Tag: Rescue

Rescue

  • Howrah Station: লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    Howrah Station: লোকসভা নির্বাচনের আগে হওড়া স্টেশন থেকে ফের উদ্ধার বান্ডিল বান্ডিল টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার রাজ্যে। শুক্রবার সকালে হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার হল ২৭ লাখ টাকা। এই টাকার মধ্যে সব ছিল ৫০০ টাকার নোট। লোকসভা ভোটের আগে আগে এই ভাবে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে উদ্ধার হল (Howrah Station)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও দিল্লি-হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস হাওড়ায় (Howrah Station) প্রবেশ করেছিল। ট্রেন স্টেশনে ঢোকার পর চেকিং করছিলেন জিআরপি। এরপর পাঁচ জনের গতিপ্রকৃতি দেখে সন্দেহ হয়। তাঁদের সঙ্গে ছিল একটি ব্যাগও ছিল। এরপর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তাঁরা ভয় পেয়ে যান। সেই সঙ্গে তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়লে ব্যাগে তল্লাশি শুরু হয়। এরপর বের হয় রাশি রাশি টাকার বান্ডিল।

    উদ্ধার হওয়া টাকা গুনতে হয় মেশিনের মাধ্যমে

    জানা গিয়েছে হাওড়ায় (Howrah Station) ধৃত পাঁচ জনের মধ্যে ২ জনের বাড়ি ধানবাদে। বাকি তিন জনের বাড়ি হল উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে। উদ্ধার হওয়া টাকা গুনতে রীতিমতো মেশিন লাগানো হয়। মেশিনে গুনে জানা যায় মোট টাকার পরিমাণ ২৭ লাখ। তবে এই টাকা কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেই বিষয়ে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এখনও সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলে জানিয়েছেন জিআরপি। যদিও ধৃতরা জানিয়েছেন যে তাঁরা বড়বাজারে ব্যবসার সামগ্রী কেনার জন্য এসেছেন। কিন্তু এতো বিরাট অঙ্কের টাকা কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের কাছে কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল না বললেই চলে।

    আরও পড়ুনঃ মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    আগেও উদ্ধার হয়েছে টাকা

    মাত্র হাতে গোনা কয়েক দিন আগেই এই হাওড়া স্টেশন (Howrah Station) থেকে একই ভাবে দিল্লি-হাওড়া রাজধানী থেকে টাকা উদ্ধার করেছিল রেল পুলিশ। এই বারও রাজধানী থেকে উদ্ধার হোল প্রচুর টাকা। লোকসভা ভোটে অবৈধ আর্থিক লেন-দেন এবং ভোট কেনার বিষয়ে ভীষণভাবে নজর রেখেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi tunnel:  ‘ঝুঁকির কাজে পাঠাবো না’ সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধারের পর মন্তব্য মানিকের স্ত্রীর

    Uttarkashi tunnel: ‘ঝুঁকির কাজে পাঠাবো না’ সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধারের পর মন্তব্য মানিকের স্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে (Uttarkashi tunnel) আটকে থাকা ৪১ জন শ্রমিকের মধ্যে বাংলার তিনজন শ্রমিক ছিলেন। কোচবিহারের একজন এবং হুগলির বাকি দুজন। গতকাল মঙ্গলবার সুড়ঙ্গে আটকে থাকা সকল শ্রমিককেই বের করে আনা হয়েছে। গোটা উদ্ধারকার্যকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং নজরে রেখেছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভি.কে সিং।

    আতঙ্কের প্রহর শেষ করে বাইরে বের হওয়ার পর, কোচবিহারের শ্রমিক মানিক তালুকদারের স্ত্রী সোমা তালুকদার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। ফোনে স্বামীর কণ্ঠ শুনে নিজের হাত কপালে জড়ো করে ভাগবানকে স্মরণ করলেন। ছেলে মণি বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলতে ফোন কেটে যায়। কারণ মানিককে অ্যাম্বুল্যান্সে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল হাসপাতালে। স্ত্রী সোমা এবং ছেলে মণি এখন অপেক্ষার প্রহর গুনছেন কত তাড়াতাড়ি মানিক ঘরে ফিরবেন।

    স্ত্রীর বক্তব্য (Uttarkashi tunnel)

    টানা ১৭ দিন ধরে সুড়ঙ্গে (Uttarkashi tunnel) আটকে থাকায় মানিকের স্ত্রী বাড়িতে অত্যন্ত উৎকণ্ঠায় দিনপাত করছিলেন। দুশ্চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালেও নিয়ে যেতে হয়েছিল। স্বামীর প্রতি চিন্তা ব্যক্ত করে বলেন, “ভালো আছেন মানিক, আর কোনও দিন ঝুঁকির কাজে পাঠাবো না। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে। টিভিতে দেখে ঠিকই মনে হয়েছে। তবে এতো দিন আটকে থাকার পর শারীরিক সমস্যা হয়েছে কী না তাই এখন দেখার। তবে ওঁর এখন চিকিৎসা দরকার।”

    ছেলের বক্তব্য

    সুড়ঙ্গে (Uttarkashi tunnel) আটকে পড়া শ্রমিক মানিকের ছেলে মণি তালুকদার বলেন, “অনেক দিন ধরে উদ্বিগ্ন ছিলাম। বাবা কবে আসবেন সেই ভাবনাই মনে মনে কাজ করছিল। তবে কাল বাবার সঙ্গে ফোনে সরাসরি কথা বলে বেশ ভালো লেগেছে। তবে কথা বলতে বলতে ফোনটা কেটে গিয়েছে। আমি চাই বাবা খুব তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরে আসুক।”

    প্রতিবেশীদের উচ্ছ্বাস

    পরিবারের লোক অনেক দিন আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন উত্তরকাশীতে (Uttarkashi tunnel)। পারিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, সুড়ঙ্গে আটকে পড়ার খবর পেয়েই মানিকের দাদা বিনয় তালুদার এবং এক নিকট আত্মীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এদিন সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধারের পর থেকেই বাড়িতে ভিড় করছেন প্রতিবেশীরা। অনেকেই উদ্ধারের খবরে খুশি হয়ে মিষ্টি মুখ করালেন স্ত্রী সোমাকে। এমনকী উচ্ছ্বাসে অনেকে বাজিও ফাটান বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: তিনিই ক্যামেরা পৌঁছে দিয়েছিলেন সুড়ঙ্গে! সেই দৌদীপের মায়ের চোখে জল

    Uttarkashi Tunnel: তিনিই ক্যামেরা পৌঁছে দিয়েছিলেন সুড়ঙ্গে! সেই দৌদীপের মায়ের চোখে জল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel) আটকে থাকা শ্রমিক উদ্ধার কাজের দ্বায়িত্ব ছিলেন সিঙ্গুরের বঙ্গ সন্তান। ১৭ দিন ধরে সুড়ঙ্গের মধ্যে আটকে ছিলেন ৪১ জন শ্রমিক। উদ্ধার কাজে বিদেশী মেশিনের সাফল্য তেমন ভাবে কাজে লাগেনি। ভারতীয় পদ্ধিতিতেই উদ্ধারের সাফল্য এসেছে। ওই সুড়ঙ্গে আটকে পড়েছিলেন বাংলার তিন শ্রমিক। সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে পড়া শ্রমিকরা কীভাবে রয়েছেন? খাবার পৌঁছেছে কি না? ইত্যাদি বিষয়ে ক্যামেরা পৌঁছে দিয়ে খবর আদান প্রদান কাজ করেছেন বঙ্গের এক সন্তান। আটকে থাকা শ্রমিকের পরিবারের কাছে তাঁর ক্যামেরাই সেই সময় আশার আলো দেখিয়েছিল।

    বঙ্গ সন্তানের পরিচয় (Uttarkashi Tunnel)

    ৪১ জন শ্রমিককে সুড়ঙ্গ (Uttarkashi Tunnel) থেকে উদ্ধার করতে সিঙ্গুরের এই যুবকের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি মূলত ক্যামেরা দিয়ে সুড়ঙ্গের ভিতরের দৃশ্যকে সকালের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। আটকে থাকা শ্রমিকদের পরিবারের কাছে খুশির খবর পৌঁছে দিয়েছিলেন। যুবকের নাম দৌদীপ খাঁড়া। তাঁর বাড়ি হুগলির সিঙ্গুরে। বাবা দীনেশ চন্দ্র খাঁড়া এবং মা সবিতা দেবী। ছেলের কাজের জন্য মায়ের চোখে জল দেখা গিয়েছে এদিন। সিঙ্গুর মহামায়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতেন। এরপর নালিকুল বাণী মন্দির থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছিলেন। ঠিক তারপরেই ধুলাগড়ের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনারিং কলেজ থেকে বিটেক পাশ করেন। বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থায় কনস্ট্রাকশনের পাইপলাইনে কাজ করেন।

    সুড়ঙ্গের মধ্যে ক্যামেরা পাঠানোর কাজ

    সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel) মধ্যে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে ‘ফ্লেক্সি প্রো ক্যামেরা’ পাঠানোর কাজ করছেন দৌদীপ। তাঁর কাজ খুব একটা সহজ ছিলনা। মাঝে মাঝে সুড়ঙ্গের অংশ বিশেষ ভেঙে পড়ছিল। প্রবেশের গতিপথে ছিল প্রচুর চাঙড় এবং লোহার রড। খনন করার যন্ত্রে চলছিল ব্যাপক কম্পন। তবে তাঁর ভূমিকা যে গোটা উদ্ধার কাজে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেই বিষয়ে নিজেও বুঝতে পেরেছিলেন।

    কী বললেন দৌদীপ

    সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel) উদ্ধার কাজে যুক্ত থাকায় দৌদীপ বলেন, “প্রথম যখন ক্যামেরাতে আটকে থাকা শ্রমিকদের দৃশ্য দেখতে পাই সেই সময় অবাক হয়ে গিয়েছিলেম। শব্দ দিয়ে সেই অভিজ্ঞতার কথা বোঝানো কঠিন। উদ্ধারের পর শ্রমিকার আমাদের টিমের সঙ্গে সকলকে বুকে জড়িয়ে নেন। এর থেকে আর কি বড় পাওনা হতে পারে।” দৌদীপের মা বলেন, “ছোট বেলা থেকে ও খুব ভীতু ছিল কিন্তু এই সুড়ঙ্গের উদ্ধারকাজে যা করল তাতে আমরা ভীষণ ভাবে গর্বিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share