Tag: Rash Yatra 2023

Rash Yatra 2023

  • Rash Yatra 2023: রাস উৎসবে নবদ্বীপে হাজার হাজার দর্শনার্থী, হয়ে গেল কুমারী পুজোও!

    Rash Yatra 2023: রাস উৎসবে নবদ্বীপে হাজার হাজার দর্শনার্থী, হয়ে গেল কুমারী পুজোও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে চৈতন্যভূমি নবদ্বীপের রাসযাত্রা উৎসব (Rash Yatra 2023)। এখানকার ষষ্ঠীতলা অন্নপূর্ণা মাতা পুজো কমিটির পক্ষ থেকে প্রত্যেক বছরের মতো এ বছরও করা হল কুমারী পুজো। শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলাকে কেন্দ্র করে পালন করা হলেও মন্দিরনগরী নবদ্বীপে এই রাসযাত্রা উৎসব উপলক্ষ্যে করা হয় একাধিক দেবতার পুজো। তবে শুধু দেব-দেবতাই নয়, দুর্গাপুজোয় বেলুড় মঠ এবং অন্যান্য কিছু জায়গায় যেমন কুমারীকে দেবী সাজিয়ে পুজো করা হয়, ঠিক তেমনি নবদ্বীপের বুড়োশিবতলা রোডের অন্তর্গত ষষ্ঠীতলা অন্নপূর্ণা মাতা পুজো কমিটির পক্ষ থেকেও করা হয় কুমারী পুজো। প্রত্যেক বছরই এই কুমারী পুজো করা হয় বলে পুজো কমিটি সূত্রে জানা যায়।

    ১২৭ তম বর্ষে পদার্পণ (Rash Yatra 2023)

    কমিটির কর্মকর্তারা জানান, এই পুজোটি এ বছর ১২৭ তম বর্ষে পদার্পণ করল। ষষ্ঠীতলা অন্নপূর্ণা বারোয়ারি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে এত বছর ধরে পুজো (Rash Yatra 2023) করে আসছে। এখানকার বিশেষ বৈশিষ্ট্যই হল কুমারী পুজো। পুজোর অঞ্জলি দেওয়ার পরে করা হয় এই কুমারী পুজো। এটি চলে আসছে বহু কাল ধরে। সেই কারণে এখনকার প্রজন্মও সেই পরম্পরাকে বজায় রাখার চেষ্টা করে চলেছেন। কুমারী পুজো এই কারণেই করা হয়, অন্নপূর্ণা যেমন অন্নের মা, ঠিক সেই রকম নারী জাতিকে মা রূপে পুজো করার লক্ষ্যেই এই কুমারী পুজো এবং সব থেকে বড় বৈশিষ্ট্য এটাই বলে মনে করেন কমিটির কর্মকর্তারা।

    হাজার হাজার দর্শনার্থী নবদ্বীপে (Rash Yatra 2023)

    উল্লেখ্য সোমবার থেকে সারা নবদ্বীপ জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে রাস উৎসব। দেশ এবং বিদেশ মিলিয়ে হাজার হাজার দর্শনার্থী নবদ্বীপে এসে মিলিত হয়েছেন রাস (Rash Yatra 2023) উৎসবে শামিল হওয়ার জন্য। প্রশাসনের ভূমিকাও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সিসিটিভি থেকে শুরু করে শহরের অলিতে গলিতে পুলিশ কর্মীদের কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রয়েছে গোটা নবদ্বীপ শহর। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সতর্ক রয়েছেন তাঁরা সর্বত্রই। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছে মেডিক্যাল ক্যাম্প। সুতরাং বলাই বাহুল্য, রাস উৎসবে শামিল হতে আগত দর্শনার্থীরা সুন্দর ও সাবলীলভাবেই উপভোগ করতে পারছেন এই দিনগুলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rash Yatra 2023: বেলজিয়াম কাচের ফানুসে মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোকিত শান্তিপুরের রাসমণ্ডপ

    Rash Yatra 2023: বেলজিয়াম কাচের ফানুসে মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোকিত শান্তিপুরের রাসমণ্ডপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের মঠবাড়ি হোক কিংবা দীনদয়াল ঠাকুরবাড়ি। প্রায় প্রতিটি বিগ্রহ বাড়িতে ব্যবহৃত বেলজিয়াম কাচের ফানুসগুলির একেকটির বয়স প্রায় ২০০ থেকে ৩৫০ বছর।উচ্চতা প্রায় দু’ ফুটের মতো। ঢেউ খেলানো বিভিন্ন আকৃতির রংবাহারি কাচের উপর আঁকা থাকে বিভিন্ন নকশা। বেলজিয়াম কাচের ফানুসের প্রতিটির দাম ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কেন এত দাম? কারণ অবশ্যই তার সূক্ষ্ম কাজের কেরামতির জন্য। সারা বছর বাড়ির অন্দরমহলে সযত্নে রক্ষিত থাকে সেগুলি। রাস উৎসবের (Rash Yatra 2023) সন্ধ্যায় এই বেলজিয়াম ফানুস দিয়ে সাজানো হয় প্রতিটি বাড়ির মূল প্রাঙ্গণ। ভিতরে টিমটিম করে জ্বলতে থাকে মোমবাতির আলো। বাজারের সাধারণ মোম নয়, ফানুসের ভিতর বসানো হয় প্যারাসিন দিয়ে তৈরি সলতে পাকানো বিশেষ ধরনের মোম।

    উপচে পড়ে ভিড় (Rash Yatra 2023)

    এখনও বংশ-পরম্পরায় এই মোম তৈরি করেন শান্তিপুরের কয়েক ঘর মোমশিল্পী। ভাঙা রাসের দিন নগর পরিক্রমা দেখতে শহরের রাজপথে যে ভিড় উপচে পড়ে, আলো আঁধারির খেলা দেখতে বিগ্রহ বাড়ির রাস উৎসবে সেই ভিড়ের অন্তত তিনগুণ দর্শনার্থী থাকেন। নামে বেলজিয়াম ফানুস হলেও এগুলি এক সময় নিয়ে আসা হয়েছিল ফ্রান্স এবং ভেনিস থেকে। এখনও সেখানে এই ফানুস তৈরি হয়। বিগ্রহবাড়ির সদস্যদের কথায়, এখন আর ইউরোপ থেকে বেলজিয়াম ফানুস নিয়ে আসা হয় না। পরিবর্তে জায়গা নিয়েছে শহর কলকাতায় তৈরি কাচের অন্যান্য ফানুস। দামে কম হলেও আভিজাত্যে ধারেকাছেও যায় না।

    তিনদিন সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন (Rash Yatra 2023)

    রাসের তিনদিন সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করে রাখা হয় শহরের মঠবাড়ি ও দীনদয়াল বাড়িকে। রাসের সময় অন্তত শতাধিক বেলজিয়াম কাচের ফানুসে আলোয় আলো হয়ে ওঠে এই বাড়ি। পরিবারের সদস্য সুশান্ত মঠ বলেন, দেখতে অতীব সুন্দর। কিন্তু ফানুসের ভিতর মোমবাতি বসানোর ধরন একেবারেই সহজ নয়। অসাবধানতা কিংবা ভিতরের জ্বলন্ত মোমবাতি প্রায় এক ইঞ্চি ছোট হয়ে এলেই তাপের কারণে ভেঙে যেতে পারে সেগুলি। এভাবেই ৩০০ বছরের বহু পুরনো ফানুস ভেঙে গিয়েছে এই বাড়িতে। এক সময় মঠবাড়িতে রাসের প্রাঙ্গণে নাকি অন্তত দেড়শোখানা বেলজিয়াম কাচের ফানুস ঝোলানো হত। আজ শুধুই যত্নের ওপর টিকে রয়েছে এই প্রথা (Rash Yatra 2023)।

    জ্বালানো-নেভানোর কায়দা

    জানা গিয়েছে, ফানুসগুলিতে মোমবাতি জ্বালানোর ধরন যেমন আলাদা, তেমনিই মোমবাতি নেভানোর কায়দা। সরু আকৃতির একটি লাঠির মাথায় ন্যাকড়া বেঁধে স্পিরিটে চোবানো হয়। এরপর তাতে আগুন ধরিয়ে ঝুলন্ত ফানুসের ভিতরে থাকা মোমবাতি জ্বালানো হয়। স্থানীয় ভাষায় একে বলে ‘হুঁশ’। ঠিক একইভাবে লাঠির মাথায় ধাতব পাত্র ঝুলিয়ে কাচের ফানুসের উপরে আলতো চেপে ধরলে নিভে যায় মোমবাতি। এই পদ্ধতিকে স্থানীয়রা বলেন ফোঁস। শান্তিপুরের বাসিন্দারা বলছেন, এই শহরে রাসের (Rash Yatra 2023) মাহাত্ম্যের সঙ্গে যেন ওতপ্রোত সম্পৃক্ত হয়ে রয়েছে অভিজাত আলোকধারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rash Yatra 2023: কোচবিহারে মদনমোহনকে ১০৮ ঘটি জল ও দুধ, ঘি, মাখন দিয়ে স্নান করানো হয়

    Rash Yatra 2023: কোচবিহারে মদনমোহনকে ১০৮ ঘটি জল ও দুধ, ঘি, মাখন দিয়ে স্নান করানো হয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলাগুলির মধ্যে অন্যতম হল কোচবিহারের মদনমোহন রাসপূর্ণিমার মেলা। যাকে রাসমেলা (Rash Yatra 2023) বলা হয়ে থাকে। এই মেলা আনুমানিক ২০০ বছরের পুরনো। দেশ বিভাগের আগে পুর্ববঙ্গ থেকে প্রচুর মানুষ এই রাসমেলায় অংশগ্রহণ করতেন। এখনও দেশ-বিদেশ থেকে প্রচুর মানুষ এই রাসমেলা দেখতে এসে থাকেন। দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো এবং কালীপুজোর পর রাসমেলার অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। শান্তিপুর, নবদ্বীপ রাসের মতো এই রাসও বৈষ্ণবদের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। মন্দিরে পূজিত হন ছোট মদনমোহন। আজ ২৭ নভেম্বর থেকে এই মেলা শুরু হবে এবং প্রায় ২০ দিন চলবে। তারপর ভাঙা রাসের মেলা বেশ কিছুদিন চলে।

    পূজিত হন ছোট মদনমোহন (Rash Yatra 2023)

    কোচবিহারে রথের মেলার মতো রাসমেলাও খুব ঐতিহ্যবাহী। চারমাসের নিদ্রা ত্যাগ করে রাসমেলার (Rash Yatra 2023) সময় জেগে ওঠেন ছোট মদনমোহন। মদনমোহন ঠাকুরকে ১০৮ ঘটি জল, দুধ, ঘি, মাখন দিয়ে স্নান করানো হয়। জানা যায়, উল্টো রথের পর যখন বড় মদনমোহন মাসির বাড়িতে আসেন, সেই সময় ছোট মদনমোহন নিদ্রায় চলে যান। তারপর চারমাস পরে ঘুম ভাঙে এবং এই রাসের সময় জেগে ওঠেন। এরপর চলে পুজোর প্রস্তুতি। যে কোনও শুভ কাজের আগে মদনমোহনকে পুজো করা হয়। ছোট এবং বড় মদনমোহনকে মন্দিরে নিত্যপুজো প্রত্যকে দিন করা হয়। রাসের সময় ছোট মদনমোহন মন্দিরের বাইরে স্থাপনা করা হয় আর ছোট মদনমোহন মন্দিরে পূজিত হন।

    কীভাবে এই রাসমেলার সূচনা?

    কোচবিহারের মদনমোহন রাসমেলার (Rash Yatra 2023) ইতিহাস আনুমানিক ২০০ বছরের পুরাতন। ১৮৯০ সালে কোচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের আমলে মদনমোহন মন্দিরের স্থাপনা করা হয়। এই মেলায় প্রচুর বৈষ্ণব ভক্ত এবং পর্যটকদের আগমন ঘটে থাকে। কোচবিহারের রাজাদের আরাধ্য দেবতা মদনমোহন। তিনি পরম বৈষ্ণব। এই মেলার প্রধান আকর্ষণীয় কেন্দ্র রাসচক্র। এই রাসচক্রে থাকে মানব কল্যাণ এবং সর্বধর্মের সমন্বয়। প্রতি বছর এই রাসচক্র নির্মাণ করে থাকেন এক স্থানীয় মুসলমান পরিবার। এই বছর তৈরি করছেন আলতাফ মিয়া। তবে রাসের চক্র নির্মাণ করতে গেলে বৈষ্ণব মতে নিরামিষ খেয়ে শুদ্ধ হতে হয়। রাসচক্রের মধে নানান দেবদেবী এবং বৌদ্ধ স্থাপত্যের কারুকার্য করা থাকে।

    মেলায় নানা পসরা

    কোচবিহারের রাসমেলায় (Rash Yatra 2023) নানান পসরার দোকান বসে। মাটির জিনিস থেকে শুরু করে বাঁশ, বেত, লোহা, ঘরের আসবাব ইত্যাদি পাওয়া যায়। এছাড়াও কাপড়, কাঠের জিনিস, নানান মিষ্টি, বেলুন, খেলনা ইত্যাদি এখানে পাওয়া যায়। প্রচুর খাবারের দোকান লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও বাংলাদেশেরও অনেক জিনিস মেলায় পাওয়া যায়। যেমন-জামদানি শাড়ি, ইলিশ মাছ, নলেন গুড় ইত্যাদি। কোচবিহারে এই বছর ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, ভূটান থেকেও প্রচুর ব্যবসায়ীরা যোগদান করবেন। এই মেলায়  কয়েকশো কোটি টাকার বেচাকেনা হয় বলে ব্যবসায়ীরা মতামত দিয়েছেন। সরকার, প্রশাসন এবং পর্যটন দফতর থেকে মেলাকে ঢেলে সাজানো হয় প্রত্যেকবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rash Yatra 2023: শান্তিপুর রাসযাত্রায় রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলনের পর হয় বিগ্রহ নিয়ে নগর পরিক্রমা

    Rash Yatra 2023: শান্তিপুর রাসযাত্রায় রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলনের পর হয় বিগ্রহ নিয়ে নগর পরিক্রমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুমানিক ৫০০ বছর আগে অদ্বৈত আচার্যের হাত ধরে প্রথম শুরু হয়েছিল শান্তিপুরের রাসযাত্রা (Rash Yatra 2023)। এখনও প্রাচীন রীতি মেনে ধুমধাম করেই পালিত হয় ঐতিহ্যবাহী রাধাকৃষ্ণের রাস। এবছরও শান্তিপুরের বিভিন্ন বারোয়ারিতে শুরু হয়েছে মণ্ডপ সজ্জার কাজ। এখানকার রাসযাত্রা দেখার জন্য ভিড় জমান দূর দূরান্তের মানুষও। রেলের পক্ষ থেকে যাত্রীদের সুবিধার্থে চালানো হয় বিশেষ ট্রেন।

    কী এর ইতিহাস? (Rash Yatra 2023)

    কথিত আছে, অদ্বৈত আচার্য প্রথম কলিযুগে নারায়ণ রূপে রাসযাত্রা শুরু করেন। দ্বাপরে বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ তাঁর গোপিনীদের সঙ্গে নিয়ে রাসলীলা করতেন। সেখানে কোনও পুরুষের প্রবেশ নিষেধ ছিল। কিন্তু মহাদেবের মনে প্রশ্ন জেগেছিল, কেন সেখানে পুরুষ প্রবেশ করতে পারবে না? তিনি গোপনে সেই রাসযাত্রা দেখার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এই কারণে তিনি রাসলীলা দর্শনের জন্য নিজেকে নারী রূপে সাজিয়ে ঘোমটা টেনে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ সেটি বুঝতে পেরে রাসলীলা সমাপ্ত না করেই ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। শ্রীকৃষ্ণ চলে যাওয়ার কারণ হিসেবে গোপিনীরা বুঝতে পারেন, কোনও কিছু সমস্যা রয়েছে। মহাদেবের স্ত্রী যোগমায়ার সন্দেহ হয় এবং তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর স্বামী নারী রূপে প্রবেশ করেছেন। এরপরই খোঁজাখুঁজি করতে দেখা যায় একটি কোণে এক নারী ঘোমটা টেনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তখন কাছে গিয়ে যোগমায়া তাঁর স্বামীকে চিহ্নিত করেন। পাশাপাশি স্বামী মহাদেবকে ভৎসনা করেন। মহাদেব ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে গেলে তিনি বলে যান, দ্বাপরের এই রাসলীলা আমি কলিযুগে শুরু করব। প্রভু অদ্বৈত আচার্যকে সে সময় মহাদেবের অবতার হিসেবে ধরা হত। সেই কারণে অদ্বৈত আচার্য প্রথম নারায়ণ পুজোর মধ্যে দিয়ে রাসযাত্রা (Rash Yatra 2023) শুরু করেন।

    রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলন (Rash Yatra 2023)

    জানা যায়, গোস্বামী বাড়ির যে রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহ ছিল, হঠাৎ করে সেখান থেকে রাধা উধাও হয়ে যায়। বিভিন্ন খোঁজাখুঁজির পর শান্তিপুরের পার্শ্ববর্তী এলাকা দিগনগরে রাধার বিগ্রহ খুঁজে পাওয়া যায়। এরপরেই গোস্বামী বাড়ি তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রাধাকৃষ্ণকে এক জায়গায় বসিয়ে তাঁদের যুগল মিলন করা হবে।। মূলত রাস পূর্ণিমা তিথিতেই তাঁদের এই যুগলের মিলন ঘটানো হয়। এর পরে শুরু হয় শান্তিপুরের রাধাকৃষ্ণের রাসযাত্রা। রাধাকৃষ্ণের যুগল ঘটানোর একদিন পর বৌভাতের মতো করেই যুগল বিগ্রহ নিয়ে করা হয় নগর পরিক্রমা। এখনও পর্যন্ত সেই রীতি মেনেই চলছে শান্তিপুরের রাসযাত্রা (Rash Yatra 2023)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share