Tag: Republic Day Celebrations

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান তুলে গ্রেফতার হলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) সুপৌলের অভুয়ার হাইস্কুলে। ধৃত শিক্ষকের নাম মনসুর আলম। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের দিয়ে তিনি ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তুলিয়েছিলেন। এমনকী তিনি নাকি দাবি করেন, পাকিস্তান হল ‘জন্নত’। পরে স্কুলের হেডমাস্টারের অভিযোগের ভিত্তিতে মনসুরকে গ্রেফতার করে।

    কী ঘটেছিল সুপৌলের স্কুলে

    প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে স্কুলের অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত গাইছিল পড়ুয়ারা। এরপরে মনসুর আলম ‘মহম্মদ জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তোলেন। তাঁকে অনুসরণ করে পড়ুয়ারাও সেই স্লোগান তোলেন। অনুষ্ঠানের সময় স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকরা সেই ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েন। এরপর স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানান তাঁরা। পরে হেডমাস্টার ধনঞ্জয় তিওয়ারি পুলিশ ডাকেন। এদিকে ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায় ততক্ষণে। স্কুলে জড়ো হয় আরও মানুষজন। স্টেশন হাউজ অফিসার জ্ঞান রঞ্জন কুমার পুলিশের দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আলমকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। পরে হেডমাস্টার আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগ দায়ের করেন আলমের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় সেই শিক্ষককে। বর্তমানে সেই শিক্ষককে জেরা করা হচ্ছে।

    পড়ুয়াদের প্রাভাবিত করার চেষ্টা

    স্কুলের পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সেই শিক্ষক নাকি পাকিস্তানকে ‘জন্নত’ বলে দাবি করেছিলেন এবং কিছু পড়ুয়াকে প্রাভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। তদন্তকারীরা জানান, এর আগেও আলমের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের কট্টরপন্থী করার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে বিহারের বিভিন্ন স্থানে স্বাধীনতা দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তোলা হয়েছে। অনেক জায়গায় পাকিস্তানের পতাকা পর্যন্ত তোলা হয়েছে। ২০১৬ সালে নালান্দা জেলার বিহারশরিফ শহরে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে পূর্ণিয়া জেলার মধুবনির একটি বাড়ি থেকে তিনটি পাকিস্তানি পতাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিহারের ভোজপুরে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তুলে ৫ জন গ্রেফতার হয়েছিল।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন মাওবাদী জঙ্গিদের করাল গ্রাসে থাকা ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বাস্তার বিভাগে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসছে। কয়েক দশক ধরে ‘লাল সন্ত্রাস’-এর সঙ্গে লড়াই করার পর, ছত্তিশগড়ের বাস্তার বিভাগের বিভিন্ন জেলার বেশ কিছু গ্রাম প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের (Republic Day Celebrations) জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ এতদিন তাঁদের ওপর যেকোনো জাতীয় অনুষ্ঠান পালনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

    ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Chhattisgarh)

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাস্তারের বিভিন্ন জেলার অন্তত ৪০টি গ্রামে প্রথমবারের মতো জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। গত এক বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Security Camps) স্থাপিত হওয়ার ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।

    বাস্তার বিভাগের বিজাপুর, দান্তেওয়াড়া, সুকমা এবং নারায়ণপুরের মতো চরম মাওবাদী প্রভাবিত জেলাগুলোর (Chhattisgarh) মোট ৫৩টি গ্রামে এবার প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হবে। এর মধ্যে ৪০টি গ্রাম এমন রয়েছে, যেখানে আগে কখনও কোনোদিন জাতীয় উৎসব পালন করা সম্ভব হয়নি। এই তালিকায় রয়েছে—

    • বিজাপুর: বেলনার, কোন্ডাপালি ও উল্লুর।
    • দান্তেওয়াড়া: পিল্লুর, দোডিসোমার ও কামলুর।
    • নারায়ণপুর: আনজাগর, জাতুর, বাইপেটা ও কোডনার।
    • সুকমা: পালাগুড়া ও নাগরাম।

    দশকের পর দশক ধরে চলা লাল সন্ত্রাস কাটিয়ে মাওবাদী বিদ্রোহের স্তিমিত হওয়া এবং এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে আসার এটি এক বড় প্রতিফলন। তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে বাস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী ১০০টিরও বেশি ক্যাম্প স্থাপন করেছে, যার ফলে উগ্রপন্থীদের প্রভাবাধীন এলাকাগুলোতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ সুদৃঢ় হয়েছে।

    এই ক্যাম্পগুলো কেবল নিরাপত্তার কাজে নয়, বরং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করতে এবং স্থানীয়দের কাছে সরকারি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো পৌঁছে দিতে সহায়ক হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনের নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতির ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সাহসের সঞ্চার হয়েছে, যার ফলে তাঁরা এখন নির্ভয়ে জাতীয় উৎসবে অংশ নিতে পারছেন।

    ২৯টি গ্রামে উত্তোলন হয়েছিল জাতীয় পতাকা

    পরিবর্তনের এই ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আরও স্পষ্ট হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাস্তার (Chhattisgarh)  অঞ্চলের ২৯টি গ্রামে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ২৪টিরও বেশি গ্রামে প্রথমবারের মতো তেরঙা পতাকা উত্তোলন (Republic Day Celebrations) করা হয়েছিল।

    নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের লক্ষ্য এখন স্কুল খোলা, ব্যাংকিং পরিষেবা চালু, মোবাইল টাওয়ার বসানো এবং রাস্তাঘাট নির্মাণের মাধ্যমে এই জনপদগুলোকে মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা। সম্প্রতি মাওবাদীদের এককালীন শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ‘জাগরগুন্ডা’-তে একটি ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু করা হয়েছে।

    উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক

    মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই সমাজমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, “জাগরগুন্ডায় (Chhattisgarh)  ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু হওয়া কেবল একটি ভবন স্থাপন নয়; এটি পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকনির্দেশনায় বাস্তারকে লাল সন্ত্রাসের ভয় থেকে মুক্ত করে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। ভারত সরকার আগামী মার্চ মাসের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আমরা এই লক্ষ্যেই কাজ করছি।”

LinkedIn
Share