Tag: Rishi Sunak

Rishi Sunak

  • UK Prime Minister: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে ঋষিকে সরে দাঁড়াতে ‘চাপ’ দিচ্ছেন বরিস?

    UK Prime Minister: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে ঋষিকে সরে দাঁড়াতে ‘চাপ’ দিচ্ছেন বরিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ষা করতে হবে দলকে। তাই প্রধানমন্ত্রীর (UK Prime Minister) দৌড় থেকে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনককে (Rishi Sunak) সরে দাঁড়াতে বললেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)। ফের তাঁকেই যেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, জানালেন সেই আর্জিও। দুই ‘হুজুরের এই গপ্পো’র কথা জানা গিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই।

    মাত্র ছ সপ্তাহ আগেই বরিসকে সরিয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) হন লিজ ট্রাস। চলতি বছরের জুলাই মাসে ক্রিস পিনচার ইস্যুতে দলের অন্দরেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন বরিস। ব্রিটিশ অর্থ দফতরের প্রধান ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনকের বিদ্রোহের জেরেই ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন বরিস। তার পর থেকেই ঋষির ওপর বেজায় ক্ষুব্ধ তিনি। ইস্তফা দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে চলে আসেন ঋষি। তবে ঋষির পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ান বরিস স্বয়ং। ঋষির বদলে লিজ ট্রাসই যে তাঁর প্রথম পছন্দ, দলের অন্দরে তা জানিয়ে দেন বরিস। তাঁর পছন্দের তালিকায় পেনি মর্ডান্ট রয়েছেন বলেও জানান বরিস। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই সময় কনজারভেটিভ পার্টি ভাগ হয়ে যায় বরিস-ঋষি দুই শিবিরে। এর পর ঋষিকে হারিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসেন লিজ।

    আরও পড়ুন: এবার কি ভাগ্য প্রসন্ন হবে সুনকের? জানুন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে আরও কারা

    সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন তিনিও। এবারও ফের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে চলে এসেছেন ঋষি-বরিস। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বরিস ঋষিকে প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) পদ থেকে সরে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছেন। কনজারভেটিভ পার্টির মুখ বাঁচাতেই এটা করা প্রয়োজন বলেও রবিস জানিয়েছেন ঋষিকে। একটি সংবাদ মাধ্যমের আবার দাবি, অনুরোধ নয়, বরিস ঋষিকে সরে দাঁড়াতে চাপ দিচ্ছেন।

    ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। যদিও বিরোধীরা এখনই সাধারণ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, মাত্র ছ সপ্তাহের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন লিজ। জানা গিয়েছে, এবার থেকে তিনি ভাতা বাবদ বছরে ১.০৫ কোটি টাকা করে পাবেন। তবে তাঁর এই ভাতা না নেওয়াই উচিত বলে মনে করেন লেবার পার্টির নেতা কেইর স্টার্মার। তিনি বলেন, লিজ মাত্র ৪৪ দিন অফিস করেছেন। তাই এই ভাতা তাঁর প্রাপ্য নয়। তাঁর উচিত এটা না নিয়ে ফেরত দিয়ে দেওয়া।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rishi Sunak: এবার কি ভাগ্য প্রসন্ন হবে সুনকের? জানুন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে আরও কারা

    Rishi Sunak: এবার কি ভাগ্য প্রসন্ন হবে সুনকের? জানুন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে আরও কারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী বদল। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK political crisis) হিসেবে শপথ নেওয়ার ৪৫ দিনের মাথায় পদত্যাগ করলেন লিজ ট্রাস। এবার কি তাহলে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)? এই প্রশ্নই ঘুরছে টেমসের তীরে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে ট্রাসের বিপরীতে লড়েছিলেন ঋষি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি দিতে রাজি হয়নি ব্রিটেন। সুনককে পরাজিত করে মসনদে বসেন ট্রাস। ছয় সপ্তাহের মধ্যেই ছন্দপতন। 

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগোলেন ঋষি  

    সূত্রের খবর, দলের মধ্যেই ট্রাসকে নিয়ে বিরোধিতা মাথা চাড়া দিয়েছিল। ট্রাসের অর্থনীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সমালোচিত হয়। এরপরেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ট্রাস। শুরু হয় গুঞ্জন এবার কি তাহলে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের কুর্সিতে বসবেন বহুজাতিক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ‘ইনফোসিস’-র প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই? এখন প্রধানমন্ত্রীর (prime minister) দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ঋষিই। তাঁর সমর্থনে রয়েছেন শতাধিক সাংসদ। সোমবার অর্থাৎ ২৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর জন্য মনোনয়ন জমা নেবে কনজারভেটিভ দল। মোট তিনজন মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন বলে রক্ষণশীল দলের তরফে জানানো হয়েছে। তবে মনোনয়ন দিতে হলে লাগবে অন্তত ১০০ সাংসদের সমর্থন।

      আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে উঠে আসছে কনজার্ভেটিভ পার্টির নেত্রী পেনি মর্ডন্টের নাম। গতবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের চতুর্থ এবং পঞ্চম রাউন্ডে সাংসদদের ভোট অনুযায়ী সুনকের পরেই ছিলেন তিনি। দলেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। এ ছাড়া, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন জেরেমি হান্টও। কিন্তু তিনি নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে চান না। তবে সুনক মনোনয়ন জমা দেবেন কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে ব্রিটিশ ট্যবলয়েডগুলির দাবি, সুনকই হতে পারেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নামে বাজিও ধরছেন বুকিরা। দামও উঠছে চরচর করে। এখন দিওয়ালির উপহার হিসেবে সুনক ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীত্ব পান কিনা তা-ই দেখার অপেক্ষায় ভারতবাসী। কারণ সুনক প্রধানমন্ত্রী হলে প্রথম কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভূতের হাতে যাবে ব্রিটেনের রাশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rishi Sunak: অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী মানতে পারল না ব্রিটেন! জানেন কেন হারতে হল ঋষিকে?

    Rishi Sunak: অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী মানতে পারল না ব্রিটেন! জানেন কেন হারতে হল ঋষিকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মাষ্টমীর দিনে রাধা-কৃষ্ণের আরাধনা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। হিন্দু রীতি মেনে পুজোয় অংশ নিয়েছিলেন। আরতি করেছিলেন। মেনে নিতে পারেনি ‘রক্ষণশীল’ ব্রিটেন। যে দেশের মূল ধর্ম খ্রিস্টান সেখানে একজন হিন্দু নেতাকে দেশের সর্বোচ্চ পদে বসাতে হয়ত কুণ্ঠা বোধ করেছেন ব্রিটেনের শাসক রক্ষণশীল দলের নেতারা। তাই আশা জাগিয়েও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (Britain PM) পদে জিততে পারলেন না ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। প্রথম থেকে জোরদার লড়াই করেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না ঋষি। কনজারভেটিভ দলের নেতারা ভরসা রাখলেন ব্রিটিশ নেত্রী লিজ ট্রাসের উপর।

    কনজারভেটিভ পার্টির (Tori) তরফে ভোটের ফল ঘোষণা করে জানানো হয় ২০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছেন লিজ। মোট বৈধ ভোটের মধ্যে লিজ পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩২৬টি ভোট। সুনক ৬০ হাজার ৩৯৯টি। চূড়ান্ত রাউন্ডে ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির জামাই ঋষির পরাজয়ের কারণ হিসেবে উঠে আসছে তাঁর ‘বর্ণ-পরিচয়ের’ কথাও। এখনও পর্যন্ত কোনও অশ্বেতাঙ্গ ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী হননি। যে দেড় লক্ষাধিক কনজারভেটিভ সদস্যের ভোটে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছে, তাতে অশ্বেতাঙ্গ ভোটার নগণ্য। তিন শতাংশেরও কম।

    আরও পড়ুন: অবাক কাণ্ড! লন্ডন থেকে চুরি হওয়া গাড়ি পৌঁছে গেল পাকিস্তানের করাচিতে! ভাইরাল ভিডিও

    রাজনৈতিক মহল মনে করছে ঋষির হারের পিছনে স্ত্রী অক্ষতার ভূমিকাও রয়েছে। একদিকে বিপুল সম্পত্তি, তো অন্যদিকে আয়কর ফাঁকি, আবার রাশিয়ার সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের জেরে তদন্তের আওতায় চলে আসেন পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার অক্ষতা। পেশার কারণে অন্যান্য দেশ থেকে ব্রিটেনে আসা নাগরিকদের বিশেষ কর দিতে হয়। সুনকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে সেই কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে। তিনি নাকি প্রভাব খাটিয়ে সেই করের আওতার বাইরে চলে আসেন। বলা হয়ে থাকে, অক্ষতার সম্পত্তি নাকি ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের চেয়েও বেশি। একদা ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারকারী ব্রিটেনবাসী এ সত্য মেনে নিতে পারে না। কোনও ভারতীয় তাঁদের থেকে বড় হতে পারেন হয়ত বা এই কথা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছিল রক্ষণশীল দলের সদস্যদের। তাই প্রথম থেকে এগিয়ে থেকেও মাইলস্টোন ছোঁয়া হল না ঋষির।

    তা ছাড়া একদা জনসন অনুগামী ঋষি যে ভাবে পরবর্তী কালে প্রকাশ্যে তাঁর বিরোধিতা করে ইস্তফা দিয়েছিলেন, ভোটে তারও প্রভাব পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ টোরি সদস্যদের বড় অংশই জনসন অনুগামী। তাঁদের একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন লিজ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UK PM Election: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পৌঁছলেন ঋষি সুনক-লিজ ট্রাস  

    UK PM Election: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পৌঁছলেন ঋষি সুনক-লিজ ট্রাস  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শেষ পর্বে পৌঁছলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংসদ ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। সঙ্গে তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রিটেনের বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস (Liz Truss)। মসনদ দখলের লড়াইয়ে সকলকে হারিয়ে শেষ দুইয়ে টিকে রয়েছেন তাঁরা। সামনে আর মাত্র একটা ধাপ। তারপরেই জানা যাবে কে হচ্ছেন ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী (UK PM Election)।   

    প্রথম থেকেই সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে আসছেন ঋষি সুনক। এই অবধি তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। এর পরের ভোটাভুটি রাউন্ডেই ঠিক হয়ে যাবে কে হাসবেন শেষ হাসি। অনেকেই নিশ্চিত বরিস জনসনের ছেড়ে যাওয়া পদে বসবেন ঋষিই। যদি এমনটা হয়, তাহলে এই প্রথম কোনও অশ্বেতাঙ্গ, হিন্দু ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবেন।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগোলেন ঋষি  

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে শেষ তিনের লড়াই চলছিল। সেই জায়গা থেকে বুধবারের ভোটে ছিটকে যান পেনি মরডান্ট। তিনি ভোট পেয়েছিলেন ১০৫টি। ব্রিটেনের ট্রয়ের প্রতিনিধিদের তরফে শেষ ৫ ব্যালটে এগিয়ে ছিলেন ঋষি। আপাতত তাঁর একমাত্র প্রতিপক্ষ ট্রাসের পক্ষে ভোট রয়েছে ১১৩টি। ঋষির দখলে রয়েছে ১৩৭ টি ভোট।

      আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    ঋষি সুনক কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদদের মধ্যে ভোটের সব রাউন্ডে জিতেছেন। কিন্তু, ট্রাসকেই এখন পর্যন্ত সরকারি দলের ২ লক্ষ সদস্যের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় বলে মনে করছে আর এক মহল। 

    শেষ নির্বাচনে সদস্যরাই তাঁদের দলের নেতা বা নেত্রীকে বেছে নেবেন। একসপ্তাহ ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলবে ঋষি ও ট্রাসের মধ্যে। ৫ সেপ্টেম্বর হবে ফল ঘোষণা। 

    ঋষি সুনকের বয়স ৪২। ২০২০ সালে ফেব্রুয়ারিতে বরিস জনসনই (Boris Johnson) তাঁকে নির্বাচন করে অর্থমন্ত্রী করেন। অতিমারি চলাকালীন ব্যবসা এবং কর্মচারীদের সাহায্য করার জন্য কয়েক বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের একটি বিশাল প্যাকেজ তৈরির পরে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ঋষি। তিনি তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই। 

    স্ত্রীর নন-ডোমেস্টিক ট্যাক্স, নিজের ইউএস গ্রিন কার্ড এবং বিপুল সম্পত্তির কারণে মাঝে মাঝেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ঋষিকে। কোভিড লকডাউন অমান্য করার জন্য এবং ডাউনিং স্ট্রিট সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্যও জরিমানা করা হয় তাঁকে। ঋষি সুনকের দাদু ঠাকুমা পঞ্জাবের বাসিন্দা ছিলেন। 

    দুর্নীতির দায় নিয়ে গত ৭ জুলাই পদত্যাগ করেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)। বরিস প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতেই ব্রিটেনের রাজনীতিতে ডামাডোল শুরু হয়।  

    এখন ঋষি বা ট্রাস বিজয়ী যেই হোন না কেন, তাঁকে গত কয়েক দশকের মধ্যে ব্রিটেনের সবথেকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত ব্রিটেন। মুদ্রাস্ফীতি বার্ষিক ১১% ছুঁতে চলেছে। থমকে গিয়েছে বৃদ্ধি। শিল্প খানিকটা বেড়েছে। তবু ডলারের তুলনায় পাউন্ডের দর এখন সবচেয়ে কম। তাই প্রধানমন্ত্রীর পদে যেই আসুন না কেন, তাঁর জন্যে অপেক্ষা করছে এক কাঁটা বেছানো সিংহাসন। 

  • Rishi Sunak: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগোলেন ঋষি 

    Rishi Sunak: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগোলেন ঋষি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহাসনের আরও একটু কাছে এগিয়ে গেলেন ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister Election) হওয়ার লড়াইয়ে ফের করলেন বাজিমাৎ। দ্বিতীয়  ধাপের ভোটেও কনজারভেটিভ দলের এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত নেতা পেলেন সবচেয়ে বেশি সমর্থন। 

    তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই ঋষি পেয়েছেন ১০১টি ভোট। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ব্রিটেনের  সহ-বাণিজ্যমন্ত্রী পেনি মরডন্ট। তিনি পেয়েছেন ৮৩টি ভোট। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী লিজ ট্রাস। পেয়েছেন ৬৪টি ভোট। বরিস সরকারের মন্ত্রী কেমি বেডনোচ পেয়েছেন ৪৯টি ভোট। টম টুগেনধাত ৩২টি ভোট পেয়ে এখনও লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন। আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত, ব্রিটেনের অ্যাটর্নি জেনারেল সুয়েলা ব্লেভারম্যান ২৭টি ভোট পেয়ে লড়াই থেকে বাদ পড়েছেন।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে নাম দিয়ে কটাক্ষের শিকার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি – সুয়েলা 

    এ অবধি ভোটের  ট্রেন্ড দেখে অনেকেই মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীর মুকুট উঠবে ঋষির মাথাতেই। 
     
    প্রথম ধাপের ভোটেও সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন ঋষি। দলের ৩৫৮ জন সাংসদের মধ্যে ৮৮ জনের সমর্থন পেয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে? 

    ঋষি সুনকের বয়স ৪২। ২০২০ সালে ফেব্রুয়ারিতে বরিস জনসনই (Boris Johnson) তাঁকে নির্বাচন করে অর্থমন্ত্রী করেন। মহামারী চলাকালীন ব্যবসা এবং  কর্মচারীদের সাহায্য করার জন্য কয়েক বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের একটি বিশাল প্যাকেজ তৈরির পরে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ঋষি।  

    স্ত্রীর নন-ডোমেস্টিক ট্যাক্স, নিজের ইউএস গ্রিন কার্ড এবং বিপুল সম্পত্তির কারণে মাঝে মাঝেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ঋষিকে। কোভিড লকডাউন অমান্য করার জন্য এবং ডাউনিং স্ট্রিট সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্যও জরিমানা করা হয় তাঁকে। ঋষি সুনকের দাদু ঠাকুমা পঞ্জাবের বাসিন্দা ছিলেন। ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এন আর নারায়ণ মূর্তির কন্যা অক্ষতা ঋষির স্ত্রী। তাঁদের দুই কন্যাও রয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে পড়াশোনা করা কালীন তাঁদের আলাপ হয়।

  • Rishi Sunak: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে নাম দিয়ে কটাক্ষের শিকার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি – সুয়েলা

    Rishi Sunak: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে নাম দিয়ে কটাক্ষের শিকার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি – সুয়েলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson) পদত্যাগ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে বরিসের জায়গায় কে থাকবেন, তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। ইতিমধ্যে অনেকেই তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন। তবে বরিস সরে গেলে তাঁর জায়গা নিতে পারেন ঋষি সুনক (Rishi Sunak), এমনটাই আলোচনায় শোনা যাচ্ছে। যদি ঋষি সুনকই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকে ও ইনিই হন প্রধানমন্ত্রী, তবে তিনিই হবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রথম ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। ঋষি সুনকের বয়স ৪২ বছর। ২০২০ সালে বরিসই তাঁকে ‘চ্যান্সেলর অফ এক্সচেকার’ পদে নিয়োগ করেছিলেন অর্থাৎ তিনি ব্রিটেনের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

    এরপর বরিস জনসন নিজের পদ ছেড়ে দিলে শুক্রবারই ব্রিটেনের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনক দলের প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার কথা ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে তিনি একটি ট্যুইট করেন। নির্বাচনী প্রচারমূলক ওই ভিডিয়ো-বার্তায় ঋষি বলেন– এই মুহূর্তে কাউকে না কাউকে হাল ধরতে হবে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ কারণেই কনজারভেটিভ পার্টির পরবর্তী সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে সামিল হচ্ছেন তিনি। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    ঋষির পক্ষে যেমন অনেকে কথা বলছেন,  তেমনি অনেকে তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না। একদিকে তিনি যেমন ভারতীয় বংশোদ্ভূত হওয়ার কারণে সমর্থন পাচ্ছেন, তেমনি অনেক ঘটনার জন্য সমালোচিত হতে হচ্ছে। যেমন- বরিসের সঙ্গী হিসাবে ‘পার্টিগেট’ বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এরপর ইনফোসিসে তাঁর স্ত্রী অক্ষতা মূর্তির অংশীদারিত্ব এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত আয় করা অর্থের উপর কর না দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছিল তাঁদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী হয়েও আমেরিকার গ্রিন কার্ড থাকার ফলে তাঁকে সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়।

    এছাড়াও নেটিজেনদের অনেকেই ট্যুইটারেও তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। ঋষি প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য ঘোষণা করলে তিনি ReadyForRishi নামে একটি ক্যাম্পেইন শুরু করলে এক নেটিজেন সমালোচনা করে বলেন, বরিস জনসন পদত্যাগ করার আগেই তিনি Ready4Rishi নামে ডোমেইন তৈরি করে রেখেছেন। আরেকজন বলেন, “ঋষি সুনক একজম মাল্টি বিলিয়নিয়র।”  সাংসদ রিচার্ড বার্গন (Richard Burgon) ট্যুইটারে লিখেছেন, “সুনক পরিবারের ১০০ মিলিয়নের সম্পত্তি রয়েছে কিন্তু তবু তাঁরা ট্যাক্স দেন না।“  ব্রিটেন ব্যারিস্টার মৌঘাম ট্যুইটে বলেন, “আপনারা কি মনে করছেন যে দলের লোকেরা ‘ব্রাউন ম্যান’ ঋষিকে বেছে নেবে?”

    আরও পড়ুন: নেতা খুঁজছে লন্ডন! আপাতত কাজ সামলাবেন বরিস

    অন্যদিকে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রেভারম্যানও (Suella Braverman) প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য নিজের নাম ঘোষণা করায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তাঁকে কটাক্ষ করে ট্রাম্পের ‘ব্রাউন ফিমেল ভার্সন’ বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, অক্টোবরে কনজারভেটিভ পার্টির সম্মেলনে বেছে নেওয়া হবে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে। ঋষির পাশাপাশি আলোচনায় উঠে এসেছে  ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রেভারম্যান, পাক বংশোদ্ভূত সাজিদ জাভিদের নামও। পাশাপাশি পেনি মর্ডান্ট, বেন ওয়ালেস, লিজ ট্রুসদের নামও উঠে এসেছে আলোচনায়।  

  • UK Prime Minister: হেরে গেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি! ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস

    UK Prime Minister: হেরে গেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি! ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার বিকেলেই ঘোষণা হয়ে গেল ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম। ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন লিজ ট্রাস (Liz Truss)। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাককে (Rishi Sunak) হারিয়ে ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ট্রাস। লিজ ট্রাস ৮১৩২৬ ভোট পেয়েছেন এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ঋষি সুনাক ৬০৩৯৯ ভোট পেয়েছেন। সুনাককে ২০,০০০-এর বেশি ভোটে পরাজিত করেন ট্রাস। এদিন কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরাই তাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীকে ভোট দিয়ে বেছে নিয়েছেন।

    লিজ ট্রাস হলেন ব্রিটেনের তৃতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আগে থেরেসা মে, ও মার্গারেট থ্যাচার ছিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছ, লিজ ট্রাস ৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থিত থাকবেন।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পৌঁছলেন ঋষি সুনক-লিজ ট্রাস

    উল্লেখ্য, কয়েক মাস কেলেঙ্কারির পরে জুলাই মাসে বরিস জনসন (Boris Johnson) পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং তিনি জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করার জন্য মঙ্গলবার রানী এলিজাবেথের সাথে দেখা করতে স্কটল্যান্ডে যাবেন তিনি। দুর্নীতির দায় নিয়ে গত ৭ জুলাই পদত্যাগ করেছিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বরিস প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতেই ব্রিটেনের রাজনীতিতে ডামাডোল শুরু হয়ে যায়। 

    তবে লিজ ট্রাস প্রধানমন্ত্রী হলেও তাঁকে বর্তমানে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। ব্রিটেনের যে পরিস্থিতি, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, দেশের খুবই দুর্দিনে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে চলেছেন ট্রাস। কারণ, বেশ কিছুদিন ধরেই নিত্যপণ্যের দামবৃদ্ধিতে ব্রিটিশ নাগরিকদের নাজেহাল অবস্থা। এছাড়াও দেশ জুড়ে জ্বালানি সংকট ও বেকারত্ব তো রয়েছেই। ফলে ট্রাস কীভাবে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে সেটাই এখন দেখার।

    প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে প্রথমে ঋষি সুনাকই প্রথম পাঁচ রাউন্ডে বিশাল লিড পেয়েছিলেন, কিন্তু কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের চূড়ান্ত ভোটে পরে লিজ ট্রাস বিপুল পরিমাণ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তবে ঋষি সুনাকের স্ত্রীর করফাঁকি, নিজের ইউএস গ্রিন কার্ড এবং বিপুল সম্পত্তি ইত্যাদির কারণে তাঁকে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়, আর এই কারণগুলোই তাঁর পরাজিত হওয়ার মূল কারণ বলে মনে করেছেন রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ মহল।

  • UK PM Race: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, প্রথম রাউন্ডের শেষে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক

    UK PM Race: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, প্রথম রাউন্ডের শেষে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK PM Race) বরিস জনসন (Boris Johnson)। এরপরে কার মাথায় উঠবে প্রধানমন্ত্রীর খেতাব তা নিয়েই এখন বিশ্বজোড়া চর্চা। ভোটাভুটির প্রথম রাউন্ডের পরে প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থানে রইলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রাক্তন ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। তিনি পেয়েছেন ২৫ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী পেনি মর্ডান্ট পেয়েছেন ১৯ শতাংশ ভোট। লিজ ট্রস ১৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন (Liz Truss)। চতুর্থ স্থানে কেমি বেদেনোক ১১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, টম টুজেন্ট ১০ শতাংশ ভোট পেয়ে ৫ নম্বরে রয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রাভারম্যান ৯ শতাংশ ভোট নিয়ে ছয় নম্বরে রয়েছেন। এলিমিনেশন  রাউন্ডে, দুই প্রার্থী, নাদিম জাহাভি এবং জেরেমি হান্ট যথাক্রমে ৭ এবং ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় থেকে বাদ পড়েছেন। 

    আরও পড়ুন: কী হল বরিস সরকারের? চার মন্ত্রীর পদত্যাগে চিন্তায় জনসন

    দলের ৩৫৮ জন সাংসদের মধ্যে ৮৮ জনের সমর্থন পেয়েছেন ঋষি সুনক। প্রতি রাউন্ডে যারা সবচেয়ে কম ভোট পাবেন, তাঁরা প্রতিযোগিতা থেকে বাদ যাবেন। চলতে হবে ভোট। ২১ জুলাইয়ের মধ্যে দুজনকে চূড়ান্ত করতে হবে। তারপর কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরা তাঁদের নতুন নেতা নির্বাচন করবেন। এরপরে ৫ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    বর্তমানে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ঋষি সুনক। প্রতিযোগিতায় রয়েছেন আরেক ভারতীয় রাজনীতিবিদ সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান। 

    কে এই ঋষি সুনক?  

    বহুজাতিক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিসের (Infosys) প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির (Narayana Murthy) জামাই এই ঋষি সুনক। ১৯৮০-র ১২ মে ব্রিটেনের বন্দর শহর সাউদাম্পটনে (Southampton) জন্ম হয় ঋষি সুনকের। অক্সফোর্ড (Oxford) ও স্ট্যান্ডফোর্ড (Stanford) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ঋষি রাজনীতিতে আসার আগে ছিলেন ব্যবসায়ী। ২০১৫-য় রিচমন্ড ইয়র্কশায়ার (Richmond Yorkshire) থেকে জিতে প্রথমবার সাংসদ হন তিনি। বরিসের মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলান। ২০০৯-এ বিয়ে করেন ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির কন্যা অক্ষতাকে। দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে। একটা সময় ব্রেক্সিটের প্রচারে বরিসের পাশে ঋষিকেই মুখ্য ভূমিকায় দেখা যায়। একাধিক বিতর্কেও নাম জড়িয়েছে তাঁর। পার্টিগেট কেলেঙ্কারিতে (Partygate scandal) নাম জড়ায় ঋষি সুনকের।  

    দলের নতুন প্রধানমন্ত্রী খুঁজতেও কনজারভেটিভ পার্টিতে মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়। যে প্রার্থীরা ৩০ এর কম ভোট পেয়েছেন তাঁদের বাদ দেওয়া হয়। ব্রিটেনের নিয়ম অনুযায়ী, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে কেবলমাত্র সেই প্রার্থীরাই পরের রাউন্ডে যেতে পারবেন, যারা অন্তত ৩০ জন সাংসদের সমর্থন পাবেন। ভোটের আগে সব প্রার্থীদের পার্টির কর্মীদের সামনে বক্তৃতা রাখার জন্যে ১২ মিনিটের সময় দেওয়া হয়।   

    শেষ রাউন্ডের শেষে যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন তিনি কনজারভেটিভ পার্টির সদস্য হয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হবেন। আগামী ৫ সেপ্টেম্বরেই মধ্যেই নতুন প্রধানমন্ত্রী পাবে ব্রিটেন। এমনটাই আশা করা হচ্ছে। 

LinkedIn
Share