Tag: Ration Scam

Ration Scam

  • Jyotipriya Mallick: কোটি কোটি টাকার মালিক! জ্যোতিপ্রিয়র সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    Jyotipriya Mallick: কোটি কোটি টাকার মালিক! জ্যোতিপ্রিয়র সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোটবন্দির সময়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু মল্লিকের স্ত্রী মনিদীপা ও তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ক্যাশ জমা হয়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। শুক্রবার আদালতে এই দাবি করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ, ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকার মালিক। তার স্ত্রী মণিদীপা ২ কোটি ৩০ লাখ ৭১ হাজার ৭০৮ টাকার মালিক। মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৬ কোটি ২৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আয়

    ইলেকশন কমিশনে দেওয়া তথ্য অনুসারে, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আয় ছিল বার্ষিক ২ লাখ ৪০ হাজার ৯১৭ টাকা। পরবর্তী অর্থ বর্ষ অর্থাৎ ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে তার বার্ষিক আয় এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়ায় ১১ লাখ ৯৮ হাজার ১৪৮ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে সেই আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ২৫৫ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বার্ষিক আয় এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়িয়ে ছিল ৫১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৭৬ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বার্ষিক আয় ছিল ৪০ লাখ ২১ হাজার ৯১০ টাকা।জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপার ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে বার্ষিক আয় ছিল ১১ লাখ ৫২ হাজার ৭০০ টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বার্ষিক আয় ছিল ১২ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে বার্ষিক আয় ছিল ২৫ লাখ ৫২ হাজার ৪৬০ টাকা। এক্ষেত্রেও তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় এক ধাক্কায় দ্বিগুণ হয়েছিল। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে বার্ষিক আয় ছিল ১৮ লাখ ১১ হাজার ৬৫৫ টাকা।

    আরও পড়ুন: হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, ছাড়া পেলেই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু

    জ্যোতিপ্রিয়ের স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্ট 

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী ও মেয়ের দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেল আদালতে পেশ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। দুটি অ্যাকাউন্টই রয়েছে আইডিবিআই ব্যাঙ্কে। একটি অ্যাকাউন্ট মনিদীপা মল্লিকের নামে। অন্য অ্যাকাউন্টটি প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের নামে। নোটবন্দি হয়েছিল ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর। ইডি জানিয়েছে, ২০১৬ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০১৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রীর আইডিবিআই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ক্যাশ তথা নগদ জমা হয়েছে ৬ কোটি ৩ লক্ষ টাকা। জ্যোতিপ্রিয়র মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এক মাসেই জমা পড়েছে নগদ ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা। নভেম্বর মাসে নোটবন্দি হয়েছিল। ওই এক মাসেই প্রিয়দর্শিনীর অ্যাকাউন্টে ক্যাশে এই টাকা জমা পড়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Jyotipriya Mullick: হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, ছাড়া পেলেই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু

    Jyotipriya Mullick: হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, ছাড়া পেলেই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Distribution Scam) মামলায় শুক্রবার বিচারক ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশের পরই আদলতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mullick) । বর্তমান বনমন্ত্রী তথা দাপুটে তৃণমূল নেতাকে ভর্তি করা হয়েছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। তবে, আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু হবে হাসপাতাল থেকে মন্ত্রীমশাই ছাড়া পাওয়ার পর থেকে। যে কারণে, জ্যোতিপ্রিয়র অসুস্থতা ও চিকিৎসার ওপর কড়া নজর রেখেছে ইডি।

    নির্দেশ শুনেই অসুস্থ বালু

    রেশন বণ্টন দুর্নীতির (Ration Distribution Scam) তদন্তে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ছ’টা নাগাদ প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mullick) ওরফে বালুর বাড়ির দুয়ারে হাজির হয়েছিল ইডি। প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদের পর ভোর পৌনে তিনটে নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। নিয়ে আসা হয় সিজিও কমপ্লেক্সে। পরে, শুক্রবার বেলায় শারীরিক পরীক্ষার পর দুপুরে মন্ত্রীমশাইকে পেশ করা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। আদালত জ্যোতিপ্রিয়কে ১০ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠিয়ে দেয়। তবে এর মধ্যেই আচমকা অসুস্থ বোধ করায় জ্যোতিপ্রিয়কে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় কিছুক্ষণের জন্য শুনানিতে ছেদ পড়ে। এদিকে, বিচারকের কাছে ইডি আবেদন করে যাতে হাসপাতালে মন্ত্রীর থাকার সময় যাতে হেফাজতের মেয়াদ থেকে বাদ দেওয়া হয়। তা মেনে, আদালত জানিয়ে দেয় যে, হাসপাতালে যতদিন মন্ত্রী থাকবেন, সেটা হেফাজতের মধ্যে ধরা হবে না। অর্থাৎ, হেফাজতের মেয়াদ শুরু হবে মন্ত্রী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেই।

    স্থিতিশীল জ্যোতিপ্রিয়

    বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mullick)। সিসিইউ-তে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, রাজ্যের মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। হাসপাতালে ভর্তির পরই জ্যোতিপ্রিয়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন ইন্টারনাল মেডিসিন, নিউরোলজি, কার্ডিওলজি এবং নেফ্রোলজির বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সেখানে তাঁর সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং রক্তের বিভিন্ন রকম পরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রের খবর তাঁর সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে। তবে, এখনও কিছুদিন সেখানে থাকতে হবে মন্ত্রীকে। 

    ইডি-র পছন্দ কমান্ড হাসপাতাল

    গতকাল আদালতে শুনানির সময় জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mullick) কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করানোর আবেদন করেছিল ইডি। পরিবারের তরফে পছন্দের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার আবেদন জানানো হয়। পরিবারের আবেদনই মঞ্জুর করেন বিচারক। তবে, আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পর অভিযুক্ত সুস্থ বোধ করলে তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাবে ইডি। সেই মুহূর্তেই কমান্ড হাসপাতালকে জ্যোতিপ্রিয়র জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে হবে। ঠিক এই কারণে, জ্যোতিপ্রিয়র অসুস্থতা ও হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার ওপর কড়া নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, মন্ত্রী একটু সুস্থ হলেই তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করতে চাইছে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Bengal Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা ইডির, একযোগে তল্লাশি ৮ জায়গায়

    Bengal Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা ইডির, একযোগে তল্লাশি ৮ জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো মিটতেই ফের রাজ্যের রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Bengal Ration Scam) তদন্তে সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। বৃহস্পতিবার সাতসকালে রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা ডাকসাইটে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (TMC Minister Jyotipriya Mallick) সল্টলেকের বাড়িতে হানা দিল ইডি। তদন্তকারী দল হানা দিয়েছে মন্ত্রীমশাইয়ের আপ্ত সহায়ক অমিত দে-র বাড়িতেও। একযোগে রাজ্যের ৮টি জায়গায় চলছে ইডি তল্লাশি।

    ভোর ৬টায় মন্ত্রীর বাড়িতে ইডি হানা

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Bengal Ration Scam) মামলার তদন্তে উঠে এসেছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের  (TMC Minister Jyotipriya Mallick) নাম। এই মামলায় বাকিবুর রহমানের গ্রেফতারির পর তার থেকে প্রাপ্ত নথি থেকে মন্ত্রীমশাইয়ের নাম উঠে এসেছে। সেই যোগসূত্রে এদিন ভোর ছ’টা নাগাদ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে পৌঁছয় ইডি অফিসারদের বিশাল দল। সল্টলেকের বিসি ব্লকে পাশাপাশি দুটি বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি। জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাটেই আছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী।

    মন্ত্রীর আপ্ত-সহায়কের জোড়া ফ্ল্যাট নাগেরবাজারে

    ইডি-র আরেকটি দল পৌঁছে গিয়েছে নাগেরবাজারে। সেখানে জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক অমিত দে-র বাড়িতে চলছে তল্লাশি। সূত্রে খবর, নাগেরবাজারে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে অমিতের। একটি ভগবতী পার্ক এলাকায়, দ্বিতীয়টি স্বামী বিবেকানন্দ রোডে। যদিও, দুটিই বর্তমানে তালাবন্ধ অবস্থায়। ইডি সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পিএ-এর কোনও খোঁজ মিলছে না। ফোনেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সপরিবারে কোনও এক সৈকত শহরে ঘুরতে গিয়েছেন অমিত দে।

    বাকিবুরকে জেরা করেই মন্ত্রী-যোগসূত্রের হদিশ!

    ইডি সূত্রে দাবি, রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে (Bengal Ration Scam) গ্রেফতার বাকিবুর রহমানের বাড়িতে তল্লাশি করে প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ নথি পায় ইডি। এছাড়া বাকিবুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই বেশ কিছু তথ্য পায় প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে দাবি, ২০১১ সালের পর থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে বাকিবুর। সূত্রের খবর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (TMC Minister Jyotipriya Mallick) ঘনিষ্ঠ হওয়ার ফলেই খাদ্য দফতরে কয়েক জন অফিসারকে হাতে নিয়ে কোয়ালিটি কন্ট্রোলের ল্যাবরেটরি হস্তগত করে বাকিবুর। কাকতালীয়ভাবে, ২০১১ সাল থেকেই মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন অমিত দে।

    বাকিবুরের ফ্ল্যাট থেকে কী মিলেছে?

    গত বুধবার সকাল থেকে বাকিবুরের কলকাতার কৈখালির ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান শুরু চালিয়েছিল ইডি। বাকিবুরের ফ্ল্যাট থেকে ১০০-র বেশি সরকারি দফতরের সিলমোহর (স্ট্যাম্প) মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১০৯টি স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। এর পর ম্যারাথন জেরার পর শনিবার সকালে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় (Bengal Ration Scam) গ্রেফতার অভিযুক্ত ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে জেরা করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁর ৯৫ জায়গায় ১০০ কোটির সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। দুবাইতে জোড়া ফ্ল্যাটের হদিশও মিলেছে। বাকিবুরের পাশাপাশি, তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুচরের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডি। বাকিবুরের ওই ঘনিষ্ঠের নাম অভিষেক বিশ্বাস। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পর্কে বাকিবুরের শ্যালক হন অভিষেক। তাঁর বাড়ি চিনার পার্কে।

    রকেট গতিতে উত্থান বাকিবুরের

    ইডি সূত্রে দাবি, বাকিবুর তার মামা সিরাজ বাবুর হাত ধরে ২০০৪ সালে খাদ্য দফতরের কাজ করা শুরু করে। প্রথমে চারটি শক্তিমান গাড়ি নিয়ে শুরু করেছিল তার ব্যবসা। তবে, আচমকাই রকেটের গতিতে উত্থান হয় তার। কোনও এক জাদুবলে সেখান থেকে অল্প সময়ের মধ্যে রাইস মিল থেকে ফ্লাওয়ার মিল, হোটেল-রিসর্ট থেকে বিদেশে সম্পত্তি তৈরি হয় বাকিবুরের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, একাধিক হোটেল, রিসর্ট, পানশালা রয়েছে বাকিবুরের। বাকিবুরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ যে নথিগুলি উদ্ধার হয়েছে, তা থেকে প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে বাকিবুরের বিভিন্ন সংস্থায় ৫০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ ঢুকেছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Ration Scam: রেশন কেলেঙ্কারিতে ধৃত বাকিবুরের সম্পত্তির পরিমাণ জানেন? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু   

    Ration Scam: রেশন কেলেঙ্কারিতে ধৃত বাকিবুরের সম্পত্তির পরিমাণ জানেন? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন কেলেঙ্কারি (Ration Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বাকিবুর রহমান। তদন্ত শুরু করেছে ইডি। এহেন আবহে বাকিবুর সম্পর্কে বোমা ফাটালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। বাকিবুরের রকেট গতির উত্থান কীভাবে, তাও জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    শুভেন্দুর ট্যুইট-বাণ

    এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “বাকিবুর রহমান পিডিএস দোকানের মালিক ও চালকলের মালিক। খুব অল্প সময়ে তার উত্থান। হোটেল ব্যবসা, নার্সিংহোমের মালিক, একাধিক চালকলের মালিক, বিদেশে তৈরি গাড়ি, অভিজাত এলাকায় বিরাট সব ফ্ল্যাট আর একাধিক জমি। আর সেই জমি আবার বরাদ্দ করেছে হিডকো। একেবারে নিয়ম ভেঙে তার নামে জমি বরাদ্দ করা হয়েছিল। রহমান অন্তত ১৩টি কোম্পানির ডিরেক্টর। একাধিক শেল কোম্পানির সঙ্গে তিনি যুক্ত। একাধিক মন্ত্রী ও প্রভাবশালীর সঙ্গে তার ওঠাবসা। তার কাজকর্ম শুধু রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) সংক্রান্ত নয়।”

    ইডিকে অনুরোধ

    শুভেন্দু লিখেছেন, “আমি ইডিকে অনুরোধ করছি বাকিবুর রহমানের সঙ্গে হিডকোর সম্পর্কটা একবার দেখুন। এটা আর্বান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মিউনিসিপ্যাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের আওতায় রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সুবিধা ও সম্পত্তি হিডকোর থেকে নিয়েছেন। সেই ধরনের একটি প্লটের নথি আমি তুলে ধরলাম। এটা তো হিমশৈলের অংশ মাত্র। এর পর আরও কিছু আছে…”

    এদিকে, কলকাতা, বেঙ্গালুরুর পর এবার দুবাইয়ে বাকিবুরের দু’টি ফ্ল্যাটের হদিশ মিলল। যার আনুমানিক মূল্য ৮-১০ কোটি টাকা। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “ভাইপোরও দুবাইয়ে ফ্ল্যাট রয়েছে। বাকিবুরেরও রয়েছে। নন্দীগ্রামের লোক মরছে। আমরা খেটে মরছি। আর এরকম বাকিবুররা তৈরি হয়েছে।” দুবাইয়ের ফ্ল্যাটের পাশাপাশি এ রাজ্যে তাঁর তিনটি চালকল, ২টি গমকল, বেশ কয়েকটি পানশালা, একাধিক হোটেল, পোর্শের মতো বহুমূল্যের একাধিক গাড়ির খোঁজও পেয়েছে ইডি। অল্প সময়ে কীভাবে তিনি এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন, রাজ্যের এক মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বাকিবুর, মূলত তা-ই জানতে চাইছে ইডি।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার আরও এক, কে জানেন?

    প্রসঙ্গত, করোনা অতিমারি-পর্বে রাজ্যের বহু জায়গায় রেশন সামগ্রী বণ্টনে দুর্নীতির (Ration Scam) অভিযোগ ওঠে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ইসিআইআর দায়ের করে ইডি। সেই মামলায় ১১ অক্টোবর কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ার ১২টি জায়গায় হানা দেয় ইডি। এর মধ্যে ছিল কৈখালিতে বাকিবুরের অভিজাত আবাসনের একটি ফ্ল্যাটও। শুক্রবার ফের তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share