Tag: Recruitment scam

Recruitment scam

  • Recruitment Scam: ‘‘বিদ্যাসাগর শিক্ষাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন, পার্থ দিলেন পিছিয়ে’’, আদালতে ইডি

    Recruitment Scam: ‘‘বিদ্যাসাগর শিক্ষাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন, পার্থ দিলেন পিছিয়ে’’, আদালতে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন। এদিন পার্থর জামিনের বিরোধিতা করে এমনটাই বললেন ইডির আইনজীবী। শুধু তাই নয়, পার্থকে কটাক্ষ করতে বিদ্যাসাগরের প্রসঙ্গ টেনে আনলেন ইডির আইনজীবী  ফিরোজ এডুলজি। এদিন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন করা হয়। আর জামিনের বিরোধিতা করে ইডির আইনজীবী বলেন, “পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যেমন বাংলার শিক্ষাব্যবস্থাকে ১০০ বছর এগিয়ে দিয়েছিলেন তেমন পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকে ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন।” আজ জামিনের আবেদন করা হলেও প্রত্যাহার করে নেন পার্থর আইনজীবী। রায়দান স্থগিত রেখেছে ব্যাঙ্কশাল আদালত।

    বিদ্যাসাগরের প্রসঙ্গ এনে পার্থকে খোঁচা ইডির আইনজীবীর

    মঙ্গলবার শুনানির শুরুতেই দু’টি তারিখের উল্লেখ করেন আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। প্রথমটি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। যে দিন জন্মেছিলেন পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। অন্য তারিখটি ১৯৫২ সালের ৬ অক্টোবর। যে দিন জন্মেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এর পরই ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, “ওই দু’দিন দু’জন মহান পুরুষ জন্মেছিলেন। এক জন বিখ্যাত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। অন্য জন কুখ্যাত পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যিনি বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছেন। এক জন শিক্ষা ব্যবস্থাকে ১০০ বছর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। অন্য জন ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন।”

    পার্থর আইনজীবী কী বললেন?

    বিদ্যাসাগরের প্রসঙ্গের জবাবে আইনজীবী প্রশ্ন করেন, “বিদ্যাসাগর অসামান্য কাজ করেছেন ঠিকই। কিন্তু পার্থ কী করেছেন যে, শিক্ষা ব্যবস্থাকে পিছিয়ে দিয়েছেন?” পার্থর জামিনের পক্ষে সওয়াল করে আইনজীবী জীবনকৃষ্ণ শ্রীবাস্তব দাবি করেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ৭২ বছর বয়স। তাঁর নানা অসুখ রয়েছে। তাছাড়া তিনি এখন আর প্রভাবশালী নন। ইডি তাঁকে এমন সব ধারায় অভিযুক্ত করেছে যার তদন্ত করার অধিকার ইডির নেই। সেই সব ধারা থেকে পার্থকে নিষ্কৃতি দিতে আদালতে আবেদন জানান তার আইনজীবী। তার পর তা প্রত্যাহারও করে নেন তিনি। এদিন শুনানিতে এই সময় আদালতে ভার্চুয়ালি ভাবে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং পার্থ।

    ইডির আইনজীবীর পাল্টা জবাব

    পার্থর আইনজীবীর এই সমস্ত কথা বলার পরই ইডির আইনজীবী ঈশ্বচন্দ্রের প্রসঙ্গ টেনে আনেন ও তাঁকে কটাক্ষ করেন। এছাড়াও এডুলজি পার্থকে প্রভাবশালী তকমা দিয়ে বলেন, “প্রথম দিন থেকেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রভাব খাটাচ্ছেন। যেদিন পার্থকে গ্রেফতার করা হয় সেইদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। ফলে তিনি কতটা প্রভাবশালী সেটা বোঝাই যাচ্ছে।”

  • SLST Agitation: লজ্জার ৭০০ দিন! কালো পোশাক পরে এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান বিক্ষোভ

    SLST Agitation: লজ্জার ৭০০ দিন! কালো পোশাক পরে এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত। চাকরির দাবিতে যোগ্য প্রার্থীদের করতে হয়েছে বিক্ষোভ, অনশন, প্রতিবাদ, তবুও মেলেনি নিয়োগপত্র। আর এই চাকরির দাবিতেই এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন আজ ৭০০ দিনে পড়ল। রবিবার ছুটির দিনেও ধর্মতলার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে চলছে তাঁদের অবস্থান বিক্ষোভ। এদিন চাকরিপ্রার্থীদের এক অভিনব পথে আন্দোলন করতে দেখা গেল। মহিলাদের দেখা যায় কালো পোশাকে ও পুরুষদের অর্ধনগ্ন অবস্থায় আন্দোলন করতে দেখা যায়। তাঁদের অভিযোগ, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানানো হলেও এখনও তাদের নিয়োগ করা হয়নি, আর তারই প্রতিবাদে ফের সোচ্চার হয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

    নবম-দশম চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ অব্যাহত

    আন্দোলন, বিক্ষোভ করতে করতে ৭০০ দিন পেরিয়ে গেল তবুও যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা পেলেন না নিয়োগ। একদিকে যেমন রাজ্যে একের পর এক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি বেড়েই চলেছে, প্রায় প্রতিদিনই চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে নবম-দশমের চাকরিপ্রার্থীরাও তাঁদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: চাকরি চেয়ে চ্যাংদোলা! মমতার বাংলায় এটাই বাস্তব?

    চাকরিপ্রার্থীদের অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি

    ফাঁকা ওএমআর শিটের প্রতিলিপি নিয়ে কালো পোশাক পরে চলছে প্রতিবাদ। সঙ্গে চলছে স্লোগান শাউটিংও। এই বিক্ষোভ অবস্থান থেকে একটাই দাবি করা হয়েছে সেটি হল নিয়োগের দাবি। তাঁরা এই প্রতিবাদের মাধ্যমে রাজ্যে দুর্নীতির যে কঙ্কালসার ছবি, সেটিই ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন। চাকরিপ্রার্থীরা এমন পোস্টার বানিয়েছেন, যেখানে দেখা গিয়েছে, কীভাবে এসএসসি পরীক্ষায় দুর্নীতি করা হয়েছে, কীভাবে ওএমআর শিটে নম্বর পরিবর্তন করা হয়েছে, সেসবই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এইসব পোস্টারের মাধ্যমে। সবার পোশাকে লেখা রয়েছে, ‘লজ্জার ৭০০ দিন”।

    এক চাকরিপ্রার্থীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছেন, আজকের এই প্রতিবাদে তাঁরা দুটো বিষয়কে তুলে ধরেছেন। এক, রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা অন্ধকারে তলিয়ে গিয়েছে, তাঁর কথায় রাজ্যের শিক্ষায় কালো দিন চলছে, কালো অধ্যায় চলছে, তা বোঝতেই মহিলা আন্দোলনকারীরা কালো পোশাক পরেছেন। দুই, রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থাকে সামনে রেখে যেসব ন্যক্কারজনক কার্যকলাপ চলছে, অযোগ্যরা চাকরি করছেন, যোগ্যরা রাস্তায় ৭০০ দিন ধরে প্রতিবাদ করছেন, অর্থাৎ রাজ্যের শিক্ষার সেই রূপ তুলে ধরতেই পুরুষ আন্দোলনকারীরা অর্ধনগ্ন হয়ে প্রতিবাদ করছেন। 

  • Manik Bhattacharya: মিলল না জামিন, মানিকের আরও ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    Manik Bhattacharya: মিলল না জামিন, মানিকের আরও ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জামিনের আবেদন খারিজ। আরও ৩৫ দিন জেলে থাকার নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। জানিয়ে দেওয়া হয় যে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে আগামী ১৪ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতেই থাকতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিককে অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে রাখা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। এদিন তিনি তাঁর জামিনের জন্য ফের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু কোনও কিছুই কাজে দিল না। শেষপর্যন্ত আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়। ১৪ মার্চের পরেই মানিক মামলার আবার শুনানি হবে আদালতে।

    জেলে বন্দি থাকায় আপত্তি মানিকের

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্য জেলবন্দি। ফলে তাঁকে জেলে আটকে রাখা নিয়ে আজ আদালতে আপত্তি করেছেন তিনি। তিনি গতকালও বলেছিলেন, “আমি আর কত জ্বলব? আমার সামাজিক সম্মান নষ্ট হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে এমন অনেক অভিযোগ আনা হচ্ছে যার প্রমাণ আমি বাড়িতে থাকলে দিতে পারতাম। কিন্তু আমি তো বন্দি!” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মানিক ভট্টাচার্যকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। তাঁর জামিনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত। ইডির আইনজীবী গতকাল সওয়াল করেননি। তবে আজ, বুধবার বেলা ১১টার সময়ে ব্যাঙ্কশালের বিশেষ ইডি আদালতে ফিরোজ এডুলজি মানিকের জামিনের বিরোধিতা করে সওয়াল করেন। বুধবারও ব্যাঙ্কশাল আদালতে মানিকের মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই তাঁর হয়ে আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন তাঁর আইনজীবী। তবে তা শোনেনি আদালত।

    আরও পড়ুন: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    ইডির বিস্ফোরক দাবি

    অন্যদিকে আজ ইডির আইনজীবী আদালতে কুন্তল ও মানিকের বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি আদালতে জানান, পরীক্ষার ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র ব্যবহার করে বিশেষ ‘গুপ্ত সঙ্কেত’ পাঠানো হত দুর্নীতির জন্য। এর সঙ্গে হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষও যুক্ত ছিলেন। তবে, এসব সমস্ত কিছুই মানিকের নজরদারিতেই হত। ফলে এই সব দাবি করে ইডির আইনজীবী মানিকের জামিনের বিরোধিতা করেন। আর আদালতও আজ দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর মানিকের আবেদন খারিজ করে দেয় ও আর ৩৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘দুর্নীতি খুনের সমান’, মানিকের জামিনের বিরোধীতায় ইডি টানল ‘ম্যাকবেথ’- এর তুলনা

    Recruitment Scam: ‘দুর্নীতি খুনের সমান’, মানিকের জামিনের বিরোধীতায় ইডি টানল ‘ম্যাকবেথ’- এর তুলনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের জামিনের বিরোধিতায় শেক্সপিয়রের (Recruitment Scam) ম্যাকবেথ নাটকের তুলনা টানল ইডি। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, মানিক ভট্টাচার্য ও কুন্তল ঘোষের অপরাধ খুনের সমান। এই সময়ই ম্যাকবেথের নাটকের একটা বিষয়ের উত্থাপন করেন। ইডি-র আইনজীবী বলেন, একটা সময়ে বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা ছিল সেরা। কিন্তু বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে দুর্নীতি যেভাবে ঘিরে ধরেছে, এখানকার পড়ুয়ারা ভীত। তাঁরা বাইরে পড়াশোনার জন্য চলে যাচ্ছে। বৃহত্তর সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কুন্তল-মানিকের ষড়যন্ত্র খুনের সমতুল্য বলে সওয়াল করে, মানিকের জামিনের বিরোধীতা করেন ইডির আইনজীবী। 

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মানিক ভট্টাচার্যকে আদালতে পেশ করা (Recruitment Scam) হয়েছিল। তাঁর জামিনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত। ইডির আইনজীবী গতকাল সওয়াল করেননি। বুধবার বেলা ১১টার সময়ে ব্যাঙ্কশালের বিশেষ ইডি আদালতে ফিরোজ এডুলজি মানিকের জামিনের বিরোধিতা করে সওয়াল করেন।

    মঙ্গলবার আদালতে ঢোকার সময় সাংবাদিকদের দেখে মেজাজ হারান মানিক। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই নিয়োগ মামলার শুনানিতে মানিকের লন্ডনে বাড়ি আছে বলে দাবি করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি সেদিন সিবিআই-কেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘‘কত বার লন্ডনে গিয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য? তাঁর বাড়ির ঠিকানা জানেন? আমি বলতে পারি। শুনবেন? লন্ডনে তাঁর বাড়ির পাশে কার বাড়ি জানেন?” সেই প্রসঙ্গের প্রেক্ষিতে মানিকের আইনজীবী মঙ্গলবার বলেন, “আমার মক্কেলের নদিয়ায় বাড়ি আছে। ওটা যদি লন্ডন টেকওভার করে, তবে তাঁর লন্ডনে বাড়ি আছে।”

    পার্থ মানিক দ্বৈরথ 

    এদিকে, এদিন আদালতে ভট্টাচার্যর জামিনের বিরোধিতায় বিস্ফোরক দাবি করে ইডি (Recruitment Scam)। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, বেসরকারি বিএড কলেজ, ডিএলএড কলেজ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্থাকে অনুমোদন ও এনওসি পাইয়ে দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা নিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্য। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষেত্রে টাকার অঙ্কটা ছিল ৬-৮ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ২-৫ লক্ষ টাকা নিতেন।

    আরও পড়ুন: প্রেম থেকে পরিণয়, রাজস্থানে শাহি আয়োজনে বিয়ে সারলেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা

    ইডি-র দাবি, পার্থর কোনও চেনা লোকের হাতে তুলে দেওয়া হত তাঁর টাকা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, মানিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া (Recruitment Scam) একটি সিডি-র একটিমাত্র ফোল্ডারে প্রায় ৪ হাজার চাকরিপ্রার্থীর নাম মিলেছে। এদের মধ্যে আড়াই হাজারেরও বেশি চাকরি পেয়েছেন। অথচ জেরায় মানিক দাবি করেন, তিনি এসবের কিছুই জানেন না। 

    ইডি তদন্তে জানতে পেরেছে, বাতিল ও ফেল করা চাকরিপ্রার্থীদের পাশ করাতে ১ লক্ষ ও নিয়োগ পাইয়ে দিতে ৫ লক্ষ টাকা নিতেন মানিক। এই সমস্ত অভিযোগ জানিয়েই আজ আদালতে মানিকের জামিনের বিরোধিতা করবে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Recruitment Scam: ‘দোষী হলে জেলও হবে’, গ্রুপ-ডির ‘ভুয়ো’ চাকরিপ্রাপকদের উদ্দেশে বিচারপতি বসু

    Recruitment Scam: ‘দোষী হলে জেলও হবে’, গ্রুপ-ডির ‘ভুয়ো’ চাকরিপ্রাপকদের উদ্দেশে বিচারপতি বসু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় ফের কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সিবিআইকে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরেও যে অযোগ্য প্রার্থীরা ইস্তফা দেননি তাঁদের বিরুদ্ধে কেনও এখনও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ না করতে পারলে টাকা তো ফেরত দিতেই হবে, পাশাপাশি জেলেও যেতে হবে, এদিন গ্ৰুপ-ডি নিয়োগ মামলায় অযোগ্য চাকরি প্রাপরদের উদ্দেশে এমনটাই বললেন বিচারপতি বসু।

    নিয়োগ মামলায় বিচারপতির মন্তব্য

    এদিন গ্ৰুপ-ডি নিয়োগ মামলায় ওএমআর শিট কারচুপিতে নাম থাকা ১৬৯৮ চাকরিপ্রাপককে কড়া বার্তা দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। একই সঙ্গে ওই চাকরিপ্রার্থীদের এই মামলায় যুক্ত করার কথাও সিবিআইকে তিনি বলেন। বিচারপতি বসুর মন্তব্য, এই ১৬৯৮ জনের বক্তব্য শুনতে অবিলম্বে নোটিশ জারি করা প্রয়োজন। এদের তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এই প্রসঙ্গে সিবিআই আদালতে জানায়, কয়েক জন সহযোগিতা করলেও সকলে সাহায্য করছেন না। পাল্টা বিচারপতি বসুর বক্তব্য, “সিবিআইয়ের উচিত এই ১৬৯৮ জনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা। নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ না করতে পারলে টাকাও যাবে, জেলেও যেতে হবে জানিয়ে রাখলাম।”

    বুধবার মামলার শুনানি চলাকালীন সিবিআইয়ের উদ্দেশে বিচারপতি বসুর মন্তব্য, “যাঁরা ওএমআর শিট বিকৃত করেছেন এবং এর ফলে যাঁরা উপকৃত হয়েছেন দু’জনেই সমান ভাবে এই দুর্নীতির জন্য দায়ী।”

    আরও পড়ুন: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে সিবিআই

    বিচারপতি এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবীর উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “কেন এফআইআর দায়ের হয়নি? ১৬৯৮ জনের ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে? মূল চক্রী কে? একটা ডকুমেন্ট পাওয়া গেছে। একজন তৈরি করেছে। আরএক দল সুবিধা পেয়েছে। দু’পক্ষই কি সমান দোষী নয়? আপনারা এদের প্রত্যেককে কেন ক্রিমিনাল কেস দিচ্ছেন না? তদন্তে গতি আনুন, আনতে হবে।”

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় অযোগ্য চাকরিপ্রাপকদের ইস্তফা দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার পরও যারা ইস্তফা দেননি তারাও এই ষড়যন্ত্রে শামিল বলে ধরে নেবে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    Recruitment Scam: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের নজরদারিতেই নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’ ব্যবহার করে চলত দুর্নীতি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্যের জামিনের বিরোধিতা করতে গিয়ে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে নগর দায়রা আদালতে বিস্ফোরক অভিযোগ করল ইডি।  বুধবার, ব্যাঙ্কশাল কোর্টে ইডি-র বিশেষ আদালতে তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী দাবি করেন, এই কাজে মানিককে পুরো সাহায্য করতেন হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ।

    OMR শিটে সাঙ্কেতিক প্রশ্ন

    ইডির দাবি অনুযায়ী, দুর্নীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, OMR শিটেও সাঙ্কেতিক প্রশ্ন ব্যবহার করা হয়েছিল। অর্থাৎ যারা টাকা দিয়েছে, তা বোঝা যেত উত্তরপত্র দেখেই। বিষয়টি কীরকম ? কোন দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তা নাকি আগেই জানিয়ে দেওয়া হত চাকরিপ্রার্থীদের। বাকি প্রশ্নের উত্তর দিতে নিষেধ করা হয়েছিল। এই দুটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ও বাকি প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া দেখেই বোঝা যেত, কোন কোন পরীক্ষার্থী টাকা দিয়েছেন।  নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা  কুন্তল ঘোষকে জেরা করে এই তথ্য মিলেছে বলে আদালতে দাবি করেছে ইডি। আদালতে ইডি-র আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, একসময় গোটা দুনিয়া থেকে বাংলায় ছাত্রছাত্রীরা পড়তে আসত। এখন অযোগ্যদের হাতে এই প্রজন্মের শিক্ষার ভার তুলে দেওয়া হয়েছে।সেই কারণেই অন্যত্র পড়তে যাচ্ছে বাংলার পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুন: ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে সিবিএসই পরীক্ষা, কবে পাওয়া যাবে অ্যাডমিট?

    টাকার পাহাড়

    কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, বেসরকারি বিএড কলেজ, ডিএলএড কলেজ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্থাকে অনুমোদন ও NOC পাইয়ে দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা নিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্য। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে টাকার অঙ্কটা ছিল ৬-৮ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ২-৫ লক্ষ টাকা নিতেন। ইডি-র দাবি, পার্থর ক্ষেত্রে তাঁর ঠিক করা কোনও লোকের হাতে নগদ টাকা তুলে দেওয়া হত। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আরও দাবি, মানিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া একটি সিডি-র একটিমাত্র ফোল্ডারে প্রায় ৪ হাজার চাকরিপ্রার্থীর নাম মিলেছে। এদের মধ্যে আড়াই হাজারেরও বেশি চাকরি পেয়েছেন। অথচ জেরায় মানিক দাবি করেন, তিনি এসবের কিছুই জানেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: কুন্তলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এসএসসি-র আধিকারিকদের! তুলেছিলেন ১৯ কোটি টাকা?

    Recruitment Scam: কুন্তলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এসএসসি-র আধিকারিকদের! তুলেছিলেন ১৯ কোটি টাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি তৃণমূলের (TMC) যুব নেতা। অথচ কুন্তল ঘোষ নামের ওই নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) একাধিক আধিকারিক। এর আগে হুগলির ওই যুবনেতার হুগলি ও কলকাতার নিউটাউনের বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। তখনই বাজেয়াপ্ত হয় বেশ কিছু কাগজ এবং পেন ড্রাইভ। ইডি সূত্রে খবর, সেই সব নথি থেকেই এসএসসির (Recruitment Scam) বেশ কয়েকজন আধিকারিকের নাম ও পরিচয় পাওয়া গিয়েছে।

    ইডি…

    ইডির আধিকারিকদের অনুমান, কুন্তল চাকরি প্রার্থীদের ভুয়ো ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল জাল জয়নিং লেটারও। অভিযোগ, নকল ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করা থেকে শুরু করেন ভুয়ো জয়েনিং লেটার তৈরি করতে কুন্তলকে সাহায্য করেছিলেন ওই আধিকারিকরা। তল্লাশি চালানোর সময় কুন্তলের বাড়ি থেকে বেশ কয়েকটি ওএমআর শিট উদ্ধার করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই সময় কুন্তল জানিয়েছিলেন, তথ্য জানার অধিকার আইনে ওই ওএমআর শিটগুলি পেয়েছিলেন তিনি। কুন্তলের এই দাবি অবশ্য বিশ্বাস করেননি তদন্তকারীরা। তাঁদের ধারণা, তদন্তের অভিমুখ ঘুরিয়ে দিতেই মিথ্যে তথ্য দিয়েছিলেন কুন্তল। ইডির আধিকারিকদের অনুমান, এসএসসির আধিকারিকদের সাহায্যেই ওএমআর শিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি পেয়েছিলেন তিনি। সেই কারণেই তাঁদেরও জেরা করা হবে।

    আরও পড়ুুন: ফের বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা, ১৪টি মন্দিরে ভাঙচুর, কী বলছে প্রশাসন?

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির (Recruitment Scam) ঘটনায় ইডির পাশাপাশি তদন্ত করছে সিবিআইও। সেই সময় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের মুখ থেকে প্রথম শোনা যায় কুন্তলের নাম। তার পরেই কুন্তলকে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠায় সিবিআই। পরে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের ঘটনার তদন্তে নেমে কুন্তলকে গ্রেফতার করে ইডি। এদিকে, দুটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের দুটি অ্যাকাউন্টে নগদ সাড়ে ৬ কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পরে দ্রুত সেই টাকা সরিয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন ব্যাঙ্কের অনেকগুলি অ্যাকাউন্টে। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত কুন্তলকে জেরা করে এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখে এমনটাই জেনেছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। আগাম পরিকল্পনা করেই দুর্নীতির টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার (Recruitment Scam) করা হয়েছে বলে ধারণা তাঁদের। ইডি সূত্রে খবর, স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রায় ১৯ কোটি টাকা নেওয়ার কথা জেরায় স্বীকার করেছেন কুন্তল। নিজের শেয়ারটুকু রেখে সেই টাকা তিনি পাঠাতেন প্রভাবশালীদের কাছে। যেসব বাড়ি, ফ্ল্যাট কিংবা অফিস খুলে চাকরি প্রার্থী ও এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করতেন কুন্তল, সেগুলির দিকেও নজর রয়েছে ইডির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস! নবম-দশমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নেওয়া হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা!

    Recruitment Scam: কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস! নবম-দশমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নেওয়া হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Scam) ইডির (ED) হাতে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ২০ লক্ষ করে টাকা। একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি কিংবা শিক্ষা দফতরের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য ছিল আলাদা রেট। রেট চার্ট তৈরি করত নিয়োগ দুর্নীতি চক্রের চাঁইরা। নিয়োগ দুর্নীতির জন্য চক্রের মাথাদের তৈরি এহেন রেট চার্ট জেনে হতবাক ইডির আধিকারিকরাও। কেবল এঁদের থেকেই নয়, টাকা নেওয়া হয়েছে টেট পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকেও। তাঁদের কাছ থেকে পাঁচ-সাত লক্ষ করে টাকা নেওয়া হত বলেও জানা গিয়েছে। এই টাকা কখনও নগদে, কখনও আবার অনলাইনে পৌঁছাত এজেন্টদের কাছে। আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীদের জন্য নেওয়া হত ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা। যাঁরা এক সঙ্গে টাকা দিতে পারতেন না, তাঁরা টাকা পাঠাতেন দফায় দফায়।

    ইডি…

    এদিকে, ইডির হাতে ধৃত হুগলির যুব নেতা কুন্তল ঘোষের দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে উদ্ধার হওয়া সাড়ে ছ কোটি টাকা কতজনকে দেওয়া হয়েছে, তার তালিকাও হাতে এসেছে ইডির। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই তালিকায় কয়েকজন প্রভাবশালীর নামও রয়েছে।  ইডি সূত্রে খবর, টেট দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) নাম জড়িয়েছে কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডলদের। কিন্তু তার সঙ্গে প্রায় ৫০ কোটি টাকার যে লেনদেনের হিসেব মিলেছে, সেই বিপুল পরিমাণ টাকা তোলা হয়েছে আপার প্রাইমারি, নবম দশম, একাদশ দ্বাদশ ও স্কুলের গ্রুপ সি এবং ডি-র চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কীভাবে তদন্ত এগোবে রোজ বলে দিতে হবে কেন?’’ সিবিআইকে ফের ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    ইডির দাবি, যাঁরা টাকা দিয়েছেন, তাঁদের বেশিরভাগকেই চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। একজনের কাছ থেকে বিষয়টি শুনে অন্য চাকরি প্রার্থীরাও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে আসেন। ফলে এজেন্টদের মাধ্যমে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য ও পার্থর ধৃত সঙ্গীদের কাছে পৌঁছে যেত সেই বিপুল পরিমাণ টাকা। চাঁইদের করা রেট চার্ট (Recruitment Scam) জানিয়ে দেওয়া হত চাকরি প্রার্থীদের। সেই মতো টাকা দিতেন চাকরি প্রার্থীরা। ওই টাকা কতজন প্রভাবশালীর কাছে পৌঁছেছিল, তা জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kuntal Ghosh: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত কুন্তল ঘোষের

    Kuntal Ghosh: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত কুন্তল ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন না হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। আগামী ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে। জেল হেফাজতে থাকাকালীন জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে পারবেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের আর্জিতে সায় দিয়ে এমনই জানাল আদালত।

    জামিনের আবেদন কুন্তলের আইনজীবীর

    কুন্তলের আইনজীবী আদালতে জানান, কুন্তলের বাড়ি থেকে কোনও টাকা মেলেনি। সরকারি নথি ও রেকর্ড পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু নগদ টাকা ছাড়া পিএমএল অ্যাক্ট দেওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন কুন্তলের আইনজীবী। এরপর আইনজীবী তাঁর মক্কেল অর্থাৎ কুন্তল ঘোষের জামিনের আবেদন জানান।

    কুন্তলের ২টি অ্যাকাউন্টে সাড়ে ৬ কোটি টাকার হদিশ!

    কুন্তলের আইনজীবীকে পাল্টা জবাব দেন ইডির আইনজীবী। ইডির আইনজীবীর তরফে বলা হয়, কুন্তলের দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ছয় কোটি টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেই টাকার উৎস জানতে চায় ইডি। ৩০ কোটি টাকা যেটা তিনি রিসিভ করেছেন সেটারও প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। যদিও অভিযুক্ত তা অস্বীকার করেছেন। ফলে আইনজীবীর প্রশ্ন, ‘কুন্তলের আয় কি? কোথা থেকে এল এত তাকা?’ দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ছয় কোটি টাকা তোলার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। যা তুলে অন্যত্র পাঠানো হয়ে গিয়েছে। বেআইনিভাবে ওই টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। এই বিপুল পরিমাণের টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তোলার পর তিনি কাদের কাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন, এখন সেটাই জানার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।

    ইডির আরও দাবি, ১৩০ জন প্রার্থীর থেকে ৮ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। পার্থর বাড়ি থেকে যে ৫০ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে কুন্তলের দেওয়া টাকাও আছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুন্তলের যোগাযোগ বর্তমান ছিল বলে দাবি ইডির। ১২০০ প্রার্থীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। আদালত থেকে চাকরির অর্ডার করিয়ে দেবে বলে টাকা নেওয়া হয়। কুন্তল এবং তার সহযোগীদের মাধ্যমে পার্থ চট্টাপাধ্যায় ও অন্যান্য প্রভাবশালীদের কাছে টাকা গিয়েছে। বাকি নামগুলি তদন্তের স্বার্থে বলা হচ্ছে না। ফলে আজ দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর কুন্তলের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    নিয়োগ দুর্নীতির টাকা টলিউডে ব্যবহার করা হয়েছে!

    নিয়োগ দুর্নীতির টাকা টলিউডেও? টালিগঞ্জে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল, আদালতে বিস্ফোরক দাবি করল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা৷ জানা গিয়েছে, পার্টনারশিপের মাধ্যমে টলিউডে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল ঘোষ। ইডির দাবি, একটি বিশেষ মিউজিক ও কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল ও তাঁর তৎকালীন পার্টনার। নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তলের নাম উঠে আসার পর একের পর এক তথ্য উঠে আসছে, ভবিষ্যতে আর কী কী চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসবে, সেটাই এখন দেখার।

     

  • SSC Scam: ‘‘সিবিআইয়ের জন্য খারাপ সময় আসছে’’! তাদেরই অফিসারকে জেরার নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    SSC Scam: ‘‘সিবিআইয়ের জন্য খারাপ সময় আসছে’’! তাদেরই অফিসারকে জেরার নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবাদ আছে, ‘যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ’। বাংলার ক্ষেত্রেও হয়তো তেমনটাই হচ্ছে। এখানে তদন্ত করতে এসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারাও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন ইঙ্গিত হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) সংক্রান্ত মামলায় বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই (CBI)-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তিনি। 

    ক্ষুব্ধ বিচারপতি

    ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে বৃহস্পতিবার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। এদিন নিয়োগ সংক্রান্ত সেই মামলার শুনানিতে সিবিআই অফিসার সোমনাথ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি বলেছেন, “এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সব সিবিআই আধিকারিকের ব্যক্তিগত সম্পত্তি খুঁজে বের করার নির্দেশ আমি দেব। তারপর দেখছি। তাঁরা যদি সতর্ক হয়ে কাজ না করেন তা হলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখব।” সিবিআই প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের আওতায় রয়েছে। সেই কারণেই হয়তো সিবিআইয়ের কার্যকলাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লেখার কথা জানিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের দুর্নীতি কাণ্ডের ব্যাপারে ১০ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট পেশ করবে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    এদিন প্রাথমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। এই মামলায় আগেই সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু সিটের তদন্ত নিয়ে সম্প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। সিবিআই ফের সময় চাইলে বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সিকে হুঁশিয়ার করে বলেন, “সিবিআইয়ের জন্য খুব খারাপ সময় আসছে। এখনও যদি সিবিআই ঠিকমতো কাজ না করে তাহলে তাদের জন্য খুব খারাপ দিন অপেক্ষা করছে”। তদন্তের ঢিমে তাল নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারপতি বলেন, ‘‘সারা পশ্চিমবঙ্গের লোক তাকিয়ে বসে আছে কী হবে। আপনারা ইয়ার্কি মারছেন? আমি তো দেখছি এ বার ইংল্যান্ডের তদন্তকারী সংস্থা এমআই-৫ এর উপর ভরসা করতে হবে।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share