Tag: Rare Earth Minerals

  • Trump China Visit: চিন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, কী কারণে বেজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Trump China Visit: চিন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, কী কারণে বেজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের চিন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump China Visit)। ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত চিনে থাকবেন তিনি। বহুচর্চিত এই রাষ্ট্রীয় সফর ওয়াশিংটন ও বেজিংয়ের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে (Xi Jinping) বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। প্রায় এক দশকের মধ্যে কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট পা রাখেননি চিনে। ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেরও এটিই প্রথম চিন সফর। যদিও তাঁর প্রথম মেয়াদের ২০১৭ সালের সফরের পর এটিই প্রথম তাঁর চিন-যাত্রা।

    সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাষার আড়ালে চাপ! (Trump China Visit)

    চিন সম্পর্কে নানা সময় কড়া ভাষায় মন্তব্য করলেও, ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। গত সপ্তাহেও তিনি শি-কে ‘ভালো মানুষ’ এবং ‘বুদ্ধিমান মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। জানিয়ে দেন, তাঁদের মধ্যে ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে। বিশ্ব রাজনীতির খবরাখবর যাঁরা রাখেন, তাঁদের মতে, এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাষার আড়ালে চাপ ক্রমশ বাড়ছে। ট্রাম্প-জিনপিং বৈঠক এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্য-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিকে কূটনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে হিমশিম খাচ্ছে ট্রাম্পের দেশ। ট্রাম্পের বেজিং সফরের ওপর সবচেয়ে বড় ছায়া ফেলেছে ইরান সঙ্কট। কয়েক সপ্তাহ ধরে হোয়াইট হাউস চেষ্টা করছে যাতে চিন তেহরানের ওপর তার প্রভাব খাটিয়ে মার্কিন-সমর্থিত সমাধান নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। তা না হলেও, অন্তত যাতে হরমুজ প্রণালী ফের খুলে দেওয়া হয়, সেজন্য চাপ সৃষ্টি করে।

    মার্কিন প্রভাবের সীমাবদ্ধতা

    যদিও এই যুদ্ধে আমেরিকা সরাসরি পরাজিত হয়নি, তবে এই সংঘাত মার্কিন প্রভাবের সীমাবদ্ধতার কঙ্কালসার চেহারাটাই বেআব্রু (Xi Jinping) করে দিয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অশান্তির প্রভাব পড়লেও, এখনও যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেনি ওয়াশিংটন। ট্রাম্প অবশ্য (Trump China Visit) মচকাচ্ছেন না। তিনি বলেন, “আমি এর শেষ দেখতে চাই।”  অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ ওই প্রণালী ফের চালু করতে যে তিনি মরিয়া, তা স্পষ্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্যেই। ট্রাম্পের দাবি, ইরানের যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। কারণ তিনি তেহরানের (ইরানের রাজধানী) সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। আধিকারিকদের মতে, ওই প্রস্তাবে ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কিছু সমঝোতার ইঙ্গিত ছিল। যদিও ট্রাম্প সেটিকে ‘জঞ্জাল’ বলে উড়িয়ে দেন। এহেন আবহে ওয়াশিংটন তাকিয়ে রয়েছে বেজিংয়ের সাহায্যের দিকে। চিন ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার এবং এখনও বিপুল পরিমাণ ইরানি তেল কেনে। তাই তেহরানের ওপর তাদের এমন প্রভাব রয়েছে, যা আমেরিকারও নেই।

    বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞের বক্তব্য

    হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের চিনা (Xi Jinping) বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞ আলেহান্দ্রো রেয়েস বলেন, “ট্রাম্প আলোচনায় প্রবেশ করছেন দুর্বল অবস্থান থেকে। ট্রাম্পের চিনকে প্রয়োজন চিনের তুলনায় বেশি (Trump China Visit)।” তিনি এও বলেন, “ট্রাম্প একটি বিদেশনীতি-সংক্রান্ত সাফল্য চান। এমন একটি সাফল্য, যা দেখাবে তিনি শুধু বিশ্ব রাজনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছেন না, বরং স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করতে চাইছেন।” এদিকে, ট্রাম্পের চিন সফরের আগে উত্তেজনা কমানোর তেমন কোনও ইঙ্গিত দেয়নি তেহরান। ইরানের নয়া সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলি আকবর ভেলায়াতি বলেন, “মিস্টার ট্রাম্প, কখনও ভাববেন না যে ইরানের বর্তমান শান্ত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে আপনি বিজয়ীর বেশে বেজিংয়ে ঢুকতে পারবেন।” অন্যদিকে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ফের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এ থেকে স্পষ্ট সংঘাত এখনও শেষ হয়নি (Trump China Visit)।

    ইরান ইস্যুতে চিনের সাহায্য বিনামূল্যে!

    তবে ইরান ইস্যুতে চিনের সাহায্য বিনামূল্যে আসবে না। বেজিং হয়তো ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করবে, বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে। প্রসঙ্গত, চিন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে মনে করে। তাইপের (তাইওয়ানের রাজধানী) সঙ্গে আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিরুদ্ধে বারবার সোচ্চার হয়েছে চিন। মনে রাখতে হবে, ওয়াশিংটনের নীতিতে সামান্য পরিবর্তনও এশিয়ায় মার্কিন মিত্রদের উদ্বিগ্ন করতে পারে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ট্রাম্পের কূটনৈতিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে বেজিং হয়তো তাইওয়ানের প্রতি আমেরিকার প্রতিশ্রুতি শিথিল করার চেষ্টা করবে। তাই এই বৈঠকেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, চিনের সহযোগিতার বিনিময়ে কতদূর আপস করতে প্রস্তুত ট্রাম্প। শি-ট্রাম্প বৈঠকের আর একটি বড় বিষয় হবে বাণিজ্য, বিশেষ করে গত বছরের তীব্র শুল্কযুদ্ধের পর (Xi Jinping)।

    হাতিয়ার যখন বিরল খনিজ রফতানি

    এই বৈঠকের পথ তৈরি হয় অক্টোবর মাসে বুসানে, যখন দুই দেশ ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য সংঘাত সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছিল। সেই সংঘাতে চিনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক পৌঁছেছিল ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত (Trump China Visit)। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় চিন বিরল খনিজ (Rare Earth Minerals) রফতানিতে কড়াকড়ি করে। এসব খনিজ আমেরিকার প্রযুক্তি কোম্পানি ও সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিনের কড়াকড়ির জেরে আমেরিকার কয়েকটি কারখানায় দেখা দেয় বড় ধরনের উৎপাদন সমস্যা। এই অচলাবস্থা দেখিয়ে দেয়, চিন এখন আমেরিকার অর্থনীতির কৌশলগত খাতগুলিতেও আঘাত হানার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে উভয় পক্ষই অন্তত সাময়িকভাবে সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে আগ্রহী। চিন মার্কিন প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও রফতানি নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতা চায়। আর ওয়াশিংটন চায় চিন আরও বেশি করে মার্কিন পণ্য কিনুক, প্রতিশ্রুতি দিক নয়া লগ্নির (Trump China Visit)।

    সংঘর্ষের সুতোয় জড়িয়ে গিয়েছে সব

    সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ঘোষণাগুলির মধ্যে রয়েছে বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের আলোচিত বিমান চুক্তি। জানা গিয়েছে, চিন ৫০০টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স এবং আরও কয়েক ডজন ওয়াইড-বডি বিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ২০১৭ সালের পর এটাই হবে চিনের সবচেয়ে বড় বোয়িং কেনা। আমেরিকা আরও চাইছে চিন যেন সয়াবিন, মুরগি, গরুর মাংস, কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস-সহ মার্কিন কৃষি ও জ্বালানি পণ্যের আমদানি ব্যাপকভাবে বাড়ায় (Xi Jinping)। বিশ্লেষকদের মতে, চিনের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার এখনও তাদের বিরল খনিজ সরবরাহ ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ। বেজিং বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য আমেরিকাকে দীর্ঘমেয়াদি বিরল খনিজ সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে পারে, যদিও সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত সরবরাহ সীমিত রাখবে (Trump China Visit)। এই কৌশলগত প্রভাবই ট্রাম্পের চিন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হয়ে উঠতে পারে, যেখানে কূটনীতি, বাণিজ্য এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা – সব একসঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সংঘর্ষের সুতোয়।

     

  • India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার পর ভারত (India) এখন আর একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে (India Chile FTA)। এই চুক্তিটি প্রচলিত বাণিজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বহুমাত্রিক সুবিধা এনে দিতে পারে। নয়াদিল্লি বর্তমানে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে। চিলিকে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিচ গত বছর দ্বিপাক্ষিক আলোচনা এগিয়ে নিতে ভারত সফর করেন। চুক্তিটি (India Chile Trade Deal) সম্পন্ন হলে ভারতের উৎপাদন, প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ গবেষণা খাতে কৌশলগত সুবিধা মিলবে বলেই আশা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ চিলি (India)

    দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত চিলি লিথিয়াম, তামা এবং কোবাল্ট-সহ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এসব সম্পদ ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং সৌরশক্তি শিল্পের জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে চিন একতরফাভাবে রেয়ার আর্থ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর ভারতের শিল্পোন্নয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এসব কাঁচামালের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে (India Chile Trade Deal)। এই প্রেক্ষাপটে ভারত একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেও চিলির সঙ্গে আলোচনা প্রায় দু’দশক আগে শুরু হয়। ২০০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের আলোচনা শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে একটি প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তিতে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হলেও তা পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে পরিণত হয়নি। বর্তমানে যে আলোচনা চলছে, তাতে একাধিক খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোনো হচ্ছে। উভয় দেশ ডিজিটাল পরিষেবা, বিনিয়োগ এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (India) (MSME) খাতে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    পীযূষ গোয়েলের ইঙ্গিত

    কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চিলির সঙ্গে একটি বিস্তৃত বাণিজ্য চুক্তি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হতে পারে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত-চিলি বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে (India Chile FTA)। এর মধ্যে ভারতের রফতানির পরিমাণ ছিল ১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ছিল ২.৬০ বিলিয়ন ডলার। ভারত প্রধানত যানবাহন, ওষুধ, রাসায়নিক পণ্য, ইস্পাতজাত সামগ্রী, বস্ত্র, চামড়াজাত পণ্য, রাবার এবং জুতো রফতানি করে। অন্যদিকে চিলি তামা, আয়োডিন, আখরোট, কিউই এবং আপেলের মতো পণ্য সরবরাহ করে, যা ভারতের শিল্প কাঁচামাল ও কৃষিপণ্যের সরবরাহকে শক্তিশালী করে। ভারতীয় কোম্পানিগুলি ইতিমধ্যেই উদীয়মান এই অংশীদারিত্বের সুফল নিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কোল ইন্ডিয়া সম্প্রতি চিলিতে একটি পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যা বিরল মৃত্তিকা ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজের গবেষণা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদক্ষেপ ভারতের বিদেশে সরাসরি  খনিজ সম্পদ সুরক্ষিত করার কৌশলগত অভিপ্রায়কে নির্দেশ করে। বেসরকারি খাতও এ ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখাচ্ছে (India Chile Trade Deal)। আদানি গ্রুপ-সহ বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী বিশেষ করে খনি ও পরিকাঠামো খাতে চিলিতে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখছে।

    আলোচনা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন প্রস্তাবিত ভারত–চিলি চুক্তিকে (India Chile Trade Deal) একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে, সীমিত উৎসের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, উন্নত (India Chile FTA) উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করতে পারে (India)।

LinkedIn
Share