Tag: Report

Report

  • Epstein Files: আমেরিকায় কেলেঙ্কারি! তালিকায় বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালীর নাম

    Epstein Files: আমেরিকায় কেলেঙ্কারি! তালিকায় বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালীর নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) বিচার বিভাগের জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত নথিপত্রের (Epstein Files) একটি অংশ। তার জেরেই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে মার্কিন মুলুকে। ওই নথিগুলোতে মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে বলে খবর।

    যৌন অপরাধে দণ্ডিত (Epstein Files)

    এপস্টাইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টে যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২ হাজারেরও বেশি ভিডিও এবং প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি প্রকাশ করেছে। এই উপকরণগুলির মধ্যে যৌন নির্যাতনের শিকারদের সাক্ষাৎকার এবং বিপুল সংখ্যক ই-মেইল যোগাযোগও রয়েছে। প্রকাশিত কিছু নথিতে ‘জর্জ বুশ ১’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। তবে এখানে নামটি আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশকেই নির্দেশ করছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এপস্টাইনের ব্যক্তিগত লগবুকে বুশের নাম পাওয়া যায়নি। তবে এপস্টাইনের এক ভুক্তভোগী নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের চাইল্ড এক্সপ্লয়টেশন ডিটেকটিভ ব্যুরোয় দায়ের করা অভিযোগে এই নামটি উল্লেখ করেছিলেন। বিল গেটসের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি এপস্টাইনের ১৮ জুলাই, ২০১৩ তারিখের খসড়া বার্তায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ওই বার্তাগুলির কিছু অংশে গেটসের তৎকালীন উপদেষ্টা বরিস নিকোলিকের কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা ছিল।

    এপস্টাইনের দাবি

    একটি খসড়া বার্তায় এপস্টাইন দাবি করেন, গেটস ‘রুশ মেয়েদের’ সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন এবং এতে তিনি যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হন। এপস্টাইনের অভিযোগ, গেটস নাকি অনুরোধ করেছিলেন যাতে গোপনে তাঁর তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। এপস্টাইন আরও দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ই-মেইলগুলি মুছে ফেলতে গেটস তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন। একই খসড়া বার্তায় এপস্টাইন গেটসের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিন্ন হওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় তিনি অকল্পনীয়ভাবে হতাশ হয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। বার্তায় এপস্টাইন (Epstein Files) লিখেছিলেন, “কাটা ঘায়ে নুন ছেটানোর মতো তুমি এরপর আমায় অনুরোধ করো তোমার যৌনরোগ সংক্রান্ত ই-মেইলগুলি, মেলিন্ডাকে গোপনে দেওয়ার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক চাওয়ার বিষয়টি এবং তোমার যৌনাঙ্গের বর্ণনা সংক্রান্ত লেখাগুলি মুছে ফেলতে।” এর আগে বিচার বিভাগ প্রকাশিত এপস্টাইন-সংক্রান্ত একাধিক ছবিতে বিভিন্ন স্থানে এপস্টাইনের সঙ্গে বিল গেটসকে দেখা গিয়েছিল। তবে এপস্টাইনের আনা সব অভিযোগই বিল গেটস সরাসরি অস্বীকার করেন।

    মুখপাত্রের বক্তব্য

    সংবাদ মাধ্যমে গেটসের এক মুখপাত্র বলেন, “এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ অবাস্তব ও ভিত্তিহীন। এই নথিগুলি কেবল এটুকুই প্রমাণ করে যে গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক চালু না থাকায় এপস্টাইন কতটা হতাশ ছিলেন এবং কীভাবে তিনি ফাঁদ পেতে অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করতেন।” এপস্টাইনের এক ভুক্তভোগীর বিবরণ সংবলিত একটি ই-মেইলে লেখা রয়েছে, “ধন্যবাদ এম, আমি বুঝতে পারিনি বুশও তাকে ধর্ষণ করেছিল। ঠিক আছে।” ওই নথিতে ভুক্তভোগী সম্পর্কে আরও বলা হয়, “এই ইয়টে থাকার সময় সে দেখতে পেয়েছিল আফ্রিকান-আমেরিকান পুরুষরা শ্বেতাঙ্গ স্বর্ণকেশী নারীদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত ছিল, এবং যৌনক্রিয়ার সময় সবাই রক্তাক্ত হচ্ছিল (US)।” নথিতে আরও বলা হয়, “সে এক ধরনের আচারভিত্তিক বলিদানের শিকার হয়েছিল, যেখানে তার পা তরবারি দিয়ে কাটা হয়, যদিও কোনো স্থায়ী দাগ ছিল না। ইয়টে সে শিশুদের খণ্ডবিখণ্ড করা, তাদের নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলা এবং সেই নাড়িভুঁড়ির মল খাওয়ার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে।”

    ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ

    নথিতে আরও দাবি করা হয় যে ‘জর্জ বুশ ১’ ওই ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেছিলেন। “সে জর্জ বুশ ১-এর দ্বারাও ধর্ষিত হয়েছিল,” নথিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও বলা হয়, “ভুক্তভোগী জানান, ট্রু পণ্ডিতের প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল মুর তাঁকে এফবিআই ভবনে নিয়ে যান। বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে ট্রু পণ্ডিতকে একটি ষড়যন্ত্রতত্ত্বনির্ভর সংবাদমাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা এফবিআইকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে (Epstein Files)।” আর এক পুরুষ ভুক্তভোগীর বয়ানে বলা হয়েছে, ২০০০ সালে একটি বড় ইয়টে তাঁকে এপস্টাইন এবং প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। ভুক্তভোগী জানান, ওই সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়াও ইয়টে উপস্থিত ছিলেন (US)। তবে ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন এবং দীর্ঘদিন থেরাপি নেওয়ার পর ২০১৬ সালে এসব স্মৃতি তাঁর মনে ফিরে আসে। ২০১৯ সালের অগাস্টে এফবিআই পরিচালিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব তথ্য দেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ডিসেম্বরে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চাপ এবং কংগ্রেসে পাস হওয়া নতুন আইনের নির্ধারিত আইনি সময়সীমার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার বিভাগ এপস্টাইন ফাইলস প্রকাশ করে (Epstein Files)।

     

  • UPI: ইউপিআই বিশ্বের সব চেয়ে বড় খুচরো ফাস্টপেমেন্ট ব্যবস্থা, বলছে আইএমএফ

    UPI: ইউপিআই বিশ্বের সব চেয়ে বড় খুচরো ফাস্টপেমেন্ট ব্যবস্থা, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই (ইউনিফাইড পেমেন্টস ইন্টারফেস) (UPI) বিশ্বের সব চেয়ে বড় খুচরো ফাস্টপেমেন্ট ব্যবস্থা। আইএমএফ (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) (IMF Report) ২০২৫ সালের ‘গ্রোয়িং রিটেল ডিজিটাল পেমেন্টসে’র রিপোর্টেই এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের এসিআই ওয়ার্ল্ডওয়াইডের রিপোর্ট “প্রাইম টাইম ফর রিয়েল-টাইম” উল্লেখ করেছে যে, ইউপিআই বিশ্বব্যাপী রিয়েল-টাইম পেমেন্ট লেনদেনের প্রায় ৪৯ শতাংশ পরিচালনা করে। এটিই এর বিশ্বব্যাপী দ্রুত-পরিশোধ ব্যবস্থার শীর্ষে অবস্থান নিশ্চিত করে।

    আন্তর্জাতিক রিয়েল-টাইম পেমেন্ট (UPI)

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, আন্তর্জাতিক রিয়েল-টাইম পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলির অবস্থা। ব্রাজিলের লেনদেন ৩৭.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ১৪ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে থাইল্যান্ড, লেনদেনের পরিমাণ ২০.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, শতাংশের বিচারে ৮। চতুর্থ স্থানে রয়েছে চিন, লেনদেনের পরিমাণ ১৭.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, শতাংশের হিসেবে ৬। দক্ষিণ কোরিয়ার লেনদেনের পরিমাণ ৯.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, শতাংশের হিসেবে ৩। বিশ্বের আর বাকি দেশগুলির লেনদেনের পরিমাণ ২০ শতাংশ।

    ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার

    ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইউপিআই-সহ ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়াতে ভারত সরকার, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) এবং ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এই পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে কম-মূল্যের বিএইচআইএম-ইউপিআই লেনদেনকে উৎসাহিত করার জন্য ইনসেনটিভ প্রোগ্রাম, এবং পেমেন্টস ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (PIDF), যা ব্যাঙ্ক এবং ফিনটেক কোম্পানিগুলিকে অনুদান দেয় (IMF Report)। চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পিআইডিএফের আওতায় এই অঞ্চলে প্রায় ৫.৪৫ কোটি ডিজিটাল টাচপয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের হিসেবে, মোট ৫৬.৮৬ কোটি কিউআর কোড প্রায় ৬.৫ কোটি ব্যবসায়ীর মধ্যে বিলি করা হয়েছে (UPI)।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী লোকসভার এক প্রশ্নের উত্তরে জানান, ‘প্রাইম টাইম ফর রিয়েল-টাইম’ ২০২৪ শীর্ষক এসিআই ওয়ার্ল্ডওয়াইডের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউপিআই বিশ্বব্যাপী রিয়েল-টাইম পেমেন্ট সিস্টেমের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে, যার বাজার অংশীদারিত্ব ৪৯ শতাংশ এবং লেনদেনের পরিমাণ ১২৯.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রসঙ্গত, ইউপিআই হল ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন দ্বারা তৈরি একটি তাৎক্ষণিক রিয়েল টাইম পেমেন্ট সিস্টেম, যা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে সহজে ও দ্রুত টাকা লেনদেন করতে সাহায্য করে (IMF Report)। এটি আরবিআই দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং আইএমপিএস কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি এবং ব্যক্তি থেকে মার্চেন্ট লেনদেন সম্ভব করে তোলে। এর মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান বা ইউপিআই আইডি ব্যবহার করে লেনদেন করা যায়। বর্তমানে ইন্টারনেট ছাড়াও বা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতেও এটি ব্যবহার করা যাচ্ছে(UPI)  ।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের সব চেয়ে জনপ্রিয় ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম হল ইউপিআই। ২০১৬ সালে এনপিসিআই এই প্রযুক্তি চালু করে। ইউপিআইয়ের বৈশিষ্ট্য হল, এটি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এবং পেমেন্ট অ্যাপগুলিকেত একটি একক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে, যার ফলে লেনদেন অত্যন্ত সহজ।

  • World Bank Report: পাকিস্তানে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিম্নগামী, বলছে বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্ট

    World Bank Report: পাকিস্তানে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিম্নগামী, বলছে বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতদৃষ্টিতে এক ঝলক দেখলে মনে হবে সব ঠিক আছে। কারণ শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী, সরকার আইএমএফ সমর্থিত সংস্কারের ঢাক পেটাচ্ছে (World Bank Report)। পাকিস্তানের এই ঝাঁ চকচকে ছবিটাই ধূলিমলিন হয়ে গেল বিশ্বব্যাঙ্কের সর্বশেষ মূল্যায়নের রিপোর্টে। জানা গিয়েছে, শাহবাজ শরিফের দেশে নিত্য বাড়ছে দারিদ্র ও বৈষম্য, যা প্রভাবিত করছে লাখ লাখ পরিবারকে।

    দারিদ্র্য ও স্থিতিস্থাপকতা বিষয়ক রিপোর্ট (World Bank Report)

    বিশ্বব্যাঙ্কের দারিদ্র্য ও স্থিতিস্থাপকতা বিষয়ক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ম্যাক্রো ইকোনোমিক স্থিতিশীলতা থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিম্নগামী হয়েছে। দারিদ্র্যের হার, যা ২০০১ সালে ৬০ শতাংশের বেশি থেকে ২০১৮ সালে প্রায় ২১ শতাংশে নেমে এসেছিল, তা ফের ২০২৩–২৪ সালের মধ্যে বেড়ে হয়েছে ২৭ শতাংশেরও বেশি। নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মানদণ্ডে বিচার করলে দেখা যায়, বর্তমানে পাকিস্তানের প্রায় অর্ধেক জনগণ দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করছে। রিপোর্টটি আঞ্চলিক বৈষম্যের দিকেও আলোকপাত করেছে। পাকিস্তানের গ্রামীণ এলাকাগুলি, বিশেষত বালুচিস্তান ও সিন্ধ প্রদেশ, ইসলামাবাদ ও লাহোরের মতো শহরের তুলনায় নিদারুণভাবে বঞ্চনার শিকার। অপুষ্টি ছড়িয়ে রয়েছে কমবেশি সর্বত্র। পাঁচ বছরের নীচে প্রায় ৪০ শতাংশ শিশুই খর্বাকৃতির সমস্যায় ভুগছে। শিক্ষা ব্যবস্থার হাল করুণ হওয়ায় অসংখ্য তরুণ-তরুণী উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের জন্য যথাযথভাবে প্রস্তুত নয় (World Bank Report)।

    পাকিস্তানের শ্রমবাজার

    পাকিস্তানের শ্রমবাজারও পরিকাঠামোগত দুর্বলতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। দেশটির প্রায় ৮৫ শতাংশ শ্রমিক কাজ করেন ইনফর্মাল খাতে। এখানে কোনও চুক্তি, সুযোগ-সুবিধা বা সামাজিক সুরক্ষা নেই। মহিলা শ্রমিকরা এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। সামান্য আয় কমে যাওয়াও স্থবির মজুরি ও মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে লাখ লাখ মানুষকে আরও গভীর দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিতে পারে।আইএমএফ-সমর্থিত সংস্কারগুলি ম্যাক্রো ইকনোমিক স্থিতিশীলতা এনেছে বটে, কিন্তু এই উন্নতির বাস্তব সুফল এখনও পৌঁছয়নি সাধারণ মানুষের কাছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও সতর্ক রয়েছেন। কারণ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল। প্রশাসনিক অদক্ষতার কারণেও অনেকেই তাঁদের কার্যকলাপ সীমিত করে ফেলেছেন।

    এদিকে, বিশ্বব্যাঙ্ক চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ২০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৬.৫ শতাংশ করেছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ভারতের শক্তিশালী ভোগব্যয় বৃদ্ধি এবং বিশ্বের দ্রুততম প্রবৃদ্ধিসম্পন্ন প্রধান অর্থনীতি হিসেবে ভারতের অবস্থান। এই রিপোর্টই দুই প্রতিবেশী দেশের অর্থনৈতিক গতিপথের পার্থক্যকে স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে (World Bank Report)।

  • RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড হল তথ্য জানার অধিকার আইন, সংক্ষেপে আরটিআই (RTI)। চলতি মাসে ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে এই আইন। এই সময়ই আইনটিকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার আরটিআইকে দুর্বল করে দিচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করছে এবং স্বচ্ছতাকে ফেলছে হুমকির মুখে। রাহুলের এহেন মন্তব্যের জোরালো জবাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন তুলে ধরে তারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, আরটিআই এখন আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯৫ শতাংশ মামলারই নিষ্পত্তি হচ্ছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

    কংগ্রেসের অভিযোগ (RTI)

    কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “মোদি সরকার ধীরে ধীরে আরটিআই আইনকে ফাঁপা করে দিচ্ছে।” তাঁর অভিযোগ, নয়া আইনগুলি, যেমন ডেটা প্রোটেকশন আইন, সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য প্রকাশে বাধা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশের দাবি, সরকার আরটিআইয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতা এড়িয়ে যাচ্ছে। এই মামলাগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির বিস্তারিত তথ্যের দাবি, ভুয়ো রেশন কার্ড সংক্রান্ত অভিযোগ, রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি, নোটবন্দি নীতি এবং বাতিল হওয়া ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প। তাঁর বক্তব্য, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য গোপন করছে এবং আরটিআই ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে। কংগ্রেসের বক্তব্য হল, সরকার এই বিষয়গুলিতে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ভয় পেয়ে ২০১৯ সালে আরটিআইয়ে একটি সংশোধনী পাশ করে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে দুর্বল করা হয়েছে। কারণ এতে সরকারকে কমিশনারদের বেতন ও মেয়াদের ওপর বেশি নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে, যা কমিশনের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলল কেন্দ্র

    কংগ্রেসের এহেন ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের প্রতিবেদন এবং সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের দেওয়া তথ্য কংগ্রেসের দাবির উল্টো ছবিই তুলে ধরেছে। এই সংখ্যাগুলি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আরটিআই ব্যবস্থার কার্যকারিতায় নাটকীয় উন্নতি নির্দেশ করছে। উদাহরণস্বরূপ, মামলার নিষ্পত্তির হার আগের ইউপিএ সরকারের সময় ছিল ৮১ শতাংশ। সেটা এখন হয়েছে ৯৪ শতাংশেরও বেশি। এই উচ্চ হার বজায় ছিল কোভিড-১৯ অতিমারির কঠিন সময়েও (RTI)।

    চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল মোদি সরকার

    এহ বাহ্য। আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় হতাশার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় মুলতবি মামলার জট। বর্তমানে এই জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় অর্ধেক (PM Modi) হয়েছে। ২০২০-২১ সালে সিআইসিতে মুলতবি মামলার সংখ্যা ছিল ৩৮ হাজার ১১৬টি। ২০২৩-২৪ সালে এটাই কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৯ হাজার ২৩৩টিতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ব্যবস্থাটির প্রতি জনসাধারণের আস্থা এখন পৌঁছেছে সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১৭.৫ লাখেরও বেশি আরটিআই আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এটি এক দশক আগের সংখ্যার দ্বিগুণ। এ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, আরও বেশি নাগরিক এখন মনে করছেন আরটিআই একটি কার্যকরী হাতিয়ার এবং তাঁরা আত্মবিশ্বাসী যে এর মাধ্যমে তাঁরা সঠিক উত্তর পাবেন (RTI)।

    চোখধাঁধানো সাফল্যের সূত্র

    প্রশ্ন হল, কীভাবে মিলল এহেন চোখধাঁধানো সাফল্য? সরকারি সূত্রে খবর, সব চেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টাল চালুর মাধ্যমে। এখন দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে নাগরিকরা ২৪ ঘণ্টা আরটিআই আবেদন জমা দিতে পারেন। এতে একদিকে যেমন কাগজপত্রের ঝামেলা দূর হয়েছে, তেমনি অন্যদিকে প্রক্রিয়াটি হয়েছে অত্যন্ত সহজ। অনলাইন ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী যে, অতিমারির সময় দেশজুড়ে পূর্ণ লকডাউন থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাজ একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। দ্বিতীয়ত, সিআইসি চালু করেছে হাইব্রিড শুনানির ব্যবস্থা (PM Modi)। এর মাধ্যমে আবেদনকারী ও সরকারি আধিকারিকরা অডিও এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারেন (RTI)। ফলে কমিশন প্রতিদিন আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারছে। তৃতীয়ত, সরকার আরটিআই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। প্রথম আপিলের জন্য ৩০ দিনের এবং দ্বিতীয় আপিলের জন্য ৪৫ দিনের সীমা নির্ধারিত রয়েছে। কোনও আধিকারিক তথ্য দিতে দেরি করলে তাঁর জরিমানা হতে পারে।

    সর্বোপরি রয়েছে সিআইসির বাজেট বৃদ্ধি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এটি পৌঁছেছে ১২০ কোটি টাকায়। সরকার সময় মতো কমিশনারদের শূন্যপদ পূরণের দিকেও সচেষ্ট রয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি সর্বদা পূর্ণ শক্তি নিয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে। আরটিআইয়ের ধরন বিশ্লেষণ করতে এবং ভুয়ো বা পুনরাবৃত্তি হওয়া আবেদন (PM Modi) দ্রুত বাছাই করতে সিআইসি এখন এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও শুরু করেছে। সব মিলিয়েই এসেছে সাফল্য (RTI)।

LinkedIn
Share