Tag: Recruitment scam

Recruitment scam

  • Leaps And Bounds Case: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    Leaps And Bounds Case: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কিছু আধিকারিকের মধ্যে তদন্তে গাফিলতির প্রবণতা দেখা দিয়েছে।” বুধবার প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির আধিকারিকদের উদ্দেশে (Leaps And Bounds Case) একথা বলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির আধিকারিকদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সিনহা।

    কী বললেন বিচারপতি? (Leaps And Bounds Case)

    তিনি বলেন, “আপনাদের কিছু আধিকারিককে সতর্ক হতে বলুন। আদালতের কাছেও বিভিন্ন তথ্য আসছে। বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকেই সেই তথ্যগুলি আসছে। কিছু আধিকারিকের মধ্যে তদন্তে গাফিলতির প্রবণতা দেখা দিয়েছে। কী তদন্ত করা হবে, কী তদন্ত করা হবে না, তা নিয়ে বাছবিচার করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “আদালতের নজরদারিতে তদন্ত চলছে। তাই আমার কাছেও কিন্তু খবর আসছে। চূড়ান্তভাবে সতর্ক থাকতে (Leaps And Bounds Case) বলুন আপনার অফিসারদের।”

    ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’

    এই প্রসঙ্গেই উঠে আসে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র প্রসঙ্গ। বিচারপতি সিনহা বলেন, “লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের কী সম্পত্তি পাওয়া গিয়েছে সেটা আপনারা জানেন, কোর্টও জানে। সোর্স অফ মানি কী? কোথা থেকে আসছে সেই টাকা, সেটা জানা দরকার। যা তথ্য আপনাদের রিপোর্ট থেকে দেখেছি, সেখানে কোম্পানি কোনও অর্থ জেনারেট করেনি। অন্য কোনও জায়গা থেকে এসেছে সেই টাকা।” এদিন ইডির তরফে আদালতে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ১৪৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। সিবিআই বাজেয়াপ্ত করেছে ১৩ কোটি টাকার সম্পত্তি। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার মোট সাড়ে ৭ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয় ইডির তরফে।

    আর পড়ুন: দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন, কুয়েতের বহুতলে জীবন্ত দগ্ধ ৪০ ভারতীয়

    প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই এবং ইডি। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করার পর কেন তদন্ত এগোচ্ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। এই মামলায় গত সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যকে একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল আদালত। রাজ্য এখনও সেই রিপোর্ট জমা না দেওয়ায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি সিনহা। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০ জুলাই (Leaps And Bounds Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Recruitment Scam: সিবিআইয়ের হাতে এসএসসি-র ইমেল! অযোগ্যদের হবে পর্দাফাঁস?

    SSC Recruitment Scam: সিবিআইয়ের হাতে এসএসসি-র ইমেল! অযোগ্যদের হবে পর্দাফাঁস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি-র (SSC) সার্ভার থেকে অযোগ্যদের তালিকা পেল সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত নেমে সিবিআই (CBI) এবার পেল চাকরি জালিয়াতির ইমেল। কাদের নম্বর বাড়ানো হবে সেই তালিকায় নাইসাকে ইমেল করেছিল এসএসসি। এসএসসির তরফে তিনজনকে ইমেল করা হয়েছিল। ইমেল করা হয় নাইসা কর্তা নীলাদ্রি দাস, পংকজ বনসল ও মোজাম্মেল হোসেনকে। এই ইমেলের সাহায্যেই নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Recruitment Scam) পর্দা ফাঁস করতে চায় সিবিআই।

    অযোগ্যদের তালিকা নাইসাকে ইমেল করেছিল এসএসসি

    সূত্রের খবর অযোগ্যদের তালিকা নাইসাকে ইমেল করেছিল এসএসসি। সেই ইমেলের কপি পেয়েছে সিবিআই। জানা যাচ্ছে ওই মেলে একাধিক নামের উল্লেখ ছিল। অযোগ্যদের তালিকা সম্পূর্ণ নাকি অসম্পূর্ণ, তা এখনো সিবিআইয়ের তরফে খোলসা করে জানানো হয়নি। জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই এসএসসি-র সার্ভার থেকে সেই ইমেইল খুঁজে পেয়েছে। এসএসসি তরফে তিনজনকে ইমেল করা হয়েছিল। অযোগ্যদের তালিকা দিয়ে তাঁদের নম্বর বাড়ানর জন্য এসএসসি-র তরফে একাধিক ইমেল করা হয়েছিল। এই ইমেল কাণ্ডের তদন্তে সিবিআইয়ের নজরে এবার মোজাম্মেল হোসেন। তদন্তকারীদের অনুমান এসএসসির সার্ভারে এমন আরও ইমেল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২০১৬ প্যানেলের শিক্ষক ও স্কুল কর্মীদের নিজাম প্যালেসে তলব সিবিআইয়ের 

    ইতিমধ্যেই ২০১৬ প্যানেলের বহু শিক্ষক ও স্কুল কর্মীদের নথি সহ সিবিআই নিজাম প্যালেসে (Nijam Palace) তলব করেছে। জেলা স্কুল পরিদর্শকের দফতরের মাধ্যমে শিক্ষকদের তলব করার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। যাদের তলব করা হয়েছে তাঁদের জিজ্ঞসাবাদ করলে বেরিয়ে আসবে অনেক রহস্য। যোগ্য অযোগ্য বাছাই এবং ইমেলের বিষয়বস্তু খতিয়ে দেখে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় তদন্তকারীরা। অযোগ্যদের তালিকার উপর ভিত্তি করে সিবিআই যদি প্রমাণ করতে পারে টাকার বিনিময়ে এই ব্যক্তিরা চাকরি পেয়েছেন, তাহলে বেঁচে যেতে পারেন যোগ্য প্রার্থীরা। ফলে তদন্ত যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে অযোগ্যদের তালিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    সুপ্রিম কোর্টে চাকরিহারাদের সাময়িক স্বস্তি

    হাইকোর্টের রায়ে চাকরি গিয়েছিল প্রায় ২৬ হাজারের। সেই জল গড়ায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। সুপ্রিম কোর্ট চাকরিহারাদের দিয়েছে সাময়িক স্বস্তি। তবে যোগ্য অযোগ্য বাছাই এখনও সম্পূর্ণ করা যায়নি সুপ্রিম কোর্টে।

    আরও পড়ুন: বসিরহাট এবং দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

    অভিযোগ লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে অযোগ্য প্রার্থীরা। যার জেরে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিরোধীদের প্রধান ইস্যু সন্দেশখালির পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে শুরু চাকরিহারাদের তথ্য সংগ্রহের কাজ, ‘অযোগ্য’দের সিবিআই তলব

    SSC Scam: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে শুরু চাকরিহারাদের তথ্য সংগ্রহের কাজ, ‘অযোগ্য’দের সিবিআই তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) অভিযুক্ত ‘অযোগ্য’ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তলব করতে শুরু করল সিবিআই। ‘কোথাও নাম নেই, কীভাবে চাকরি পেলেন?’, ‘কাকে টাকা দিলেন?’, এরকমই সিবিআইয়ের কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে ঘুরপথে চাকরি পাওয়া ওই ব্যক্তিদের। আদালতের নির্দেশ মেনে প্রার্থীর পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ও বেতন পাওয়ার নথি যাচাই সহ নিজাম প্যালেসে ‘অযোগ্য’দের তলব করা হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রের খবর।  

    সিবিআই তদন্ত চলছে

    শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার যাবতীয় তথ্য ও নথি সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে সিবিআই। ‘দুর্নীতি’র (SSC Scam) অভিযোগে ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরো প্যানেলটিই বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এক ধাক্কায় চাকরি যায় ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পরীক্ষায় অযোগ্য চাকরি প্রাপকদের খুঁজে বার করার কথাও বলেছে শীর্ষ আদালত। তাই এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চালিয়ে যেতে পারে বলে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নির্দেশেই এবার তদন্ত শুরু করল সিবিআই।

    আরও পড়ুন: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    উঠতে পারে কোনও নাম

    সূত্রের খবর, ওএমআর যাচাইকারী সংস্থা নাইসা থেকে সিবিআই যে হার্ড ডিস্ক উদ্ধার করেছে, সেখানেই রয়েছে কারা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, কাদের ওএমআরে ম্যানুপুলেশন হয়েছে তার সম্পূর্ণ তালিকা রয়েছে এসএসসিও (SSC Scam) অনেককে চিহ্নিত করেছে। অনেকের চাকরি বাতিল হয়েছে। তবে অনেকে চাকরিও করছেন। এই অযোগ্যদেরই এবার তলব করেছে নিজাম প্য়ালেস। তালিকা ধরে ধরে প্রায় ৪৩২৭ জন ‘অযোগ্য’কে তলব করা শুরু করেছে সিবিআই। অযোগ্যদের মোট ৬টি তালিকা সিবিআইয়ের হাতে। প্রত্যেক তালিকা থেকেই বেশ কয়েকজনকে তলব করা হয়েছে বলে খবর। এদেরকে জেরা করে কোনও বড় নামও মিলতে পারে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ালো তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Malda: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ালো তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় নাম জড়ালো তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের। টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে বিষয়টি। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে টাকা ফিরিয়ে না দিতে চাওয়ার অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনায় রীতিমত শোরগোল পড়েছে মালদার (Malda) গাজোল ব্লকে।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Malda)

    অভিযোগকারীর নাম সুকুমার বালো। তাঁর বাড়ি গাজলের (Malda) শংকরপুর এলাকায়। তিনি বলেন, আমার স্ত্রীকে ২০১৬ সালে প্রাথমিক স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে গাজলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন আমার কাছ থেকে ১২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেয়। প্রাথমিক চাকরি পদে নিয়োগের নিয়োগ পত্র দেওয়া হয় আমাকে। সেই নিয়োগপত্র নিয়ে গাজোলের একটি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন আমার স্ত্রী। তারপর দুই সপ্তাহ পর এসআই অফিস থেকে নিয়োগ পত্রটি দেখতে চাওয়া হয় এবং সেখানেই এসআই অফিস জানিয়ে দেন নিয়োগপত্রটি নকল। তাই, সেটি বাতিল করা হয়েছে। তারপর টাকা ফেরতের জন্য গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের কাছে আমরা যাই। প্রথমে, টাকা দিতে অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে তিনি একটি চেক দেন। কিন্তু, সেই চেক ব্যাংকে জমা দিলে সেই চেক বাউন্স হয়। আমরা সেই বিষয়ে তাকে জানিয়েছি। কিন্তু, তিনি আমাদের টাকা দেননি। অবশেষে মালদা জেলা আদালতে আমরা আদালত মামলা করি। মালদা জেলা আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেয়। অভিযুক্ত মোজাম্মেল হোসেনকে টাকা ফেরতের জন্য জেলা আদালত নির্দেশ দেন। তারপরেও আদালতের নির্দেশকে না মেনে টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে আমরা আবারও জেলা আদালতের দ্বারস্থ হই। পাশাপাশি টাকা চাইতে গেলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের নাকি বাড়ি-গাড়ি নেই! সোনা-ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স কত জানেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন গাজল (Malda) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন। তিনি বলেন, সুকুমার বালো বলে আমি কাউকে চিনি না। এটা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র। আমার নাম কে বদনাম করার জন্য এসব করা হচ্ছে। আইন সবার জন্য। যিনি অভিযোগ করেছেন সে ক্ষেত্রে তিনি যদি আমার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন তাহলে আমিও তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে দ্বারস্থ হব।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময়ী দেব বর্মন বলেন, আদালতের নির্দেশের পরও তৃণমূল নেতা টাকা ফেরত দিচ্ছে না। ফলে, অবিলম্বে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme court: টেটের শূন্যপদ নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    Supreme court: টেটের শূন্যপদ নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এবার বড় নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। প্যানেলের মেয়াদ শেষে কোনও নিয়োগ নয়, নির্দেশে সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ ২০২০ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রয়ে যাওয়া শূন্যপদে নতুন করে কোনও নিয়োগ নয়, এমনটাই নির্দেশ বিচারপতি হৃষীকেশ রায়ের বেঞ্চের।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Supreme court) 

    ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে একটি ২০১৬ সালে এবং অপরটি ২০২০ সালে। ২০২০ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের তরফে ১৬ হাজার ৫০০ শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। কিন্তু, বিভিন্ন কারণের জন্য ৩৯২৯ টি পদ শূন্যই থেকে গিয়েছিল। এই প্রায় ৪ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (Primary Recruitment) ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার কাদের রয়েছে? এই সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা ২০১৪ সালে টেট পাশ করে তাঁদের দাবি ছিল বাকি পদগুলিতে রয়েছে তাঁদের অগ্রাধিকার। উল্লেখ্য, এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে এই শূন্যপদগুলিতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা গিয়েছিল তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। তিনি সেই সময় মেধার উপর ভিত্তি করে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court) সেই নির্দেশকে মান্যতা দিল না। 

    শূন্যপদগুলিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ 

    বৃহস্পতিবার মামলাটি আদালতে (Supreme court) উঠতে সেখানেই এই দাবি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এই শূন্যপদগুলিতে নিয়োগের (Primary Recruitment) ক্ষেত্রে যে পদগুলি বাকি রয়েছে সেগুলি আগামী নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের (Supreme court) তরফে। অর্থাৎ ২০২২ সালের যে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল তার সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেই মতোই করা হবে নিয়োগ।

    আরও পড়ুন: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    অন্যদিকে আবার এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জলও গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটিই বাতিল করে দেয়। আর এই নির্দেশে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী মিলিয়ে মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি যায়। আর অযোগ্য চাকরি প্রাপকদের সুদ সমেত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও সেই মামলায় আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC: মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    SSC: মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ভোট প্রচারে এসে যোগ্য অথচ বাতিল হওয়া শিক্ষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর নির্দেশ অনুসারে এই রাজ্যে তৈরি হয়েছে বিজেপির লিগ্যাল সেল। এবার এই লিগ্যাল সেল, যোগ্য অথচ এসএসসিতে (SSC) চাকরি হারাদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য চালু করা হল বিশেষ পোর্টাল। গতকাল বুধবার পূর্ব বর্ধমান থেকে জেলা বিজেপির কার্যালয় থেকে এই পোর্টাল উদ্বোধন করেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমিক ভট্টাচার্য।

    বিজেপির বক্তব্য (SSC)

    কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশেন বেঞ্চ থেকে সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি (SSC) মামলা গেলে ২৬ হাজার শিক্ষক বাতিলের রায়ের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন প্রধান বিচারপতি। আদলাত জানিয়েছে, এখনই কাউকে টাকা ফেরত দিতে হবে না। তবে মুচলেকা দিতে হবে যে নিয়োগ বেআইনি প্রমাণিত হলে অযোগ্যদের টাকা ফেরত দিতে হবে। কিন্তু আগেই বিজেপির পক্ষ থেকে যোগ্যদের আইনি সাহায্যের কথা বলা হয়েছিল। এবার এই পোর্টাল চালু করা হল। এই পোর্টাল চালু করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “যাঁরা সত্যিকারের মেধাবী আমরা তাঁদের পাশে আছি, আমরা তাঁদের সাহায্য করব। দলের তরফ থেকে আমরা সকলকে সাহায্য করব। এই নিয়ে পোর্টালের পাশাপাশি একটা হেল্পলাইনের নম্বর ঠিক করেছি আমরা। হেল্পলাইনের নম্বর হল  ৯১৫০০৫৬৬১৮। ওয়েব সাইড হল ডাব্লিউডাব্লিউডাব্লিউ ডট বিজেপি লিগাল সাপোর্ট ডট ওআরজি।”

    মোদির নির্দেশ

    রাজের নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলে ছিলেন, “এসএসসি (SSC) শিক্ষক নিয়োগে অনেক যোগ্য ব্যক্তিরা দারুণ অসুবিধায় পড়েছেন। বাংলার বিজেপির সভাপতিকে বলেছি, একটি লিগ্যাল সেল ও একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে। যোগ্য শিক্ষকদের জন্য সব রকম আইনি সহায়তা করবে বিজেপি। আর এটাই মোদির গ্যারান্টি।” 

    আরও পড়ুনঃদিলীপ ঘোষের পদযাত্রায় পুলিশের বাধা, বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তুমুল বচসা, বর্ধমানে উত্তেজনা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: এসএসসি-র প্রাক্তন কর্তাদের বিচার শুরুর অনুমতি কে দেবেন? মুখ্যসচিবকে জানাতে বলল হাইকোর্ট

    SSC Scam: এসএসসি-র প্রাক্তন কর্তাদের বিচার শুরুর অনুমতি কে দেবেন? মুখ্যসচিবকে জানাতে বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারও  আদালতে সুরাহা হল না, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত এসএসসি কর্তাদের (SSC Scam) বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি কে দেবেন তা নিয়ে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এ বিষয়ে মুখ্য সচিব বিপি গোপালিকের মত জানতে চেয়েছেন। এ ব্যাপারে আইন কী বলছে! তা রাজ্যকে আদালতে জানাতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    নিয়োগ কর্তা কে?

    প্রসঙ্গত নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শান্তি প্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র সরকার, অশোক সাহার মতো এসএসসির (SSC Scam) প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং সেক্রেটারিদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন কে দেবেন তা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ধোঁয়াশা চলছে। আদালতের নির্দেশের পরেও নানা কারণ দেখিয়ে এদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তই জানাননি মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। একাধিকবার কলকাতা হাইকোর্ট এ নিয়ে রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে। কিন্তু গত শুনানিতে অভিযুক্তদের এক আইনজীবী বলেন, ‘‘শান্তি প্রসাদ সহ বেশ কয়েকজনের নিয়োগ কর্তা রাজ্যপাল নিজে। এরফলে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি দেওয়ার এক্তিয়ার মুখ্য সচিবের নেই।’’

    কী বলছেন সিবিআইয়ের আইনজীবী?

    এদিন মামলার শুনানিতে সিবিআইয়ের (SSC Scam) আইনজীবী ধীরাজ ত্রীবেদী দাবি করেন, ‘‘আইন অনুসারে সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর আবেদন মুখ্যসচিবের কাছেই পাঠাতে হবে। তিনি রাজ্যপালের কাছে সেই আবেদন পাঠাবেন।’’

    কী বললেন বিচারপতি?

    এর পর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে আদালত বলে, ‘‘মুখ্যসচিব রাজ্যপালকে সুপারিশ করতে পারেন কি না তা তাঁকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে আইন ঠিক কী বলছে তা আদালতকে (SSC Scam) জানাতে হবে রাজ্যকে।’’ বিচারপতি বলেন, ‘‘এমনও হতে পারে, পদাধিকারবলে রাজ্যপাল এদের নিয়োগকর্তা হলেও বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি মুখ্যসচিবের হাতে ন্যস্ত থাকতে পারে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ জুন। ওই দিন মুখ্যসচিবকে আদালতে তাঁর জবাব জানাতে হবে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC: “যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব”, শীর্ষ আদালতে জানাল কমিশন, নজর সোমবারের শুনানিতে

    SSC: “যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব”, শীর্ষ আদালতে জানাল কমিশন, নজর সোমবারের শুনানিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এসএসসি’র (SSC) বক্তব্যে চাকরি হারাদের মধ্যে ফুটল আশার আলো। একই সঙ্গে তৈরি হল বিতর্ক। এসএসসি’র বক্তব্য, “অভিযোগহীন চাকরি প্রার্থীদের চিহ্নিত করা সম্ভব।”

    যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব?

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় অভিযোগহীন শিক্ষকদের তালিকা দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন কমিশনের (SSC) সভাপতি সিদ্ধার্থ মজুমদার। তবে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা কমিশন আদালতে জমা দিবে কি না সেই প্রশ্ন আপাতত এড়িয়ে গিয়েছেন সিদ্ধার্থ বাবু। কমিশনের অবস্থান সুপ্রিম কোর্টের (SC) কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে আন্দোলনকারীদের মনে। একই সঙ্গে সিদ্ধার্থ বাবুর বক্তব্যে এই প্রশ্ন উঠেছে যে যদি কমিশনের কাছে অভিযোগহীন শিক্ষকদের তালিকা থাকে অর্থাৎ কমিশন যদি যোগ্য এববগ অযোগ্য শিক্ষক বাছাই করতে সক্ষম হয় তাহলে এতদিন সে বিষয়ে কেন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি কেন? এমনকি সেই তালিকা কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়নি কেন?

    কমিশনের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত শুক্রবার চাকরিহারা শিক্ষকরা এসএসসি দফতরের (Acharya sadan) সামনে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় চাকরিপ্রার্থীদের। কমিশনের দপ্তরের সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এদিনই কমিশনের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সিদ্ধার্থবাবু বলেন, “আদালতে (Calcutta Highcourt) সাম্প্রতিক একটা রায়কে কেন্দ্র করে এসএসসি দফতরের সামনে একটা বড় জমায়েত হয়েছে। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেছে আদালত। তাদের একটা অংশ যাদের সম্পর্কে কোন অভিযোগ নেই তাঁরা আজ জমায়েত হয়েছেন এবং আমার সঙ্গে ওদের আলোচনা হয়েছে। আমি তাঁদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছি। যারা যোগ্য তাদের পাশে রয়েছে কমিশন (Recruitment Scam)।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাকরির প্রতিশ্রুতি

    প্রসঙ্গত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সকলের জন্য চাকরি তৈরি রয়েছে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন ২ লক্ষ চাকরি তৈরি রয়েছে। একইসঙ্গে প্যানেল বাতিলের জন্য আদালত ও বিজেপিকে (BJP) দায়ী করেছিলেন তিনি। কিন্তু ওএমআর শিট কেন খোয়া গেল এনিয়ে কমিশন কিংবা মুখ্যমন্ত্রী কেউ রা কাটেনি। কমিশনের সভাপতি দাবি করেন, তাঁরা সুপ্রিমকোর্টকে আশ্বস্ত করতে একটি তালিকা প্রকাশ করবেন। যেই তালিকাতে যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব (Recruitment Scam)। কিন্তু সেই যোগ্য অযোগ্য বিচারের ক্ষেত্রে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এবং এই বাছাই পর্ব কিভাবে করা হবে সে বিষয়ে কমিশনের তরফে কিন্তু কোন উত্তর মেলেনি।

    প্রকাশিত হল মেডিক্যালে প্রবেশিকা পরীক্ষার নির্দেশিকা, পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে কী কী মাথায় রাখতে হবে ?

    বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের প্রতিক্রিয়া

    এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন আন্দোলনকারীদের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর প্রশ্ন, “ওদের কাছে যদি যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা থাকে, তাহলে কলকাতা হাইকোর্টে কেন ওরা জমা দেয়নি। সেই তালিকা ডিভিশন বেঞ্চ বারংবার জমা দিতে বলেছিল। অযোগ্যদের রক্ষা করতে গিয়ে যোগ্যদের বিপদের মুখে ঠেলেছে রাজ্য সরকার (Recruitment Scam)। এখন বিপদ বুঝে একটা তালিকা দেওয়ার কথা বলছেন” মন্তব্য আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের। প্রসঙ্গত শীর্ষ আদালত জানতে চেয়েছিল যেহেতু ওএমআর শিট নষ্ট হয়ে গেছে তাই কী উপায়ে যোগ্য ও অযোগ্যদের বাছাই করা সম্ভব।  আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। সেদিন আদালতে কী বক্তব্য পেশ করে কমিশন সেদিকেই তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    Calcutta High Court: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের এসএসসির পর প্রকাশ্যে তৃণমূল জমানার আরও এক কেলেঙ্কারি! ২০১৪ সালের টেট নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই রিপোর্টে ব্যাপক অনিয়মের ইঙ্গিত। সিবিআইয়ের তদন্তে প্রকাশ (Calcutta High Court), নকল ওয়েবসাইট বানিয়ে বাইরের লোক নিয়োগ করে ফেল করাদের পাশ দেখিয়ে নিয়োগ-সহ একাধিক অভিযোগ তুলেছে সিবিআই। ওই টেটে কীভাবে জালিয়াতি হয়েছে সবিস্তারে তার তথ্য সিবিআইয়ের তরফে তুলে দেওয়া হয়েছে বিচারপতি মান্থার এজলাসে।

    চার দফায় নিয়োগ (Calcutta High Court)

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের (Calcutta High Court) টেট পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে ২০১৬, ২০২০, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে। মঙ্গলবার পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, এই টেট মামলার ফল যদি নেতিবাচক হয়, তাহলে এর ওপর ভিত্তি করে হওয়া সব নিয়োগ মামলা অস্তিত্ব হারাবে। আইনজীবীদের আশঙ্কা, গত চার দফায় যে প্রায় ৭০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আট সপ্তাহ পরে। তার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

    কী বললেন বিচারপতি?

    ২০১৪ সালের টেটে কারচুপির অভিযোগে জনৈক রাহুল চক্রবর্তী-সহ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ ছিল, সিবিআইকে ওএমআর শিটের আসল তথ্য খুঁজতে হবে, নচেৎ বাতিল করে দেওয়া হবে ২০১৪ সালের টেট। এই মামলায় সিবিআই আগেই জানিয়েছিল, ৩০৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। তখনই আদালত জানিয়েছিল, তথ্যের খোঁজে প্রয়োজনে সিবিআই ফের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে গিয়ে তল্লাশি চালাতে পারবে।

    আরও পড়ুুন: গোদরেজ পরিবারে ভাঙন, বাঁটোয়ারা হল সম্পত্তি, কার ভাগে কী?

    এদিন বিচারপতি মান্থার কড়া নির্দেশ, সিবিআইকে ওএমআর শিটের প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করতে হবে। ডিজিটাল ডেটা বের করার নির্দেশও দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থাকে। ডিজিটাল ডেটা ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে। ওএমআর শিটের প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য সিবিআইকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে যাওয়ার ছাড়পত্রও দেন বিচারপতি মান্থা। সিবিআই ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট খুঁজে আনতে পারে বলেও জানিয়ে দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, এই মামলায়ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছিল, ওএমআর শিটের হার্ড কপি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। তবে ডিজিটাল ভার্সান সংরক্ষিত রয়েছে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের পার্থর জামিন খারিজ করল হাইকোর্ট, কেন জানেন?

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের পার্থর জামিন খারিজ করল হাইকোর্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় ফের রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের পর্যবেক্ষণ, ‘তদন্ত যে পর্যায়ে রয়েছে এই মুহূর্তে জামিন মঞ্জুর করা সম্ভব নয়।’ নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর একাধিকবার জামিন চেয়েছেন পার্থ। শারীরিক অসুস্থতার প্রসঙ্গ তুলে সম্প্রতি ফের জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন পার্থর আইনজীবী। পাল্টা হিসেবে ইডির তরফে পার্থর বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগে এফআইআর দায়ের হয়েছে সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়। এরপরই জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন বিচারপতি।

    কী বলল আদালত

    গত মঙ্গলবার এই মামলার (SSC Scam) শুনানিতে পার্থকে হেফাজতে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল রাজ্যের উচ্চ আদালতে। ইডির উদ্দেশে বিচারপতি ঘোষ প্রশ্ন করেছিলেন, ‘‘পার্থকে কি আর হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে?’’ তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত এখন আর প্রাথমিক পর্যায়ে নেই। যদি ধরেও নেওয়া যায় যে, ২০২২ সালের শেষে ইডির মামলাগুলি দায়ের হয়েছিল, তা হলেও প্রায় দেড় বছরের বেশি হয়ে গিয়েছে। এখন তদন্তকারী সংস্থার অবস্থান স্পষ্ট হওয়া দরকার।’’ ইডি আদালতে সওয়াল করার সময় জানিয়েছিল, এক ‘মিডল ম্যান’-এর কাছ থেকে আরও কিছু সম্পত্তির হদিস পাওয়া গিয়েছে। যেগুলি এখনও তদন্তের আওতায় আসেনি। সঠিক পথে তদন্ত এগিয়ে চলছে। তবে পার্থের তরফে জানানো হয়, নিয়োগ মামলায় ধৃত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট উদ্ধার হওয়া সমস্ত টাকার দায় তাঁর উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তিনি সমস্ত অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পেতে চান।

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    পার্থ-অর্পিতা যোগ

    নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যতই তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করুন না কেন, এই দুর্নীতিতে পার্থ-অর্পিতার যোগ স্পষ্ট বলেই মনে করছে ইডি । একাধিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের কাছে সেই বিষয়টি তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পার্থ চট্টোপাধ্যায় অর্পিতার দত্তক নেওয়া সন্তানের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন। তাঁদের একাধিক জীবনবিমার পলিসি ছিল। দু’জনের নামে যৌথ সম্পত্তিও রয়েছে । স্ত্রীর মৃত্যুর পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কোম্পানির শেয়ারে পত্নীর নামের জায়গায় অর্পিতার নাম ঢোকানো-সহ এরকম একাধিক বিষয় রয়েছে। সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে । আদালত প্রাথমিকভাবে এই বিষয়গুলি অস্বীকার করা সম্ভব নয় বলেই মনে করেছে।এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, তিনি দুঃখিত। এই মুহূর্তে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের জামিন মঞ্জুর করা সম্ভব নয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share