Tag: rekha patra

rekha patra

  • Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাড়োয়ায় উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্রকে নিয়ে প্রকাশ্য জনসভা থেকে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। যা নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক মহলে। এবার ফিরহাদ হাকিমের ওই মন্তব্য নিয়ে তদন্ত করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে নির্দেশ দিল জাতীয় মহিলা কমিশন। আইনি পদক্ষেপ করার জন্য কমিশন নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তদন্ত শেষে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এসেছে এমনই নির্দেশ।

    ফিরহাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Firhad Hakim)

    বৃহস্পতিবার সকালেই ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে বিধাননগর দক্ষিণ থানার দ্বারস্থ হন বিজেপির বিধাননগরের মণ্ডল সভাপতি সঞ্জয় পয়রা। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ নিতে চায়নি বলে দাবি তাঁর। পরবর্তীতে মেইল মারফত অভিযোগ দায়ের হয় বিধাননগর কমিশনারেটে। যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র নেই। আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন রয়েছে। তাই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করল পুলিশ।”

    আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন হাসিনার, কৌশলী বার্তা আওয়ামী লিগের

    সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্য প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রেখা পাত্রকে অপমান করার কোনও অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য ফিরহাদ হাকিমের। একজন মহিলা সম্পর্কে ওই শব্দ ব্যবহার করা উচিত হয়নি।”  ‘কু-মন্তব্যের’ জন্য ফিরহাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। জাতীয় মহিলা কমিশনকে ট্যাগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন শুভেন্দু। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দফতর, জাতীয় মহিলা কমিশন, জাতীয় তফসিলি জাতি জনজাতি কমিশনকে ট্যাগ করে অভিযোগ জানান। সেই সঙ্গে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারকেও ট্যাগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, “শুধু একজন মহিলাকে নয়, পৌণ্ড্র ক্ষত্রিয় জনজাতিকেও অপমান করা হয়েছে”।

    সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান

    এদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের জবাব দিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার জানিয়েছেন, জাতীয় মহিলা কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। তিনি এক্স মাধ্যমে লিখেছেন,”সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। এই মন্তব্য তাঁদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে। এটা সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।” ফিরহাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন রেখা পাত্রও। তিনি বলেন, “আমাকে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, সেটা খুব নিন্দনীয়। আমার মতো খেটে খাওয়া পরিবারের মেয়েকে অপমান করা হয়েছে। এই অপমান গোটা সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Protest Rally: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল বিজেপির, পা মেলালেন কে জানেন?

    BJP Protest Rally: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল বিজেপির, পা মেলালেন কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডকে ঘিরে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে বিজেপি। বুধবার কলকাতার রাজপথে মিছিল করে পদ্ম-পার্টি (BJP Protest Rally)। শ্যামবাজারে ধর্নামঞ্চ গড়ে ‘দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’ স্লোগান দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। সেই একই দাবিতে মিছিল করা হল মৌলালি এলাকায়ও।

    মিছিলে রেখা, শুভেন্দু, বিবেক (BJP Protest Rally)

    মৌলালি থেকে ডোরিনা ক্রসিংয় মিছিল (BJP Protest Rally) করার জন্য প্রথমে পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল বিজেপির তরফে। পুলিশের অনুমতি না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতৃত্ব। আদালতের পক্ষ থেকে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়। সেই নির্দেশ মেনে এদিন প্রতিবাদ মিছিল হয়। মিছিলে পা মেলান ‘কাশ্মীর ফাইলস’ খ্যাত পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, কৌস্তুভ বাগচি, অঞ্জনা বসু, শঙ্কুদেব পণ্ডা, অর্জুন সিং, তাপস রায়ও। সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রও ছিলেন মিছিলে। কৌস্তুভ বলেন, “২৭ তারিখ নবান্ন ছেড়ে পালাবে। মমতা রাজ্যকে শান্ত রাখতে চাইলে, রাজ্যের মঙ্গল চাইলে, হেলিকপ্টার, বিমান রেডি রাখুন। নবান্নর ছাদ থেকে চেপে পালান। শেখ হাসিনা যেভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছিলেন, মমতাকেও বাংলা ছেড়ে পালাতে হবে।” অর্জুনও জানান, ২৭ তারিখে নবান্ন ছেড়ে পালাতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    কী বললেন বিবেক?

    কালো টি-শার্ট পরে মিছিলে (BJP Protest Rally) হাঁটেন শুভেন্দু। তাতে লেখা, ‘দফা এক, দাবি এক মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। আরও অনেকের পরনেই ছিল ওই স্লোগান লেখা টি-শার্ট। বিজেপি-র সাংস্কৃতিক মঞ্চ ‘খোলা হাওয়া’র তরফেই এদিন মিছিল বেরোয়। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ওঠে মিছিল থেকে। মিছিলে যোগ দেন ‘কাশ্মীর ফাইলস’ খ্যাত পরিচালক বিবেক। বলেন, “আরজি করের ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে শামিল হতেই শহরে এসেছি। আরজি করকাণ্ডে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কলকাতায় এমন হলে, গ্রামে কী হচ্ছে জানি না আমরা। আমার মতো মানুষ, যাঁদের কিছুটা হলেও, প্রভাব রয়েছে, বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত, যাতে সকলের কাছে বার্তা পৌঁছয়। মুখ্যমন্ত্রী নিজের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন দেখে আশাহত আমি। বাংলা শেষ হয়ে যাবে, এই আশঙ্কা থেকেই ছুটে এসেছি।”

    মিছিলে হাঁটল গোটা কলকাতা

    শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাস্তাটিকে অপবিত্র করে দিয়েছিলেন। আমরা আজ পবিত্র করলাম। ওদের ক্ষমতা ছিল ৫০০-৭০০। আজ হাঁটল গোটা কলকাতা। কেউ কাউকে ডাকেনি। আমাদের একটাই দাবি, দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ।”  বিজেপি নেতা তাপস রায় বলেন, “বাংলার সর্বত্র যা হচ্ছে, তা হল সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ। কেউ কাউকে ডাকেনি। আমাদের একটাই দাবি, দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। রাজনৈতিক জীবনে একসঙ্গে এত মানুষকে প্রতিবাদে নামতে দেখিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev-Hiran: ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    Dev-Hiran: ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Dev-Hiran)। এবার এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ দেবকে নোটিশ দিল উচ্চ আদালত। শুক্রবার বিচারপতি বিভাস পট্টনায়ক স্পষ্ট করে নির্দেশ দেন, ঘাটাল কেন্দ্রে ভোটের সমস্ত কাগজপত্র, বৈদ্যুতিন নথি এবং ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। আগামী ৬ অগাস্ট হবে মামলার পরবর্তী শুনানি।

    ‘খুল্লম-খুল্লা ছাপ্পাদাবি হিরণের (Dev-Hiran)

    ভোটের দিন থেকেই ছাপ্পা-কারচুপির অভিযোগে সরব হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ (Dev-Hiran)। তিনি এই কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবিও তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচনের দিন কেশপুরে ‘লুঙ্গি ড্যান্স’ করে রাজ্য প্রশাসনের সাহায্যে গণতন্ত্রকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে। এখানকার ৭১ ও ৭৪ বুথের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছিল কীভাবে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটারদের প্রভাবিত করেছে। কমিশনের পর্যবেক্ষক বা রিটার্নিং অফিসাররা কেউ আমার অভিযোগ শোনেননি। কেশপুরে ২০০ বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেয়নি শাসক দলের গুন্ডারা। খুল্লাম-খুল্লা ছাপ্পা মেরেছে।” হিরণের (Dev-Hiran) মামলায় রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    রেখা পাত্রও হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন

    হিরণ একা নন। এর আগে, বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে হিরণের (Dev-Hiran) মতো আগেই ইলেকশন পিটিশেন দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র। তাঁর অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কেন্দ্রে তৃণমূল ব্যাপক ছাপ্পা এবং কারচুপি করেছে। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও (Calcutta High Court) ইভিএম, ব্যালট, সিসিটিভি, ডিভিআর এবং নির্বাচনী সমস্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই ভাবে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কোচবিহারের পরাজিত প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক, আরামবাগে পরাজিত অরূপকান্তি দিগার এবং ডায়মন্ডহারবারের পরাজিত অভিজিৎ দাস ববি, প্রত্যেকে মামলা দায়ের করেছেন হাইকোর্টে। প্রত্যেক বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ ফলাফলে কারচুপি করেছে তৃণমূল।

    আরও পড়ুনঃ অভিষেকের কেন্দ্রে ভোট লুট নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, করলেন আরটিআই

    অভিষেকের কেন্দ্রে আরটিআই শুভেন্দুর

    অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৭ লাখেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। বিজেপি এনিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলেছে। এই কেন্দ্রে প্রায় ১০ লাখ ভোটের ছাপ্পা হয় বলে অভিযোগ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই লোকসভা কেন্দ্রে ভোট পরিচালনার কাজে যে সকল পোলিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার এবং কাউন্টিং স্টাফ যুক্ত ছিলেন তাঁদের সকলের নাম, পরিচয় প্রকাশের দাবিতে আরটিআই দাখিল করেছেন তিনি। নাম প্রকাশ্যে আসলেও ছবি আরও স্পষ্ট হবে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rekha Patra: রেখা পাত্রের আবেদন শুনল হাইকোর্ট, বসিরহাট নির্বাচনের সব নথি সংরক্ষণের নির্দেশ

    Rekha Patra: রেখা পাত্রের আবেদন শুনল হাইকোর্ট, বসিরহাট নির্বাচনের সব নথি সংরক্ষণের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্রের (Rekha Patra) আবেদন শুনল কলকাতা হাইকোর্ট। বসিরহাট লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিরাট নির্দেশ দিয়েছে আদালত। লোকসভা ভোটের ফলাফলকে নিয়ে আগেই ইলেকশন পিটিশেন দায়ের করেছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কেন্দ্রে তৃণমূল ব্যাপক ছাপ্পা এবং কারচুপি করেছে। সেই মামলার (Calcutta High Court) শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও ইভিএম, ব্যালট, সিসিটিভি, ডিভিআর এবং নির্বাচনী সমস্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই ভাবে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির চমক ছিল রেখা পাত্র (Rekha Patra)

    এই বারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রার্থী ছিলেন সন্দেশখালির প্রতিবাদী চরিত্র রেখা পাত্র। তাঁকে বসিরহাট লোকসভায় টিকিট দিয়ে নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনকে একটি ব্যাপক মাত্রা দিয়েছিল বিজেপি। তবে ভোটের দিন এলাকায় পুলিশ ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন রেখা। ফলাফলে দেখা যায় তৃণমূলের থেকে তিন লাখের বেশি ভোটে হেরেছেন তিনি। কিন্তু সন্দেশখালি বিধানসভায় বাজিমাত করেছিলেন তিনি। আবার বিজেপির তরফ থেকে কোচবিহারের পরাজিত নিশীথ প্রামাণিক, ঘাটালে পরাজিত হিরণ চট্টোপাধ্যায়, আরামবাগে পরাজিত অরূপকান্তি দিগার এবং ডায়মন্ডহারবারের পরাজিত অভিজিৎ দাস ববি প্রত্যেকে মামলা দায়ের করেছেন হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। এই কেন্দ্রগুলি মিলিয়ে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মোট ৫টি মামলা আদালতে করেছে বিজেপি। প্রার্থীদের প্রত্যেকের অভিযোগ ছিল, ভোটে কারচুপি হয়েছে। তৃণমূল ব্যাপক ভাবে ছাপ্পা এবং ইভিএম বদল করেছে। তাই এই কেন্দ্রগুলিতে ভোট বাতিলের দাবি বিজেপির।

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল নেতার রাইস মিলই রেশন দুর্নীতির আখড়া! বাজেয়াপ্ত খাদ্য দফতরের সিল যুক্ত নথি

    পাঁচ পৃথক বিচারপতির এজলাসে মামলা

    হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বিজেপির ইলেকশন পিটিশন জমা হওয়ার পরে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, পাঁচটি মামলা পাঁচ পৃথক বিচারপতির এজলাসে পাঠিয়েছিলেন। এর মধ্যে রেখার (Rekha Patra) মামলাটি ওঠে বিচারপতি রাওয়ের এজলাসে। এই মামলায় বুধবার সব পক্ষকে নোটিশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর হল মামলার পরবর্তী শুনানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: কমিশনে ভুল তথ্য দিয়েছে তৃণমূল! বসিরহাটে নির্বাচন বাতিলের দাবিতে হাইকোর্টে রেখা

    Basirhat: কমিশনে ভুল তথ্য দিয়েছে তৃণমূল! বসিরহাটে নির্বাচন বাতিলের দাবিতে হাইকোর্টে রেখা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাট (Basirhat) কেন্দ্রে নির্বাচন বাতিলের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র। গত লোকসভা ভোটে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। এই লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হওয়া প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কমিশনে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির প্রার্থী। একই সঙ্গে ঘাসফুল শিবির জালিয়াতি করে নির্বাচনে জিতেছে বলেও দাবি তাঁর। আদালত তাঁর মামলা গ্রহণ করেছে। আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    কী বললেন সন্দেশখালির লড়াকু নেত্রী? (Basirhat)

    রেখা পাত্র বলেন, “নিয়ম মেনে মনোনয়নপত্রের হলফনামার সঙ্গে নো ডিউজ সার্টিফিকেট নির্বাচন কমিশনে জমা দেননি তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে লোকসভায় জয়ী হওয়া হাজি নুরুল ইসলাম। এই বিষয়ে বিজেপির তরফে অভিযোগ জানানো হলেও কমিশন কোনও গুরুত্ব দেয়নি। তারা পক্ষপাতিত্ব করেছে। আর সেই সুযোগে নির্বাচনেও জালিয়াতি করে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসলে হাজি নুরুল ইসলাম যে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন, সেখানে ভুল রয়েছে। যে হলফনামা জমা দিয়েছেন তাতেও ভুল আছে। লোকসভা নির্বাচনেও তিনি অন্যায়ভাবে জিতেছেন। এটা কোনওভাবেই আমরা মেনে নিচ্ছি না। কারণ, উনি অন্যায় করেছেন। আমরা এর বিচার চাই। সত্যি কী তা মানুষের সামনে আসুক। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী যদি বিজেপির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। তবে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কেন মামলা হবে না? বিচার সবার প্রতি সমান হওয়া চাই। নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে। মানুষ সবটা এমনিতেই জানতে পেরেছে। আরও একটু পরিষ্কার করে বিষয়টি জানতে পারে যাতে তারজন্য মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পয়লা জুন লোকসভা নির্বাচন হয়েছিল বসিরহাটে। ৪ জুন ফল প্রকাশ পেতে দেখা যায় বিজেপির রেখা পাত্রকে প্রচুর ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের হাজি নুরুল ইসলাম। তারপর থেকেই জালিয়াতি করে ঘাসফুল শিবির ভোটে জিতেছে বলে দাবি করা হচ্ছে বিজেপির তরফে। এবার বিচার চাইতে আদালতের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসা পরিদর্শন করতে সন্দেশখালিতে আসলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। মঙ্গলবার বিকেলে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সড়বেড়িয়া এলাকায় আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার তৈরি করা ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। এই দলের মধ্যে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, কেন্দ্রীয় প্রাক্তন আইন মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ, বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ আরও চারজন। এদিন সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রের কাছ থেকে অত্যাচারের বিবরণ শোনেন প্রতিনিধি দল।

    এদিন তাঁরা সড়বেড়িয়ার আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট বিট পোলের ৪২, ৪৫ নম্বর বুথের বামন ঘেরি এলাকায় গিয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন টিম। তাঁদের বর্তমান অবস্থার কথা জানার চেষ্টা করেন। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা। তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

    প্রতিনিধি দলের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রিজপাল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে রেখা পাত্রকে বলেন, “রেখা পাত্র সন্দেশখালির বাঘিনী। রেখা যেভাবে লড়াই করেছে, তা বলার মতো। আমি বলে রাখলাম এই মেয়ে অনেক দূর যাবে। আমি এই নিয়ে বাংলায় মোট পাঁচবার এসেছি। এই সন্দেশখালিতে কেবল অত্যাচারই হয়েছে। আমি উর্দি পরেছি। কিন্তু এখানে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা দেখে দুঃখ পাই।” একই সঙ্গে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদও রেখার সাহসিকতার জন্য বাহবা দেন।

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    রেখা পাত্রের বক্তব্য

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) গদখালিতে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আর সেই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে থেকে রেখা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন শক্তিস্বরূপা। আজ প্রাক্তন পুলিশকর্তা বাঘিনী বললেন আমাকে, তবে আমার মনে হয়, এটা শুধু আমাকে বলা নয়, সন্দেশখালির প্রত্যেক মহিলাকে বলা হয়েছে। মানুষে তো বাড়িতেই ফিরতে পারেননি। কাউন্টিং এজেন্টরা এখনও ঘরছাড়া। গ্রামে ঢুকতে পারেননি। তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হল কীভাবে?”

    তৃণমূলের অত্যাচারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক গ্রাম জনশূন্যে পরিণত হয়েছে। এই টিম কলকাতা, কোচবিহার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় নিপীড়িত বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছে। বিজেপির টিম রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এবং এলাকা পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডার কাছে। আজই তাঁদের রাতে দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rekha Patra: “গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস”, হারের পর তোপ রেখা পাত্রের

    Rekha Patra: “গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস”, হারের পর তোপ রেখা পাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে (Rekha Patra) লোকসভার ভোটে প্রার্থী করে বিরাট চমক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তৃণমূলের প্রার্থী হাজি নুরুলের কাছে ৩ লক্ষের বেশি ভোটে হারতে হয়েছে। রেখার নির্বাচনী প্রচার ছিল বিরাট জমজমাট। দেশের প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর সমর্থনে একাধিক সভায় সন্দেশখালিতে অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছিলেন। একই সঙ্গে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি তীব্র আক্রমণ করেছিল। কিন্তু তবুও বিজেপি জয়ী হতে পারেনি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে। তাহলে পরাজয়ের কারণ কী ছিল? বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র বলেছেন, “এই ফলাফলে বিরাট চক্রান্ত করা হয়েছে। আমাদের কাউন্টিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছিল। গণনাকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। আমরা এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হব।”

    কী বললেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)?

    সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র (Rekha Patra) বলেছেন, “আমি পালিয়ে যাইনি। একটা সমস্যা হয়েছিল সেই জন্য ১০ মিনিটের জন্য বাইরে বেরিয়েছিলাম। সেটাকে তৃণমূল, রেখা পাত্র পালিয়েছে বলে মিথ্যা প্রচার করেছে। তৃণমূল কারচুপি করেছে। মিথ্যা খেলায় বুক বেঁধেছে ওরা। ২০২১ সাল থেকে রাজ্যে বিজেপিকে হারাতে এই অপচেষ্টা করছে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতাকে ছোট করার জন্য প্ল্যানিং করে হারানো হয়েছে। এই হার, পরাজয় হিসাবে মানছি না। যত‌ই মিথ্যা আশায় বুক বাঁধুন। বেশিদিন বুক বেঁধে থাকতে পারবেন না।”

    আরও পড়ুনঃ লোকসভার নিরিখে বিধানসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা কত দাঁড়াল জানেন?

    আর কী বললেন রেখা?

    এলাকায় রেখা নেই বলে তৃণমূল অপপ্রচার করলে, মুখের উপর জবাব দিয়ে রেখা (Rekha Patra) বলেন, “আমি চোর নই যে লুকিয়ে থাকব। সময় হলেই আমি যাবো সন্দেশখালি। এই লড়াইকে শক্তিশালী করতে আমি মানুষের পাশে দাঁড়াব। তৃণমূল আমার যে কর্মীদের উপর ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস চালাচ্ছে, তাঁদের পাশে আমি দাঁড়িয়েছি। অনেক কর্মী ঘর ছাড়া হয়েও বিজেপি করছেন, তাঁদের আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। যেখানে যেখানে অত্যাচার হবে আমি সেখানে সেখানে যাব। একটা বড় প্ল্যানিং করে আমাকে হারানো হয়েছে। রাজনীতিতে যখন এসেছি, আমি রাজনীতিতে থাকব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: অভব্যতার চূড়ান্ত নিদর্শন! জয়ের আগেই রেখা পাত্রকে তাড়া তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের

    Lok Sabha Elections 2024: অভব্যতার চূড়ান্ত নিদর্শন! জয়ের আগেই রেখা পাত্রকে তাড়া তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবে গণনার কিছু ঘণ্টা পেরিয়েছে। আর এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে থাকার খবরে বিজয় উৎসব শুরু করেছে তৃণমূল। একাধিক এলাকা থেকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠে আসছে। শুধু তাই নয় এবারের লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Elections 2024) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী সন্দেশখালির রেখা পাত্রকে দেখা মাত্রই তেড়ে গেলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। সাময়িকভাবে এলাকায় তৈরি হয় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। রেখাকে তাড়া করে গণনাকেন্দ্রের পাশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলে। 

    রেখাকে দেখে তেড়ে গেলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা

    এখনও পর্যন্ত বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে কিছু ভোটে (Lok Sabha Elections 2024) পিছিয়ে রয়েছেন সন্দেশখালির রেখা পাত্র। জয়ের পথে এগিয়ে হাজি নুরুল ইসলাম। আর সেজন্যই বিজেপি প্রার্থীকে দেখে রে রে করে তেড়ে গেলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। 
    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাসে সন্দেশখালি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। সন্দেশখালি আন্দোলন, নারী নির্যাতনের অভিযোগ রীতিমতো শোরগোল ফেলেছিল গোটা বাংলায়। সেসময় রেখা পাত্র বাচ্চা কোলে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে তৃণমূল নেতৃত্ব ও পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দেন। সেই রেখা পাত্রকেই টিকিট দেয় বিজেপি। গণনা শুরুর প্রথম দিকে রেখা এগিয়ে থাকলেও, পড়ে পিছিয়ে পড়েন তিনি। এরপর গণনাকেন্দ্র (Election Result) ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রেখার গাড়ির পেছনে কার্যত তাড়া করেন তৃণমূলের কর্মীরা। তাঁকে দেখে জয় বাংলা স্লোগানও দেওয়া শুরু হয়।

    একই ঘটনা দিলীপ ঘোষের সঙ্গেও  

    অন্যদিকে এই একই ছবি দেখা গেল বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রেও। সেখানেও তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের থেকে কিছু ভোটে (Lok Sabha Elections 2024) পিছিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। আর এদিন রাস্তায় দিলীপ ঘোষকে দেখেও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা।

    আরও পড়ুন: কুকুরে খুবলে খাচ্ছে মানবখুলি! হাড় হিম করা ঘটনা মালদায়

    বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ

    অন্যদিকে ফলাফল (Election Result) প্রকাশের আগেই সন্দেশখালির সড়বেড়িয়ায় বড় আজগরা, ভাটিদহ, ঝারিপাড়া, রামপুর বাগদি পাড়া-সহ একাধিক এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করেছে। বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে সড়বেরিয়ার বড় আজগরায় চার জন বিজেপি সমর্থকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।  
    অর্থাৎ বলা যেতে পারে রাজ্যজুড়ে চলছে একেবারে চূড়ান্ত অরাজকতার বাতাবরণ। ফলাফল ঘোষণার আগেই এভাবে বিজয় উৎসব ও বিরোধীদলের প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর একের পরে হামলার ঘটনা রাজ্য জুড়ে সৃষ্টি করছে উত্তপ্ত পরিস্থিতির। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rekha Patra: পুলিশের অতিসক্রিয়তায় লাগাম হাইকোর্টের, রক্ষা কবচ বাড়ল রেখার

    Rekha Patra: পুলিশের অতিসক্রিয়তায় লাগাম হাইকোর্টের, রক্ষা কবচ বাড়ল রেখার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই রেখা পাত্রকে (Rekha Patra) টার্গেট করেছে রাজ্যে শাসক দল। এবার কলকাতা হাইকোর্টে ফের স্বস্তি পেলেন তিনি। ১৪ জুন পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ এই নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল। ৫ জুলাই পর্যন্ত রেখা পাত্রের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে না। এমনই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    রেখা পাত্রকে জব্দ করতে ব্যর্থ পুলিশ (Rekha Patra)

    সন্দেশখালি থানার সাব ইন্সপেক্টর সাগির গাজীর উপর হামলার অভিযোগে বেড়মজুর থেকে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনকি রেখা পাত্রের বিরুদ্ধেও তিনটি এফআইআর করা হয়েছে। এর আগে সন্দেশখালির স্টিং অপারেশনের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় মন্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালের সঙ্গে রেখা পাত্রের (Rekha Patra) বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত ভারতবর্ষে স্টিং অপারেশনের কোন মান্যতা নেই। কাউকে না জানিয়ে ছবি তোলা বেআইনি। কিন্তু এহেন বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। উল্টে বেআইনিভাবে তোলা ভিডিওকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধেই পুলিশ ললিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাত পোহালেই হবে লোকসভা নির্বাচনের গণনা এবং তার আগে রেখা পাত্রকে জব্দ করতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন এমনই অভিযোগ বিজেপির।

    পুলিশের অতিসক্রিয়তায় ঝামা ঘষে দিল হাইকোর্ট

    বসিরহাট নির্বাচনের দিন হিংসার ঘটনায় রবিবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন দিনেশ বারিক, পরিতোষ সর্দার, চিরঞ্জিত সর্দার, কৃষ্ণ সর্দার, দিলীপ সর্দার, মিহির হালদার এবং সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়।

    আরও পড়ুন: “ফল প্রকাশের পর তৃণমূল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে”, গণনার আগে তোপ নিশীথের

    পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা সকলেই বিজেপির কর্মী। পুলিশকে আক্রমণ করার অভিযোগে গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১২। ঘটনায় আগেই পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত ভোটের পরেও রেখা পাত্রের (Rekha Patra) বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেই চলেছে পুলিশ। সেই সমস্ত মামলাতেও বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোন কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না বলে হাইকোর্ট হাইকোর্টের তরফে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rekha Patra: প্রথম বার ভোট দিলেন রেখা পাত্র, বিক্ষিপ্ত অশান্তিতেও আশাবাদী বিজেপি

    Rekha Patra: প্রথম বার ভোট দিলেন রেখা পাত্র, বিক্ষিপ্ত অশান্তিতেও আশাবাদী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগের রাত থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি (Sandeshkhali) । যদিও ভোটের দিনে বেলা গড়াতেই ছবিটা বদলে গেল বসিরহাট (Basirhat) লোকসভা কেন্দ্রের এই অঞ্চলে। মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভোট হল এই কেন্দ্রে। তাঁর মধ্যেই জীবনে প্রথমবার ভোট দিলেন বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র (Rekha Patra) । এককালে শেখ শাহজাহানদের দাপটে প্রথমে বাম, পরে তৃণমূলের প্রার্থীরা এই অঞ্চল থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পেয়েছেন। উঠত ভয়ঙ্কর ছাপ্পা রিগিংয়ের অভিযোগ। এবার প্রথম শান্তিতে ভোট হচ্ছে সন্দেশখালিতে।

    প্রথম বার ভোট দিলেন রেখা পাত্র

    প্রথমবার ভোট দিয়ে রেখাপাত্র বলেন (Rekha Patra), “জীবনে প্রথমবার ভোট দিলাম। সন্দেশখালীর মা-বোনেরাও এবার অনেকে প্রথমবার ভোট দিয়েছে। এর জন্য মোদীজি কে ধন্যবাদ জানাই। ২০১১ সাল থেকে এখানকার লোকেরা ভোট দিতে পারেনি। তবে আমাদের লড়াই শুধু ভোট দেওয়ার জন্য ছিল না। ছিল আত্মসম্মানের সঙ্গে বাঁচার লড়াই। সেই লড়াইয়ের একটা অঙ্গ এই ভোটদান। তৃণমূল কংগ্রেস আমাদের আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ওরা ব্যর্থ হয়েছে। কারণ সন্দেশখালীর মা-বোনেরা একত্রিত হয়ে এখনও তাঁদের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: শেষ দফা ভোটে অশান্ত ভাঙড়, জয়নগর, আক্রান্ত বিজেপি, জলে ফেলা হল ইভিএম

    প্রসঙ্গত বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে বেশ কয়েকটি জায়গায় অশান্তির খবর এসেছে। তবে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হচ্ছে বেশিরভাগ বুথে। নখ, দাঁত বের করার চেষ্টা করলেও সেভাবে আস্ফালন দেখাতে পারছে না শাসক দলের বাহুবলীরা। সকাল থেকেই কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথে ঘুরছেন বিজেপি প্রার্থী।

    মোটের উপর শান্তিপূর্ন নির্বাচন সন্দেশখালিতে

    সন্দেশখালিতে এখনও চালু রয়েছে সিবিআই ক্যাম্প। আঁটোসাটো নিরাপত্তা প্রত্যেকটি বুথে। গোটা সন্দেশখালি অতি স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সন্দেশখালির মহিলাদের প্রশ্ন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে, আপনারা চলে গেলে কী হবে। বসিরহাটের অন্যান্য জায়গাতেও রয়েছে সেন্ট্রাল ফোর্সের নিশ্ছিদ্র পাহারা। রেখা পাত্র (Rekha Patra) জানিয়েছেন তাঁদের এক কর্মীর এদিন মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে শাসক দলের কর্মীরা। তবে বেশির ভাগ বুথেই শান্তিপূর্ণভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন। গন্ডগোল এড়াতে মোবাইল নিয়ে বুথে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সঙ্গে মোবাইল নিয়ে আসলেও সুইচ অফ করে বুথে ঢুকতে হচ্ছে। ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে মোবাইলের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share