Tag: rescue operation

rescue operation

  • China: নেপালের ভয়াবহ বন্যায় চিনের ক্ষতি কত? তথ্য গোপনের অভিযোগে কাঠগড়ায় ড্রাগনের দেশ

    China: নেপালের ভয়াবহ বন্যায় চিনের ক্ষতি কত? তথ্য গোপনের অভিযোগে কাঠগড়ায় ড্রাগনের দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে কয়েক দিন আগে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৫০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু হলেও একই দুর্যোগে চিনের তিব্বত অঞ্চলে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার প্রকৃত হিসাব পাওয়া কঠিন। তিব্বত থেকে পাওয়া তথ্যের উপর চিনা (China) সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণেই এই পরিস্থিতি বলে একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। চিনা কর্তৃপক্ষ এখনও পর্যন্ত জানিয়েছে, আকস্মিক বন্যার প্রবল স্রোতে কাদা ও বিশালাকার পাথর ভেসে এসে এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে (Flood Damage Assessment)। তবে নেপাল সীমান্তবর্তী চিনা অংশের গ্রামগুলিতে হাজার হাজার মানুষ বসবাস করতেন বলে ব্রিটিশ সংবাদপত্র গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    চিনের ক্ষতি কত (China)

    দুর্যোগের পর নেপালের সাংবাদিকেরা ঘটনাস্থলের দিকে যান। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে তাঁরা যতটা সম্ভব দুর্গত এলাকার কাছাকাছি পৌঁছনোর চেষ্টা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে ক্যামেরার সামনে তাঁদের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন সাংবাদিকেরা। ফলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের একটি সামগ্রিক চিত্র প্রকাশ্যে আসে।অন্যদিকে, চিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে মূলত উদ্ধারকাজ নিয়েই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বন্যার স্রোতে ঠিক কী কী ধ্বংস হয়েছে বা কতজনের মৃত্যু হয়েছে, সেই বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “তিব্বতের একটি ত্রাণকেন্দ্র থেকে সম্প্রচারিত প্রতিবেদনে চিনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক তাঁর পিছনে বসে থাকা কোনও মানুষের সঙ্গেই কথা বলেননি।”

    সুড়ঙ্গে আটকে বহু শ্রমিক

    তিব্বত চিনের কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঞ্চল। স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার দাবিতে সেখানে তিব্বতিদের বিক্ষোভের ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। এর মধ্যে আত্মদাহের ঘটনাও রয়েছে। চিনা সরকারের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত বিশেষ সফর ছাড়া বিদেশি সংবাদমাধ্যমের পক্ষে তিব্বতে সহজে প্রবেশ করাও কঠিন। এদিকে নেপালি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গে বহু শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সুড়ঙ্গের ভিতরে সফলভাবে একটি পাইপ ঢোকানোর পর তাঁদের উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে (China)।

    নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “ছোট ওই খোলা জায়গা দিয়ে বাতাস পাঠানো শুরু হয়েছে।” তবে বৃষ্টি এবং নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে নেপালের দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ উদ্ধারকারী দলগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে।

    আশঙ্কা করা হচ্ছে, এখনও ১০০-র বেশি শ্রমিক সুড়ঙ্গের ভিতরে জীবিত অবস্থায় আটকে থাকতে পারেন। ত্রিশূলী-৩এ এবং ত্রিশূলী-৩বি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকাতেই উদ্ধারকাজে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সুড়ঙ্গ ধসের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ায় এই ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ছে বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।

    রাষ্ট্রসংঘের বক্তব্য

    রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু বিষয়ক প্রধান সাইমন স্টিল এক বিবৃতিতে বলেন, “হিমবাহের আকস্মিক ধস এবং আকস্মিক বন্যা আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, পাহাড়ি পরিবেশ কতটা ভঙ্গুর হতে পারে।”

    এদিকে নেপালের উদ্ধার ও ত্রাণকাজে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং বিশেষ প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম নিয়ে ভারতের আরও একটি বিমান আজ কাঠমান্ডুতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    তিনি জানান, ভারতীয় বায়ুসেনার একটি সি-১৩০ বিমান নেপালে অতিরিক্ত সহায়তা নিয়ে পৌঁছেছে। বিমানে বিশেষজ্ঞ দল এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। এর (Flood Damage Assessment) মধ্যে রয়েছে সুড়ঙ্গ-সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের একটি দল, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজের সরঞ্জাম, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল এবং ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম (China)।

     

  • Nepal Floods: নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ধসে মৃত ১৬০, পাশে থাকার আশ্বাস মোদির, ১০ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠাল ভারত

    Nepal Floods: নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ধসে মৃত ১৬০, পাশে থাকার আশ্বাস মোদির, ১০ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৬০। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কয়েকশো মানুষ। এর (Nepal Floods) মধ্যে রয়েছেন অন্তত ১৩৩ জন ভারতীয় নাগরিকও। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেপালের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে ভারত (PM Modi)। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে প্রয়োজনীয় সব ধরনের মানবিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার একটি সি-১৩০ সুপার হারকিউলিস (C-130 Super Hercules) বিমানে করে নেপালে ১০ টন ত্রাণ ও উদ্ধার সামগ্রী পাঠানো হয়েছে।

    নেপালকে সমবেদনা ভারতের (Nepal Floods)

    ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তাঁর সমবেদনা এবং সহায়তার প্রস্তাবের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির “উষ্ণ সংহতির বার্তা” এবং “উদার সহায়তার প্রস্তাবে”র জন্য কাঠমান্ডু গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বলেন্দ্র বলেন, ‘‘এই সংহতির প্রকাশ আমাদের দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন। এই সম্পর্ককে আমরা গভীরভাবে মূল্য দিই।’’

    ‘‘নেপালের বোন ও ভাইদের পাশে ভারত’’

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নেপালের মানুষের পাশে ভারতের থাকার কথা জানান। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে ভারত সব ধরনের সম্ভাব্য মানবিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও আশ্বাস দেন তিনি। মোদি বলেন, ‘‘এই কঠিন সময়ে ভারতের মানুষ নেপালের তাঁদের বোন ও ভাইদের পাশে রয়েছে।’’ তিনি আরও জানান, ভারত নেপালকে সম্ভাব্য সব ধরনের মানবিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট দল উদ্ধার ও ত্রাণকাজ নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে বলেও জানান তিনি।

    ভোটে কোশি নদীর জলস্ফীতিতে ভয়াবহ বন্যা

    বুধবার নেপালের মধ্যাঞ্চলে আচমকাই ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভোটে কোশি নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ফলে রসুয়া ও ধাদিং জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অঞ্চলগুলি তিব্বত সীমান্তের কাছে অবস্থিত। পাশাপাশি নুওয়াকোট জেলায়ও বন্যার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

    প্রবল জলের তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু বসতি। একাধিক সেতু ভেসে গিয়েছে এবং অন্তত এক ডজন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কার্যকলাপ ব্যাহত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বন্যার পাশাপাশি ভূমিধস পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় দুর্গত এলাকায় উদ্ধার এবং ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছনোও কঠিন হয়ে উঠেছে।

    নেপাল-চিন সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। নেপালি পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ১৫৭টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে, তিব্বতের সীমান্তবর্তী একটি এলাকায় ভূমিধসের ঘটনায় আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম। সব (Nepal Floods) মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১৬০-এ পৌঁছেছে।

    তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, এখনও কয়েকশো মানুষ নিখোঁজ। উদ্ধারকারী বিভিন্ন দল দুর্গত এলাকাগুলিতে তল্লাশি চালাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ এবং কাদার নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (PM Modi)।

    নিখোঁজ ১৩৩ ভারতীয় নাগরিক

    নেপালের এই ভয়াল বন্যায় অন্তত ১৩৩ জন ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতীয় প্রশাসনও পরিস্থিতির উপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে। নিখোঁজ ভারতীয়দের সন্ধান এবং তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

    ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং বিদেশমন্ত্রক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে উদ্ধার ও দেশে ফেরাতে জরুরি বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করছে। নেপালের পাশাপাশি চিনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, বিশেষ করে রসুয়াগঢ়ি সীমান্ত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে (Nepal Floods)।

    ১০ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠাল ভারত

    দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ করেছে ভারত। ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে করে প্রায় ১০ টন ত্রাণ ও উদ্ধার সামগ্রী নেপালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম, মেডিক্যাল কিট এবং সৌরচালিত বাতিও রয়েছে। দুর্গত এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় সৌরবাতি উদ্ধারকাজে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়াও একটি সি-১৭ (C-17) সামরিক পরিবহণ বিমান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও উদ্ধার সামগ্রী দ্রুত নেপালে পাঠানো হতে পারে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (National Disaster Response Force) এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেপালে নিখোঁজ ভারতীয় নাগরিকদের বিষয়ে পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে উদ্ধারকারী দল ও বিশেষ সরঞ্জাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হবে।

    সীমান্তজুড়ে যৌথ উদ্ধার অভিযান

    রসুয়াগঢ়ি সীমান্ত অঞ্চল নেপাল ও চিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ হওয়ায় সেখানে বন্যা ও ভূমিধসের প্রভাব বিশেষভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। ওই এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চালানোর জন্য ভারত নেপাল ও চিন—দুই দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গেই সমন্বয় রেখে চলেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় একাধিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। রাস্তা ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুর্গত এলাকায় দ্রুত পৌঁছনো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে স্থলপথের পাশাপাশি বিমানপথে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন

    এই পরিস্থিতিতে ভারতের দ্রুত সাহায্য শুধু উদ্ধার ও ত্রাণকাজেই নয়, দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নেপালের দুর্যোগের সময়ে ভারতের এই সহায়তা দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন বলেই মনে করছে কাঠমান্ডু (নেপালের রাজধানী)। নেপালে উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। নিখোঁজদের সন্ধান, আহতদের চিকিৎসা এবং দুর্গতদের (PM Modi) নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য (Nepal Floods)। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা থাকায় উদ্ধারকারী দলগুলি ধ্বংসস্তূপ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। নিখোঁজ ভারতীয় নাগরিকদের সন্ধান (PM Modi) এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কাজও চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ (Nepal Floods)।

     

  • Taratala Godown Collapse: তারাতলায় মৃত বেড়ে ১৫, ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকে থাকার আশঙ্কা! তদন্তে গ্রেফতার কালীচরণ

    Taratala Godown Collapse: তারাতলায় মৃত বেড়ে ১৫, ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকে থাকার আশঙ্কা! তদন্তে গ্রেফতার কালীচরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় মৃত্যুমিছিল আরও দীর্ঘ হল। শুক্রবার ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে আরও দু’জনকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। এর ফলে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫। যদিও উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। ফলে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এখনও কেউ আটকে আছে কি না, এখনই বলা সম্ভব নয়। এটা এনডিআরএফ ও সেনা চূড়ান্ত জানালে, আমি কলকাতা পুলিশকে জানাব।” হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট ৩৩ জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

    বুধবারের ভয়াবহ দুর্ঘটনা

    বুধবার দুপুরে তারাতলার একটি নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ আচমকাই ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে কংক্রিটের বিশাল অংশ, লোহার বিম এবং নির্মাণসামগ্রীর নীচে চাপা পড়েন বহু শ্রমিক ও কর্মী। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কলকাতা পুলিশ, দমকল, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, এনডিআরএফ এবং পরে ভারতীয় সেনাবাহিনী। রাতভর উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। পরবর্তী সময়ে ক্রেন, হাইড্রোলিক কাটার, অত্যাধুনিক যন্ত্র এবং স্নিফার ডগ ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়। উদ্ধার হওয়া আহতদের ঘটনাস্থলে তৈরি অস্থায়ী চিকিৎসা শিবিরে প্রাথমিক চিকিৎসার পর এসএসকেএম-সহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি অংশ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সরানো হচ্ছে, কারণ এখনও ভিতরে কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মাঝেমধ্যে উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটলেও অভিযান বন্ধ করা হয়নি।

    তদন্তে সিট, গ্রেফতার একাধিক

    ঘটনার পরই রাজ্য প্রশাসন তদন্তভার দেয় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে এবং গঠন করা হয় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। তদন্তে নির্মাণে গাফিলতি, নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্ত নথি, অনুমোদনপত্র এবং প্রযুক্তিগত দিকও পরীক্ষা করছে তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুদাম নির্মাণ ও পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বিরুদ্ধে অতীতেও ফৌজদারি মামলার অভিযোগ ছিল বলেও জানা গিয়েছে।

    সিটের জালে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কে তিনি?

    এই তদন্তেই নতুন মোড় আসে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে। প্রথমে তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে সিট তাঁকে গ্রেফতার করে। ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, গুদাম নির্মাণের প্ল্যান কীভাবে অনুমোদন পেল এবং সেই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, সেই বিষয়েই মূলত তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এই ইস্যুতে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। একটি নথি দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, নির্মাণের অনুমোদনপত্রে তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কাঠামোগত ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। বিধানসভায় শুভেন্দু বলেন, “প্রাক্তন মেয়র জড়িত। দেখুন মাননীয় ফিরহাদ হাকিমের সই। দেখুন কীভাবে স্ট্রাকচারে ডিফেক্ট থাকা অবস্থাতেও প্ল্যান অ্যাপ্রুভ করেছেন।” একইসঙ্গে তিনি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, “কালীকে তুললেই সব হয়ে যাবে। পুরসভায় কালী না বললে কোনও প্ল্যান অ্যাপ্রুভ হয় না। আর কালী ক্যামাক স্ট্রিটের দ্বারা নিযুক্ত।” তবে এই অভিযোগের বিষয়ে ফিরহাদ হাকিম বা তাঁর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।

    পরিচয় জানার চেষ্টা, অভিযান অব্যাহত

    শুক্রবার উদ্ধার হওয়া দুই মৃতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তাঁদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন থানার নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা, আঙুলের ছাপ, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপ সম্পূর্ণ সরিয়ে নিশ্চিত না-হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলবে। একইসঙ্গে তদন্তে যদি কারও গাফিলতি, নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন বা আইনভঙ্গের প্রমাণ মেলে, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।

  • China: কয়লাখনিতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে চিনে হত অন্তত ৯০, কী বলছেন স্থানীয়রা?

    China: কয়লাখনিতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে চিনে হত অন্তত ৯০, কী বলছেন স্থানীয়রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাখনিতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে (Coal Mine Explosion) মৃত অন্তত ৯০ জন। মধ্য চিনের (China) শানসি প্রদেশের ঘটনা। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধে সাড়ে ৭টা নাগাদ বেজিং থেকে প্রায় ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে কিনইউয়ান কাউন্টির লিউশেনইউ কয়লাখনিতে গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের আগে খনিতে কার্বন মনোক্সাইডের উপস্থিতির ব্যাপারে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের সময় ভূগর্ভে ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। শনিবার বিকেল পর্যন্ত ১২৩ জন জীবিত উদ্ধার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তাঁদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ৩৩ জন বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।

    ধোঁয়ার মেঘ, সালফারের কটু গন্ধ (China)

    আহত খনি শ্রমিক ওয়াং ইয়ং রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভিকে জানান, দুর্ঘটনার সময় তিনি কোনও শব্দ শোনেননি। তবে ধোঁয়ার মেঘ দেখেছিলেন, সালফারের গন্ধও পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, “এটা ঠিক বিস্ফোরক ফাটানোর মতো। আমি সবাইকে দৌড়তে বলি। আমরা দৌড়নোর সময় দেখি ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় একে একে মানুষ পড়ে যাচ্ছে। এরপর আমিও অজ্ঞান হয়ে যাই।” ওয়াং জানান, ঘণ্টাখানেক পরে তাঁর জ্ঞান ফেরে। এরপর তিনি অন্য শ্রমিকদের জ্ঞান ফিরিয়ে একসঙ্গে খনি থেকে বেরিয়ে আসেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, ভর্তি হওয়া অধিকাংশ মানুষই বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের উচ্চচাপ অক্সিজেন থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। কিনইউয়ান পিপলস হাসপাতালের তরফে বেঁচে যাওয়া শ্রমিকদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং করানোর জন্য পরামর্শদাতাও নিয়োগ করা হয়েছে (China)।

    বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ

    এক চিকিৎসাকর্মী সংবাদ মাধ্যমে জানান, অধিকাংশ মৃত্যুরই কারণ ছিল বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ (Coal Mine Explosion)। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলা হয়েছে। তাই গ্রামবাসীদের একাংশ বাড়ি থেকে বের হতে বা ঢুকতে পারছেন না। বেজিং নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খনিটিতে তিনটি শিফটে কাজ হত। দুর্ঘটনার সময় মধ্য-শিফটের শ্রমিকরা ভূগর্ভে ছিলেন। উদ্ধারকাজে অংশ নেন ৪০০-রও বেশি কর্মী। এর মধ্যে সাতটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিমও ছিল। উদ্ধারকারীরা জানান, খনির গভীরতা এবং খাড়া ঢালের কারণে উদ্ধারকাজ চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছিল। কারণ আহত শ্রমিকদের ওপরে তুলে আনাটা ছিল খুবই চ্যালেঞ্জিং। তাঁদের আশঙ্কা, বিস্ফোরণের পর জলস্তর বেড়ে যাচ্ছিল। এটি পাইপলাইন বা পাম্পিং সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ইঙ্গিত হতেও পারে (China)। আরও একটি সমস্যা ছিল, খনির মালিকদের দেওয়া নকশা ভূগর্ভস্থ কাঠামোর সঙ্গে মিলছিল না। তাই উদ্ধারকারীদের নয়া পরিকল্পনা তৈরি করতে হয়।

    বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

    প্রাথমিক প্রতিবেদনে মাত্র আটজন নিহতের কথা বলা হলেও, পরে হঠাৎই বাড়তে থাকে মৃতের সংখ্যা। যদিও এর কোনও কারণই জানানো হয়নি। প্রসঙ্গত, গত বছরই খনিটি নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের জন্য দুটি প্রশাসনিক শাস্তি পেয়েছিল। অভিযোগগুলির মধ্যে ছিল জরুরি স্টপ মেকানিজমের ত্রুটি এবং ধসে পড়া ছাদের এলাকায় যথাযথ সাপোর্ট না দেওয়া (Coal Mine Explosion)। কোম্পানিটি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে কাজ করতেন ১,৭০০-রও বেশি কর্মী। চাংশি মিউনিসিপাল এনার্জি ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, খনিটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ১২ লাখ টন কয়লা। এটি একটি ‘হাই-গ্যাস মাইন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত। এর অর্থ হল, খনিটিতে বিপজ্জনক মাত্রায় মিথেন গ্যাস রয়েছে (China)।

    ভয়াবহ কয়লাখনি দুর্ঘটনা

    উল্লেখ্য, গত এক দশকের মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ কয়লাখনি দুর্ঘটনা। যদিও চিন খনিগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করেছে, তবুও নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping) উদ্ধারকারীদের সব রকম চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দেন। এও জানান, দুর্ঘটনার জন্য দোষীদের জবাবদিহি করা হবে। তিনি বলেন, “সব অঞ্চল ও বিভাগকে এই দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে (Coal Mine Explosion)। বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঝুঁকি ও গোপন বিপদ দূর করতে হবে (China)।”

     

  • Tamil Nadu Flood: প্রবল বর্ষণে প্লাবিত দক্ষিণ তামিলনাড়ু! উদ্ধার কাজে নৌসেনা-বায়ুসেনা

    Tamil Nadu Flood: প্রবল বর্ষণে প্লাবিত দক্ষিণ তামিলনাড়ু! উদ্ধার কাজে নৌসেনা-বায়ুসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল ভারী বর্ষণে জলমগ্ন দক্ষিণ তামিলনাড়ু (Tamil Nadu Flood)। উদ্ধার কাজে নেমেছে সেনা। জেলাগুলির মধ্যে তিরুনেলভেলি এবং তুথুকড়ি সহ বেশ কিছু এলাকায় বন্যার পরিস্থিতিতে সাধারণ জনজীবন অত্যন্ত বিপর্যস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ত্রাণ সহায়তায় জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকার একযোগে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। আকাশ পথে সবরকম সাহায্যের সামগ্রী পাঠানোর কাজ করছে ভারতীয় বায়ুসেনা। জানা গিয়েছে, ঘূর্ণাবর্তের কারণে তুতিকোরিন, তেনকাশি, তিরুনেলভেলি এবং কন্যাকুমারী জেলায় শনিবার ভোর থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

    কী বলেছে বায়ু সেনা (Flood Tamil Nadu)?

    ভারতীয় বায়ুসেনা একটি পোস্টে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu Flood) গত ২৪ ঘণ্টায় অতি বর্ষণে তামিলনাড়ুর বিস্তৃত এলাকা জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। তিরুনেলভেলি এবং তুথুকড়ি জেলার অবস্থা সবথেকে বেশি এলাকা প্লাবিত। ইতিমধ্যে এইএএফ উদ্ধার কাজে নেমেছে। বর্তমানে এমআই-১৭ ভি৫ হেলি কাপ্টার উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে।”

    কী বলেছে ভারতীয় সেনা?

    ভারতীয় সেনার তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu Flood) লাগাতার বৃষ্টিপাতের কারণে সেনাবাহিনীর ত্রাণ কলামটি ভাসাইপুরমে বন্যার পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সেনার প্রথম কলাম ১৭ জন মহিলা এবং শিশু সহ সাধারণ ১৩ জনকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। আবার দ্বিতীয় কলাম একজন গর্ভবতী সহ মত ১২ জন মহিলাকে অন্যত্র সরিয়েছে। পাশাপাশি এক সদ্যজাত সহ ৬ শিশু এবং ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর তৃতীয় কলাম একসঙ্গে আরও ২৬ মহিলা, ১০ শিশু এবং ১৮ জনকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে।”

    তৎপর রাজ্য সরকার

    এই প্রবল বর্ষণকে কেন্দ্র করে রবিবার তামিলনাড়ুর (Flood Tamil Nadu) মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন। ইতিমধ্যে সোমবার থেকে ত্রাণের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে উদ্ধারকারী দল। তিন জেলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য একজন আমলা নিয়োগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। এছাড়াও ৫০ সদস্যের আরও দুটি বিপর্যয় মোকাবিলা দল নিয়োগ করা হয়েছে উদ্ধার কাজে। ইতিমধ্যে ৮ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ৮৪টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: দুর্ঘটনার ৫ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, উত্তরকাশী গেল পিএমও দল

    Uttarkashi Tunnel Collapse: দুর্ঘটনার ৫ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, উত্তরকাশী গেল পিএমও দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে ধসের (Uttarkashi Tunnel Collapse) পর কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন। এখনও উদ্ধার করা যায়নি সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪০ জন শ্রমিককে। বাইরে থেকে অক্সিজেন এবং খাবার সরবরাহ করা হলেও, ক্রমেই মনে-প্রাণে ধ্বস্ত হয়ে পড়ছেন আটকে থাকা শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন এ রাজ্যের তিনজনও।

    উত্তরকাশীতে পিএমও-র দল

    উদ্ধারকার্য খতিয়ে দেখতে পিএমও-র একটি দল গিয়েছে উত্তরকাশীতে। জানা গিয়েছে, উদ্ধারকারী দল শুক্রবার পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সুড়ঙ্গের ২৪ মিটার অবধি যেতে পেরেছে। যদিও সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে যেতে হবে ৬০ মিটার। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে পাঁচ নম্বর পাইপটি ঢোকানো হচ্ছে সুড়ঙ্গ পথে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের খাবার এবং জল সরবরাহ করা হচ্ছে। চলছে সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিংও। তাঁরা সাইকোলজিক্যাল এক্সপার্টদের সঙ্গে কথাও বলছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।

    ইন্দোর থেকে আসছে নয়া মেশিন

    জানা গিয়েছে, আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel Collapse) উদ্ধার করতে এতদিন যেসব মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলির পাশাপাশি নতুন মেশিন আনা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এখন যে মেশিন কাজ করছে, সেটি ডিজেল চালিত মেশিন। মেশিনটি এনক্লোজড এলাকায় কাজ করছে। তাই ভেন্টিলেশনের জন্য কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখতে হচ্ছে মেশিনটি। মেশিনটি চলাকালীন ব্যাপক কম্পনও হচ্ছে। সমস্যা মেটাতে ইন্দোর থেকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে অগার মেশিন। উদ্ধারকার্যে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই এই ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা দেয়নি মমতা সরকার! অভিযোগ শুনতে কল-সেন্টার চালু করছে বিজেপি?

    উদ্ধারকার্য ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন সংস্থার ৬৫ জন কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন এবং ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ। উদ্ধারকার্যে শামিল হয়েছেন থাইল্যান্ড ও নরওয়ের উদ্ধারকারী দলের বিশেষজ্ঞরাও। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানান, জায়েন্ট ড্রিল মেশিনের সাহায্যে সুড়ঙ্গে ৮০০-৯০০ মিলিমিটার ডায়ামিটারের পাইপ ঢোকানো হচ্ছে। এভাবেই তৈরি করা হবে জায়গা। তার পরেই উদ্ধার করা সম্ভব হবে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel Collapse)। এদিকে, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে পুজো-আচ্চা শুরু হয়েছে সুড়ঙ্গের মুখে। প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরে জাতীয় সড়কের ওপর সুড়ঙ্গ তৈরি করতে গিয়ে ধস নামে। আটকে পড়েন শ্রমিকরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share