Tag: recruitment scam in west bengal

recruitment scam in west bengal

  • Recruitment Scam: সন্তান দত্তক নিতে চেয়েছিলেন পার্থ-অর্পিতা, তাহলে কাকা-ভাইঝি কীভাবে? আদালতে ইডি

    Recruitment Scam: সন্তান দত্তক নিতে চেয়েছিলেন পার্থ-অর্পিতা, তাহলে কাকা-ভাইঝি কীভাবে? আদালতে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই মামলার শুনানিতে (Recruitment Scam) অর্পিতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা আদালতে অস্বীকার করেছিলেন পার্থ। তাঁর আইনজীবী আদালতে জানিয়েছিলেন, অর্পিতা রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী নয়, বরং ভাইঝির মতো! কিন্তু বৃহস্পতিবারের শুনানিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানাল, দুজনে সন্তান দত্তক নিতে চেয়েছিলেন, তাহলে কাকা-ভাইঝি কীভাবে? নিজেদের দাবির স্বপক্ষে এদিন উচ্চ আদালতের তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে বিভিন্ন যুক্তিও খাড়া করে ইডি।

    পার্থ-অর্পিতা সম্পর্ক, উচ্চ আদালতে ইডির যুক্তি

    ১. পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলে এদিন জানায় ইডি (Recruitment Scam)। সেই কারণেই নাকি দুজনে সন্তান দত্তক নিতেও সম্মত  হন। আদালতে এমনটাই দাবি ইডির।

    ২.  পার্থ কীভাবে অর্পিতার কাকা হয়ে গেলেন, সেটা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে বলেও জানায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইডির (Recruitment Scam) মতে, অর্পিতার ৩১ টি এলআইসি পলিসিতে পার্থর নাম উল্লেখ রয়েছে।

    ৩. ইডির আরও দাবি, বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর অর্পিতার নাম রাখা হয়েছে। এর থেকেই প্রমাণিত হয়, তাঁদের দুজনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ঠিক কতটা।

    ৪. পার্থ-অর্পিতা গোয়া ও থাইল্যান্ড ঘুরতে গিয়েছিলেন বলেও জানা যায়। ইডির দাবি, সেসময় জনৈক স্নেহময়ও তাঁদের সঙ্গে যান। স্নেহময়ের বয়ানে পার্থ-অর্পিতার সম্পর্কের কথা বলা  আছে বলে জানিয়েছে ইডি।

    ৫. কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, অপা নামে পার্থ-অর্পিতার যৌথ কোম্পানি রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, কাকা-ভাইঝির সম্পর্কের নাম এভাবে অপা হতে পারে না।

    কী বললেন ইডির আইনজীবী?

    ইডির আইনজীবী এদিন উচ্চ আদালতে বলেন, ‘‘নিম্ন আদালতে শুনানির সময় অর্পিতা বার বার দাবি করেছেন, এই দুর্নীতির ‘কিংপিন’ (Recruitment Scam) পার্থ। এর স্বপক্ষে তিনি কিছু তথ্যও দিয়েছিলেন। তাতে বোঝা যায়, দুর্নীতিতে অর্পিতাকে ব্যবহার করেছিলেন পার্থ। অর্থাৎ দুর্নীতিতে তাঁরা দু’জনেই জড়িত। তাঁদের মধ্যে কী ধরনের সম্পর্ক ছিল, আমরা জানি না। কিন্তু তথ্য বলছে, একে অপরের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক অবশ্যই ছিল। আমরা বলছি, অর্পিতা এই দুর্নীতির রানি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TET: ৯৪ জন প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল, সোমবার থেকে কার্যকর হবে নির্দেশ

    TET: ৯৪ জন প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল, সোমবার থেকে কার্যকর হবে নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৪ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল হল রাজ্যে। এঁদের মধ্যে টেটে (TET) পাশ করতে পারেননি কেউই তবুও প্রাথমিকের শিক্ষকতা করছিলেন তাঁরা। অযোগ্য এমন ৯৪ জন শিক্ষককে আগেই ছাঁটাই করা নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট এবার সেই নির্দেশ বাস্তবায়িত করার জন্য নোটিশ জারি করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। প্রসঙ্গত, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করছে সিবিআই। প্রাক্তন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বর্তমানে জেলে রয়েছেন।

    চাকরি গেল ৯৪ শিক্ষকের

    জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের প্রাথমিকের টেট (TET) পরীক্ষায় নিয়োগ হয় ২০১৬ সালে। সেই থেকে টানা ৭ বছর চাকরি করছিলেন অযোগ্য শিক্ষকরা। ৯৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে যাবতীয় তথ্য আদালতে পেশ করে সিবিআই। আদালত পরবর্তীকালে এই ৯৪ জন শিক্ষককে তাঁদের টেট পাশ করার সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে কোনও রকমের সার্টিফিকেট তাঁরা জমা দিতে পারেননি। তাই এই ৯৪ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল হল। সত্যিই কি ৯৪ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের ক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ? এমনটাই প্রশ্ন রয়েছে বিভিন্ন মহলের। কারণ টেট (TET) পাশ না করার অভিযোগে যাঁরা চাকরি করছিলেন এতদিন, তাঁদের প্রত্যেককেই নিয়োগ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। 

    ৬ নভেম্বর থেকে আর স্কুলে আসতে পারবেন না শিক্ষকরা

    জানা গিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের (TET) তরফ থেকে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দফতরে এই চিঠিগুলি পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যে। জেলার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের একাধিক চেয়ারম্যান চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকারও করেছেন। আগামীকাল সোমবার ৬ নভেম্বর থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। ওই ৯৪ জন অযোগ্য শিক্ষক সোমবার থেকে আর স্কুলে আসতে পারবেন না। তবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের এ বিষয়ে কী ভূমিকা ছিল অথবা ৯৪ জন শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কী মনে করছেন? এই নিয়ে কোন বিবৃতি এখনও পর্যন্ত সামনে আসেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sujit Bose: আগেই ইডিকে তোপ! পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে বালুকে দেখে কি আতঙ্কিত সুজিত?

    Sujit Bose: আগেই ইডিকে তোপ! পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে বালুকে দেখে কি আতঙ্কিত সুজিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে জেলযাত্রা শুরু হয়েছে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডলের পর সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এবার লাইনে কে? এই প্রশ্নই যখন ঘুরপাক খাচ্ছে তখন নিজের গ্রেফতারির আশঙ্কা প্রকাশ করতে শোনা গেল মন্ত্রী সুজিত বসুকে (Sujit Bose)। এতেই শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কি পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার হাজতবাস হতে চলেছে রাজ্যের দমকলমন্ত্রীর?

    মন্ত্রী ঘনিষ্ঠের বাড়িতে তল্লাশি ইডির

    পুর-নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে মন্ত্রীর একদা আপ্ত-সহায়ক বর্তমানে দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই দের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। ১২ ঘণ্টা ধরে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এর পাশাপাশি সুজিত ঘনিষ্ঠ দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের নামও উঠে আসে ইডির আতস কাঁচের তলায়। এতেই জল্পনা বাড়ছে। পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে সুজিত বসুর (Sujit Bose) দরজায় কার্যত পৌঁছে গিয়েছে ইডি। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার রাস্তা এখন থেকেই খুঁজে বেড়াচ্ছেন সুজিত (Sujit Bose)। শনিবারই এক পথসভায় রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, ‘‘নিতাই আমার আপ্তসহায়ক ছিল। প্রথম বার কাউন্সিলর হয়েছে, এখন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছে। ওর বাড়িতে গিয়ে ১২ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি করেছে, কিছুই পায়নি। তার পর এখন আমার নাম বলার জন্য ওর ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে।’’ সুজিতের এমন বিবৃতির কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য এবিষয়ে বলেন, “রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়ার অধিকার তৃণমূল হারিয়েছে। দুর্নীতি প্রসঙ্গে তৃণমূলের কোনও নেতার আর জনমনে কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। রাজ্য সরকারের প্রাথমিক তিনটি বিষয় থাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য। এরা গরিব মানুষের মুখের খাদ্য বিক্রি করে দিয়েছে।”  

    পুর-নিয়োগ দুর্নীতি

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে বলাগড়ের তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই  উঠে আসে প্রোমোটার অয়ন শীলের নাম। তাঁর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে পুরসভার চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার অসংখ্য ওএমআর শিট উদ্ধার করে ইডি। গ্রেফতার হন অয়ন। তাঁকে জেরা করে জানা যায়, রাজ্যের ৬০টিরও বেশি পুরসভায় চাকরি বিক্রির কথা। ইডির দাবি, চাকরি বিক্রি করতেন তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীরা। পুর-নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এবার ইডির র‌্যাডারে কি সুজিত (Sujit Bose)? আগামী দিনেই জানা যাবে প্রশ্নের উত্তর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Recruitment Scam: বিক্রি হয়েছে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও! নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির জেরায় স্বীকারোক্তি কুন্তলের

    Recruitment Scam: বিক্রি হয়েছে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও! নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির জেরায় স্বীকারোক্তি কুন্তলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রি হয়েছে চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (Recruitment Scam) চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির (ED) হাতে। ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) সম্মতিক্রমেই বিক্রি হত প্রশ্নপত্র। টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্রের খসড়া জেনে আগেভাগেই তা চাকরিপ্রার্থীদের জানিয়ে দিতেন ধৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। তদন্তে নেমে ঠিক এমনই কিছু তথ্য এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে।

    পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াই প্রশ্নের মুখে

    ইডি সূত্রের খবর, প্রাথমিক টেটসহ একাধিক চাকরির পরীক্ষার খসড়া প্রশ্নপত্র আগে থেকেই পৌঁছে যেত ইডির হাতে গ্রেফতার যুব তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুন্তল ঘোষের কাছে। টাকার বিনিময়ে সেই প্রশ্ন চাকরিপ্রার্থীদের বিক্রি করতেন কুন্তল। প্রশ্নপত্র যে ফাঁস হচ্ছে সেকথা জানতেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কুন্তলের ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে তাঁরা এই তথ্য পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। কুন্তলের ফোন থেকে উদ্ধার হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন।

    আরও পড়ুন: টানা ৭ ঘণ্টা ইডির জিজ্ঞাসাবাদ যুব তৃণমূল নেতা শান্তনুকে! এসএসসি দুর্নীতিতে আরও কী কী তথ্য মিলল?

    ইডির দাবি, যাঁদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে, তাঁরা যাতে চাকরি পান, তার জন‌্য পার্থ চট্টোপাধ‌্যায়ের সাহায‌্য চেয়েছিলেন কুন্তল। পার্থর সঙ্গে কুন্তলের বেশ কিছু হোয়াটসঅ‌্যাপের চ‌্যাটে উঠে এসেছে এই তথ‌্য। কুন্তল যে স্কুলে চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের খসড়া দেখেছেন, তা পার্থও জানতেন। এভাবে আগাম প্রশ্ন জেনে সেইমতো চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষার জন‌্য তৈরি হতে বলতেন কুন্তল। টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির অভিযোগ সামনে আসার পর গোটা নিয়োপক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন উঠে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। কেউ যদি প্রশ্নপত্র কিনে প্রস্তুত হয়ে এসে পরীক্ষা দিয়ে থাকেন সেটা চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। কোন কোন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি করেছেন কুন্তল, তা জানার চেষ্টা করছে ইডি।

    গোপালই টাকা সাদা করত

    সম্প্রতি জেরায় কুন্তল জানিয়েছিলেন তিনি নিজে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ১৫ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। এরপরই হইহই পড়ে যায় সর্বত্র। কারণ কেলেঙ্কারিতে এই প্রথম কেউ পার্থকে টাকা দিয়েছেন বলে মুখ খোলেন। কুন্তল জেরার মুখে বারবার  চিটফান্ড (Chitfund) কর্তা গোপাল দলপতির নাম নিয়েছেন। গোপাল নামে ওই ব‌্যক্তির কথা ইডিকে জানিয়েছিলেন তাপস মণ্ডলও। কুন্তল ও তাপসের দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির টাকা তোলার ঘটনায় মূল লিঙ্ক গোপাল। চাকরিপ্রার্থীদের থেকে কয়েক কোটি টাকা তুলেছেন গোপাল। কুন্তল ও তাপসের দাবি, তাঁদের কাছ থেকে টাকা গিয়েছে গোপাল দলপতির কাছে। সেই বিপুল কালো টাকা সাদা করতে চিটফান্ড ও একাধিক বেসরকারি সংস্থায় লগ্নি করে গোপাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির জের! ১৬৯৮ জন শিক্ষাকর্মীর চাকরি যাওয়ার পথে

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির জের! ১৬৯৮ জন শিক্ষাকর্মীর চাকরি যাওয়ার পথে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হওয়া ১৬৯৮ জনকে এবার নোটিস ধরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল শিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে ১৬৯৮ জন গ্রুপ-ডি কর্মীর নিয়োগ দুর্নীতির আভাস দিয়েছিল সিবিআই। এঁরা রাজ্যের বিভিন্ন হাই ও জুনিয়ার হাইস্কুলে কর্মরত। রাজ্য শিক্ষা দফতর এবার এই কর্মীদের বিষয়ে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের দফতরকে জানিয়ে দিল। ইতিমধ্যেই এই মামলায় বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানিয়েছিলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি করে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের একদিনও স্কুলে ঢুকতে দেব না৷ এই দুর্নীতির জেরে ছাত্রদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি৷ 

    শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকা

    শিক্ষা দফতরের কমিশনার শুভ্র চক্রবর্তী ২৩ ডিসেম্বর একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই তদন্তে চিহ্নিত ১৬৯৮ জন গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হওয়া ব্যক্তিকে নোটিস ধরাতে হবে। সেই নোটিসের সঙ্গে আদালতের রায়টিও যুক্ত করে দিতে বলা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে নিযুক্ত ১৬৯৮ জনের নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়ম ধরা পড়েছে বলেই অভিযোগ। নির্দেশিকাটির সঙ্গে ১৬৯৮ জনের নামের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা কোন কোন স্কুলে কর্মরত রয়েছেন তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকাটি পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইন্সপেক্টর (ডিআই)-দের কাছে। তাঁদের চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: একজনের নিয়োগপত্রে অন্যজনের চাকরি! মুর্শিদাবাদের স্কুলে ভুয়ো শিক্ষক

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শমিক মজুমদার বলেন, ‘কিছু প্রার্থী যেমন উৎকোচ দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তেমনই কিছু প্রার্থী পরীক্ষায় পাশ করে চাকরি পেয়েছেন৷ তাঁদের কাছে পরীক্ষা দেওয়ার প্রমাণও আছে৷ সকল প্রার্থীর চাকরি বাতিল করা হলে, তা চূড়ান্ত অমানবিক হবে৷ পর্ষদ কি প্রতিদিন নতুন করে তাঁদের অবস্থান জানাবে? প্রতিদিন নতুন নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হবে? একজনের পাপের ভার যেন সকলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া না হয়৷ এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকেও হস্তক্ষেপ করতে হবে৷’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share