Tag: Ration Case

Ration Case

  • ED: রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের তৎপর ইডি, তল্লাশি হাওড়ার ৩ জায়গায়

    ED: রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের তৎপর ইডি, তল্লাশি হাওড়ার ৩ জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন কেলেঙ্কারি (Ration Case) মামলায় ফের তৎপর ইডি (ED)। দিন কয়েক আগেই জামিনে ছাড়া পেয়েছেন ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তারপর বুধবার সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন ইডির আধিকারিকরা। হাওড়ার অন্তত তিন জায়গায় হানা দিয়েছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার নজরে রয়েছে ব্যবসায়ীদের বাড়ি এবং গোডাউনও।

    জামিনে ছাড়া পেয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় (Ration Case)

    ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি গ্রেফতার করে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয়কে। তার পর থেকে জেলেই ছিলেন তিনি। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি বিশেষ ইডি আদালত ৫০ লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং ২৫ হাজার টাকার দুটি জামিন বন্ডে শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। তারপর কয়েকদিন কাটতে না কাটতেই রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ফের তৎপর হল ইডি।

    হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় ইডির হানা

    এদিন সকালে ইডির দফতর থেকে বিভিন্ন দিকে বেরিয়েছে একাধিক দল। সকাল সকালই একটি দল পৌঁছে যায় হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের দক্ষিণ সন্তোষপুরে কৃষ্ণপদ মাল নামে এক ধান ব্যবসায়ীর বাড়িতে। অন্য একটি দল হানা দেয় তাঁর গোডাউনে। এছাড়াও, হাওড়ার একটি সমবায় সমিতিতে চলছে ইডির (ED) অভিযান।

    ইডির আর একটি দল হানা দিয়েছে হাওড়ারই শ্যামপুরের সসাটিতে ব্যবসায়ী পার্থেন্দু জানার বাড়িতেও। কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে বিভিন্ন রাইস মিলে বিক্রি করেন পার্থেন্দু। তিনি ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। এদিন যখন ইডির দল তাঁর বাড়িতে হানা দেয়, তখন অবশ্য বাড়িতে ছিলেন না তিনি। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, মহাকুম্ভে গিয়েছেন পার্থেন্দু।

    ২০২০ সালে নদিয়া থেকে ৭৬২ কিলো কালোবাজারির আটা উদ্ধারকে কেন্দ্র করেই রেশন কেলেঙ্কারির তথ্য আসে পুলিশের হাতে। প্রথমে নদিয়ার তিনটি থানায় দায়ের হয় অভিযোগ। পরে অভিযোগ ওঠে, রেশনের ২০ থেকে ৪০ শতাংশ গম সরিয়ে ফেলে তাতে সরকারি ছাপ দিয়েই বিপুল টাকায় বিক্রি করা হত কালোবাজারে। এরই তদন্তভার পায় ইডি। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয়কে। গ্রেফতার (Ration Case) করা হয় বাকিবুর রহমান, শঙ্কর আঢ্য-সহ বেশ কয়েকজনকে (ED)।

  • Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কিং না হলেও, কিং-মেকার, আদালতে জানাল ইডি

    Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কিং না হলেও, কিং-মেকার, আদালতে জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কিং না হলেও, কিং-মেকার। মন্ত্রীর পদে না থাকলেও, এখনও তিনি ক্ষমতাশালী। রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় আদালতে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick) এই কেলেঙ্কারির কিংপিন বলেও উল্লেখ করল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, জামিন পেলে জ্যোতিপ্রিয় গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া প্রভাবিত করতে পারেন।

    দুর্নীতির মূলচক্রী জ্যোতিপ্রিয় স্বয়ং! (Jyotipriya Mallick)

    আজ, বুধবার জ্যোতিপ্রিয়ের জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল বিচারভবনে। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর আইনজীবীরা তাঁর প্রভাবশালী তত্ত্ব খারিজ করেছিলেন। বুধবার তাঁর জামিনের বিরোধিতা করে ইডি জানায়, দুর্নীতির মূলচক্রী জ্যোতিপ্রিয় নিজেই। যাঁরা এই মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনার নেতা জ্যোতিপ্রিয়ের দিকে। ইডির দাবি, রাজনৈতিকভাবে এখনও প্রভাব খাটাতে পারেন জ্যোতিপ্রিয়। এর পরেই আদালতে ইডির আইনজীবীর মন্তব্য, রাজা না হলেও, রাজা তৈরি করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।

    আরও পড়ুন: আক্রোশ মেটাতে ৪৯৮-এ ধারা ব্যবহার করা যাবে না, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    কিং মেকার

    বিচারক প্রশ্ন করেন, উনি তো এখন আর মন্ত্রী পদে নেই। তাহলে কী করে এত প্রভাব খাটাবেন? সওয়াল করতে গিয়ে ইডির আইনজীবী বলেন, “কেউ কিং হন, কেউ কিং মেকার। এমনও মামলা রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে যেখানে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না।” তিনি বলেন, “কিংমেকাররা আসলে এতটাই ক্ষমতাশালী। জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) জামিন পেলে পুরো মামলাটিকে প্রভাবিত করতে পারেন।” তিনি বলেন, “সুযোগ পেলে জ্যোতিপ্রিয় কী করতে পারেন, তা আমরা পিজি হাসপাতালের চিরকুটের ঘটনায়ই দেখেছি।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় জ্যোতিপ্রিয়কে গ্রেফতার করে ইডি। তার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের এই নেতা। বেশ কয়েকদিন তাঁকে ভর্তি রাখা হয়েছিল এসএসকেএম হাসপাতালে। ওই সময় ইডি একটি চিরকুট উদ্ধার করে। অভিযোগ, মেয়েকে হাসপাতালে বসেই ওই চিরকুটটি লিখেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। সেই চিঠি চলে আসে ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের হাতে। তাতে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য লেখা ছিল বলে দাবি কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার (Jyotipriya Mallick)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: পার্থর ‘অপা’র পর জ্যোতিপ্রিয়র ‘দোতারা’! শান্তিনিকেতনে ৬ কোটির বাংলো?

    Jyotipriya Mallick: পার্থর ‘অপা’র পর জ্যোতিপ্রিয়র ‘দোতারা’! শান্তিনিকেতনে ৬ কোটির বাংলো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক-নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই সময় জানা গিয়েছিল শান্তিনিকেতনে তাঁর ‘অপা’ বাংলোর কথা। এবার রেশন এবং খাদ্যবণ্টন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। উল্লেখ্য, তিনি আগে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন। এবার তাঁরও ঝাঁ চকচকে বিলাসবহুল জোড়া বাড়ির সন্ধান মিলেছে শান্তিনিকেতেনে। বাড়ির নাম ‘দোতারা’, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি টাকা বলে অনেকেই মনে করছেন। সূত্রের খবর, এই বাড়ি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ের নামে। এত বড় বিলাসবহুল বাংলোবাড়ি কি রেশনের আটা-গম-চাল বিক্রি করে তৈরি করে করেছেন তিনি? এখন এটাই তদন্তের মূল বিষয় ইডির কাছে।

    ১০ থেকে ১২ কাঠা জমির উপর দোতারা বাড়ি (Jyotipriya Mallick)

    সূত্রের খবর, শান্তিনিকেতনের রতনপল্লিতে এই বিলাসবহুল জোড়া দোতলা বাড়ির খোঁজ পেয়েছে ইডি। দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে মন্ত্রী এই বাড়ি কিনেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু কেনার পর আরও বেশ কয়েক কোটি টাকা খরচ করে, বাড়িকে আরও চোখধাঁধানো করে তুলেছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বাড়িতে শুধুমাত্র রং করতেই ৮৫ লাখ টাকা খরচ করেছেন মন্ত্রী। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিক পিছনেই, প্রায় ১০ থেকে ১২ কাঠা জমির উপর একটি বাড়ি নির্মিত হয়েছে এবং এই বাড়ির পিছনেই অপর বাড়িটি রয়েছে। সূত্রের খবর, মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) খুব একটা এই বাড়িতে না এলেও তাঁর মেয়ে প্রায়ই আসতেন। তবে বাড়িতে নিরাপত্তার কিছু কমতি নেই। নিরাপত্তারক্ষীর পাশাপাশি সিসিটিভিও নজরে এসেছে।

    মন্ত্রী তদন্তে অসহযোগিতা করেন বলে দাবি

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রেফতার হয়েছেন হাবড়া বিধানসভার বিধায়ক এবং তৃণমূলের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। সল্টলেকের বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। উল্লেখ্য, মন্ত্রী তদন্তে অসহযোগিতা করেন বলে দাবি ইডির। অনেক প্রশ্নের উত্তর সঠিক ভাবে দেননি এবং দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে তাঁর বাড়ি থেকে। উল্লেখ্য, মন্ত্রীঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানের ১০০ কোটি টাকার বেআইনি সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে যৌথ প্রয়াসে এত বড় দুর্নীতি হয়েছে কিনা, সেটাই তদন্ত করে দেখছেন অফিসাররা।        

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Case: তৃণমূল মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বাকিবুরের ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির খোঁজ পেল ইডি

    Ration Case: তৃণমূল মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বাকিবুরের ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির খোঁজ পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাকিবুরের ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির পুরোটাই দুর্নীতির টাকায় হয়েছে বলে দাবি ইডির। পার্ক স্ট্রিট, নিউটাউন-রাজারহাট এলাকায় ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর। একাধিক জায়গায় আরও ৮ থেকে ৯ টি ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে রয়েছে একাধিক হোটেল, পানশালা এবং চালকল। বেশ কিছু সংস্থায় তিনি শেয়ারে টাকা বিনিয়োগ করেছেন বলে জানা গেছে। রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত এই বাকিবুর এক তৃণমূল মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলেও জানা গেছে। এখন প্রশ্ন হল, এতো অল্প সময়ের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন কীভাবে তিনি? সবটাই কি উপার্জিত আয়, নাকি রেশন দুর্নীতির (Ration Case) টাকায়? তদন্তে আরও স্পষ্ট হবে।

    ইডির বক্তব্য (Ration Case)

    ইডি সূত্রে জানা গেছে, বাকিবুরের ৯০ টির বেশি সম্পত্তি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে রয়েছে। মোট ছয়টি সংস্থায় তাঁর শেয়ারের পরিমাণ হল ৫০ কোটি টাকারও বেশি। মামলার তদন্তে নেমে ১০০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গেছে বলে দাবি। তাঁর ১ হাজার ৬৩২ কাঠা জমির সন্ধান মিলল, যার বেশিরভাগটাই উত্তর ২৪ পরগনা এবং বহরমপুরে। সেই সঙ্গে রয়েছে বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট, পানশালা, হোটেল, চালকল। আরও জানা গেছে, নিজের শ্যালক, স্ত্রীর নামের ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেন (Ration Case) করেছেন বাকিবুর। অবশ্য শ্যালক এবং স্ত্রী এই কথা ইডির তদন্তের জেরায় জানিয়েছেন।

    রেশনের সামগ্রী খোলাবাজারে বিক্রি করতেন

    বাকিবুরের এই হঠাৎ সম্পত্তির উত্থানের কারণের পিছনে রেশন দুর্নীতির (Ration Case) কথা উঠে এসেছে। রেশনের খাদ্যসামগ্রীকে খোলা বাজারে বিক্রি করে, অবৈধ আয় করতেন তিনি। তাঁর কৈখালির ফ্ল্যাট থেকে ১০০ টির বেশি সরকারি সিলমোহর দেওয়া নথি উদ্ধার হয়েছে তদন্তে। তাঁকে ৫৩ ঘণ্টা টানা জিজ্ঞাসবাদ করে ইডির আধিকারিকরা এই তথ্য উদ্ধার করেন। এরপর তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এই নেতাকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি আদালতে জানিয়েছে যে বাকিবুর মিল থেকে খাদ্যসামগ্রী অবৈধ ভাবে বিক্রি করতেন। আর তার সেই বিক্রির হিসাব লেখা রয়েছে খাতায়। কোথায় কত সামগ্রী যেত, কোন ডিসট্রিবিউটর বা ডিলারের কাছে মাল পাঠাতেন, তার হিসাবও আদলাতে জমা করেছে ইডি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র মদতেই বিপুল সাম্রাজ্য! ২ জেলাতেই ১০০-র বেশি সম্পত্তি বাকিবুরের

    Ration Scam: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র মদতেই বিপুল সাম্রাজ্য! ২ জেলাতেই ১০০-র বেশি সম্পত্তি বাকিবুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টনে দুর্নীতির (Ration Scam) টাকায় শুধুমাত্র ২ জেলাতেই শতাধিক সম্পত্তি করেছেন বাকিবুর রহমান। রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মদতেই কয়েক বছরে বিপুল সাম্রাজ্যের মালিক হয়ে উঠেছেন তিনি। নজর এড়াতে ‘দুর্নীতির টাকা’ বিভিন্ন জায়গায় এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। এমনই দাবি করেছে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বাকিবুর এবং মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দুই জেলায় শতাধিক সম্পত্তি

    ইডি সূত্রে খবর, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বাকিবুরের মোট  ১০১টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। যার মূল্য ৯ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। ইডির দাবি, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা, বারাসত এবং বাদুড়িয়াতে বাকিবুরের সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। নদিয়ার বিভিন্ন গ্রামেও বাকিবুর এবং তাঁর কয়েক জন আত্মীয়ের প্রচুর সম্পত্তি মিলেছে। এ ছাড়াও কলকাতায় বাকিবুরের কোটি কোটি টাকার বাড়ি, আবাসন, রেস্তরাঁ, বারের হদিশ পেয়েছে ইডি। এমনকি দুবাইয়েও বাকিবুরের সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে ইডির তদন্তে।  

    জ্যোতিপ্রিয়র সক্রিয় যোগ

    চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, মন্ত্রীর আনুকূল্যেই সরকারি তহবিলের ৪৫০ কোটি টাকা গিয়েছে বাকিবুরের কাছে। বাকিবুরের সংস্থার অডিটরকেই উদ্ধৃত করে ইডি জানিয়েছিল, বাকিবুর তাঁর সংস্থার ৫০ কর্মীর নামে ভুয়ো কৃষক হিসেবে ৫০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলেন। সেই অ্যাকাউন্টগুলিতে ধান কেনার নামে ৪৫০.৩১ কোটি টাকার ফান্ড রিলিজ করা হয়। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল এসেনসিয়াল কমোডিটি সাপ্লাই কর্পোরেশন লিমিটেড’ ওই ফান্ড দিয়েছিল। চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, এই সংস্থার মাথায় রয়েছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ই। কিন্তু এত অর্থ নিয়ে কী করেছিলেন বাকিবুর। ইডির দাবি, সরকারি টাকা নয়ছয়ে মন্ত্রী বালুর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন বাকিবুর।

    আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! আজ মরশুমের শীতলতম দিন, রাজ্যজুড়ে নামছে তাপমাত্রা

    কীভাবে রাখা হতো দুর্নীতির টাকা

    কলকাতা নগর দায়রা আদালতে বাকিবুরদের বিরুদ্ধে চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে বেআইনি ভাবে রেশনের (Ration Scam) চাল আটা খোলা বাজারে বিক্রি এবং কমদামে ভুয়ো চাষী সাজিয়ে খাদ্যশস্য কেনা-সহ বিভিন্ন উপায়ে বছরের পর বছর এই দুর্নীতি চালিয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর। আর তাতে প্রশ্রয় দিয়ে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। জ্যোতিপ্রিয় ওরফে বালু যাঁদের যাঁদের কাছে টাকা পাঠাতেন, তাঁদের বেশ কয়েক জনকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে দাবি ইডির। এঁদের মধ্যে একজন বাকিবুর রহমানের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাস। তাঁকে বন দফতরে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: “আমাকে বাঁচতে দিন”, আদালতে আর্জি বালুর, ‘‘সেলে ফিরে যান’’, জবাব বিচারকের

    Jyotipriya Mallick: “আমাকে বাঁচতে দিন”, আদালতে আর্জি বালুর, ‘‘সেলে ফিরে যান’’, জবাব বিচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্যর, আমাকে বাঁচতে দিন”। আদালতে কাতর আর্জি রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick)। অসুস্থতার কথা শোনার পর মন্ত্রীমশাইকে সেলে ফিরে যেতে বলেন বিচারক। এদিনও ফের খাট ও টেবিল দেওয়ার আর্জি জানান রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

    “আমাকে বাঁচতে দিন”

    বৃহস্পতিবার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা ছিল জ্যোতিপ্রিয়র। অসুস্থতার কারণে এদিন সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে পারেননি তিনি। ভার্চুয়ালি হাজিরা দেন মন্ত্রী। তখনই জ্যোতিপ্রিয়কে কুশল সংবাদ জিজ্ঞাসা করেন বিচারক। তখনই মন্ত্রিমশাইয়ের কাতর আবেদন, “আমাকে বাঁচতে দিন।” তার পরেই তাঁকে সেলে ফিরে যেতে বলেন বিচারক। জ্যোতিপ্রিয় নিজেকে আইনজীবী দাবি করায় বিচারক জানান, তিনি নিশ্চয়ই জেল ও কোর্টের বিষয়ে অবগত।

    প্রেসিডেন্সি জেলে জ্যোতিপ্রিয় 

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ২৬ অক্টোবর রাতে ইডি গ্রেফতার করেছিল জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick)। আদালতে তোলা হলে দশ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে জ্ঞান হারান মন্ত্রিমশাই। ভর্তি করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। পরে জ্যোতিপ্রিয় সুস্থ বলে ছেড়ে দেয় হাসপাতাল। এবার হেফাজতে নেয় ইডি। বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। এই জেলেই রয়েছেন রাজ্যের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও।

    আরও পড়ুুন: বালিশ-চাদরের পর এবার মোবাইল দাও! বালুর বায়নাক্কায় অতিষ্ঠ জেল কর্তৃপক্ষ

    এদিন ভার্চুয়ালি জ্যোতিপ্রিয়কে তোলা হয় আদালতে। শুনানি শুরু হতেই বিচারক প্রশ্ন করেন, “কী সমস্যা হচ্ছে আপনার? যেখানে আপনি বসে রয়েছেন, আপনার কী সমস্যা হচ্ছে? সমস্যা হলে ওঁকে নিয়ে যেতে পারেন।” এর পরেই জ্যোতিপ্রিয় বলেন, “৩৫০ সুগার। হাত-পা কাজ করছে না। বাঁচতে দিন।” আইনজীবী পরিচয় দিয়ে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, “আমি আইনজীবী। হাইকোর্ট ও ব্যাঙ্কশাল কোর্টের সদস্য। পায়ের সমস্যা হচ্ছে। ৩৫০-র বেশি সুগার। হাত-পা কাজ করছে না। স্যর, আমাকে বাঁচতে দিন।” তখনই তাঁকে তাঁর এক্তিয়ারের কথা স্মরণ করিয়ে দেন বিচারক। তিনি বলেন, “আপনার অসুবিধা হলে সেলে চলে যেতে পারেন।” জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) খাট ও টেবিল দেওয়ার আবেদনের প্রত্যুত্তরে বিচারক বলেন, “সেটা জেলের এক্তিয়ার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্যপরীক্ষা কমান্ড হাসপাতালে সম্ভব, বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্যপরীক্ষা কমান্ড হাসপাতালে সম্ভব, বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনাবাহিনীর বাইরে অন্য কারও চিকিৎসায় আপত্তি তুলে কলকাতা হাইকোর্টে এসেছিল কমান্ড হাসপাতাল। কিন্তু বৃহস্পতিবার আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে, তার পরে আপাতত ইডি হেফাজতে থাকা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick) স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে আসা যাবে। প্রয়োজনে তাঁর চিকিৎসার পরিষেবাও পাওয়া যাবে কমান্ড হাসপাতাল থেকেই, স্পষ্ট জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

    কী বলল আদালত

    আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি মধুরেশ প্রসাদ জানান, কমান্ড হাসপাতালের আপত্তি নিয়ে ইডির বক্তব্য জানার পরই বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করা হবে। তবে সেই বিষয়টি হবে পরবর্তী শুনানির দিন। অর্থাৎ আগামী ৮ নভেম্বর। সেনাবাহিনীর বাইরে অন্য কোনও সাধারণ নাগরিকের চিকিৎসা করতে চায় না কমান্ড হাসপাতাল। এই বিষয়টি নিয়েই গতকাল বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কমান্ড হাসপাতাল। আজ এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানে কমান্ড হাসপাতালের আপত্তিতে সাড়া দিল না আদালত।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়র জন্য বাড়ি থেকে আসছে খাবার, পরীক্ষা করতে হচ্ছে বাড়ির লোককেই!

    কেন আপত্তি হাসপাতালের

    কমান্ড হাসপাতালের তরফে আইনজীবী অনামিকা পাণ্ডে বলেন, ‘‘কমান্ড হাসপাতাল সেনার চিকিৎসার জন্য। সেখানে সাধারণ নাগরিকদের যাতে ভর্তি করানো না হয়, সেই আবেদনে মামলা করা হয়েছে। এই হাসপাতালে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই চিকিৎসা পরিষেবা পেয়ে থাকেন। বাইরের রোগী এলে কর্তৃপক্ষের উপর বাড়তি চাপ পড়ে। তাই চিকিৎসায় সমস্যা হয়। সেই কারণেই এই মামলাটি করা হয়েছে।’’এর আগেও একাধিক বার ইডি ওই হাসপাতালে বাইরের অনেক ধৃতকে চিকিৎসা করাতে নিয়ে গিয়েছে। তাই আপাতত এতে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া হোক। অন্য দিকে, ইডির আইনজীবী জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের দুই সংস্থা একে অপরের বিরুদ্ধে আদালতে আসতে পারে না।  এর পরেই বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দেয় এখনই কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে না।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: নথি হাতে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়ের দাদা দেবপ্রিয়! কী নিয়ে গেলেন তিনি?

    Jyotipriya Mallick: নথি হাতে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়ের দাদা দেবপ্রিয়! কী নিয়ে গেলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী-কন্যা প্রিয়দর্শিনীর পর সিজিও কমপ্লেক্সে নথি নিয়ে হাজির হলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) দাদা দেবপ্রিয় মল্লিক। সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। দেবপ্রিয় পেশায় চিকিৎসক। ইডির তরফে তাঁর কাছে বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়। সেই সব বিভিন্ন নথি নিয়েই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন মন্ত্রীর দাদা। 

    এক ঘণ্টা ইডির দফতরে 

    ইডি সূত্রে খবর, সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডিকে একটি এক পাতার চিঠি জমা দিয়ে এসেছেন দেবপ্রিয়। সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ তিনি ইডি দফতরে যান। ১১টার পর বেরিয়ে আসেন। সিজিও থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন দেবপ্রিয়। তিনি জানান, একটি চিঠি ইডি দফতরে তিনি জমা দিয়েছেন। আগেও এই চিঠি জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। রবিবার তা নিয়ে সিজিওতে এসেছিলেন মন্ত্রী-কন্যা (Jyotipriya Mallick) প্রিয়দর্শিনী। তদন্তকারী অফিসার না থাকায় রবিবার ইডিকে চিঠি দেওয়া যায়নি। তাই সোমবার দেওয়া হয়।

    কী আছে চিঠিতে

    কী আছে সেই চিঠিতে? এ প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় বলেন, ‘‘সেটা বলতে পারবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আর ইডি। ইডিকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন।’’জ্যোতিপ্রিয়ের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনও বিষয়েও মুখ খুলতে রাজি হননি দেবপ্রিয়। তাঁর ভাই কেমন আছেন, তাঁকে সোমবারই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে কি না, সে সব প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীর দাদা বলেন, ‘‘সেটা হাসপাতালকে জিজ্ঞাসা করলে ভাল হয়।’’ আর কোনও কথা না বলে গাড়িতে উঠে পড়েন তিনি। সোমবার ইডি দফতরে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়ের (Jyotipriya Mallick) আপ্তসহায়ক অমিত দে-ও। নথি নিয়ে সিজিওতে ঢোকেন তিনি। ঢোকার আগে বলেন, ‘‘আমার কাছ থেকে একটা নথি চেয়েছিল। আমার বাড়ির দলিলের একটা কাগজ দিতে এসেছি।’’ 

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক! আজই কি ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়?

    রেশন ‘দুর্নীতি’র অভিযোগে শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick)। তার আগে বৃহস্পতিবার তাঁর সল্টলেকের দু’টি ফ্ল্যাটে চলে ম্যারাথন তল্লাশি। ইতিমধ্যেই ইডি দাবি করেছে, শ্রী হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেড, গ্রেসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড এবং গ্রেসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড, এই ৩টি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করতেন স্বয়ং জ্যোতিপ্রিয়। তাঁর স্ত্রী মণিদীপা, মেয়ে প্রিয়দর্শিনী, প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস ও তাঁর পরিবার, মন্ত্রীর শ্যালক অশোক সেন, বাকিবুরের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাস-সহ অন্তত ১০ জন এই ৩টি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share