জন্য মৃতার পরিবার এবং প্রতিবেশীরা আদালতে হাজির হয়েছিলেন। অপরাধীকে পুলিশ আদালতে নিয়ে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Siliguri)

    আদালত (Court) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে একদিন বিকেলের দিকে একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। পথে মহম্মদ আব্বাস নামে এক যুবক তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। তাকে মাটিগাড়ার (Siliguri) জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল ওই মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতাকে যাতে চেনা না যায়, সে জন্য ইট দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়েছিল তার মুখ। ওই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। ঘটনার পর পরই বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ রাজু বিস্তা, স্থানীয় বিধায়ক আনন্দ বর্মন সহ দলীয় নেতৃত্ব নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এমনকী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে দোষীর শাস্তি হওয়ার আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন।

    আরও পড়ুন: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    আদালতে কী হল?

    খুনের মামলায় একাধিক সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত (Siliguri)। অবশেষে সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আব্বাসকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। সরকারি পক্ষের আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বিভিন্ন ঘটনার নজির তুলে ধরে অপরাধীর ফাঁসির পক্ষে সওয়াল করেন। অন্যদিকে, অপরাধীর আইনজীবী বুলা রায় জানান, তাঁর মক্কেলের বাড়িতে বৃদ্ধা মা রয়েছেন। তাঁর পরিবারের কথা ভেবে ফাঁসির আবেদন বিবেচনা করার আর্জি রাখেন তিনি। আব্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হয় বৃহস্পতিবারই। এরপরই শনিবার বিচারক ফাঁসির রায় দেন। সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, “খুব গুরুত্ব সহকারে প্রতিটি হাজিরায় আদালতে বোঝাবার চেষ্টা করেছি যে, এটা অন্যান্য মামলার তুলনায় ভিন্ন একটি মামলা। এই মামলায় দোষীর ফাঁসি হওয়া উচিত। আমরা ফাঁসির আবেদন জানিয়েছিলাম। আদালত মূলত দুটি বিষয়েব ওপর নজর দিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিল। প্রথমত খুন এবং দ্বিতীয়ত নাবালিকাকে ধর্ষণ।”

    নির্যাতিতার মা কী বললেন?

    সাজা ঘোষণার পরে নির্যাতিতার মা বলেন, “আদালতের এই রায়ে আমরা খুশি। আমার মেয়ে শান্তি পাবে। ওই লোকটির (দোষী) দু’জন স্ত্রী এবং সন্তান রয়েছেন। তার পরেও এমন কাজ! ওর ফাঁসিই হওয়া উচিত। প্রথম থেকেই মাটিগাড়া থানা এবং আদালতের উপর আমাদের ভরসা ছিল। সেই ভরসাই আমার মেয়েকে আজ বিচার পাইয়ে দিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি, সুকান্তের নেতৃত্বে বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

    Sukanta Majumdar: ধর্ষণে অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি, সুকান্তের নেতৃত্বে বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের চেষ্টায় অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি করেছে বিজেপি। আরজি করে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও অভিযান কর্মসূচি ছিল। সেই অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় বালুরঘাটে। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জেলা প্রশাসনিক ভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ বাধা দিলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক ভবন চত্বরে।

    মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার (Sukanta Majumdar)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে এদিন বালুরঘাটে জেলা প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে এগোলে পুলিশ ব্যারিকেড করে তাঁদের বাধা দেয়। সেই ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে যায়। একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনিক ভবনে ঢুকতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। তাতে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রতিবাদ সভাও হয়েছে। সেখানে প্রধান বক্তা ছিলেন সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “প্রশাসনিক ভবনে ঢুকতে গেলে আমাদের পুলিশ আটকে দেয়। আমাদের কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে দিয়েছে। কর্মীদের না আটকালে আরও বড় গন্ডগোলে পরিণত হত। আমরা কোনও গন্ডগোল চাই না। গোটা রাজ্য জুড়ে আরজি কর শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের সব জায়গায় মহিলারা ধর্ষিত হচ্ছে। আমরা বংশীহারীর ধর্ষণ কাণ্ডের অভিযুক্তর ফাঁসির দাবিতে এই বিক্ষোভ করলাম।”

    বিধানসভায় আনা বিল নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    বিধানসভায় ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুর বিল নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “এই বিল লোক দেখানো বিল। আমরা এই বিল সমর্থন করেছি। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর মুখোশ খোলার জন্য। একইসঙ্গে আরজি কর ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান সুকান্ত। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে আদিবাসী ওই স্কুল ছাত্রীর ঘরে ঢুকে পড়ে অভিযুক্ত। মেয়েটির পাশের ঘরে তার বাবা মা ঘুমোচ্ছিল। সেই সময় ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

    প্রমাণ না রাখার জন্য অভিযুক্ত প্যান্টের দড়ি দিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টাও করে বলেও দাবি নির্যাতিতার পরিবারের। মেয়েটির গলায় দাগ রয়েছে। তবে মেয়েটির চিৎকারে ছুটে আসে পরিবার ও প্রতিবেশীরা। অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। রাতেই নির্যাতিতাকে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযুক্তকে ধরে ফেলে পুলিশ। সেই অভিযুক্তর ফাঁসির দাবিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও কর্মসূচি করে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam: পুলিশ থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ, মৃত্যু নাবালিকা ধর্ষণে অভিযুক্ত মুসলিম যুবকের

    Assam: পুলিশ থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ, মৃত্যু নাবালিকা ধর্ষণে অভিযুক্ত মুসলিম যুবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যালে গণধর্ষণের ঘটনায় যখন তৃণমূল সরকারের পুলিশের বিরুদ্ধে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠছে। নির্যাতিতার বাবা পুলিশের ওপর আস্থা হারিয়ে সিবিআই তদন্তের ওপর ভরসা রাখছেন। এই আবহের মধ্যে অসমে হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকারের পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে মারা গেল এক গণধর্ষণে অভিযুক্ত। মৃতের নাম তফজ্জুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে ১৪ বছরের এক নাবালিকার গণধর্ষণে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল। সেখানে অসম (Assam) পুলিশ যে এই ধরনের ঘটনায় অভিযুক্তকে রেয়াত করে না এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Assam)

    শুক্রবার সন্ধ্যায় অসমের নগাঁওয়ের  ধিং (Assam) এলাকায় গণধর্ষণের শিকার হয় ১৪ বছরের একটি নাবালিকা। গৃহশিক্ষকের কাছে পড়ে বাড়ি ফেরার সময় স্থানীয় একটি পুকুর পাড়ে তাকে ধর্ষণ করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক। কিছুক্ষণ পর তাকে রাস্তার পাশে নগ্ন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ এসে নাবালিকাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তফজ্জুল ইসলাম নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। পলাতক আরও দুই অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর ৪টে নাগাদ ধৃতকে নগাঁওয়ের ধিং নামক এক জায়গায় নিয়ে যায় পুলিশ। ওই জায়গাতেই কিশোরীকে গণধর্ষণ (Rape) করেছিল অভিযুক্তরা। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতেই পুলিশ অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে অভিযুক্ত সুযোগ বুঝে পুলিশকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। দৌঁড়ে পুকুরে ঝাঁপ দেয় অভিযুক্ত। কিন্তু, আর পুকুর থেকে উঠতে পারেনি। পুকুরেই ডুবে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের। দুই ঘণ্টা পরে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এসে দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের হাতে হাতকড়া পরানো ছিল। এক কন্সটেবলের হাত ছাড়িয়ে অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আহত হয়েছেন ওই পুলিশকর্মী।

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে সরব হিমন্ত

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, ‘‘এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের কাউকে ছাড়া হবে না। অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হবে। আমি অসম (Assam) পুলিশ প্রধানকে ঘটনাস্থলে যেতে বলেছি। অপরাধীদের যাতে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করতে বলেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NCW: ‘প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা স্পষ্ট’, আরজি করকাণ্ডের রিপোর্টে দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনের

    NCW: ‘প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা স্পষ্ট’, আরজি করকাণ্ডের রিপোর্টে দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Case) তদন্তে রাজ্যে এলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের (NCW) দুই সদস্যের একটি দল। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বছর একত্রিশের এক চিকিৎসককে। সেই ঘটনারই তদন্তে এসেছে ওই প্রতিনিধি দল। প্রাথমিক যে রিপোর্ট তাঁরা পেশ করেছেন, তাতে নিরাপত্তাহীনতা ও পরিকাঠামোর অভাবের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    কী বলছে কমিশন? (NCW) 

    শুক্রবার কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাসপাতালের যে জায়গায় ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটেছে, প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে সেখানে হঠাৎ করেই সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। কমিশনের প্রতিনিধি দলের দাবি, হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক, নার্স এবং ইন্টার্নদের জন্য যথেষ্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। ন্যূনতম পরিকাঠামোর ব্যবস্থাও নেই। রিপোর্টে পুলিশের ভূমিকা ও আরজি কর মেডিক্যালের প্রাক্তন অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। জাতীয় মহিলা কমিশনের তদন্ত কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশের উচিত ছিল ঘটনাস্থল অবিলম্বে সিল করা।

    আরও পড়ুন: ‘‘গোটা ডিপার্টমেন্টকেই সন্দেহ করি’’, সিবিআইকে বলেছেন নির্যাতিতার বাবা

    তদন্তে ত্রুটি!

    ইতিমধ্যেই আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে আটক করেছে সিবিআই। চলছে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ। শনিবারও এক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁকে। এহেন আবহে জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধি দল জানিয়ে দিয়েছে, তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের মামলার তদন্তে কিছু ত্রুটি রয়েছে। আরজি কর হাসপাতালে শৌচাগারের অভাব, আলো এবং নিরাপত্তায় ফাঁক রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। সন্দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রেও অসম্পূর্ণতা ছিল বলে দাবি কমিশনের প্রতিনিধি দলের (NCW)। তাই দ্রুত পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আর্জি জানিয়েছে তারা। প্রমাণ লোপাটের অভিযোগও তোলা হয়েছে আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। কেন মহিলা হস্টেলে মাত্র একটি সিসিটিভি, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মহিলা কমিশনের (NCW) এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন কমিশনের সদস্য দেলিনা খোন্দগাপ এবং আইনজীবী সোমা চৌধুরী। সোমাকে নিয়োগ করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি (RG Kar Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বহরমপুরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি, শোরগোল

    Murshidabad: বহরমপুরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালা বদলের পর হিন্দুদের ওপর অকথ্য অত্যাচারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ব দরবারে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এপার বাংলায় প্রতিবাদ আন্দোলন হয়েছে। এই আবহের মধ্যে এবার পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ল মুর্শিদাবাদে। শুক্রবার সকালে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর থানার হাতিনগর এলাকার একটি স্কুলের গেটে এই পোস্টার দেখতে পাওয়া যায়। এরকম ২টি পোস্টার পাওয়া গিয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহর জুড়ে। কে বা কারা এই ধরণের পোস্টার সাঁটল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    উদ্ধার হওয়া একটি পোস্টারের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পোস্টারের ওপরে লেখা ‘পাকিস্তান (Pakistan) জিন্দাবাদ’। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়। ওদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছেন মহিলারা। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার রাতে এই পোস্টার লাগিয়েছে কেউ বা কারা। তবে, কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা বলতে পারেনি কেউ। তদন্তে নেমে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। রাজ্য সরকারের ওপর ভরসা নেই। তাই মুর্শিদাবাদকে (Murshidabad) কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হোক বা বিএসএফ অথবা কেন্দ্রীয় কোনও বাহিনীর ওপর নিরাপত্তার ভার দেওয়া হোক। তবে এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিধায়ক বিজেপির গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, “এই ধরনের কাজ যাঁরা করছেন, তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিত। রাজ্যজুড়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন চুপ করে রয়েছে। এখানে আইনের শাসন নেই।” প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “কিছু শক্তি মুর্শিদাবাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের ঘটনার পর এর প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। কারণ, বাংলাদেশে অনেক ভারত বিরোধী শক্তি, সাম্প্রদায়িক শক্তি, মৌলবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে। সেখানে হিন্দুদের ওপর হামলা হচ্ছে।” এই নিয়ে বহরমপুর জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “এই ঘটনা কোনওভাবেই অভিপ্রেত নয়। আমরা জেলা পুলিশকে জানিয়েছি। দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি কর-কাণ্ডে মঙ্গলবারও কর্মবিরতি চলল রাজ্যের ২১টি হাসপাতালে, দুর্ভোগ চরমে

    RG Kar Protest: আরজি কর-কাণ্ডে মঙ্গলবারও কর্মবিরতি চলল রাজ্যের ২১টি হাসপাতালে, দুর্ভোগ চরমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Protest) প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে তোলপাড়় চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে (Agitation) সামিল হয়েছেন। জানা গিয়েছে, কর্মবিরতি পালনের ডাক দেয় ২১টি হাসপাতাল। এর মধ্যে কলকাতার সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল তো রয়েছে, পাশাপাশি জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ এবং সরকারি হাসপাতালগুলিতেও কর্মবিরতি পালন করেন চিকিৎসকেরা। অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে আউটডোর চিকিৎসা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে, কিছু কিছু হাসপাতালে রোগীদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে কর্মবিরতিতে রাশ টানা হয়। এক ঘণ্টার প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করার পরে আবার স্বাভাবিক হয় পরিষেবা।

    জেলায় জেলায় কর্মবিরতি (RG Kar Protest)

    উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাটে স্বাস্থ্য জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মঙ্গলবার সকাল থেকে নার্স এবং চিকিৎসকদের কর্মবিরতি (RG Kar Protest) শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা  বলেছেন, “আমাদের এক সহকর্মীকে খুনের প্রতিবাদে আমরা ১ ঘণ্টার জন্য কর্মবিরতির ডাক দিতে বাধ্য হয়েছি।” এদিন বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালেও চিকিৎসকেরা এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করে হাসপাতাল চত্বরে প্রতিবাদ জানান। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা বন্ধ রেখে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন ডাক্তাররা। হাওড়ার মহেশ ভট্টাচার্য হোমিওপ্যাথি কলেজে আন্দোলন অব্যাহত। হুগলি চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ওপিডি-তে কাজ করছেন না জুনিয়র চিকিৎসকরা। সিনিয়ররা পরিষেবা চালু রেখেছেন। মঙ্গলবার বেলা এগারোটা থেকে বারোটা পর্যন্ত ‘পেন ডাউন’ করেন হাসপাতালের সব চিকিৎসক। তাতে যোগ দেন নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। মঙ্গলবারও কালো ব্যাজ পরে হাতে পোস্টার নিয়ে স্লোগান দেন। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি চলছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সকাল থেকে আউটডোর বিভাগে চিকিৎসার জন্য রোগীদের টিকিট দেওয়া শুরু হলেও পরে কয়েক জন জুনিয়র চিকিৎসক এসে কাউন্টার বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক পড়ুয়াদের আন্দোলন চতুর্থ দিনেও অব্যাহত।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনে ডাক্তাররা

    নিরাপত্তার দাবিতে অনির্দিষ্ট কালের জন্য অবস্থান-বিক্ষোভ (RG Kar Protest) শুরু করেন পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডাক্তারি পড়ুয়ারা। মেডিক্যাল কলেজের মূল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা। বন্ধ থাকে আউটডোর পরিষেবা, বন্ধ ডাক্তারি পঠনপাঠন।  অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও চলছে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন। আউট ডোরের সামনে বিক্ষোভ-অবস্থান করেন জুনিয়র ডাক্তার-সহ ছাত্র-ছাত্রীরা। চিকিৎসক না আসায় বালুরঘাট হাসপাতালে মৃত্যু হয় এক বালকের। সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ তাকে গুরুতর জখম অবস্থায় ভর্তি করানো হলেও সকাল ৭টা পর্যন্ত কোনও চিকিৎসক দেখতে আসেননি। তবে এর সঙ্গে চিকিৎসকদের কর্মবিরতির সম্পর্ক নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।

    বারাসতে নেই কর্মবিরতি

    রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে যখন টালমাটাল পরিস্থিতি, এমার্জেন্সি-নন এমার্জেন্সিতে কর্মবিরতি চলছে, সেইসময় বারাসত মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রতিবাদ তারা জানাচ্ছে। তবে কর্মবিরতির পথে হাঁটছে না। বারাসত মেডিক্যাল কলেজের সুপার সুব্রত মণ্ডল বলেন, আমরা রোগী ফেরাচ্ছি না। আসলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসেন রোগীরা। তাঁরা চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাবেন, এটা সম্ভব নয়। আর বিভিন্ন হাসপাতালে এখন যেহেতু কর্মবিরতির কারণে পরিষেবা সমস্যায় পড়ছে, তাই চেষ্টা করছি রোগীকে অন্যত্র ট্রান্সফার না করে যথাসাধ্য এখানেই চিকিৎসা দিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • R G Kar Medical: নিহত তরুণী চিকিৎসকের শরীরে ১১টির বেশি ক্ষতচিহ্ন, বারংবার ধর্ষণের প্রমাণ!

    R G Kar Medical: নিহত তরুণী চিকিৎসকের শরীরে ১১টির বেশি ক্ষতচিহ্ন, বারংবার ধর্ষণের প্রমাণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (R G Kar Medical) মৃত তরুণী চিকিৎসকের শরীরে রয়েছে ১১টির বেশি আঘাতের চিহ্ন। সেই সঙ্গে হয়েছে একাধিকবার ধর্ষণও (Rape), মিলেছে এমনই প্রমাণ। ফলে কোনও একজনের পক্ষে কি এই কাজ করা সম্ভব? নাকি ঘটনায় আরও অনেকে যুক্ত? এরকমই প্রশ্ন তুলছেন মেডিক্যাল পড়ুয়া এবং চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ। আন্দোলনরত পড়ুয়াদের দাবি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দ্রুত সামনে আনতে হবে। একই ভাবে তৃণমূল মূল অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

    একাধিক অপরাধী এখানে উপস্থিত ছিল?

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃতার (R G Kar Medical) শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চোখ এবং মুখ থেকে রক্তপাতের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। শরীরের বাঁ পা, পেট, হাত, ঘাড়-সহ একাধিক জায়গায় মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। চলেছে লাগাতার ধর্ষণ (Rape)। একজন ফরেন্সিক মেডিসিনের চিকিৎসক বলেছেন, অপরাধ এবং আঘাতের চিহ্ন দেখে স্পষ্ট বলা যায়, এই ডাক্তারি পড়ুয়ার তরুণীর উপর অনেক সময় ধরে নির্মম অত্যাচার করা হয়েছে। তবে একজন এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকলে হয়তো ওই পড়ুয়া স্বাভাবিক চিৎকার বা বাধা দেওয়ার কাজে সক্ষম হতে পারতেন। কিন্তু নির্যাতনের মাত্রা দেখে অনুমেয় যে একাধিক অপরাধী এখানে উপস্থিত ছিল। আরও এক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিনের চিকিৎসক জানিয়েছেন, মৃতার শরীরে পাওয়া ক্ষতগুলিকে ভালো করে পরীক্ষা করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। গলা এবং বুক, দুই জায়গায় গায়ের জোরে চেপে ধরার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তবে অপরাধের ধরন দেখে মনে হচ্ছে একাধিক ব্যক্তি এখানে জড়িত। কারণ শ্বাসরোধ করে মারতে গেলে দুই হাত গলায় থাকবে। আবার এক ব্যক্তির পক্ষে শ্বাসরোধ করলে, বুকে চাপ দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে সবটা একজনের পক্ষে করা কঠিন। তবে অনেকক্ষুণ ধরে অত্যাচার না করলে এমনটা সম্ভব নয়। এতগুলি আঘাতের চিহ্ন কীভাবে সম্ভব। তাই নিয়ে উঠছে বিস্তর প্রশ্ন। অবশ্য পুলিশ গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিই একমাত্র অভিযুক্ত বলে জানিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মমতার সরকারকে ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা, দেশব্যাপী আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি আইএমএ’র

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে উত্তাল

    শনিবার আরজিকরের (R G Kar Medical) সমানে দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিরাট সংখ্যায় পড়ুয়ারা আন্দোলনে নামে। উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। এই আন্দোলনে ডাক্তার এবং সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল। বিক্ষোভরত পড়ুয়ারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য সচিব ডিএমই-র সঙ্গে মিটিং হয়েছে। ফাস্ট ট্রায়াল কন্ডাক্ট হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। দোষীদের কঠিন শাস্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। রাতের বেলায় পুলিশ নিরাপত্তা দেবে বলে জানিয়েছে। আরও বেশি পরিমাণে সিসিটিভি লাগানো হবে। হস্টেলের সমস্যা দ্রুত মেটানো হবে। বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিদের জন্য রেজিস্টার খাতা চালু করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Nandigram: নন্দীগ্রামে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে (Nandigram) নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। এই ধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনা ঘটেছে নন্দীগ্রাম দুই নম্বর ব্লকে। নির্যাতিতার অভিযোগের উপর নির্ভর করে পরিবার এবং এলাকার মানুষ থানায় গিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, মেয়েটি এখানে নিজের মামার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। দিল্লিতে বাবা-মায়ের কাছে থাকত এবং ওখানেই পড়াশুনা চলছিল তার। এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। ছাত্রীর পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তকে রাজনৈতিক সংরক্ষণ যেন না দেওয়া হয়। কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক অভিযুক্তকে। পাল্টা তৃণমূলের বক্তব্য, “আইন আইনের পথে চলবে। দোষী কেউ থাকলে শাস্তি চাই।”

    পরিবারের অভিযোগ (Nandigram)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দেড় মাস আগে ছুটিতে মামার বাড়ি নন্দীগ্রামে (Nandigram) এসেছিল ছাত্রী। গত ২৫মে ওই গ্রামের এক ব্যক্তি ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। এই ব্যক্তি আবার বিবাহিত এবং এক সন্তানও রয়েছে তার। প্রথমে অভিযুক্ত ব্যক্তি, ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় করে এবং এরপর ভাব করে, তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। সেই সঙ্গে হুমকি দেয়, যদি মুখ খুলিস, তাহলে প্রাণে মেরে ফেলব। কিন্তু বাড়িতে এসে ছাত্রী ভয়ে প্রথমে কিছু না বললেও পরে সবটা খুলে বলে। এরপর নির্যাতন সম্পর্কে জেনে পরিবার এবং এলাকার মানুষ ১০ জুন নন্দীগ্রাম থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করে। পরিবারের আরও দাবি, ঘটনার পর কয়েক সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকার প্রতিবেশীদের অভিযোগ, “অভিযুক্ত এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। পুলিশ হয়তো শাসকদলের কর্মী বলেই গ্রেফতার করছে না।“

    আরও পড়ুনঃ রোবট অনন্যার প্রেমে ভোজনরসিকরা এই রেস্তোরাঁয় কেন ভিড় জমাচ্ছেন জানেন?

    তৃণমূলের বক্তব্য

    নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে এলাকার মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। দোষীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে। এই মর্মে একাধিক সামজিক সংগঠনের তরফ থেকে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে। আবার স্থানীয় (Nandigram) তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান বলেছেন, “অভিযুক্ত কে? তাঁর রাজনীতির রং না দেখেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই।” অপর দিকে সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী এখন এলাকা থেকে পলাতক। রাজ্যে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ আগেও শাসক দলের একাধিক নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে উঠে এসেছিল। ঘটনায় তৃণমূল অনেকটাই চাপের মুখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share