Tag: ravan

ravan

  • Durga Puja 2024: দেবী দুর্গার অকাল বোধন করে দশানন রাবণবধ রামের, জানুন দশেরার মাহাত্ম্য

    Durga Puja 2024: দেবী দুর্গার অকাল বোধন করে দশানন রাবণবধ রামের, জানুন দশেরার মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশমীতে বাংলার ঘরের মেয়ে উমা বাপের বাড়ি থেকে স্বামীগৃহে রওনা দেন। মন যখন আমাদের ভারাক্রান্ত হয়, ঠিক তখনই দেশের অন্যান্য প্রান্তে ধুমধাম করে পালিত হয় দশেরা উৎসব (Durga Puja 2024)। দশটি মাথার বড় প্রতীকী অসুরকে অগ্নি-সংযোগের দ্বারা জ্বালানোর নামই দশেরা। পোশাকি একটা নাম অবশ্য রয়েছে, রামলীলা। দিল্লির রামলীলা ময়দান তো আমাদের অতি পরিচিত। দেশের প্রধানমন্ত্রীকেও রামলীলা ময়দানে দশেরা উৎসব পালন করতে দেখা যায়। তিনিই তির নিক্ষেপ করে দশমাথার প্রতীকী অসুরকে অগ্নিসংযোগ দ্বারা দহন করেন (Dashera)। দশমাথার অসুর বললে নিশ্চিতভাবে আমাদের আর বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, সেটি দশানন রাবণ। রাবণকে বধ করতেই (Dashera) আশ্বিন মাসে মা দুর্গার (Durga Puja 2024) অকাল বোধন করেছিলেন রামচন্দ্র। বিল্ববৃক্ষ তলায় মা দুর্গার পুজো করেছিলেন, তারপরেই রাবণবধ করেছিলেন দশমী তিথিতে। অন্য একটি বিশ্বাস মতে, ন’দিন ন’রাত্রি ব্যাপী যুদ্ধের পর মহিষাসুরকে দশমী তিথিতে বধ করেন দেবী দুর্গা। মহিষাসুর এবং রাবণ-দুই অসুর-ই অত্যাচার, অধর্ম, পাপ, অশুভ শক্তির প্রতীক। দশমী তিথি (Durga Puja 2024) তাই পবিত্র-পুণ্য এক তিথি, যেদিন আসুরিক শক্তির বিনাশ হয়েছিল। অশুভ শক্তি পরাস্ত হয়েছিল শুভ শক্তির কাছে। দেবতারা সেদিন পুষ্পবৃষ্টি করেছিলেন মহিষাসুর বধের জন্য দেবী দুর্গার ওপর এবং রাবণ বধের জন্য ভগবান রামচন্দ্রের ওপর।

    অজ্ঞাতবাস থেকে নিজেদের পরিচয় প্রকাশ পাণ্ডবদের

    অন্য একটি পৌরাণিক মত অনুযায়ী, দশেরার সঙ্গে পাণ্ডবরাও সম্পর্কিত। দশেরার দিন দেশের নানা প্রান্তে অস্ত্রপূজন দেখতে পাই আমরা। দশমী তিথির এই অস্ত্রপূজন পাণ্ডবদের সঙ্গেই সম্পর্কিত বলে অনেকে মনে করেন। পৌরাণিক আখ্যানটি জেনে নেওয়া যাক। পাশা খেলায় পরাজিত হয়ে পাণ্ডবরা ১২ বছর বনবাস ও এক বছরের অজ্ঞাতবাসে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। বনবাসের পর অজ্ঞাতবাস শুরু করার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে তাঁরা বিরাট রাজ্যে প্রবেশ করার আগে একটি শমীবৃক্ষের কোটরে তাঁদের সঙ্গে থাকা সমস্ত অস্ত্র লুকিয়ে রেখে যান। আবার ঠিক এক বছর পরে এই বিজয়া দশমীর দিনটিতে ওই কোটর থেকে অস্ত্র বের করে নিজেদের আসল পরিচয় দিয়েছিলেন তাঁরা। তাই তার পর থেকে দেশের সমস্ত প্রান্তে দশমীর দিনটিতে অস্ত্রের পুজো প্রচলিত আছে। এদিন অনেক জায়গায় পরস্পরকে শমীবৃক্ষের পাতা দিয়ে দুষ্টের উপর বিজয়ের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার চলও রয়েছে।

    অযোধ্যায় ধনবৃষ্টি কুবেরের

    আবার অন্য একটি পৌরাণিক মত অনুযায়ী, রামের জন্মের বহু আগে থেকেই নাকি রঘুবংশে পালিত হয় দশেরা। রামের পূর্বপুরুষ রাজা রঘুর আমলের একটি ঘটনা এক্ষেত্রে প্রচলিত রয়েছে। রঘুর রাজ্যে ছিলেন দেবদত্ত নামে এক ঋষি, যাঁর পুত্র কৌৎস শিক্ষালাভে গিয়েছিলেন ঋষি বরতনুর কাছে। শিক্ষা শেষে ১৪টি বিষয়ে সুশিক্ষিত কৌৎস যখন গুরুকে জিজ্ঞেস করেন, গুরুদক্ষিণা হিসেবে কী চান তিনি, বরতনু তখন উত্তর দেন, তাঁর কিছুই চাই না, ছাত্রের সুশিক্ষাই তাঁর কাছে গুরুদক্ষিণার সমান! কিন্তু কৌৎস গুরুদক্ষিণা না দিয়ে যাবেন না। বাধ্য হয়ে একটি অসম্ভব ইচ্ছে প্রকাশ করেন বরতনু। তিনি বলেন, ১৪টি বিষয়ে শিক্ষার দক্ষিণা হিসেবে তিনি ১৪০ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা চান। গুরুর ইচ্ছে পূর্ণ করতে কৌৎস যান অযোধ্যার রাজা রঘুর কাছে। কিন্তু সেদিনই ব্রাহ্মণদের দানে সব সোনা দিয়ে দেওয়ার কারণে রঘু কৌৎসর কাছে তিন দিন সময় চান। কৌৎস সেই কথা শুনে বিদায় নেওয়ার পর রঘু চলে যান দেবরাজ ইন্দ্রের কাছে। ইন্দ্র সব শুনে ডেকে পাঠান ধনের দেবতা কুবেরকে। ইন্দ্রের কথামতো কুবের অযোধ্যা রাজ্যে সেদিন ধনবৃষ্টি শুরু করেন। শোনু এবং আপতি গাছের পাতাগুলি থেকে ঝরতে থাকে সোনার মোহর! সেই মোহর একত্রিত করে কৌৎসকে দেন রাজা রঘু। ছাত্রের কাছ থেকে শুধু ১৪০ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা চেয়েছিলেন বরতনু, বাকিটা তিনি ফিরিয়ে দেন কৌৎসকে। কৌৎস তা আবার ফিরিয়ে দেন রঘুকে। দানবীর রঘু তা বিলিয়ে দেন তাঁর প্রজাদের মধ্যে। সেই দিনটি ছিল বিজয়া দশমীর দিন। অর্থাৎ দেবী মাহাত্ম্য, রামায়ণ, মহাভারত সহ সমস্ত পৌরাণিক আখ্যানে পাওয়া যায় দশেরার মাহাত্ম্য, বাংলায় দশমীর মাহাত্ম্য। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhim Army: উত্তর প্রদেশে গুলিবিদ্ধ ভীম আর্মি প্রধান ‘রাবণ’, দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি

    Bhim Army: উত্তর প্রদেশে গুলিবিদ্ধ ভীম আর্মি প্রধান ‘রাবণ’, দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুলিবিদ্ধ ভীম আর্মি (Bhim Army) প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ (Chandrashekhar Azad) ওরফে রাবণ। বুধবার বিকেলে উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন ভীম আর্ম প্রধান। এদিন বিকেলে সাহারানপুরে উত্তর প্রদেশের এই দলিত নেতার কনভয় লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একটি সাদা গাড়িতে করে দুষ্কৃতীরা এসেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। তারা তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে মোট চার রাউন্ড গুলি চালায়। একটি গুলি লাগে তাঁর পিঠে। সাহারানপুর জেলা পুলিশের সিনিয়র সুপার বিপিন টডা বলেন, দুষ্কৃতীদের খোঁজ চলছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। 

    গুলি লাগে আজাদের পিঠে

    জানা গিয়েছে, এদিন সাহারানপরে এক সমর্থকের বাড়ির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ভীম আর্মি (Bhim Army) প্রধান চন্দ্রশেখর। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, দুর্বৃত্তরা হরিয়ানার নম্বর প্লেট লাগানো একটি গাড়িতে করে এসেছিল। বিপিন বলেন, চন্দ্রশেখর আজাদের কনভয় লক্ষ্য করে গুলি চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। একটি গুলি লাগে তাঁর গায়ে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। ভীম আর্মি প্রধান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়তেই কয়েক হাজার ভীম আর্মি এবং আজাদ সমাজ পার্টির কর্মী-সমর্থকরা ভিড় করেন হাসপাতাল চত্বরে। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে চলে না যায়, তাই হাসপাতাল চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল বাহিনী।

    আজাদ সমাজ পার্টির প্রতিষ্ঠা

    ২০২০ সালের মার্চ মাসে আজাদ সমাজ পার্টি গড়েছিলেন চন্দ্রশেখর (Bhim Army)। বাইশের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। গোরক্ষপুর (শহর) কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন চন্দ্রশেখর। যদিও হেরে যান। চন্দ্রশেখরের গড়া ভীম আর্মি একটি সামাজিক সংগঠন।

    এই সংগঠনের ব্যানারে গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে দলিত ও অনগ্রসরদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছে ভীম আর্মি। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন ভীম সেনা প্রধান।

    আরও পড়ুুন: ‘৩ মাসের মধ্যে বিদায় দেব চোরেদের সরকারকে’, ভোটপ্রচারে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    চন্দ্রশেখর গুলিবিদ্ধ হওয়ায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব। তিনি বলেন, ভীম আর্মি (Bhim Army) প্রধান ভাই চন্দ্রশেখর আজাদের ওপর গুলি চালনার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। বহুজন মিশন আন্দোলন বন্ধ করতেই তাঁকে গুলি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবি জানাচ্ছি। তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবিও জানাচ্ছি। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে জঙ্গলরাজের সঙ্গে তুলনা করেন অখিলেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share