Tag: Rape

Rape

  • Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি পৃথক মামলা, পৃথক হাইকোর্ট! সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্ককে (Consensual Sex) ধর্ষণ বলতে রাজি নয় দিল্লি ও কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণে এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ‘পকসো আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়েদের যৌনশোষন থেকে রক্ষা করা। আইনটি তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে স্বেচ্ছায় প্রেম বা শারীরিক সম্পর্ককে অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করে না।’ একটি পকসো মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের। বিচারপতি আরও উল্লেখ করেছেন, জেলে অপরাধীদের সঙ্গে রাখা একজন যুবকের ভাল হবে না, আরও খারাপের দিকে চলে যাবে সে। এই বলে অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছে আদালত।

    দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অভিযোগ, ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরী ২০ বছর বয়সি এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলে শারীরিক সম্পর্ক হয়। ঘটনায় গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। তখন পরিবারের সদস্যরা ওই যুবকের বিরুদ্ধে কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ তোলে। সেই ঘটনায় ২০২১ সালে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে জেলে রয়েছে ওই যুবক। জামিনের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানায় ওই যুবক। মামলাটি ওঠে বিচারপতি বিকাশ মহাজনের বেঞ্চে। আদালতের মতে, ১৭ বছর বয়সি ওই মেয়েটির সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  বিচারপতি বিকাশ মহাজনের পর্যবেক্ষণ, ‘যখন তাদের শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তখন যুবতীর বয়স ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ বছর। একটা প্রেমের সম্পর্ক বোঝার জন্য এই বয়স যথেষ্ট। এছাড়া অভিযুক্তের সঙ্গে সহমতেই সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। শারীরিক সম্পর্কের পথে তারা এগিয়েছিল নিজেদের ইচ্ছায়।’

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    কর্নাটক হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অন্যদিকে ৬ বছর ধরে সম্মতিক্রমেই শারীরিক সম্পর্ক। বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই মহিলাকে বিয়ে করেননি এক ব্যক্তি। এরপর ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত সোশ্য়াল মিডিয়ার মাধ্য়মে তাদের মধ্য়ে পরিচয় হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে তাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক হয়। সেই ২০১৯ সাল থেকে তাদের মধ্য়ে সম্পর্ক। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়েছে, ৬ বছর ধরে যাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে সেটাকে কখনওই ধর্ষণ বলে বলা যাবে না। আদালত জানিয়েছে ৫ বছর ধরে সম্মতিক্রমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হলে সেটা কোনওভাবেই তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে নয়। এরপর কর্নাটক হাইকোর্ট ধর্ষণের অভিযোগকে খারিজ করে দিয়েছে।  বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্ন জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকে তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা হয়েছিল। তবে পারস্পরিক সম্মতিতে যে যৌনক্রিয়া সেটাকে ধর্ষণ বলে উল্লেখ করা যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nawsad Siddique: ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা! রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি নওশাদের

    Nawsad Siddique: ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা! রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি নওশাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা। ভাঙড়ে প্রবেশ করতে পারছেন না সেখানকার বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Nawsad Siddique)। তবে বিনা যুদ্ধে জমি ছাড়তে নারাজ তিনি। বললেন, ‘‘এ ভাবে বিপ্লব আটকানো যায় না।’’ভাঙড়ের পরিস্থিতি জানিয়ে, রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী ও বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিলেন তিনি। জানালেন, প্রয়োজনে কেন্দ্রেও অভিযোগ জানাবেন। 

    ভাঙড়ে শান্তিপ্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য

    মঙ্গলবার বারুইপুর সংশোধনাগার থেকে জামিনে মুক্ত ১২ জন আইএসএফ সমর্থককে স্বাগত জানাতে যান নওশাদ সিদ্দিকি। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, ‘‘১৪৪-এর অজুহাতে আমাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমাকে আটকে রাখতে পারবে না। আমি ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালতের মাধ্যমে আমি সেখানে ছাড়পত্র পাব।’’ নওশাদের কথায়, ‘‘আমায় ১৪৪ ধারার কথা বলে যে ভাবে আটকাচ্ছে (পুলিশ), তাতে আমি রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, স্পিকার স্যার (বিধানসভার স্পিকার)— সমস্ত দফতরকে জানিয়েছি। এর পর যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মেনে আমি কেন্দ্রের দ্বারস্থ হব। আমার লক্ষ্য, ভাঙড়ে শান্তিপ্রতিষ্ঠা করা।’’ ভাঙড়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে নওশাদ বলেন,‘‘ভাঙড়ের মানুষকে যে ভাবে অশান্তির মধ্যে রাখার চেষ্টা হচ্ছে সেটাকে প্রতিহত করে, সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন যাতে ভাঙড়বাসী করতে পারেন সেটা ব্যবস্থা করব আমি। যারা শান্ত ভাঙড়বাসীকে অশান্তির মধ্যে রেখেছিল, আতঙ্কের মধ্যে রেখেছিল, যারা ভাঙড়কে রাজনৈতিক উত্তাপের শিরোনামে নিয়ে গেল, সেই সমস্ত রাজনীতির কারবারীদের আমি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ঘুমোতে দেব না।’’

    নওশাদের রক্ষাকবচের মেয়াদ বৃদ্ধি

    অন্যদিকে, মঙ্গলবারই ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির রক্ষাকবচের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হল। আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত ওই রক্ষাকবচ বৃদ্ধি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাসের ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ, ২৭ জুলাইয়ের আগে পর্যন্ত নওশাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগেরর মামলায় কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের তিন দিন আগে, ৫ জুলাই নিউ টাউন থানায় ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা নওশাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ দায়ের করেন এক তরুণী। তাঁকে ‘সহায়তা’ করেছিলেন সল্টলেক পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের তরফে ভাঙড়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত। ওই অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেন নওশাদ। পরে জানা যায়, ডোমকল শহরে তৃণমূলের সর্বশেষ যে কমিটি ঘোষিত হয়েছিল, তাতে মোট পাঁচ জনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। তার চার নম্বরে নাম ছিল নওশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগকারিণী তরুণীর। 

  • The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনারের (Live-in-Partner) সঙ্গে সিনেমা হলে গিয়েছিলেন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখবেন বলে। বছর তেইশের ওই যুবতী তখনও জানেন না ঠিক কী ঘটতে চলেছে এর পরে। সিনেমা শেষে হল থেকে বেরিয়ে ওই হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করেছেন তাঁর সঙ্গী। জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টাও করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করতেই গ্রেফতার করা হয় ওই যুবককে। মহম্মদ ফৈজান নামের ওই যুবকের বিরুদ্ধে লভ জিহাদের মামলা রুজু করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের ওই ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র (The Kerala Story) গল্প

    কীভাবে বিয়ের নামে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তকরণ করা হয়, কীভাবে না জেনেই এক শ্রেণির মুসলিম যুবকের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ধর্ম-পরিবার-পরিজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন তরুণীরা, সে সবই তুলে ধরা হয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’তে (The Kerala Story)। পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যে সিনেমাটি প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি  হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে জট খোলে। যদিও তার পরেও মুক্তি পাওয়ার পর প্রথম তিনদিন ছাড়া এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কোথাও আর দেখানো হয়নি ছবিটি। ইন্দোরে লিভ-ইন পার্টনারের সঙ্গে সেই ‘বিতর্কিত’ ছবি দেখতে গিয়েই বাঁধল বিপত্তি।

    বাস্তবেও ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র ছবি?

    ওই যুবতীর অভিযোগ, নিজের আসল নাম লুকিয়ে ফৈজান তাঁর সঙ্গে মেলামেশা করেন। একটি কোচিং সেন্টারে পড়তে গিয়েই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। ওই সময় নামের পাশাপাশি ফৈজান তাঁর ধর্মও গোপন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয় একাধিকবার। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চারবছর ধরে ওই যুবতীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন ফৈজান। পরে বিভিন্ন সময় ফৈজান ওই তরুণীকে ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ। দিন দুই আগে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখতে গিয়েই প্রকাশ্যে আসে ফৈজানের আসল পরিচয়। তার পরেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ইন্দোরের ওই যুবতী।

    আরও পড়ুুন: ভূস্বর্গে জাঁকজমক করে চলছে জি২০ পর্যটন বৈঠক, তাতেই ঘাবড়ে গিয়েছে পাকিস্তান!

    মধ্যপ্রদেশের এক পুলিশ আধিকারিক জানান, সম্প্রতি ওই যুবতী ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখতে গিয়েছিলেন। সিনেমা দেখার শেষে লিভ-ইন পার্টনারের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয় তাঁর। ওই যুবতীকে হেনস্থা করে চম্পট দেয় ওই যুবক। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। যুবতীর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliaganj: থানায় আগুন, পুলিশকে ইট! গণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে ফের অগ্নিগর্ভ কালিয়াগঞ্জ, কেন?

    Kaliaganj: থানায় আগুন, পুলিশকে ইট! গণধর্ষণকাণ্ড নিয়ে ফের অগ্নিগর্ভ কালিয়াগঞ্জ, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল রাজবংশী এবং আদিবাসী সংগঠনের যৌথমঞ্চের। আর সেই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় কালিয়াগঞ্জ (Kaliaganj) থানা চত্বর। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয়। পুলিশের রাইফেল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রথমে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পরে, টিয়ার গ্যাস ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। পরে, আন্দোলনকারীরা থানার পাঁচিল ভেঙে ভিতরে ঢুকে যায়। পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুন লাগানো হয় থানার একটি ঘরেও।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ২১ এপ্রিল কালিয়াগঞ্জের পালোইবাড়ি এলাকার পুকুর পাড় থেকে উদ্ধার হয় দ্বাদশ শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ। ঘটনায় ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে সরব হয় মৃতার পরিবার ও গ্রামবাসীরা। ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে পরপর কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ ও আন্দোলন চলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পালোইবাড়ি সাহেবঘাটা সংলগ্ন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এদিন থানায় ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে এদিন আন্দোলন নামে রাজবংশী তফশিলি ও আদিবাসী সংগঠন গুলির সমন্বয় কমিটি। মঙ্গলবার তাদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠে কালিয়াগঞ্জের (Kaliaganj) কালীবাড়ি সংলগ্ন এলাকা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু করে তারা। ঘটনায় পিছু হঠতে দেখা যায় পুলিশকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে নামানো হয় কমব্যাট ফোর্স ও বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বিক্ষোভকারীদের ধরতে পালটা দৌড় শুরু করে পুলিশ ও কমব্যাট ফোর্স। ঘটনায় এক বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। এরপরই আন্দোলনকারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। থানার পাঁচিল ভাঙার পাশাপাশি থানায় আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। আগুন ধরানো হয় থানার একটি গাড়িতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCPCR: কেন্দ্রীয় কর্তার হুমকির পরই সুর নরম, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্য

    NCPCR: কেন্দ্রীয় কর্তার হুমকির পরই সুর নরম, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক হুমকিতেই সুর নরম হয়ে গেল জেলা প্রশাসনের। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ (Rape) করে খুনের ঘটনায় রবিবারই অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছিলেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের (NCPCR) চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো। কেন্দ্রীয় আধিকারিক ক্ষোভ দেখানোর প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর অবশেষে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সনের সঙ্গে বৈঠক করলেন জেলা পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। সোমবার সকালে রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে যান মহকুমাশাসক কিংশুক মাইতি, অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) মানস মণ্ডল, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ভাস্করজ্যোতি দেবনাথ। পরবর্তীতে এসে পৌঁছান এই মামলার তদন্তকারী অফিসার রিগদেন সেরিং লেপচা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলছেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের (NCPCR)  চেয়ারপার্সন।

    জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর কী বললেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের (NCPCR)  চেয়ারপার্সন?

    রবিবার দিনভর একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়ান জাতীয় সুরক্ষা কমিশন (NCPCR) এবং রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের কর্তারা। যার জেরে রবিবার কোনও বৈঠকও হয়নি। যদিও রবিবার রাতে পুনরায় বৈঠক স্থির করার প্রস্তাব দেয় জেলা প্রশাসন। সেই মতো সোমবার সকালে এই বৈঠক বসে। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের (NCPCR) চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো। তিনি বলেন, ছাত্রীর ধর্ষণের (Rape) ঘটনার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আমাদের দেওয়া হয়নি। তিনজন চিকিত্সক ময়না তদন্ত করেছিলেন। কিন্তু, আমার সঙ্গে একজন চিকিত্সক দেখা করেছেন। বাকিদের ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের এক আধিকারিকের রবিবার সার্কিট হাউসে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, একজন এডিএম তাঁকে যেতে দেননি। এই তদন্তে আমাদের কোনওরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে না। যারজন্য একটি বৈঠক করার জন্য আমাদের ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।

    কী বললেন রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের আধিকারিকেরা?

    কালিয়াগঞ্জকাণ্ড নিয়ে জাতীয় ও রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের মধ্যে সংঘাত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। শনিবার থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে সাংবাদিক বৈঠক করে ক্ষোভ ও পাল্টা ক্ষোভ উগরে দিয়েছে উভয় পক্ষই। সোমবারও একই ঘটনা সামনে এসেছে। এদিন সকালে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সনের সাংবাদিক বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন সুদেষ্ণা রায় এবং অপর প্রতিনিধি অনন্যা চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা বলেন, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনকে (NCPCR) পুলিশ প্রশাসন সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছে। সোমবারের বৈঠকে পুরো ঘটনা সবিস্তারে বলা হয়েছে। কিন্তু, জাতীয় কমিশন তা মানতে নারাজ বলে অভিযোগ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বিষক্রিয়ায় মৃত্যুর কথা উল্লেখ থাকলেও জাতীয় কমিশন (NCPCR) তা না মেনে মনগড়া কথা বলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rape: তিলজলার পর মালদহের গাজোলেও হেনস্থার শিকার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, প্রতিবাদ বিজেপির

    Rape: তিলজলার পর মালদহের গাজোলেও হেনস্থার শিকার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার তিলজলার পর মালদহের গাজোল। স্কুলের মধ্যে ছাত্রীকে ধর্ষণের (Rape) ঘটনায় নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাজ্য প্রতিনিধি দলের হাতে হেনস্থা হতে হল কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদের। এমনকী তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্যা সাগরিকা সরকার জুতো হাতে নিয়ে তেড়ে যান কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের দিকে। আর সমস্ত ঘটনাই ঘটল পুলিশের সামনে। এমনটাই অভিযোগ কেন্দ্রীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদের।

    এর আগে তিলজলাতেও শিশু সুরক্ষা কমিশনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে একইভাবে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। কেন্দ্রীয় ওই দলের সঙ্গে এদিন ছিলেন ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। তাঁকেও হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধিদের তদন্তে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক ঘটনাস্থলেই ধর্নায় বসেন। বিজেপি বিধায়ক বলেন, আমরা ওই নির্যাতিতার পরিবার যাতে সঠিক বিচার পায় তারজন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। তৃণমূলীরা এসে যে ভাবে তান্ডব চালাল, নির্যাতিতার বাড়ি ভাঙচুর করল তা ঠিক নয়। এই ঘটনার আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    গাজোলে ঠিক কী নিয়ে গন্ডগোল? Rape 

    ১৮ মার্চ গাজোলের ফতেপুর জুনিয়র হাইস্কুলের মধ্যে এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ (Rape) করার ঘটনা ঘটেছিল। বিষয়টি জানাজানি হতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। নির্যাতিতার পরিবার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় তিনজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। সরকারি স্কুলের মধ্যে এরকম ধর্ষণের ঘটনার বিষয়টির তদন্তের জন্য জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি বিধায়ক। শনিবার নির্যাতিতা ওই স্কুল ছাত্রীর বাড়িতে তদন্ত করতে যায় কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি দল।

    এদিন সকালে ওই ছাত্রীর (Rape) বাড়িতে কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধিরা গেলে দেখতে পান, সেখানে আগেই পৌঁছে গিয়েছে রাজ্যের নারী ও শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিরা। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকী নির্যাতিতার বাড়িতে ঢুকতে গেলে মালদহ জেলা পরিষদের সদস্যা তথা গাজলের তৃণমূল নেত্রী সাগরিকা সরকার জুতো নিয়ে তেড়ে যান। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা হাতাহাতিতে জ়ড়িয়ে পড়েন। তৃণমূলীদের তান্ডবের জেরে নির্যাতিতার টিনের বাড়ির একাংশ ভেঙে যায়।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল? Rape

    কেন্দ্রীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়ঙ্ক কানুনগো বলেন, ১০ দিন আগে ঘটনা ঘটেছে। এতদিন রাজ্যের প্রতিনিধিরা কেউ আসেনি। আমি সমস্ত বিষয়টি মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট সচিবকে জানিয়ে এখানে এসেছি। আর আমরা এসেছি বলেই এদিন ওরাও চলে এসেছে। আমাদের সঙ্গে নির্যাতিতাকে আলাদাভাবে কথা বলতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিলজলাতেও একই ঘটনা ঘটল। এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    কী বললেন রাজ্যের প্রতিনিধি দলের কর্তারা? Rape 

    রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন সুদেষ্ণা রায় বলেন, ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর আমরা এখানে এসেছি। কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। আমাদের গেট আউট বলেন। আমরা কোনও বাধা দিইনি। আমরা একসঙ্গে তদন্ত করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু, সেটা তারা মানতে রাজি নন। আমরা কোনও হেনস্থা করিনি।

    কী বললেন নির্যাতিতা পরিবারের সদস্য? Rape 

    নির্যাতিতা পরিবারের সদস্য বলেন, মেয়ের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করতে এসেছে জেনে ভালো লাগছে। কিন্তু, বাড়ির ভিতরে ঢুকে যে ভাবে তাণ্ডব চালাল তা ঠিক হয়নি। আমার বাড়ি ভাঙচুর করে দেওয়া হয়েছে। এখন এর ক্ষতিপূরণ কে দেবে? মেয়ের ঘটনা নিয়ে আমরা আতঙ্কে রয়েছি। এরপর এই ঘটনায় আমরা আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • N 24 Parganas Rape: নরেন্দ্রপুরে গণধর্ষণের শিকার তরুণী, অভিযুক্ত হবু স্বামী ও দেওর

    N 24 Parganas Rape: নরেন্দ্রপুরে গণধর্ষণের শিকার তরুণী, অভিযুক্ত হবু স্বামী ও দেওর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের তরুণীকে নরেন্দ্রপুরে (N 24 Parganas Rape) এনে ধর্ষণ। অভিযুক্ত হবু স্বামী ও দেওর। নরেন্দ্রপুরের নতুনহাট এলাকায় ওই তরুণীকে গতকাল বিবস্ত্র ও সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পলাতক দুই অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ থেকে এনে তাঁকে মাদক খাইয়ে বেহুঁশ করে দুষ্কৃতিরা। মৃত্যু নিশ্চিত করতে সিগারেটের ছেঁকাও দেয় তারা।

    কী ঘটেছিল? 

    তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের আগেই তাঁর নামে বিভিন্ন জায়গা থেকে লক্ষাধিক টাকার ঋণ নেয় হবু স্বামী। সেই কারণেই খুনের চেষ্টা করে ওই দুই যুবক। মোট চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তরুণী। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, তরুণীর নামে বিয়ের আগেই যে ঋণ নেওয়া হয়েছিল। তার প্রতিবাদ করে ওই তরুণী (N 24 Parganas Rape)। সেই টাকা শোধ দিতে না পারাতেই এই হামলা। ইতিমধ্যে নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

    আরও পড়ুন: ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা…

    জানা গিয়েছে, বিয়ের আগে হবু স্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করানোর নাম করে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ করা হয় ওই তরুণীকে। ধর্ষণ করে হবু স্বামী ও তার ভাই। সারা শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে চলে অকথ্য অত্যাচার। তারপরে খুনের (N 24 Parganas Rape) চেষ্টাও করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, আর্থিক প্রতারণার পরিকল্পনাতেই এমন কাজ। বিয়ের আগেই হবু স্ত্রীয়ের নামে বিভিন্ন জায়গা থেকে লক্ষাধিক টাকার লোন নিয়েছিলেন ওই অভিযুক্ত। সেই লক্ষাধিক টাকা গায়েব করার পরিকল্পনাতেই হবু স্ত্রীকেই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার ফাঁদ পাতে সে। হবু স্ত্রীকে মেরে ফেললে সেই ঋণ আর শোধ করতে হবে না এই ভেবে খুনের ছক কষে।

    পুলিশের দাবি, নির্যাতিতার বাড়ি মুর্শিদাবাদ (N 24 Parganas Rape) জেলায়। তার সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় সাবীর শেখ নামে এক যুবকের। ওই তরুণী পুলিশকে জানান, তাঁকে প্রথমে বাড়ি থেকে ডাকা হয় তারপর ঘুরতে যাওয়ার নাম করে ট্রেনে তুলে খাবারের মধ্যে কিছু মিশিয়ে বেহুঁশ করা হয়। শিয়ালদহতে ট্রেন ঢোকার পর তার জ্ঞান ফিরলে আবার তাকে বেঁহুশ করা হয়। অচেতন অবস্থাতেই তাঁকে বার বার ধর্ষণ করেছেন হবু স্বামী সাবীর ও তাঁর ভাই। সে মারা গিয়েছে ভেবে বেঁহুশ ও নগ্ন অবস্থায় নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার নতুনহাটে রাস্তার পাশে তাঁকে ফেলে পালায় অভিযুক্তরা। স্থানীয় বাসিন্দারা তরুনীকে উদ্ধার করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chitradurga: নাবালিকাদের মাদক খাইয়ে যৌন নির্যাতন করতেন মুরুগা মঠের প্রধান, চার্জশিটে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Chitradurga: নাবালিকাদের মাদক খাইয়ে যৌন নির্যাতন করতেন মুরুগা মঠের প্রধান, চার্জশিটে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুরুগা মঠের (Murugha Math) প্রধানের যৌন নির্যাতন মামলায় এবারে চার্জশিট জমা দিল চিত্রদুর্গ পুলিশ। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে কর্ণাটকের অন্যতম জনপ্রিয় চিত্রদুর্গের (Chitradurga) মুরুগা মঠের প্রধানকে (Shivamurthy Murugha Sharanaru)। আর এবারে শিবমূর্তি মুরুগার বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, পানীয়, চকোলেট ও ফলের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে নাবালিকাদের খাওয়ানো হত ও তাদের উপর যৌন নির্যাতন করা হত। এমনটাই চিত্রদুর্গের পুলিশের ৬৯৪ পৃষ্ঠার চার্জশিটে উঠে এসেছে।

    দীর্ঘদিন ধরে দুই নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সম্প্রতি গ্রেফতার হন আচার্য শিবমূর্তি মুরুগা। গত ১ সেপ্টেম্বর, পকসো ধারায় (POSCO) তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয় ও তাঁকে গ্রেফতার করে কর্ণাটক পুলিশ। বর্তমানে তিনি বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। গতকাল চিত্রদুর্গ পুলিশ (Chitradurga) চার্জশিট জমা দিলে তাতে অনেক তথ্যই উঠে এসেছে। ওই দুই নাবালিকা জানিয়েছেন, মাদক খাওয়ানোর পর তাদের প্রধানের বাথরুম ও অফিসেও পাঠানো হত। তারা যেতে না চাইলে হস্টেলের ওয়ার্ডেন তাদের হুমকি ও শাস্তি দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নাবালিকাদের বয়ান সিআরপিসি ধারা ১৬৪-এর অধীনে রেকর্ড করা হয়েছে ও এই ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে এটি মূল প্রমাণ হিসেবে ধরা হবে।

    আরও পড়ুন: ঘুষ নেওয়ার জের! ডিএসপি থেকে সাব-ইন্সপেক্টর বানিয়ে শাস্তি দিল যোগী সরকার

    চিত্রদুর্গ (Chitradurga) এসপি কে পরশুরাম বলেছেন, “আমরা ওয়ার্ডেন ও অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও অভিযোগের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আরও প্রমাণ সংগ্রহ করছি।” পুলিশ আরও জানিয়েছে, মঠ প্রধান মুরুগার দেওয়া ফল এবং চকোলেটের ফলেই তারা অজ্ঞান হয়ে যেত। নাবালিকারা জ্ঞান হারানোর পর সারারাত তাঁর ব্যক্তিগত কক্ষে আটকে রাখতেন শিবমূর্তি মুরুগা শারনারু। আর, নাবালিকাদের জ্ঞান ফেরার পর, তাঁদের ভয় দেখাতেন তিনি। এছাড়াও নাবালিকারা আরও অভিযোগ করেছে যে তারা শরীরের বিভিন্ন অংশে এবং গোপনাঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করত।

    আবার কর্ণাটক-অন্ধ্রপ্রদেশ সীমান্তে রেলপথে রহস্যজনকভাবে একটি মেয়ের মৃত্যুর কথাও এই চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে। কারণ এই মেয়েটি মঠের হস্টেলেরই একজন ছিল ও তাকে সেখানে বন্দি করে রাখা হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর কিছুদিন আগেই তাকে মঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। ফলে এই মৃত্যুর সঙ্গে প্রধানের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    মুরুগা মঠ নিয়ে রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা

    মুরুগা মঠের (Chitradurga) এই পরিস্থিতির ফলে কর্ণাটক সরকার এই মঠের দায়িত্ব নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ও রাজ্য প্রশাসক নিয়োগের কথা ভাবছে। মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোম্মাই বলেছেন “আমরা ডিসির কাছে একটি প্রতিবেদন চেয়েছি, রিপোর্টটি দেখার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”  আর এই পরিস্থিতির মাঝেই শিবমূর্তি মুরুগা শারনারুকে মঠের প্রধান পদ থেকে সরানোর জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

  • Sonali Phogat: ধর্ষণ করে খুন বিজেপি নেত্রীকে! বিস্ফোরক অভিযোগ সোনালি ফোগাটের পরিবারের

    Sonali Phogat: ধর্ষণ করে খুন বিজেপি নেত্রীকে! বিস্ফোরক অভিযোগ সোনালি ফোগাটের পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনালি ফোগাটের মৃত্যু নিয়ে বাড়ছে রহস্য। শুরুতে মৃত্যু স্বাভাবিক মনে হলেও, পরবর্তীতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এবার এক বিস্ফোরক অভিযোগ করা হল বিজেপি নেত্রীর পক্ষ থেকে। এর আগেই খুনের অভিযোগ তুলেছিল পরিবার। এবার খুনের সঙ্গে ধর্ষণের (Rape) করলেন সোনালি ফোগাটের ভাই রিঙ্কু ঢাকা (Rinku Dhaka)। প্রাক্তন বিগ বস প্রতিযোগীর (Sonali Phogat) ভাই আঙুল তুলেছেন ব্যক্তিগত সহকারীর (PA) দিকে।    

    আরও পড়ুন: সোনালির মৃত্যুতে রহস্য! কেন সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপি নেত্রীর পরিবারের জানেন?

    গোয়া পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করে রিঙ্কু জানিয়েছেন, মৃত্যুর আগে পরিবারের সদস্যদের ফোন করেছিলেন সোনালি। ফোনে জানিয়েছিলেন, তাঁকে খাবারে কিছু মিশিয়ে খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রয়াত অভিনেত্রীর ভাইয়ের দাবি, তাঁর দিদি জানিয়েছিলেন ব্যক্তিগত সহকারী তাঁর আপত্তিজনক ভিডিও তুলে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করছে। তিন বছর ধরে এই একই কাজ করে আসছিলেন অভিযুক্ত। ভিডিও ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সোনালির সঙ্গে অশালীন কাজ করতেন ওই ব্যক্তি। 

    মৃতার পরিবারের তরফে অভিযোগ পেয়ে গোয়ার আঞ্জুনা থানার পুলিশ মঙ্গলবারই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্তে নেমেছে। ইতিমধ্যেই সোনালি ফোগাটের ব্যক্তিগত সহকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট

    এছাড়াও প্রমাণ লোপাটের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন রিঙ্কু। তাঁর অভিযোগ, সোনালির মৃত্যুর পরই তাঁর হরিয়ানার ফার্ম হাউজ থেকে চুরি হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা, ল্যাপটপ এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। 

    সোনালির পরিবারের দাবি মৃত্যুর সময় মুখ ফুলে ছিল তাঁর। মুখে-পিঠে একাধিক দাগও ছিল। তাই এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক মানতে নারাজ তাঁরা। 

    জানা গিয়েছে, মৃত্যুর ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে একটি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন তিনি। গোয়ার আঞ্জুনাতে ‘কার্লিস’ নামে একটি রেস্তরাঁয় খেয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁর শরীর অস্বস্তি শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে দলের কর্মীরাই তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান। যেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রথমে জানানো হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু সোনালির। কিন্তু পরিবারের তরফে এই দাবি খারিজ করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Sonali Phogat: সোনালি ফোগাটের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে ঘনীভূত রহস্য, গ্রেফতার দুই সহকারী

    Sonali Phogat: সোনালি ফোগাটের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে ঘনীভূত রহস্য, গ্রেফতার দুই সহকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনালি ফোগাট (Sonali Phogat) মৃত্যু মামলায় তাঁর দুই সহকারীকে গ্রেফতার করল পুলিশ (Goa Police)। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর তত্ত্ব মানতে আগেই নারাজ ছিল পরিবার। এবার পোস্টমর্টেম রিপোর্টেও (Autopsy Report) মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য। আরও ঘনীভূত হল রহস্য। অভিনেত্রী তথা বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাটের মৃত্যু ঘিরেই তৈরি হয়েছে রহস্য। বৃহস্পতিবার সোনালি ফোগাটের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট। রিপোর্টে বলা হয়েছে, একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বিজেপি নেত্রীর শরীরে। ভোতা কোনও অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল সোনালিকে, এমনটাই জানানো হয়েছে। সোনালির পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন (Rape and Murder) করা হয়েছে সোনালিকে।  

    আরও পড়ুন: ধর্ষণ করে খুন বিজেপি নেত্রীকে! বিস্ফোরক অভিযোগ সোনালি ফোগাটের পরিবারের

    সোমবারই সহকারী ও বন্ধুদের নিয়ে গোয়ায় যান হরিয়ানার বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট। সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন পোস্ট করতেও দেখা যায় ওই টিকটক তারকাকে। বিকেলে শেষবার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এরপরই রাতে অসুস্থ বোধ করায় গোয়ার সেন্ট অ্যান্টনি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। মঙ্গলবার ভোরে মৃত্যু হয় সোনালির। প্রাথমিক রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ উল্লেখ করা হলেও সেই দাবি মানতে রাজী হয়নি পরিবার। 

    সোনালির পরিবারের থেকে অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে গোয়া পুলিশ। এরপরই বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্ত করা হয় সোনালি ফোগাটের দেহের। গোটা ময়নাতদন্তের রেকর্ডিংও করা হয় প্রমাণের জন্য। বিকেলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়, শরীকে একাধিক ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট 

    এরপরে ওইদিন বিকেলেই সোনালির খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী সুধীর সঙ্গন ও বন্ধু সুখবিন্দর ওয়াসিকে গ্রেফতার করে গোয়া পুলিশ। 

    এদিকে, সোনালি ফোগাটের ভাইও পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিন বছর আগে সোনালিকে ধর্ষণ করেছিল সুধীর ও সুখবিন্দর। খুনের হুমকিও দেওয়া হত তাঁকে। দীর্ঘ সময় ধরেই ধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করছিলেন  অভিযুক্তরা। তাঁর আরও দাবি, মৃত্যুর আগে শেষবার যখন সোনালির সঙ্গে কথা হয়েছিল, তখন তিনি খাবারে কিছু মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। মা ও বোনের সঙ্গে কথা বলার সময়ও সোনালি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং কোনও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share