Tag: Red Alert

Red Alert

  • North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গে তেমন বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতে বেহাল সাধারণ জনজীবন। গোটা উত্তরবঙ্গের নদীগুলির জলে চাষের জমি, বাড়িঘর প্লাবিত। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিঙে আগামী দুই থেকে তিনদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে। পাহাড় থেকে সমতল, উত্তরের বেশ কিছু  জেলায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

    কোচবিহার

    কোচবিহারের (North Bengal) তোর্সা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় প্রবল বৃষ্টির জলে প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। তুফানগঞ্জ, বালাভূত অঞ্চলর অনেক মানুষের বাড়িঘর অধিক বৃষ্টিপাতে জলামগ্ন হয়ে পড়েছে। মেখলিগঞ্জে ক্ষেতের জমি, সৌরসেচ প্রকল্প, বৈদ্যুতিক ল্যাম্প ঝাউকুঠি নদীর জলে ডুবে গেছে।

    আলিপুরদুয়ার

    আলিপুরদুয়ারের (North Bengal) মেচপাড়া এলাকয় জলমগ্ন হয়ে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, বায়ুসেনা একযোগে কাজ শুরু করেছে। বাঙরি নদীর জল ঢুকে ভেসে গেছে অঙ্গনঅওাড়ির এক কেন্দ্র। বৃষ্টির জলের স্তর এবং স্রোত এতটাই প্রবল ছিল যে লালো নাগাসিয়া নামক এক বৃদ্ধার রাস্তা পার হতে গিয়ে মৃত্যু ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    জলপাইগুড়ি

    জলপাইগুড়ির (North Bengal) বানারহাটে সবথেকে অধিক বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও মালবাজার, হাসিমারায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়। অপর দিকে তিস্তা, জলঢাকা, ডায়না নদীর জল বিপদ সঙ্কেতের উপর দিয়ে বইছে। অধিকাংশ নদীর জল ঢুকে পড়ছে আশেপাশের গ্রামে। জলপাইগুড়ি জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য শুকনো খাবার এবং রান্না করে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গতদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কার্যত অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

    পাশাপাশি পাহাড় অঞ্চলের ভূটান, সিকিম, দার্জিলিং (North Bengal) সর্বত্র ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। শিলিগুড়ি পুরনিগমের বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন হয়ে গেছে। ফুলেশ্বরী, জোড়াপানি, সাহু নদীতে জলের স্তর অনেক বেড়ে গেছে। কিছু কিছু এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বর্ষণ আগামী আরও ২ দিন হতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: টানা বৃষ্টিতে বন্যার পরিস্থিতি জলপাইগুড়িতে, কিছু জায়গায় জারি লাল সতর্কতা

    Jalpaiguri: টানা বৃষ্টিতে বন্যার পরিস্থিতি জলপাইগুড়িতে, কিছু জায়গায় জারি লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর চলা অবিরাম বৃষ্টির জেরে কার্যত বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বানারহাট ব্লকে। বানারহাটের বিভিন্ন এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। পাশাপাশি হাতিনালা এবং আংরাভাষা নদীর জল ঢুকেছে পার্শ্ববর্তী এলাকায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে তোতাপাড়া, বানারহাট, বিন্নাগুড়ির এসএম কলোনি, নেতাজিপাড়া। সাধারণ মানুষের জনজীবন বৃষ্টির কারণে বিপর্যস্ত। বেশ কিছু এলাকায় জারি লাল সঙ্কেত!

    বৃষ্টির কারণে জলমগ্ন (Jalpaiguri)

    মূলত বৃষ্টিতে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন কার্যত ঘরবন্দি। বানাহাটের (Jalpaiguri) দুরামারির চানাডিপা এলাকায় ৪০ টির উপরে বাড়ি জলমগ্ন। আগামী দু’দিন আরও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    এদিকে দূর্গতদের উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও রকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকার মানুষের জন্য খাবার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যায়নি প্রশাসন। বানারহাটের (Jalpaiguri) বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দাকে খাবারের ব্যবস্থা এবং উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয়ের জন্য রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। কিন্তু তারপরে বেলা গড়িয়ে গেলেও দূর্গতদের জন্য কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। গত বছরেও বর্ষায় এই এলাকাগুলি জলের তলায় ছিল। এই এলাকার মানুষ একপ্রকার নরক যন্ত্রণা ভোগ করেন বর্ষায় সময়। প্রতি বছর এলাকায় সঠিক ভাবে নিকাশি ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিলেও এলাকার বাসিন্দারা সেই তিমিরেই রয়ে যান।

    হয়নি নদীতে বাঁধ নির্মাণ

    এর পাশাপাশি আংড়াভাষা নদীতে বাঁধের প্রতিশ্রুতি দিয়েও আজ পর্যন্ত সেই কাজ হয়নি। যার ফলে বিঘার পর বিঘা জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। এদিকে ময়নাগুড়ি (Jalpaiguri) ব্লকের আমগুড়ি এলাকায় জলঢাকা নদীর বাঁধ উপচে গ্রামে জল ঢুকতে শুরু করেছে। এলাকার মানুষ জানিয়েছেন, নদীর মূল বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। যার ফলে গ্রামে  জল ঢুকতে শুরু করেছে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জলঢাকা নদীতে সংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা এবং অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলার আরেকটি নদী তিস্তার অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক (Jalpaiguri) মৌমিতা গোদারা বসুর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে, তিনি ফোন ধরেননি। তবে প্রশাসনের একটি সুত্রের খবর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য জেলায় এনডিআরএফ এবং সিভিল ডিফেন্সের দল তৈরি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mandous: আজ মধ্যরাতেই উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস, লাল সতর্কতা জারি তামিলনাড়ুতে

    Cyclone Mandous: আজ মধ্যরাতেই উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস, লাল সতর্কতা জারি তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই চর্চায় রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’ (Cyclone Mandous)। এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বার বার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, তামিলনাড়ুর উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়টি। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল-কলেজ। হাওয়া অফিসের তরফ থেকে আগেই তামিলনাড়ুর ১৩ টি জেলায় ৭ থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনায় ১৩ টি জেলায় লাল সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। তারমধ্যে রয়েছে চেন্নাই, তিরুভেল্লুর, চেঙ্গালপট্টু, ভেলোর রানিপেট্টাই, কাঞ্চিপূরম। এনডিআরএফ- এর দল ইতিমধ্যেই প্রস্তুত। তারা ১০টি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন, দেখুন কী হয়’’, নিশানায় রাজ্য! কীসের ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    নির্দেশিকা জারি সরকারের 

    তৎপর রয়েছে তামিলনাড়ু সরকারও। সূত্রের খবর, আজ মধ্যরাতেই চেন্নাই উপকূল পেরোবে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস (Cyclone Mandous)। ইতিমধ্যেই ভারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে রাজ্যে। ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির আশঙ্কায় আজ চেন্নাই, তিরুইভাল্লুর, ভেলোরসহ ১২ জায়গায় স্কুল, কলেজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে সকাল থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সমুদ্র তীরে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উপকূলের সমস্ত দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ পর্যন্ত পার্কে, ময়দানে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গাছের নিচে গাড়ি পার্ক করতেও নিষেধ করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে চেন্নাই ৫২.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গোটা শহর বিপর্যস্ত।

    শুক্রবার মাঝরাতে উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়টি। শ্রীহরিকোটায় ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে বইতে শুরু করেছে ঝোড়ো হাওয়া। কারাইকাল উপকূল থেকে ২৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে মন্দৌস (Cyclone Mandous)।

    পরিস্থিতি (Cyclone Mandous) সামাল দিতে ইতিমধ্যেই একগুচ্ছ গাইডলাইন জারি করেছে তামিলনাড়ু সরকার। প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। বাড়িতে শুকনো খাবার মজুত করে রাখতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোমবাতি, ব্যাটারি টর্চ মজুত রাখতে বলা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। হাসপাতালগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সেচ দফতর একাধিক জায়গায় অতিরিক্ত জল ছাড়ার সতর্কতা জারি করেছে। 

    ৫০৯৩টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। শুধু চেন্নাইতেই ১৬৯টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস (Cyclone Mandous) শুরু হয়ে গিয়েছে। পণ্ডিচেরি, চেঙ্গালপেট্টু, ভিল্লুপুরম, কাঞ্চিপুরমে অতিভারি বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share