Tag: Road Accident

Road Accident

  • Nitin Gadkari: সাত দিন বিনামূল্যে চিকিৎসা, ৮ ঘণ্টার বেশি ড্রাইভিং নয়, পথ দুর্ঘটনা রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র

    Nitin Gadkari: সাত দিন বিনামূল্যে চিকিৎসা, ৮ ঘণ্টার বেশি ড্রাইভিং নয়, পথ দুর্ঘটনা রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য নয়া প্রকল্প আনছে মোদি সরকার। আহতদের জন্য ‘নগদহীন চিকিৎসা’-র (Cashless Treatment Scheme) কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। তিনি জানান, পথ দুর্ঘটনায় আহতদের সাত দিনের চিকিৎসার জন্য দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ বহন করবে সরকার। শুধু তা-ই নয়, ধাক্কা মেরে পালানোর ঘটনায় মৃতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণও ঘোষণা করলেন গড়করি।

    কেন্দ্রের নয়া ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, পথ দুর্ঘটনায় (Cashless Treatment Scheme) কেউ আহত হলে, এক সপ্তাহ তাঁর চিকিৎসা চালাবে কেন্দ্র। চিকিৎসার খরচবাবদ সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ করা হবে এই প্রকল্পের আওতায়। তবে আহত ব্যক্তির হাতে ওই টাকা দেওয়া হবে না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশের কাছে পথ দুর্ঘটনার বিষয়ে জানানো হলে সরকার আহতদের চিকিৎসার খরচ বহন করবে। চিকিৎসা হবে ক্যাশলেস অর্থাৎ নগদহীন প্রক্রিয়ায়। চলতি বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই নয়া এই প্রকল্পের সূচনা হবে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী।

    কীভাবে কাজ করা হবে

    দুর্ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা (Cashless Treatment Scheme) পরিষেবা প্রদান সরকারের লক্ষ্য। তাই নয়া প্রকল্প আনা হচ্ছে। ন্যাশনাল হেলথ অথরিটি (NHA) এই প্রকল্প কার্যকর করবে। পুলিশ, হাসপাতাল এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। গোটা প্রকল্পটি প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালনা করা হবে। সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের কাছে দুর্ঘটনার রিপোর্ট থাকবে, থাকবে চিকিৎসা খাতে লেনদেনের তথ্যও। জাতীয় সড়ক থেকে হাইওয়ে, যে কোনও রাস্তায় মোটরযান দুর্ঘটনায় পড়লেই, আহতরা এই চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন বলে জানিয়েছেন নিতিন। 

    পরীক্ষামূলকভাবে চালু প্রকল্প

    অসম, চণ্ডীগড়, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, পুদুচেরি, হরিয়ানায় পরীক্ষামূলকভাবে সাফল্য পেয়েছে প্রকল্পটি (Cashless Treatment Scheme)। পরীক্ষামূলক ভাবে প্রকল্পটি কার্যকর করার পর এখনও পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৪০ জন মানুষ উপকৃত হয়েছেন। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা পরিষেবার মাধ্যমে বছরে ৫০ হাজার মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদী নিতিন। মঙ্গলবার দিল্লির ভারত মণ্ডপমে রাজ্যগুলির সড়ক পরিবহণমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন গড়করি (Nitin Gadkari)। এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কের উন্নতি এবং পরিবহণ সম্পর্কিত নীতিগুলি নিয়ে আলোচনা করা। সেই বৈঠকেই নতুন প্রকল্পের কথা জানান তিনি।

    কেন্দ্রের উদ্বেগ

    শুধু ২০২৪ সালেই দেশে পথ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার। পরিসংখ্যান উল্লেখ করে গড়করি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এ বিষয়ে গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, গত এক বছরে শুধু হেলমেট না পরার কারণেই মৃত্যু হয়েছে ৩০ হাজার জনের। ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সিদের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে বলে দাবি গড়করির। পাশাপাশি, স্কুল ও কলেজের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রবেশ এবং প্রস্থানের জায়গাতেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সঠিক পরিকল্পনার অভাবে পথ দুর্ঘটনায় ১০ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করছে সরকার, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: আত্মনির্ভর ভারত, এবার দেশেই প্যারাসিটামল উৎপাদন প্রযুক্তির উদ্ভাবন

    কেন্দ্রের আরও পরিকল্পনা

    নিতিন জানিয়েছেন, পথ দুর্ঘটনা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করছে সরকার (Modi Govt)। গাড়ির চালকদের যাতে বেশি ক্ষণ খাটতে না হয়, ক্লান্তি, অবসন্নতা যাতে তাঁদের কাবু করে না ফেলে, তার জন্যও নীতি নির্ধারণ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাঁদের দিয়ে আট ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালানো যাবে না। এর জন্য আধার নম্বর সম্বলিত নয়া প্রযুক্তি আনা হবে, যাতে চালকরা কত ঘণ্টা গাড়ি চালাচ্ছেন, তা বোঝা সম্ভব হবে। দুর্ঘটনাগ্রস্তদের প্রাণ বাঁচানোর ক্ষেত্রে পুরস্কারের অঙ্কও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন নিতিন। বর্তমানে দুর্ঘটনায় প্রাণ বাঁচানো ব্যক্তিকে ৫০০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ পঞ্জাবে পরীক্ষামূলক ভাবে এই প্রকল্প কার্যকর করা হয়। আরও ছয় রাজ্যেও পরীক্ষানিরীক্ষা চলে। সব শেষে গোটা দেশের জন্য প্রকল্পটি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Student Death: ‘শিশু হাসপাতালে যখন গিয়েছি, ও বেঁচে ছিল, কেউ দেখল না’ চোখের জলে ভাসলেন পুত্রহারা মা

    Student Death: ‘শিশু হাসপাতালে যখন গিয়েছি, ও বেঁচে ছিল, কেউ দেখল না’ চোখের জলে ভাসলেন পুত্রহারা মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্ঘটনার পর রেফারের জেরে এ হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতাল, প্রাণ গেল ১১ বছরের কিশোরের। পুত্রহারা মায়ের কান্নাই বলে দিল, রাজ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা কোথায় এসে নেমেছে। ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে নিজেই স্কুটি চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন নুরজাহান পাইক। সল্টলেকের ২ নম্বর গেটের কাছে একটি বাস এসে সজোরে ধাক্কা মারে স্কুটিতে। টাল সামলাতে পারেননি। রাস্তায় ছিটকে পড়েন তিনি। কিছুটা দূরে ছিটকে পড়ে ছেলে আয়ুষ পাইকও (১১)। ছেলে আয়ুষের আঘাত গুরুতর ছিল। ওর জ্ঞান ছিল না। নুরজাহান জানান, কাছাকাছি পুলিশ থাকলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। ছেলে প্রায় ১৫ মিনিট রাস্তায় পড়ে ছিল। 

    হাসপাতালে পরিকাঠামোর অভাব

    সদ্য পুত্রহারা মা নুরজাহান বলেন, “স্থানীয় এক জন অটোচালক আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। তাঁর অটোয় করে ছেলেকে প্রথমে উল্টোডাঙার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওর মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু ওই নার্সিংহোমে ছোটদের আইসিইউ নেই। তাই তারাই অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করে দেয়। সেখান থেকে ছেলেকে নিয়ে আমরা ফুলবাগানের বি সি রায় শিশু হাসপাতালে যাই। কিন্তু সেখানে আমাদের তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা কিছুতেই ছেলেকে ভর্তি নিতে চাননি। ওঁরা জানিয়েছিলেন, ছেলের মাথায় যে ধরনের আঘাত লেগেছে, সেই ধরনের আঘাতের চিকিৎসার পরিকাঠামো বি সি রায়ে নেই।”

    আরও পড়ুনঃ নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    প্রশাসন নিরুত্তর

    নুরজাহান বলেন, ‘ওকে শিশু হাসপাতালে যখন নিয়ে গিয়েছি, ও তখনও বেঁচে ছিল। কিন্তু কেউ দেখল না। একজন পুলিশ আধিকারিককে ফোন করেছিলাম যাতে ওখানে ভর্তি করানো যায়, কিন্তু তাও কেউ এগিয়ে এল না। শেষে বেলেঘাটার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে জানান, ছেলে আর নেই। আমার বাচ্চাটা চলেই গেল।’ প্রথম থেকে চিকিৎসা পেলে হয়তো বাঁচানো যেত আয়ুষকে, এমনই দাবি পরিবারের। কিন্তু রাজ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা বেহাল। কোন হাসপাতালে কী রয়েছে তা জানতে জানতেই সময় চলে যায়। পরিষেবা পেতে হয়রানির শিকার হতে হয়। শুধু স্বাস্থ্যক্ষেত্রই নয় প্রশাসনও নিরুত্তর। যে এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে, সেখানে কোনও স্পিড ব্রেকার নেই। গাড়ি খুব দ্রুত গতিতে চলে। ট্র্যাফিক পুলিশকেও তেমন দেখা যায় না। মাঝেমধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেখা যায়। দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে একাধিক স্কুল রয়েছে। রাস্তার পাশে কোনও ফুটপাত নেই। তাই পথচারীদের বাধ্য হয়ে রাস্তার উপর দিয়ে হাঁটতে হয়। রাজ্যে এখন জীবন বাজি রেখেই পথে বেরোতে হয় সাধারণ মানুষকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cashless Treatment: পথ দুর্ঘটনায় আহতরা পাবেন ‘ক্যাশলেস’ চিকিৎসা! আসছে কেন্দ্রের বিশেষ স্কিম

    Cashless Treatment: পথ দুর্ঘটনায় আহতরা পাবেন ‘ক্যাশলেস’ চিকিৎসা! আসছে কেন্দ্রের বিশেষ স্কিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য এবার নয়া প্রকল্প আনতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য় ক্যাশলেস চিকিৎসা (Cashless Treatment) ব্যবস্থা আনার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর, আপাতত পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে সেটা আনা হবে এই নতুন প্রকল্প। প্রথম পর্যায়ে চণ্ডীগড় ও অসমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। এক্ষেত্রে কোথায় সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে সেটা বড় কথা নয়। এই ধরনের দুর্ঘটনা হলেই ক্যাশলেস চিকিৎসা প্রয়োগ করা হবে। 

    কী বললেন গড়কড়ি

    শুক্রবার লোকসভায় একটা লিখিত প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় সড়ক, পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানিয়েছেন, এই স্কিমের (Cashless Treatment) আওতায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্যাকেজের ব্যবস্থা থাকবে। আয়ুস্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী জনআরোগ্য যোজনার আওতায় প্যানেলভুক্ত হাসপাতালে ট্রমা ও পলিট্রমা কেয়ারের বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা করা হবে। দুর্ঘটনার পর সর্বোচ্চ সাতদিন পর্যন্ত এই সহায়তা করা হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর তুঘলকি কাণ্ডে ৫০০ কোটির ক্ষতি টলিপাড়ার! তাও চুপ রাজ্য

    কীভাবে প্রকল্পের প্রয়োগ

    প্রতি বছর বহু মানুষের মৃত্য়ু হয় পথ দুর্ঘটনার কারণে। পথ দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ মৃত্যু ঘটে চিকিৎসায় দেরি হওয়ার কারণে। এই বিষয়টির কথা মাথা রেখেই এবার সরকার শীঘ্রই পথ দুর্ঘটনায় ক্ষেত্রে ক্যাশলেস চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে চলেছে। অদূর ভবিষ্যতে পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা ক্যাশলেস (Cashless Treatment) হতে চলেছে গোটা দেশে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nitin Gadkari) আরও জানিয়েছেন, এই প্রকল্প প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় পুলিশ, প্যানেলভুক্ত হাসপাতাল, রাজ্যের স্বাস্থ্য বিষয়ক এজেন্সি, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার, জেনারেল ইনস্যুরেন্স কাউন্সিল— সকলে মিলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Accident: সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়িতেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের ৭ আত্মীয়

    Accident: সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়িতেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের ৭ আত্মীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিরাট থেকে সালাসর বালাজির দর্শন করে ফেরার সময় রাজস্থানের সিকর এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় (Accident) ৭ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সকলেই গাড়ির ভিতরে জীবন্ত অবস্থায় দগ্ধ হয়ে মারা যান। মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের পাঁচজন ও দুজন তাঁদের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা সকলেই মিরাট ক্যান্টনমেন্টের বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক সত্যপ্রকাশ অগরওয়ালের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে।

    কীভাবে হল দুর্ঘটনা (Accident)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, মিরাট রোড থেকে এই পরিবার সালাসর বালাজির দর্শন করতে গিয়েছিলেন। দর্শন করার পর পরিবারের সকলে একই গাড়িতে ফেরত আসার সময় সতীমাতার দর্শন করার জন্য হিসার যাচ্ছিলেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে সেই সময় সিকর এলাকায় উড়ালপুলে একটি ট্রাককে ওভারটেক করার সময় তাঁদের গাড়ি ট্রাকে ধাক্কা মারে। এরপরই গাড়ির সিএনজি ট্যাঙ্ক দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। গাড়ির ভিতরেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে সাতজন মারা (Accident) যান। মারা যাওয়া সকলেই শিবশংকর পুরীর বাসিন্দা। তাঁদের নাম নিলম গোয়েল, মুকেশ গোয়েল, মঞ্জু বিন্দাল, হার্দিক বিন্দাল, স্বাতী বিন্দাল, দিশা ও তাঁর দু বছরের বোন (নাম অজ্ঞাত) বলে জানা গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে হার্দিক বিন্দল প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক প্রকাশ আগরওয়ালের শ্যালক। তাঁরা সকলের প্রাক্তন বিধায়কের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য

    রবিবার দুপুরবেলায় এই ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী রামনিবাস সৈনি বলেছেন, “দুপুর বেলা ২ টা ৩০ মিনিট নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি নিজের পিকআপ গাড়ি সার্ভিস করানোর জন্য উড়ালপুলের পাশের একটি সার্ভিস সেন্টারে যাচ্ছিলাম। সেই সময় উড়ালপুলের ওপরে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমার পাশ থেকে একটি ট্রাক যাচ্ছিল। গাড়ি ওভারটেক করার চেষ্টা করে। সেই সময় ট্রাকে ধাক্কা মারে গাড়ি। আমি নিজের গাড়ি সাইড করে দুর্ঘটনাস্থলের (Accident) দিকে দৌড়ে যাই। পিছনে বসে থাকা দুজন ব্যক্তি চিৎকার করে সাহায্যের আবেদন করছিলেন। সেই সময় গাড়ির পিছনের সিএনজির ট্যাংক থেকে গ্যাস লিক করতে শুরু করে। এর পরে গাড়িতে আগুন ধরে যায়। তাতে পুড়ে মারা যান সকলে। আগুন এতটাই জোরালো ছিল যে গাড়ির দরজা খোলা যায়নি। পুলিশ এসে আগুন নেভায় এবং এরপর গাড়িটিকে ক্রেনের সাহায্যে তুলে অন্যত্র নিয়ে যায়।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আলিপুরদুয়ারে মনোজ টিগ্গার হয়ে প্রচারে রাজনাথ সিং, জয় জয়কার মোদির

    মোবাইল থেকে মৃতদেহ শনাক্ত

    ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই মোবাইলের আইএমইআই নম্বর এবং সিম কার্ড থেকে মৃতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের মোবাইলের সিম কার্ড থেকে পাওয়া তথ্য থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর এই দুর্ঘটনার (Accident) কথা জানানো হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Road Accident: কালিম্পঙের পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত দক্ষিণেশ্বরের যুবক, আহত পরিবারের আরও ৬

    Road Accident: কালিম্পঙের পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত দক্ষিণেশ্বরের যুবক, আহত পরিবারের আরও ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে এখন পর্যটনের ভরা মরশুম চলছে। শীতের ঠান্ডা গায়ে মেখে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দল দল মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন পাহাড়ে। কারও গন্তব্য দার্জিলিং, কারও কালিম্পং, কেউ বা ছুটছেন নর্থ সিকিমে। আনন্দের মাঝেই এল বিষাদের খবর। বৃহস্পতিবার সাত সকালে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক যুবক, গুরুতর জখম অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি আরও ২ জন। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, এঁরা সকলেই দক্ষিণেশ্বরের বাসিন্দা। যাচ্ছিলেন কালিম্পঙের চুইকহিমের বাড়িতে। কিন্তু বাগডোগরার কাছে গোঁসাইপুরে তাঁদের বোলেরো গাড়িটি মারাত্মক দুর্ঘটনার (Road Accident) কবলে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইন্দ্রাশিস চক্রবর্তী নামে ওই যুবকের। বাগডোগরা থানার পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? (Road Accident)

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জেনেছে, এশিয়ান হাইওয়ে ২ দিয়ে গাড়িটি প্রচণ্ড গতিতে ছুটছিল। আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁদের বোলেরো গাড়িটি একটি বাসের পিছনে ধাক্কা মারে। ফলে গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় (Road Accident)। গাড়িতে একই পরিবারের মোট ৭ জন যাত্রী ছিলেন। সকলেই কমবেশি আহত হন। আহত ৬ জনের মধ্যে ২ জনের আঘাত গুরুতর। পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটিকে থানায় নিয়ে যায়। চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বলে পুলিশ জেনেছে। ফলে এমন খবরে অন্যান্য পর্যটকরাও একাধারে মর্মাহত এবং আতঙ্কিতও। বলা বাহুল্য, তাঁদের দক্ষিণেশ্বর এলাকাতেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

    কী জানালেন মৃতের বাবা? (Road Accident)

    মৃত যুবক ইন্দ্রাশিসের বাবা ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, এদিন সকালে দুর্ঘটনাটি (Road Accident) ঘটেছে। ছেলেকে তিনি হারিয়েছেন, তাঁর স্ত্রীর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। গাড়িতে আর যাঁরা ছিলেন, সকলেই অল্পবিস্তর আহত হয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Accident: লরির ধাক্কায় মৃত খুদে পড়ুয়া! পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধে ধুন্ধুমার বেহালায়

    Road Accident: লরির ধাক্কায় মৃত খুদে পড়ুয়া! পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধে ধুন্ধুমার বেহালায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় (Road Accident) এক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুকে ঘিরে শুক্রবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল বেহালা। জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম সৌরনীল সরকার। এই ঘটনার জেরে ধুন্ধুমার বেঁধে যায় গোটা এলাকায়। জনতার রোষে পুলিশের ভ্যান দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে বেহালায়। সরকারি বাসেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। পাল্টা পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। স্থানীয়দের বিক্ষোভে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার রোডও বিক্ষুব্ধ জনতা অবরোধ করে। অভিযোগ, দুর্ঘটনার (Road Accident) পর লরিচালককে ধরা গেলেও, পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছে। পরে, সকাল দশটা নাগাদ কোনা এক্সপ্রেসওয়ের বাবলাতলা নামক জায়গা থেকে লরি চালককে গ্রেফতার করেছে হাওড়া ট্রাফিক পুলিশ।

    জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুক্রবার সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ মাটি বোঝাই একটি লরি প্রচণ্ড গতিতে এসে ধাক্কা মারে বড়িশা হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রকে। তার বাবা ছিটকে গিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই খুদে পড়ুয়ার (Road Accident)। গুরুতর জখম তার বাবা সরোজ সরকারকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যাসাগর হাসপাতালে। সেখান থেকে তাঁকে পাঠানো হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। বর্তমানে, এসএসকেএম-এর ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন পড়ুয়ার বাবা। এদিকে, এই দুর্ঘটনার পরই রাস্তা অবরোধ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে স্থানীয় মানুষজন। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। পুলিশ ভ্যানে আগুন লাগিয়ে দেয় ক্ষিপ্ত জনতা। পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় (Road Accident)। পথচলতি সাধারণ মানুষকে এই কারণে ব্যাপক দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। এরপরে পরিস্থিতি সামাল দিতে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী ও পুলিশের তরফে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়েছে বলে খবর রয়েছে।

    বিক্ষোভকারীদের দাবি

    এদিন বিক্ষোভকারীরা বলতে থাকেন যে পুলিশ নিজের কাজ করে না। ঘুষ খেতে ব্যস্ত। পুলিশ সচেষ্ট হলে এমন ঘটনা কি ঘটতে পারে? এদিন স্কুলের অভিভাবকদের মুখেও শোনা যায় ক্ষোভের সুর। তাঁরা ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলতে থাকেন যে স্কুলের সামনে কোনও ট্রাফিক পুলিশ থাকে না। দূরে যারা বসে থাকে তারা সবসময় ফোন নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে। অন্যদিকে বড়িশা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘‘আমার একটি ছেলেকে এইভাবে হারাতে হবে (Road Accident) আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। পুলিশ যদি সচেতন হতো, তাহলে এই ঘটনা ঘটত না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Accident: দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে লরি পিষে দিল মারুতিকে, প্রাণ গেল স্বামী, স্ত্রী, চালকের

    Road Accident: দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে লরি পিষে দিল মারুতিকে, প্রাণ গেল স্বামী, স্ত্রী, চালকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরুতে মেয়ের কাছে গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ হয়ে সস্ত্রীক বাড়ি ফিরছিলেন রণজিৎ মণ্ডল নামে অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। দমদম এয়ারপোর্ট থেকে প্রাইভেট গাড়ি করে ফেরার পথেই ঘটল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা (Road Accident)। ঘটনাস্থল দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে। দুর্ঘটনায় রণজিৎ মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী এবং গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম রণজিৎ মণ্ডল (৬৪) ও তাঁর স্ত্রী বিজলী মণ্ডল (৫৯)। তাঁদের বাড়ি বর্ধমান শহরের আনন্দপল্লি এলাকায়। আর গাড়ি চালকের নাম বেচু ঘোষ (৩৪)। তাঁর বাড়ি বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুরের ঘোষপাড়ায়।

    ঠিক কী করে ঘটল দুর্ঘটনা (Road Accident)?

    এদিন ভোরে গুড়াপ থানার মাজিনান ব্রিজের কাছে তাঁদের চার চাকা গাড়ি দুটি লরির মাঝে পড়ে চিঁড়েচ্যাপ্টা হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান তিন আরোহী। কলকাতা থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিল ওই মারুতি গাড়িটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ওই মারুতি গাড়ির গতি ভালোই ছিল। সামনেই একটি ট্রাক যাচ্ছিল। ট্রাকটি গতি কমাতেই মারুতি গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পিছনে ধাক্কা মারে। আর ওই মারুতি গাড়ির ঠিক পিছনে আরও একটি ট্রাক ছিল। সেই ট্রাকটি মারুতি গাড়িটিকে পিষে দিয়ে চলে যায়। তার পিছনে থাকা আরও একটি লরি দুর্ঘটনার (Road Accident) কবলে পড়ে। পুলিশ দুটি লরি আটক করেছে। চালকরা পলাতক। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ভোর রাতে বিকট শব্দে আশপাশের এলাকা থেকে আমরা ছুটে আসি। কিন্তু, তালগোল পাকানো গাড়ি দেখে আমরা হতভম্ভ হয়ে যাই। গাড়ির ভিতর থেকে কাউকে বের করা যাচ্ছিল না। খবর যায় গুড়াপ থানায়। সেখান থেকে পুলিশ এসে গ্যাস কাটার দিয়ে গাড়ির পাত কেটে তিনটি দেহ উদ্ধার করে। ততক্ষণে ওই তিনজনই মারা গিয়েছেন। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য দেহগুলি পাঠানো হয়।

    কী বললেন মৃতের ভাই?

    দুর্ঘটনায় নিহত রণজিৎবাবুর ভাই কাজল মণ্ডল বলেন, ১৯ জুন বেঙ্গালুরুতে মেয়ের বাড়ি গিয়েছিলাম। চিকিৎসা করিয়ে দাদারা বেঙ্গালুরু থেকে ফিরছিলেন। মেয়ের বাড়ি থেকে সুস্থ হয়ে বর্ধমানে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন। রাতে দমদম বিমানবন্দরে থেকে গাড়িতে উঠেছিলেন। ভোর চারটে নাগাদ গুড়াপ থানা থেকে আমাদের ফোন করে দুর্ঘটনার (Road Accident) খবর দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রণজিৎবাবু বর্ধমান হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এই ঘটনার জেরে আনন্দপল্লি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan Accident: বৃন্দাবনের পথে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষ, মৃত ১১ পুণ্যার্থী, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Rajasthan Accident: বৃন্দাবনের পথে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষ, মৃত ১১ পুণ্যার্থী, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় রাজস্থানে প্রাণ হারালেন ১১ জন (Rajasthan Accident)। বুধবার ভোরে ২১ নম্বর জাতীয় সড়কের একটা উড়ালপুলের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল। এছাড়াও এই পথ দুর্ঘটনায় মৃতদের আত্মার প্রতি শান্তি কামনা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী আশোক গেহলট। ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং গুজরাট সরকারের তরফ থেকে। 

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা (Rajasthan Accident)?

    জানা যাচ্ছে, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি (Rajasthan Accident) ঘটে। রাজস্থানের পুষ্কর থেকে যাত্রীবোঝাই বাসটি যাচ্ছিল উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনে। জয়পুর-আগরা জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার পথে লক্ষণপুরের অন্তরা উড়ালপুলের উপর বাসটির তেল ফুরিয়ে যায়। সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়ে বাসটি। তেল ফুরিয়ে যাওয়ার পর বাসের চালক, সহকারী এবং বেশ কয়েক জন যাত্রী বাস থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের সামনে দাঁড়িয়েছিল বাসটি। এমন সময় পিছন থেকে একটি ট্রাক সজোরে ধেয়ে এসে তাঁদের ধাক্কা মারে। তার পর ট্রাকটি সোজা গিয়ে ধাক্কা মারে থেমে থাকা বাসে। এই ঘটনায় ইতি মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন মহিলা এবং ৫ জন পুরুষ।

    ভরতপুরের পুলিশ সুপার মৃদুল কাচাওয়া বলেন, “বাসটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল, কয়েকজন বাস থেকে নেমে দাঁড়িয়ে ছিলেন, আচমকা পেছেন থেকে একটি ট্রাক ধাক্কা মারে।” আহতদের ভরতপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর মৃতদেহগুলিকে স্থানীয় মর্গে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে মৃতদের পরিবারে খবর দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত আরও ১২ জন। উদ্ধার জখম যাত্রীদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক (Rajasthan Accident)। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকপ্রকাশ

    এই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটারে বিশেষ শোকজ্ঞাপন করেছেন। তিনি আহতদের জন্য জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা এবং মৃতদের পরিবারে পিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের পিছু ৪ লক্ষ টাকা এবং গুরুতর আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন (Rajasthan Accident)।  

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট গোটা ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘বাস এবং ট্রেলরের ধাক্কায় মৃত ১১ জনের প্রত্যেকেই পুণ্যার্থী ছিলেন। গুজরাটের ভরতপুর থেকে বৃন্দাবনে যাচ্ছিলেন তাঁরা। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। মৃতদের আত্মার শান্তিকামনা করি। তাঁদের পরিবার পরিজনদের ঈশ্বর শোক সহ্য করার শক্তি দিক। জখমরাও যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’’

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh Accident: হিমাচলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, রাস্তা ধসে গাড়ি পড়ল নদী-খাদে, ৬ পুলিশকর্মী সহ মৃত ৭

    Himachal Pradesh Accident: হিমাচলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, রাস্তা ধসে গাড়ি পড়ল নদী-খাদে, ৬ পুলিশকর্মী সহ মৃত ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে ফের এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৭ জনের প্রাণ গেল। মৃতদের মধ্যে ৬ জন পুলিশকর্মী। আরেকটি দুর্ঘটনায় তিন জন আহত হয়েছেন।

    কোথায় ঘটল দুর্ঘটনা ঘটনা?

    ব্যাপক বৃষ্টির জেরে হিমাচলে এখন প্রায়ই ধস নামছে। ভেঙে যাচ্ছে রাস্তা। স্তব্ধ হচ্ছে যানবাহন। তাতে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে চলেছে।  যেমনটা ঘটল শুক্রবার (Himachal Pradesh Accident)। জানা গিয়েছে, চাম্বা জেলায় তিসা থেকে বৈরা যাওয়ার পথে তারওয়াইয়ের নিকটে একটি বোলেরো গাড়ি ১০০ মিটার খাদের নিচে শিউল নদীতে পড়ে যায়। গাড়িতে মোট যাত্রী ছিলেন ১১ জন। খাদে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মারা গেছেন গাড়ির চালক। সেই সঙ্গে মৃত্যু হয়েছে আরও গাড়িতে থাকা ৬ জন পুলিশ কর্মীর। এই ছয়জন পুলিশ কর্মীরা হলেন— রাকেশ গোরা, প্রবীণ টন্ডন, কমলজিৎ, সচীন, অভিষেক এবং লক্ষ কুমার। প্রত্যেকেই আইআরবিপি চাম্বা বর্ডারে কর্মরত ছিলেন। এই পথ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। তাঁদের উদ্ধার করতে ঘটনা স্থলে পৌঁছে গেছে প্রশাসনের উদ্ধার বাহিনী।

    ঘটনা স্থলে পৌঁছায় প্রশাসন

    দুর্ঘটনার (Himachal Pradesh Accident) খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যান প্রশাসনের কর্মকর্তারা। দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃতদেহগুলোকে দ্রুত উদ্ধার করার কাজ শুরু করা হয়। প্রশাসনের তরফ থেকে পুলিশকে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য বিশেষ তদন্ত করতে বলা হয়েছে। খাদে পড়ে যাওয়া গড়িটিকে উদ্ধার কারার জন্য তোড়জোড় শুরু করেছে প্রশাসন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌঁছেছেন চুরাহ বিধানসভার বিধায়ক হংসরাজ। দুর্ঘটনা স্থলে পৌঁছে আহত এবং মৃত ব্যক্তিদের খোঁজ খবর নেন। সেই সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি সেই সঙ্গে বলেন, অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে জায়গায় জায়গায় ধস নামছে এবং বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে রাস্তা।  

    ৩০ ফুট নিচে যাত্রীবাহী বাস

    অপর দিকে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে শনিবার সকালে সলান জেলায় (Himachal Pradesh Accident) শিমলা-কালাক সড়ক ধসের কারণে যাত্রীবাহী বাস ৩০ ফুট বাস নিচে গিয়ে পড়েছে। ১৪ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রাজ্যের রাজস্ব মন্ত্রী জগৎ সিংহ নেগি জানিয়েছেন, ধসের জন্য এই রাজ্যে প্রায় ২০০ রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: গাড়ি কেনাই কাল হল! হাওড়ায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই অধ্যাপিকা সহ তিনজনের মৃত্যু

    Howrah: গাড়ি কেনাই কাল হল! হাওড়ায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই অধ্যাপিকা সহ তিনজনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দুই অধ্যাপিকাসহ তিনজনের। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বই রোডে হাওড়ার (Howrah) উলুবেড়িয়ার কুলগাছিয়া উড়ালপুলে। জখম যুবককে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গাড়ির ভিতরে থাকা দুই অধ্যাপিকা সহ তিন জনের মৃত্যু হয়। দু-জনেই বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা ছিলেন। জানা গিয়েছে, উত্তরপাড়ার বাসিন্দা নন্দিনী ঘোষ (৩৬) মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশা রায় (৩৩) দূরশিক্ষা বিভাগের পরিবেশ বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক। মিশার বাড়ি সোদপুরে। একইসঙ্গে মৃত্যু হয়েছে গাড়িচালক বিশ্বজিত রায়ের(৩১)। বিশ্বজিতের বাড়িও উত্তরপাড়ায়।

    ঠিক কীভাবে দুঘর্টনা ঘটেছে?

    দুই অধ্যাপিকার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোয়ার্টার রয়েছে। তবে, মাঝেমধ্যে বাড়ি থেকে গাড়ি করে যাতায়াত করতেন তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খড়্গপুরের দিকে যাচ্ছিল ট্রেলারটি। উল্টো লেনে ছিল গাড়িটি। মেদিনীপুর থেকে নন্দিনীর গাড়ি করে তাঁরা হাওড়ার দিকে ফিরছিলেন। হাওড়ার (Howrah) উলুবেড়িয়ার কুলগাছিয়া উড়ালপুলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রেলারটি হঠাৎই ডিভাইডার টপকে পাশের লেনে চলে যায়। সেই সময় ওই লেনে কোলাঘাটের দিক থেকে আসছিল নন্দিনীদের গাড়িটি। ট্রেলারের সঙ্গে গাড়ির মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। গাড়ির মধ্যে আটকে পড়েন চালক সহ তিন যাত্রী। খবর পেয়ে আসে উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁদের নিয়ে আসা হয় উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    পরিবারের লোকজনের বক্তব্য?

    নন্দিনী ঘোষের বাবা সুদীপ ঘোষ বলেন, এক সময় মেয়ে শ্রীরামপুর কলেজে পড়াত। পরে, সে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেয়। ট্রেনে যাতায়াত করত। কিন্তু, লকডাউনের সময় গাড়ি কিনেছিল। গাড়ি করে যাতায়াত করত। সঙ্গে সোদপুরের মিশা থাকত। সোমবার সকালে আমি নিজে হাতে টিফিন তুলে দিয়েছি। বিকেলের পর মেদিনীপুর থেকে বেরিয়ে ওর মায়ের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। রাত ৮ টার পর আর তাঁদের খোঁজ মিলছিল না। প্রাক্তন আইপিএস হিসেবে তিনি লালবাজারে পুরানো সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপরই হাওড়ার (Howrah) পথ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কার্যত তিনি ভেঙে পড়েন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share