Tag: resignation

resignation

  • Sushmita Dev Resigns: মমতার দলে মহাভাঙন! সুখেন্দুর পর তৃণমূল-রাজ্যসভা ছাড়লেন সুস্মিতা দেব, হিমন্তের সঙ্গে বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

    Sushmita Dev Resigns: মমতার দলে মহাভাঙন! সুখেন্দুর পর তৃণমূল-রাজ্যসভা ছাড়লেন সুস্মিতা দেব, হিমন্তের সঙ্গে বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর দলের অভ্যন্তরীণ সংকট ক্রমশ গভীরতর হচ্ছে। সেই সংকটের মাঝেই বুধবার (১০ জুন) তৃণমূল কংগ্রেস এবং রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ সুস্মিতা দেব (Sushmita Dev)। তাঁর এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। একই দিনে দিল্লিতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির শীর্ষ নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Himanta Biswa Sarma) সঙ্গে তাঁর বৈঠক নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিয়েছে। সুস্মিতা দেবের পদত্যাগকে অনেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে চলা বৃহত্তর বিদ্রোহের অংশ হিসেবে দেখছেন। এর আগে রাজ্যসভার সাংসদ শুখেন্দুশেখর রায় দল ও সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। পাশাপাশি, লোকসভার সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও তৃণমূলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

    কে এই সুস্মিতা দেব?

    সুস্মিতা দেব দেশের এক সুপরিচিত রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। তিনি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা। তাঁর মা বীথিকা দেব অসমের শিলচর কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন সুস্মিতা। ২০১১ সালে কংগ্রেসের টিকিটে অসমের শিলচর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের হয়ে শিলচর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশ করেন। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তিনি লোকসভায় কংগ্রেসের অন্যতম সক্রিয় সাংসদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

    ৫ বছরের মেয়াদ তৃণমূলে

    কংগ্রেসের সঙ্গে দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্কের ইতি টেনে ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। উত্তর-পূর্ব ভারতে, বিশেষ করে অসম ও ত্রিপুরায় দলের বিস্তারের লক্ষ্যে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সময় তৃণমূল তাঁকে উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম মুখ হিসেবে তুলে ধরেছিল। দলে যোগদানের পর তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানো হয়। ২০২১ সালে প্রথমবার রাজ্যসভার সদস্য হন তিনি। পরে ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য মনোনীত হন। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১০ জুন ২০২৬-এ তিনি পদত্যাগ করলেন।

    পদত্যাগপত্রে কী লিখলেন সুস্মিতা?

    রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের উদ্দেশে লেখা পদত্যাগপত্রে সুস্মিতা দেব লেখেন, ‘‘আমি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে অবিলম্বে ইস্তফা দিচ্ছি। আমার কার্যকালের সময় সহযোগিতা ও সহমর্মিতার জন্য রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান এবং সচিবালয়ের সমস্ত আধিকারিককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’’ তবে পদত্যাগপত্রে দলত্যাগের কারণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

    বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন সুস্মিতা?

    পদত্যাগের পরই দিল্লিতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে সুস্মিতা দেবের বৈঠক রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, একসময় দু’জনেই কংগ্রেসে ছিলেন। পরে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বিজেপিতে যোগ দেন এবং বর্তমানে দলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতে সুস্মিতা দেবের বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ রাখছে না। যদিও এখনও পর্যন্ত তিনি বা বিজেপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

    তৃণমূলে বিদ্রোহের আগুন

    সুস্মিতা দেবের পদত্যাগের আগে মঙ্গলবারই তৃণমূল ছেড়েছেন সুখেন্দু শেখর রায় (Sukhendu Sekhar Roy)। পদত্যাগের সময় তিনি সরাসরি দলীয় নেতৃত্বের সমালোচনা করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের নির্বাচনী বিপর্যয় আসলে ‘‘১৫ বছরের নৈরাজ্যপূর্ণ শাসনের ফল’’। এদিকে লোকসভায় তৃণমূলের প্রায় ২০ জন সাংসদ পৃথক গোষ্ঠী গঠনের পথে হাঁটছেন বলে খবর। এই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে আলাদা আসন বরাদ্দের আবেদন করেছেন। কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar) বলেছেন, ‘‘আমরা ২০ জন সাংসদ স্পিকারের কাছে পৃথক বসার ব্যবস্থা চেয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করব।’’ এই মন্তব্য কার্যত তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান বলেই মনে করা হচ্ছে।

    এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার জল্পনা

    বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের ধারণা, বিদ্রোহী গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)-তে যোগ দিতে পারে। তবে ভারতের সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ-বিরোধী আইনের কারণে বিষয়টি সহজ নয়। আইন অনুযায়ী কোনও দলের সংসদীয় গোষ্ঠী ভেঙে আলাদা সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সংখ্যা ২০ বলে দাবি করা হলেও, তা আইনি স্বীকৃতির জন্য যথেষ্ট কি না তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একইভাবে রাজ্যসভায় তৃণমূলের ১৩ জন সাংসদের মধ্যে অন্তত ৯ জনের সমর্থন প্রয়োজন হবে।

    সংকট সামলাতে সক্রিয় শীর্ষ নেতৃত্ব

    দলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মাঝেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে বৈঠক করেছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কংগ্রেস সংসদীয় দলের প্রধান সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধী ঐক্য রক্ষা এবং দলের ভাঙন রোধ করাই এই বৈঠকগুলির অন্যতম উদ্দেশ্য।

    বিধানসভাতেও অস্থিরতা

    সংসদের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাতেও তৃণমূলের অন্দরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) নেতৃত্বে একটি পৃথক গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে ৫৮ জন বিধায়ক রয়েছেন। পরবর্তীতে বিরোধী শিবিরের নেতা হিসেবে রিতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করা হয়েছে এবং তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

    তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের আরও একটি বহিঃপ্রকাশ

    সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র একজন সাংসদের দলত্যাগ নয়, এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের আরও একটি বহিঃপ্রকাশ। উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত সুস্মিতা দেবের প্রস্থান তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, যদি বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সত্যিই এনডিএ-র দিকে ঝুঁকে পড়েন, তবে তা শুধু সংসদীয় সমীকরণ নয়, পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেও নতুন মোড় দিতে পারে। এখন নজর থাকবে— সুস্মিতা দেবের পর আর কতজন সাংসদ বা নেতা তৃণমূল ছাড়েন এবং বিদ্রোহী শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়।

  • TMC Inner Clash: তৃণমূলের পদ ছাড়লেন কাকলি, দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলরও

    TMC Inner Clash: তৃণমূলের পদ ছাড়লেন কাকলি, দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতা খোয়াতেই টলোমলো হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রীর আসন (TMC Inner Clash)। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে রোজকার যে ভিড়টা দেখা যেত, সেই চেনা ছবিটাও তো দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আর দেখা যাচ্ছে না। রাজ্যে বিপুল জনাদেশ নিয়ে (Calcutta Municipal Corporation) বিজেপি নবান্নের কুর্সিতে বসতেই তৃণমূল নেত্রীর পাশ থেকে সরে গিয়েছে স্তাবকের দল। আক্ষরিক অর্থেই একা মমতা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছেন ‘নকল বুঁদি গড়’ রক্ষা করতে। তবে তিনি সেই ‘গড়’ কতদিন আগলে রাখতে পারবেন, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। কারণ, ছাব্বিশের নির্বাচনে দল খাদে পড়ে যেতেই তৃণমূল নেত্রীর পাশ থেকে সরে যেতে শুরু করেছেন এক এক করে বহু প্রবীণ নেতাও।

    পদ ছাড়লেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি (TMC Inner Clash)

    এই যেমন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তৃণমূলের টিকিটে জিতে সংসদে গিয়েছেন কাকলি। ইদানিং তিনিই শুরু করেছেন বেসুরো গাইতে। দিন তিনেক আগে কাকলি ছেড়েছিলেন জেলা সভাপতির পদ। এবার তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন-সহ সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে দলীয় নেতৃত্বকে চিঠি দিলেন কাকলি। কারণ, কাকলির ‘বিলম্বিত বোধদয়’! শুধু তা-ই নয়, তৃণমূল জমানায় রাজ্যে হওয়া একের পর এক কেলেঙ্কারি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নাম না করে কাকলি আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূলেরই শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কাকলিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে কল্যাণকে। তার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কাকলি লেখেন, “’৭৬ থেকে পরিচয়, ‘৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।”

    কাকলির বিলম্বিত বোধদয়!

    তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে কাকলি লিখেছেন, ‘দুর্নীতি থেকে আরজিকরকাণ্ড তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।’ বুধবার তিনি লেখেন, “আমার বিবেক আজ গভীরভাবে আলোড়িত। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি-সহ একাধিক আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে।’ কাকলি জানান (TMC Inner Clash), ২০২৪ সালে আরজিকর মেডিকেল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনাকে ‘সম্ভাব্য ধামাচাপার অভিযোগ’ সমাজকে স্তম্ভিত করেছে। তার অভিঘাত তিনি অনুভব করেছেন। তৃণমূলের সাংসদ লিখেছেন, ‘যে পদে থাকাকালীন মহিলা সাংসদের ওপর অন্য এক জন অশিক্ষিত, অভদ্র দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণ বন্ধ করা যায় না বা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সহযোগিতা-সহানুভূতি পাওয়া যায় না, তখন আর সে পদে থাকার মানে হয় না।”

    কাকলির নিশানায় আইপ্যাক

    ওই চিঠিতেই কাকলি চাঁদমারি করেছেন আইপ্যাককে। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এই সংস্থাই ছিল তৃণমূলের পরামর্শদাতা। তিনি জানান, আইপ্যাক নিয়ে নানা মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। সেগুলিও তাঁকে বিচলিত করেছে (Calcutta Municipal Corporation)। কাকলি লিখেছেন, “যদি কোনও অস্বচ্ছ ও অগণতান্ত্রিক প্রভাব ক্রমশ সংগঠনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তবে তা দলের আদর্শ ও ঐতিহ্যের পক্ষে শুভ হতে পারে না বলেই আমি মনে করি।” তৃণমূলের এই প্রবীণ নেত্রী জানান, তিনি তৃণমূলের সাধারণ কর্মী। কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা অভিমান থেকে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেননি। দল, গণতন্ত্র এবং মানুষের প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিলেন তিনি।

    পদ ছাড়লেন সুশান্ত-অরূপ

    এদিকে, মঙ্গলবারই কাউন্সিলরদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করতে। তৃণমূল সুপ্রিম সেই নির্দেশের পর ২৪ ঘণ্টাও পেরোয়নি, গুরুত্বপূর্ণ পদে ইস্তফা দিলেন কলকাতা পুরসভার দুই তৃণমূল কাউন্সিলর – সুশান্ত ঘোষ এবং অরূপ চক্রবর্তী। বুধবার ১২ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেন সুশান্ত। আর মিউনিসিপ্যাল অ্যাকাউন্টস কমিটির পদে ইস্তফা দেন অরূপ চক্রবর্তী (TMC Inner Clash)। সুশান্ত এবং অরূপ যথাক্রমে ১০৮ এবং ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

    বিজেপিকে ধন্যবাদ সুশান্তর

    সুশান্ত বলেন, “মানুষ যাঁদের ক্ষমতায় এনেছেন, তাঁদের কাজ করতে দেওয়া উচিত। দলের যেসব মন্ত্রী জেড প্লাস, ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, গত কয়েকদিনে তাঁদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এঁদের জন্যই মমতার ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারতাম না। বিজেপিকে ধন্যবাদ। ওদের জন্য আমাদের দলের অনেককে ঘরে ফেরাতে পেরেছি। বাকিদের ফিরিয়ে আনলে আমাদের দায়িত্ব শেষ।” তিনি বলেন, “২০২০ সালে আমার ওপর আক্রমণ হয়। ২০২৪ সালেও ফের আক্রমণ হয়। অবাক করা ব্যাপার হল, আমার সরকার ঠিক করে তদন্তটাও করেনি। অদ্ভুতভাবে মূল দুষ্কৃতীর জামিন হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবীর ব্যবস্থা করে বাকি অভিযুক্তদের আটকে রেখেছি। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, এই তদন্তটা দেখতে (Calcutta Municipal Corporation)।”

    কেষ্টু-বিষ্টুরা কোথায়?, প্রশ্ন অরূপের

    অরূপ বলেন, “মমতাদি-অভিষেক ছাড়া বাকি নেতৃত্ব কই? বাকি কেষ্টু-বিষ্টুরা কোথায়? যাঁদের কনভয়ের আগে চার-পাঁচটা করে গাড়ি থাকত? জনাদেশ আমাদের বিপক্ষে গিয়েছে। এটা আমাদের মানতে হবে। হার স্বীকার করতে হবে। ছাব্বিশের হার না মানা মানে বাকি সব জয় মিথ্যে হয়ে যায়। গণতন্ত্রে মানুষের রায়কে মান্যতা দিতেই হবে।” তিনি বলেন, “কেউ ক্ষমতায় সারাজীবন থাকে না। সিপিএম ভেবেছিল থাকবে, নেই। এখন আমরা নেই। মমতার বাড়িতে রবীন্দ্র-জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যেসব সেলিব্রিটি ছিলেন, তাঁরা কোথায় (TMC Inner Clash)?” এদিন দুপুরে পুর-কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন সুশান্ত-অরূপ। পরে তাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ঘরে গিয়েও।

    জনাদেশ মাথা পেতে নিয়ে ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। তিনি পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন (Calcutta Municipal Corporation)। ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের ভরাডুবির জেরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দেবলীনা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দলনেত্রী স্বয়ং গোহারা হারতেই আর ‘রিস্ক’ নেননি তিনি (TMC Inner Clash)।

     

  • Justin Trudeau: ঘরে-বাইরে সমালোচনার জের, আজই পদত্যাগ করছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো?

    Justin Trudeau: ঘরে-বাইরে সমালোচনার জের, আজই পদত্যাগ করছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করতে চলেছেন কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)! কানাডার একটি সংবাদপত্রের দাবি, আজ, সোমবারই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে পারেন তিনি। নিতান্তই যদি তা না হয়, তবে চলতি সপ্তাহে বুধবারের আগেই লিবারাল পার্টির নেতা হিসেবে পদত্যাগ করবেন ট্রুডো। সংবাদপত্র ‘দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেল’ এমনতর দাবি করলেও, প্রধানমন্ত্রীর দফতর কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

    মুখ রক্ষা করার চেষ্টা ট্রুডোর! (Justin Trudeau)

    দলীয় সদস্যপদ ছাড়ার পরেও তিনি প্রধানমন্ত্রী থেকে যাবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রসঙ্গত, চলতি বছর অক্টোবরে কানাডায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন হওয়ার কথা। বিভিন্ন সংস্থার করা সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, ওই নির্বাচনে ট্রুডোর দলের পরাজয় এক প্রকার অবশ্যম্ভাবী। হারতে পারেন ট্রুডো স্বয়ংও। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই আগেভাগে পদত্যাগ করে মুখ রক্ষা করতে চাইছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। কানাডার সংসদের বহু সাংসদ ট্রুডোর অপসারণ চাইছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিন, চাইছেন তাঁর দলের সাংসদরাও। এমতাবস্থায় ট্রুডোর কাছে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়া ছাড়া আর কোনও পথ খোলা নেই বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    প্রধানমন্ত্রী পদে ৯ বছর

    ২০১৩ সালে লিবারাল পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ট্রুডো। গত ৯ বছর ধরে তিনি রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদে। নানা কারণে বর্তমানে তাঁর জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে। তাঁর আন্তর্জাতিক নীতি নিয়েও দেশের মধ্যেই সমালোচিত হয়েছেন তিনি। আগামী নির্বাচনে ট্রুডোর (Justin Trudeau) দল গোহারা হারবে বলে বিভিন্ন নির্বাচনী সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছে। আগামী নির্বাচনে কানাডায় কনজারভেটিভ পার্টি ক্ষমতায় আসছে বলেও জানিয়েছে ওই সমীক্ষা। এহেন পরিস্থিতিতে কিছুদিন আগে হঠাৎই পদত্যাগ করেন কানাডার উপমুখ্যমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। তার পর থেকে দেশের অভ্যন্তরে ট্রুডো-বিদ্বেষ বাড়ছে বই কমছে না।

    আরও পড়ুন: সাধুর ভিড়ে মহাকুম্ভে হানা দিতে পারে জঙ্গিরা, কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    সমস্যা মেটানোর যে কোনও চেষ্টা ট্রুডো করেননি, তা নয়। মন্ত্রিসভায় রদবদল করেছেন তিনি। তার পরেও অব্যাহত রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাওয়ার চাপ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রুডো পদত্যাগ করলে এগিয়ে আনা হতে পারে সাধারণ নির্বাচন। ততদিন কে চালাবেন দেশ, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমের খবর। ভারত বিরোধিতার খেসারত কি ট্রুডোকে (Justin Trudeau) গদি হারিয়েই দিতে হবে? প্রশ্নটা কিন্তু উঠছেই (Canada)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন তাঁরই দলের সাংসদরা! ঘোর বিপাকে ট্রুডো

    Justin Trudeau: কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন তাঁরই দলের সাংসদরা! ঘোর বিপাকে ট্রুডো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোর বিপাকে কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। এবার তাঁর পদত্যাগ দাবি করলেন তাঁরই দলের এমপিরা! ট্রুডোকে পদত্যাগের জন্য সময়ও বেঁধে দিয়েছেন লিবারেল পার্টি অফ কানাডার এমপিরা। ট্রুডোর এই দলের সাংসদরা জানিয়ে দিয়েছেন, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে।

    রুদ্ধদ্বার বৈঠক (Justin Trudeau)

    স্থানীয় সময় বুধবার কানাডার পার্লামেন্টে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন তাঁর দলের সাংসদরা। সেখানে ট্রুডোর কাজকর্ম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। এই বৈঠকেই ট্রুডোকে পদত্যাগের জন্য আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। তবে এই সময়সীমার মধ্যে ট্রুডো পদত্যাগ না করলে কী হবে, তা অবশ্য জানানো হয়নি। গত ৯ বছর ধরে কানাডায় প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন ট্রুডো। ক্রমশ কমতে থাকে তাঁর জনপ্রিয়তা। আগামী বছরের অক্টোবরে কানাডায় সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই নিজের দলেই ট্রুডোর পদত্যাগের দাবি উঠল। জানা গিয়েছে, ২৪ জন সাংসদ আল্টিমেটাম দিয়ে পদত্যাগ করতে বলেছেন ট্রুডোকে। যদিও বৈঠকে ট্রুডোর প্রথম পদত্যাগের দাবি তোলেন ব্রিটিশ কলম্বিয়ার এমপি প্যাট্রিক ওয়েলার। তাঁর সঙ্গে গলা মেলান একে একে ২৩ জন। যদিও এই ‘বিদ্রোহী’রা কেউই ট্রুডো (Justin Trudeau) মন্ত্রিসভার সদস্য নন।

    ট্রুডোর পদত্যাগ দাবি

    কানাডার পার্লামেন্টে ট্রুডোর দলের সাংসদ রয়েছেন ১৫৩ জন। তাই ট্রুডো যে আল্টিমেটাম মেনে পদত্যাগ করবেনই, তার কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। এ ব্যাপারে ট্রুডো স্বয়ংও কিছু বলেননি। তবে ট্রুডোর কোনও বিকল্প নেতাও এই মুহূর্তে তার দলে নেই। সিবিসি পোল ট্র্যাকারের সমীক্ষা বলছে, বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টি ট্রুডোর দলের তুলনায় জনপ্রিয়তার নিরিখে ২০ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে। যেহতু বছরখানেক পরেই নির্বাচন, তাই ট্রুডোর দলের নেতাদের একাংশ চাইছে না ট্রুডোকে সামনে রেখে নির্বাচনে যেতে। তাঁরাই ট্রুডোর পদত্যাগ দাবি করেছেন বলে খবর। ট্রুডোর দলের নেতাদের আশঙ্কা, ট্রুডো পদ না ছাড়লে নির্বাচনে তাঁদের দল তৃতীয় স্থানে চলে যাবে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের কল্যাণকে বরখাস্ত করার সুপারিশ বিজেপির, স্পিকারকে চিঠি তিন সাংসদের

    খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে ভারতকে দোষারোপ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। তার জেরে অবনতি ঘটে ভারত-কানাডা সম্পর্কে। তা নিয়ে অসন্তোষের আগুন ধূমায়িত হচ্ছিল ট্রুডোর দলের অন্দরেই। এবার দলীয় সাংসদরা তাঁর (Canada) পদত্যাগ দাবি করায় সেই ক্ষোভই প্রকাশ্যে এল বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Justin Trudeau)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Paschim Medinipur: “অপেক্ষা করুন, সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেবেন দেব”, শুভেন্দুর ঘোষণায় জোর জল্পনা

    Paschim Medinipur: “অপেক্ষা করুন, সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেবেন দেব”, শুভেন্দুর ঘোষণায় জোর জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার তিনটি প্রশাসনিক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দেব অধিকারী। ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বলেছেন, “সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেবেন।” ২০১৪ সালে লোকসভায় ঘাটাল কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে একটি ভাইরাল ভিডিওতে ফিরহাদ হাকিমকে বলতে শোনা গিয়েছিল, দেবের ভোটে দাঁড়ানোর কোনও ইচ্ছে ছিল না। তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশে একপ্রকার বাধ্য হয়ে ভোটে লড়েছিলেন। সাংসদের এই প্রশাসনিক পদত্যাগে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। তাহলে কি এবার তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করবেন? প্রশ্ন উঠেছে।

    দেব সম্পর্কে শুভেন্দু ঠিক কী বললেন?

    দেব গতকাল রাজ্য সরকারের তিনটি প্রশাসনিক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তিনটি পদ হল, বীরসিংহ (Paschim Medinipur) উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান, ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি এবং ঘাটাল রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি। জেলাশাসকের কাছে চিঠি লিখে ইস্তফা দেন দেব। এরপর কাঁথির এক দলীয় বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করে শুভেন্দু বলেন, “অপেক্ষা করুন, সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেবেন দেব। এ তো সবে সকাল, এখনও দুপুর হয়নি। অপেক্ষা করুন না, সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করবেন দেখে নিন।” এখন এই মন্তব্যে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। আবার বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, “দুর্নীতির অভিযোগের কারণে দেবকে সিবিআই ডেকেছিল। আবারও ডাকবে। দুর্নীতি থেকে বাঁচতে বিজেপির ভয়ে পদত্যাগ করছেন।”

    সুকান্তের বক্তব্য

    ঘাটালের সাংসদ (Paschim Medinipur) দেবের সরকারি পদে পদত্যাগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “গরু ও কয়লা পাচারের টাকা দেবের ফিল্মে লগ্নি হয়েছিল বলে তাঁকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তখন যা বলেছিলাম সেটাই আবার বলছি। সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে নরকবাস। দেব ভালো ছেলে। কথাবার্তাও ভালো। লোকসভায় আমার সঙ্গে কথা হয়। আমি তাঁকে শুধু এটুকুই বলব, অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করা উচিত। তাহলে নরকবাসের চান্স অন্তত থাকবে না। স্বর্গবাস হবে কী, জানি না। অন্তত নরকবাসের সম্ভাবনা থাকবে না। দেবের সঙ্গে কথা বলে আমি যতটুকু বুঝেছি তাতে আগামী দিনে ওঁর ভোটে দাঁড়ানোরও ইচ্ছা নেই।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনার পর থেকে পাঁশকুড়া (Paschim Medinipur) বাসস্ট্যান্ড-সহ কলেজ মোড় এলাকায় দেবের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়তে দেখা গিয়েছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “দুর্নীতি ঢাকতে বিজেপির ভয়ে বিভিন্ন প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করলেন দেব।” সাংসদের এই পদত্যাগের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান শঙ্কর দোলই বলেন, “দেব একজন ভালো মানুষ। বিজেপি কুৎসা রটাচ্ছে। বিজেপির অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমরা রাস্তায় নামবো।” আবার একই বিষয়ে ফালাকাটা থেকে রবিবার রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, “দেব আমাদের সঙ্গে ছিলেন এবং আছেন।” সাংসদ ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, ব্যক্তিগত কারণে দেব পদত্যাগ করেছেন। তবে এই বিষয়ে সাংসদ এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dev: ভোটে কি দাঁড়াবেন না দেব! তিন সরকারি পদ থেকে ইস্তফা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Dev: ভোটে কি দাঁড়াবেন না দেব! তিন সরকারি পদ থেকে ইস্তফা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এবারের লোকসভা ভোটে ঘাটাল থেকে টলিউডের হিরো দেবকেই (Dev) (দীপক অধিকারী) প্রার্থী করতে চান তিনি। দলনেত্রীর নির্দেশ থাকলে তিনিও যে ভোটে লড়তে প্রস্তুত, অভিনেতা-সাংসদ সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু, ওই ইঙ্গিত দেওয়ার মাসখানেকের মধ্যেই তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় এবার লোকসভা ভোটে কি তিনি দাঁড়াবেন না তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা (Dev)

    লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেব (Dev)। শুধু তা-ই নয়, ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি ও বীরসিংহ উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। এতেই জল্পনা তৈরি হয়েছে, তিনটি সরকারি কমিটি থেকে পদত্যাগের মধ্য দিয়ে কি লোকসভা ভোটে লড়তে না চাওয়ারই বার্তা দিলেন সাংসদ? যদিও এই বিষয়ে সাংসদ দেব এর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  মমতার নির্দেশ আসার আগে দেব বলেছিলেন, ‘যদি সম্ভব হয়, ২০২৪- এর লোকসভা ভোটে আর দাঁড়াতে চাই না।’ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় দলের একাংশের বক্তব্য ছিল, ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দলুইয়ের সঙ্গে ‘বিবাদে’র জেরেই রাজনীতি সম্পর্কে ‘বীতশ্রদ্ধ’ হয়ে পড়েছেন দেব। যদিও সাংসদ সে কথা কখনওই নিজের মুখে স্বীকার করেননি। দলেরও কেউ এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে, ইস্তফাপত্র দেওয়ার পিছনে তৃণমূলের কোন্দল রয়েছে কি না তা নিয়ে চর্চা চলছে।

    বিজেপির ভয়ে পদত্যাগ!

    তিনটি সরকারি কমিটি থেকে দেবের ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিজেপি  বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, ‘এটা তো হওয়ারই ছিল। কারণ এতগুলো পদ নিয়ে বসে আছেন, চালাতে পারছেন না। এটা একটা কারণ হতে পারে। অন্য একটি কারণ, দীর্ঘদিন পর হয়তো বুঝতে পেরেছেন, তৃণমূল মানে চোর, আর চোর মানেই তৃণমূল। সেই অনুভূতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে চাইছেন। হতে পারে, লোকসভা নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। বর্তমানে তিনি তৃণমূলকে হয়তো ঘৃণা করতে শুরু করেছেন। আর শেষ সময় বুঝতে পারছেন, বিজেপি আসছে, কৈফিয়ত দিতে হবে। বিজেপির ভয়ে পদত্যাগ করলেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Liz Truss : ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী,  আজীবন বার্ষিক ভাতা ১ কোটি টাকা!

    Liz Truss : ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী, আজীবন বার্ষিক ভাতা ১ কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৪৪ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়লেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস (UK Prime Minister Liz Truss resignation)।অর্থনৈতিক সংকট কাটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন লিজ ট্রাস। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ অর্জন করতে না পারায় পদত্যাগ করেন তিনি।দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের লজ্জার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

    তবে যতদিনই দায়িত্ব পালন করুন না কেন, এখন তার গায়ে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তকমা। ফলে যুক্তরাজ্যের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য যা যা সুবিধা রয়েছে তার সবই পাবেন লিজ ট্রাস।চলমান আর্থিক সংকটের মাঝে ব্রিটেনের এই সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিপুল অর্থ কেন পেনশন দেয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। যদিও ব্রিটিশ সরকারের দাবি, নিয়ম মেনেই এই পেনশন দেয়া হবে লিজ ট্রাসকে। উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে পেনশনের আওতাভুক্ত হয়েছেন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সাবেকরা।ব্রিটেনের সবথেকে স্বল্প মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী হলেও ‘পাবলিক ডিউটি কস্টস অ্যালাউন্স’ (পিডিসিএ) থেকে লিজ এখন এই ভাতা পাওয়ার অধিকারী।

    ব্রিটেনের করদাতাদের অর্থ থেকে প্রতি বছর অন্তত ১ লাখ ১৫ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড (১ লাখ ২৯ হাজার মার্কিন ডলার), যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি টাকার বেশি অর্থ তুলতে পারবেন লিজ ট্রাস।

    ক্ষমতায় আসার পর কর্পোরেট কর কমানোর মতো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার দায়ে দলীয় এমপিদের ক্ষোভের পর ২০ অক্টোবর বাধ্য হয়েই পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। এর আগে আর কোনও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে এত অল্প সময়ে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়নি। একই সঙ্গে লিজ ট্রাসের মতো আর কাউকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিজের দলেরই সদস্যদের বিরোধিতার মুখেও পড়তে হয়নি। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ১৩ জন এমপি সরব হয়েছিলেন লিজ ট্রাসের ইস্তফার দাবিতে। তবে ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী হয়েও লাভবানই হলেন তিনি।

    এই আর্থিক ব্যয়ভারের ব্যাখ্যা দিয়ে ব্রিটেনের প্রশাসন জানিয়েছে, জনমানসে এই ব্যক্তিত্বদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই তাদের জনহিতকর কাজ এবং সেক্রেটারি রাখার খরচ বাবদ সরকারের পক্ষ থেকে এই ভাতা দেওয়া হয়।

    এই অর্থ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও তার ভার কিন্তু বহন করতে হয় দেশটির জনগণকেই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share