Tag: Recession

Recession

  • India: ফের বিশ্ব জুড়ে মন্দার অশনি সংকেত! ভারতেও কি প্রভাব পড়বে?

    India: ফের বিশ্ব জুড়ে মন্দার অশনি সংকেত! ভারতেও কি প্রভাব পড়বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শোনা যাচ্ছে মন্দার (Recession) পদধ্বনি! সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিসটিকস। সেখানেই মিলেছে মন্দার অশনি সংকেত। ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বে একবার ধাক্কা দিয়েছে মন্দা। বহু কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কর্মী ছাঁটাই করে মন্দার মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন বহু কোম্পানির মালিক। এমতাবস্থায় ফের ভয়ঙ্কর আশঙ্কার কথা শোনাল ওই রিপোর্ট। ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিসটিকসের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, মন্দার সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ব্রিটেনে (Britain)। এখানে মন্দা হতে পারে ৭৫ শতাংশ।

    ভারতের (India) আশঙ্কা কত?

    ভারতীয় (India) বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের দেশের পরেই জায়গা হয়েছে নিউজিল্যান্ডের। এখানে মন্দার প্রভাব হতে পারে ৭০ শতাংশ। তিন নম্বরে রয়েছে জো বাইডেনের আমেরিকা। এখানে মন্দার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা ৬৫ শতাংশ। ইউরোপের আর এক দেশ ফ্রান্সেও মন্দার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তা ব্রিটেনের মতো নয়। এখানে মন্দার প্রভাব পড়তে পারে ৫০ শতাংশ। ৬০ শতাংশ মন্দার প্রভাব পড়তে পারে কানাডা, ইতালি এবং জার্মানিতে। মন্দার অশনি সংকেত দেখা দিতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকায়ও। এখানে মন্দার প্রভাব ৪৫ শতাংশ।

    ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিসটিকসের ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় মন্দার আশঙ্কা রয়েছে ৪০ শতাংশ। রাশিয়ায় ৩৭.৫ শতাংশ। রাশিয়ার নীচে রয়েছে এশিয়ার দেশ জাপান। উদীয়মান সূর্যের এই দেশে মন্দার আশঙ্কা ৩৫ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়ায় মন্দার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ। মেক্সিকোয় এই আশঙ্কা ২৭.৫ শতাংশ। স্পেনে মন্দার আশঙ্কা ২৫ শতাংশ। মন্দার কবলে পড়তে পারে সুইজারল্যান্ডও। এখানে মন্দার আশঙ্কা ২০ শতাংশ। ব্রাজিলে এই সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ। এশিয়ার আর একটি দেশ চিনে মন্দার প্রভাব পড়তে পারে ১২.৫ শতাংশ।

    তবে এই তালিকায় নেই নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)। ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিসটিকসের রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ভারতে মন্দার আশঙ্কা শূন্য। দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় মন্দার প্রভাব পড়তে পারে ২ শতাংশ। সৌদি আরবে এটাই হতে পারে ৫ শতাংশ। জানা গিয়েছে, চলতি বছর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিশ্বের প্রধান অঞ্চলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি গতিশীল হবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে চিন ও ভারত (India)। আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলের এই দুটি বৃহত্তম ও উদীয়মান অর্থনীতি চলতি বছরের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির প্রায় অর্ধেক অবদান রাখবে। বাকি অর্ধেকের এক পঞ্চমাংশ হবে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Global Recession: বিশ্ব মন্দার ধাক্কা ভারতে তেমন পড়বে না, জানালেন স্টেট ব্যাংকের চেয়ারম্যান  

    Global Recession: বিশ্ব মন্দার ধাক্কা ভারতে তেমন পড়বে না, জানালেন স্টেট ব্যাংকের চেয়ারম্যান  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসছে বিশ্বব্যাপী মন্দা (Global Recession)। এ খবর আমরা আগেই জেনেছি। তবে সে মন্দার ধাক্কা তামাম বিশ্বের অন্যান্য দেশে যে প্রভাব ফেলবে, ভারতে সেরকম কিছু ঘটবে না। শুক্রবার একথা জানালেন স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার (SBI) চেয়ারম্যান দীনেশ খাড়া। তিনি জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশে মন্দার বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়লেও, ভারতে তার ধাক্কা হবে মৃদু। অর্থনীতির ক্ষেত্রে ভারতের (India) অবস্থান ক্রমেই যে ভালর দিকে যাচ্ছে, তা আগেও  জানিয়েছিলেন তিনি। এদিনও জানান, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভাল করছে ভারত। বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার (IMF) ও বিশ্বব্যাংকের বাৎসরিক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছেন দীনেশ। ওই বৈঠকের  ফাঁকেই তিনি কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। দীনেশ বলেন, ভারতে বৃদ্ধির হার ৬.৮। মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যুক্তিপূর্ণভাবেই ভাল করছে ভারত। তিনি বলেন, চাহিদার নিরিখে ভারতের অর্থনীতি অন্তর্মুখী। কারণ এখানকার জিডিপি দেশীয় অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই গোটা বিশ্বে মন্দা থাবা বসালেও, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তার প্রভাব পড়লেও, আমার মনে হয়, ভারতে তেমন প্রভাব পড়বে না।

    তিনি বলেন, আমরা যদি বেটা ফ্যাক্টরের দিকে তাকাই, তাহলে আমরা দেখব বিশ্বের বৃহত্তর অর্থনীতির যেসব দেশ রয়েছে, যারা প্রচুর পরিমাণে রফতানি করে, তাদের বেটা ফ্যাক্টরের তুলনায় ভারতের বেটা ফ্যাক্টর খুবই কম। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান বলেন, মুদ্রাস্ফীতির প্রাথমিক কারণ চাহিদা ভিত্তিক নয়, এটি অবশ্যই জোগান ভিত্তিক। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে দীনেশ বলেন, আমরা যদি জোগানের দৃষ্টিতে মুদ্রাস্ফীতিকে দেখি, তাহলে দেখব আমাদের ইউটিলাইজেশন ক্যাপাসিটি প্রায় ৭১ শতাংশ। যার অর্থ হল, আমাদের এই ক্যাপাসিটি বাড়ানোর সামান্যতম হলেও জায়গা রয়েছে। তাই জোগান চেইনে কোনও বিঘ্ন ঘটলে, যেটা ইদানিং বিশ্বের নানা ঘটনার জেরে ঘটছে, যার প্রভাব পড়েছে অপরিশোধিত তেলের ক্ষেত্রেও, তাহলে তার প্রভাব অর্থনীতিতে পড়বেই।

     

     

  • Recession: দেশে এখনই মন্দার সম্ভাবনা নেই! জানুন কী বলছেন অর্থনীতিবিদরা

    Recession: দেশে এখনই মন্দার সম্ভাবনা নেই! জানুন কী বলছেন অর্থনীতিবিদরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু ভারত (India) নয়, গোটা বিশ্বই মুদ্রাস্ফীতির এক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই মন্দা (recession) অত্যন্ত ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন অনেকে। বেশ কিছু বড় দেশে এই মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক মন্দার প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়তে চলেছে। তবে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ এখনও খোলা রয়েছে ভারতের সামনে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে এক সমীক্ষায়।

    আরও পড়ুন: ফের ৫টি ভারতীয় জলাভূমিকে অন্তর্ভুক্ত করা হল রামসার সাইটে

    সম্প্রতি সারা বিশ্বের অর্থনীতিবিদরা একটি সমীক্ষা করে দেখেছেন, বহু দেশের অর্থনীতি আগামী এক বছরের মধ্যে মন্দার সম্মুখীন হতে পারে। কিন্তু ভারতে সেই সংকটের সম্ভাবনা শূন্য। শ্রীলঙ্কা বর্তমানে আর্থিক সংকটের মুখে। সেখানে আগামী এক বছরে মন্দায় পড়ার সম্ভাবনা ৮৫ শতাংশ। কিন্তু ভারতের উপর বিশ্বব্যপী অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব হবে মাঝারি এবং স্বল্পমেয়াদী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মন্দার প্রভাব দেশে পরোক্ষভাবে পড়বে। মার্কিন মন্দা ভারতের রপ্তানিকে মন্থর করতে পারে তবে সেক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী পণ্যের দামও কমে যাবে যা ইতিবাচক। রপ্তানি বাজার হিসাবে ইইউ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর প্রচুর নির্ভরতার কারণে ভারতের রপ্তানি নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হবে এবং বিশ্ব বাণিজ্য ধীর হয়ে যাবে, বলে দাবি অর্থনীতিবিদদের।

    আরও পড়ুন: ২৩ তম কার্গিল বিজয় দিবসে বীর শহীদদের শ্রদ্ধার্ঘ্য বলিউড তারকাদের

    সম্প্রতি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার (RBI) তরফে স্টেট অব ইকোনমি রিপোর্টে জানানো হয়েছিল যে, বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি চরম পর্যায়ে পৌঁছতে চলেছে। এর প্রভাব ভারতীয় অর্থনীতিতেও পড়তে চলেছে। তবে এই মুদ্রাস্ফীতি থেকে মুক্তি পাওয়ার  উপায় রয়েছে ভারতের কাছে। রিজার্ভ ব্য়াঙ্কের তরফে জানানো হয়, যদি নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম কমানো হয় এবং সরবরাহ চেইনের উপরে তৈরি চাপ কমানো হয়,তবে মুদ্রাস্ফীতির ধাক্কা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। এই নীতি অনুসরণ করা হলে যদি দেশের অর্থনীতির উপরে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়ে,তবুও সেই প্রভাব খুব একটা গুরুতর হবে না।

LinkedIn
Share