Tag: Republic Day

Republic Day

  • PM Modi: সুরের মূর্চ্ছনা! মিশরীয় কন্যার দেশাত্মবোধক গানের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: সুরের মূর্চ্ছনা! মিশরীয় কন্যার দেশাত্মবোধক গানের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিশরের ভারতীয় দূতাবাসে পালিত হয়েছে ভারতের ৭৫ তম সাধারণতন্ত্র দিবস (Republic day)। সেই অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এক মিশরীয় কন্যা (Egypt girl)। যা মন ছুঁয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই মিশরীয় কন্যার গানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মোদি। শেয়ার করেছেন ভিডিও। বিশ্বের নানা প্রান্তে পালিত হয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবস। সারা বিশ্বে প্রবাসী ভারতীয়রা প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করেছেন। শুক্রবার বিভিন্ন দেশে ভারতীয় দূতাবাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ভারতের রাষ্ট্রদূতেরা অমৃতকালের মধ্যে দিয়ে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    দেশাত্মবোধের ছোঁয়া

    গত ২৬ জানুয়ারি মিশরে ভারতীয় দূতাবাস, ইন্ডিয়া হাউসে সাড়ম্বরে পালিত হয় ৭৫ তম সাধারণতন্ত্র দিবস। ইন্ডিয়া হাউসে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিক থেকে ও মিশরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সেই অনুষ্ঠানেই দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন মিশরীয় কন্যা কারিম্যান। একেবারে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাক ও গয়নায় সেজে দেশাত্মবোধক ‘দেশ রঙ্গিলা’ গানটি গেয়েছেন তিনি। ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবসে ভারতীয় পোশাকে ও অলঙ্কারে সজ্জিত হয়ে, একেবারে ভারতীয় শৈলিতে কারিম্যানের এই গান উভয় দেশেরই প্রতিনিধির প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    মুগ্ধ মোদি

    মিশরে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে কারিম্যানের সেই গানের ভিডিয়ো অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ারও করা হয়। মুহূর্তেই ওই  ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।  নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ওই ভিডিও শেয়ার করে মোদি লেখেন, ‘“মিশর থেকে কারিম্যানের উপস্থাপনা মেলোডিয়াস! তাঁর এই প্রয়াসের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং খুব ভাল ভবিষ্যতের জন্য তাঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu & Kashmir: প্রজাতন্ত্র দিবসে ডাল লেকের ‘শিকারা’গুলি সেজে উঠল তেরঙ্গার সাজে

    Jammu & Kashmir: প্রজাতন্ত্র দিবসে ডাল লেকের ‘শিকারা’গুলি সেজে উঠল তেরঙ্গার সাজে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় বদলে গিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir)। তারই প্রতিফলন দেখা গেল প্রজাতন্ত্র দিবসে। ডাল লেকের ১২০টি শিকারা (ডাল লেকের নৌকো বিশেষ) সেজে উঠল তেরঙ্গার সাজে। অভিনব ভাবে শ্রীনগর জেলার প্রশাসন এভাবেই উদযাপন করল ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস। প্রতিটি শিকারাই সাজানো ছিল গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ রঙের তেরঙ্গায়, মাঝখানে ছিল অশোক চক্র। ইতিমধ্যে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের এই ভিডিও সামনে এসেছে। ড্রোনের মাধ্যমে তোলা এই ভিডিও প্রকাশ করেছে শ্রীনগরের জেলা প্রশাসন। প্রসঙ্গত, শিকারা ডাল লেকের পরিবহণের কাজে লাগানো হয় এবং ডাল লেকে পর্যটকদের ভ্রমণেও কাজে লাগে।

    বলিদান স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা 

    প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনই জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা জম্মুতে ‘বলিদান স্তম্ভ’-এ দেশের রক্ষায় শহিদ হওয়া জওয়ানদের উদ্দেশে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। জম্মু-কাশ্মীরে টাইগার ডিভিশনে মনোজ সিনহাকে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হয়। জম্মু-কাশ্মীরে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন নিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মনোজ সিনহা লেখেন, ‘‘দেশ চিরকাল মনে রাখবে সাহসী জওয়ানদের। যাঁদের আত্মত্যাগে রক্ষা পেয়েছে দেশের সার্বভৌমত্ব।’’

    ২০০৯ সালেই গড়ে ওঠে বলিদান স্তম্ভ

    স্বাধীনতার পরবর্তীকালে দেশের অখন্ডতা রক্ষায় যে সমস্ত সেনা জওয়ান আত্ম বলিদান দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সম্মান জানাতেই বলিদান স্তম্ভ গড়ে তোলা হয়েছে। বলিদান স্তম্ভ হল দেশের মধ্যে সবথেকে উচ্চ স্মৃতিসৌধ। যেটি উচ্চতায় ৬০ মিটার। ২০০৯ সালে বলিদান স্তম্ভ তৈরি করা হয়। খরচ হয় ১২ কোটি টাকা। ২১ একর জায়গা জুড়ে অবস্থান করছে এই স্তম্ভ। বলিদান স্তম্ভতে (Jammu & Kashmir) রয়েছে ৫২টি স্মৃতি স্তম্ভ। যেখানে ৭,৫১২ জন দেশের বীর জওয়ানের নাম রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ৯ জন পরম বীর চক্রপ্রাপ্ত এবং ২৭ জন অশোক চক্র প্রাপ্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভারতকে প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা, বিশ্ব নেতাদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: ভারতকে প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা, বিশ্ব নেতাদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই ছিল দেশের ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস। ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা জানান অনেক রাষ্ট্রনেতাই। শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্র নেতাদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিশ্ব নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

    আরও পড়ুন: প্রাণী কল্যাণে বিশেষ অবদান, মাহুত বন্ধু অসমের পার্বতীকে পদ্ম সম্মান

    নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান নরেন্দ্র মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নিজের এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহলকে। ভারত এবং নেপালের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ধন্যবাদ মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীকে

    মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী কুমার যুগনাথ ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানান। তাঁকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে জানান, ভারত ও মরিশাসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামীদিনে আরও উন্নত হবে।

    ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    চলতি বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে একটি ছবি ও সেলফিও শেয়ার করেন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে। সেটিকে রিট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী। ফরাসি ভাষায় ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লেখেন, ‘‘প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপস্থিতির ফলে ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও উচ্চতায় পৌঁছবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: প্রজাতন্ত্র দিবসে অযোধ্যায় পা পড়ল ৩ লাখ ২৫ হাজার ভক্তের

    Ram Mandir: প্রজাতন্ত্র দিবসে অযোধ্যায় পা পড়ল ৩ লাখ ২৫ হাজার ভক্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের পরে অযোধ্যায় ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ছে। তথ্য বলছে, গতকালই অর্থাৎ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ৩ লাখ ২৫ হাজার ভক্তের পা পড়েছিল পবিত্র অযোধ্যা ধামে। বালক রামের মূর্তি দর্শনে ইতিমধ্যে সময়সীমা বাড়িয়েছে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। যার ফলে বিপুল সংখ্যক ভক্তের রাম মন্দির দর্শন করতে কোনওরকম অসুবিধা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, মন্দির প্রাঙ্গণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে এগিয়ে এসেছেন স্বয়ংসেবকরাও। আরএসএস নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে ইতিমধ্যে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেছেন এব্যাপারে।

    ২৬ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র সচিব হাজির ছিলেন অযোধ্যায়

    যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশ মতো, ২৬ জানুয়ারিও উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র সচিব সঞ্জয় প্রসাদ, আইনশৃঙ্খলার ডিজি প্রশান্ত কুমার অযোধ্যা পৌঁছে যান এবং সমস্ত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। দিনভর ভক্তদের ভিড় সামলে দুই শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকর্তা লখনউতে ফেরেন সন্ধ্যাবেলায় এবং দিনের শেষে রিপোর্ট দেন মুখ্যমন্ত্রীকে। এই দুই শীর্ষ প্রশাসনিক আমলার সঙ্গে অযোধ্যা ধামে (Ram Mandir) সর্বক্ষণই ছিলেন পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল, ডিভিশনাল কমিশনার ও জেলার পুলিশ সুপার।

    ভোরের মঙ্গল-আরতি ও রাতে শয়ন-আরতির সময়

    ২৬ জানুয়ারি সকাল নাগাদ মন্দির (Ram Mandir) প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখে অযোধ্যার স্থানীয় প্রশাসনও। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র শরদ শর্মা জানিয়েছেন, মঙ্গল আরতির জন্য বালক রামের গর্ভগৃহের দরজা খোলা হয় ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ। এরপরে শ্রীঙ্গার আরতির জন্য পরবর্তীকালে দরজা খোলা হয় সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ। ভক্তদের দর্শন শুরু হয় সকাল সাতটা থেকে। দুপুর ১২টা নাগাদ ভোগ আরতি হয় এবং সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় সন্ধ্যা আরতি হয়। পরবর্তীকালে রাত্রিতে আবার নটার সময় ভোগ আরতি হয়। রাত্রি দশটা নাগাদ শয়ন আরতি হয়। সকালের মঙ্গল আরতির সময় অবশ্য ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Republic Day: দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, ওয়ার মেমোরিয়ালে পুষ্পাঞ্জলীও দিলেন

    Republic Day: দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, ওয়ার মেমোরিয়ালে পুষ্পাঞ্জলীও দিলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ৭৫তম সাধারণতন্ত্র দিবস (Republic Day)। দিল্লির রাস্তায় শক্তি প্রদর্শন করবে সেনাবাহিনী । আকাশে চক্কর কাটবে যুদ্ধবিমান। এবারের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির থাকবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। ইতিমধ্যে কর্তব্যপথে হাজির হয়েছেন প্রধানমন্ত্র নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু। সকালেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লির কর্তব্যপথে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁকেও স্বাগত জানান নরেন্দ্র মোদি।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    সকালেই দেশবাসীকে ৭৫তম সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “সকল দেশবাসীকে সাধারণতন্ত্র দিবসের (Republic Day) শুভেচ্ছা, জয় হিন্দ।” প্রসঙ্গত গতকালই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। ভারতকে গণতন্ত্রের জননী বলে নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

    ওয়ার মেমোরিয়ালে পুষ্পাঞ্জলী প্রধানমন্ত্রীর

    প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে পুষ্পাঞ্জলি দেন। তাঁকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। 

    আরও পড়ুন: মিঠুন, উষা, রতন কাহার সমেত বাংলা থেকে কারা পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান?

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট মাক্রঁর

    ভারতবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) শুভেচ্ছা জানালেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁ। এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি তিনি। গতকালই জয়পুরে এসে পৌঁছেছেন মাক্রঁ। এ দিন সকালে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, আমার প্রিয় বন্ধু নরেন্দ্র মোদি ও ভারতের সকল নাগরিককে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানাই। এখানে আসতে পেরে অত্যন্ত খুশি ও গর্বিত আমি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi-Macron: ইউপিআই কী? ‘চায়ে পে চর্চা’য় মাক্রঁকে বোঝালেন মোদি

    Modi-Macron: ইউপিআই কী? ‘চায়ে পে চর্চা’য় মাক্রঁকে বোঝালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বন্ধু ইম্যানুয়েল মাক্রঁকে ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (UPI) সিস্টেম সম্পর্কে বোঝালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় জয়পুরে হাওয়া মহলের কাছে একটি চায়ের দোকানে বসে ম্যাক্রঁকে এই পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন মোদি।

    ইউপিআই ব্যাখ্যা

    ভারতের ডিজিটালি লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম হল এই ইউপিআই সিস্টেম। মোবাইল থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করে সরাসরি মেটানো যায় টাকা। বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীকেও দেখা গেল সেভাবেই চা দোকানের বিল মেটাতে। ইতিমধ্যে সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়েছে ৪৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও। তাতে দেখা যাচ্ছে মোদি কীভাবে চা-এর দোকানের টাকা মেটালেন তা গুরুত্ব সহকারে দেখলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁও। সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসাবেই দু-দিনের সফরে ভারতে এসেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁ। 

    ভাইরাল ভিডিও

    ভাইরাল ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে, রাস্তার উপর একটি চায়ের দোকানে বসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপচারিতা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাজস্থানি পোশাক পরিহিত ওই চায়ের দোকানি। তিনি তাঁর দোকানের ও স্থানীয় খাবারের কথা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরছেন। প্রধানমন্ত্রীও সেখানকার চা ও খাবারের মানের প্রশংসা করছেন। তারপর নিজের মোবাইল ফোন থেকে ইউপিআই মাধ্যমে চায়ের বিল মিটিয়ে পদ্ধতিটি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে বোঝান প্রধানমন্ত্রী। রাজস্থানের অম্বর ফোর্ট, সৌরমন্দির পরিদর্শনের পর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জয়পুরে রোড শোও করেন মাক্রঁ। এদিন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের হাতে রাম মন্দিরের একটি রেপ্লিকা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Padma Awardees: মিঠুন, উষা, রতন কাহার সমেত বাংলা থেকে কারা পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান? 

    Padma Awardees: মিঠুন, উষা, রতন কাহার সমেত বাংলা থেকে কারা পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের চিরাচরিত পরম্পরা রয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে পদ্ম সম্মান (Padma Awardees) ঘোষণার। চলতি বছরে ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই ঘোষণা হল পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা। পশ্চিমবঙ্গ থেকে পদ্মসম্মান কারা পাচ্ছেন?

    বাংলা থেকে পদ্মভূষণ প্রাপকদের তালিকা

    পদ্মভূষণ (Padma Awardees)  সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীরাজনীতিবিদ সত্যব্রত মুখোপাধ্যায় (মরণোত্তর)
    সংগীতশিল্পী ঊষা উত্থুপ।

    বাংলা থেকে পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকা

    নেপাল সূত্রধর- পুরুলিয়ার খ্যাতনামা এই প্রয়াত শিল্পী পাঁচ দশক ধরে ছৌনাচের মুখোশ তৈরি করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান রেখেছেন। তাঁকে মরোনোত্তর পদ্মশ্রী (Padma Awardees)  সম্মান দেওয়া হচ্ছে।

    সনাতন রুদ্র পাল– প্রতিমা নির্মাণে প্রখ্যাত নাম সনাতন রুদ্র। তাঁর তৈরি দুর্গা প্রতিমা দেশ-বিদেশে খ্য়াতি অর্জন করেছে। তিনি চলতি বছরে পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান।

    রতন কাহার-‘বড় লোকের বিটি লো’ গান একসময় উছতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের মুখে মুখে ঘুরতো। গানের স্রস্টা সেই রতন কাহার এবারে পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান। তাঁর কণ্ঠে মুগ্ধ অনেকেই।

    দুখু মাঝি – পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি ব্লকের সিন্দরি গ্রামের আদিবাসী পরিবেশবিদ দুখু মাঝি জনমানসে ‘গাছদাদু’ নামেই বেশি পরিচিত। সাইকেলে চেপে নতুন-নতুন জায়গায় গিয়ে ন্যাড়া জমিতে প্রতিদিন গাছ বসান। সেভাবেই ৫,০০০-র বেশি গাছ বসিয়ে ফেলেছেন।

    এছাড়াও পদ্মশ্রীর (Padma Awardees)  তালিকা দেখে নিন একনজরে:-

    পার্বতী বড়ুয়া- ভারতের প্রথম মহিলা মাহুত

    চামি মুর্মু – প্রখ্যাত উপজাতীয় পরিবেশবিদ

    সাংথানকিমা – মিজোরামের সমাজকর্মী

    জগেশ্বর যাদব – আদিবাসী কল্যাণ কর্মী

    গুরবিন্দর সিং – সিরসার দিব্যাং সমাজকর্মী

    সত্যনারায়ণ বেলেরি – কাসারগোড়ের ধান চাষি

    কে চেল্লাম্মল – আন্দামানের জৈব চাষী

    হেমচাঁদ মাঞ্জি – নারায়ণপুরের মেডিসিন প্র্যাক্টিশনার

    ইয়ানুং জামোহ লেগো – অরুণাচল প্রদেশের ভেষজ ওষুধ বিশেষজ্ঞ

    সোমান্না – মাইসুর থেকে উপজাতীয় কল্যাণ কর্মী

    সর্বেশ্বর বসুমাতারী – চিরাং এর আদিবাসী কৃষক

    প্রেমা ধনরাজ – প্লাস্টিক সার্জন ও সমাজকর্মী

    উদয় বিশ্বনাথ দেশপান্ডে – আন্তর্জাতিক মল্লখাম্ব কোচ

    ইয়াজদি মানেকশা ইতালিয়া – মাইক্রোবায়োলজি সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ।

    শান্তিদেবী পাসওয়ান ও শিবন পাসওয়ান- গোন্ডা শিল্পের শিল্পী

    অশোক কুমার বিশ্বাস- তিকুলি শিল্পের জন্য তিনি খ্যাত

    বালাকৃষ্ণ বিতিল- ঘত ৬ দশক ধরে কথাকলির জন্য তিনি খ্যাত।

    গোপীনাথ সাঁই- কৃষ্ণলীলা পারফরম্যান্সের জন্য তিনি খ্যাতনামা।

    এছাড়াও পদ্মশ্রী পাচ্ছেন, স্মৃতিরেখা চাকমা, নারায়ণ ইপি, ওমপ্রকাশ শর্মা, বদ্রপান্না এম, ভগতপ্রধান, মচিহান সাসা, জর্ডন লেপচা, জানকীলাল, গাদ্দাম সামাইয়াহ, দাসারি কোন্দাপ্পা, বাবুরাম যাদবরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gallantry Awards: সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে স্বাক্ষর রাষ্ট্রপতির, কারা পাচ্ছেন?

    Gallantry Awards: সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে স্বাক্ষর রাষ্ট্রপতির, কারা পাচ্ছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস। সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে (Gallantry Awards) স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। পুলিশ, দমকল, হোমগার্ড, সিভিল ডিফেন্স ও কারেকশনাল সার্ভিস মিলিয়ে মোট ১১৩২ জনকে সাহসিকতা এবং অন্যান্য সার্ভিস মেডেল দেওয়া হবে।

    তালিকায় কারা?

    সাহসিকতার জন্য যে ২৭৭ জনকে পুরস্কার দেওয়া হবে, এঁদের মধ্যে ১১৯ জন মোতায়েন ছিলেন মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায়, জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলে ছিলেন ১৩৩ জন। অন্যান্য অঞ্চলে ছিলেন ২৫ জন। ২৭৭ জনের মধ্যে বিরল সাহসিকতার (Gallantry Awards) জন্য রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাবেন দু’জন। বাকি ২৭৫ জন পাচ্ছেন সাহসিকতার পুরস্কার। যাঁরা সাহসিকতার মেডেল পাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিএসএফের দু’জনও। বিএসএফের ১৫তম কঙ্গো কনটিনজেন্টে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

    আরও পাবেন যাঁরা

    সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারের মধ্যে রয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ৭২ জন কর্মীও। মহারাষ্ট্রের ১৮ জন পুলিশ কর্মী, ছত্তিশগড়ের ২৬ জন, ঝাড়খণ্ডের ২৩ জন, ওড়িশার ১৫ জন, দিল্লির ৮ জন, সিআরপিএফের ৬৫ জন, এসএসবির ১৫ জন পুলিশ কর্মীও রয়েছেন এই তালিকায়। বাকি পুরস্কার প্রাপকরা অন্যান্য রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং সিএপিএফের।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ছেড়ে কেন হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন রাহুল, কী কারণ?

    আগে সাহসিকতার (Gallantry Awards) জন্য পুরস্কার দেওয়া হত ১৬টি বিভাগে। সেগুলিকে মিশিয়ে এখন চারটি বিভাগ করা হয়েছে। এগুলি হল, প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি, মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি, প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস এবং মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস। এই কাঠামোয় এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে পুরস্কৃত করা হবে ১১৩২ জনকে। প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস পুরস্কার দেওয়ার হয় বিশেষ কোনও ডিস্টিংগুইশড রেকর্ড সার্ভিসের জন্য। মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস পুরস্কার দেওয়া হয় মূল্যবান কোনও সার্ভিস যাতে রিসোর্স এবং কর্তব্যের প্রতি ডিভোশন রয়েছে।

    প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হবে ১০২টি। পুলিশ সার্ভিসে দেওয়া হবে ৯৪টি পুরস্কার। দমকলে দেওয়া হবে ৪টি। সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড সার্ভিসে দেওয়া হবে ৪টি পুরস্কার। মেরিটোরিয়াস সার্ভিসে ৭৫৩টি পুরস্কারের মধ্যে ৬৬৭টি দেওয়া হবে পুলিশ সার্ভিসে, দমকলে ৩২টি, সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড বিভাগে ২৭টি এবং কারেকশনাল সার্ভিসে ২৭টি পুরস্কার (Gallantry Awards) দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Republic Day 2024: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    Republic Day 2024: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক হতে চলেছে ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজ। ঐতিহাসিক এই কারণে যে, এবছর কুচকাওয়াজে অনেক কিছু প্রথমবার ঘটতে চলেছে। দেশবাসী এমন কিছু প্রত্যক্ষ করতে চলেছেন এবছর দিল্লির কুচকাওয়াজে, যা আগে কখনও কেউ দেখেননি।

    মূল ফোকাস হল নারী ক্ষমতায়ন

    এবছর ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) মূল ফোকাস হল নারী ক্ষমতায়ন। তবে, এ বছর দিল্লির কর্তব্য পথের কুচকাওয়াজে মহিলা অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে মহিলা সশক্তিকরণের (Women Empowerment) প্রদর্শন— অতীতের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে যাবে। সর্বত্র নারী ক্ষমতায়নকেই তুলে ধরা হবে। সে কথাই জানালেন ভারতীয় সেনার মেজর জেনারেল সুমিত মেহতা। তিনি বলেন, ‘‘এবছরের কুচকাওয়াজ নারী-কেন্দ্রিক। থিম হল— ‘বিকশিত ভারত’ এবং ‘গণতন্ত্রের পীঠস্থান ভারত’।’’ 

    ইতিহাস হতে চলেছে কুচকাওয়াজে

    তিনি জানান, ইতিহাস ঘটতে চলেছে এবারের কুচকাওয়াজে। প্রথমবার, মহিলাদের একটি ট্রাই-সার্ভিস কন্টিনজেন্ট কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করতে চলেছে। অর্থাৎ, সামরিক বাহিনীর তিন বাহু— স্থল, নৌ ও বায়ুসেনার সম্মিলিত ১৪৮ জন মহিলা অফিসার ও জওয়ানকে নিয়ে তৈরি ওই কন্টিনজেন্ট কর্তব্যপথ দিয়ে মার্চ-পাস্ট করবে। কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন মিলিটারি পুলিশের ক্যাপ্টেন সন্ধ্যা। এই মার্চ-পাস্টের মধ্য দিয়ে নারী ক্ষমতায়নকে (Women Empowerment) তুলে ধরা হবে। এবছর কর্তব্য পথের মার্চ-পাস্টে দেখা যাবে ‘অগ্নি-কন্যা’-দেরও। তিন বাহিনীতে নিযুক্ত ‘অগ্নি-কন্যা’-রা সমন্বয়ে প্যারেডে অংশ নেবেন।

    সেনা ক্যাপ্টেন সন্ধ্যা। ছবি-সংগৃহীত।

    মেকানাইজড কলামের নেতৃত্বে মহিলা

    শুধু এই একটিই প্রথম নয়। এবারের কুচকাওয়াজে (Republic Day 2024) প্রথমবার সেনার আর্টিলারি রেজিমেন্টের মহিলা অফিসাররা মেকানাইজড কলামে চেপে কর্তব্য পথ ধরে এগিয়ে যাবেন। মেকানাইজড কলাম সাধারণত দেশীয় সামরাস্ত্র বিশ্বের সামনে মেলে ধরার একটি পন্থা। আর্টিলারির দুটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার— পিনাকা মাল্টি-ব্যারেল রকেট লঞ্চার ও স্বাতী ক্ষেপণাস্ত্র অনুসন্থানকারী রেডার— এই দুটিতেই ৪ মহিলা অফিসার নেতৃত্বে থাকবেন। 

    সেনার মেকানাইজড রেজিমেন্টের মহিলা অফিসাররা। ছবি-সংগৃহীত।

    এর পাশাপাশি, আরও চার মেকানাইজড কলাম— দেশীয় ড্রোন জ্যামিং সিস্টেম, অত্যাধুনিক রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি মনিটরিং সিস্টেম, কোর অফ ইঞ্জিনিয়ার্সদের সর্বত্র ব্রিজিং সিস্টেম এবং মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের নেতৃত্বেও থাকবেন মহিলা অফিসাররা। ফলত, এর মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়েনের (Women Empowerment) আরেকটি উদাহরণ তুলে ধরার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারত-এর নীতিও প্রস্ফুটিত হবে। গত বছরের এপ্রিল ও সেপ্টেম্বর মাসে আর্টি-রেজিমেন্টে মহিলা অফিসারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই রেজিমেন্টে ১০ মহিলা অফিসার রয়েছেন।

    আধা-সামরিক বাহিনীর মহিলা ব্রিগেডের মার্চ-পাস্ট

    শুধু সামরিক নয়, দেশের আধা-সামরিক বাহিনীও মহিলা ক্ষমতায়েনে সামিল হবে। এবছর প্রথম বিএসএফ, সিআরপিএফ সহ দেশের বিভিন্ন আধা-সামরিক বাহিনীর মহিলা ব্রিগেডের মার্চ-পাস্ট প্রত্যক্ষ করবেন মানুষ। দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ক্ষেত্রে অন্যতম সফল সংস্থা হচ্ছে ডিআরডিও। এই সংস্থার ট্যাবলোর ফোকাস হতে চলেছে নারী ক্ষমতায়েন। ডিআরডিও-র ট্যাবলোকে নেতৃত্ব দেবেন অন্যতম প্রতিথযশা বিজ্ঞানী সুনীতা দেবী জেনা। তিনি হবেন কন্টিনজেন্ট কমান্ডার। ট্যাবলোয় থাকবে— ম্যান-পোর্টবল ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইল, অ্যান্টি-স্যাটেলাইট মিসাইল, অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্র, ভূমি-থেকে-ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র, ভেরি শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, নেভাল শর্ট রেঞ্জ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, হেলিনা ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী মিসাইল, ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র, তেজস বিমান, উত্তর রেডার, শক্তি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম সহ সাইবার সিকিউরিটি ও কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেম।

    রাজ্যের ট্যাবলোতেও ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন

    শুধু দেশের সামরিক বাহিনীতে নয়, অসামরিক ক্ষেত্রেও নারী ক্ষমতায়নের (Women Empowerment) উদাহরণ প্রথমবার বৃহৎ আকারে মেলে ধরা হবে এবছরের কুচকাওয়াজে (Republic Day 2024)। যে কারণে, বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোতে মহিলা সশক্তিকরণের ছাপ স্পষ্ট থাকবে। মণিপুরের ট্যাবলোয়ে দেখা যাবে পদ্মের ডাঁটি থেকে চরকায় সুতো তৈরি করছেন মহিলারা। মধ্যপ্রদেশ তুলে ধরবে দেশের প্রথম মহিলা ফাইটার পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট অবনী চতুর্বেদীকে। রাজস্থান তুলে ধরবে সেরাজ্যের মহিলাদের হস্তশিল্প। আবার হরিয়ানার ট্যাবলোয় দেখা যাবে মহিলারা কেমন ডিজিটাল ইন্ডিয়ার সুবিধা নিচ্ছেন।

    নতুন প্রজন্মের সাঁজোয়া গাড়ির প্রদর্শন

    এখানেই শেষ নয়। আরও ‘প্রথমে’র চমক আছে ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজে। এবছর আত্মনির্ভর ভারতকে মাথায় রেখে দেশে তৈরি একাধিক আধুনিক ও নতুন ঘরানার স্থলযুদ্ধজান ও সাঁজোয়া গাড়ি ২৬ তারিখ প্রদর্শিত হবে কর্তব্য পথে। এই তালিকায় রয়েছে— নতুন প্রজন্মের টেরেইন ভেহিকল, লাইট স্পেশালিস্ট ভেহিকল, স্পেশাল মোবিলিটি ভেহিকল এবং ক্যুইক রিয়্যাকশন ভেহিকল এবং ভেহিকল-মাউন্টেড ইন্ডিয়ান মর্টার সিস্টেম। এই সবকিছুই প্রথমবার প্রদর্শিত হতে চলেছে প্রজাতন্ত্র দিবসে। 

    কুচকাওয়াজে ১৫টি বিমানের চালক মহিলা

    এছাড়া, আত্মনির্ভর ভারতের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে দেশীয় নাগ মিসাইল সিস্টেম, বিএমপি-২ সাঁজোয়া গাড়ির পাশাপাশি সেনার অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার ধ্রুব-রুদ্র এবং লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার প্রচণ্ড— এই দুটিই কর্তব্য পথের ওপর দিয়ে উড়ে যাবে। সেনার পাশাপাশি, বায়ুসেনাও জোরকদমে অংশ নিচ্ছে এবারের কুচকাওয়াজে। জানা গিয়েছে, তেজস, রাফাল, সুখোই-৩০ সহ বায়ুসেনার ২৯টি যুদ্ধবিমান, ৭টি পণ্যবাহী বিমান, ৯টি হেলিকপ্টার এবং একটি হেরিটেজ বিমান এবারের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে। এর মধ্যে ১৫টি বিমানের পাইলট হিসেবে থাকবেন মহিলা অফিসাররা। 

    ছাব্বিশের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা অফিসাররা। ছবি সংগৃহীত।

    ফরাসি ফ্লাই-বাইয়ের নেতৃত্বেও মহিলা

    এবারের কুচকাওয়াজের (Republic Day 2024) অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে ফরাসি বাহিনীর কুচকাওয়াজ ও ফরাসি বিমানবাহিনীর ফ্লাই-বাই। এবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। সেই প্রেক্ষিতে, এবারের কুচকাওয়াজে অংশ নিচ্ছে ফরাসি বিশেষ বাহিনী ও বায়ুসেনা। জানা গিয়েছে, ৯৫ সদস্য বিশিষ্ট ফরাসি ফরেন লিজিয়ন (ফরাসি ভাষায় লেজিওঁ এত্রঁজ্যের ফ্রঁসেজ) কোরের একটি কনটিনজেন্ট ছাব্বিশের মার্চপাস্টে অংশ নেবে। এটি হল ফ্রান্সের অত্যন্ত সম্মানীয় ইউনিট। ওই দলে থাকবেন ৬ জন করে ভারতীয় ও নেপালি বংশোদ্ভূত জওয়ান। এছাড়া, এঁদের সঙ্গে হাঁটবেন ৩৫ জন ফরাসি সামরিক ব্যান্ডের সদস্যও। ঠিক সেই সময় মাথার ওপর দিয়ে ফ্লাই-বাই করবে ফরাসি বায়ুসেনার এয়ারবাস-৩৩০ মাল্টি রোল-ট্যাঙ্কার সাপোর্ট ও এক জোড়া রাফাল। ওই ফ্লাই-বাইয়ের নেতৃত্বে থাকবে ট্যাঙ্কারটি, যার পাইলট হচ্ছেন এক মহিলা (Women Empowerment)।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Flag: সামনে প্রজাতন্ত্র দিবস, সামলে রাখুন জাতীয় পতাকা, ফ্ল্যাগ কোড জারি কেন্দ্রের 

    National Flag: সামনে প্রজাতন্ত্র দিবস, সামলে রাখুন জাতীয় পতাকা, ফ্ল্যাগ কোড জারি কেন্দ্রের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পতাকা দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সেটা যে মাধ্যমেই প্রকাশিত হোক, তার কোনও অবমাননা দেশকে অমর্যাদা করার সামিল। কিন্তু দেশের বহু নাগরিকের কাছেই সঠিক তথ্য থাকে না যে কোনও নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের পর প্রদর্শিত জাতীয় পতাকা (National Flag), বিশেষত সেই জাতীয় পতাকা যদি কাগজ দিয়ে তৈরি হয়, তা কীভাবে সংরক্ষণ করতে হয়। তাই ২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) আগে জনগণের উদ্দেশে একটি নির্দেশিকা জারি করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

    জাতীয় পতাকা নিয়ে সচেতনতা প্রচার

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে রাজ্য় ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চগুলির জন্য ‘ফ্ল্যাগ কোড’ (National Flag) জারি হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) জাতীয়, সাংস্কৃতিক, খেলার বিভিন্ন ইভেন্টে কেউ যাতে কাগজের তৈরি পতাকাগুলি যত্রতত্র ফেলে না দেয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। জাতীয় পতাকাকে কী ভাবে সম্মানের সঙ্গে রাখতে হবে, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। নির্দেশ বলা হয়েছে, ইভেন্ট মেটার পর জাতীয় পতাকাকে যাতে সম্মানের সঙ্গে সরিয়ে ফেলা হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও জনগণের মধ্যে এনিয়ে সচেতনতার প্রচার চালাতে হবে। প্রয়োজনে বৈদ্যুতিন ও মুদ্রণ মাধ্যমেও এনিয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ২০৩৬ অলিম্পিক্স আয়োজনে ত্রুটি রাখবে না ভারত! আশার কথা শোনালেন মোদি

    জাতীয় পতাকা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা

    এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় পতাকা (National Flag) দেশের আশা-আকাঙ্খার প্রতীক। এই কারণেই তা মর্যাদাপূর্ণ। জাতীয় পতাকার প্রতি মানুষের ভালবাসা, শ্রদ্ধা ও আনুগত্য প্রশ্নাতীত। কিন্তু একই সঙ্গে সচেতনতার অভাবে জাতীয় পতাকার যথাযোগ্য ব্যবহার বিধি সম্পর্কে অনেকেই অবহিত নন। এই কারণে ‘জাতীয় মর্যাদার অবমাননা প্রতিরোধ আইন’ (The Prevention of Insults to National Honour Act. 1971) এবং জাতীয় পতাকা ব্যবহার বিধি ২০০২ জানা দরকার। এই ব্যবহারবিধির একটি ধারায় বলা হয়েছে, কাগজের তৈরি জাতীয় পতাকা, যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়, সেগুলিকে অনুষ্ঠান শেষে যেখানে সেখানে, পথে-ঘাটে ফেলে দেওয়া যাবে না।

    জাতীয় পতাকা রাখার বেশ কয়েকটি নিয়ম রয়েছে। সেগুলি হল- জাতীয় পতাকা রাখতে হয় অনুভূমিক ভাবে। পতাকার গেরুয়া ও সবুজ রং ভাঁজ করতে হবে সাদা অংশের নীচে। সাদা অংশকে এমনভাবে ভাঁজ করতে হয় যাতে কেবলমাত্র পতাকা অশোকচক্র দেখা যায়। তারপর দুই তালুর উপর পতাকা ধরতে হয়, যাতে উপরের দিকে অশোকচক্র। সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে পতাকা রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share