Tag: retirement

retirement

  • Tamim Iqbal: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    Tamim Iqbal: চোখের জলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মাটিতে এক দিনের বিশ্বকাপের তিন মাস আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তামিম ইকবাল (Tamim Iqbal)। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে এক সাংবাদিক বৈঠকে নিজের অবসরের কথা জানান তামিম। গত বছরের ১৬ জুলাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছিলেন ৩৪ বছর বয়সি তামিম। এদিন তামিম জানিয়ে দিলেন, ওয়ানডে ও টেস্ট থেকেও সরছেন তিনি। ফলে বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket) জার্সিতে আর খেলতে দেখা যাবে না মারকুটে এই ওপেনারকে। 

    কী বললেন তামিম?

    এদিন বিদায়বেলায় কেঁদে ফেলেন তামিম (Tamim Iqbal)। বললেন, ‘‘এটাই আমার শেষ। আমি নিজের সেরাটা দিয়েছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম এক দিনের ম্যাচই আমার শেষ ম্যাচ ছিল।’’ এরপর তিনি বলেন, ‘‘আমি হঠাৎ করে কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। অবসরের পিছনে অনেক কারণ আছে। সে সব এখানে বলতে চাই না। পরিবারের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছি। অনেক ভেবেছি। আমার মনে হয়েছে, এটাই অবসর নেওয়ার সঠিক সময়।’’ 

    বাবার স্বপ্নপূরণের জন্যই ক্রিকেটে

    দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্রিকেট পরিক্রমা শেষ করে তামিম (Tamim Iqbal) বলছেন, “বাবার স্বপ্নপূরণ করার জন্য ক্রিকেটে এসেছিলাম। জানি না বাবার স্বপ্নপূরণ করতে পেরেছি কিনা।” এদিন বিদায়বেলায় অনেক কিছুই বলতে চেয়েছিলেন তামিম। কিন্তু আবেগে ভেসে যাওয়ায় সব কথা আর বলা হয়নি। তামিম  বলেন, ‘‘আমার অনেক কিছু বলার আছে। কিন্তু আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন যে কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই আমি। আশা করছি আপনারা বুঝতে পারছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া সহজ নয়।’’ এক দিনের ক্রিকেটে ২০০৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত মোট ২৪১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তামিম। করেছেন ৮৩১৩ রান। ৩৬.৬২ গড় ও ৭৮.৫৪ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন বাংলাদেশের এই বাঁ হাতি ওপেনার। সর্বোচ্চ ১৫৮। এক দিনের ক্রিকেটে ১৪টি শতরান করেছেন তামিম।

    হঠাৎ কেন অবসর?

    তামিম (Tamim Iqbal) বুঝিয়ে দিয়েছেন দীর্ঘ দিন ধরেই ক্ষোভ, অভিমান জমছিল। আর পারছিলেন না তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে যে ভাবে তিনি কাঁদলেন, তাতে বোঝা গেল, নিজের সব থেকে প্রিয় জিনিসটা থেকে দূরে সরতে কতটা কষ্ট হচ্ছে তাঁর। নইলে তিনি কেন বলবেন, ‘‘আমি নিজের সেরাটা দিয়েছি। সত্যিই সেরা দিয়েছি। হতে পারে সেটা যথেষ্ট নয়। হতে পারে আমি ততটা ভাল নই। কিন্তু যখনই মাঠে নেমেছি নিজেকে ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিয়েছি।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রেরণায় এগোচ্ছে ভারতীয় ফুটবল’’, বললেন কল্যাণ চৌবে

    তাঁর অবসর নিয়ে যেন কোনও বিতর্ক না হয় সেই অনুরোধও করেছেন বাংলাদেশের হয়ে এক দিনের ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক। তাঁর কথায়, ‘‘দয়া করে এই ঘটনা নিয়ে আর বিতর্ক বাড়াবেন না। এই বিষয়কে এখানেই শেষ করে দিন। আমি সব সময় বলেছি, দেশ অনেক আগে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের (Bangladesh Cricket) পাশে থাকুন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sania Mirza: অবসর নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা, ঘোষণা করলেন টেনিসসুন্দরী নিজেই

    Sania Mirza: অবসর নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা, ঘোষণা করলেন টেনিসসুন্দরী নিজেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসর নিচ্ছেন টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জা (Sania Mirza)। জানালেন নিজেই। শেষবার খেলবেন দুবাই টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে। আগামী মাসেই হচ্ছে দুবাই টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ। চোটের কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে ক্রিড়া মহল। পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের জল্পনার মধ্যেই এল এই বড় খবর।  

    আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে দুবাই টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ। এই টুর্নামেন্টেই শেষবারের জন্যে টেনিস হাতে কোর্টে নামবেন সানিয়া।

    আরও পড়ুন: শিক্ষিকাকে গুলি করল ৬ বছরের ছাত্র, ভার্জিনিয়ার ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব 

    ৩৬ বছর বয়সী সানিয়া মির্জা (Sania Mirza) ডাবলসে বিশ্বের এক নম্বর। গত বছর সানিয়া নিজেই ঘোষণা করেছিলেন ২০২২ সালের শেষে অবসর নেবেন। কিন্তু চোটের কারণে ইউএস ওপেন খেলতে পারেননি তিনি। চলতি বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন খেলবেন সানিয়া মির্জা। এরপর ইউএই- তে শেষ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে বিদায় জানাবেন টেনিসকে।

    কী জানিয়েছেন সানিয়া?

    সংবাদমাধ্যমকে টেনিস সুন্দরী (Sania Mirza) বলেন, “গত বছর ডাব্লিউটিএ ফাইনালের পরই আমি অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু ডান কনুইয়ের চোটের কারণে ইউএস ওপেন ও বাকি টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়। আমি এমন একজন ব্যক্তি যে নিজের শর্তে বেঁচে থাকি। এই কারণেই আমি ইনজুরির কারণে বাইরে থাকতে চাই না, এখনও অনুশীলন করছি। তাই আমি দুবাই টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের পর অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।”  

    নিজের টেনিস কেরিয়ারে একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন সানিয়া (Sania Mirza)। অর্জুন পুরস্কার (২০০৪), পদ্মশ্রী পুরস্কার (২০০৬), রাজীব গান্ধী খেল রত্ন পুরস্কার (২০১৫) এবং পদ্মভূষণ পুরস্কার (২০১৬) অর্জন করেছেন। এখনও পর্যন্ত ৬টি বড় চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জিতেছেন। 

    এছাড়াও তিনি ডাবলসে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (২০১৬), উইম্বলডন (২০১৫) এবং ইউএস ওপেন (২০১৫) -এর শিরোপা জিতেছেন। এছাড়াও, মিক্সড ডাবলসে তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (২০০৯), ফ্রেঞ্চ ওপেন (২০১২) এবং ইউএস ওপেন (২০১৪) শিরোপা জিতেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Tax After Retirement : অবসরের পর কর কমাবেন কীভাবে?

    Tax After Retirement : অবসরের পর কর কমাবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেকের জীবনেই আসে অবসর(retirement)। সেই অবসর সময়ে আয় কমে গেলে সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় যে কোনও মানুষকেই। তাই অবসরের পর কর-দক্ষ আর্থিক পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। তা না হলে সঞ্চয়ের টাকা কর(Tax) দিতে দিতেই শেষ হয়ে যাবে।

    একটি বেসরকারি আর্থিক সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, যদিও এই ট্যাক্সগুলির বেশিরভাগই অনিবার্য, তবে একজনের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের(deposit) ওপর তাঁদের সামগ্রিক প্রভাব প্রশমিত করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন : আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন

    সঞ্চয়ের ভাঁড়ারে যাতে টান না পড়ে, সেজন্য কর-দক্ষ পদ্ধতিতে আর্থিক পরিকল্পনা করতে হয়। তাঁর মতে, আগাম পরিকল্পনা কোনও ব্যক্তির কর কমাতে সাহায্য করতে পারে। অবসর গ্রহণের জন্য ওই ব্যক্তির সঞ্চয়ের যথেষ্ট পরিমাণ ধরে রাখতেও সাহায্য করবে এই পরিকল্পনা।

    আরও পড়ুন :বিধাননগরে সম্পত্তি কর এক লাফে তিনগুণ! জেনে নিন নতুন হার

    তিনি বলেন, বর্তমান নিয়মের অধীনে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য মৌলিক ছাড়ের সীমা হল ৩ লক্ষ টাকা। আয়কর আইনের ধারা ৮৭ এ-র অধীনে ছাড়ের কারণে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করযোগ্য আয়ের জন্য একজনের কর দায় শূন্য হতেই পারে। তিনি বলেন, করযোগ্য আয়ের জন্য ৫ লক্ষ টাকা। এটি নির্দিষ্ট ধরণের কর-সঞ্চয় বিনিয়োগের পাশাপাশি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা যেতে পারে যার ওপর আয়কর আইনের ধারা ৮০ সি-এর অধীনে করছাড় দাবি করা যেতে পারে। এর মধ্যে একটি জীবন বীমা পলিসি, সিনিয়র সিটিজেন ফিক্সড ডিপোজিট, সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম ইত্যাদির অধীনে প্রিমিয়াম পেমেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ এই বিভাগের অধীনে উপলব্ধ করছাড়ে সর্বোচ্চ সীমা হল দেড় লক্ষ টাকা৷

    আরও পড়ুন : ছড়াচ্ছে নয়া ভাইরাস! সতর্কতা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, জরুরি বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যক্তি এমন বিনিয়োগে সঞ্চয় বিনিয়োগ করে অ-করযোগ্য আয় বাড়াতে পারে যা কর-দক্ষ রিটার্ন তৈরি করে এবং যার ওপর একজন ব্যক্তি করছাড় দাবি করতে পারে। ওই আধিকারিক বলেন, কোনও ব্যক্তি কর-সঞ্চয় অবসর পরিকল্পনায় সঞ্চয় বিনিয়োগ করে করমুক্ত আয়কে সর্বাধিক করতে পারে যা ইইই কর সুবিধা প্রদান করে এক লক্ষ টাকার লাভের ওপর ১০ শতাংশ কর সাপেক্ষে। অবশ্য এই ধরনের বিনিয়োগ তিনটি করছাড়ের জন্য যোগ্য, এক, বিনিয়োগ করা পরিমাণ করযোগ্য আয় থেকে বাদ দেওয়ার জন্য যোগ্য, দুই, চক্রবৃদ্ধি পর্বের সময় সঞ্চয় করপাসের ওপর অর্জিত সুদ কর-মুক্ত এবং তিন, বিনিয়োগ থেকে অর্জিত পরিপক্কতা মূল্যও প্রত্যাহারের সময় কর-মুক্ত।ইইই সুবিধা মূলত দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের উপকরণগুলির জন্য প্রযোজ্য। জীবন বীমা পরিকল্পনা, ইপিএফ এবং পিপিএফইক্যুইটি-লিঙ্কড সেভিংস স্কিম। তিনি বলেন, আমরা যদি দক্ষতার সঙ্গে পরিকল্পনা করি, তাহলে আমরা আমাদের উপার্জনের জন্য করের ক্ষতি না করেই আমাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি। 

LinkedIn
Share