Tag: religion

religion

  • Tulsi Pujan Diwas: ২৫ ডিসেম্বর পালিত হয় তুলসী পূজন দিবস, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    Tulsi Pujan Diwas: ২৫ ডিসেম্বর পালিত হয় তুলসী পূজন দিবস, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৫ ডিসেম্বর। কেবল খ্রিস্টান নন, হিন্দুদের কাছেও দিনটি অত্যন্ত পবিত্র। এই দিনে হিন্দুরা উপাসনা করেন দেবী তুলসীর (Significance)। দিনটি তুলসী পূজন দিবস হিসেবে পালন করেন সনাতনীরা (Tulsi Pujan Diwas)।

    তুলসী পূজন উৎসব (Tulsi Pujan Diwas)

    হিন্দুদের বিশ্বাস, তুলসী অত্যন্ত পবিত্র। তাই হিন্দুদের ঘরে ঘরে নিত্যদিন তুলসী পুজো হয়। প্রতিদিন তুলসীর আরাধনা করলে সমস্ত বাধাবিপত্তি দূর হয়। ২০১৪ সালে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় তুলসী পূজন। তার পর থেকে ফি বছর ২৫ ডিসেম্বর দিনটিতে পুজো হয় তুলসীর। চতুর্দশী তিথিতে হয় তুলসী পূজন উৎসব। তুলসীর আর এক নাম বিষ্ণুপ্রিয়া।তুলসীকে ঐশ্বর্য ও সৌভাগ্যের দেবী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তুলসীর কাছে প্রার্থনা করা সৌভাগ্য আনে বলে বিশ্বাস। তুলসী পুজন দিবসে বাড়িতে নতুন তুলসী গাছ আনা হয়। এদিন তুলসী চারা কোনও মন্দির বা উপাসনা স্থলে দান করলে পুণ্য লাভ হয়। জীবনভর সুখ-শান্তি বজায় রাখতে চাইলে অবশ্যই তুলসীর পুজো করা উচিত।

    শুভ দিন

    তুলসী পূজন দিবস জাঁকজমকপূর্ণ আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়, যা বিবাহ ও গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠানের জন্য শুভ বলে বিবেচিত হয়। এদিন ভক্তরা ভোরে উঠে বাড়িঘর পরিষ্কার করেন। তুলসী গাছকে ফুল-মালা-গয়নায় সাজানো হয়। তুলসী ও ভগবান বিষ্ণুর বৈবাহিক অনুষ্ঠানের আয়োজন অত্যন্ত ভক্তিভরে করা হয়। তুলসী পূজন ভক্তদের জীবনে সমৃদ্ধি, সুখ এবং আধ্যাত্মিক কল্যাণ বয়ে আনে বলে হিন্দুদের বিশ্বাস। তুলসী পূজন দিবসের (Tulsi Pujan Diwas) উৎপত্তি বর্ণিত হয়েছে হিন্দু পুরাণে।

    আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশন নেওয়ার হুমকি টাইকুন এস আলমের?

    কিংবদন্তি অনুসারে, তুলসী মূলত এক নিবেদিতপ্রাণ নারী। তাঁর নাম ছিল বৃন্দা। তিনি অসুররাজ জলন্ধরের স্ত্রী। বৃন্দার পবিত্রতার শক্তি থেকে অপরাজেয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি। দেবতারা যখন জলন্ধরকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হলেন, তখন তাঁরা বিষ্ণুর সাহায্য চাইলেন। বিষ্ণু ছদ্মবেশে বৃন্দার পবিত্রতা ভঙ্গ করেন। যার ফলে জলন্ধর হেরে যান। দুঃখে বৃন্দা তুলসী গাছে রূপান্তরিত হন। বিষ্ণু এই পাপ মোচনের জন্য তুলসীকে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি প্রতি বছর এই দিনে তুলসীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন (Significance)। সেই থেকেই তুলসী পূজন দিবস পালন করা হয় (Tulsi Pujan Diwas)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi: ছত্তিশগড়ে ‘ঘর ওয়াপসি’, অন্য ধর্ম ত্যাগ করে ৩৫০ জন ফিরলেন সনাতন ধর্মে

    Ghar Wapsi: ছত্তিশগড়ে ‘ঘর ওয়াপসি’, অন্য ধর্ম ত্যাগ করে ৩৫০ জন ফিরলেন সনাতন ধর্মে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে অন্যান্য ধর্ম ত্যাগ করে ৩৫০ জন ব্যক্তি সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন। উল্লেখ্য তাঁদের ধর্মান্তরিত করার জন্য বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। সাময়িক ভাবে নিজের শেকড় থেকে বিছিন্ন হলেও সনাতন ধর্মের আধ্যাত্মিক শিকড়ের কারণে ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi) হয়েছেন। 

    ‘বাঁচো এবং বাঁচতে দাও’(Ghar Wapsi)

    রায়পুরের বিটি গ্রাউন্ডে রবিবার একটি সন্ত প্রবুদ্ধ জন সম্মলেনের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ ভারতের বিশিষ্ট ধর্মগুরু উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ধর্মগুরু এবং সন্ত সমাজের নেতারা ক্রমবর্ধমান হিন্দুধর্মের উপর বিধর্মী কূচক্রীদের আগ্রাসনের কথা তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে ধর্মান্তকরণ এবং হিন্দু ধর্মের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এই কর্মযজ্ঞে ৩০০ জন সাধক সনাতন ধর্মের সেবায় দীক্ষা গ্রহণ করেন। অপরদিকে একই ভাবে আরও ৩৫০ জন, যাঁরা আগে অন্যধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন, তাঁরাও ‘ঘর ওয়াপসি’ করেন, অর্থাৎ পুনরায় আবার সনাতন ধর্ম (Ghar Wapsi) গ্রহণ করেন। এদিন অনুষ্ঠানে ধর্মগুরুরা বলেন, ‘বাঁচো এবং বাঁচতে দাও।’

    আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রের ভোটে প্রভাব ফেলছে অনুপ্রবেশকারী মুসলমানরা! বলছে সমীক্ষা

    হিন্দু ধর্মের পুনঃজাগরণ

    উল্লেখ্য, এই রাজ্যে ‘ঘর ওয়াপসি’ অনুষ্ঠানের ঘটনা আগেও হয়েছে। ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের জেলার রামনগরে এই মাসের শুরুতে আরও একটি অনুষ্ঠান হয়েছিল। সেখানে ৩ নভেম্বর মা ভুবনেশ্বরী জনকল্যাণ সমিতি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রায় ১১টি পরিবার হিন্দু ধর্মে ফিরে আসেন। একই ভাবে বলরামপুর জেলার কান্ডারি গ্রামে বনবাসী রামকথা এবং মহাযজ্ঞের সমাপনী অনুষ্ঠানে ৫০টির বেশি পরিবারের শত শত লোক সনাতন ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। এই কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আচার্য সদানন্দজি মহারাজ। তিনি এই অনুষ্ঠানে শ্রীরামের জীবনীর উপর আধ্যাত্মিক দর্শন সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। জানা গিয়েছে, মিথ্যা প্রলোভন, অসত্য কথন এবং দুর্বলতার সুযোগে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়। সম্প্রতি এই ঘটনাগুলিতে হিন্দুধর্মের যে পুনঃজাগরণ (Ghar Wapsi) ঘটেছে তা নিয়ে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manik Saha: “ধর্মের নামে কোনও অশান্তি সহ্য করবে না রাজ্য সরকার”, কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার

    Manik Saha: “ধর্মের নামে কোনও অশান্তি সহ্য করবে না রাজ্য সরকার”, কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মের নামে কোনও অশান্তি সহ্য করবে না রাজ্য সরকার। কার্যত এই ভাবেই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)। দীর্ঘ ৩৫ বছরের বাম শাসনের পর রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। ফলে হিন্দু সনাতন ধর্মের বিরাট জাগরণ ঘটেছে। তাই এই অবস্থায় কোনও প্রকার অশান্তি, হিংসা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। রাজ্যের গোমতি জেলার উদয়পুরে নেতাজি সুভাষ কলেজে ‘সনাতন ধর্ম সম্মেলন’ অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এইভাবেই হুঁশিয়ারি দেন। 

    বাম শাসন একটি নাস্তিক পরিবেশকে তৈরি করেছিল (Manik Saha)

    এদিন এই ‘সনাতন ধর্ম সম্মেলন’ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী (Tripura) মানিক সাহা বলেন, “রাজ্যে গত ৩৫ বছরের বাম শাসন একটি নাস্তিক পরিবেশ তৈরি করেছে। আমাদের বিজেপি সরকার এবার ধর্মীয় পরিবেশকে ফিরিয়ে আনতে সনাতন ধর্মের পুনঃজাগরণ ঘটিয়েছে। তাই ধর্মের নামে কোনও রূপ অশান্তিকে বরদাস্ত করা হবে না। একই ভাবে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলে রাষ্ট্রীয় প্রতিশ্রুতিকে আগে প্রধান্য দিতে হবে। সকল ধর্মের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। কিন্তু অশান্তি সৃষ্টি করলে কড়া হাতে দমন করা হবে।”

    বাংলাদেশে অত্যাচারকে লক্ষ্য করেছি

    মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha) আরও বলেন, “মানব সভ্যতা ঈশ্বরের একটি অপূর্ব সৃষ্টি। সমাজের প্রতি আমাদের অনেক কর্তব্য রয়েছে। আমরা বাংলাদেশে সনাতনী সমাজের উপর অত্যাচারকে লক্ষ্য করেছি। আমাদের দেশের কেন্দ্রীয় সরকার অত্যন্ত সজাগ দৃষ্টি রেখেছে বাংলাদেশের উপর। আমি সকলকে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছি। ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখব সনাতন ধর্ম আগেও অনেক অত্যাচারের সম্মুখীন হয়েছে। এখনও নানা সময় ওই ধারা দেখা যাচ্ছে। আজ যেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, কাল থাকবে না এমন নয়। তাই সকলকে একত্রিত হতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে, থাকবেও”, রাষ্ট্রসঙ্ঘে সাফ জানাল ভারত

    মন্দিরগুলিকে উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার

    একই ভাবে ১৯৮০ দশকের ত্রিপুরার (Tripura) পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে মানিক (Manik Saha) বলেন, “ওই সময় রাজ্যে কোনও রকম আইনশৃঙ্খলা ছিল না। কেবল হত্যা এবং সন্ত্রাসের ঘটনা রোজ ঘটত। কিন্তু বর্তমানে এই রকম ঘটনা অনেক কমে গিয়েছে। এখন নেই বললেই চলে। কিন্তু কখনও কখনও বিরোধীরা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে সামজে বৈষম্য ছড়ায়। মানুষের মনে বিভ্রান্ত তৈরি করে। দেশের প্রধানমন্ত্রী ঐতিহ্যবাহী মন্দিরগুলিকে উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার দিয়েছেন। অসমের কামাখ্যা, গুজরাটের দ্বারকা, সোমনাথ, ত্রিপুরার ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের উন্নয়নে ব্যাপক কাজ শুরু হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vastu Tips For Home: কোন দিকে ঠাকুরঘর করলে সংসারে শান্তি আসে? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?

    Vastu Tips For Home: কোন দিকে ঠাকুরঘর করলে সংসারে শান্তি আসে? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমাদের সবার জীবনেই বাস্তুশাস্ত্রের (Vastu shastra) প্রচুর অবদান রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে যাঁরা কিছু জানেন না, তাঁরা হয়ত অবৈজ্ঞানিক বলে উড়িয়ে দেবেন। কিন্তু আদতে এই বাস্তুশাস্ত্রের নিজস্ব কিছু যুক্তি আছে যা অত্যন্ত কার্যকারী। আর বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী ঠাকুর ঘর সঠিক দিকে হওয়া খুবই জরুরি। বাস্তুশাস্ত্রের (Vastu Tips For Home) সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে বিজ্ঞানের। বাস্তুশাস্ত্র মতে ঠাকুরঘর উত্তর–পূর্ব কোণ অর্থাৎ যাকে আমরা ঈশান কোণ বলি সেখানেই হওয়া উচিত।  

    ঈশান কোণে ঠাকুরঘর রাখার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী? 

    বাস্তুশাস্ত্র মতে, (Vastu Tips For Home) ওই দিককার অধিষ্ঠাত্রী দেবতা হলেন বৃহস্পতি। ফলত, পুজোপাঠের জন্য বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে ঘর বানানো সবচেয়ে সঠিক। আর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আমাদের দশ দিকের প্রধান দিক হলো উত্তর ও পূর্ব। উত্তর হলো পৃথিবীর উত্তর মেরু অর্থাৎ যেখান থেকে চৌম্বকীয় তরঙ্গের সৃষ্টি হয়ে বাহিত হয় দক্ষিণ দিকে। তবে আমরা এই ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে দেখতে পাই না, ঠিক যেভাবে আমরা বিদ্যুৎকেও দেখতে পাই না। কিন্তু বিদ্যুৎ বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। আমাদের এই ম্যাগনেটিক এনার্জি সর্বদা উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। আর পূর্ব দিক হল যেদিক থেকে সূর্যদেব উদিত হন এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যান। এই পূর্ব দিক হল সোলার এনার্জি বা সৌর শক্তির উৎস। ফলে এই দুটি এনার্জি উত্তর ও পূর্ব কোণ থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ – পশ্চিম কোণে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই বৈজ্ঞানিক মতেই হোক বা বাস্তুশাস্ত্র মতে ঈশান কোণেই ঠাকুর ঘর করা উচিত।

    তবে বাস্তুশাস্ত্র (Vastu shastra) না জানা মানুষের অনেকের কাছে এটা হয়তো অবৈজ্ঞানিক। কিন্তু বাস্তুর (Vastu Tips For Home) আবার নিজস্ব কিছু যুক্তি আছে, যেগুলি অত্যন্ত জরুরি। কারণ জীবনের নানা ওঠাপড়া, সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ, সার্বিক উন্নতি— সব কিছুর জন্য আমরা নিজের নিজের দেবতার উপর নির্ভরশীল। তার জন্যই বাড়িতে ঠাকুরঘর বানানো অতি আবশ্যক এবং সেই ঠাকুরঘর বাড়ির সঠিক দিকে থাকা উচিত। কারণ সেটা ভুল হলে জীবনে তার কুপ্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। আর সেটা সঠিক হলে সাংসারিক জীবনে সুখশান্তি আসার সম্ভাবনা থাকে ও মানসিক দিকেও শান্তি থাকে।  

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ‘টপস’ এবং ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের প্রশংসা ব্রোঞ্জ জয়ী মনু ভাকেরের

    কী করবেন, কী করবেন না? (Vastu Tips For Home)  

    ঠাকুর ঘর সবসময় পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সুগন্ধি ধুপ ও ফুল দিয়ে পুজো করতে হবে। যেহেতু ঈশান কোণ পজিটিভ এনার্জিকে সৃষ্টি করে, তাই পুজোপাঠের সময় পুরো বাড়ি পজিটিভ শক্তি দ্বারা ভরে থাকে। আর বাড়িতে পজিটিভ এনার্জি থাকলে শরীর ও মন সুস্থ থাকে। তবে বেডরুম বা শোওয়ার ঘরে ঠাকুর রাখা একদম ঠিক নয়। কিন্তু জায়গা একান্তই না থাকলে শোওয়ার ঘরে ঠাকুর রাখলেও, রাতে সেই জায়গায় পর্দা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আর বাড়ির ঈশান কোণে কখনওই বাথরুম, কিচেন, সিঁড়ি করবেন না, তার কারণ হল এইগুলি সবসময়ই নেগেটিভ এনার্জি সৃষ্টি করে। আর নেগেটিভ এনার্জি মানুষের শরীর ও মন সুস্থ রাখতে পারে না।

      
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swastika: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    Swastika: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী বলবেন একে? বিলম্বিত বোধোদয়? হয়তো তাই। তবে দেরিতে হলেও, শেষমেশ মার্কিনরা বুঝতে পেরেছেন সনাতনীদের ‘স্বস্তিকে’র (Swastika) সঙ্গে কী পার্থক্য রয়েছে নাৎসিদের ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র। আমেরিকার (US) অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশন দুই প্রতীকের পার্থক্য খুঁজে বের করেছে। যার জেরে স্বস্তিতে জো বাইডেনের দেশের হিন্দুরা।

    ‘স্বস্তিক’ শব্দের অর্থ (Swastika)

    সনাতন ধর্মের সঙ্গে ‘স্বস্তিক’ চিহ্নের যোগ দেহের সঙ্গে আত্মার মতো। ‘স্বস্তিক’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘স্বস্তিক’ থেকে। যার অর্থ ‘মঙ্গলের জন্য সহায়ক’। ‘স্বস্তিক’ শব্দটিকে ভাঙলে দুটি শব্দ পাই। একটি ‘সু’, অন্যটি ‘অস্তি’। ‘সু’ মানে ‘ভালো’। ‘অস্তি’ শব্দের বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘অস্তিত্ব’। তাই ‘স্বস্তিক’ শব্দটির মধ্যে সব ধর্মের মানুষেরই মঙ্গল বা কল্যাণ নিহিত রয়েছে। কেবল হিন্দু নয়, বৌদ্ধ এবং জৈন-সহ বিভিন্ন ধর্মে দেবত্ব ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই চিহ্নটি। শুধু তাই নয়, কয়েকটি নেটিভ আমেরিকান ধর্ম এবং সংস্কৃতিতেও ‘স্বস্তিক’ চিহ্নের গুরুত্ব অপরিসীম।

    ‘স্বস্তিকে’র স্বীকৃতিতে খুশির হাওয়া

    এহেন একটি মঙ্গলের প্রতীককে জার্মানির নাৎসিদের প্রতীক ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছিলেন আমেরিকার নাগরিকরা। সেই কারণে আমেরিকায়ও অনেক ক্ষেত্রেই আড় চোখে দেখা হয় হিন্দুদের। তবে এবার বোধহয় ফুরোতে চলেছে সেই জমানা। সৌজন্যে, আমেরিকার অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশন। অফিসিয়ালি তারা স্বীকার করেছে, হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ এবং নাৎসিদের ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র মধ্যে ফারাক রয়েছে বিস্তর। মার্কিন মুলুকে গড়ে উঠেছে হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন। অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশনের এই স্বীকৃতিতে যারপরনাই খুশি তারা। তাদের বক্তব্য, এবার অন্তত মার্কিনরা পবিত্র একটি হিন্দু প্রতীককে (Swastika) মর্যাদা দেবে। গুলিয়ে ফেলবে না নাৎসিদের প্রতীকের সঙ্গে। এই সংগঠনের তরফেই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা হয়েছে একটি পোস্ট। তাতে তারা আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি অরিগনে তাদের যারা সমর্থক রয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছে। ঐতিহাসিক এই জয় (স্বস্তিকের স্বীকৃতি) পেতে যে লড়াই তাঁরা করেছেন, সেজন্যও অভিনন্দন জানানো হয়েছে অরিগনে থাকা হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের সদস্যদের।

    স্বস্তিক ও ক্রসড হুডের ফারাক

    স্বস্তিক এবং ‘হ্যাকেনক্রেউজ’ – এই দুই প্রতীকের ক্ষেত্রে যে টার্ম ব্যবহার করা হয়, তার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে মার্কিন মুলুকের এই শিক্ষা দফতর। তারা সাফ জানিয়েছে, স্বস্তিকের সঙ্গে নাৎসিদের প্রতীকের পার্থক্য রয়েছে। ‘স্বস্তিক’ নাৎসিদের ব্যবহৃত ‘হুকড ক্রস’ (‘হ্যাকেনক্রেউজ’) নয়। ‘স্বস্তিকে’র মধ্যে নিহিত রয়েছে পবিত্রতা ও মঙ্গলের ধারণার বীজ। যা নেই ‘হুকড ক্রসে’।হিন্দুদের প্রতীক বনাম নাৎসিদের প্রতীকের এই যে পৃথকীকরণ, তার গুরুত্বও কিন্তু কম নয়। এতে কেবল ‘স্বস্তিকে’র পবিত্রতাই বজায় রইল না, দুই প্রতীকের পার্থক্য সম্পর্কেও সচেতন হবে আগামী প্রজন্ম। দুই প্রতীকের প্রকৃত অর্থ কী, তাও বুঝতে পারবেন মানুষ। মার্কিনদের একটা বড় অংশই ‘স্বস্তিক’কে ‘হুকড ক্রসে’র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে ঘৃণা এবং অসহিষ্ণুতার প্রতীক বলে মনে করত। এবার তাঁদের সেই ধারণাও ভেঙে যাবে। সম্মান করতে শিখবেন ‘স্বস্তিক’কে, ভারতীয় সংস্কৃতিকে। যে সংস্কৃতি কেবল হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান নয়, সব ধর্মের মানুষের কল্যাণ কামনা করে। যে সংস্কৃতির মূল সুরই হল, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    ‘স্বস্তিকে’র ‘বয়স’

    ‘স্বস্তিকে’র এই স্বীকৃতিতে আরও একটি উপকার হল বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা সনাতনীদের। দুই চিহ্নের মিল দেখে অনেকেই তাঁদের উগ্রপন্থায় বিশ্বাসী বলে মনে করত। এবার তাদেরও সেই ধারণা ভেঙে খান খান হয়ে যাবে। ‘স্বস্তিক’ (Swastika) কেবল মঙ্গলের প্রতীক নয়, সৌভাগ্যেরও প্রতীক, সমৃদ্ধির প্রতীক। হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ প্রতীকের জন্ম আজকে নয়। ৬ হাজার বছর আগেও পাহাড় এবং গুহাচিত্রে এই প্রতীকের দেখা পাওয়া যায়। এবং এই প্রতীকের শেকড় যে ভারতেই প্রোথিত, তাও প্রমাণিত হয় পুরাণাদি বিভিন্ন গ্রন্থের কল্যাণে। হিন্দুদের পবিত্র গ্রন্থ বেদেও উল্লেখ রয়েছে ‘স্বস্তিকে’র।

    বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনা করে, ‘স্বস্তিক’

    ‘স্বস্তিক’ কেবল যে মঙ্গল-কল্যাণ কিংবা সুখের প্রতীক তা নয়, সূর্য এবং ব্রহ্মকে বোঝাতেও এই প্রতীক ব্যবহার করা হয়। ‘স্বস্তিক’ শক্তির প্রতীক, আবার সৌভাগ্যের দেবতা গণেশেরও প্রতীক এই পবিত্র চিহ্ন। হিন্দু এবং জৈনরা হিসেবের নতুন খাতায়, বইয়ের প্রথম পাতায়, দরজা এবং ঠাকুরঘরে স্বস্তিক প্রতীক রাখেন। এতে কতটা মঙ্গল তাঁদের হয়, তা বলতে পারবেন (US) তাঁরাই। তবে এই প্রতীক যে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনা করে, ‘স্বস্তিকে’র (Swastika) অর্থই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Temple Attacked: আগুন লাগানো হল কালী মন্দিরে! ফের বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মস্থানে হামলা

    Bangladesh Temple Attacked: আগুন লাগানো হল কালী মন্দিরে! ফের বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মস্থানে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা। এবারে ঘটনাস্থল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশের (Bangladesh) ফরিদপুরের একটি মন্দিরে (Bangladesh Temple) আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ক্ষিপ্ত জনতা হামলা চালায় মন্দিরের পাশে নির্মাণ কাজে নিযুক্ত শ্রমিকদের উপর। ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে বাংলাদেশে হিন্দুমন্দিরে আগুন বা ভাংচুর নতুন ঘটনা নয়। দুষ্কৃতীদের লক্ষ্য থাকে হিন্দু মন্দিরগুলিতে। ঘটনায় গোটা হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    মধুখালী উপজেলায় মন্দিরে আগুন (Bangladesh Temple)?

    ফরিদপুরের (Faridpur) মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লী মূলত হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। সেখানে রয়েছে একটি কালী মন্দির (Kali Temple )। মন্দিরের পাশেই রয়েছে একটি প্রাথমিক স্কুল। সেখানেই শৌচাগার নির্মাণের কাজ করছিলেন কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক। স্থানীয়দের দাবি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তাঁরা দেখেন মন্দিরে আগুন (Bangladesh Temple) লেগে গিয়েছে। জানা গেছে, এর পরই কয়েকশ উন্মত্ত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলে থাকা ওই শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। ক্ষুব্ধ জনতার অভিযোগ নির্মাণ কাজে নিযুক্ত ওই দুষ্কৃতীরাই মন্দিরে আগুন লাগিয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে ফরিদপুরের ডিসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, “ওই ঘটনায় (Bangladesh Temple) দুজন শ্রমিক মারা গিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। হামলার পরেই আহতদের নিয়ে আসা হয় ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় ওই দুজনের। এই ঘটনায় হতাহতরা সবাই মধুখালী এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।”

    ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান তপন সাংবাদিকদের বলেন,”খবর (Bangladesh Temple) পেয়েই আমরা সেখানে আসি। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। পরে পুলিশ এবং প্রশাসনের লোকজন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।”

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    কিন্তু ওই মন্দিরে (Bangladesh Temple) কীভাবে আগুন লাগলো? কেউ কী সেখানে আগুন লাগিয়েছিল সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি সেখানের পুলিশ সুপার মোরশেদ আলম। তবে সেখানে যাতে আর নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায় সেদিকে নজর রাখতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত বিজিবি (Border Guard Bangladesh-BGB)। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahavir Jayanti 2024: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    Mahavir Jayanti 2024: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মহাবীর জয়ন্তী। জৈন ধর্মের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উৎসবগুলির মধ্যে একটি হল মহাবীর জয়ন্তী (Mahavir Jayanti 2024)। এই বিশেষ দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন জৈন ধর্মের ধর্ম গুরু মহাবীর। তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই দিনটি পালন করা হয়। তিনি জৈন ধর্মের প্রধান গুরু ছিলেন, তিনিই এই ধর্মের প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে মহাবীর জয়ন্তী পালিত হয়। এই বিশেষ দিনটি জৈন সম্প্রদায়ের মানুষেরা আড়ম্বরের সঙ্গে পালন করে থাকেন।

    কবে মহাবীর জয়ন্তীর তারিখ ও সময়?

    চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশীতে মহাবীর জন্মগ্রহণ করেন। এই বছর তাঁর ২৬২২ তম জন্মদিন উদযাপন করা হবে। পঞ্জিকা অনুসারে এটি ২০ এপ্রিল রাত্রি ১০ টা ৪১ মিনিট শুরু হবে  এবং ২২ এপ্রিল রাত্রি ১ টা ১১ মিনিটে শেষ হবে। অর্থাৎ এবছর ২১ এপ্রিল, রবিবার, মহাবীর জয়ন্তীর উৎসব পালন করা হবে।

    মহাবীরের জীবন

    কথিত আছে যে, ভগবান মহাবীর বিহারের (Bihar) কুন্দলপুরের রাজ ঘরানায় ৫৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শৈশবে তাঁর নাম ছিল বর্ধমান। ৩০ বছর বয়সে তিনি সিংহাসন ত্যাগ করে আধ্যাত্মিকতার পথে হাঁটেন। জৈন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে, ১২ বছরের কঠোর নীরব তপস্যার পর ভগবান মহাবীর (Lord Mahavir) তাঁর ইন্দ্রিয়কে জয় করে ছিলেন। নির্ভীক, সহনশীল এবং অহিংস হওয়ার কারণে তাঁকে মহাবীর নাম দেওয়া হয়েছিল। ৭২ বছর বয়সে তিনি পাওয়াপুরী থেকে মোক্ষলাভ করেন। সাধকদের মধ্যে মহাবীর যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁকে শান্তি, সম্প্রীতি, পবিত্রতা, ধর্ম প্রচারকের একজন বলে মনে করা হতো। মহাবীর ছিলেন জৈন ধর্মের সব থেকে বড় গুরু এবং ২৪ তম সর্বশেষ তীর্থঙ্কর।

    পুজো পদ্ধতি ও নিয়ম-রীতি

    মহাবীর জয়ন্তীর দিন, জৈন ধর্মের (Jainism) লোকেরা প্রভাতফেরি, শোভাযাত্রা বের করেন। তার পরে মহাবীরের মূর্তি সোনা ও রুপোর কলসে অভিষেক করা হয়। এই সময়, জৈন সম্প্রদায়ের গুরু ভগবান মহাবীরের (Mahavir) শিক্ষার কথা বলা হয় এবং সেগুলিকে অনুসরণ করতে শেখানো হয়।

    আরও পড়ুনঃ সনাতন ধর্মের যজ্ঞের আগুনেই জন্ম গণিত-বিজ্ঞান-কলাশাস্ত্রের বহু সূত্রের!

    সত্য ও অহিংসার প্রচারক ছিলেন মহাবীর

    সর্বোপরি মহাবীর জয়ন্তীর (Mahavir Jayanti 2024) উৎসব জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাকে উৎসর্গ করা হয়। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় অহিংসা ও আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার প্রচার করেছিলেন এবং মানুষকে সকল জীবের প্রতি সম্মান করতে শিখিয়েছিলেন। তাঁর দেওয়া সমস্ত শিক্ষা ও মূল্যবোধ জৈন ধর্ম নামক ধর্মের প্রচারে ব্যবহার কোরা হয়েছিল। তিনি সত্য ও অহিংসার মতো বিশেষ শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বকে সঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর অনেক বক্তৃতা দিয়ে মানুষকে সঠিকভাবে পরিচালিত করেছিলেন। জীবনের আধ্যাত্মিক মার্গের পথ তিনি দেখিয়ে ছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chardham Yatra: শেষ হল চারধাম যাত্রা, কত পুণ্যার্থী এলেন দেব দর্শনে?

    Chardham Yatra: শেষ হল চারধাম যাত্রা, কত পুণ্যার্থী এলেন দেব দর্শনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ এপ্রিল বদ্রীনাথ মন্দির খুলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছিল চারধাম যাত্রা (Chardham Yatra)। শেষ হল ১৮ নভেম্বর, শনিবার। এদিনই বন্ধ হয়েছে বদ্রীনাথ ধামের মন্দিরের দরজা। পরিসংখ্যান বলছে, গতবারের তুলনায় এবার চারধাম যাত্রায় শামিল হয়েছিলেন ১০ লাখ বেশি পুণ্যার্থী। সব মিলিয়ে এবার চারধাম দর্শন করেছেন ৫৪.২ লাখ তীর্থযাত্রী।

    কোন ধামে কত তীর্থযাত্রী 

    কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী ও যমুনেত্রী এই চার তীর্থস্থানকে এক সঙ্গে চারধাম বলা হয়। যেহেতু বদ্রীনাথকে মুক্তিনাথ বলা হয়, তাই বদ্রীনাথ ধাম দর্শন করতে হয় সব শেষে। চলতি বছর চারধাম যাত্রায় সব চেয়ে বেশি তীর্থযাত্রী গিয়েছিলেন কেদারনাথে। এখানে এসেছিলেন ১৯.৬ লাখ পুণ্যার্থী। বদ্রীনাথে গিয়েছিলেন ১৮.৩ লাখ। গঙ্গোত্রী দর্শনে গিয়েছিলেন ৯ লাখ। আর সব চেয়ে কম পুণ্যার্থী গিয়েছিলেন যমুনেত্রী দর্শনে। সেখানে গিয়েছিলেন ৭.৩ পুণ্যার্থী।

    চারধাম যাত্রা

    ফি বার লক্ষ লক্ষ মানুষ যান চারধাম যাত্রায়। কেউ পুণ্য অর্জনের আশায়, কেউবা ট্রেকিংয়ের টানে, কেউ আবার আসেন নিছকই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে। কেবল দেশ নয়, বিদেশেরও বহু মানুষ আসেন প্রকৃতির সৌন্দর্যের পাশাপাশি নয়নাভিরাম চার মন্দির দর্শনে। গত বছর চারধাম যাত্রায় গিয়েছিলেন ৪৪.২ লাখ পুণ্যার্থী। অতিমারির জেরে তার আগের দু বছর কাটছাঁট করা হয়েছিল চারধাম (Chardham Yatra) যাত্রায়। তবে ২০১৯ সালে এই যাত্রায় যোগ দিয়েছিলেন ৩২.৪১ লাখ মানুষ।

    আরও পড়ুুন: ইম্ফলের আকাশে ভিনগ্রহের যান? হদিশ পেতে নামল বায়ুসেনার রাফাল বিমান

    পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়, সেজন্য নানা ব্যবস্থা করা হয় প্রশাসনের তরফে। অন্যান্যবারের তুলনায় এবার অবশ্য চারধাম ও হেমকুণ্ড সাহিব যাত্রা সার্কিট মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৪৫ জনের। গত বছর এই সংখ্যাটি ছিল ৩০০। বদ্রী-কেদার টেম্পল কমিটির মিডিয়া ইনচার্জ ডঃ হরিশ গৌর জানান, গত পাঁচ দিন ধরে প্রথা মেনে পঞ্চপুজো হয়েছে। শনিবার ছিল শেষ দিন। এদিন মন্দিরের প্রধান পুরোহিত (স্থানীয় ভাষায় রাওল) রীতি মেনে মহিলাদের পোশাক পরেছিলেন। তার পরেই তিনি মা লক্ষ্মীকে বদ্রীনাথ মন্দিরের পবিত্রতম স্থানে নিয়ে গিয়েছেন। তিনি বলেন, “মা লক্ষ্মীকে কোনও পুরুষ ছোঁবেন না। তাই এদিন প্রধান পুরোহিতকে ধারণ করতে হয় নারী-বেশ।” প্রসঙ্গত, শীতকালে হিমালয়ের প্রতিকূল পরিবেশের জন্য মন্দিরটি বন্ধ থাকে গ্রীষ্ম আসা (Chardham Yatra) পর্যন্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Pond: পুকুরে ডুব দিলেই মনোবাসনা পূরণ, কোলে আসছে সন্তানও! জেনে নিন কোথায় এই “কামনা পুকুর”?

    Pond: পুকুরে ডুব দিলেই মনোবাসনা পূরণ, কোলে আসছে সন্তানও! জেনে নিন কোথায় এই “কামনা পুকুর”?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর।” কিন্তু এখানে বিশ্বাস অন্ধ বিশ্বাস কি না, তা নিয়ে যেমন শিক্ষিত মহলে প্রশ্ন আছে , তেমনি অনেকেরই আবার দাবি, এ আসলে ঠাকুরের অপার মাহাত্ম্য। বাস্তব যাই হোক না কেন, এমনই একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হাবড়ায়। পুকুরে ডুব দিলেই নাকি হচ্ছে মনোবাসনা পূরণ। শুধু তাই নয়, ডুব দিলেই মিলছে চাকরি, অসুস্থ শরীর হচ্ছে সুস্থ, এমনকী মিলছে সন্তানও। এমনটাই নাকি ঘটছে বানিপুরের ইতনা কলোনির এক পুকুরে, স্থানীয়রা যার নাম রেখেছেন “কামনা পুকুর”।  

    স্থানীয়দের কী দাবি এই পুকুর নিয়ে ?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এই পুকুরের জলে নাকি রয়েছে বিশেষ মাহাত্ম্য। এলাকার মানুষজন তাই পুকুরপাড়ে তৈরি করে ফেলেছেন হরিচাঁদ গুরুচাঁদ-এর মন্দির। শুধু তাই নয়, দূর থেকে ঠাকুরবাড়ির পুকুরের ১০১ ঘটি জল এনে শোধনও করেছেন। এই পুকুরের খবর ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। ভক্তরা আসতে শুরু করেন দূরদূরান্ত থেকে, তাদের মনোবাসনা পূরণের জন্য। আবার অনেকের, যাদের চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ কাজ করছে না, তাদের নাকি এই জলে ডুব দিলে শারীরিক সমস্যা দূর হচ্ছে। দীর্ঘদিন সন্তান না হওয়ায় সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল এক গৃহবধূকে। মনের ইচ্ছা নিয়ে এই পুকুরে ডুব দিতেই কয়েক মাসের মধ্যে নাকি চলে আসে সন্তান। সকাল থেকেই ভক্তদের তাই লাইন পড়ছে এই এলাকায়, পুকুর সংলগ্ন হরিচাঁদ গুরুচাঁদ মন্দিরেও পড়ছে লম্বা লাইন। সঙ্গে খিচুড়ি ভোগ প্রসাদ বিতরণ, কাঁসর, ডঙ্কা, নিশান নিয়ে হরিনাম সংকীর্তন। উপস্থিত ছিলেন মতুয়া ভক্ত দলপতি গোসাই পাগল রাও। সব মিলিয়ে স্নান ঘিরে যেন উৎসবের মেজাজ গোটা এলাকায়।

    শুনুন, এক বৃদ্ধা কী বলছেন

    এখানেই দেখা হয়েছিল এক বৃদ্ধার সঙ্গে। নাতির পায়ে এতই যন্ত্রণা যে তারা কেউই রাতে ঘুমাতে পারতেন না। তাই তিনি এখানের শরণাপন্ন হলেন। নাতির রোগ সারলে এক মন চাল মানসিক হিসেবে দেব বলেছিলেন। তিনি এসেছিলেন সেই মানসিক দিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Venkaiah Naidu: ভারতীয় সংস্কৃতি কোনও ধর্মকেই অপমান করে না, সাফ জানালেন উপরাষ্ট্রপতি 

    Venkaiah Naidu: ভারতীয় সংস্কৃতি কোনও ধর্মকেই অপমান করে না, সাফ জানালেন উপরাষ্ট্রপতি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংস্কৃতি (Indian Culture) কোনও ধর্মকেই (Religion) অপমান করে না। শুক্রবার বিজয়ওয়াড়ায় একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বলেন উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) বেঙ্কাইয়া নাইডু (Venkaiah Naidu)। ওই অনুষ্ঠানে দেশের শান্তি এবং ঐক্যের ওপর আঘাত হানতে পারে, এমন শক্তি সম্পর্কে জনগণকে সতর্কও করে দেন তিনি। যে সব শক্তি ভারতের সংহতি বিনষ্ট করতে চাইছে, তাদের সম্পর্কে জণগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাকও দেন উপরাষ্ট্রপতি।

    সম্প্রতি হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দেশজুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ প্রদর্শন। তার আগেই অবশ্য নূপুরকে সাসপেন্ড করে পদ্ম শিবির। তার পরেও অশান্তি ছড়ায় একদল মানুষ। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে। কোথাও আগুন লাগানো হয়েছে বিজেপির পার্টি অফিসে। ঘটনার ঢের আগেই সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, নূপুরের মন্তব্য নিছকই ব্যক্তিগত, সরকারের বক্তব্য নয়। তার পরেও তাণ্ডব চলেছে দেশজুড়ে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই এদিন এমন মন্তব্য করেন উপরাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, অন্যের সংস্কৃতি, ধর্ম কিংবা ভাষাকে অপমান করা ভারতীয় সংস্কৃতি নয়। বেঙ্কাইয়া বলেন, ভারতীয় সংস্কৃতির মূল্যবোধ সমস্ত সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং সহবত পোষণ শেখায়। বিশ্বের দরবারে ভারতের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা চলছে বলেও মনে করিয়ে দেন উপরাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্র ও বহুত্ববাদের মূল্যবোধ গোটা বিশ্বের সামনেই একটা মডেল।

    আরও পড়ুন : কে হবেন উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী? শনিবার বৈঠকে বিজেপি

    এদিনের অনুষ্ঠানে বেঙ্কাইয়া বলেন, এখন দেশজুড়ে চলছে আজাদি কি অমৃত মহোৎসব। এই মহোৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয় স্বাধীনতা পেতে গিয়ে বলিদান দিতে হয়েছে কত প্রাণ! তরুণ প্রজন্মের সামনে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদান তুলে ধরার আহ্বানও জানান তিনি। উপরাষ্ট্রপতি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে লড়াই করতে হবে দারিদ্র, নিরক্ষরতা, সামাজিক বৈষম্য এবং মহিলাদের ওপর অত্যাচারে বিরুদ্ধে। এটা করতে পারলেই দেশের জন্য যাঁরা প্রাণ বলিদান দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি যথাযোগ্য শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হবে। গ্রামের সঙ্গে শহরের বিভাজন, সমাজে শ্রেণি বিভাজন এবং লিঙ্গ বৈষম্য দেশকে দুর্বল করে দেয় বলেও মনে করিয়ে দেন উপরাষ্ট্রপতি।

    আরও পড়ুন : প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি পাক চরকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন! বিস্ফোরক দাবি

     

LinkedIn
Share