Tag: resolution

resolution

  • Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    Kerala: কেরলের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Kerala) রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ (Keralam) করার প্রস্তাব অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ‘কেরালা (নাম পরিবর্তন) বিল, ২০২৬’-টি কেরল বিধানসভায় পাঠাবেন তাঁদের মতামত জানার জন্য।

    নাম বদল (Kerala)

    বিধানসভার মতামত পাওয়ার পর ভারত  সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং রাজ্যের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তনের জন্য সংসদে বিলটি উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ চাইবে। কেরল (Kerala) বিধানসভা ২৪ জুন, ২০২৪ তারিখে একটি প্রস্তাব পাস করে রাজ্যের নাম পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিল। প্রস্তাবে বলা হয়: “আমাদের রাজ্যের নাম মালয়ালম ভাষায় ‘কেরালম’। ১ নভেম্বর ১৯৫৬ সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যগুলির গঠন করা হয়। কেরল পিরাভি দিবসও ১ নভেম্বর পালিত হয়। জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকেই মালয়ালমভাষী জনগণের জন্য একীভূত কেরল গঠনের জোরালো দাবি ছিল। কিন্তু সংবিধানের প্রথম তফসিলে আমাদের রাজ্যের নাম ‘কেরালা’ হিসেবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এই বিধানসভা সর্বসম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী ‘কেরালা’ (Kerala) নাম পরিবর্তন করে ‘কেরালম’ করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছে।”

    নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি

    পরবর্তী কালে কেরল সরকার বিধানসভার প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংবিধানের প্রথম তফসিল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানায় (Keralam)। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সংসদ যে কোনও রাজ্যের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। এই অনুচ্ছেদের প্রস্তাবনা অনুসারে, কোনও রাজ্যের নাম, এলাকা বা সীমানা প্রভাবিত করে এমন কোনও বিল প্রথমে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায় পাঠাতে হয়, যাতে তারা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের মতামত জানাতে পারে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয় এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অনুমোদনক্রমে আইন ও বিচার মন্ত্রকের আইন বিষয়ক দফতর এবং আইন প্রণয়ন বিভাগে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উভয় দফতরই ‘কেরালা’ (Kerala) থেকে ‘কেরালম’ (Keralam) নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে।

     

  • Donald Trump: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ থেকে ভিসা ফি বৃদ্ধি, নিজের দেশেই ঘোর বিপাকে ট্রাম্প

    Donald Trump: ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ থেকে ভিসা ফি বৃদ্ধি, নিজের দেশেই ঘোর বিপাকে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ‘সবক’ শেখাতে গিয়ে গাড্ডায় পড়ে গিয়েছেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)! ভারতীয় পণ্যের ওপর তিনি যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে রেখেছেন, তা বেআইনি। অবিলম্বে ওই শুল্ক বাতিল করা উচিত। আমেরিকার সংসদের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে শুক্রবার এমনই এক প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, চড়া শুল্কের (India) কারণে আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে আমেরিকার। সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

    শুল্ক আরোপ ট্রাম্প প্রশাসনের (Donald Trump)

    ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা না মেনে মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কিনে চলেছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। ভারতের এই অনড় মনোভাবে বেজায় খেপে যান ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার পর শাস্তিস্বরূপ ভারতীয় পণ্যের ওপর আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে দেন তিনি। ২৭ অগাস্ট থেকে ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হয়েছে ৫০ শতাংশ শুল্ক। এর ফলে জোর ধাক্কা খেয়েছে ভারত ও আমেরিকার বাণিজ্য। এক বিশেষ জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করেছেন। ট্রাম্পের এই ক্ষমতাকেই সাধারণ মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর বলে দাবি করেছেন মার্কিন সাংসদদের একটা বড় অংশ।

    মার্কিন সংসদে প্রস্তাব পেশ

    জানা গিয়েছে, ভারতের ওপর চাপানো শুল্ক বাতিল করতে চেয়ে মার্কিন সংসদে যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে (India) তিন সাংসদ। এঁরা হলেন, ডেবোরা রস, মার্ক ভিসে এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা কৃষ্ণমূর্তি। কেবল ভারত নয়, ব্রাজিলের পণ্যের ওপরও ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ভারতের পাশাপাশি (Donald Trump) ব্রাজিলের শুল্ক বাতিলও চেয়েছেন মার্কিন সাংসদরা।

    প্রস্তাবের বক্তব্য

    সংসদে পেশ করা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভারতের ওপর চড়া শুল্কের কারণে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তর ক্যারোলাইনা প্রদেশ। এখানকার অর্থনীতি অনেকাংশেই ভারতের ওপর নির্ভরশীল। বাণিজ্য তো বটেই, সেই সঙ্গে প্রচুর ভারতীয় ব্যবসায়ীর বিনিয়োগ রয়েছে উত্তর ক্যারোলাইনায় (India)। তাছাড়া, এই প্রদেশে তুলনামূলকভাবে বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক বসবাস করেন। শুল্কের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাঁরা। মার খাচ্ছে বাণিজ্য (Donald Trump)। রস, কৃষ্ণমূর্তিরা বলেন, “ভারত খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সঙ্গী। বেআইনি এই শুল্ক আসলে সেই সব মার্কিন নাগরিকদের ওপর বাড়তি শুল্কের বোঝা, যাঁরা দৈনন্দিন খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।” কৃষ্ণমূর্তি বলেন, “ট্রাম্প আরোপিত শুল্ক আসলে বাণিজ্যের সরবরাহ শৃঙ্খলকে ব্যাহত করে। এতে মার্কিন কর্মচারীদের ক্ষতি হচ্ছে, ব্যয় বৃদ্ধি হচ্ছে। শুল্কের ফলে হিতে বিপরীত হচ্ছে।” তাঁর মতে, শুল্ক প্রত্যাহার করে নিলে তা ভারত-মার্কিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করবে।

    একাধিক নীতির সমালোচনা 

    ভারতীয়-আমেরিকান কংগ্রেসম্যান অ্যামি বেরা মার্কিন কংগ্রেসে ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কয়েকটি নীতির সমালোচনা করেন। বিশেষত, এইচ ১বি ভিসার ওপর এক লাখ মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ফি অত্যধিক ও অবাস্তব বলে সমালোচনা করা হয়েছে। অ্যামির যুক্তি, এই অত্যধিক ফি আমেরিকান কোম্পানিগুলির তাদের শিল্পে বিদেশি প্রতিভা নিয়োগের ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করছে (Donald Trump)। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বৈঠকের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “ট্রাম্পের এই ধরনের পদক্ষেপ কঠোর ভারতকে অন্যান্য বিরোধী শক্তির দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করতে পারে।”

    প্রমীলা জয়পালের বক্তব্য

    ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান প্রমীলা জয়পাল ট্রাম্পের শুল্কনীতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ আমদানি শুল্ক নীতি অবশ্যই ভারতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। এটি আমেরিকান ব্যবসা ও উপভোক্তাদের ওপরও সমানভাবে প্রভাব ফেলেছে।” তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন এই বলে যে, এই পরিস্থিতি আমেরিকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বাজারের স্বাস্থ্যের জন্য বিপদ বাড়াতে পারে। এর প্রভাব পড়ছে ভারত-মার্কিন সম্পর্কেও (India)।

    এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আদালতে

    এদিকে, ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন আমেরিকার ২০টি প্রদেশের কর্তারা। মূলত ডেমোক্র্যাটশাসিত প্রদেশগুলিই এইচ-১বি ভিসা নিয়ে জোট বাঁধছে ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে। এই ২০টি প্রদেশের মধ্যে রয়েছে ক্যালিফর্নিয়াও। এই প্রদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রব বন্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় করা একটি পোস্টে জানিয়েছেন, এইচ-১বি ভিসার ফি বৃদ্ধির কারণে বহু সংস্থা বিদেশের দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ করতে পারছে না। ফলে ক্যালিফর্নিয়া-সহ বিভিন্ন প্রদেশে স্বাস্থ্য, শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কর্মিসঙ্কট তৈরি হচ্ছে (Donald Trump)।

LinkedIn
Share