Tag: rent house

rent house

  • Kancha Badam song: কাঁচা বাদাম গান খ্যাত ভুবন বাদ্যকরের একী অবস্থা! জানলে চমকে উঠবেন

    Kancha Badam song: কাঁচা বাদাম গান খ্যাত ভুবন বাদ্যকরের একী অবস্থা! জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ কাঁচা বাদাম কাকুর কথা মনে আছে। ভুবন বাদ্যকর। বীরভূমের দুবরাজপুরের কুড়ালজুড়ি গ্রামে তাঁর বাড়ি। কাঁচা বাদাম গান (Kancha Badam Song) গেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে রাতারাতি তিনি জগত্ বিখ্যাত হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর গান কচিকাঁচা থেকে সেলেব্রিটি সকলের মন জয় করে নিয়েছিল। দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতেও তাঁর গান সমানতালে সমাদৃত হয়েছে। সাউথ থেকে টলিউড কিংবা বলিউডের স্টারদের সঙ্গে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। আর্থিক দুরাবস্থা কাটাতে অনেকেই তাঁকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এক চিলতে ঘরে থাকা বাদাম ফেরি করা ভুবনবাবু গ্রামের বাড়িতে হাঁকিয়েছেন আস্ত একটি অট্টালিকা। স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে সেখানে সুখে দিন কাটানোর স্বপ্ন ছিল তাঁর। কিন্তু, কথায় বলে সবার নাকি সুখ সই না। বাদামকাকুর সুখও বেশিদিন সইনি। গ্রামের অট্টালিকা ছেড়ে তিনি দুবরাজপুরে ভাড়া বাড়িতে রয়েছেন।

    নিজের বাড়ি ছেড়ে বাদাম কাকু ভাড়া বাড়িতে রয়েছেন কেন? Kancha Badam Song

    এমনিতে তাঁর অজান্তেই বাদাম গানের (Kancha Badam Song) কপিরাইট অন্যজনের রয়েছে। তাই, কাঁচা বাদাম নিয়ে গান (Kancha Badam Song) গাইলে কপিরাইটের বেড়াজালে তিনি আটকে পড়ছেন। আর এই আইনি জটিলতায় তিনি বাদাম নিয়ে কোনও গানও লিখতে পারছেন না। ফলে, তাঁর সৃষ্টি কাঁচা বাদাম গানের (Kancha Badam Song) রয়্যালটি তিনি পাচ্ছেন না। এক সময় গ্রামের এক চিলতে ঘর তাঁর ঠিকানা ছিল। তাঁর দিকে কেউ ফিরেও তাকাতো না। সেখান থেকে তাঁর অট্টালিকা তৈরি করা,  গ্রামের সকলের নজর কেড়েছিল। তাই, গ্রামের ছোট-বড় কোনও অনুষ্ঠান হলেই সেলেব্রিটি বাদাম কাকুর কাছে মোটা টাকা চাঁদা চাওয়া হত। সেই টাকা দিতে না পারলে জোর করে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হত বলে অভিযোগ। ফলে, গ্রামের একাংশের জুলুমবাজিতে তিনি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। শান্তিতে থাকার জন্যই নিজের অট্টালিকায় তালা ঝুলিয়ে দুবরাজপুর গার্লস স্কুলের কাছে একটি দোতলা বাড়িতে ঘর ভাড়া নিয়েছেন তিনি। রোজগার নেই বললেই চলে। স্ত্রীর সঙ্গে রান্না করতেও তাঁকে দেখা গিয়েছে। ভুবনবাবু বলেন, আগের মতো আর ফেরি করতে পারি না। ছেলে সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁর রোজগারের টাকায় সংসার চলছে আমাদের। নিজের বাড়িতে সুখে থাকব ভেবেছিলাম। সেটাও কপালে সইল না। আর ঘর ভাড়াও অনেক টাকা। তাই, কতদিন ভাড়া বাড়িতে থাকতে পারব না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। তাঁর কোনও এক নতুন গান নেটিজেনদের হৃদয় স্পর্শ করতে পারে। সেই  অপেক্ষায় দিন গুনছেন বাদাম কাকু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিয়ে ‘সেবাকেন্দ্র’ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিয়ে ‘সেবাকেন্দ্র’ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে এবার ঘরভাড়া নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অবশ্য বক্তব্য ওটা ‘সেবাকেন্দ্র’। এলাকায় মানুষের বক্তব্য, “আমাদের অভাব, অভিযোগ এবং সমস্যার কথা জানাবো ওই কেন্দ্রে।” তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারে জনজীবন বিপন্ন সন্দেশখালির মানুষের। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ তীব্র হয়েছে। এবার মানুষের এই আন্দোলনের রাশকে ধরে রাখতে এই ঘর ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য সন্দেশখালির যে যে মানুষের জমি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে সেই জমিকে ফেরানোর কাজ শুরু করেছে তৃণমূল প্রশাসন। তাই লোকসভা ভোটের আবহে বিরোধী দলনেতা তিন মাস ঘর ভাড়া নিয়ে এলাকায় থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। এই এলাকায় এখন বিজেপির সংগঠনকে মজবুত করাই একমাত্র লক্ষ্য।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    সন্দেশখালির স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, “শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আমাদের প্রতিবেশী হলে আমরা খুব খুশি হবো। আমাদের আতঙ্ক অনেকটাই কম হবে। আমাদের সকল সুবিধা অসুবিধার কথা তাঁকে জানাতে পারব। তাঁর এই পদক্ষেপ শুনে আমরা অনেকটাই আশ্বস্ত হয়েছি।” জানা গিয়েছে এই এলাকার পুকুরপাড়া এলাকায় থাকবেন শুভেন্দু। আবার সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল বলেন, “সন্দেশখালির মাটিতে বিজেপিকে আরও শক্তিশালী করতে শুভেন্দু অধিকারী এই পরিকল্পনা নিয়েছেন। আমরা তিন মাসের জন্য বাড়িটি নিচ্ছি।”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    সন্দেশখালিতে ঘরভাড়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “ওখানে বাদল দাসের বাড়িতে সেবাকেন্দ্র করা হয়েছে। আমরা ভাড়া নিয়েছি। নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকা এবং তাঁদের আইনি সহযোগিতা করার জন্য এই সেবাকেন্দ্র খোলা হয়েছে।” অপর দিকে ঘর ভাড়া নিয়ে আদি তৃণমূল নেতা বাদল দাস বলেন, “আমি এক সময় এলাকায় তৃণমূল করতাম। সেই সঙ্গে একটি ভয় কাজ করছে। তবে এখন আমরা ভয়কে জয় করেছি। আমাদের একটাই সুর ছিল, পার্টি যে যাই করি, আন্দোলন সবাইকার। আমি এলাকার মানুষের চাহিদা বুঝে বাড়ি ভাড়া দিচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share