Tag: Richter scale

Richter scale

  • Taiwan Earthquake: তাইওয়ানে ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প, জারি সুনামি সতর্কতা

    Taiwan Earthquake: তাইওয়ানে ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প, জারি সুনামি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ান(Taiwan) দক্ষিণ জাপান (Japan) ও ফিলিপিনসে(Philipines) জারি হল সুনামি(Tsunami) সতর্কতা। বুধবার সকালে ৭.৪ তীব্রতার ভূমিকম্পের(Earthquake) জেরে এই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে এই ভূমিকম্পের জেরে ব্যাপক ধস নেমেছে তাইওয়ানের বিভিন্ন অঞ্চলে। ইতিমধ্যেই ৮৭ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে কয়েক হাজার বাড়ি। হু হু করে বাড়ছে মৃত ও আহতের সংখ্যা। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এখনও স্থির করতে পারেনি তাইওয়ান প্রশাসন। তাইওয়ানের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর সম্প্রচারিত হয়েছে যে সে দেশের বহু ফ্লাইওভার ও বহুতল ভেঙে পড়েছে।

    ভূমিকম্পের তীব্রতা (Taiwan Earthquake)

    প্রসঙ্গত তাইওয়ানের পক্ষ থেকে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ৭.৪ জরিপ করা হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে বিভাগের তরফ থেকে রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ৭.৭ ধার্য করা হয়। অন্য দিকে জাপানের মেটিওরলজিক্যাল এজেন্সি এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ৭.৫ বলে জানিয়েছে। জানা গেছে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল তাইনের হুয়ালিয়েন শহরের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে ভূপৃষ্ঠের ৩৪.৮ কিলোমিটার গভীরে। জানা গেছে ভূমিকম্পের জেরে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেইয়ের ভবনগুলি কেঁপে উঠলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। তবে হুয়ালিয়েন শহরে সবচেয়ে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং কয়েক হাজার ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

    তাইওয়ান ভূমিকম্পপ্রবণ

    প্রসঙ্গত দুটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ার কারণে তাইওয়ানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। কিন্তু এবারের ভূমিকম্প শেষ ২৫ বছরে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প বলে জানা গেছে। এর আগে গত বছর রিখটার স্কেলে ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। কিন্তু সেবার উৎপত্তিস্থল আরও গভীরে ছিল। কিন্তু এবার উৎপত্তিস্থল গত বারের তুলনায় ভূপৃষ্ঠের বেশি উপরে থাকায় ক্ষয়ক্ষতি গতবারের তুলনায় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাইওয়ানের হুয়ালিয়েন শহর একটি দর্শনীয় পর্যটন কেন্দ্র। ফলে এই শহরে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় দেশের অর্থব্যবস্থা ও পর্যটনে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে ২০১৮ সালে ৬.৪ তীব্রতার ভূমিকম্পে ২৭ জন নিহত ও ৩০০ জন আহত হয়েছিলেন।

    আরও পড়ুুন: অভিজিৎ, অর্জুন-সহ চার বিজেপি নেতাকে বিশেষ নিরাপত্তা কেন্দ্রের, কেন জানেন?

    তাইওয়ান প্রশাসনের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা শুরু করেছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন, “বিপর্যয় মোকাবিলার কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও তাঁদের সুরক্ষিত স্থানে সরানোকে প্রাথমিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার ক্ষতিগস্তদের পাশে আছে।” চিন তাইওয়ানের নিজের জোর খাতালেও বিপদের সময় অবশ্য তাঁদের দেখা নেই। চিনের তরফে কোন সাহায্যের আশ্বাস নেই। ইন্দো তাইপেই অ্যাসোসিয়েশন কঠিন সময়ে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে জাপানের অকিনাওয়া, মিয়াকজিমা সহ বেশ কয়েকটি দ্বীপের আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে সরে যেতে বলেছে। জাপানের মেটিওরলজিকাল এজেন্সির পাশাপাশি ফিলিপিন্সের সিসমোলজি এজেন্সি জানিয়েছে বিশাল উচ্চতার সুনামি আঘাত হানতে পারে তাদের দেশেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Earthquake Himalayas: হিমালয়ে বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি,ভয়ংকর খবর শোনালেন বিশেষজ্ঞরা

    Earthquake Himalayas: হিমালয়ে বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি,ভয়ংকর খবর শোনালেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৫ সালের নেপালের (Nepal) সেই ভয়াবহ ভূমিকম্পের(Earthquake) স্মৃতি নিশ্চয়ই সকলেরই মনে আছে। সেই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। সেই স্মৃতি ফের উসকে দিয়েছে মঙ্গলবার নেপালের ভূমিকম্পে।

    রিখটার স্কেলে (Richter scale) কম্পনের মাত্রা ৬.৩

    রিখটার স্কেলে (Richter scale) কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৩। আবারও এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, বিহার-সহ একাধিক রাজ্য রাত দুটো নাগাদ পরপর দুইবার কেঁপে ওঠে। বুধবার মধ্য রাতেও ভূমিকম্প হয় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। একের পর এক ভূমিকম্প হওয়ার পরই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। নেপালের মতো পরিস্থিতি যাতে ভারতেও না হয়, তার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।হিমালয়ে পরবর্তীতে বড়সড় ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। 

    ইউরেশীয়ান প্লেটের (Eurasian plate) চাপের কারণেই ভূমিকম্প হয়

    এই প্রসঙ্গে ওয়াদিয়া ইন্সটিটিউট অব হিমালয়ান জিওলজির সিনিয়র জিওগ্রাফিসিস্ট অজয় পাল সংবাদমাধ্যম জানিয়েছেন, ভারতীয় ও ইউরেশীয়ান প্লেটের সংঘর্ষের ফলেই হিমালয়ের উৎপত্তি হয়েছিল। ভূপৃষ্টের নীচে থাকা ভারতীয় প্লেটের উপরে ক্রমাগত ইউরেশীয়ান প্লেটের চাপের কারণেই ভূমিকম্প হয়। হিমালয়ের নীচে দুই পাতের সংঘর্ষে এই ভূমিকম্প অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। গোটা হিমালয় অঞ্চলটিই ভূমিকম্প প্রবণ। ওই অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনাও সর্বদাই থাকে।

    রিখটার স্কেল (Richter scale) কম্পনের মাত্রা হতে পারে ৭ বা তার বেশী 

    পরবর্তী সময়ে যদি হিমালয় অঞ্চলে ভূমিকম্প হয়, তবে তা অত্যন্ত শক্তিশালী হবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।

    ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়

    সিনিয়র জিওগ্রাফিসিস্ট অজয় পাল আরও জানান, যেহেতু ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়, ভূমিকম্প আগামী মাস বা ১০০ বছর পরেও হতে পারে। তাই আগে থেকে নিজেদের প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন। এতে বড় ক্ষয়ক্ষতি যেমন এড়ানো যায়, তেমনই ভূমিকম্পও দক্ষ হাতে মোকাবিলা করা যাবে।

    জাপানের (Japan) পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত

    পরামর্শ হিসাবে তিনি জানিয়েছেন, ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে বাড়ি এমনভাবে বানানো উচিত, যা ভূমিকম্পেও বিশেষ প্রভাবিত হবে না। জাপানেও (Japan) এই পদ্ধতিতেই বাড়ি বানানো হয়। সেই কারণেই বারবার ছোট-বড় ভূমিকম্প হলেও, জাপানে প্রাণহানি বা সম্পত্তির বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হয় না। প্রত্যেক বছরই অন্তত একবার মক ড্রিল করা উচিত। যদি এই কাজগুলি করা যায়, তবে ভূমিকম্পের প্রভাব ৯৯.৯৯ শতাংশ কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

    প্রসঙ্গত,বিগত ১৫০ বছরে মোট চারটি বড় ভূমিকম্প হয়েছে হিমালয়ে। ১৮৯৭ সালে শিলংয়ে ব্যাপক কম্পন অনুভূত হয়েছিল। এরপরে ১৯০৫ সালে কাঙ্গরায়, ১৯৩৪ সালে বিহার-নেপাল সীমান্তে ও ১৯৫০ সালে অসমে কম্পন অনুভূত হয়। এছাড়া ১৯৯১ সালে উত্তরকাশীতে, ১৯৯৯ সালে চামোলি ও ২০১৫ সালে নেপালেও ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share