Tag: Religious Identity

  • Suvendu Adhikari: ‘শারদোৎসব’ নয়, এবার থেকে লিখতে হবে ‘দুর্গাপুজো’, স্টলে নাম বদলের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: ‘শারদোৎসব’ নয়, এবার থেকে লিখতে হবে ‘দুর্গাপুজো’, স্টলে নাম বদলের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর ‘শারদোৎসব’ নয়, এবার থেকে ‘দুর্গাপুজো’ (Durga Puja) বলা ও লেখার উপরেই জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দুর্গাপুজোর পরিবর্তে কোনও পুজোর স্টলে ‘শারদোৎসব’ লেখা থাকলে তা বাতিল করার নির্দেশ দেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুজোর নামকরণ নিয়ে এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী।

    শুভেন্দু বলেন, দুর্গাপুজোয় ‘পুজো’ শব্দটি এড়িয়ে তথাকথিত বামপন্থীরা যদি কোনও স্টল করেন এবং সেখানে ‘শারদোৎসব’ লেখা থাকে, তা বাতিল করা হবে। পুজো উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দুর্গাপুজোকে দুর্গাপুজোই বলতে হবে। ‘শারদোৎসব’ লেখা থাকলে সেই স্টল বাতিল করা হবে।”

    বৈষম্য বরদাস্ত নয় (Suvendu Adhikari)

    এদিন বিধানসভায় নিজের বক্তব্যে বারবার দুর্গাপুজোর প্রসঙ্গ উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। দুর্গাপুজোকে ‘সার্বজনীন উৎসব’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, পুজোর আয়োজনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের বৈষম্য বরদাস্ত করা হবে না।

    রাজনৈতিক বিক্ষোভ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করেও একাধিক মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, কোনও পরিস্থিতিতেই ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কোনও সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে নিশানা করা উচিত নয়।

    বিক্ষোভ বা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পুলিশই পালন করবে বলেও জানান তিনি। জনপ্রতিনিধিদের হাতে লাঠি নিয়ে রাস্তায় নামার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পুলিশের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি রাস্তায় নেমে পড়ার প্রয়োজন নেই।

    ‘হিংসা ছড়াবেন না’

    অতীতের কয়েকটি আন্দোলন ও সংঘর্ষের প্রসঙ্গও এদিনের বক্তব্যে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তার জেরে হিংসা বা উত্তেজনা ছড়ানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার বার্তাও দেন (Suvendu Adhikari)।

    ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে নিশানা করার অভিযোগ নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কেউ গেরুয়া পোশাক পরলে, মাথায় শিখা রাখলে কিংবা ধর্মীয় মালা পরলে তাঁকে আলাদা করে নিশানা করা যাবে না। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা অন্য যে কোনও ধর্মের মানুষকে নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    বক্তব্যের শেষাংশে দুর্গাপুজোর বিভিন্ন কমিটির (Durga Puja) উদ্দেশে পুজোর আয়োজন এবং সরকারি সহায়তার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Netflix: “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আদালতে জানাল নেটফ্লিক্স

    Netflix: “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আদালতে জানাল নেটফ্লিক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত আসন্ন চলচ্চিত্র “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টে জানাল নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়া। শিরোনামটি ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চলচ্চিত্রটির মুক্তি স্থগিতের দাবিতে দায়ের করা এক আবেদনের শুনানির সময় বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার কৌরবের বেঞ্চে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। আবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে ছবির শিরোনামটি “অপমানজনক” এবং “মানহানিকর”।

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের বিবৃতি (Netflix)

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতি নথিভুক্ত করে আদালত উল্লেখ করে যে প্রযোজক উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সচেতনভাবে ছবির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিচারপতি কৌরব তাঁর আদেশে বলেন, “উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে প্রযোজক সচেতন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ‘ঘুষখোর পণ্ডত’ নামটি পরিবর্তন করে এমন একটি বিকল্প শিরোনাম রাখা হবে, যা ছবির কাহিনি ও উদ্দেশ্যকে আরও যথাযথভাবে প্রতিফলিত করবে।” নেটফ্লিক্সের পক্ষে উপস্থিত সিনিয়র আইনজীবী আদালতকে জানান, ছবিটি একটি কাল্পনিক পুলিশ-ভিত্তিক নাটক এবং বর্তমানে সম্পাদনার পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “শিরোনাম ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা অনিচ্ছাকৃত বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে, যা ছবির প্রকৃত বিষয়বস্তু বা উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।” আদালতকে আরও জানানো হয় যে আগের শিরোনাম বহনকারী সমস্ত প্রচারসামগ্রী ইতিমধ্যেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

    নাম পরিবর্তনের আশ্বাস

    নেটফ্লিক্স নাম পরিবর্তনের আশ্বাস দেওয়ায় দিল্লি হাইকোর্ট মামলাটি নিষ্পত্তি করে জানায়, এ বিষয়ে আর কোনও সিদ্ধান্তের প্রয়োজন নেই। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন নীরজ পাণ্ডে। চলতি মাসের শুরুতে ছবিটির কথা ঘোষণা করা হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এটি সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় তোলে। একাধিক ব্যবহারকারী শিরোনামটিকে জাতিগত বিদ্বেষমূলক ও অপমানজনক বলে আখ্যা দেন। তাঁদের অভিযোগ, এটি অন্যায়ভাবে একটি ধর্মীয় পরিচয়কে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত করেছে। “ঘুষখোর” শব্দের অর্থ ‘ঘুষ গ্রহণকারী’। সমালোচকদের মতে, এটি “পণ্ডত” (হিন্দু পুরোহিতদের সঙ্গে সম্পর্কিত) শব্দের সঙ্গে যুক্ত করা অবমাননাকর।

    উত্তরপ্রদেশে ছবির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টে আবেদনকারী মহেন্দ্র চতুর্বেদী, যিনি নিজেকে একজন ‘আচার্য’ হিসেবে পরিচয় দেন, দাবি করেন যে “পণ্ডত” শব্দটিকে ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে বিদ্বেষপূর্ণভাবে যুক্ত করা তাঁর সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। আবেদনে বলা হয়, এই শিরোনাম ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতি অবমাননা এবং সৃজনশীল স্বাধীনতার অধিকার মানহানিকর উপস্থাপনার পর্যায়ে পৌঁছতে পারে না। নেটফ্লিক্স শিরোনাম পরিবর্তনে রাজি হওয়ায় দিল্লি হাইকোর্টে চলা আইনি চ্যালেঞ্জের অবসান ঘটেছে।

     

LinkedIn
Share