Tag: Rashtrapatni

Rashtrapatni

  • Rashtrapatni Remark Row: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বিতর্কে ইতি টানতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন অধীর 

    Rashtrapatni Remark Row: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বিতর্কে ইতি টানতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন অধীর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি (Rastrapati) নির্বাচিত হয়েছেন ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের জনজাতি সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁকে রাষ্ট্রপত্নী বলে সম্বোধন করে বসেন কংগ্রেস (Congress) সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। অধীরের এই মন্তব্যে দেশজুড়ে শুরু হয় হইচই। বিজেপির (BJP) পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্দরেও অধীরের বিরুদ্ধে বইতে থাকে উষ্মার চোরা স্রোত। এর পরেই স্বয়ং রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন কংগ্রেস সাংসদ।

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে লেখা চিঠিতে অধীর লিখেছেন, আপনার অবস্থান বর্ণনা করার জন্য একটি ভুল শব্দ ব্যবহার করার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করতেই এই চিঠি লিখছি। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করছি যে, শব্দটি ভুল করেই বেরিয়েছে। আমি ক্ষমাপ্রার্থী এবং আপনাকে আমার ক্ষমাপ্রার্থনা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি।

    বিজেপি-বিরোধী সতেরটি দলের সম্মিলিত প্রার্থী যশোবন্ত সিনহাকে বিপুল ভোটে পরাস্ত করে দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন দ্রৌপদী। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয় ২৫ জুলাই। দ্রৌপদী দেশের প্রথম জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা যিনি রাইসিনা হিলসের বাসিন্দা হয়েছেন। তিনি দেশের কনিষ্ঠতম রাষ্ট্রপতিও। তাঁকেই অপমান করায় অধীরের পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীকেও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায় বিজেপি।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি। এনিয়ে এদিন সংসদে সরব হন বহরমপুরের সাংসদ কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। এই সময়ই অধীর দ্রৌপদী সম্পর্কে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ শব্দটি প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ। অধীরের এই মন্তব্য নিয়ে লোকসভার পাশাপাশি গন্ডগোল শুরু হয় রাজ্যসভায়ও। পাল্টা চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে কংগ্রেসও। একসময় উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদের উভয় কক্ষ। ঘটনার জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে যায় দুই কক্ষের অধিবেশন।

    ঘটনার জেরে অধীরকে তলব করে জাতীয় মহিলা কমিশন। ঘটনার পরে পরেই অধীর অবশ্য বিষয়টিকে স্লিপ অফ টাং বলে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তার পরেও অধীরকে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে থাকেন পদ্ম নেতৃত্ব। বিজেপির দাবি, মুখ ফস্কে নয়, ভেবেচিন্তেই অধীর এ কথা বলেছেন। আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, শব্দটি মুখ ফস্কে বেরোয়নি। আপনারা যদি ভিডিও ক্লিপটি দেখেন, দেখবেন অধীররঞ্জন চৌধুরী স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রপতি মুর্মুকে উল্লেখ করে দুবার রাষ্ট্রপতি শব্দটি বলেছেন, তারপর তিনি তাঁকে রাষ্ট্রপত্নী বলেছেন।

    আরও পড়ুন : ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী দেশ! দ্রৌপদী মুর্মুর শপথগ্রহণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

  • Rashtrapatni Remark Row: অধীরের ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যে তোলপাড় সংসদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির

    Rashtrapatni Remark Row: অধীরের ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যে তোলপাড় সংসদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনে পা রেখেছেন দেশের পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। তাঁর উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপত্নী (Rashtrapatni) মন্তব্য করার অভিযোগ উঠল কংগ্রেস (Congress) সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীর (Adhir Chowdhury) বিরুদ্ধে। অধীরের এই মন্তব্যের জেরে রাষ্ট্রপতিকে অবমাননার অভিযোগে সরব বিজেপি (BJP)। অধীরের এই মন্তব্যের জন্য কংগ্রেসকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে লোকসভায় দাবি করেন স্মৃতি ইরানি, নির্মলা সীতারামণরা। ওই একই দাবিতে সংসদের বাইরে বিক্ষোভ দেখান পদ্ম শিবিরের সাংসদরা।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি। এনিয়ে এদিন সংসদে সরব হন বহরমপুরের সাংসদ কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। এই সময়ই অধীর দ্রৌপদী সম্পর্কে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ শব্দটি প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ। অধীরের এই মন্তব্য নিয়ে লোকসভার পাশাপাশি গোল শুরু হয় রাজ্যসভায়ও। পাল্টা চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে কংগ্রেসও। একসময় উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদের উভয় কক্ষ। ঘটনার জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে যায় দুই কক্ষের অধিবেশন।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    অধীরের এহেন মন্তব্যে ভারতের মহিলা ও আদিবাসীদের অবজ্ঞা করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির। স্মৃতির অভিযোগ, দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করার পর থেকেই কংগ্রেস বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরেও এই ধরনের মন্তব্য করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। অধীরের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও। ট্যুইট বার্তায় তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য কেবল নারী বিদ্বেষী নয়, সেই সঙ্গে অপমান করা হয়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়কে। এদিকে, দ্রৌপদীকে ইচ্ছে করে রাষ্টপত্নী বলেননি বলে দাবি অধীরের। তাঁর দাবি, এটি নিছকই স্লিপ অফ টাং।

    [tw]


    [/tw]

    এদিকে, লোকসভায় যখন অধীরের মন্তব্য নিয়ে হইচই হচ্ছে, তখন বিজেপি সাংসদ রমাদেবীকে সোনিয়া বলেন, অধীর চৌধুরী তো আগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন, তার পরেও আমার নাম নেওয়া হচ্ছে কেন? এই সময় স্মৃতি সোনিয়াকে বলেন, আমি আপনার নাম নিয়েছিলাম। সেই সময় মেজাজ হারিয়ে সোনিয়া তাঁকে বলেন, আমার সঙ্গে কথা বোলো না। এদিকে, পরিস্থিতির মোকাবিলায় এদিনই জরুরি ভিত্তিতে দলের বৈঠক ডেকেছেন সোনিয়া। সেখানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে অধীরকেও। থাকতে বলা হয়েছে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকেও। অন্যদিকে, এদিনই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে সংসদে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন অধীর।

    আরও পড়ুন : ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী দেশ! দ্রৌপদী মুর্মুর শপথগ্রহণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

     

  • Rashtrapatni Remark Row: অধীরের ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যে ফাটল কংগ্রেসেই, নিন্দার ঝড় বিজেপিতে

    Rashtrapatni Remark Row: অধীরের ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যে ফাটল কংগ্রেসেই, নিন্দার ঝড় বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস (Congress) সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) ‘রাষ্ট্রপত্নী’ (Rashtrapatni) মন্তব্যের জেরে ফাটল দলের অন্দরেই। কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি (Manish Tewari) অধীরের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জানিয়েছেন কড়া প্রতিক্রিয়া। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানানো উচিত।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি (ED)। এনিয়ে সংসদে সরব হয়েছিলেন বহরমপুরের সাংসদ কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। এই সময়ই অধীর দেশের পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) সম্পর্কে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ শব্দটি প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ। সংসদে তিনি বলেছিলেন, আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। ভারতের রাষ্ট্রপতি না, না, রাষ্ট্রপত্নীর কাছে যাব।

    আরও পড়ুন : অধীরের ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যে তোলপাড় সংসদ, ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির

    অধীরের এই মন্তব্য নিয়ে লোকসভার পাশাপাশি গন্ডগোল শুরু হয় রাজ্যসভায়ও। পাল্টা চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে কংগ্রেসও। দুপক্ষের চিৎকার-চেঁচামেচির জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদের উভয় কক্ষ। ঘটনার তীব্র নিন্দে করেন পদ্ম শিবিরের মহিলা নেত্রীরা। অধীরের মন্তব্যের জেরে ফাটল ধরেছে কংগ্রেসের অন্দরেও। কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারি বলেন, যিনি কোনও একটি সাংবিধানিক পদে রয়েছেন, তিনি নারীই হোন বা পুরুষ যেই হোন না কেন, তিনি সম্মানীয়। তিনি বলেন, যাঁর যে সম্মান প্রাপ্য, তাঁকে তা দিতে হয়। যিনি কোনও একটি সাংবিধানিক পদে রয়েছেন, তিনি লিঙ্গ বৈষম্যের উর্ধ্বে। অধীরের মন্তব্যকে লিঙ্গ বৈষম্যমূলক অপমান বলে দাবি করেছে বিজেপি। অধীরের পাশাপাশি এ ব্যাপারে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীরও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও কড়া নিন্দা করেছেন অধীরের। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা অধীরের মন্তব্যকে অশালীন বলে উল্লেখ করেছন। তিনি বলেন, কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী জনজাতি সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে অশালীন শব্দ প্রয়োগ করেছেন। প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের এর সমালোচনা করা উচিত। প্রত্যেক ভারতীয়ের কংগ্রেস, তার নেতারা এবং সোনিয়া গান্ধীকে বয়কট করা উচিত বলেও মনে করেন তিনি।

    আরও পড়ুন : ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যের জের, অধীরকে তলব জাতীয় মহিলা কমিশনের

    উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কংগ্রেস সাংসদের এহেন মন্তব্য নিন্দার্হ। এটা সংবিধান, মহিলা ও জনজাতির মহিলাকে অপমান।এক দিক থেকে এটা জাতির অপমানও। ভারতবাসীর কাছে তাঁদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। জাতি কখনও এই জাতীয় মন্তব্য মেনে নেবে না।  

     

    অধীরের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর। তিনি বলেন, জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিতর্কিত মন্তব্য করতেই অভ্যস্ত অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর উচিত দেশের প্রথম জনজাতি সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করা। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত বলেন, দ্রৌপদী মুর্মু দেশের প্রথম জনজাতি সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি। তাঁর প্রতি এহেন মন্তব্যের আমরা তীব্র নিন্দা করি। দেশবাসীর কাছে তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। অধীরের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের মতে, অধীরের মন্তব্য অসাংবিধানিক ও রাষ্ট্রপতি পদের অসম্মান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, নয়া রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে এহেন মন্তব্য অধীর আগেও করেছেন।

     

  • Rashtrapatni Remark Row: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যের জের, অধীরকে তলব জাতীয় মহিলা কমিশনের  

    Rashtrapatni Remark Row: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ মন্তব্যের জের, অধীরকে তলব জাতীয় মহিলা কমিশনের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস (Congress) নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীকে (Adhir Chowdhury) নোটিশ পাঠাল জাতীয় মহিলা কমিশন (National Commission for Women)। সংসদে ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে তিনি রাষ্ট্রপত্নী (Rashtrapatni) বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই কারণেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি। এনিয়ে সংসদে সরব হয়েছিলেন বহরমপুরের সাংসদ কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। এই সময়ই অধীর দ্রৌপদী সম্পর্কে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ শব্দটি প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ। তিনি বলেছিলেন, আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। ভারতের রাষ্ট্রপতি না, না, রাষ্ট্রপত্নীর কাছে যাব। 

    অধীরের এই মন্তব্য নিয়ে লোকসভার পাশাপাশি হইচই শুরু হয় রাজ্যসভায়ও। পাল্টা চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে কংগ্রেসও। দুপক্ষের চিৎকার-চেঁচামেচির জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদের উভয় কক্ষ। ঘটনার জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে যায় দুই কক্ষের অধিবেশন।

    আরও পড়ুন : ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী দেশ! দ্রৌপদী মুর্মুর শপথগ্রহণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

    অধীরের এহেন মন্তব্যে ভারতের মহিলা ও আদিবাসীদের অবজ্ঞা করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির। তাঁর অভিযোগ, দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করার পর থেকেই কংগ্রেস বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করছে। ঘটনাটিকে বিজেপি নেতৃত্ব নারী বিদ্বেষী আখ্যা দিয়েছেন। যদিও সঙ্গে সঙ্গেই অধীর বিষয়টিকে স্লিপ অফ টাং বলে স্বীকার করেছেন। তিনি এও জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেবেন।

    অধীরের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই জাতীয় মহিলা কমিশন অধীরকে নোটিশ পাঠিয়েছে। এবং তাঁকে ৩ আগস্ট কমিশনের সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। দিতে বলা হয়েছে লিখিত ব্যাখ্যাও। কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাঁর(অধীর চৌধুরীর) মন্তব্য অপমানজনক, নারীবিদ্বেষী, মাননীয় রাষ্ট্রপতির সম্মানহানিকর। অধীরের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কমিশন চিঠি লিখেছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধিকেও।

    এদিকে, অধীরের এই মন্তব্যের জেরে মধ্যপ্রদেশের দিনদরি জেলায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জগন্নাথ মার্কম বলেন, অধীরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন কয়েকজন বিজেপি কর্মী।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

LinkedIn
Share