Tag: RG Kar Medical College

RG Kar Medical College

  • RG Kar Incident: নিহত তরুণীর দেহের কাছে ৩ সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ! ভাইরাল ভিডিও তুলল একাধিক প্রশ্ন

    RG Kar Incident: নিহত তরুণীর দেহের কাছে ৩ সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ! ভাইরাল ভিডিও তুলল একাধিক প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) মধ্যে একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভাইরাল ভিডিওটি আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের সেমিনার রুমের বলে দাবি করা হয়েছে। যেখান থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে ওই জমায়েতের ভিডিও যখন তোলা হয়েছে, তখন সেমিনার রুমের মধ্যে তরুণী চিকিৎসকের দেহ ছিল। আর বাইরে তাঁর বাবা-মা অপেক্ষা করছিলেন। যদিও ওই ভাইরাল ভিডিওর প্রেক্ষিতে সিবিআই বা কলকাতা পুলিশের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। (ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। )

    ভিডিওয় কী দেখা গিয়েছে

    যে ভিডিও (RG Kar Incident) সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, সেমিনার রুমের বাইরে শান্তনু দে-কে। তিনি আইনজীবী। স্বাস্থ্য ভবনের একাংশের মতে, এই শান্তনু দে হলেন সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) ছায়াসঙ্গী। কিন্তু সেখানে আইনজীবী কী করতে গিয়েছিলেন? প্লেস অফ অকারেন্সে বা ঘটনাস্থলে দেখা মিলেছে সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ ফরেন্সিক চিকিৎসক দেবাশিস সোমের। তাঁকে সোমবার নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। তিনি আরজি করের কর্মীই নন। কিন্তু ঘটনার পর মুহূর্তেই সেমিনার রুমে দেখা গিয়েছে তাঁকে। দাবি স্বাস্থ্য ভবনের একাংশ। দেখা গিয়েছে সন্দীপ ঘোষের আরও এক কাছের লোক ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কেও। 

    ভাইরাল ভিডিও তুলছে প্রশ্ন

    ফরেন্সিক মেডিসিনের ডেমনস্ট্রেটর, সন্দীপ ঘোষের ছায়াসঙ্গী আর সন্দীপ ঘনিষ্ঠ (Sandip Ghosh) আইনজীবী কেন সেই সময় ঘটনাস্থলে? প্রশ্ন উঠছে, এই যে ‘থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’ তাঁরা সেখানে কীভাবে পৌঁছলেন? তাঁদেরকে কে ডেকে পাঠিয়েছিলেন? প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি সেখানে পরিকল্পনা চলছিল, কীভাবে সেখানে তথ্য প্রমাণ লোপাট করা যায়? চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, দেহ তড়িঘড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার থেকে শুরু করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছিল সেদিন। শাসকদলের প্রভাবশালী চিকিৎসক নেতা হিসাবে পরিচিত অনেককেই সেদিন আরজি করে (RG Kar Incident) দেখা গিয়েছিল। এমনকী, এও অভিযোগ, যেখানে বডি পাওয়া গিয়েছিল, সেই সেমিনার রুমে মিটিং করেন এই তিন মূর্তি। ওই চিকিৎসক নেতারা কেউই আরজি করে কর্তব্যরত নন। স্বাস্থ্য দফতরের উচ্চ পদাধিকারীও নন, বলে দাবি আরজি করের জুনিয়ার ডাক্তারদের।

    আরও পড়ুন: ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    ওঁরা গেলেন কীভাবে? প্রশ্ন বিজেপির

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) ওই ভাইরাল ভিডিওর প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি প্রশ্ন তোলেন, ‘দেবাশিস সোম – ফরেন্সিক মেডিসিনের অধ্যাপক। প্রসূন চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু দে সহ একাধিক লোকজন সেমিনার রুমে কি করছিলেন? ফরেন্সিক তথ্য লোপাটের চেষ্টা? ঘটনাস্থলে অর্থাৎ ক্রাইম সিনে কারও যাওয়ার কথা নয়। কিন্তু ওঁরা গেলেন কীভাবে? পুলিশ আটকাল না কেন?’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: কর্মক্ষেত্রে কতটা নিরাপদ ডাক্তাররা? আরজি কর-কাণ্ডের পর প্রশ্ন চিকিৎসক মহলে

    RG Kar Incident: কর্মক্ষেত্রে কতটা নিরাপদ ডাক্তাররা? আরজি কর-কাণ্ডের পর প্রশ্ন চিকিৎসক মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় (Doctor Rape Murder) পরতে পরতে রহস্য। ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু অনেকেই দাবি করছেন, এই ঘটনায় একাধিক জন জড়িত থাকতে পারে। কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG Kar Incident) এক ৩২ বছর বয়সি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা এই ঘটনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (ফোর্ডা) জানিয়েছে, সারা দেশে হাসপাতালের নির্বাচনী সেবা বন্ধ থাকবে। সব মেডিক্যাল কর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তারও দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। 

    চিকিৎসকদের দাবি

    আর জি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজের রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ) ঘোষণা করেছে যে, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রতিবাদ বন্ধ করবে না। হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানান, “আমরা চারটি দাবি তুলেছি: বিচার বিভাগীয় তদন্ত, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা, মহিলার পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ, পুলিশকে তদন্তের অগ্রগতি নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে।” কলকাতার ২৬ একর জুড়ে এই প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি। এখানে এরকম ঘটনায় বাকরুদ্ধ বাংলা তথা দেশ।

    সিসিটিভি ক্যামেরার অভাব

    আন্দোলনকারীরা  জানিয়েছেন যে, হাসপাতালের সংবেদনশীল স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরার অভাব রয়েছে। ডাক্তারদের জন্য আলাদা শৌচালয় নেই। যে কোনও লোক রাতে হাসপাতালে প্রবেশ করে যান। যা রাতের হাসপাতালকে বিপজ্জনক করে তোলে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, যে সেমিনার রুমে চিকিৎসকের দেহ মিলেছিল সেখানে কোনও সিসিটিভি নেই। ফ্লোর ওয়ার্ড বা করিডরেও কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে অপরাধী অপরাধ করার আগে ভাবত। এনআরএস হাসপাতালের সিনিয়র রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান শুভেন্দু মুখোপাধ্যায় আগে আরজি কর-এ (RG Kar Incident) কর্মরত ছিলেন। তাঁর কথায়, “শুধুমাত্র ভবনের মূল ফটকে সিসিটিভি আছে। আপনি যে বেশিরভাগ সিসিটিভি দেখেন তা কাজ করে না।”

    বিশ্রাম কক্ষ নেই

    আরজি করের (RG Kar Incident) জুনিয়র ডাক্তারদের মতে, মহিলা ডাক্তারদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় নির্যাতিতা সেমিনার রুমে গিয়ে বিশ্রাম নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেমিনার রুমে কোনও ওয়াশরুম নেই। রাতের ডিউটিতে বেশিরভাগ সময় চিকিৎসকরা সেমিনার রুম বা সোনোগ্রাফি রুম ব্যবহার করেন। 

    বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে প্রবেশ

    একজন চিকিৎসকের মতে আরজি করের (RG Kar Incident) “সবচেয়ে বড় সমস্যা” হল বিনা অনুমতিতে মাঝে মাঝেই লোক হাসপাতালে প্রবেশ করেন। তিনি বলেন, “প্রায়শই একজন রোগী ১১-১২ জন আত্মীয়ের সঙ্গে আসে। শুধুমাত্র আইডি কার্ডধারীদেরই ওয়ার্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত। এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ড দেখুন, যেখানে ভিআইপি ও রাজনীতিবিদরা থাকেন। সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে।” এছাড়াও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাতে হাসপাতালের বাইরে কোনও নিরাপত্তা নেই। একজন মহিলা সাফাইকর্মী জানান, “একজন রোগীর সঙ্গে ১৫-২০ জন পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ঢুকে পড়ে। আমরা জরুরি বিভাগে মাতাল লোকদেরও দেখতে পাই।”

    আরও পড়ুন: একজনের কাজ নয়, দাবি চিকিৎসকদের! আরজি কর কাণ্ডে কাকে আড়ালের চেষ্টা হচ্ছে?

    পর্যাপ্ত পুলিশের অভাব

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, হাসপাতালে (RG Kar Incident) পর্যাপ্ত পুলিশ থাকা উচিত। তাঁদের মতে, রাতে ফ্লোরে কোনও নিরাপত্তাই থাকে না। এই হাসপাতালটিতে আঘাতজনিত রোগীর প্রচুর ভিড় হয়। ডাক্তার-রোগীর অনুপাত খুব কম। যদি কেউ চিকিৎসককে অপমান করে, তবে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকে না। হাসপাতালের নিজস্ব প্রাইভেট সিকিউরিটি রয়েছে ঠিকই তবে জুনিয়র চিকিৎসকরা দাবি করেছেন যে, রাত ৯টার পর প্রাইভেট সিকিউরিটি গায়েব হয়ে যায়। রাতে হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসক বা নার্স এমনকী ছেলেরাও অন্ধকার, নির্জন জায়গা দিয়ে হাঁটতে ভয় পান। কারণ হাসপাতাল চত্বরে নানা ধরনের বেআইনি কাজ হয়।  অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে অনেক সময়ই মত্ত যুবকদের উৎপাত লক্ষ্য করা যায় হাসপাতাল চত্বরে। করিডর থেকে শুরু করে সিঁড়ি, রোগীদের ওয়ার্ড সর্বত্রই ঢিলেঢালা নিরাপত্তা। তাই সবসময়ই নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। অনেকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তারই মূল্য চোকাতে হল নির্যাতিতাকে (Doctor Rape Murder)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি কর কাণ্ডের জের, রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতির ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar: আরজি কর কাণ্ডের জের, রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতির ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) জেরে সোমবার থেকে রাজ্যে চিকিৎসা পরিষেবাতে ব্যাপক প্রভাব পড়তে চলেছে। তার কারণ রাজ্যজুড়ে বহু হাসপাতালে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার সকাল থেকেই আরজি কর, কলকাতা মেডিক্যাল সহ শহর এবং জেলায় জেলায় একাধিক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কাজে যোগ দেননি জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor), এমনটাই খবর পাওয়া গিয়েছে। এর ফলে রোগী ও রোগীর পরিবারের ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    কলেজ স্কোয়ার-আরজি কর (RG Kar) মিছিল, যোগ দেবেন নির্যাতিতার বাবা-মা 

    প্রসঙ্গত, সোমবার কলকাতার কলেজ স্কোয়ার থেকে আরজিকর পর্যন্ত মিছিল করার কথা ছিল জুনিয়র ডাক্তারদের। এই বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে নির্যাতিতা ছাত্রীর মা-বাবারও (RG Kar)। প্রসঙ্গত, এই মিছিলের সময়ই প্রতিবাদ-বিক্ষোভে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসন এই ক্ষোভ কীভাবে সামাল দেয় সেটাই এখন দেখার। প্রসঙ্গত, আজ সোমবার থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও অচিকিৎসক কর্মীদের ছুটি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। আরজি করের ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে ১৫ দফার একটি নির্দেশিকা জারি করেছে, লালবাজার। এই নির্দেশিকাতে মহিলা চিকিৎসক, ছাত্রী সহ নারী সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশিকায় পুরোপুরি খুশি নন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। তাঁরা বলছেন, ‘নো সেফটি নো ডিউটি’।

    আবাসিক ডাক্তারদের ৬ দফা দাবি (RG Kar)

    ইতিমধ্যে, রাজ্যের সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে মোট ১২টি হাসপাতালের প্রতিনিধিরা বৈঠক করেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ওই বৈঠকে মোট ছ’দফা দাবি তোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আবাসিক ডাক্তাররা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁদের এই দাবিগুলি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলতেই থাকবে। যে দাবিগুলি পেশ করা হয়েছে সেগুলি হল— 

    ১. ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত করতে হবে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে

    ২. তদন্তে স্বচ্ছতা আনতে হবে।

    ৩. আরজি করের সমস্ত আধিকারিকদের পদত্যাগ, আরজি করের পুলিশ ফাঁড়ির এসিপিকেও পদত্যাগ করতে হবে

    ৪. ছাত্রদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে কলকাতা পুলিশকে।

    ৫. মৃত মহিলা চিকিৎসকের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

    ৬. সকল হাসপাতালের কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • R G Kar: মমতার সরকারকে ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা, দেশব্যাপী আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি আইএমএ’র

    R G Kar: মমতার সরকারকে ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা, দেশব্যাপী আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি আইএমএ’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর কাণ্ডে (R G Kar) নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মমতা সরকারকে ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে দিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বা আইএমএ (IMA)। অন্যথায় দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এই চিকিৎসক সংগঠন। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে ওই চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে, এই কথা উল্লেখ করে নিজেদের প্রেস বিবৃতিতে আইএমএ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছে। এর পাশাপাশি দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছে তারা। ডাক্তারদের বিশেষত মহিলা ডাক্তারদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবিও লেখা রয়েছে তাদের বিবৃতিতে। প্রসঙ্গত কর্মক্ষেত্রে মহিলা ডাক্তারদের নিরাপত্তা আরজি কর কাণ্ডের পর থেকে সারা দেশ জুড়েই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি (R G Kar)

    নিজেদের প্রেস বিবৃতিতে আইএমএ (IMA) লিখছে যে দেশের সম্পূর্ণ মেডিক্যাল ব্যবস্তা সম্পূর্ণভাবে হতবাক হয়ে গিয়েছে আরজিকর কাণ্ডের পরে এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কোনও ভাষাই তাদের কাছে নেই। এই জঘন্য অপরাধ আরজি করের তৃতীয় তলের সেমিনার হলের মধ্যে করা হয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে এটা স্পষ্ট যে ওই চিকিৎসককে হত্যার পূর্বে ধর্ষণ করা হয়। এই অপরাধ প্রমাণ করছে ঠিক কতটা বিশৃংখল পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার অভাব রয়েছে আরজিকর হাসপাতালে। অর্থাৎ মমতার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে কার্যত এই ভাবেই কাঠগড়ায় তুলল আইএমএ।

    একই সঙ্গে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে আইএমএ (R G Kar) এবং যদি এই সময়সীমার মধ্যে তাদের দাবি না মানা হয় সে ক্ষেত্রে দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তারা। নিজেদের প্রেস বিবৃতিতে আইএমএ জানিয়েছে, নিরপেক্ষ-স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে। প্রেস বিবৃতিতে আইএমএ আরও জানিয়েছে হাসপাতালের ভিতরে ডাক্তারদের নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করতে হবে এবং তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারকেই নিতে হবে।

    আগেই হুঁশিয়ারি দ্য ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের

    প্রসঙ্গত ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনেরও (R G Kar) আগে দ্য ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন একটি চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাকে। আরজিকর কাণ্ডের পরে দেশজুড়ে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি করেছে তারা। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের দাবি না মানা হলে তারাও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে এবং চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ করে দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেয় ওই সংগঠন।

    শনিবার প্রতিবাত-কর্মবিরতি চলেছে দিনভর

    আরজিকর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে শনিবারই বিক্ষোভ-কর্মবিরতিতে সামিল হন রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। শুধু তাই নয়, খাস কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া এমন ঘটনার আঁচ পড়তে দেখা গিয়েছে দিল্লিতেও। এই ঘটনায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে দিল্লি এইমস রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন। অন্যদিকে, চণ্ডীগড়ের রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনও এমন ঘটনায় উদ্বেগপ্রকাশ করে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এর পাশাপাশি, মহিলা চিকিৎসকদের শুধুমাত্র দিনের বেলায় ডিউটি দিতে হবে এমন দাবিও করেছে তারা। এরই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ প্রভাবিত চিকিৎসক সংগঠন, ‘ন্যাশনাল মেডিক্যাল অর্গানাইজেশন’ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছে এবং চিকিৎসকদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Medical College: ঘরে-বাইরে চাপ! তাই কি আরজি করে ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে সিবিআই-তে রাজি মমতা?

    RG Kar Medical College: ঘরে-বাইরে চাপ! তাই কি আরজি করে ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে সিবিআই-তে রাজি মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকরে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় কাঠগড়ায় রাজ্য প্রশাসন। সরকারি হাসপাতালে নাইট ডিউটির সময় কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসকের এ হেন পরিণতিতে বিস্মিত দেশ। এই ঘটনাকে দিল্লির নির্ভয়াকাণ্ডের থেকেও নৃশংস বলে দাবি করেছেন অনেকে। মহিলা চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। দিল্লির এইমস সহ দেশের বিভিন্ন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সংগঠনের চাপে অবশেষে গাফিলতি মেনে নিয়েছে প্রশাসন। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তেও রাজ্যের আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বিজেপির চাপ

    যেভাবে হাসপাতালের মধ্যে অর্থাৎ নিজের কর্মস্থলে এক ডাক্তারি পড়ুয়ার নৃশংস মৃত্যু হয়েছে তাতে নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে এবং অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মবিরতিতে নেমেছেন একাংশ ডাক্তারি পড়ুয়া ও জুনিয়র চিকৎসকরা। নির্ভয়া কাণ্ডের চেয়েও ভয়াবহ বলে নিন্দায় সরব হয়েছে চিকিৎসকদের একাধিক সংগঠন। এই ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি। রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা কোথায়, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরএসএস-পন্থী চিকিৎসক সংগঠন ন্যাশনাল মেডিক্যাল অর্গানাইজেশন, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এই বিষয়ে চিঠি লিখেছে। তারা চিকিৎসকদের জন্য কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা আইনের দাবি জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাকে চিঠি দিয়েছে বিজেপি যুব মোর্চাও।

    সিবিআই তদন্তে রাজি মমতা

    রাজ্যজুড়ে চিকিৎসকদের বিক্ষোভ-প্রতিবাদ, ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে পড়ে বাধ্য হয়েই সব দাবি মানছে রাজ্য। আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় যে কোনও এজেন্সি তদন্ত করলে রাজ্য সরকারের কোনও আপত্তি নেই, বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর  কথায়, ‘‘আমাদের (রাজ্য সরকারের) উপর আস্থা না থাকলে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা যে কোনও এজেন্সির কাছে যেতে পারেন। আমাদের কোনও আপত্তি নেই।’’

    পড়ুয়াদের ক্ষোভ সঙ্গত

    পড়ুয়াদের ক্ষোভকেও সঙ্গত বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। আশপাশে সিসি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে ঘটনা ঘটল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী এ-ও বলেছেন, হাসপাতালের ভিতরের বিষয় দেখভালের জন্য সুপার, প্রিন্সিপালদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কোনও ফাঁকফোকর ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “ফাঁসির পক্ষে আমি নই। তবে কোনও কোনও ঘটনায় শিক্ষা দেওয়ার জন্য এরকম শাস্তি দরকার, যাতে আর কেউ করার সাহস না পায়। আমি নির্দেশ দিয়েছি, ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে মামলা নিয়ে গিয়ে, দরকার হলে ফাঁসির আবেদন জানানো হোক। যে কালপ্রিট এটা করেছে, তার কোনও ক্ষমা নেই।”

    কী বললেন পুলিশ কমিশনার

    আরজিকরে ডাক্তারি পড়ুয়াকে খুনের ঘটনায় অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা্ করা হবে বলে আশ্বাস দিলেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলও। আরজি কর-কাণ্ডে ইতিমধ্যেই এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কলকাতার নগরপাল বিনীত গোয়েল আরও বলেন, ‘‘সারা রাত তদন্ত চালানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ-সহ বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে একজনে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে, পরিবার অন্য কোনও এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করতে চাইলে আপত্তি নেই। আমরা সহযোগিতা করব।’’

    চিকিৎসকদের বিক্ষোভ

    আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জরুরি পরিষেবা ব্যতীত চিকিৎসকরা একের পর এক হাসপাতালে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। কর্মবিরতি সিএন‌এমসি, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এন‌আর‌এস, এস‌এসকেএম‌ও। কর্মবিরতি জেলার হাসাপাতালেও। আরজি করের ঘটনার প্রকৃত তদন্তের দাবিতে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে এমার্জেন্সি পরিষেবা সচল রেখে বাকি পরিষেবার ক্ষেত্রে কর্মবিরতি ও অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছেন জুনিয়ার চিকিৎসকরা। অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররাও। হাসপাতালের সুপার অফিসের সামনেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: তদন্ত কমিটিতে ইন্টার্ন! আরজি করে ছাত্রী খুনের ঘটনায় সিবিআই দাবি শুভেন্দুর

    জল গড়িয়েছে দিল্লিতেও

    দেশের সব ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনকে এই ঘটনার প্রতিবাদে নামার আবেদন জানিয়েছে এইমস আরডিএ। ইতিমধ্যেই তাদের তরফে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও এই ঘটনা খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালের ডাক্তাররা। পিজিআই চণ্ডীগড়ের রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনও উদ্বেগপ্রকাশ করে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের দাবি, এই ঘটনাকে যারা ধামাচাপা দিতে চেয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত এবং মহিলা চিকিৎসকদের শুধুমাত্র দিনের বেলায় ডিউটি দিতে হবে। পেডিয়াট্রিক সার্জারি অ্যাসোসিয়েশন এই ঘটনাকে নির্ভয়াকাণ্ডের থেকেও নৃশংস বলে দাবি করে মহিলা চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে হাসপাতালে বিক্ষোভ বাড়ছে, সার্বিক ভাবে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে তা প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Medical College: তদন্ত কমিটিতে ইন্টার্ন! আরজি করে ছাত্রী খুনের ঘটনায় সিবিআই দাবি শুভেন্দুর

    RG Kar Medical College: তদন্ত কমিটিতে ইন্টার্ন! আরজি করে ছাত্রী খুনের ঘটনায় সিবিআই দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Medical College) ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের পক্ষ থেকে যে ১১ জনের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, ওই ১১ জনের কমিটিতে কয়েকজন ইন্টার্ন ডাক্তারও রয়েছেন। যাঁরা রেজিস্টার্ড ডাক্তারই নন, তাঁরা কী করে এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় তদন্তভার পেতে পারে, প্রশ্ন তুলে গোটা ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে শুক্রবার রাতে টুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা। 

    তদন্ত কমিটি নিয়ে প্রশ্ন 

    বিরধী দলনেতা শুভেন্দুর অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠনের নামে আদতে অভিযুক্তদের আড়াল করা হতে পারে। এক্স হ্যান্ডলে বিরোধী দলনেতার পোস্ট, রাজ্য সরকার ১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আশ্চর্যজনকভাবে এই কমিটিতে কয়েকজন ইন্টার্ন রয়েছেন। আমার ধারণা, রাজ্য সরকার নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে অথবা তারা বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে নারাজ। সরকারি হাসপাতালে (RG Kar Medical College) কীভাবে এমন মৃত্যুর ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ইতিমধ্যে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। লেখেন, ‘‘ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাধ লুকাতে চেষ্টা করছে বলেও সরাসরি তোপ দাগেন তিনি। এর খানিকক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পড়ুয়াদের সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। 

    সিবিআই তদন্তের দাবি (CBI Investigation)

    আরজি করে (RG Kar Medical College) ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সংশ্লিষ্ট ঘটনাটির প্রসঙ্গে শুভেন্দুর বক্তব্য, ‘‘এমন ঘটনা কখনও এই রাজ্যে হয়নি। আমরা রাজ্যের মানুষের সঙ্গে আছি। শীঘ্রই এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দরকার।’’ আন্দোলনকারী মেডিক্যাল পড়ুয়াদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে শুভেন্দুর অভিযোগ, রাজ্য নাম কা ওয়াস্তে তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে চাইছে। তাই সিবিআই তদন্ত হওয়া জরুরি। মেডিক্যাল পড়ুয়াদের এ ব্যাপারে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি। রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে না দেয় তাহলে পরিবারকে শুভেন্দু অধিকারীর পরামর্শ, ‘‘আপনারা আদালতের দ্বারস্থ হন।‌ আমরা পাশে থাকব।’’

    কী ঘটেছিল (RG Kar student death)

    শুক্রবার, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (RG Kar Medical College) মহিলা চিকিৎসক পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। তিনি চেস্ট ডিপার্টমেন্টের পোস্ট গ্রাজুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ডিপার্টমেন্টের সেমিনার রুম থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। দেহের পাশে মোবাইল, ল্যাপটপ, ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেহ মাটিতে পড়ে ছিল সংজ্ঞাহীন অবস্থায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্নাতকোত্তর স্তরে দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া ওই ছাত্রী বৃহস্পতিবারও রাত ২টো পর্যন্ত হাসপাতালের ওয়ার্ডে ডিউটি করেন। পরে কর্মরত আরও দুই জুনিয়র ডাক্তারের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া সেরে পড়াশোনার জন্য সেমিনার হলে চলে যান ওই তরুণী। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়ুয়ার দেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও অর্ধনগ্ন অবস্থায় তাঁকে পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। মৃতের চিকিৎসক বন্ধুদের অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পিএম আবাস যোজনায় তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ির অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার

    কেন সিবিআই (RG Kar student death)

    ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনও প্রকাশ্যে না এলেও পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ডাক্তারি ছাত্রীর যৌনাঙ্গ-সহ দেহের বিভিন্ন অংশে অন্তত ১০টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘শারীরিক নির্যাতন করে তরুণী ডাক্তারি পড়ুয়াকে খুন করা হয়েছে। ধর্ষণের সম্ভাবনার বিষয়টিও সামনে আসছে। সে কারণেই সিবিআই তদন্তের দাবি।’’ পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে অভিযুক্তদের আড়াল করার অভিযোগ এনেছেন বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পাল, কাউন্সিলর সজল ঘোষ, আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর কথায়, ‘‘আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Medical College) এইভাবে শিক্ষার্থী পড়ুয়া ডাক্তারকে, শারীরিক অত্যাচার করে খুন করা, এটা তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে আইনশৃঙ্খলার অবনতির বড় প্রমাণ, আমি গোটা রাজ্যের ছাত্র সমাজকে বলছি, মাঠে নামুন। প্রয়োজনে পতাকা ছাড়া নামুন। পুরো রাজ্যের মানুষ আপনাদের সঙ্গে আছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share